১ম প্রকাশ, ২০২৩
ভেঞ্জফুল (ভিলেনস-২)
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ভেঞ্জফুল (ভিলেনস-২) |
| Author | ভি.ই. শোয়াব |
| Publisher | অনির্বাণ প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 544 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.65 Kg |
| Editor | ঝিলম বিশ্বাস |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Tara , Oct 4, 2024
"বই : ভেঞ্জফুল (ভিলেনস সিরিজ - ২) লেখক : ভি.ই. শোয়াব অনুবাদ : ঝিলম বিশ্বাস সম্পাদনা : ইফতেখারুল ইসলাম প্রকাশনী : অনির্বাণ প্রকাশনী পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৫৪৪ 'ভিশাস'র এর ধারাবাহিকতায় সুপারহিরো ফ্যান্টাসি সিরিজের দ্বিতীয় বই 'ভেঞ্জফুল' হাতে নেওয়া। ভিশাসের ঘটনার পরের সময় নিয়েই সাজানো হয়েছে 'ভেঞ্জফুল', তবে এখানে যুক্ত হয়েছে নতুন কিছু মুখ; নতুন কিছু ই.ও। ভিশাসের দুই বন্ধুর কথা মনে আছে তো? সেই দুই বন্ধুত্ব 'টম এন্ড জেরি' টাইপ লুকোচুরি টা এখানেও আছে। ভিক্টর ভ্যাল এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে এক শহর থেকে অন্য শহরে। কিন্তু কেন? দাসপ্রথা শেষ হলেও মানুষের ক্ষমতার প্রথা এখনো রয়ে গিয়েছে। প্রথম পর্বে যেমন বন্ধুত্ব, বিশ্বাসঘাতকতা আর ক্ষমতার খেলা দেখানো হয়েছে দ্বিতীয় পর্ব ঠিক তার ব্যতিক্রম নয়। অবশ্য এটাও সিরিজের চরিত্র নিয়েই এগিয়েছে তবে এখানে দেখা মিলেছে নতুন সব ই.ও দের। তাদের উদ্দেশ্য কি? কেনোই তারা একত্রিত হয়ে চলেছে। নতুন শক্তির আবির্ভাব ই বা কেনো হলো! মানুষ কি তবে এসব ই.ও দের হাতের পুতুল হতে চলেছে? ক্ষমতা, ক্ষোভ আর ধ্বংসের আরেক নতুন আখ্যান ই তুলে ধরা হয়েছে 'ভেঞ্জফুল' এ। শুরুটা জানতে হলে যেতে হবে 'সূচনা' পর্ব থেকে। সেই চিরচেনা মেরিট শহরকে ঘিরে ঘুরতে হবে। মূল বইকে চারটি পর্বে সাজানো হয়েছে। প্রথম পর্বে 'ভিশাস'র শেষ থেকে শুরু দেখানো হয়। যদিও আমার মনে হয়েছে ঘটনার প্রবাহ এখানে বেশ স্লো ছিল। তবে লেখিকা সারপ্রাইজিং পার্ট হিসেবে একজন নতুন ই.ও কে পরিচয় করিয়ে দেন। যার নাম জুন। এটিকে ভিক্টর ভ্যালি, সিডনি আর মিচের জীবনের নতুন অধ্যায় বলা চলে। তবে ভিক্টরের জীবনে এক অদ্ভুত সমস্যা দেখা দিয়েছে। আর এই সমস্যা সমাধানে মিচ যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে চলেছে। আর আগের ব্ইয়ের মতো এখানেও যথারীতি দুটি টাইমলাইনে গল্প এগিয়েছে। একবার অতীত একবার বর্তমান কিছুটা রোলার কোস্টার রাইডের মতো। আর এর শেষেই সামনে আসে মার্সেলা রিগিনস। ইনি কে তা আপাতত বিস্তারিত বলছি না। মার্সেলা রিগিনস; একজন মাফিয়ার স্ত্রী। এছাড়াও আরেকটি পরিচয় আছে। একজন ই.ও। সাধারণ একজন মানুষ থেকে ই.ও। এর পেছনের যুক্তি কি? ঘৃণা! কাউকে ভালোবেসে ধোঁকা খাওয়া আর সংসার জীবনের প্রতারণার একটা ছোট্ট গল্প মার্সেলার। এই ব্ইয়ে মার্সেলার পাওয়ার টা আমার বেশ ভালো লেগেছে। সেই ক্ষমতার মূল চাবিকাঠি ঘৃণা। প্রচন্ড ঘৃণা। দ্বিতীয় পর্ব পুরোটাই এগিয়েছে মার্সেলাকে ঘিরে এবং তার ব্যাকস্টোরি। মার্সেলার চরিত্রটা অনেকটা উচ্চাকাঙ্ক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছে। তাই পড়ার সময় মনে হতে পারে মার্সেলাও হয়ত রিয়েল লাইফ হিরোইন কিংবা ভিলেন। কারণ সকলের ই নিজস্ব কিছু কারণ থাকে যা লোকচক্ষুর আড়ালেই রয়ে যায়। পাশাপাশি ইলাইয়ের কিছু অংশও টেনেছেন লেখিকা। 'ভিশাস' পড়ার সময় ইলাইয়ের প্রতি যেমন একটা ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল এখানে ঠিক তার উল্টো। ঠিক মুদ্রার উল্টো পিঠের মতো। ব্যাকস্টোরিতে ইলাইকে যেভাবে দেখানো হয়েছে সেটা সত্যি সহমর্মিতার জায়গা রাখে। ল্যাবরেটরির বন্দি গিনিপিগের মতোই একসময় ইলাইয়ের উপর চালানো হয়েছিল নানা মানসিক নি/র্যা/তন; ভাবা যায় এসব? বইয়ের ততীয় অধ্যায় নাকি বলব চুম্বক অংশ! আমার মনে হয়েছে টানটান করা উত্তেজনাটা এখান থেকেই শুরু হয়েছে যখন মার্সেলার সাথে পরিচয় হয় জুনের। সেই সাথে সামনে আসে আরেকজন ই.ও; নাম জোনাথান। এই পর্বটা অনেকটা রোলার কোস্টার রাইডের মতো। একদিকে জুন, মার্সেলা আর জনাথানের পরিচয় এবং টিম তৈরি অন্যদিকে স্টেলের অভিযান। মানে একদিকে ষড়যন্ত্র অপরদিকে কাউকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা। এখানে স্টেলের যে মানসিক টানাপোড়েন লেখিকা দেখিয়েছেন তা সত্যিই পাঠককে ভাবাতে যথেষ্ট। এটাকে আমি কিছুটা কনফিউজিং পার্ট বললেও ভুল হবে না কারণ ঘটনা এতোবার আপ ডাউন হবে যে রুদ্ধশ্বাস একটা পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে আমাকে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা বিন্দু বিন্দু জলের মতো আগের তিনটি পর্বের যোগসূত্র হতে চলেছে এখানে। অর্থাৎ সব ই.ও এর মিলনমেলা বললেও ভুল হবে না। মুভিগুলোতে যেমন শেষ অংশে সকল ফাইটিং সিনগুলো রাখা হয় এখানেও কিছুটা এরূপ। সকল ই.ও এর মাঝে একটা লড়াই; সকলের শক্তি আলাদা। এই পর্বটাও টানটান উত্তেজনায় ভরপুর। কী নেই এখানে?একশন, মেলোড্রামা এবং সুপার ন্যাচারাল পাওয়ারগুলোর একত্রে একটা আখ্যান বলা চলে। প্রথম পর্ব যেমন স্লো বার্ণ মনে হয়েছিল এই পর্ব ঠিক তার উল্টো। এখানে ঘটনার প্রবাহ চলতে থাকে বাতাসের বেগে। তবে কাহিনী বুঝতে বেগ পেতে হয়নি। তবে এন্ডিং নিয়ে আমি কিছুটা ক্ষুব্ধ। ভিক্টরের বিষয়টা আমার কাছে আবছা মনে হয়েছে যেন 'শেষ হয়েও হ্ইলো না শেষ।' যদিও এই সিরিজের শেষ ব্ই 'ভেঞ্জফুল।' এছাড়াও ভিক্টরের সাথী সিডনি এবং মিচের পরিণতিও স্পষ্ট নয়। মানে এন্ডিং আছে তবে পড়ে ঢেকুর তোলার মতো মনে হয়নি। মাঝ থেকে যেভাবে পড়ার আগ্রহটা ছিল শেষটা পড়ে কিছুটা আশাহত হয়েছি। আমার মনে হয়েছে 'ভিশাস'র এন্ডিং ইজ বেটার দ্যান 'ভেঞ্জফুল।' ▪️অনুবাদ, সম্পাদনা এবং প্রোডাকশন : অনুবাদক নিয়ে কিছু না বললেই নয়। ঝিলম বিশ্বাস আপুর অনুবাদ নিয়ে নতুন করে কিছু লিখতে চাই না। 'ভিশাস' এর ধারাবাহিকতায় 'ভেঞ্জফুল' এর অনুবাদ ও দারুন ছিল। সংলাপে কিছু ইংরেজি শব্দের আক্ষরিক অর্থে বাংলা ব্যবহার না করে সচারচর ব্যবহারিক জীবনের ধরণটা রাখা অনুবাদের একটা নিজস্বতা নিয়ে এসেছেন অনুবাদক। আমি নিজেও এভাবে পড়তেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর মূল ভাবকে ঠিক রেখে নিজের মতো কিছু জায়গা ফুটিয়ে তোলার দিকটাও বেশ প্রশংসনীয় ছিল। আর সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন ইফতেখারুল ইসলাম। বাক্য বিন্যাস, ধারাবাহিকতা আর বানান সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল। তবে ৫৪৪ পেজের এই মোটা বইটির প্রোডাকশন মোটামুটি ভালো হলেও পড়তে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। কারণ মোটা বইগুলোতে রাউন্ড বাইন্ডিং রাখলে টেবিলে রেখে পড়তে সুবিধা হয়। আর পেজ কোয়ালিটি, বাঁধাই ভালো ছিল। আর ইলাস্ট্রেশন ছিল বলে ব্ইটা আরো আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। ▪️পার্সোনাল রেটিং : ৪/৫ ▪️পরিশেষে, 'ভিশাস' এ গল্পের পরিধি যেমন কয়েকটি মূল চরিত্রে আটকে ছিল 'ভেঞ্জফুল' তেমন নয়। এটিকে বলা চলে ভিশাসের শেষ আর ভেঞ্জফুলের শুরু। এখানে গল্পটা খুব বিস্তারিত। প্রতিটা পর্ব খুব ডিটেইলিং এর সাথে সাজানো। যদিও এখানে আর ভিন্ন (আকর্ষণীয় কোনো এলিমেন্ট) কিছু ছিল বলে আমার মনে হয়নি। তাই প্রথমদিকে পড়তে বোর মনে হলেও ধৈর্য রেখে এগিয়ে যাওয়ার কথাই বলব।"
Shamsudduha Tauhid , Dec 28, 2023
"'প্রতিহিংসা আমার। আমিই তাহা শুধিব।’ সুপারহিরো আরবান ফ্যান্টাসি সিরিজ ভিলেনস ডুয়োলজি- ভিশাস আর ভেঞ্জফুল। সিরিজের উপজীব্য বিষয় সুপারহিরোদের নিয়ে। অবশ্য সুপারহিরোদের চিরাচরিত প্রথা ভেঙে লেখিকা ভি ই শোয়াব নতুন ধারণার তৈরি করেছেন। এখানে সুপারহিরোররা ক্ষমতা প্রাপ্ত হয় নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স এর মাধ্যমে। আর মৃত্যু পূর্বকালীন সময়ে ভাবনা চিন্তাকে কেন্দ্র করেই তারা সুপারপাওয়ার পায়। এই সুপারহিরোরা কেউ স্পাইডার ম্যান, সুপার ম্যানদের মতো মানবজাতির কল্যানের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দেয় না। বরং নিজ নিজ কামনা বাসনা লোভ প্রতিশোধ আর ক্ষমতার মোহে এই সুপারপাওয়ার ব্যবহার করে। তারা কেউই ভালো চরিত্র না। আবার কাউকেই একবাক্যে খারাপও বলা যায় না। ভালো খারাপের মাঝে যে ধূসর জায়গা থাকে, তার মাঝেই বিচরণ করে এই সিরিজের চরিত্রেরা। এখানে কেউ নায়ক নয়। আবার নির্মোহ ভাবে তাদের ভিলেন বলে ঘোষণা দেয়া যায় না। সমবেদনা কাজ করে চরিত্রদের জন্য। তাদের কার্যকারণের ব্যাখ্যা খুঁজে নেয় মন। এমন পটভূমিতেই লেখিকা ভি ই শোয়াব নির্মেদ লেখায় চরম সাসপেন্স তৈরি করে পাঠকদের টেনে নিয়ে যান গল্পের স্রোতে। ভিলেনস সিরিজ এর প্রথম বই “ভিশাস”। সমকালীন সময়ের প্রেক্ষিতে ভার্সিটি পড়ুয়া দুই তরুণ ছাত্র ভিক্টর আর ইলাইকে নিয়ে গল্পের চাকা গড়ায়। তারা দুইজনে রুমমেট হলেও তারা পরস্পর দুই মেরুর পারসোনালিটি। ইলাই যেমন ঈশ্বরকে প্রবলভাবে বিশ্বাস করে, ঠিক তার উলটো ভিক্টর। এসব ধর্ম কর্ম কে থোড়াই কেয়ার করা ভিক্টর নিজের বাপ মায়ের লেখা মোটিভেশনাল বই মার্কার দিয়ে বই দাগিয়ে নষ্ট করে, আর এর মাঝে একটা আলাদা টেক্সট বের করে। ভিক্টরের যেমন প্রকাশভঙ্গী প্রবল, আর তার বিপরীতে ইলাই নিজেকে গুটিয়ে রাখে সবসময়। ভিক্টরের রুমে অন্য কেউ টিকতে না পারলেও কি করে যেন টিকে যায় ইলাই। তবে তাদের সম্পর্কের এই হিসাব এলোমেলো হয়ে যায় এক তরুণীর জন্য। প্রতিহিংসার একটা অনুঘটক মনের অজান্তেই তৈরি হয়ে যায়। ইলাই আর ভিক্টরের শেষ বর্ষে থিসিসের জন্য বেছে নেয় এমন এক টপিক যাতে তারা নিজেদের সুপারহিরো তৈরি করে ফেলে। ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব আর প্রতিহিংসার জেদে তীব্র বিষাক্ত হয়ে ওঠে এতদিনকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কটাও। এর মাঝে দশটি বছর কেটে যায়। ভিক্টর জেল থেকে পালিয়ে পুরনো শত্রু কিংবা বন্ধুর জন্য হন্য হয়ে ছোটে। আর ইলাই এক লাস্যময়ী নারীকে সাথে নিয়ে বাকিসব সুপারহিরোদের হত্যার জন্য আগ্রাসী হয়ে যায়। ইলাইয়ের সাথে হাত মেলায় সুপারহিরোদের নিশ্চিহ্ন করার জন্য পুলিশ ডিপার্টমেন্ট। ভিক্টর কি নিজেকে বাঁচাতে পারবে? পারবে শোধ নিতে? ভিশাস বইয়ের মূল চরিত্র ভিক্টর আর ইলাই হলেও সবচেয়ে প্রভাবশালী চরিত্র হচ্ছে ইলাইয়ের লাস্যময়ী সঙ্গিনী সেরেনা। ইলাই যেন পুতুলের মতো সেরেনার কামনা মধুর হাতে নাচে । দ্বিতীয় বই ভেঞ্জফুল।। প্রথম বইকে ভেঙেচুরে দ্বিতীয় বইটির গল্প দাঁড়ায়। মাফিয়া বসের সহধর্মিণী মার্সেলা রিগিনস ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এর স্বীকার হয়ে নিয়ার ডেথ এক্সপেরিয়েন্স লাভ করে আর পরিণত হয় সুপারহিরোতে। একে একে নিকেশ করে নিজের শত্রুদের। নিজেই হয়ে যায় মাফিয়া লিডার। ফিনিক্স পাখির ছাই থেকে যেন জন্ম হয়েছে তার। ধীরে ধীরে অন্যান্য সুপারহিরোদের নিজের ছায়াতলে নিয়ে আসে আর গড়ে তোলে আন্ডারগ্রাউন্ডএর এমন এক রাজত্ব যা কাঁপিয়ে দেয় খোদ দেশের শাসকগোষ্ঠীকে। ওদিকে ইলাই আর ভিক্টরের মধ্যে শুরু হয় ইঁদুর বিড়াল রেস৷ টম অ্যান্ড জেরি। কে জয়ী হয় এই লড়াইয়ে? ভালোবাসা প্রেম কাম লোভ প্রতিশোধ প্রতিহিংসা সব কিছু যেন মিশে যায় একই রেখায়। চরিত্র বিশ্লেষণঃ এই সিরিজে সবচেয়ে প্রভাবশালী চরিত্র নারী। মার্সেলা ও সেরেনা । সবচেয়ে ভালো লাগার চরিত্র আমার কাছে সিডনি। বইয়ের কেন্দ্রীয় চরিত্র ভিক্টর আর ইলাই। তারা একে অপরের অল্টার ইগো। কিন্তু যখন তাদের মুখোশ খুলে যায় পরস্পরের কাছে, তাদের হৃদয়ের পচন একইরকম লাগে। তবে, বইয়ে ইলাইয়ের চরিত্র যেমন প্রস্ফুটিত হয়েছে, ভিক্টরের চরিত্র তেমন করে ফুটে ওঠেনি। সারা বই জুড়ে ভিক্টরের ভাগ্যে জুটেছে যাতনা আর দুর্ভাগ্য। তাই ভিক্টরের প্রতি সমব্যথী হয়ে যাই। হয়তো লেখিকা নিজেই ভিক্টরের প্রতি বায়াজড ছিলেন! ভিক্টরের আরেক বন্ধু মিচ টার্নার, তারও দুর্ভাগ্য তার জীবনের অংশ। ভালো লাগার জায়গাঃ সুপারহিরো নিয়ে আরবান ফ্যান্টাসি এই প্রথম পড়া। আইডিয়ায় অভিনবত্ব আছে। সুপারহিরো বা এক্সট্রা অর্ডিনারিদের কাউকে মহান হিসেবে তৈরির চেষ্টা করা হয়নি। বইয়ের লেখনী আর গতিময়তা টেনে নিয়ে যায় ডুয়োলজির শেষ পৃষ্ঠায়। অনুবাদ নিয়েঃ অনুবাদ নিয়ে আলাদা করে বলতে হয়, এই ডুয়োলজির অনুবাদক "কুইন্স থিফ" খ্যাত ঝিলম বিশ্বাস অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন। চমৎকার ভাষারীতি দিয়ে অনূদিত বইদুটি ভীষণ উপভোগ্য হয়েছে। অভিনন্দন তাকে এমন অপূর্ব অনুবাদে বইদুটো পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য ও ফ্যান্টাসি জনরার এমন কাজের জন্য। বইটি প্রকাশ করেছে অনির্বাণ প্রকাশনী। সম্পাদনায় ইফতেখারুল ইসলাম। প্রচ্ছদ এঁকেছেন সজল চৌধুরী। বইটির মাঝে ব্যবহৃত অসংখ্য ইলাস্ট্রেশন যেন চেরি অন টপ অব দ্যা কেক। দারুণ প্রোডাকশন। অসংখ্য ধন্যবাদ অনির্বাণ প্রকাশনী-Anirban Prokashoni কে। মূদ্রিত মূল্যঃ ভিশাস- ৬০০/, ভেঞ্জফুল- ৮৪০/"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ভেঞ্জফুল (ভিলেনস-২)" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: