হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
জলমিছরি - রবিউল করিম মৃদুল এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

১ম প্রকাশ, ২০২৪

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

জলমিছরি

3 Ratings | 3 Reviews
TK. 388 TK. 495 -22% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

ফ্ল্যাপ: ঘর থেকে উঠোনে নামতে গিয়ে হঠাৎ রসুইঘরের পৈঠা বরাবর, যার কোলঘেঁষে রাখা আছে বাইরের পানির কলসটা, যার পাশেই ভাঙা কাঁসার ওপর পড়ে আছে রাতের বাসী বাসনকোসন মাজ...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

ফ্ল্যাপ: ঘর থেকে উঠোনে নামতে গিয়ে হঠাৎ রসুইঘরের পৈঠা বরাবর, যার কোলঘেঁষে রাখা আছে বাইরের পানির কলসটা, যার পাশেই ভাঙা কাঁসার ওপর পড়ে আছে রাতের বাসী বাসনকোসন মাজার কালিমাখা ন্যাতাটা
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title জলমিছরি
Author রবিউল করিম মৃদুল
Publisher উপকথা প্রকাশন
Edition ১ম প্রকাশ, ২০২৪
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 280
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.44 Kg
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

5.00

3 Ratings and 3 Reviews

★★★★★
3
★★★★☆
0
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

৩টি
Sakib

Sakib , Feb 28, 2024

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"#জলমিছরি #পাঠ_অনুভূতি ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ জলমিছরি •লেখকঃ রবিউল করিম মৃদুল •ধরনঃ সামাজিক •প্রকাশনীঃ উপকথা প্রকাশন •প্রচ্ছদঃ অনন্যা চক্রবর্ত্তী •মুদ্রিত মূল্যঃ ৪৯৫ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২৮০ •প্রকাশকালঃ অমর একুশে বইমেলা ২০২৪ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ পৃথিবীতে যখন রাত নামে তখন আমার জীবনের গল্প শুনতে ইচ্ছে করে । এই জীবনের গল্পে বেশিই থাকে কান্নার আবেশ । যে গল্পগুলোতে উদাসীন, কান্না, নিঃসঙ্গতা, নিস্পৃহতা কিংবা দুঃখের কথা বলে সেই গল্পগুলোকে ভীষণ কাছের মনে হয় কেনো যেন! কেনো যেন রাতের অদ্ভুত অন্ধকারের সাথে তাদেরকে সঙ্গী করতে পেরে ভীষণ মুগ্ধতায় ভেসে যাওয়ার মতো আবেশ তৈরি হয় কোথাও একটা । আমি তাই সব উপন্যাসেই রাতের অন্ধকারকে খুঁজতাম । যে অন্ধকারকে ভীষণ আলগোছে ছুঁয়ে দেখা যায়, হাত বাড়িয়ে অদৃশ্যে মেলে ধরে রাখা যায় অনুভব । ♦পারিপার্শ্বিক দিকঃ ঠিক অনেকদিন ধরে আমার বই পড়া হয় না । আমি তবুও কোথাও একটা চাচ্ছিলাম যেন কোনো একটা জীবনের গল্প পড়বো । যে গল্পের গভীরতায় আমি আটকে গিয়ে নিজেকেই মনে হবে ঘটনার আধিক্যে অদৃশ্য । সেরকম ভেবেই এই বইটা কেনা হয়েছিল আমার । বইটা পড়ার ইচ্ছেও আমার অনেকদিন ধরে । আজকে যখন বিকেল ৪টার সময়ে আমার বইটি পড়তে ইচ্ছে হলো, তখন মনে হলো যেন আজকের বিকেলটা আমাকে দারুণ কিছু উপহার দিচ্ছে । এই উপহার আমার বরণ করে নেয়া উচিত । আমি যেন তাই করলাম । মিষ্টি করে হেসে বইটি পড়তে শুরু করেছিলাম । এখন যখন বইটি পড়া হয়ে গেল তখন সময়টা রাত ৯টা । ♦নামকরণঃ গ্রামীন জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে দুঃখ, উদাসীনতাকে মেলে ধরার পাশাপাশি জীবনভর বয়ে চলা অবিরাম বেঁচে থাকার এক লড়াইয়ে যেন নিজেকে মেলে ধরার এক চেষ্টা, জলমিছরি । মাটির কাছাকাছি গিয়ে মাটিতে ভিজে থাকা সোঁদা গন্ধযুক্ত যে ঘ্রাণ তার এক আবেশ যেন পুরোটা জুড়ে এক অদ্ভুত রেশ দিয়ে যায় । এই রেশ জীবন কাটিয়ে দেয়ার । জীবনে অল্পতেই সুখী হওয়ার । অল্পতেই ভীষণ আবেগপ্রবণ হয়ে যাওয়ার । জলমিছরি, মাটির কাছাকাছি গিয়ে জীবনের সাথে মিশে যাওয়ার এক আখ্যান । উপন্যাসের নামকরণে যেমন এক ধরনের মিষ্টতা আছে ঠিক সেরকম করেই যেন পুরো উপন্যাসে এক ধরনের গন্ধ আছে । যে গন্ধের নাম, জীবনের গল্পে ভালোবাসা, আবেগ । ♦ফ্ল্যাপে লেখাঃ ঘর থেকে উঠোনে নামতে গিয়ে হঠাৎ রসুইঘরের পৈঠা বরাবর, যার কোলঘেঁষে রাখা আছে বাইরের পানির কলসটা, যার পাশেই ভাঙা কাঁসার ওপর পড়ে আছে রাতের বাসী বাসনকোসন মাজার কালিমাখা ন্যাতাটা, আর পড়ে আছে একটা ভাঙা ডিমের খোসা, ঠিক সেই জায়গায় ফুলটা চোখে পড়ল ফিরোজার! ঠিক কী ফুল সে চিনতে পারল না বটে, তবে তার রং-রূপ এতই বাহারি যে, সেদিকে চোখ পড়ামাত্র এক দৌড়ে তার কাছে ছুটে আসতে বাধ্য হলো। কোনো গাছ নাই, কোনো ঝোপঝাড় নাই, হাতমুখ ধোয়ার জায়গা হিসেবে নিয়মিত চোখের সামনে ভিজে স্যাঁতস্যাতে হয়ে থাকা মাটি ফেটে বেরিয়েছে শুধুই একটা ফুলের ডাঁটি । ডাঁটির মাথায় পিতল বর্ণের ফুল! শ্যাঁওলার স্তর জমা সবুজাভ মাটি ফেটে বেরোনো ফুলের গন্ধটা যেমন তীব্র, তেমনই ঝাঁঝালো । অনেকটা মন্ত্রমুগ্ধের মতো চারপাশে ছড়িয়ে পড়া তীব্র ঝাঁঝালো ঘ্রাণ উপেক্ষা করেই ফুলের সামনে এসে বসে পড়ল ফিরোজা । একটিমাত্র ফুল দেখে এগিয়ে এসেছিল সে । এসে বসতে বসতে তার পাশ দিয়ে গজিয়ে উঠলো আরো তিনটা ফুলের ডাঁটি! তারপর আরো তিনটা! উঠতেই থাকলো! দেখতে দেখতে যেখানটায় বসেছে ফিরোজা, তার চারপাশ ভরে উঠলো অজস্র পিতলবর্ণের ফুলে! ফুলগুলোর কোনো একটা হঠাৎ যেন তাকে ডেকে উঠলো- ‘মা!’ ♦প্রচ্ছদঃ এই প্রচ্ছদটা যেদিন আমি প্রথম দেখেছিলাম সেদিন বেশ কিছুটা সময়ে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম । বারবার মনে হয়েছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের একটা প্রচ্ছদ যেন আমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে । প্রচ্ছদটা দারুণ ভাবে যেন অনেকখানি দৃশ্যপট চোখের সামনে এসে তুলে ধরছে জীবনের আখ্যান । জীবনের গতিপথে যেন ওই সবুজে মোড়া আবহ ভীষণ কাছের কাছের একটা আবেশ তৈরি করে দিচ্ছে । এত সুন্দর করে প্রচ্ছদটা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে ভীষণ কাছের লাগার মতো একটা রেশ আছে যেন । আমার এখনও এই প্রচ্ছদটা স্পর্শ করতে বেশ লাগে । সাথে একটা ধোঁয়াশা রাখার মতো আবহ তৈরি করা হয়েছে প্রচ্ছদে । যা বেশ মুগ্ধতা দেয় । ♦চরিত্র বিশ্লেষণঃ •ফিরোজাঃ হাসিখুশি, দুরন্ত স্বভাবের কিশোরী মেয়েটির হঠাৎ করে বিয়ে নামক এক সন্ধিতে বাঁধা পড়ে । নতুন জায়গায় নিজেকে যেন আরো সুন্দর করে মানিয়ে নিতে শিখে যায় সে । দারুণ উচ্ছল, প্রাণবন্ত স্বভাবের মেয়েটি সবার সাথে মানিয়ে নিতে শিখে যায় । সবাইকে ভীষণ ভালোবাসা মেয়েটির নিজের সংসারের প্রতি ভীষণ মায়া । এই মায়া যেন দিন দিন বাড়তে থাকে । •হাফিজুলঃ জীবনে কষ্ট করে সবকিছু সহ্য করে যাওয়া মানুষটা বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাবের একজন মানুষ । নিজের ছায়ায় স্পর্শ দিয়ে যাওয়া প্রতিটি মানুষকে ভীষণ যত্নে ভালোবেসে যায় সে । নিজের স্ত্রীকে ভালোবাসা নামক অদ্ভুত এক আবেগে বেঁধে সে যেন তার পাশাপাশি তাকে নিয়ে এগিয়ে যায় জীবনভর । •এসাকঃ দুরন্ত স্বভাবের মানুষটি কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে হুটহাট করে ‌। স্বভাবে নিজের এক অদ্ভুত সাহসী জেদ এবং এক দুর্বার মানসিকতা নিয়ে প্রতিটি মুহূর্ত এগিয়ে চলে সে । কোনো ভুল করলে মানসিক ভাবে বিবেকের কাছে দায়বোধের যে এক ভাবাবেগ তাকে আন্দোলিত করে তা বেশ অসাধারণ লাগায় । সবাইকে বিপদে সাহায্য করার এক অদ্ভুত মানসিকতা তার মাঝে ফুটে উঠে । •দিলজানঃ সাহসী এবং জেদ এর এক অদ্ভুত মিশেলে নিজেকে নিয়ে জীবনে এগিয়ে যাওয়া এক নারী দিলজান । নিজের জীবনে বিভিন্ন কষ্ট কিংবা দুঃখকে পাশ কাটিয়ে সে এগিয়ে যেতে চায় ভালোবাসার মানুষটির হাত ধরে । হয়তো কষ্ট এর ছাপ তাকে ছুঁয়ে ফেলে দূরে ফেলে দেয় সবকিছু থেকে । •চাঁনবিবিঃ মনের মাঝে একরাশ মায়া নিয়ে বাস করা মানুষটির মনে যেন প্রবল মমতা খেলা করে । অদ্ভুত ভালোবাসা নিয়ে সংসারের প্রতিটি মানুষকে দেখার এক চেষ্টা তাকে ঘিরে ধরে রাখে প্রবল আবেগে । দারুণ বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাবের এই মিষ্টি মানুষটি তাই নিজের সংসারের থেকেও আবেশ পায় ভালোলাগার । •আসাদঃ দুরন্ত স্বভাবের দস্যি ছেলেটি গ্রাম বাংলার যেন কিশোর ছেলের প্রতিচ্ছবি । মিষ্টি করে হেসে যেন ঘুরে বেড়ায় গ্রামের মাটির রাস্তার প্রতিটি অলিগলিতে । হঠাৎ করে কোথাও অদৃশ্য হয়ে যায় হঠাৎ । কষ্টকে ছুঁয়ে দিয়েও মনের মাঝে আনন্দ নিয়ে দৌড়ে বেড়ায় সে । •পরীঃ গ্রাম বাংলার বড় বোনের এক অলিখিত চরিত্র পরী । ভাইকে ভীষণ ভালোবেসে আগলে রাখলেও ভাইয়ের সাথে গ্রামে এগিয়ে যায় দুরন্ত স্বভাব নিয়ে । •মদিনাঃ কাউকে হঠাৎ করে ভালোবেসে ফেলা মেয়েটি যেন ভালোবাসার মানুষটিকে পাশে থাকার এক আকাঙ্ক্ষা দিয়ে ফেলে । অদ্ভুত ভাবে সমর্থন দিয়ে যায় কাছে থাকার কিংবা পাশে থাকার । ♦টুকিটাকিঃ এছাড়াও জীবনের এই গল্পে চরিত্র হিসেবে আসে বেশ কিছু চরিত্র । আসে, শরাফত খাঁ এর মতো সুযোগসন্ধানী চরিত্র । যে নিজের অন্যায়কে এড়িয়ে গিয়ে নিজের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে পুরোটা সময় ধরে । এছাড়াও উপন্যাস জুড়ে থাকে সুখচাঁদ এর মতো চরিত্র, যে সবকিছুকে ছাপিয়ে সুখ নামক অদ্ভুত আবেশকে জীবনে বেছে নেয়ার চেষ্টা করাকে প্রাধান্য দিয়ে যায় । এছাড়াও উপন্যাসে থাকে আরো বেশ কিছু চরিত্র । যারা গ্রাম বাংলার প্রতিটি মোড়ে মোড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে নিজস্ব আবেগ নিয়ে, জীবনের গতিপথ নিয়ে । ♦প্রিয় চরিত্রঃ উপন্যাসের প্রিয় চরিত্র লিখতে গেলে কেনো যেন সবার আগে এসাক এর নাম লিখতে ইচ্ছে করে । ওরকম সবার বিপদে এগিয়ে যাওয়ার মতো এক অদ্ভুত মানসিকতা নিয়ে মানুষটি এগিয়ে যায় জীবন ধরে । অদ্ভুত এক উদাসীনতা যেন তাকে ভীষণ ভাবাবেগে ফেলে দেয় কোথাও একটা । এছাড়াও উপন্যাসে প্রিয় চরিত্র হিসেবে ফিরোজা এর নাম আসে । সংসারের প্রতি মায়া, কিংবা প্রিয়জনের প্রতি সমর্থন এবং ধৈর্য ধরে রাখা ভালোবাসা তাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় অনেকখানি ‌। তার প্রতি মুগ্ধতার তোড়েও ভেসে যেতে ইচ্ছে করে সেখান থেকেই । ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √সাধারণত গ্রামবাংলার প্রেক্ষাপটে উপন্যাসগুলো যেন তৈরিই হয় পাঠককে এক প্রকার স্মৃতিচারণ করিয়ে দেওয়ার জন্য । পাঠককে অনেকটুকু ভাবাবেগে তাড়িত করার জন্য । এই উপন্যাসের পটভূমিও বাছাই করা হয়েছে সেভাবেই । এই উপন্যাসের পটভূমি মাটির গন্ধ বলে । মাটির ভিজে থাকা সোঁদা গন্ধে যেন জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে থাকা গল্পগুলো বেরিয়ে আসতে থাকে একের পর এক । এই গল্পে সুখ আছে । দুঃখ আছে । আছে অবিরত কান্নায় ভেসে গিয়ে অদ্ভুত এক মোহের সাক্ষী হওয়ার । আছে উদাসীনতার গল্প । এই ধরনের পটভূমিতে নিজেকে মিশিয়ে দিতে ইচ্ছে করে খুব । উপন্যাসের প্রেক্ষাপট যেন দেশবিভাগের আবেশকে হঠাৎ করে কোথাও একটা খেয়াল করিয়ে দেয় । হরিণচড়া’তে যে আখ্যানের শুরু তা যেন কুসুমহাটি গ্রামে গিয়ে ভীষণ ভাবে আন্দোলিত করে দেয় সবকিছু । কোথাও একটা জীবনের সমান্তরালে বয়ে চলা প্রেক্ষাপট উপন্যাসের দৃশ্যপটে ভালোলাগা দেয় । অদ্ভুত এক রহস্যের সৃষ্টি করে । কোথায় গিয়ে প্রেক্ষাপটের সমান্তরাল আবেশের সংযোগ ঘটবে তা জানার এক চেষ্টা রয়ে যায় । দারুণ ভাবে গ্রামবাংলার প্রেক্ষাপটে ভেসে আসে জীবনের গল্প । জীবনে সুখ-দুঃখের কড়া নাড়ার শব্দ । মাটির কাছাকাছি হয়ে যাওয়া এই গল্পগুলোতে গভীরতার এক রেশ পাওয়া যায় । যেখানে গল্পের গভীরতায় মুগ্ধ হয়ে রীতিমতো স্তব্ধ হয়ে যেতে হয় । জলমিছরি, এর পটভূমির প্রেক্ষাপট এবং কাহিনী বর্ণনা এবং তার গভীরতায় যেন সেই মুগ্ধতাই আসছিল বারংবার । এছাড়াও উপন্যাসের প্রতিটি আবহে যেন এক অদ্ভুত সুরের দ্যোতনা । যা অদ্ভুতভাবে ভালো লাগায় ছেয়ে দিচ্ছিল চারপাশ । √এই ধরনের উপন্যাস যেখানে কাহিনীতে গভীরতা এবং আবহেও রীতিমতো দারুণ ছাপ থাকে সেখানে চরিত্র গঠন এবং উপস্থিতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । যা গড়ে তোলার একটা চেষ্টা করতে হয় । এই উপন্যাসেও তাই প্রতিটি চরিত্র গঠন এবং তাদের উপস্থিতি কাহিনীর পরিপ্রেক্ষিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । ফিরোজা চরিত্রটির প্রতিটি সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম অনুভূতি কিংবা তাকে দৃশ্যপট অনুযায়ী গঠন করার এক অদ্ভুত সুন্দর ছাপ দেয়া হয়েছে পুরো উপন্যাসটিতে । এছাড়াও তার উপস্থিতি উপন্যাসে দারুণ এক রহস্যের আবহ তৈরি করেছিল যা গোটা উপন্যাসজুড়ে ভালো লাগার এক আবেগ সৃষ্টি করেছে । এছাড়াও এসাক এর চরিত্রটির গঠন অসাধারণ ভাবে করা হয়েছে । তার প্রতিটি মুহূর্ত এর আবেগ, কাজ তাকে প্রতিটি দৃশ্যপটে দারুণভাবে তৈরি করেছে যেন । উপন্যাসের এই গভীরতায় প্রতিটি চরিত্রকে ঘিরে রাখা আবহগুলো উপন্যাসটিকে দারুণ ভাবে সমর্থন করে দিয়ে গিয়েছে যেন । উপন্যাসে বয়ে চলা নিজস্ব ধাঁচের যে ধারা বয়ে গিয়েছে কাহিনী বর্ণনায় তার নিজস্ব স্বকীয়তা উপন্যাসের চরিত্র গঠনে দারুণভাবে সাহায্য করেছে । √গ্রাম বাংলার উপন্যাস বলেই চরিত্রদের কথোপকথনে হোক কিংবা আবহে ভারসাম্য রক্ষা করার জন্যেই হোক উপন্যাসে আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে । যেন এই আঞ্চলিক ভাষার টানগুলো উপন্যাসের প্রেক্ষাপট এবং পটভূমিকে বেশ কাছের করে দিয়েছে যেন । ভীষণ কাছের কাছের এক অনুভূতি তৈরি হয় কোথাও একটা । ♦প্রিয় অংশঃ গ্রামবাংলায় শৈশব বলতেই যে অদ্ভুত সুন্দর সৌন্দর্য এর মুখোমুখি হতে হয় তার মধ্যে সবচেয়ে আগে যা আসে তা হলো, জীবনের বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া । জলমিছরি, মাটির সোঁদা গন্ধ এর কথা বলে । এই গন্ধে গ্রামে মিশে যাওয়া দারিদ্র্যের ছাপেও সুখ-দুঃখ এর এক অজানা আবেশ মিশে যায় যেন । সহজ সাধারণ মাটির জীবনে মানুষের মানুষের সরল যে হাসির অদ্ভুত এক রোশনাই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে পুরো পৃথিবীটায় । যে হাসির সৌন্দর্যে সবকিছু আন্দোলিত হয়ে স্তব্ধ হয়ে যেতে হয় সেরকম এক গ্রাম, কুসুমহাটি গ্রামের প্রকৃতিগত বর্ণনা হোক কিংবা আবহে ভারসাম্য বজায় রেখে পটভূমিতে এক মুগ্ধতা তৈরি করা হোক তা যেন বের হয়ে আসে কোথাও থেকে একটা । এই উপন্যাসের প্রিয় অংশ সবকিছুর আগে এটিই । এছাড়াও উপন্যাসে ভেসে আসে গ্রামীন জীবনের প্রতিটি চলার ছাপ । হাসি, আনন্দ, সুখ, দুঃখ, কান্না কিংবা ভেসে আসে জীবনের পরতে পরতে পাওয়া সামাজিক কুসংস্কার থেকে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন এক রূপ । এছাড়াও উপন্যাসে ভেসে আসে কলেরা রোগের এক আজন্ম উপস্থিতি । যা গ্রামীন জীবনকে যেমন আন্দোলিত করে তেমনই সমাজকে ভবিষ্যতে মনে করিয়ে দেয় সময় বয়ে যায় । বয়ে যায় জীবনের গতিপথ । জীবনের পরিবর্তনে কতকিছু বয়ে যায় । বয়ে যায় মানুষের জীবনের সরল সোজা নামক এক অসাধারণত্বও । সরল সোজা এর নিরিখে অসাধারণ হওয়ার এক প্রতিচ্ছবি যেন ভেসে আসে গ্রামীন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে মুহূর্তে । এছাড়াও উপন্যাসের অন্যতম প্রিয় বিষয় প্রকৃতিগত ছোট ছোট সূক্ষ্ম বর্ণনা । গ্রামের সৌন্দর্য যা দিয়ে তৈরি সেখানেই যেন পড়ে থাকে জলমিছরি নামক এক মায়া রাজ্য । এই মায়ারাজ্যে বোধহয় তলিয়ে যেতে হয় অদ্ভুত আবেগের গল্প নিয়ে । ♦অন্যান্য বিষয়ঃ √প্রকাশনীঃ উপকথা প্রকাশন এর সবথেকে ভালো যে বিষয়টি, তা হলো তারা বেশ দারুণ দারুণ বিষয় নিয়ে বই নিয়ে আসে । এরকম অসাধারণ একটি পটভূমি এবং জীবনধারা ফুটিয়ে তোলা গল্প নিয়ে আসা উপন্যাসটি তারই প্রমাণ । দারুণ সুন্দর করে প্রচ্ছদটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । এই বইটির অন্যরকম ভাবে তৈরি করা প্রচ্ছদটিকে দেখতে তাই বেশ মায়া লাগার মতো এক আবেগ তৈরি করে যেন! এছাড়াও উপন্যাসের বাঁধাই বেশ ভালো ছিল । যার ফলে বইটি হাতে নিয়ে ধরতে বেশ লাগে । তাছাড়া বইতে তেমন টাইপিং মিস্টেক নেই । যেহেতু আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার আছে সেক্ষেত্রে সেই শব্দগুলো ছাড়া তেমন একটা টাইপিং মিস্টেক নেই । ♦লেখক প্রসঙ্গেঃ ‘জলমিছরি’ লেখক রবিউল করিম মৃদুল এর উপন্যাস । এই লেখকের লেখা আগে কখনও পড়া হয়নি বলে লেখার নিজস্ব গতিপথ জানা হয়নি আমার । কিন্তু এই বইটির নিজস্ব এক অদ্ভুত স্বকীয়তা আছে যেন । বইটি তার নিজস্ব উপস্থিতি দিয়ে যেন জ্বলজ্বল করছে । দারুণ এক চিরায়ত উপন্যাসের আবহ দিয়ে তৈরি করা এই রূপ আমাকে লেখকের পরবর্তী লেখা পড়ার জন্য বেশ অপেক্ষায় ফেলবে বলে নিজে থেকেই মনে হচ্ছে । লেখকের লিখনশৈলী অদ্ভুত ভাবে সুন্দর । কাহিনীতে অদ্ভুত সুন্দর করে গভীরতা এনে তা ফুটিয়ে তোলায় এই ধরনের উপন্যাসগুলোকে ভীষণ মায়া মায়া লাগার মতো এক সৌন্দর্যের সৃষ্টি হয় যেন । লেখকের পরবর্তী লেখার জন্য শুভকামনা রইলো । ♦রেটিংঃ ৫/৫ ♦উপসংহারঃ আমার মনে বেশ কয়েকটা ভাগ করে রেখেছি । যে ভাগে বইয়ের আবাস, ঠিক সেখানেই আবার কয়েকটা ভাগ করে রেখেছি । যার মধ্যে একটি ভাগ হলো পাঠক জীবনকে মুগ্ধতায় ফেলার পাশাপাশি তৃপ্তি পাওয়ার মতো করে সমৃদ্ধ হওয়ার ব্যাপারটিকে গড়ে নেয়া । এরকম জীবন ঘেঁষা উপন্যাসগুলো পড়ার শেষে মনের মাঝের সেই জায়গাগুলো যেন হঠাৎ আন্দোলিত হয়ে বলে উঠে, এরকম তৃপ্তি পাওয়ার জন্য হলেও তোমার পাঠক হিসেবে আজন্ম থাকা উচিত । আমিও বোধহয় তাই অলিখিত চুক্তি করে যাই নিজের সাথেই, এরকম উপন্যাসগুলো পড়লে যেরকম তৃপ্তি পাই সেরকম তৃপ্তি আমি অন্য কিছুতে পাই না । কিছুতে না । কিছুতেই না!"

Rakib Ahmed

Rakib Ahmed , Feb 19, 2024

★ ★ ★ ★ ★

"“ দারিদ্রের যে কালো ছায়া জমাট মেঘের মতো সবটা সময় ঢেকে থাকে এ বাড়ির আঙ্গিনা-আকাশ, তার যেনো এই মুহূর্তে প্রবেশাধিকার নেই এখানে। জীবনের এই এক রুপ। কখনো কখনো সব থাকলেও অপূর্ণতা যায় না। আবার কখনো অতি সামান্যতে পরিপূর্ণ করে দেয়। সহজ-সাধারণ মাটির জীবন হয়ে উঠে অলৌকিক দ্যোতনাময় ” সময়ের সাথে জীবনের একটা অদ্ভুত পরিবর্তন আসে, যা রুখে দেবার মতো শক্তি মানবকূলের সাধ্যি নেই । পরিবর্তনের এই অববাহিকায় সবকিছুর পরিবর্তনের মাঝেও অনেক কিছুই রয়ে যায় চিরমলীন। তাতে শতাব্দীর পর শতাব্দীর মরিচা পড়লেও তার রুপ ও বিমোহিত করার অদ্ভুত সামর্থ্য রয়ে যায় যুগের পর যুগ। জলমিছরি উপন্যাসটি চিরায়ত গ্রামীন জীবনের আধারে লিখিত একটি উপন্যাস । চিরচেনা আবহমান গ্রামীণ জীবনের সংগ্রাম, দারিদ্র, কুসংস্কার, ক্লেশ আর গোপন নিষিদ্ধ ভালোবাসা ও ক্ষমতার দ্বন্দে দোদুল্যমান এক জীবনের বাস্তবতার চিত্রপট অঙ্কিত করা হয়েছে এই উপন্যাসে। কখনো ফিরোজা-হাফিজুরের জীবনের মিষ্ট ও তিক্ততার বন্দনা আবার কখনো এসহাক ও দিলজানের জীবনে মোড় নেয়া বিশ্বাস-অবিশ্বাসের আখ্যান সবকিছুই যেনো একটা গ্রামীণ জীবনের নিত্যদিনের ইতিবৃত্ত।এর মাঝে সবকিছু কে ছাপিয়ে আলোড়ন জাগায় অপু দুর্গার সদৃশ দুই হতভাগ্য চরিত্র আসাদ ও পরী। লেখক এখানে শুধুই যে একটা গ্রামীণ জীবনের চিত্রপট এঁকেছেন তা নয় বরং এর মাঝেই নব্য আধুনিকতার আগমণ, চিরায়ত গ্রামের যে করুন পরিণতি বয়ে এনেছিলো তা তুলে এনেছেন সুনিপুণ হাতে। যেখানে গ্রামীণ পুরুষেরা দিন রাত সমান করে এক মুঠো অন্ন তার সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া সন্তানের জন্যে তুলে রাখার স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিলো ঠিক তখনই যন্ত্রের কাছে তাদের ক্ষুধার জীবনের সমাপ্তির অপেক্ষা আরো দীর্ঘতর হয়। যে কুসুমহাটি এক সময় জেগে উঠতো পাখির কলকাকলি, শ্রাব্য অশ্রাব্য শ্লোকের বাণীতে যেখানে যান্ত্রিক শব্দে জীবনের বাস্তবতা হয় আরো নিষ্ঠুর, আরো মায়াহীন। উপন্যাসের চরিত্রায়ণ থেকে শুরু করে গল্পের বুনন ও আঞ্চলিক ভাষার সংলাপে গ্রামীণ জীবনের একটা সত্যিকারের চিত্র খুঁজে পাওয়া যাবে এই উপন্যাসে, সব থেকে ভালো লাগার বিষয় ছিলো চিরচেনা গ্রাম বাংলার প্রকৃতি ও তার মাঝে বেঁচে থাকা জীবন গুলো খুনসুটি এতো সুন্দর ভাবে বর্ণিত হয়েছে তা সত্যি প্রশংসনীয়। গ্রামের পুরুষদের নিত্য দিনের হাস্যরস, বাচ্চা-কিশোরদের দস্যিপনা অথবা গ্রামের নিছক কোনো কুসংস্কার ও পুথিগানের নির্মলতা- সবকিছুর উপস্থাপণ ছিলো শিল্পের আঁকা সদ্য ছবির মতোই সুন্দর মনোরম এবং অবশ্যই উপভোগ্য। উপন্যাসে পরতে পরতে যে সাবলীল লিখনশৈলীর প্রমাণ পাওয়া যায় তা অনেকাংশেই অনুপস্থিত বর্তমানে অনেক লেখকের মাঝে। সেইদিক থেকে এই উপন্যাস টা আমার ব্যক্তিগত মতে সবার জন্যে একটা অনুপ্রেরণা হতেই পারে। উপন্যাসটি পড়ে স্নিগ্ধতা মেশানো একটা সুখপাঠ্যের স্বাদ পেলাম তা বলতে কোনো দ্বিধা নেই।"

মাহবুবা মিলি

মাহবুবা মিলি , Feb 8, 2024

★ ★ ★ ★ ★

"খালিদ পড়ার পর থেকেই অপেক্ষায় ছিলাম নতুন বইয়ের। জলমিছরি জাস্ট অসাধারণ! রীতিমতো ক্লাসিক বইয়ের অনুভব। বহুদিন পর কোনো বই পড়ে এমন তৃপ্তির ঢেঁকুর তুললাম। গ্রামীণ শৈশবকে এত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে, মনে হলো আমিই ঘুরে এলাম। গল্প না, যেন ছবি, সব যেন চোখের সামনে ঘটে গেল। এবারের বইমেলার সেরা বইগুলোর একটি হবে জলমিছরি। এ মাস্ট রিড ফর অল।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
খালিদ
একটু পড়ে দেখুন
খালিদ রবিউল করিম মৃদুল
(11)
TK. 850 -12% OFF
TK. 749
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"জলমিছরি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
জলমিছরি পাতা: 1 / 21
পাতা 2
জলমিছরি পাতা: 2 / 21
পাতা 3
জলমিছরি পাতা: 3 / 21
পাতা 4
জলমিছরি পাতা: 4 / 21
পাতা 5
জলমিছরি পাতা: 5 / 21
পাতা 6
জলমিছরি পাতা: 6 / 21
পাতা 7
জলমিছরি পাতা: 7 / 21
পাতা 8
জলমিছরি পাতা: 8 / 21
পাতা 9
জলমিছরি পাতা: 9 / 21
পাতা 10
জলমিছরি পাতা: 10 / 21
পাতা 11
জলমিছরি পাতা: 11 / 21
পাতা 12
জলমিছরি পাতা: 12 / 21
পাতা 13
জলমিছরি পাতা: 13 / 21
পাতা 14
জলমিছরি পাতা: 14 / 21
পাতা 15
জলমিছরি পাতা: 15 / 21
পাতা 16
জলমিছরি পাতা: 16 / 21
পাতা 17
জলমিছরি পাতা: 17 / 21
পাতা 18
জলমিছরি পাতা: 18 / 21
পাতা 19
জলমিছরি পাতা: 19 / 21
পাতা 20
জলমিছরি পাতা: 20 / 21
পাতা 21
জলমিছরি পাতা: 21 / 21
পাতা / 21
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।