হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
ওয়েদার মেকার - পিনাকী ভট্টাচার্য এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

১ম প্রকাশ, ২০১৩

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

ওয়েদার মেকার

6 Ratings | 5 Reviews
TK. 90 TK. 100 -10% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

Title ওয়েদার মেকার
Author পিনাকী ভট্টাচার্য
Publisher দিব্যপ্রকাশ
Edition ১ম প্রকাশ, ২০১৩
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 48
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.19 Kg
ISBN 9789848830604
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

3.83

6 Ratings and 5 Reviews

★★★★★
3
★★★★☆
1
★★★☆☆
1
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
1

পাঠকদের মন্তব্য

৫টি
KHADIZA AKTER

KHADIZA AKTER , Oct 20, 2024

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"ছোট বই বাট দামটা একটু বেশি মনে হইলো। এমনিতে ভালো।"

আওলাদ হোসেন জনি

আওলাদ হোসেন জনি , Jul 31, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"ধন্যবাদ"

শাহ্ ফখরুল ইসলাম আলোক

শাহ্ ফখরুল ইসলাম আলোক , Apr 14, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"শুধু রাজনৈতিক বিশ্লেষণই নয়, সাহিত্যের বেশ কয়েকটি শাখায় পিনাকী ভট্টাচার্যের বিচরণ রয়েছে। তিনি পাঠককে ধরে রাখতে পারেন। অন্যান্য বইগুলোর মত এই বইটিও হতাশ করেনি।"

Fahim

Fahim , Aug 29, 2017

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"Time moto boita pelam tnx Progoty."

Abu Mustafiz

Abu Mustafiz , Feb 12, 2015

★ ★ ★ ★ ★

"গৌতম রায় অবিনাশ বাবুর কথা কি মনে আছে আপনাদের? মনে পড়ছে না? ক্লু দিতে হবে? প্রোফেসর শঙ্কু নামে কাউকে চিনেন কি? এবার নিশ্চয়ই মনে পড়েছে অবিনাশ বাবুকে! সারা দুনিয়া প্রোফেসর শঙ্কুকে আদবের সঙ্গে ইজ্জত দিলেও এই একটা মানুষ ছিলেন যিনি প্রোফেসরের যাবতীয় আবিষ্কার নিয়ে মশকরা করতে পারতেন। পড়ছিলাম পিনাকী ভট্টাচার্যের বই। নাম ‘ওয়েদর মেকার’। মনে পড়লো অবিনাশ বাবুর কথা। * সায়েন্স ফিকশন বা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী পৃথিবীর সব দেশেই জনপ্রিয়। এর মধ্যেও কারো কারো লেখা একটু বেশিই জনপ্রিয়। সায়েন্স ফিকশনের মধ্যেও বিভিন্ন ধরনের ধারা আছে। এই ধারাগুলো কখনও নিজস্ব গুণে জনপ্রিয় হয়, কখনও বা লেখকের লেখনীর গুণে জনপ্রিয়তা পায়। আইজাক আসিমভের ফাউন্ডেশন সিরিজের বই, কিংবা জুল ভার্নের একের পর এক কল্পকাহিনী কিংবা আর্থার সি ক্লার্কের ২০০১- অ্যা স্পেস ওডিসি সায়েন্স ফিকশনকে ভিন্নমাত্রায় হাজির করে আমাদের সামনে। কখনও কাহিনীর আড়ালে যন্ত্রের ভূমিকা ও কর্মকাণ্ড আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখে; কখনও বা আজ থেকে হাজার-লাখো-কোটি বছর পরের পৃথিবীর মানুষের সমাজজীবনের পরিবর্তনগুলো আমাদের সামনে নতুন নতুনভাবে হাজির হয়। সায়েন্স ফিকশন শুধু সায়েন্স নয়; সায়েন্স সেখানে অনেকটা পরিসর জুড়ে থাকলেও ফিকশনটাই মুখ্য। সুতরাং সায়েন্স ফিকশনে ফিকশনটাকে ঠিকমতো হাইলাইট না করতে পারলে সায়েন্সটাও মাঠে মারা যায়। এ ধারায় যারা জনপ্রিয় হয়েছেন, তাঁরা দুটোরই সমন্বয়ই ঘটাতে পেরেছেন; আর পেরেছেন বলেই তাঁরা এতোটা জনপ্রিয়। * ইংরেজি সাহিত্যে মেরি শেলিকে, অর্থাৎ ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের রচয়িতাকে সায়েন্স ফিকশনের উদ্ভাবক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। কিন্তু বাংলা সাহিত্যে? বলা মুশকিল। অনেকে অবশ্য জগদানন্দ রায়কে বাংলা ভাষায় সায়েন্স ফিকশনের জনক বলে মনে করেন। তিনি ‘শুক্র ভ্রমণ’ নামে একটি সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস লিখেছিলেন। পাশাপাশি গল্পাকারে বেশ কিছু বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লিখেছেন বলে জানা যায়। কিন্তু এতো ১৯০০ সালের কিছু পরের কথা! এর আগে কেউ কি কিছু লিখেন নি? পুরনোদের মধ্যে সত্যজিত রায় প্রোফেসর শঙ্কু দিয়ে যেভাবে মাতিয়েছেন, তেমনটা কি অন্য কেউ পেরেছেন? সাম্প্রতিককালে অবশ্য অনেকেই সায়েন্স ফিকশন লিখছেন। তাঁদের মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদও লিখেছেন বেশ কিছু। হাসান খুরশিদ রুমীর লেখা আছে অনেক- আছে অনুবাদও। এর বাইরেও অনেকের নাম বলা যাবে- তার মানে, বাংলাদেশে এখন অনেকে সায়েন্স ফিকশন লিখছেন। এটা ভালো খবর। কিন্তু যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, এগুলোর মধ্যে কয়টা ‘মানোত্তীর্ণ’, তখন উত্তর কী হবে? সাম্প্রতিক সময়ে অবশ্য দীপেন ভট্টাচার্য খুব ভালো লিখছেন। তাঁর ‘দিতার ঘড়ি’ তো অনেকের ভালো লেগেছে! * পিনাকী ভট্টাচার্যের বইটি হাতে পাওয়ার পর ভাবছিলাম- তাঁর লেখা কি পড়েছি আগে? বইয়ের নাম হিসেবে ‘ওয়েদার মেকার’ অবশ্য বলে দেয় এটা সায়েন্স ফিকশন হতে পারে, উল্টেপাল্টে দেখি তাই। যদিও কোথাও লেখা নেই বা লেখক কোথাও দাবি করেননি যে এটা সায়েন্স ফিকশন- কিন্ত পড়তে পড়তে এটিকে সায়েন্স ফিকশন হিসেবেই ভাবতে হবে। তার মানে কি- পিনাকী ভট্টাচার্য নামে নতুন এক লেখকের আগমন ঘটেছে সায়েন্স ফিকশন জগতে? তাহলে তো দারুণ হয়‍! যেহেতু বইটি পড়া হয়েছে, তাই একটু যদি আলোচনায় যাই- দেখি, সব মিলিয়ে কী দাঁড়ায়! লেখক পিনাকী ভট্টাচার্য যদি কখনও এই লেখাটি পড়েন, তিনি হয়তো রাগ করতে পারেন- কিন্তু পাঠকের মতামত- সে তো সবসময়ই এক চিজ! প্রথমত, যে প্রসঙ্গ দিয়ে শুরু করেছিলাম- প্রোফেসর শঙ্কু এবং অবিনাশ বাবুর কথা- এই বইয়েরও প্রধান দুটো চরিত্র ওরকম- প্রফেসের টাবুল এবং অসীম বাবু। চরিত্রের বিন্যাসও মোটামুটি কাছাকাছি। প্রোফেসর শঙ্কুদের ছিল একটা বেড়াল- নিউটন, আর প্রফেসর টাবুলদের আছে একটা কুকুর- কুত্তা। অনুকরণটা এতো বেশি কাছাকাছি যে পড়তে পড়তে কিছুটা অস্বস্তি লাগে। চরিত্রচিত্রণে লেখক নতুন কিছু কি সৃষ্টি করতে পারতেন না? অসীম বাবু তো অবিনাশ বাবুর মতোই ঠাট্টাতামাশা করেন প্রফেসরের সঙ্গে! মিলটা কিন্তু খুবই বেশি! দ্বিতীয়ত, কাহিনীটা উপস্থাপন করা হয়েছে একেবারেই সাদামাটাভাবে। আইডিয়াটা চমৎকার ছিল, দারুণভাব সেটাকে নিয়ে লেখক খেলতে পারতেন পুরো বইটা জুড়ে- যন্ত্রটি অভিনব- নামকরণটিও; কিন্তু পুরো কাহিনীতেই তেমন কোনো নতুনত্ব নেই। ফলে একটু অভিজ্ঞ পাঠক সহজেই আন্দাজ করতে পারবেন পরবর্তীকালে কী ঘটতে চলেছে। লেখক মনে হয় খুব তাড়াহুড়া করে বইটি শেষ করে দিয়েছেন। অথচ, বুননটা জমাট করা যেত, বর্ণনাগুলো হতে পারতো বিস্তৃত। উপন্যাস তো আর শুধু মূল কথাগুলো বলে যাওয়া নয়; সেখানে থাকে কিছু শাখা-প্রশাখা- নদীর মতো- যা মূল নদীটাকেই শক্তিশালী করে তুলে। লেখক সেদিকে মনোযোগী ছিলেন না একেবারেই। তৃতীয়ত, বর্ণনাগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একঘেয়েমীপূর্ণ। একটা কি উদাহরণ দিব? “কয়েকজন ব্যস্ততার সাথে ওয়্যারলেসে কথা বলতে শুরু করলো। অসীম বাবু প্রফেসররের কাছে পৌঁছানোর সাথে সাথেই কয়েকটা পুলিশের গাড়ি সাইরেন বাজিয়ে সামনে এসে দাঁড়ালো। প্রফেসর কোনো কথা না বলে অসীম বাবুর হাত ধরে টেনে একটা গাড়িতে উঠে পড়লো। অসীম বাবুর কুত্তা প্রভুকে অনুসরণ করলো। পুলিশের গাড়ি সাইরেন বাজিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে চলল”। শেষে এতো ‘লো’ কেন? তাছাড়া বইতে বিজ্ঞান-সম্পর্কিত বিশ্লেষণ রয়েছে মাত্র একটি জায়গায়- সেটি সমস্যা নয়- কিন্তু বিশ্লেষণটা খুবই কঠিন হয়ে গেছে সাধারণ পাঠকের জন্য। ‘ওয়েদার মেকার’ যন্ত্রটি কীভাবে কাজ করে- সেটি সম্ভবত আরেকটু সহজভাবে বুঝানো সম্ভব। * বইটি ছোট। মাত্র ৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে প্রথম পৃষ্ঠা শুরু হয়েছে পৃষ্ঠা ৭ থেকে। মানে, বইটি আসলে ৪০ পৃষ্ঠার। আসলে আরও ছোট- ফন্ট সাইজ কিংবা পেজ মেকাপ ইত্যাদি বিবেচনা করলে। সেদিক দিয়ে বইটিকে আসলে একটি গল্প (বা বড় গল্প) আখ্যা দেয়াই সমীচিন। উপন্যাস হয় না বোধহয়। না, আকারের দিক বিবেচনা করে নয়; পরিসর বিবেচনা করেন। সেক্ষেত্রে লেখক একটু ভাবতে পারেন- ভবিষ্যতের জন্য- এটিকে পূর্ণাঙ্গ করে দারুণ একটা উপন্যাস উপহার দিতে পারেন পাঠকদের, কিন্তু এরকম আরও কিছু বড় বড় বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লিখে এক মলাটের আওতায় এনে প্রকাশ করতে পারেন। কেন বলছি একথা? কারণ সমস্ত সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও এটি হতে পারে কিশোর-কিশোরীদের জন্য দারুণ একটি বই। এই বয়সীদের কিছু কল্পনার জগত থাকে- ঠাঁসবুননে বাঁধা নয়- বরং সাবলীলভাবে বলে যাওয়া কাহিনী এদের আকৃষ্ট করে বেশি- এই গুণটি পুরোপুরিই রয়েছে বইটিতে। দারুণ হবে যদি লেখক পিনাকী ভট্টাচার্য কিশোর-কিশোরীদের কথাটি মাথায় রাখেন। এদেশে সবাই লিখেন বড়দের জন্য- কেউ কেউ লিখেন শিশু সাহিত্য- কিন্তু কিশোর-কিশোরীরা কি অবহেলিত নয় এদেশে- সাহিত্যের জগতে? * বইয়ের প্রচ্ছদটি আমাকে টানেনি- কাহিনীর প্রতিফলন নেই প্রচ্ছদে। বাঁধাই কিংবা ছাপার মান কিংবা কাগজের মান ইত্যাদি আমাদের দেশের বইয়ের গড় মানের তুলনায় ভালো। দারুণ ব্যাপার যে, বইটি তিনি লিখেছেন অভ্র দিয়ে (যা দিয়ে আমিও লিখছি এই লেখাটি)। উৎসর্গও করেছেন অভ্রের মেহদীকে (উৎসর্গে অবশ্য মেহদীর নামের বানানটা ভুল এসেছে) এবং তাঁর টিমকে। এটা একটা দারুণ ব্যাপার! কেন, তা নিশ্চয়ই ইন্টারনেটে বাংলা ব্যবহারকারী কাউকে বলে দিতে হবে না। * বইটি পড়া শেষ করে উল্টেপাল্টে দেখছিলাম কোথাও লেখকের পরিচয় দেয়া আছে কিনা। নেই। দুটো বিষয় জানার ইচ্ছে ছিল- এক. লেখকের শিক্ষাগত বা পেশাগত পরিচয় ও দুই. এটি লেখকের প্রথম বই কিনা। লেখার সঙ্গে লেখককে মিলিয়ে ফেলাটা ঠিক কিনা সেই বিতর্ক অনেক পুরনো। কিন্তু পাঠকের কাছে একজন লেখকের লেখা নানাভাবে উপস্থাপিত হতে পারে- প্রত্যাশা সৃষ্টি হতে পারে লেখক-সম্পর্কে জেনেই। এই যেমন ধরুন- লেখক পিনাকী যদি বিজ্ঞানের কোনো বিষয়ে পড়ালেখা করে থাকেন, তাহলে তাঁর প্রতি এক ধরনের প্রত্যাশা জন্মাবে; না হলে আরেক ধরনের। আচ্ছা, সেটা না হয় এখানে বলেই ফেলি। তিনি যদি বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী হন, তাহলে বলবো, এই বই প্রত্যাশা-পূরণ করতে পারেনি; যদি না হন, তাহলে বলবো তিনি এই বইতে অনেক কিছু করেছেন যেটা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ছাড়া অন্যদের করা কঠিন। সেদিক দিয়ে বইটি দারুণ! লেখকের ব্যাকগ্রাউন্ড জেনে লেখার বিচার করাটা ঠিক কিনা- সেই প্রশ্ন এখন লেখক পিনাকী আমাকে করতেই পারেন। * বই সম্পর্কে কিছু তথ্য বইয়ের নাম: ওয়েদার মেকার লেখক: পিনাকী ভট্টাচার্য পৃষ্ঠা: ৪৭ প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০১৩ স্বত্ব: লেখক প্রকাশক: দিব্যপ্রকাশ প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণ: ধ্রুব এষ দাম: ১০০ টাকা * আগেই বলেছি, ‘ওয়েদার মেকার’ যন্ত্রটি দারুণ! বইয়ের আইডিয়াটি দারুণ! কিন্তু সব মিলিয়ে বইটি দারুণ হয়ে উঠতে পারেনি। কিন্তু আপনি যদি চান- কোনো কিশোর-কিশোরীকে বই উপহার দিবেন- এটি তাহলে আপনার সেই উপহারের তালিকায় রাখতে পারেন। ওদের ভালো লাগবে- আশা করি। গৌতম রায়: প্রভাষক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
মুক্তিযুদ্ধের বয়ানে ইসলাম
একটু পড়ে দেখুন
মুক্তিযুদ্ধের বয়ানে ইসলাম পিনাকী ভট্টাচার্য
(151)
TK. 210 -0% OFF
TK. 210
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"ওয়েদার মেকার" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
ওয়েদার মেকার পাতা: 1 / 10
পাতা 2
ওয়েদার মেকার পাতা: 2 / 10
পাতা 3
ওয়েদার মেকার পাতা: 3 / 10
পাতা 4
ওয়েদার মেকার পাতা: 4 / 10
পাতা 5
ওয়েদার মেকার পাতা: 5 / 10
পাতা 6
ওয়েদার মেকার পাতা: 6 / 10
পাতা 7
ওয়েদার মেকার পাতা: 7 / 10
পাতা 8
ওয়েদার মেকার পাতা: 8 / 10
পাতা 9
ওয়েদার মেকার পাতা: 9 / 10
পাতা 10
ওয়েদার মেকার পাতা: 10 / 10
পাতা / 10
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।