৩য় প্রকাশ, ২০২৫
স্পাই স্টোরিজ ২
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
২৪-এর গণঅভ্যুত্থান : স্মৃতিচারণ ও ইতিহাস
আবদুল্লাহ আল মাসউদ
প্রিজনারস অফ জিয়োগ্রাফি
টিম মার্শাল
ফিলিস্তিনের পাশে থাকুন
ড. রাগিব সারজানি
বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ভারত
আশিফুল ইসলাম জিন্নাহ্
আরব ও ইসরায়েল
মনোরমা দেওয়ান
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
শামীম আহমাদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | স্পাই স্টোরিজ ২ |
| Author | মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা |
| Publisher | শিরোনাম প্রকাশন |
| Edition | ৩য় প্রকাশ, ২০২৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 232 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | রাজনীতি |
| Weight | 0.41 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
21 Ratings and 18 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১৮টি
Md. Tanbir Rahman , Oct 4, 2026
"সুপাঠ্য। যেহেতু গোয়ান্দা রহস্য নিয়ে আগ্রহ আছে সেহেতু পড়ে বেশ তৃপ্তি পাওয়া যায়। ত্বোহা ভাইয়ের লেখা এমনিতেই পছন্দ। আবার বই হিসেবে বাস্তব ইতিহাস আরো ভালো।"
Rafid , Mar 26, 2025
"🔥"
Naqib , Oct 15, 2024
"আমরা সিনেমা, উপন্যসে যেসব থ্রিলিং স্টোরি দেখেছি বাস্তব জীবনেও যে একজন ব্যক্তি সেই অবিশ্বাস্য জিনিসগুলো করে দেখাতে পারে এই বইটা পড়লে সেটা উপলব্ধি করা সম্ভব।"
Leeon Haque , Sep 27, 2024
"দূর্দান্ত বই"
নাজমুছ ছাকিব , Jul 14, 2024
"প্রি অর্ডারে নিয়েছিলাম এই বইটি । চমৎকার একটি নন ফিকশন থ্রিলার ।"
iffat ara chaity , May 7, 2024
"দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে হাতে আসা মাত্র পড়ে শেষ করেছি। লেখক সম্পর্কে বলার কিছু নেই, না পড়া পর্যন্ত পাঠক তার লেখনীর জাদু ধরতে পারবেননা। প্রথম পর্ব পড়ে ২য় পর্বের অপেক্ষা করেছি। এখন অপেক্ষা করছি আরো অনেক পর্বের জন্য। অসাধারণ বই।"
880****799 , Mar 10, 2024
"এখনো পড়া শুরু করিনি আশা করি ভালো কিছু শিখতে পারবো বইটি থেকে।🙂"
Rifat , Mar 4, 2024
"This is the first time learning about real spies in depth!!"
Zahid Hasan Mithu , Feb 27, 2024
"ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে এসে এ বছরের প্রথম বই পড়লাম৷ এক নিঃসঙ্গ, নীরব মানুষের অসম্ভব, অবিশ্বাস্য সত্যিকার এক রোমাঞ্চকর জীবনের গল্প। যিনি আমেরিকার গোয়েন্দা ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছেন। টানা ২২ বছর ধরে আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার ভেতরে বসে তাদেরই শত্রু সোভিয়েত ইউনিয়নের হাতে তুলে দিয়েছেন শত মিলিয়ন ডলার মূল্যের গুরুত্বপূর্ণ নথি। বিনিময়ে তিনি নিয়েছেন মাত্র ৬ লাখ ডলার। অথচ তাকে খুঁজে বের করার জন্য এক রুশ এজেন্টের পেছনেই আমেরিকার খরচ হয়েছে ৭০ লাখ ডলার! পুরো বই জুড়ে টুইস্টের পর টুইস্ট। মাথায় যেন জট লেগে যাচ্ছিল৷ স্পাই ফিকশনে যেমন লেখকরা একের পর এক জট তৈরি করেন, শেষে গিয়ে সব জটগুলোকে এক সূত্রে গেঁথে দেন ঠিক সেই অবস্থা। কিন্তু ঘটনা যেহেতু বাস্তবের সে কারণে রোমাঞ্চ অনেক বেশি। এই বইতে ঘটনার পেছনের ঘটনাকে চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অনেকটা লেয়ার বাই লেয়ার। একই সাথে এই বইতে স্পাই জগতের বিভিন্ন ছোট ছোট শব্দের যেভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয় এখান থেকে ছোট একটা ডিকশনারি তৈরি করা যাবে। তবে অফিস থেকে ডিভাইস চুরি ও তাকে আটকের বর্ণনা পড়ে ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে থ্রিল একটু কম লাগছে। তখন মনে হচ্ছিলো বিষয়টা স্কিনে, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের সাথে দেখতে পারলে আরো বেশি থ্রিল অনুভব করা যাইতো। পড়ে গুগল করে দেখলাম এ বিষয়ে একটা মুভিও আছে। যদি মুভিটা দেখার ইচ্ছে আমার নাই। কারণ ঘটনার আদ্যোপান্ত সবই স্পাই স্টোরিজ-২ তে উঠে এসেছে। এক বসায় শেষ করার মতো বই। এক বসাতেই শেষ করা উচিত৷ নয়তো মজা কম পাবেন। অন্তত ডাবল এজেন্টের পরিচয় জানা পর্যন্ত। এখানে অবশ্য একবার বোকা হতে হবে৷ একবার নাম জানার পর মনে হবে যাক অবশেষে বেটা ধরা খেয়েছে। কিন্তু না। টুইস্ট আরো বাকি।"
Muhammad Moktadirul Islam , Feb 25, 2024
"" স্পাই স্টোরিজ- ২ " পড়তে বসেছিলাম। শুরুর একটা ভুমিকাতে লেখক দাবি করেন এই বইটিতে তিনি শুধু একটাই এসপিওনাজ ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। লেখক দাবী করেছেন এই বইতে যে ঘটনাটা তিনি তুলে এনেছেন সেটা স্টাডি করতে যেয়েই তার কাছে মনে হয়েছে এই একটা ঘটনাই একটা বই আকারে প্রকাশের দাবী রাখে। আমি যেহেতু লেখেকের 'স্পাই স্টোরিজ' ও 'গল্পগুলো সিরিয়ার' পড়েছি, কাজেই কিঞ্চিত মন খারাপ হলেও লেখকের লেখনীর উপর অসম্ভব আস্থার কারনে মুহুর্তেই মন খারাপ কোথায় যে হারিয়ে গেলো! জী, এটাই হচ্ছে লেখক মোজাম্মেল হোসেন তোহা এবং তার লেখনির শক্তি। একটু পেছনে ফিরে যাই। তখন আস্তে আস্তে আন্তর্জাতিক রাজনীতি, সমসাময়িক ধর্ম কালচার এবং ইতিহাস - এই তিনটি ব্যাপারে আগ্রহ বাড়ছে। পড়ার ব্যাপারে সদা সিরিয়াস আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় খুজে পেলাম ফয়সাল শোভন এবং মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহাকে। প্রথমজন শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখে এবং একটু খেয়ালি। লেখনির হাত বেশ চাঙ্গা। একটা সমালোচনা হলো প্রথমজন পশ্চিমা মিডিয়ার প্রতি বেশ বায়াসড। কিন্তু মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহাকে আমার বেশ সিরিয়াস টাইপের লেখক মনে হয়েছে, পাশাপাশি লিবিয়ায় বেড়ে ওঠার কারনে, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সদা ঘটমান যে কোনো ঘটনাকে বিশ্লেষনের আসপেক্ট তার খুবই বৃহৎ এবং অলমোষ্ট নির্মোহ। (পুরোপুরি নির্মোহ সম্ভব না, কারন লেখক নিজে একজন মুসলিম এবং লিবিয়ার গৃহ যুদ্ধ সামনে থেকে দেখেছেন। তার পরও তার লেখায় একটা নিরপেক্ষ এবং যোক্তিক বিচার থাকে।) ধিরে ধিরে রোর বাংলায় তার লেখা প্রায় কয়েক শতাধিক ফিচার পড়ে ফেললাম এবং আশ্চর্য হয়ে খেয়াল করলাম আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তার লেখা আমার ব্রেইনকে শেইপ করেছে। বুঝতে পারার পর আমি নিজেকে মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা লেখা দারা শেইপড হতে দিলাম। 🙂 ৭ তারিখে হা** এর আক্রমনের পর তার নিয়মিত ভিডিও আমার কাছে খুব আরাধ্য ব্যাপার ছিলো। সেই সময়ে তিনি কিছু পডকাষ্ট করেন। কিন্তু সত্যটা হলো, পডকাষ্টে ম্যাক্সিমাম অতিথিরাই ঊনার ভিউ অফ থটই ধরতে পারলেন না (অতিথিদের প্রতি সন্মান রেখেই বলছি)। এ থেকে আপনি মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার অবস্থান এবং পড়ালেখার ডেপথ বুঝতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার্থে তার ইউটিউব চ্যানেলের লিঙ্ক এখানে দিয়ে দিলামঃ https://www.youtube.com/@mozammelhossaintoha লেখকের সমস্ত লেখালেখির একটা ওয়েব সাইট আছে, আমি নিজে এক সময় একজন ওয়েব ডেভেলপার ছিলাম দেখেই বলছি কি অসম্ভব সুন্দর করে যে তিনি গুছিয়েছেন সাইটটা ! আপনি সেই সাইটে বংগবাজারের মতো হারিয়ে যাবেন না। সব পাবেন। সুন্দর ইন্টার লিঙ্কে কাঙ্কটেড সাইট। https://mhtoha.com/ যাক, এবার আসি বইয়ের কথায়। শুরুতেই বলেছি নন ফিকশন বইয়ের ভুমিকায় যদি একটা মাত্র এসপিওনাজ কাহিনী নিয়ে লেখার নিশ্চয়তা থাকে সেটা আমার মত সিরিয়াস টাইপের পাঠকদের জন্য একটু শঙ্কারই। কিন্তু মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার সম্পর্কে আমার আস্থা অপরিসীম। আমি আগ্রহ নিয়ে পড়া শুরু করলাম। স্পয়লার হয়ে যাবে কিনা সে সম্পর্কে খুব সাবধানী হয়ে এই বইয়ের রিভিউ লিখছি। স্পাই স্টোরিজ শুরু হয়েছে রাশিয়ান রেজিডেন্টুরার কাহিনী দিয়ে, মানে রাশিয়ান স্পাই এজেন্সি কেজিবিকে নিয়ে। প্রতিটা ছোটো ছোটো স্টোরি দিয়ে মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা কেজিবির অপারেশন গুলা তুলে ধরেছেন এই বইয়ে। আপনারা আগেই জেনেছেন এই বইয়ে একজন অতি দুর্ধর্ষ ডাবল এজেন্টের কাহিনী আছে। সেখানে তিনি এক রকমের 'পরিচিতি মূলক' আঙ্গিকে কেজিবি অধ্যায় গুলো কিভাবে তুলে ধরবেন- সেটা নিয়ে আমি শঙ্কিত ছিলাম। কিসের কি ! কখন যে আমি কেজিবি থেকে সি আই এ / এফ বি আই তে সুইচ করেছি বইয়ের মাঝে সেটা অনেকটা টেলিকমিনিকেশনের সেল হ্যান্ডেলের মতোই। অসাধারন লেখনি বিন্যাস। এককেটা কেজিবি ঘটনার পারদ মিটার হাই হতে হতে ব্লাষ্ট না হয়ে কখন যে সি আই এ / এফ বি আই তে ঢুকেছে। অহহহ। আনবিলিভেবল। ( আমি নিজেও কিঞ্ছিত লেখালেখি করি বিধায় লেখনির উপর কিছু পড়ালেখা আছে। সেই সব ফর্ম্যাটে ফেলে আমি স্পাই স্টোরিজকে বিচার করছি।) কেজিবির ভিক্টর চেরকাশিনকে যতবারই পড়েছি এই বইয়ে ততবারই আমার মনে হয়েছে চেরকাশিন আমার ঠিক সামনেই বসে বসে সব হ্যান্ডলারদের হ্যান্ডেল করছেন। বইয়ে এসব গুরুত্ব পুর্ণ চরিত্রের ছবি সংকলন বইয়ের থ্রিল আরো কয়েকগুন বাড়িয়ে দিয়েছে। চেরকাশিনকে পড়তে পড়তে আমার মনে হচ্ছিলো 'ইস, যদি চেরকাশিনকে একটু দেখতে পারতাম'। ঠিক তখনই চেরকাশিন চরিত্রের ছবি সংকলন!!! ওয়াও। কাহিনী এগিয়েছে সাবলীল ভাবে। এরপর আপনি যখন রচফর্ড চরিত্রের সাথে পরিচিত হবেন তখন আপনার মনেই হবে আপনি নোলান এর ব্র্যান্ডো অভিনীত কোনো হাই প্রোফাইল স্পাই থ্রিলারের মাঝ পর্যায়ে আছেন। মজার ব্যাপার হলো এক সময় আমি শিওর হয়ে গেলাম ব্রায়ান কেলিই সেই ডাবল এজেন্ট কিন্তু পাঠক, এটা মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার লেখা বই। আপনাকে টুইষ্ট / কাউন্টার টুইষ্ট এর স্বাদ না দিয়ে লেখক শেষ করবেন ?! হতেই পারেনা। বিলিয়ন ডলার খরচ করে কিভাবে ভুল পথে ইনভেষ্টিগেট করে সি আই এ এগিয়েছে সেইসব কাহিনী পড়ার সময় যে অবলিলায় আপনার এড্রিনালিন সিক্রেশন বেড়ে যাবে - সেটা এক কথায় নিশ্চিত। আর সি আই এ এর মত এত বড় এজেন্সিকে নাকানি চুবানি দিয়ে কিভাবেই বা ডাবল এজেন্ট এত বছর ধরাছোয়ার বাইরে থাকলেন - সেই বর্ননার পরতে পরতে শুধু থ্রিলই থ্রিল। বইয়ের প্রছদ এক কথায় এলিট অফ দা এলিট। শুধু প্রছদটাকেই পোষ্টার আকারে বাধিয়ে রাখা যাবে। আর প্রচ্ছদ প্রিন্টিং এ স্পট লেমিনেশন বইয়ের গুরুত্ব বাড়িয়েছে কয়েকগুন। একটা আলাদা জোশ ডিজাইনের বুকমার্ক সব সময়ই আপনাকে আনন্দ দিবে এটা নিশ্চিত। এইসব বিচারে বইয়ের দাম ৪০০ টাকা একটু কমই!!! যাক, আমার আন্তর্জাতিক রাজনীতি বোঝা এবং আগ্রহ তোরি করার ক্ষেত্রে মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার অবদান অসীম। হ্যা, এটা ঠিক আমি এরপর অনেক কিছুই পড়েছি। অনেক। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার লেখনির মাধ্যমে কোনো একটা ঘটনা দেখার যে দর্শন আমার ভিতর তৈরি হয়েছে, তার কারনেই আমি রুট অথবা সত্য জানার চেষ্টা করতে পারছি। আপনাকে কখনও ধন্যবাদ দেয়া হয় নাই মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা ভাই। আজকেও দেব না। ধন্যবাদ দেয়া হয়ে গেলে কেন জানি মনে হয় থ্রিলটা আর থাকবে না। আমি বাড়িয়ে বলি না - এটা জানবেন। কারো প্রশংসার ব্যাপারে আমাকে বেশ কিপ্টা বলে বলা হয়। কিন্তু সত্য বলতে দ্বিধা কাজ করে না। আমি মনে করি, আপনার এই লেখা আল্লাহ আরো শানিত করবেন। আপনি জেনে খুশী হবেন অনেক পাঠকই আমার মত নিজের অজান্তে আপনার লেখা দ্বারা চরম ভাবে প্রভাবিত হন। এটা নিঃসন্দেহে অনেক বড় ব্যাপার। দোয়া কইরেন আমি যেন আপনার মত বড় কিছু হতে পারি কোনো একদিন। 😛 দেখবেন একদিন তখন এই দেশের ইউনিভার্সিটি গুলাতে পি এইচ ডি থিসিসের বিষয় হবে " মুহামদ মোক্তাদিরুল ইসলামের জীবনে মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার লেখার অবদান।" 😛 ভালো থাকবেন। নতুন জীবনের শুভেচ্ছা জানানো হয় নাই। শুভেচ্ছা আর দোয়া, সালাম। নিশ্চয়ি আল্লাহ আপনাকে ও আপনার পরিবারকে হেফাজত করবেন। জাযাকাল্লাহ খাইরান।"
Khaled Masud , Feb 24, 2024
"বাস্তব ঘটনা কখনো কখনো জেমস বন্ডের কাহিনি কেউ হার মানায় এমন এক ঘটনার জলন্ত সত্য কাহিনীর বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে স্পাই স্টওরইজ ২ এ। এই বইয়ের প্রতি পাতায় পাতায় বিশ্বের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনীর বর্ণনা লেখক তাঁর অসাধারণ শীল্প শৈলীর মাধ্যমে তুলে এনেছেন। এটাকে গোয়েন্দা গল্প বলা ভুল হবে কারন এটি হবে গোয়েন্দাদের সত্যিকারের ঘটনা প্রবাহের এক দুর্দান্ত লেখা।"
Salim Hossain , Feb 23, 2024
"গুপ্তচরবৃত্তি মানব ইতিহাসের বহু পুরনো একটি পেশা। তবে কল্পকাহিনীর স্পাই আর বাস্তবের স্পাই জীবনের বাস্তবতা কিছুটা হলেও ভিন্ন। আমিতো বলবো, মোটাদাগে ভালো রকমের তফাৎ আছে। তবে তফাৎ যাই হোক, গোয়েন্দা কাহিনী, থ্রিলার পড়তে যারা ভালোবাসেন, তাদের জন্য সত্যিকারের এসপিওনাজ ঘটনাসমৃদ্ধ বই কিছুটা বিরিয়ানির কিংবা ফুচকার স্বাদ এনে দেয়। সম্প্রতি মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার 'স্পাই স্টোরিজ ২' পড়ে শেষ করলাম। পড়ার পর আপাতত ২টি বিষয় নিয়ে আলাপ করা যেতে পারে। ১. কন্টেন্ট একটি বইয়ের প্রাণ। সেটা ভালো হলে অন্যান্য ত্রুটি পাঠক হিসেবে এড়িয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়। সেদিক থেকে কন্টেন্ট আমার কাছে ফার্স্টক্লাস লেগেছে। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মত ভিন্ন ট্রেড থেকে লেখালেখিতে এসে উন্নতমানের লেখা উপহার দেয়ার ঘটনা অনেক আছে আমাদের বাংলা সাহিত্যে। সেই তালিকায় এই লেখক আপন শক্তিতে জায়গা করে নিয়েছেন। নাম করা অনেক লেখক ও প্রকাশনী থেকে বের হওয়া বইয়ের ভেতর এখন একটা কমন মহামারী দেখা যায়, সেটা হচ্ছে- 'র' এবং 'ড়' এই দুটো বর্ণ কোথায় ব্যবহার করতে হয় তাঁরা জানেন না। কিন্তু এই বইটি সেদিক দিয়ে দারুণ শান্তি দিয়েছে। 'শিরোনাম প্রকাশনী' এর আগে আমি চিনতাম না (সেটা আমার অজ্ঞতা), কিন্তু পুরো শিরোনাম টিমকে অভিনন্দন এমন 'মহামারী' মুক্ত একটা বই বাজারে আনার জন্য, পাঠককে বিরক্ত না করার জন্য, শান্তি দেয়ার জন্য। আমেরিকা আর রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার 'টম এন্ড জেরি' খেলা এতটাই উপভোগ্য ছিলো যে, আমার কাছে মনে হয়েছিলো বই পড়ছিনা, সিনেমা দেখছি (আশাকরি এই বইকে উপজীব্য করে ভবিষ্যতে কোন দক্ষ নির্মাতা চলচ্চিত্র বানাবেন)। 'এজেন্ট বি' জাস্ট মাইন্ড ব্লোয়িং। কারণ, এক 'এজেন্ট বি'কে ধরতে গিয়ে কতগুলো স্পাইকাহিনী সামনে চলে এলো, কতগুলো মানুষের গল্প পড়ে ফেললাম মন্ত্রমুগ্ধের মত! তবে লেখকের একটা সিগনেচার ঢঙ আছে লেখার। সেটা 'স্পাই স্টোরি' নামে তাঁর পূর্বপ্রকাশিত একটি বই আছে সেটা পড়লেই বোঝা যাবে। যেমন, তাঁর বই সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা, সুতরাং এখানে রঙ লাগিয়ে পাঠকমনে জায়গা করার সুযোগ নেই। কিন্তু প্রতিটা ঘটনার একটা পজ লাইন আছে, সাময়িক পজ, সেই পজে/বিরতিতে তিনি নিজের আয়োজনে কিছু বাক্য যুক্ত করে থাকেন। সম্ভবত এই লেখকের সেটাই একটা গোপন মেধা। কারণ বিরতিতে যুক্ত করা নিজস্ব কয়েক বাক্যের মত বা বিশ্লেষণ পুরো ঘটনাকে রঙ্গিন করে দেয়, তাঁর বলার স্টাইলটা এতটাই দারুণ। তবে এটাকে শুধু লেখকের মেধা বলবো না, এটা তাঁর লেখার প্রতি, তাঁর সৃষ্টির প্রতি ডেডিকেশান বা অকৃত্তিম ভালোবাসা। স্পাই, ডাবল এজেন্ট, ট্রিপল এজেন্টসহ অনেক নতুন শব্দের সাথে পরিচিত হয়েছি। ৬৭টি ফুটনোট আছে এই বইয়ে শুধু অচেনা এসপিওনাজ জগতের সাংকেতিক শব্দের বিশ্লেষণ দেয়ার জন্য। ২২টি রেফারেন্স দেয়া আছে একদম শেষের পাতায়। স্পাই জীবনের রোমাঞ্চ, বিলাসবহুল জীবন, ক্ষমতা, ঝুঁকি, দারিদ্র, সিদ্ধান্ত, এনালাইসিস, যোগাযোগ, মানে স্নায়ুযুদ্ধ যেন প্রতিটি পাতায় পাতায়। এতটা ভয়ঙ্কর ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও এসপিওনাজ জীবনে বেছে নেয়া মানুষগুলোর জীবন আসলে কেমন হয়? কী হয় শেষতক এসব বিশ্বাসঘাতক এজেন্টদের ভাগ্যে? আর এতসব ভয়ানক ঘটনার মাঝখানে থেকে 'এজেন্ট বি' কেন নিজেকে 'জেমস বন্ড' ভাবতে গেলেন? ২৫ বছরের কর্মজীবনে ২২ বছরই কীভাবে কেজিবির হয়ে কাজ করে গেলেন? কেনই বা সেটা করলেন? কী ছিলো তাঁর অদ্ভুত মনস্তত্ত্ব? সবমিলিয়ে কন্টেন্ট আমাকে ভালো লাগিয়েছে। অবশ্য লেখক ভূমিকাতেই বলেছিলেন, পাঠকের প্রতি অবিচার করবেন না। ইয়েস, তিনি সুবিচারই করেছেন, কথা রেখেছেন। বইয়ের শেষে আমেরিকার এজেন্সিগুলোকে গ্লোরিফাই করে লেখা বই, রাশান এজেন্সি ও এজেন্ট বি নিয়ে আপনার বিশ্লেষণ ঠিক আমার পাঠকমনের না বলা কথাগুলোই বলেছেন। ২. বইটার মেকিং এতই দারুণ যে, প্রচ্ছদ, কাভার, হার্ডকাভার, পুস্তনি, প্রতিটি পাতার ও অধ্যায়ের অলঙ্করণ, কাগজ, রিবণ, বুকমার্ক সবকিছু এই বইয়ের প্রতি আন্তরিক যত্নের সাক্ষর বহন করছে। মনটা সত্যিই ভরে গিয়েছে বইটি হাতে নিয়ে। প্রচ্ছদ শিল্পী সজল চৌধুরীকে একটা ধন্যবাদ না দিলে অন্যায় হবে। শিরোনাম প্রকাশনী, আপনাদের পুরো টিমকেও ধন্যবাদ জানাই। শুধু প্রচ্ছদ আর অলংকরণ নিয়েই সম্ভবত ১০ মিনিট বলা লাগবে যদি ভিডিও বানাই! একটা প্রশ্নঃ ১৯৯০ সালে ফেলিক্সের উপর থেকে নজরদারির ইতি টানা হলে ফেলিক্সের জীবন একরকম বিধ্বস্ত হয়ে যায়। শেষতক পাবলিক বাসে ড্রাইভারি করেও বেঁচে থাকতে হয়। কিন্তু ৩২ নম্বর পাতায় একটা ছবিতে ক্যাপশন দেয়া ১৯৯৮ সালে ফেলিক্স ভিয়েনার একটি পার্টিতে। এটা কীভাবে সম্ভব!! আমার ধারণা এটা হবে ১৯৮৮, কারণ ৮৮তে ফেলিক্স চাকরিতে বহাল তবিয়তেই ছিলেন। পুনশ্চ ০১ঃ যেহেতু এটা একটা সত্য ঘটনার এসপিওনাজ স্টোরি, সেহেতু লেখক বইয়ের ভেতর অনেক চরিত্রের ছবি বিভিন্ন পাতায় দিয়ে দিয়েছেন। যেটা পাঠকের জন্য ভালো লাগার উদ্রেক করবে। পুনশ্চ ০২ঃ বইমেলার অপেক্ষায় না থেকে, বছরের মাঝে অন্তত আরও একটি বই বাজারে আনলে পাঠকের ক্ষুধা নিবারণ হতো। গোপন কথাঃ লেখকের নিজের ওয়েবসাইট আছে, সেখানেও অনেক লেখা পাবেন। আমার সব পড়া শেষ, চাইলে আপনারাও পড়তে পারেন। বইয়ের নামঃ স্পাই স্টোরিজ ২ লেখকঃ মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা প্রকাশকঃ শিরোনাম #bookreview #espionage #thriller #spystories #spystories2 #mozammelhossaintoha #salimhossain"
Noufel Ahmed Bhuiyan , Feb 21, 2024
""I trust no one, not even myself." ( আমি কাউকে বিশ্বাস করি না, এমনকি নিজেকেও না।) এ কথাটি বলেছিলেন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী জোসেফ স্তালিন। তবে এই কথাটি এসপিওনাজ জগতের জন্য এক কঠিন সত্য। স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কেজিবি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ-এর দ্বৈরথ সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। যদিও সিআইএ টিকে থাকলেও বর্তমানে কেজিবি সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাগের পর বিলুপ্ত হয়ে যায়। অনেকেই হয়তো জানেন যে, রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ১৬ বছর কেজিবির গোয়েন্দা ছিলেন এবং তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদবীতে থেকে অবসর গ্রহণ করেন। মূলত স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন ব্লক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্লকের মধ্যে গুপ্তচর বৃত্তি বেড়ে যায় বহুগুণ। এ সময়টাতেই জন্ম হয় অসংখ্য ডাবল এজেন্টের ( যে গোয়েন্দা কোন একটি সংস্থা বা দেশের হয়ে কাজ করার ভান করে গোপনে প্রতিপক্ষ দেশের হয়ে কাজ করে )। সেরকমই স্নায়ুযুদ্ধের সফলতম এক ডাবল এজেন্টের কাহিনী নিয়ে Mozammel Hossain Toha হাজির হয়েছেন তার "স্পাই স্টোরিজ ২" বইটিতে। লেখককে আমি মূলত Roar বাংলা এর কিছু আর্টিকেল পড়ে চিনেছি। বিশেষ করে তার ই স রা ই ল - ফি লি স্তি ন সং ঘাত নিয়ে কিছু লেখা আমার খুবই ভালো লেগেছে। এবার বইয়ের কথায় আসি। বইটি পড়ে অনেক নতুন টার্মের সাথে পরিচিত হলাম, যেমন- হ্যান্ডলার, পিচ, ড্রাইক্লিনসহ আরো অনেক। যেখানে কোন দুর্বোধ্য টার্ম বা শব্দ আসে তার নিচেই সে শব্দের ব্যাখ্যা দেওয়া থাকে। তবে কিছু শব্দের ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা দেয়াটা অযৌক্তিক মনে হয়েছে। যেমন: ফিনিশ ( ফিনল্যান্ডের নাগরিক ), ক্যাথলিক ( খ্রিস্ট ধর্মের প্রধান একটা সম্প্রদায় ), ইনফর্মার ( চর বা তথ্যদাতা ), ফরেনসিক এনালাইসিস (আদালত সম্বন্ধীয় বিশ্লেষণ)। এ জাতীয় শব্দ সম্পর্কে প্রায় সকলেই অবগত। বইটি অত্যন্ত সাবলীল এবং সহজ সরল ভাষায় লেখা। স্নায়ুযুদ্ধ এবং এসপিওনাজ জগতের মত দুর্বোধ্য জিনিসগুলোকে লেখক খুবই প্রাঞ্জলভাবে পাঠকের সামনে উপস্থিত করতে পেরেছেন বলে অবশ্যই তিনি প্রশংসার যোগ্য। বইটি পড়ে যে ব্যাপার উপলব্ধি করা যায় তা হল বাস্তবজগতের গোয়েন্দা কাহিনীগুলো খুবই কমপ্লিকেটেড এবং তারা রূপালী পর্দার যেকোনো স্পাই মুভির কাহিনীকে হার মানাতে বাধ্য। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হচ্ছে এই স্পাইরা কিভাবে জনসাধারণের মাঝে মিশে যায় অথবা কিভাবে তাদের আসল পরিচয় গোপন রেখে বছরের পর বছর সরকার এবং আশেপাশের মানুষকে ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে তা আপনাকে অবাক করবে। বুদ্ধিমত্তা, দেশপ্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা এইসব কিছু মিলে বইটিকে খুবই ইন্টারেস্টিং করে তুলেছে। Kudos to the writer for connecting all the dots perfectly. ব্যাপারটা এমন নয় যে বাংলা সাহিত্যে এ ধরনের বই কখনো লেখা হয়নি। তবে লেখক যেখানে অনন্য হয়ে উঠেছেন তা হল তিনি তার পারপাস সার্ভ করতে পেরেছেন। অর্থাৎ বইটিকে সহজবোধ্য ভাষায় পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে পেরেছেন। লেখকের লেখার ধরন আমাকে অনেকটা ড. আকবর আলী খানের "পরার্থপরতার অর্থনীতি" বইয়ের লেখার স্টাইলকে মনে করিয়ে দেয়। তিনিও অর্থনীতির দুর্বোধ্য জিনিসগুলো অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় পাঠকের জন্য উপস্থাপন করেছিলেন। আশা করি লেখক এই স্পাই স্টোরিজ সিরিজকে নিয়ে ভবিষ্যতে আরো এগিয়ে যাবেন। সবশেষে একটি উক্তি দেয়ার লোভটা আর সংবরণ করতে পারলাম না। " The worst thing about the betrayal is - it never comes from the enemy.""
Rehnuma Rubayat Prapty , Feb 12, 2024
"❛ꜱᴘɪᴇꜱ ɢᴏ ᴛᴏ ʙᴀʀꜱ ꜰᴏʀ ᴛʜᴇ ꜱᴀᴍᴇ ʀᴇᴀꜱᴏɴ ᴘᴇᴏᴘʟᴇ ɢᴏ ᴛᴏ ʟɪʙʀᴀʀɪᴇꜱ: ꜰᴜʟʟ ᴏꜰ ɪɴꜰᴏʀᴍᴀᴛɪᴏɴ ɪꜰ ʏᴏᴜ ᴋɴᴏᴡ ᴡʜᴇʀᴇ ᴛᴏ ᴀꜱᴋ. – ᴍɪᴄʜᴀᴇʟ ᴡᴇꜱᴛᴏɴ❜ মুভি দেখা, বই পড়ার ক্ষেত্রে অন্যতম টানটান একটি জনরা হলো এসপিওনাজ। এই ঘরনায় থ্রিলার উপভোগ করে না এমন মানুষ মনে হয় কমই। স্পাইদের জীবনটা অদ্ভুত। কেউ দেশের স্বার্থে, আদর্শের জন্য নিজের সাধারণ জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলে স্পাই হয়। নিজের দেশকে ঝুঁকি থেকে মুক্ত করে। আবার কেউ দেশের স্বার্থই তুচ্ছ করে দেশের সাথে বিশ্বাসঘা ত ক তা করে শত্রু দেশের হাতে তথ্য তুলে দেয় আর্থিক লাভের কারণে। কেন একজন মানুষ স্পাই বা ডাবল এজেন্ট হয়? কেউ হয়তো চাপে পড়ে, কোনো গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার হুমকিতে, কেউবা টাকার লোভে, কেউ আবার নিজের যোগ্যতা প্রমাণের ফ্যান্টাসিতে নিজের জীবনকে দ্বৈত জীবনে রূপ দেয়। আমেরিকা রাশিয়ার দ্বন্দ্ব বেশ পুরোনো ব্যাপার। সময়টা এমন যখন দুই দেশের মধ্যে চলা ঠান্ডা স্নায়ু যু দ্ধ একেবারে চরম অবস্থায় চলছে। রাশিয়ার কেজিবি একদিকে অপরদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই, সিআইএ এর দৌরাত্ম্য চলছে। এফবিআই ছুটছে রুশ এজেন্টকে রিক্রুট করে তাদের অভ্যন্তরীণ তথ্য জেনে নিতে। অপরদিকে সোভিয়েত চাইছে মার্কিন এজেন্টদের হাত করে তাদের পরিকল্পনা জেনে নিতে। দুই দেশের মাঝে চলা এই চো র পু লি শ খেলায় সৈন্য হিসেবে তাই দুইপক্ষের অনেকেই একে অন্যের জালে জড়িয়ে গেছে। এদিকে আড়িপাতা চলছে তো অপরদিকে তাদের কাজ সরষের ভূতই একদম প্যাকেজ আকারে জানিয়ে দিচ্ছে বিপক্ষকে। কেউ কেউ আবার ট্রিপল এজেন্টের ভূমিকাও পালন করে। লক্ষ্য তথ্য আদায় আর তা দিয়ে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণের। স্পাই জগৎ এমন এক জগৎ যেখানে বিশ্বাসের আনাগোনা কম। প্রতি মুহূর্তে যেখানে সন্দেহের নতুন নতুন বাড়ি তৈরি হয়। এমন অস্থির সময়েই কেজিবির কাছে সুন্দর এক প্যাকেজ পাঠায় অজানা এক মানুষ। নিজের নাম পরিচয় আড়াল করে কিছু থলের বিড়াল ছেড়ে দেয় কেজিবির কাছে। কেজিবি কর্মকর্তার তো মাথায় হাত! এসব তথ্য অজানা এই ব্যক্তি এত চতুরতার সাথে কী করে পাঠালো! তবে সে নিশ্চয়ই বড়ো কোনো ব্যক্তি, যে কী না স্বেচ্ছায় গু প্ত চ রবৃত্তি করতে চাচ্ছেন। বীণ বাজানোর আগেই সা প যদি নাচতে থাকতে তবে সাপুড়ে আর থেমে থাকে কেন? কেজিবিও তাই তাদের অজ্ঞাত এই স্পাইকে লুফে নিলো। কোনো নামধাম না পেয়ে তাই তার নাম দিলেন ❛এজেন্ট বি❜। সদা সতর্ক এবং চতুর এজেন্ট বি তাই নিজের পরিচয় এমনকি দেখা করার স্থানও এমনভাবে ঠিক করেন যাতে করে কোনোভাবেই কেউ তাকে ধরতে না পারে। এদিকে কেজিবির কাছে বি এর পরিচয় থেকে তার পাঠানো তথ্য গুলোই মূল্যবান। তাই লেনদেন আর প্রশংসা বাক্য দিয়েই চলে তাদের মধ্যকার কাজ। এদিকে কেজিবি এভাবে শত্রুর তথ্য পেয়ে যাচ্ছে এটা কি চুপচাপ বসে মার্কিন কর্তৃপক্ষ দেখে যাবে? অবশ্যই না। তাদের মধ্যেও আছে কেজিবিকে ধোঁকা দিয়ে এফবিআইয়ের কাছে তথ্য পাচার করা রাশিয়ান স্পাই। একদিকে তথ্য লিক হচ্ছে অপরদিকে সে তথ্যও পেয়ে যাচ্ছে। কী এক আজব খেলা ভাবা যায়! কেজিবির বিশ্বাসঘা ত ক এজেন্ট M&M সহ বেশ কিছু এজেন্টও চতুরতার সাথে এফবিআইকে দিয়ে যাচ্ছে তাদের গোপন খবর। এসব খবরের ভিত্তিতেই এফবিআই এইমস সহ বেশ কিছু ডাবল এজেন্টকে ধরতে সমর্থ হয়। সন্দেহ করে ব্রায়ান কেলি থেকে জ্যাক প্ল্যাটের মতো কর্মকর্তাকেও। তারাও কি ছিল কোনো রাশান স্পাইয়ের লোক? আবার অপর ঘাঁটিতে এজেন্ট বি নামক চতুর স্পাইয়ের তথ্যে কেজিবি মার্টিনভ থেকে শুরু করে মোটোরিনের মতো সর্ষের ভূতকে ধরতে পারে। কিন্তু মার্কিন গোয়েন্দা শিবিরে এত ধরপাকড়, স্টিং অপারেশনের পরেও যেন স্বস্তি নেই। কোনোভাবে যদি এক বা দুইজনকে ধরা হয়ও দেখা যায় তাদের সম্পৃক্ততা নির্দিষ্ট কিছু স্থানে। তবে বাকি ঘাঘু তথ্যগুলো সাফাইয়ের কাজ করছে তাদের ভেতরেই থাকা অন্য কোনো মোল! এমনও হতে পারে, যে মোলকে খুঁজতে এত কাহিনি সে মোলই এই তদন্ত পরিচালনা করছে! মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার বলা যায় মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তদন্ত করতে হয়। আর সাথে পানির মতো ডলার ব্যয় হয়। কিন্তু মোল বাবা রয়ে যায় বহাল তবিয়তে একেবারে নিরাপদ। মার্কিনদের চিকন বুদ্ধি আর রাশানদের এই যু দ্ধে জয়ী শেষমেষ মার্কিনিরা হলেও তার পিছেও হাত আসলে কার ছিল? কোনো কেজিবি স্পাই হতেও পারে। দেখা যায় নিজের কাজের যোগ্য সম্মান না পেয়ে কিংবা সৎ থেকে কাজ করেও শেষমেষ হয়রানির শিকার হওয়া অফিসাররা শেষ পর্যন্ত আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়ে নেমে যায় দ্বৈত জীবনে। আবার কেউ জীবনে যথেষ্ট গিয়ারের অভাবে বেছে নেয় এমন জীবন। এজেন্ট বি এর দীর্ঘ স্পাই ক্যারিয়ারে সে এমন সব তথ্য পাচার করেছে যার মূল্য এবং গুরুত্ব মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। তবু দেখা যায় সে বিনিময়ে পারিশ্রমিক নিয়েছেন যৎসামান্যই। টাকাই অন্যায়ের মূল চাবিকাঠি এক্ষেত্রে না। একটু থ্রিল যোগ হওয়াও এর অংশ ছিল। তবে কে ছিল বিখ্যাত সেই এজেন্ট বি? যে এফবিআই, সিআইএর নাকের ডগায় বসে দীর্ঘদিন যাবত তথ্য পাচার করে এসেছেন। যাকে ধরতে রচোফর্ডকে এক যুগেরও তিন বছর পেরানো সময় ধরে নানা নামের অপারেশন করতে হয়েছে। খরচ করতে হয়েছে মিলিয়ন ডলার। এক স্পাইকে ধরতে তাই শরণাপন্ন হতে হয়েছিল ❛সেভেন মিলিয়ন ডলার স্পাই❜ এর। অদ্ভুত লুকোচুরি খেলা এই গোয়েন্দাগিরি। খালি চোখে বা উপন্যাসে দেখা জেমস বন্ড বা মাসুদ রানা কিংবা সিনেমায় দেখা সিক্স প্যাকওয়ালা স্পাইদের থেকেও ঘটনাবহুল এবং উত্তেজনার জীবন বাস্তব জীবনের স্পাইদের। যারা এক ঘুষিতে মুক্তিবেগে শত্রুকে দূরে পাঠিয়ে দেয় কিনা জানিনা তবে যাদের এক তথ্যে নড়বড়ে হয়ে যায় বিপরীত ঘাঁটির ভীত তাদের জীবন অবশ্যই উত্তেজনার। কেন মিস্টার এজেন্ট বি এমন জীবন বেছে নিয়েছিলেন তার মুখ হা হয়ে যাওয়া ইতিহাস জানতে বইটা পড়তে তো হয়। পাঠ প্রতিক্রিয়া: ❝স্পাই স্টোরিজ ২❞ মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার স্পাই জগতের স্পাইদের নিয়ে লেখা দ্বিতীয় বই যা প্রকাশ করেছে শিরোনাম প্রকাশন। প্রথম বইতে সাতজন তুখোড় স্পাইয়ের বৃত্তান্ত সংক্ষিপ্ত আকারে ছিল। পড়ে দারুণ লেগেছিল। তখন মনে হয়েছিল এদের প্রত্যেককে নিয়েই আলাদা একটা বই থাকলে আরো বিস্তারিত জানা যেত। লেখক এই বইতে সেই কাজেরই বাস্তবায়ন করেছেন। বইটিতে স্থান পেয়েছে একজন দুর্ধর্ষ ডাবল এজেন্টের দীর্ঘ ২২ বছরের এসপিওনাজ ক্যারিয়ারের অজানা সব তথ্য, যা পাঠক হটকেকের মতোই গিলবেন। একজন এজেন্টের বর্ণনা থাকলেও তাকে পর্দার সামনে আনতে ব্যাবহার হয়েছে আরো ১৪ জন স্পাইয়ের। তাদের জীবনের নানা মোড়ের ঘটনাও ব্যক্ত করেছেন লেখক। নিঃসন্দেহে সেটা আগ্রহোদ্দীপক। বিভিন্ন অধ্যায়ে বিভক্ত বইতে লেখক বইতে আগত চরিত্রদের পরিচিতি দিয়েছেন যা পুরো বই পড়ার জন্য সহায়ক ছিল। ভালো লেগেছে একেক অধ্যায়ের নাম যা মিল ছিল সেসময় নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের সাথে। অপারেশনের নাম থেকে শুরু করে স্পাইয়ের কোডনেমের ব্যাবহার গুলো দারুণ ছিল। প্রায় ২০-২২ টা রেফারেন্স থেকে একত্র করা তথ্যগুলোকে লেখক ২৩২ পৃষ্ঠায় নিজের লেখার দক্ষতায় সাজিয়েছেন। অবশ্যই যা সাবলীল এবং পড়তে আগ্রহ জাগিয়েছে। এত তথ্য, বিদেশি নাম কোডের ভিড়ে খেই হারিয়ে ফেলতে গেলেও এত উত্তেজনায় ভরপুর স্পাই জীবনের গল্পগুলো আবার হারানো থেকে তুলে আনছিল। বিশেষ করে শেষের দিকের প্রতিটা ঘটনা এবং তার উপস্থাপন আমি গোগ্রাসে গিলেছি। বাস্তব যে এতই উত্তেজনাপূর্ণ সেটা একজন স্পাইয়ের জীবনের ঘটনা এবং তাদের নির্ভীক করা কাজগুলো থেকে ধারনা করা যায়। বর্ণনা এবং বোঝার সুবিধার্থে লেখক ফুটনোট হিসেবে এসপিওনাজ জগৎ এবং দেশীয় অর্থে বিভিন্ন শব্দের মানে সহ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। যেগুলো মূল বই বোধগম্য করতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। আচ্ছা এই ডাবল এজেন্টদের কাজকে নির্ভীক বলা যায়? তারা তো দেশের সাথে বিশ্বাসঘা ত ক তা করছে। সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে দেশকে শত্রুর কাছে খোলা করে দিচ্ছে। আপনার কী মনে হয়? একদেশের ভেতর আরেক দেশের খোচর না লাগিয়ে দেশগুলো যারযার কাজে মন দিলে কি ভালো হতো?! যাক গিয়ে, বইটা পড়ার অভিজ্ঞতা আমার দারুণ। একজন মাস্টার স্পাইকে সামনে আনতে আরো যেসব ব্রিলিয়ান্ট স্পাইদের নাম সামনে এসেছে তাদের দক্ষতাও দারুণ।পড়ার সাথে ভিজ্যুয়ালাইজ করার সুবিধার্থে সাথে বেশ কিছু চিত্রের ব্যাবহার হয়েছে। সবথেকে ভাবার বিষয় হয়েছে দুর্ধর্ষ এই স্পাইয়েরা কিভাবে সাধারণের মাঝে মিশে থাকে। আমার তো মাঝেমধ্যে অটো বা রিক্সায় উঠার পরে চালক যদি খুব খোশ আমেজে গপ্পো জুড়ে দেয় মনে হয় ব্যাটা কোনো স্পাই নাকি! আবার দেখা গেলো পেটে কথা রাখতে পারে না আপনার আলাভোলা অমন পরিচিত মানুষটা কোনো রাশান স্পাই! কে বলতে পারে!"
Abdullah Ibn Asheque , Feb 12, 2024
"This is the best book I have read in a couple of months. The contents of the book is unparalleled in the Bengali literature. It definitely is better than it's previous version spy stories, not only with respect to content but also in rhetorical aspects. Frankly, I was feeling a little bit off in last few days, but after getting myself immersed in this book, I certainly am feeling a lot better. I have read countless books both in Bengali and English literature and thriller novel. If I had to rank this book, I am certain that it will be in top 3, regarding this Genre, probably because of its truth and reality aspects. A must read for all thriller and detective novel lovers. My suggestions would be, If you buy 3 books in thriller genre this year, it should be one of them, yes, it is that good."
MD Ibrahim Hossain Shafin , Feb 11, 2024
"স্পাই স্টোরিজ ২" পড়ে শেষ করলাম। বইটার কথা আমি অনেকদিন মনে রাখব। খুব বেশি কিছু বলব না, খালি এইটুক বলব যে এইটা পড়ার পর জ্যাক রায়ান আপনার কাছে বোরিং লাগবে। য়েস, জ্যাক ফাকিং রায়ান। আমার দেখা সেরা সিরিজগুলার একটা এটা। বাড়ায়ে বলতেসিনা। তবে বইটা পড়ার আগে একটা টিপস। বইয়ের শুরুতে চরিত্রগুলার নাম আর পরিচয় দেয়া আছে। ঐ পৃষ্ঠায় কোনভাবেই যাওয়া যাবে না। গেলে অর্ধেক মজা ঐখানেই শেষ। এ কারনে Mozammel Hossain Toha ভাইয়ের কাছে রিকুয়েষ্ট থ���কবে যেন পরের এডিশনে চরিত্রগুলার নাম সবার শেষের পৃষ্ঠায় দেয়া থাকে।"
rashed gazi , Feb 11, 2024
"এবারের বই মেলার প্রথম বই "স্পাই ষ্টোরিজ ২" রাইটারঃ Mozammel Hossain Toha প্রি অর্ডার করা বইটা হাতে পেয়েছি ছুটি'র দিনে। আর বাসা ছিলো মোটামুটি ফাঁকা। তাই দেরী না করে পড়া শুরু করে একটানে শেষ করলাম। বইয়ের জন্য একটা প্রচলিত শব্দ হচ্ছে "আনপুটডাউনেবল"। মানে বিরতিহীন ভাবে একবারে পড়ে শেষ করার মতো বই। "স্পাই ষ্টোরিজ ২" হচ্ছে আনপুটডাউনেবল বই। ১৫ বছর যাবৎ চলা শ্বাসরুদ্ধকর এক স্পাই হান্টের কাহিনী। এজেন্ট বি ওরপে রেমন গার্সিয়া ছদ্ম নামের ডাবল এজেন্ট কে নিয়ে যে কাহিনী'র জন্ম, তাতে জড়িয়ে ছিলো আরো কয়েক ডজন ডাবল এজেন্টের কাভার ফাঁস হবার করুন পরিনতি। "এজেন্ট বি" এফবিআই, সিআইয়ে'র মতো জাঁদরেল গোয়েন্দাদের ঘোল খাইয়ে ছেড়েছে সেটা জানতে বইটা শেষ পর্যন্ত না পড়ে উপায় নেই। সাধারনত গতানুগতিক স্পাই থ্রীলারের চেয়ে অনেক বেশী রোমাঞ্চকর এই বইয়ের কাহিনী। বাস্তবের স্পাই এবং তাদের কর্মকান্ডের সাথে আমরা খুব কম পরিচিত। জেমস বন্ড কিংবা মাসুদ রানার মতো একশনে ভরপুর বই পড়ে আমাদের প্রজন্ম স্পাই, ডাবল এজেন্ট কিংবা স্পাই শিকারের গল্প পড়েছি। কিন্তু বাস্তব জিবনে এরকম ডাবল এজেন্ট শিকারের কাহিনী যে এতো উত্তেজনাপূর্ণ, তা এই বই না পড়লে কেউ জানতে পারবেনা। কেজিবি এজেন্ট স্লানিতাভ লেভচেঙ্কো'র "আমি ছিলাম কেজিবি'র লোক' বইটা ছিলো আমার পড়া সেরা রিয়েল লাইফ গোয়েন্দা কাহিনী। কিন্তু "স্পাই ষ্টোরিজ ২" তার চাইতে অনেক গুন বেশী সাসপেন্স আর থ্রীলারে ভরপুর বই। জেমস বন্ডে'র মতো ভেলকীভাজী চাতুর্য, ষ্ট্রিট ফাইট কিংবা চেজিং এ ভরপুর একশান থেকেও বেশী থ্রীল পেয়েছি বইটা পড়ে। ত্বোহা ভাইয়ের লেখনী'র সাথে অনেক আগে থেকেই পরিচিত। সাবলীল উপস্থাপনা এবং প্লট সাজানোতে দারুন মুন্সীয়ানার পরিচয় দিয়েছেন তিনি তার আগের বই গুলো থেকে। শেষে একটা বিরক্তি প্রকাশ করে যাই। ৬৭ টা ফুটনোট দিয়েছেন বইটাতে। যারা এই জনারার বই পড়ে অভ্যস্থ তাদের সবার ৮/১০ টা ছাড়া প্রায় সব গোয়েন্দা টার্ম জানার কথা।"
Tasnim Tahia Huq , Jan 25, 2024
"প্রতিটি পাতায় পাতায় সাসপেন্স আর থ্রিল, শ্বাসরুদ্ধকর সত্য কাহিনী! আমেরিকার মতো টপ গোয়েন্দা সংস্থার নাকের ডগায় বসে তাদের বুড়ো আংগুল দেখিয়ে কি স্বাচ্ছন্দ্যে রাশিয়ার হয়ে কাজ করে গেল, অবিশ্বাস্য 😂 I am giving 5 star, highly recommended ❣️"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
2 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বই এর পৃষ্টা সংখ্যা কত?
is it available now ??????
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"স্পাই স্টোরিজ ২" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: