২য় সংস্করণ, ৫ম মূদ্রণ, মার্চ , ২০২৫
ঐতিহাসিকের নোটবুক
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
American Trade In Bengal
সিরাজুল ইসলাম
স্পাই স্টোরিজ ২
মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা
২৪-এর গণঅভ্যুত্থান : স্মৃতিচারণ ও ইতিহাস
আবদুল্লাহ আল মাসউদ
প্রিজনারস অফ জিয়োগ্রাফি
টিম মার্শাল
ফিলিস্তিনের পাশে থাকুন
ড. রাগিব সারজানি
বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ভারত
আশিফুল ইসলাম জিন্নাহ্
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ঐতিহাসিকের নোটবুক |
| Author | সিরাজুল ইসলাম |
| Publisher | কথাপ্রকাশ |
| Edition | ২য় সংস্করণ, ৫ম মূদ্রণ, মার্চ , ২০২৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 270 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | রাজনীতি |
| Weight | 0.08 Kg |
| ISBN | 9847012001355 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
18 Ratings and 5 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৫টিranjan das , Apr 14, 2022
"nice book to start."
Mashkawat Quader Ohee , Sep 28, 2021
"A must read"
Tanvir Zaman khan , Aug 30, 2021
"Darun"
Nazmul Hasan , Apr 21, 2021
"ইতিহাসের অজানা গল্পগুলোকে জানতে চাইলে বইটি পড়া উচিত।"
Shadin Pranto , Nov 2, 2019
"অনেকদিন পরে কোনো বই শেষ করে নিজের অজান্তেই বললাম, বাহ বেশ তো!এভাবেও বুঝি লেখা যায় ইতিহাস? বাংলাপিডিয়া খ্যাত ইতিহাসবেত্তা সিরাজুর রহমানের বাঙালি সমাজ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি আর ইতিহাসের কিছু অনালোচিত অংশকে আকর্ষণীয় করে লেখা দু'শ পাতার প্রবন্ধগুচ্ছের নাম " ঐতিহাসিকের নোটবুক "। জ্ঞানচর্চার প্রথম দিককার ধাপ হলেও বাঙালির ইতিহাস ভীতি কিংবা অনাগ্রহ বড় বেশিই প্রবল - এই তেঁতো সত্যটি ভালো করেই জানেন ঢাবির ইতিহাসের শিক্ষক সিরাজুর রহমান। গৎবাঁধা অতীতের কেচ্ছা তিনি শোনাতে চান নি। তাই ভূমিকাতেই নিজের উদ্দেশ্য পরিষ্কার করেছেন এই বলে- " এটা সত্য যে, টীকাটিপ্পনীর ইতিহাস সব পাঠক পছন্দ করেন না। তবে তাঁরা অবশ্যই অতীত ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে জানতে চান। ইতিহাস সবার জন্য। এ অনুভূতিতে আমি নিয়মিত না হলেও মাঝেমাঝে ইতিহাসমূলক লেখা বিভিন্ন সংবাদপত্র- সাময়িকীতে প্রকাশ করেছি।এগুলোর মধ্যে বাচাই করা কিছু লেখা এ প্রবন্ধ-সংগ্রহ গ্রন্থে সন্নিবেশিত হল। " বহুবিচিত্র সব বিষয়কে পুঁজি করে নিজের কলম চালিয়েছেন সিরাজুর রহমান। প্রচলিত বইয়ের পাতার বেশকিছু রথী-মহারথীকে ফুৎকার দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন ঐতিহাসিকের নোটবুকে। ঢাকার নবাবদের কথাই ধরুন না, এই বংশের উত্থান-পতনকে যেভাবে তিনি গল্পে গল্পে বলেছেন তা আসলেই দারুণ মজলিশী। তাঁর ভাষায়, " দুটো নিলামের মধ্যে সময়ের ব্যবধান এক শতাব্দীর। প্রথম নিলাম সূচনা করে ঢাকা খাজা পরিবারের উত্থান, আর দ্বিতীয়টি এর পতন। " নবাবি আর ব্রিটিশ আমলে বাংলা ছিল ভাগ্যান্বেষীদের এক অভয়আশ্রম বিশেষ। মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপ সবাই এখানে ভাগ্য ফেরাতে হাজির হত। এখন যেমন আমাদের মানুষেরা সেসব দেশে পাড়ি জমাই ঠিক তেমন। এক ভাগ্যান্বেষীর নাম আবদাল হাকিম। তার জন্মস্থান কাশ্মীরে। পেশায় সে চর্মকার তথা চামড়া ব্যবসায়ী। বঙ্গদেশের লোকেরা অাবার চামড়ার ব্যবসাকে ভালো পেশা হিসেবে দেখত না। তাই অবাঙালি মুসলমান ও বিদেশীরাই চামড়া ব্যবসায় করত। আবদাল হাকিমের নজর কিন্তু চামড়া ব্যবসায় না। সে ব্রিটিশ সাহেবদের পাইক, গোমস্তা বা সেরেস্তাদার হতে পারলেই লালে লাল। কিন্তু ঢাকা বা কলকাতায় ইংরেজরদের দালালী করার সেসব পদ সিংহ, ঠাকুর, বসাকদের দখলে ইতিমধ্যে চলে গিয়েছে । তা দেখে হতাশ আবদাল হাকিম আর্মেনীয়দের সাথে শুরু করল লবণ ব্যবসায়। তখন লবণপ্রাপ্তির বড় উৎস ছিল বরিশাল। আর্মেনীয়দের মাঝে প্রভাবশালী লবণ ব্যবসায়ী কোজা মাইকেল, কোজা ডিকস্তা, কোজা জোহানেসের পার্টনার হয়ে গেলেন আবদার হাকিম। তিনিও এক পর্যায়ে নামের আগে বসিয়ে দিলেন কোজা হাকিম। এই আর্মানিয়দের কোজাই হয়ে গেল ভারাক্কিপূর্ণ টাইটেল খাজা! আবদাল হাকিমের মৃত্যুর পর তার ভাই হাফিজুল্লাহও কোজাদলে অর্থাৎ আর্মেনীয়দের লবণ ব্যবসায়ে যোগ দেয়। কোজা মাইকেল বন্ধু নতুন কোজা হাফিজুল্লাহকে বলে, "কোম্পানির দুর্নীতি, শোষণ আর কতিপয় ভুল নীতির কারণে দেশের শিল্প ও ব্যবসা বাণিজ্য শেষ হয়ে যাচ্ছে।..... এখন পুঁজির মার নেই। জমির মূল্য যেভাবে দিনদিন বাড়ছে তাতে মনে হচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে জমিই হবে এদেশে ধন ও সম্মানের উৎস। " কোজা মাইকেলের কথাটি মাথায় গেঁথে নিলেন হাফিজুল্লাহ। এদিকে তার ভাই আলীমুল্লাহও গাঁজা, সুপারি আর আফিম বেঁচে বেশি কামাতে পারছে না। তখন এক অস্থির সময় যাচ্ছিল বটে। বাকেরগঞ্জের জমিদারি কিনে নেয় মুদি দোকানদার মানিক। রাণী ভবাণীর পরিবারের অবস্থাও টলমলে। জনৈক সাবেক লাঠিয়াল কিনেছে ভবাণীর জমিদারি। এমন সময় আসল খাজা নাকি কোজাদের ঐতিহাসিক পয়লা নিলাম। বরিশালের দু'টো পরগণা কিনলেন হাফিজুল্লাহ। লেখকের ভাষায়, "কোজা হাফিজুল্লাহ, সাকিন, ঢাকা বেগম বাজার, পেশা লবণের ঠিকাদারী, একুশ হাজার টাকা মূল্যে মহল আইলাটিয়ারখালী ও ফুলঝুঁড়ি ক্রয় করিলেন। " এই থেকে জমিদারির যাত্রা শুরু। জমি শুধু কিনেছেন আর কিনেছেন হাফিজুল্লাহ আর তার ছোট ভাই আলীমুল্লাহ। আয় করেছেন দু'হাতে। আলীমুল্লাহ হয়েছেন পূর্ববঙ্গের সেরা ধনী জমিদার। দুইহাতে আয় করেছেন তো দশহাতে ব্যয় করে জাতে উঠতে চেয়েছেন। টাকা দিয়ে সব পেয়েছিলেন আলীমুল্লাহ। কিন্তু স্থানীয় মুসলমানদের চোখে তিনি, "সুদখোর, চামড়া, লবণ, আফিম আর গাঁজার ব্যবসায়ী। " আলী মিয়া জাতে উঠতে না পারলেও শান শওকতে পুত্র গনি মিয়া ঢাকার নাজিমে নওয়াবদের হারিয়ে দেন। ইংরেজপ্রভুকে সন্তুষ্ট করে বংশানুক্রমিক নবাব উপাধি বাগিয়ে জাতে উঠে যান। লোকের কল্যাণে জলের মত টাকা ব্যয় করতেন।গনি মিয়ার জীবিত অবস্থায় ই পুত্র আহসানউল্লাহর অবস্থা পড়তে শুরু করে। আহসানউল্লাহ কোনোমতে চালাতে থাকেন। তার পুত্র সলিমুল্লাহ মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা আর বঙ্গীয় রাজনীতিতে মাততে গিয়ে ঋণে জড়িয়ে পড়েন। মহাজন হিন্দু। তারা তাঁকে বঙ্গভঙ্গ থেকে সরে আসতে চাপ দেয়। আবার ব্রিটিশ সরকারও টাকার মুলো ঝুলিয়ে পকেটস্থ করে সলিমুল্লাহকে। শেষকালে নবাব পরিবারের পতনের দ্বিতীয় নিলামের সময় এসে যায়। টাকার অভাবে সলিমুল্লাহ নিলামে হাজীগঞ্জ বেঁচে দেন। এর"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
অডার করা যাচ্ছে না কেনো?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ঐতিহাসিকের নোটবুক" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: