১ম প্রকাশ, ২০২০
দ্য লাভ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
স্পাই স্টোরিজ ২
মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা
২৪-এর গণঅভ্যুত্থান : স্মৃতিচারণ ও ইতিহাস
আবদুল্লাহ আল মাসউদ
প্রিজনারস অফ জিয়োগ্রাফি
টিম মার্শাল
ফিলিস্তিনের পাশে থাকুন
ড. রাগিব সারজানি
বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ভারত
আশিফুল ইসলাম জিন্নাহ্
আরব ও ইসরায়েল
মনোরমা দেওয়ান
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | দ্য লাভ |
| Author | সুবর্ণ আইজ্যাক বারী |
| Publisher | নালন্দা |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২০ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 86 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | রাজনীতি |
| Weight | 0.24 Kg |
| Translator | জুয়েল কবির |
| ISBN | 9789849382379 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
42 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টিNatun bikash Chakma , Jul 31, 2022
"বইটি খুবই ভালো। আপনারা চাইলে নিতে পারেন। আমি শীঘ্রই ডেলিভারি পেয়েছি । ধন্যবাদ প্রগতি. কে"
Mr. Dreamer , Mar 21, 2022
"বইটি আমি পড়িনি তবে এই বয়সে নিজে বইটি লিখেছে কিনা সন্দেহ আর লিখলেও কী লিখতে পারে তা তো বুঝলাম বটেই"
Abdus Samad , Jan 26, 2022
"This book is pretty good.Thanks to progoty.com."
MD MAHAFUJ SARKER , Oct 15, 2021
"Really the great book."
Md Sohel Rana , Feb 14, 2021
"I am happy to buy books on progoty.com"
Syed Rahim , Mar 4, 2020
"The Love will win Nobel Prize because it begins with 4 year old child, Soborno, protest in the mosque against wrong doing of an imam and ends with calling everyone to fall in love with every religion."
Shahida Khan , Mar 3, 2020
"সুবর্ণের সংক্ষিপ্ত পরিচয় এর শুরুতেই বলা যায় তাকে দ্বিতীয় আইনস্টাইন বলা হয়। ২০১৪ সালে, নিউ ইয়র্কের সিটি কলেজের প্রেসিডেন্ট ড. লিসা কাইকো তাঁকে “আমাদের সময়ের আইনস্টাইন” শিরোনাম দিয়েছিলেন। ২০১৫ সালে সুবর্ণ পিএইচডি স্তরের গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রেসিডেন্ট ওবামার কাছ থেকে স্বীকৃতি পায়। নোবেল পুরষ্কারের জন্য মনোনায়ন পাওয়া সুবর্ণের ‘দ্য লাভ’ বইটি কিনতে আজ সিলেট নিউ-ভিশন কেজি এন্ড হাইস্কুল বাহুবল, হবিগঞ্জ থেকে ৬০ জন শিক্ষার্থী এসেছিল। তারা প্রত্যেকেই বইটি কিনে। এই বইটিতে ধর্মীয় বৈষম্য কে আলাদা রেখে মানবিক গুণাবলিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সুবর্ণ যখন মাত্র দেড় বছর বয়সী তখনই রসায়নের পর্যায় সারণি তথা কেমিস্ট্রি পিরিয়ডিক টেবিল মুখস্থ করে ফেলে। তার বয়স যখন তিন বছর তখনই সে লেবুর সাহায্যে ব্যাটারি এক্সপেরিমেন্ট করে। সাড়ে তিন বছর বয়সে বিখ্যাত একটি কলেজের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের আমন্ত্রণ পায়। এরই মধ্যে তার সাক্ষাতকার নিয়েছে ভয়েস অব আমেরিকাসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলো।"
Fahim Chowdhury , Mar 3, 2020
"The Love got nomination for Nobel Prize mainly because the book pursue justice for every religion, every race, every language and every culture."
Abu Siddique Roxy , Mar 2, 2020
"নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয় "দ্য লাভ" তাহলে অবশ্যই বইটির মধ্যে কিছু ত একটা রয়েছে । সেটাই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি অল্প পরিসরে। বইটিতে দেশপ্রেম, ভ্রাতৃত্ব, গণিতের প্রতি ভালবাসা, পদার্থবিজ্ঞান ; রয়েছে রাহিঙ্গা সমস্যা, শিশুদের পড়াশোনা, শিশু অধিকার, সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান সম্মান এবং আরও অনেক কিছু। সুবর্ণো সম্পর্কে, আমি বলব যে, তিনি আমাদের সময়ের একজন মহান বিজ্ঞানী। ব্ল্যাকহোল সম্পর্কে তার বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য তিনি $ 1 মিলিয়ন ডলার পেয়েছেন সম্প্রতি। ইন্ডিয়া থেকে সম্প্রতি গ্লোবাল চাইল্ড প্রোডিজির পুরষ্কার জিতেছেন সুর্বন। তিনি গণিত, পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়নের সমস্যাগুলির পিএইচডি স্তরের সমাধানও করেন। প্রতিভার জন্য রাষ্ট্রপতি ওবামা তাকে সম্মানিত করেন ৪বছর বয়সেই। ওবামা তার বার্তায় লিখেছেন, "আমেরিকার আপনার মতো অনেক মেধাবী বাচ্চা দরকার।" নিউ ইয়র্ক সিটি কলেজের সভাপতি 'লিসা' তাকে "আমাদের সময়ের আইনস্টাইন" বলে সম্বোধন করেছিলেন। সুবর্ণ তোমাকে ভালোবাসি। তোমার এই বইটি "দ্য লাভ" বইটি কেও খুব ভালোবাসি।"
Rafi Ratul , Mar 2, 2020
"বইটি থেকে আমার সবচেয়ে প্রিয় লাইন, " পুনে বিশ্ববিদ্যালয় আমার দ্য লাভ বইটি নিয়ে বক্তৃতা দেওয়ার সময় একটি ঘটনা ঘটল।একজন প্রবীণ হিন্দু ব্যক্তি মঞ্চে এসে আমার পা ছুঁয়ে বললেন, "তুমি ঈশ্বর"। আমি প্রথমে কী করব বুঝতে পারলাম না। তবে কয়েক সেকেন্ড পরে, আমি তাকে আমার চেয়ারে বসতে বললাম। তিনি তা করলেন। আমি তখন মেঝেতে বসে তাঁর পা স্পর্শ করে বললাম, "আপনিও ঈশ্বর"""
Nazmul Huda , Mar 1, 2020
"I am in love of "The Love" book of Suborno Isac Bari. Wish him more success."
খোরশেদ আলম , Mar 1, 2020
"শুভেচ্ছা নেবেন। আমি গর্বিত সুবর্ণ আইজ্যাক এর সাথে বাঙালি আর বাংলাদেশ শব্দ দুটি জড়িত আছে বলে। কারণ আমি বাংলাদেশী ও বাঙালি। আমি সুবর্ণকে গত তিন বছর ধরে জানি। আমি শিক্ষকতা করছি আর শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করছি সুবর্ণের ছবি দেখিয়ে, গল্প শুনিয়ে ও ভিডিও দেখিয়ে। সুবর্ণ শুধুমাত্র একজন শিশু শিক্ষার্থী নয় সে আমাদের দেশের শিশুদের অহংকার, শিক্ষক ও বটে। তার লেখা বইটি সংগ্রহ করে আমার শিক্ষার্থীদের দেখাতে পেরেছি তাই আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের প্রতি অনুরোধ এদেশের কিছু মানুষের কারনে সুবর্ণ আইজ্যাক থেকে বাংলাদেশকে ও আমাদেরকে বঞ্চিত করবেন না। গ্রহের শ্রেষ্ঠ সন্তানের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একবার দেশে এলে বুঝতে পারবেন বাংলাদেশ সুবর্ণ আইজ্যাক বারীকে কতটা ভালোবাসে। অনেক অনেক শুভকামনা রইল।"
Al Mamun , Mar 1, 2020
"বইমেলা থেকে ৩ টি বই কিনেছি। রক্সি এবং তার বন্ধু আমার সাক্ষাত্কার নিয়েছিল। আমি তাদের বলেছিলাম সুবর্ন এই বইয়ের জন্য নোবেল পুরস্কার জিতবে"
Sheikh Saidur Rahman Limon , Mar 1, 2020
"বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আমেরিকান শিশু সুবর্ণ আইজ্যাক বারী। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁর সম্পর্কে প্রথম জানতে পারি। মাত্র ৪বছর বয়স থেকেই সুবর্ণ পিএইচডি লেভেলের গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান এবং রসায়ন বিজ্ঞানের জঠিল সব সমস্যা সমাধানে সক্ষম হন। ২০১৪ সালে নিউইয়র্ক সিটি কলেজের প্রেসিডেন্ট ড. লিসা কাইকো তাঁকে "আমাদের সময়ের আইনটাইন" নামে অভিহিত করেন। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেন ওবামা গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানের সমস্যাগুলি সমাধান করতে সক্ষম হওয়ার জন্য তাঁকে স্বীকৃতি প্রধান করেছিলেন। সুবর্ণ স্বীকৃতি পেয়েছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. ড্রু গিল্পিন ফাউস্টের কাছ থেকে। সুবর্ণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বৃটিশ পার্লামেন্টের স্পিকার স্যার জন বেরকো। মাত্র ৬বছর বয়সে সুবর্ণ তাঁর প্রথম বই লিখতে শুরু করেন। যে বয়সে একটি শিশু তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করবে সেই বয়সে সুবর্ণ লিখে ফেলেন তাঁর আলোড়ন সৃষ্টিকারী গ্রন্থ "দ্যা লাভ"। এগারোটি ঘটনার সুবর্ণকে বইটি লিখতে অনুপ্রাণিত করে। এই এগারোটি ঘটনার বর্ণনা রয়েছে তাঁর বইটিতে। তন্মধ্যে যে ঘটনাটি আমার মনকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছ তা বর্ণনা করা হয়েছে বইটির ষষ্ঠ অধ্যায়ে। যেখানে তিনি রোহিঙ্গা সমস্যাকে একটি "মানবিক সংকট" বলে অভিহিত করেন। প্রেসিডেন্ট ওবামার কাছ থেকে সুবর্ণ যে স্বীকৃতি পেয়েছেন তার সম্মানে ১৩ জানুয়ারী ২০১৭ নিউইয়র্কের বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব এবং টাইম টেলিভিশন নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে ৪০০ মিলিয়ন বাঙালির পক্ষে সুবর্ণকে একটি বিশাল সংবর্ধনা দেয়। টাইম টেলিভিশন তাঁদের ওয়েব সাইটে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করায় বিশ্বজুড়ে কয়েক মিলিয়ন মানুষ এই অনুষ্ঠানটি উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্যে সুবর্ণ বলেন, প্রেসিডেন্ট ওবামা আমাকে যে স্বীকৃতি দিয়েছেন তাতে আমার এখন বক্তৃতার চেয়ে গণিতে সমস্যা সমাধানে সময় দেওয়া বেশি জরুরি ছিল। কিন্তু আমার ভাই আবদুল মাসুদের মতো রোহিঙ্গার অনেক প্রাণহীন বাচ্চাদোর মুখ আমাকে এই ভাষন দিতে বাধ্য করেছে। অং সান সু চি আমার রোহিঙ্গা ফ্যামিলি হত্যা বন্ধ করতে অস্বীকৃতি জানালে আমি কিভাবে গণিতের সমস্যা সমাধান করতে পারি? আজ আমি এখানে ৪০ দিনের শিশু আবদুল মাসুদের ভাই হিসেবে এসেছি, যে মিয়ানমারের নেতা অং সান সু চি-র বেপরোয়া আচরণের কারণে প্রাণ হারিয়েছে। সুবর্ণ রোহিঙ্গা সমস্যাকে রোহিঙ্গা সমস্যা কিংবা মুসলমানদের সমস্যা বলতে নারাজ। তিনি একে মানবিক সমস্যা বলেছেন। সুবর্ণ স্বপ্ন দেখেন অং সান সু চি শিগগিরই রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ সফর করবেন। স্বপ্ন দেখেন আবদুল মাসুদের পরিবারের সাথে দেখা করার জন্য অং সান সু চি সুবর্নকে মিয়ানমারে আমন্ত্রণ জানাবেন। স্বপ্ন দেখেন অং সান সু চি একটি রোহিঙ্গা শিশুকে কোলে নিয়ে তার গালে চুমু খাবেন। বস্তুত সুবর্ণ একটি শান্তিময় পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেন। যে পৃথিবীতে প্রতিটি শিশুই হবে নিরাপদ, যে পৃতিবীতে থাকবেনা মানুষে মানুষে হানাহানি, হিংসা-বিদ্বেষ, যে পৃথিবীতে জাতিগত বিদ্বেষের স্থান থাকবেনা, যে পৃথিবীতে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ প্রভৃতি ধর্ম মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টির কারণ হবেনা। যে পৃথিবীতে সব পরিচয়ের উপরে একটি পরিচয়ই প্রধান এবং দৃশ্যমান হয়ে উঠবে তা হচ্ছে, আমরা সকলেই মানুষ। ভালবাসা দিয়ে সুবর্ণ পৃথিবী জয় করতে চান। বিস্ময় বালক সুবর্ণ তাঁর কয়েক বছরের জীবনে যে কয়েকটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দেখেছেন তা তাঁর শিশু মনকে দারণ ভাবে নাড়া দেয়। সুবর্ণ যখন দেখেন বাংলাদেশে হলি আর্টিজনে কয়েকজন বিদেশীর উপর আইএস জঙ্গিরা হামলা করে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে তখন তিনি কষ্ট পান। সুবর্ণ হতাশ হয়ে পড়েন যখন তিনি একজন ইমামে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমেরিকার জন্য দোয়া চেয়ে উপেক্ষিত হন। তিনি হতাশাগ্রস্ত হন যখন দেখেন নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে একদল সন্ত্রাসী সেখানে পরীক্ষা দিতে আসা একদল শিশুকে নির্বিচারে গুলি চালায়। তিনি হতাশ হন যখন টিভি পর্দায় দেখেন ওয়াশিংটনে সাইদ ও চেইফ নামক দুজন সন্ত্রাসী চার্লি হেড্ডো ভবনে প্রবেশ করে সাংবাদিক এবং পুলিশ অফিসার সহ নিরপরাধ লোকদের উপর নির্ভিচারে গুলি চালায়। তিনি আরো বেশি অবাক হন যখন শুনেন সন্ত্রাসীরা "আল্লাহু আকবার" ধ্বনি করে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালায়। সুবর্ণ এদেরকে মুসলমান কিংবা মানুষ ভাবতেও নারাজ। এই বইটি লিখতে সুবর্ণ আরো একটি ঘটনাকে মনে ধারণ করেন আর তা হচ্ছে তাঁর দেশ আমেরিকার জাতীয় পতাকার অবমাননা। তিনি তিনি স্কুলে যাওয়ার সময় যখন রাস্তার পাশে একটি হোন্ডার চাকার নিচে তাঁর দেশের পতাকাকে পিষ্ট হতে দেখেন তখন তিনি নিজেকে দায়ী মনে করেন। তিনি মনে করেন আমাদের মানবিক শিক্ষার অভাব রয়েছে। বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে মানবতার যে সংকট সুবর্ণের দৃষ্টিগোচর হয় তাই তাঁকে "দ্যা লাভ" বইটি লিখতে অনুপ্রেরণা জোগায়। ইতোমধ্যে সুবর্ণের বিখ্যাত বই "দ্যা লাভ " নোবেল পুরষ্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছে এবং বইটি একুশে বইমেলায় ৮টি বেস্টসেলার বইয়ের জায়গাটি দখল করে নিয়েছে। আপনিও চাইলে দ্যা লাভ বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। দ্যা লাভ আন্দোলন সফল হোক। শিশু বিজ্ঞানী সুবর্ণ ও তাঁর পরিবারের জন্য শুভকামনা রইল।♥ #29th_February_2020"
zahid Jeebon , Feb 29, 2020
"বিজ্ঞানী সূবর্ন আইজ্যাক বারীর “দ্য লাভ” এক কথায় অনবধ্য সৃস্টি। বইটি পাঠকদের পড়ার আগে আমার পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, কৃতজ্ঞতা মহান রাব্বুল ইজ্জতের দরবারে। ২০১৭ এর প্রথমদিকে রমজানের ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়া থেকে শুরু! যখন সূবর্নর বয়স মাত্র পাঁচ (৫) বছর। তারপর প্রখর মেধাশক্তি সম্পন্ন এই বিস্ময় শিশু তার দেখা প্রতিটা অনিয়ম, সন্ত্রাসী হামলা, মানুষের দারিদ্রসহ পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া বিষয়গুলো নিয়ে তিনি তার ছোট্ট মনের চিন্তা চেতনার মিশ্রন ঘটিয়েছেন। পুরো বই জুড়ে সূবর্ন একটা ম্যাসেজই দিতে চেয়েছেন, “সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।” আজ সারা দুনিয়ার দিকে তাকালে আমরা যেটা দেখতে পাই, ইসরাইল ফিলিস্তিন, মুসলিম আর ইহুদিদের দ্বন্দ। ভারতে হিন্দু-মুসলিম দ্বন্দ, মায়ানমারে মুসলিম-বৌদ্ধ দ্বন্দ, আমেরিকায় শেতাঙ্গ-কৃস্নাঙ্গ দ্বন্দ আরও কত কি? মানুষে মানুষে কত ভেদাভেদ, সর্বক্ষেত্রেই স্বার্থের দেন দরবার। আমরা ভুলে যাই দিন শেষে আমরা মানুষ, ভিতরের রক্তটা সবারই লাল। এসেছি নিয়ম রক্ষা করে কিন্ত যাবার নিদির্স্ট কোন নিয়ম আছে ? না নেই। কেউ বলতে পারবেন না, কখন তার দেহ ঘড়ি বন্ধ হয়ে যাবে। “দ্য লাভ” এর প্রতিটা পাতা মানুষের ভালোবাসার জয়গানে মুখরিত হয়েছে। ছোট্ট মনের সহজ সরল আর সহজাত ভাবনাগুলো ফুটে উঠেছে। পাঠককূলের কিছু বিতর্ক আমাকে পীড়া দিয়েছে, সমালোচকরা কোথাও কোন কালেই থেমে থাকেনি, সূবর্ন’র ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি, যেমন আমার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, সূবর্ন কেন লিখলেন, আমি সমকামীদের ভালোবাসী ? তাদের উদ্দেশ্যে একটাই প্রশ্ন, সমকামীরা কি মানুষ নন। পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেস্ঠ মানুষ হযরত মোহাম্মদ (সঃ) যেখানে পাপীকে নয় পাপকে ঘৃনা করতে বলেছেন, মহা পবিত্র গ্রন্থ আল কোরানে আল্লাহ রাহমানুর রাহিম যেখানে নিজেই বলেছেন, তোমাদের পাপ যদি ওহুদ পাহাড়ের সমানও হয়, আমি রাহমানুর রাহিম সেটা ক্ষমা করে দিব এবং তিনি ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। হাদিস এবং কোরআন কি আমাদের সমকামীকে ঘৃনা করতে শিখায় ? প্রশ্ন রেখে গেলাম। আরও কয়েকজন প্রশ্ন ছুড়েছেন, সূবর্ন লিখেছেন, “আমি মুসলিম, আমি হিন্দু, আমি খ্রীস্টীয়ান, আমি বৌদ্ধ” এটা কেমন কথা? তাদের জন্যে বলছি, কথাটার ব্যপকতাটা একবার ভাবুন। সবার উপরে মোদ্দা কথা আমরা মানুষ, কোন ধর্মই মানবতার বিপক্ষে কথা বলে না। সৃস্টির শুরু থেকে অদ্যাবধি আমরা সবাই আদি পিতা হযরত আদম (আঃ) এর প্রতিরূপ। স্থান কাল পাত্রভেদে দেশে দেশে জনে জনে আমাদের চিন্তা চেতনায় বিভিন্ন ধর্ম স্থান পেয়েছে, নিজেকে এক এক করে বিভিন্ন জনের স্থানে বসিয়ে একবার ভাবুন উত্তর পেয়ে যাবেন, এই ছোট্ট লাইন দিয়ে সূবর্ন বুঝাতে চেয়েছেন গোটা মানবজাতিকে, এক সূবর্নকে নয়। লিখলে অনেক লিখা যায় তাতে পাঠকের বিরক্তি বাড়বে, কারন এটা আমার নিজস্ব কোন প্রবন্ধ বা উপন্যাস নয়, একটা বেস্ট সেলার বইয়ের রিভিউ লিখার চেস্টা মাত্র। এক খাবার সবার ভালো লাগবে এমন কোন কথা নেই, আমার ভালো লেগেছে আপনার ভালো নাও লাগতে পারে তবুও বিনীত অনুরোধ একবার পড়ুন, ভাবুন, ভালো মন্দ কিছু লিখে যান, সূবর্নকে আরও কিছু ভাবতে বুঝতে সাহায্য করুন। পরিশেষে আরও একটা কৈফিয়ত না দিলেই নয়, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন এটা সূবর্নর লিখা না, তাকে কেউ শিখিয়ে পড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের কাছে আবারো ছোট্ট একটা প্রশ্ন রাখতে চাই, যে বয়সে শিশুরা খেলার মাঠে, বাড়ির আঙ্গিনা বা করিডোরে খেলনা গাড়ি নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করে সে বয়সে সূবর্ন মুম্বাই ইউনিভার্সিটিতে ফিজিক্স, ক্যামিস্ট্র বা কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে জাদরেল প্রফেসরের ভঙ্গিতে লেকচার দেন কিভাবে? তখন কে তাকে শিখিয়ে দেন? এরপর থেকে কিন্তু আমি তাকে প্রফেসর সম্বোধন করতে শুরু করব, কেউ আবার মুখ ভেংচাবেন না যেন। সূবর্নর ভালোবাসা আর “দ্য লাভ” এর ভালোবাসার কাছে আমার আমিত্ব পরাজিত। ভালোবাসি মানুষ, ভালোবাসি জীবন। তর্কের খাতিরে তর্ক নয়, সবাই ভালোর সাথে থাকুন পজিটিভ চিন্তা করুন, দেখতে দেখতে সত্যিই একদিন আমাদের পৃথিবী বদলে যাবে, ইনশাল্লাহুল আযিয। জাহিদ জীবন, প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক ফাউন্ডেশন।"
Muhammad Kutub Uddin , Feb 29, 2020
"ক্ষুদে বিজ্ঞানী এবং লেখক সুবর্ন আইজ্যাক বারীর প্রথম প্রকাশিত বই “দ্যা লাভ” বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর বাংলাদেশের অমর একুশে বইমেলা এবং প্রগতি ডট কম এ পাওয়া যাচ্ছে।ব্যস্ততার কারনে খুব একটা বই পড়া হয় না কিন্তু দ্যা লাভ বইটি কিনতে ঠিকই বই মেলায় একদিন ঢু মেরেছি।সুবর্ন সম্পর্কে জানা সেই ২০১৭ সালের শুরুর দিকে একটি ফেইসবুক আর্টিকেল এবং উনার বাবা রাশেদুল বারী ভাইয়ের মাধ্যমে।সব সময়ই তার নিউজগুলো পড়ে থাকি এবং একজন বাঙালী হিসেবে গর্ববোধ করি।এইটুকু একটা বাচ্চা এই বয়সেই সে কি করে মাস্টার্স লেভেলের গণিত,পদার্থ এবং রসায়নের সমস্যার সমাধান করে?আমি সব সময় আমার স্ত্রী এবং বন্ধু মহলে বিষয়টি শেয়ার করি কেউই বিষয়টি জানে না আর যারা কিছু জানে সে যে একজন বাঙালী সেটা আবার জানে না। তার প্রতিভায় আমি মুগ্ধ, অভিরাম ভালবাসা সুবর্নের প্রতি।সুবর্ন আইজ্যাক সাধারন কোন শিশু নয়, যে পিএইচডি স্তরের গণিত,পদার্থ এবং রসায়নের সমস্যার সমাধান করে এবং এত সুন্দর একটি বই এই বয়সে লিখতে পারে সে কখনো সাধারন শিশু হতে পারে না। আমরা সবাই জানি ইতিমধ্যে সে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক উবামা থেকে শিশু প্রতিভার জন্য স্বীকৃতি পেয়েছে। অক্সফোর্ট, হার্ভার্ড এবং নিউইয়র্ক সিটি কলেজ থেকে প্রতিভার জন্য স্বীকৃতি ও পুরস্কৃত হয়েছে এমনকি “আমাদের সময়ের আইনস্টাইন” বলে উপাধি দেয়া হয়েছে এবং গ্লোবাল চাইল্ড প্রোডিজি এওয়ার্ড ও পেয়েছে। টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলা, বিভিন্ন ধর্মীয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং রোহিঙ্গা নিধনের মত সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নিয়ে সুবর্নের এত সুন্দর লেখা বিশ্ববাসীর মনে দাগ লাগবে আশা করি। রোহিঙ্গা মুসলমান নির্যাতনকে সুবর্ন মুসলিম সমস্যা বলতে নারাজ সে এটিকে মানবিক সমস্যা হিসেবে দেখতে চায়। আমরা একজন আরেকজন মানুষকে নির্নয় করি তাদের ধর্ম, বর্ণ এবং শ্রেনীভেদ দেখে।আসলে ভালবাসা এবং অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাই পারে সকল সমস্যার সমাধান করতে। দ্যা লাভ বইটি আমাদেরকে ভালবাসা দিয়েই বিশ্ব জয় করা সম্ভব এই মেসেজটি দিয়েছে। পরিশেষে ,আমি শুধু এই কথাটিই বলতে চাই দ্যা লাভ শুধু মাত্র একটি বই নয় সাম্প্রদায়িক এবং সন্ত্রাসবিরোধী আন্দোলন ও বটে। এই বই এবং সুবর্ন আইজ্যাক বারী একদিন বিশ্ব বিবেককে নাড়িয়ে দিবে আশা করি এবং সন্ত্রাসবিরোধী কাজ থেকে মানুষ ফিরে আসবে ইনশাহ আল্লাহ এবং সন্ত্রাসমুক্ত আগামীর পৃথিবী পাব আমরা। এগিয়ে যাও বহুদুর স্নেহের সুবর্ন আইজ্যাক বারী তোমার সাথেই আছি আমরা। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী হয়ে উঠবে আশা এবং বিশ্বাস করি। শেখ মোহাম্মাদ কুতুব উদ্দিন"
Hamim Chowdhury , Feb 28, 2020
"ওয়াশিংটন ডিসির ফোবানায় কয়েক হাজার মানুষের সামনে সুবর্ণর পরীক্ষা নিয়েছিলেন এমআইটির অধ্যাপক ও নাসার বিজ্ঞানী ড. মিজান চৌধুরী। ক্যালকুলেটরের সাহায্য ছাড়াই গণিতের জটিল সমস্যার সমাধান করেছিল সুবর্ণ। এটা দেখে অবাক হলেন ড. মিজান। তখন সুবর্ণ বলেছিল, ‘আমার ক্যালকুলেটরের দরকার নেই, কারণ আমি কম্পিউটারের চেয়ে দ্রুত চিন্তা করি।"
Tanvir Ahammad , Feb 27, 2020
"আসসালামু আলাইকুম আমি বই খুব একটা পড়িনা। আসলে সুযোগ হয়ে ওঠেনা। কিন্তু সুবর্ণ আইজ্যক বারী এর লেখা দ্যা লাভ বইটি পড়ার জন্য অনেক অগ্রহি ছিলাম। বইটি আমি ডিসেম্বর এ প্রি-অর্ডার করি। কিছুদিন আগে হাতে পেয়েছি। বইটি নোবেল এর জন্য মনোনীত হয়েছে। বইটি পড়ে আমার অনেক চিন্তা চেতনা পরিবর্তন হয়েছে। বইটি ১১টি অধ্যায় এ ভাগ করা হয়েছে। যেখানে ধর্ম নিরপেক্ষতা নিয়ে বলা হয়েছে, পৃথিবীর সব ধর্মকে সমান চোখে দেখা কারন আমরা সবাই মানুষ। বিভিন্ন জাতির উপর সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে বলা হয়েছে। সুবর্ণ তার জীবন কাহিনী তার বাবার সাফল্য। তার মাকে সে বুঝাতে পেরেছে যে সব ধর্ম সমান। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত না। সুবর্ণ চায় সন্ত্রাস মুক্ত পৃথিবী। সেইটা কেবল ভালবাসা দিয়েই সম্ভব। ভালবাসা দিয়ে সব সম্ভব। সে ভালবাসা অন্য ধর্মের প্রতি অন্য জাতির প্রতি অন্য বর্ণের প্রতি দেখাতে হবে। সুবর্ণ তার অর্জন অনুপ্রেরনা সপ্ন সম্পর্কে লিখেছে। সে তার বাবার স্বপ্ন নিয়ে ভাবে। তার ইচ্ছা সন্ত্রাস অ ভেদাভেদ মুক্ত একটি পৃথিবী। বইটি পড়লে আপনার ভেতর সব ধর্মের প্রতি একটা ভালবাসা জন্ম নেবে। যা সন্ত্রাস মুক্ত সুন্দর পৃথিবী গড়তে সহায়ক। বইটি পাবেন বই মেলার নালন্দা প্রকাশনীর ২৬ নং স্টলে ও প্রগতি ডট কম এ। Tanvir Ahammad University of Rajshahi"
Saiful Islam , Feb 27, 2020
"হিরো আলমের বই এর মত😂"
Muhammad Meraj Sharif , Feb 26, 2020
"সুবর্ণের মেধাটা ওর এটেনশন সিকার বাবা নষ্ট করতেছে। আজকাল সবাইই লিখক হচ্ছে।"
সবুজ আহম্মদ মুরসালিন , Feb 26, 2020
"৬ বছর বয়সে বইটি লিখে বারী। আমি পড়ে আবাক হয় এতো সুন্দর চিন্তাভাবনা কিভাবে এটুকু লিখে একজন মানুষ মধ্যে আসে। বইটি পড়ে ইন্সপায়ের হওয়া যায়। নিজের চিন্তা ভাবনা কে এলোমেলো করে নতুন করে ভাবতে শিখাবে আমাদের। আসলে বইটা এতো ভাল লেগেছে যে না পড়লে বুঝবেন না৷ বইটা সংগ্রহ করে রাখার মত৷ আমার মতে বইটা টেবিলে থাকলে টেবিলের সুন্দর বৃদ্ধি পাশাপাশি একটা সেটিস্ফাই হওয়া যায়৷ মাঝেমধ্যে দু এক পেজ পড়ে নিলে মন ভাল হয়ে যায়"
Abdullah Jobair , Feb 26, 2020
"ফালতু একটা বই। টাকা নষ্ট ছাড়া আর কিছু না। আমার কষ্টে হচ্ছে বাচ্চাটার জন্য। পাগলণা বাপের কবলে পড়ে ভবিষ্যতটা নষ্ট করছে।"
Michael Sajib , Feb 26, 2020
"দ্য লাভ এক স্বর্গসুধা ******************** ধর্মীয় বৈষম্য দূরীকরন , প্রকাশ্য ভালবাসার অধিকার দাবীকরন, কুপ্রথা বিরোধী উচ্চারন ইত্যাদি করার কারনে প্রায়সই একটা গ্রুপ আমাদের হেনস্ত করার চেষ্টা করে । আর বই মেলায় তারা আশা নিয়ে বসেই থাকে এই ভেবে যে আমরা তো অবস্যই আসবো আর তখনই আক্রমনটা করবে । নিজের সম্মান রক্ষার্থে বই মেলায় যেতে পারিনা । দ্য লাভ আমার ভালবাসার নাম । ইহা প্রকাশ করার জন্য আমি আগামী প্রকাশনীর চিপ স্যার ওসমান গনিকে রিকুয়েস্ট করেছি কিন্ত ইহা অরণ্যে রোদন ছিল । নালন্দার সাথে পরিচয় ছিলনা আমার । দ্য লাভের সাক্ষাত পেতে অ্যামাজনই শেষ ভরষা হয়ে উঠেছিল । কোন একদিন শ্রদ্ধেয় টিচার রাশিদুল বারী উনার টাইমলাইনে এই গুড নিউজটি জানালেন যে নালন্দা প্রকাশনি দ্য লাভ প্রকাশ করবে । সেই থেকে আশা নিয়ে অপেক্ষা করছিলাম ........ স্যার যখন দ্য লাভ রিলেটেড কিছু পোস্ট করতেন প্রথম দেখায় তা শেয়ার করতাম নিজের টাইমলাইনে । আশায় ছিলাম কবে নাগাদ হাতে পাবো ..... আজ সেই অতি কাঙ্খিত পুস্তক আমার হাতে । সার্ভিসম্যানের হাত থেকে প্রথম নিজের হাতে পেয়ে পবিত্র পুস্তকটিতে চুমু খেয়ে প্রায় এক মিনিট চোখ বুজে বুকে জড়িয়ে রেখেছিলাম । মনে হচ্ছিল এ যেন এক চিরকাঙ্খিত অনন্ত ভালবাসা ......... দ্য লাভ দুবার পড়া শেষ করে বুকে জড়িয়ে সেই ছবি বুক রিভিউ সহ আপলোড করবো । অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই নালন্দাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই রকমারীকে চার পাতা পড়ে মনে হয়েছে দ্য লাভ এক স্বর্গসুধা । তাই নালন্দা আর রকমারীকে ধন্যবাদ দিতে দেরি সহ্য হচ্ছিল না । আর গ্রেট সায়েটিস্ট স্যার সুবর্নকে একরাশ ভালবাসা দিতে আসবো নেক্সট কমেন্টে। কারন এ মুহুর্তে অমি খুসিতে খুব আবেগপ্রবন হয়ে পরেছি । মাইকেল সজীব , মেম্বার অব অ্যামেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটি"
krishna Roy , Feb 22, 2020
"কয় দিন বইটি পেতে পারি?"
SHAKAWAT HOSSAIN , Feb 16, 2020
"ঘৃণা আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নয়,ভালবাসা দিয়ে কর বিশ্বজয় এই কথাটি রয়েছে ৬ বছর বয়সী একজন বাঙালি মুসলিম শিশুর লেখা "দ্য লাভ" বইতে। ২০১৬ সাল: যিনি ৪ বছর বয়সে পিএইচডি স্তরের গণিত, পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়ন সমস্যা সমাধানের সক্ষম হওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ওবামার কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন।গত বছর স্বীকৃতি পায় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট থেকে। ৬বছর বয়সে কলম ধরে লিখে ফেলেন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন স্বরূপ "দ্যা লাভ" বই। তিনি হচ্ছেন বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ লেখক সুবর্ণ আইজ্যাক বারী। আমেরিকাতে অবস্থানরত একজন বাঙালি মুসলিম শিশু। সুবর্ণ আইজ্যাকের "দ্য লাভ" এখন টেকনাফে আমার হাতে পৌঁছে গেছে। এটি বাংলাদেশের পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সর্বদক্ষিণ সিমান্ত উপজেলা টেকনাফ। যেখানে অং চান সু চি সরকার কর্তৃক বেপরোয়া নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে। "দ্য লাভ" বইয়ে উল্লেখ্য হাজার হাজার আব্দুল মাসুদদের মা'রা দুধের সন্তান হারানোর চাপা কষ্ট বুকে নিয়ে এখানে অনিশ্চয়তার দিন-রাত গুনতেছে। আর আমি নাফ নদীর এপার থেকে দেখা মায়ানমার সরকারের সেসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জলজ্যান্ত সাক্ষী। এখনো প্রতিদিন দেখে যাচ্ছি রোহিঙ্গাদের বর্তমান মানবেতর জীবনযাপন। মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত নাফ নদীর তীর ঘেঁষে দূর্গম এলাকায় আমার অবস্থান হওয়ায় কখনো ঢাকার একুশে বই মেলায় যাওয়ার সুযোগ হয়নি। কিন্তু সুবর্ণের মেধার প্রতি অনুপ্রেরণা আমাকে "দ্যা লাভ" সংগ্রহ করতে বাধ্য করেছে। অনলাইন বুকশপ প্রগতি.কম এর মাধ্যমে আমি বইটি হাতে পেয়েছি। আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি সুবর্ণের বাবা জনাব রাশেদুল বারীকে।তার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় "দ্য লাভ" বইটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও বিশ্বের প্রায় ৮০টির বেশী দেশে বিক্রি হচ্ছে।যদিও বা তিনি প্রথম দিকে বাঙালিদের মধ্যে বইটির প্রচারণা নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন।তবে এখন আমি বলতে পারি বইটি বাংলাদেশের আনাচে কানাচে পৌঁছে গেছে।পড়তেছে জাতি, ধর্ম,বর্ন নির্বিশেষে নারী-পুরুষ সকলে। # ধন্যবাদান্তে, আমি সাখাওয়াত হোছাইন --ছাত্র,সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা। --ছাত্র (রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ),কক্সবাজার সরকারি কলেজ,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। --মানবিক সহায়তা কর্মী, রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবির। টেকনাফ, কক্সবাজার, বাংলাদেশ।"
Muktaruzzaman , Feb 15, 2020
"অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ হাতে পেলাম The Love বই টি । অনেক ভালোবাসা আর দোয়া রইলো Suborno এর প্রতি. একটা বিষয় সুনিশ্চিত যে সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই, তাই বুঝতে পারলাম বইটি পড়ে। Love you so much Suborno you can win the Nobel prize ইনশাআল্লাহ"
Mohammad Ahasan , Feb 15, 2020
"সত্যি বলতে অসাধারণটা একটা লেখনী। এই বয়সে এতকিছু😍😍 সুবর্ণের আগামীর দিনগুলার জন্য শুভ কামনা"
Wasif Raiyan , Feb 10, 2020
"ছোট একটা বাচ্চার মস্তিষ্কে এ বয়সেই এতো বিস্তর চিন্তা! সত্যিই অসাধারণ!"
M SAIFULLAH SAIF , Feb 10, 2020
"'দ্য লাভ' এটি শুধু একটি বই নয়, এটি একটি আন্দোলন! বইটি যতই পড়ছি, ততই মুগ্ধ হচ্ছি। প্রিয় সুবর্ণ আইজ্যাক এর এই উপলব্ধি যেন একটি ইতিবাচক অনুভূতিকে জাগ্রত করছে.... একজন দেশপ্রেমিক মুসলিম হিসেবে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সুবর্ণর এই লেখাটি শিগ্রই বিশ্ব বিবেককে ঝাঁকুনি দিবে। সুবর্ণর আগামী দিনগুলোর সাফল্য কামনা করছি। সাথেই আছি, প্রিয় সুবর্ণ... এগিয়ে যাও।।"
Tamim R ChowdhurY , Feb 6, 2020
""দ্যা লাভ" বইটি পড়ে সর্বপ্রথম যে বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয়েছে তা হলো ধর্মীয় বৈষম্য কে সব কিছুর উর্ধ্বে রেখে মানবিক গুনাবলী কে প্রাধান্য দিয়েছে এবং এই প্রসঙ্গে সুবর্ণ তার মা কে ক্রিসমাস ডে তে ক্রিসমাস ট্রি ছুঁড়ে ফেলার পর চিঠি লিখে সকল ধর্মের প্রতি তার সম্মানের বিষয়টি তুলে ধরলে তার মা তার ভুল বুঝতে পেরে ছেলের মানবতা কে সম্মান জানান এই বিষয়টা আমার কাছে খুব পজিটিভ মনে হয়েছে, এভাবেই সবার কাছে ধর্ম নিরপেক্ষতার আহবান পৌঁছে দিবে সুবর্ণ। এখানে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে, সন্ত্রাসবাদ এবং সমসাময়িক সমস্যা গুলো তুলে ধরা হয়েছে। সর্বোপরি সকল শিশুকে গনিত এবং বিজ্ঞান কে ভালবাসার আহবান জানিয়েছে যা আমার খুব ভালো লেগেছে। সবশেষে এইটাই বলবো সুবর্ণ নিজেকে একজন শান্তি কামি মানুষ হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। শুভ কামনা সুবর্ণের জন্যে ♥️"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"দ্য লাভ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: