১ম প্রকাশ , ২০১৭
ভাঙো দুর্দশার চক্র
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন- ১
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন - ২য় খণ্ড
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
কিতাব পরিচিতি প্রয়োজনীয়তা ও পদ্ধতি
মাওলানা আবদুল্লাহ নাজীব
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন - ৩য় খণ্ড (ইলমের দাওয়াত)
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
গবেষণা ৩৬০°
হাসিবুল হাসান
আদর্শ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা গাইড (১ম, ২য় ও ৩য় খণ্ড একত্রে)
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ভাঙো দুর্দশার চক্র |
| Author | আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ |
| Publisher | কোয়ান্টাম প্রকাশনা |
| Edition | ১ম প্রকাশ , ২০১৭ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 126 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | প্রবন্ধ |
| Weight | 0.47 Kg |
| ISBN | 9789843423511 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
23 Ratings and 10 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১০টি
Abu Backker , Sep 28, 2026
"Great delivery and book was good"
A K KHAN HASAN , Feb 26, 2023
"ভাঙো দুর্দশার চক্র (আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ ) : বই পর্যালোচনা : বইটি মূলত কোয়ান্টাম মেথড এ দেয়া আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের বক্তব্যসমূহের একটি লিখিত সংকলন । বইটিতে স্যার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বিভিন্ন দিক ও উপকারিতা তোলে ধরেছেন । তাছাড়া এটিতে সেলফ ডেবেলোপমেণ্ট সংক্রান্ত আলোচনাও করা হয়েছে। বইটির কিছু চুম্বক অংশ এখানে তুলে ধরার ছোট্ট প্রয়াস । শুরুতে স্যার রক্তদান কর্মসূচি ও রক্ত দাতাদের উৎসাহ দিতে গিয়ে মার্কিন কবি জেমস রাসেল লয়েল এর একটি কবিতার লাইন উদ্ধৃতি করেছেন " As one lamp lights another ,nor grows less so nobleness enkindleth nobleness " "অর্থাৎ একটা প্রদীপ যেমন হাজার প্রদীপকে প্রজ্বলিত করে কিন্ত নিজে কমে না ,তেমনি মানুষের মহত্ত্বও অন্যকে মহৎ করে তোলে নিজে এতটুকু না কমে । রক্ত না দিলে এটি নিজের শরীরের ভিতরে মরে যাবে কিন্ত দিলে অন্যের শরীরে গিয়ে নতুন জীবন জাগিয়ে তুলবে। তখন আপনার তুচ্ছ রক্ত অন্যের জীবন হয়ে এই পৃথিবীতে কথা বলবে, গান গাইবে হয়ত মানুষকে নতুন আশ্বাসে উজ্জীবিত করবে । তাদের মাধ্যমে আপনার রক্ত দীর্ঘকাল ধরে পৃথিবীতে টিকে থাকবে , পাতা মেলে ফুল ফুটিয়ে যাবে"। ভালো কাজ কিভাবে শুরু করবে এই বিষয়য়ে বলেন, "ভালো কিছু করতে চাইলে প্রথমত আমাদের হৃদয়ের সততা দিয়ে ওই ভালোতে বিশ্বাস করতে হবে । এরপরে দিতে হবে অনেক কিছু । আমাদের যা আছে সবই " । মেডিটেশন সম্পর্কে স্যার বলেছেন, "মেডিটেশন করলে বুঝা যায় মনের এই শান্ত ও শিথিল অবস্তাতে মন হয়ে উঠে সবচেয়ে শক্তিশালী । রবীন্দ্রনাথ বলেছেন উত্তেজনা এবং শক্তি এক নহে । ইহারা পরস্পর বিরোধী । অর্থাৎ উত্তেজিত মুহূর্তে আমরা সবচেয়ে শক্তিহীন । এখানেও রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন । কেন হারব ?কারণ সেই মুহূর্তে আমরা উত্তেজিত । তাই আমাদের যুক্তি কাজ করছেনা। অথচ এর বিপরীতে আমরা যদি মনকে শান্ত ও যুক্তিপূর্ণ করে তুলতে পারি তখন মনের ক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যায় " । নেতিবাচক চিন্তা দূর করার ব্যাপারে স্যার বলেন " আমাদেরকে সাহসী হতে হবে। যা করতে যাব তার উপর সাহসী হয়ে আমাদের অন্ধের মত ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে । জীবনে যা হবার তা যখন হবেই তখন ইতিবাচক হয়েই তার মোকাবেলা করা উচিত । নেতিবাচক মনের মধ্যে কথা বলতে চাইলে ঝট করে ইতিবাচকতার দিকে সরে যেতে হবে । নেতিবাচকতার উৎস হল ভয় । ভয়কে বাড়তে দিলে তা আমাদের মন ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে । আমাদের মধ্যে হীনমন্যতা দেখা দিবে । আমরা নেতিবাচক হয়ে উঠি ভয় আর আত্মবিশ্বাস এর অভাবে । এই ভয় থেকে বের হবার প্রধান উপায় হল কাজের জগতে ক্ষান্তিহীন ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়া । জীবনকে আক্রমণ করে তা থেকে সফলতা ছিনিয়ে আনা। ভয়ের এই অশুভ প্রেতটাকে আমরা ঝেটিয়ে ফেলতে পারলে আমরা হব জয়ী ,সফল ,দুর্নিবার । ভয়ের কথা বেশি ভাবার ফলে আমরা কাজের জায়গায় ভুল করি"। তিনি জীবনে কাজের উপকারিতা বর্ণনা করেছেন অসাধারনভাবে । তিনি বলেন " কাজ হল গঙ্ঘাজল । কাজের মধ্যে বেঁচে থাকে মানে জীবন উল্লাস এর মধ্যে বেঁচে থাকা" । স্যার একপর্যায়ে স্বপ্নের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন " স্বপ্নের জন্য আমরা যতটুকু কাজ করি তাই আমাদের স্বপ্ন " । স্যারের বইটা পড়ে নিজেকে অন্যভাবে আবিষ্কার করা যায় । বইটি সত্যি অসাধারণ লেগেছে আমার । তিনি দুর্দশা দূর করার উপায় বাতলে দিয়েছেন এই বইয়ে ।"
Imran Walid , Dec 1, 2022
"Very good book"
Jewel Sarkar , Mar 21, 2022
"বেস্ট one"
Shihab munsi , Jun 6, 2021
"অনেক ভালো একটা সমসাময়িক বিষয়ক নিয়ে দুর্দান্ত বই এটি। Tnx Progoty.. এই বই টা বুক লিস্টে রাখার জন্য"
Hate You Progoty , Feb 11, 2021
"কাজ ও চলার পথে আমাদের কেন মানবিক হওয়া উচিত, এ বিষয়ে খুব ভালো ধারণা দেয়া হয়েছে 'ভাঙো দুর্দশার চক্র' বইটিতে। মানুষ তাকেই মনে রাখে যিনি সাধারণত দিয়ে থাকেন। সেবা দিয়ে, সাহায্য দিয়ে বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থাকেন। অন্যের প্রতি একটুখানি সহযোগিতা এগিয়ে দিলে তা বহুগুণে ভালোবাসা হয়ে ফেরত আসে। এরচেয়ে বড় প্রাপ্তি সম্ভবত জীবনে আর কিছু নেই। তাই আমাদের বস্তুগত প্রাপ্তির চাইতে মানসিক শান্তির বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া উচিত। ইতিবাচক চিন্তা করার সামর্থ্য যে কতো বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা এই বইটি পড়লে বোঝা যায়। মনের ভেতর চলতে থাকা হাজারো যন্ত্রণা হয়তো মুছে দিতে পারে একটুখানি পরিবর্তিত চিন্তা। জীবনের ছোট ছোট বিষয়ে গাঁথা থাকে সাফল্য ও সুখের উৎস। কিন্তু আমরা তা দেখতে পাই না। এটি এমন এক বই যেটি পড়লে আপনার মনোজগত আলোড়িত হয়ে উঠতে পারে, পেতে পারেন পৃথিবীকে ভিন্ন চোখে দেখার এক অন্যরকম সামর্থ্য। বইটি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের বক্তৃতা সংকলন হিসেবে প্রকাশিত হলেও, এটি হতে পারে আপনার জীবনে বইয়ের চাইতে একটু বেশি কিছু। হতে পারে সুন্দর একটা পৃথিবীর পথে আপনার সহযাত্রী।"
Sumon AhmEd💙 , Feb 3, 2021
"দারুণ একটা বই"
Md. Mahfuzur Rahman Kallol , Dec 28, 2019
"Good book..."
sabrina shoshi , Nov 12, 2019
"আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার বাংলাদেশের অন্যতম এক স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব। আলোকিত মানুষ গড়ার প্রয়াস তাকে মানুষের অনেক কাছে নিয়ে গেছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার মূল্যবান বক্তৃতা সকলের মাঝে আলো ছড়িয়ে দেয়, মানুষকে উদ্দীপ্ত করে,প্রাণশক্তিকে জাগিয়ে তোলে। তার সেই সকল মূল্যবান বক্তৃতাসমূহের সংকলন এই বইটি। সেই অর্থে বইটি অমূল্য। এই বইয়ে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের জীবনাদর্শ যেমন ফুটে উঠেছে তেমনি ফুটে উঠেছে তার শুভ্র হৃদয়ের পরিচয়। জীবনের নানাক্ষেত্রে কাজে লাগার মত, জীবনকে মহৎ করে গড়ে তোলার জন্য অনেক দিক নির্দেশনা পাওয়া যাবে বইটিতে। আমার কাছে এটি একটি অবশ্যপাঠ্য বই"
maruf morshed , Apr 21, 2017
"ভাঙ্গো দুর্দশার চক্র-বুক মিভিউ.......... যারা রক্ত নিয়ে কাজ করেন,যারা সংগঠন করেন, যারা ইতিবাচকতায় বিশ্বাস করেন, তাদের এই বইটি ভালো লাগবে। ........ আমার আশেপাশে রক্ত নিয়ে অনেকে কাজ করেন। আমিও করি মনে হয়। এরাই বেশি মনে হয়। এমনকি কয়েকজন ড্রাকুলা উপাধি পাওয়া ব্যাক্তিও আছেন। তবে আমার একটা যোগ আছে রক্ত দেওয়া ভালো, কিন্তু এই ভালোই যেন শেষ ভালো না হয়। “একটা প্রদীপ যেমন হাজার প্রদীপকে প্রজ্বলিত করে কিন্তু নিজে কমে না, তেমনি মানুষের মহত্ত্বও অন্যকে মহৎ করে তোলে-নিজে এতটুকু না কমে। মানুষের রক্তও তাই। না দিলেও নিজের শরীরের ভেতরেই মরে যাবে। কিন্তু দিলে অন্যের শরীরে গিয়ে তাকে নতুন জীবনের মধ্যে জাগিয়ে তুলবে। তখন আপনার তুচ্ছ রক্ত অন্যের জীবন হয়ে এই পৃথিবীতে কথা বলবে, গান গাইবে, হয়ত মানুষকে নতুন আশ্বাসে উজ্জীবিত করবে, তাদের মাধ্যমে আপনার রক্ত দীর্ঘকাল ধরে পৃথিবীতে পাতা মেলে ফুল ফুটিয়ে যাবে” রক্তদান এমনই। আমরাতো খালি অসুস্থ মানুষের কথা বলে, ভয় দেখিয়ে রক্ত নিতে অভ্যস্ত, একটু মহৎ চিন্তাও মাথায় দিতে হবে। “বিশেষ করে তরুণদের বলি , দিতে শেখো। খুন করতে করতে মানুষ খুনি হয়, দান করতে করতে দাতা। ছোট জিনিস দিতে থাকলে তুমি বড় কিছুকে , এমনকি তোমার নিজেকেও একদিন দিতে পারবে” এর সবচেয়ে বড় উদাহরন মনে হয় নজরুল ভাই। তিনি কি শুধু রক্ত নিয়ে ব্যস্ত, ত্রান বিতরন, বন্যা স্বাস্থ্য কার্যক্রম, বাসের ছাদে সাহিত্যচর্চা কিসে নেই তিনি। রক্ত নিয়ে কাজ করে তিনি মানুষের মন জয় করেছেন, এখন কাজ করে যাচ্ছেন আরো বড় পরিসরে। শুধু রক্ত রক্ত করেন বলে কি-তিনি কি বিয়ে করেননি, নাম বদলে দিয়েছেন, নিজের হবু বাচ্চা নিয়ে কতটা পাগল হওয়া যায় তার বড় উদাহরন হতে যাচ্ছেন তিনি। যেহেতু আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের বক্তব্য এর সংকলন, তাই কিছু ভালো লাগার মত লাইন তুলে দেবার লোভ সামলাতে পারলাম না। যা বিভিন্ন বক্ততায় আপনি ভাব করে লাগিয়ে দিতে পারবেন। .............. ইতিবাচকতা প্রসঙ্গেঃ “আর কোনো মিনমিন টিমটিম নয়। সাহসী হতে হবে। যা করতে যাব তার উপর বিশ্বাসী হয়ে অন্ধের মত ঝাপিয়ে পড়তে হবে। জীবনে যা হবার তা যখন হবেই তখন ইতিবাচক হয়েই তার মোকাবিলা করা উচিত। নেতিবাচকতা মনে মধ্যে কথা বলতে চাইলেই ঝট করে ইতিবাচকতার দিকে সরে যেতে হবে” কাজ বিশ্বাস ও ইতিবাচকতাঃ “আমরা যদি দুঃখ ব্যার্থতা বা যন্ত্রনার হাত থেকে বাচতে চাই, তবে আসুন, আজকেই কাজ শুরু করে দিই। নিদ্রাহীন, শ্রান্তিহীন অজস্র আনন্দময় কাজ। আবার বলি-কাজ মানেই সাফল্য, সাফল্য মানেই আনন্দ। তাই কাজের মধ্যে বাচা মানেই আনন্দের মধ্যে বাচা। আর এই আনন্দের পথ হল, আমাদের প্রত্যেকের বুকের মধ্যে যে ব্যাক্তিগত পর্বতচুড়াটি আছে তাকে জয় করতে ঝাপিয়ে পড়া”। ............. এই লাইনগুলা আমার নিজেকে শিক্ষা দেবার জন্যঃ “কিন্তু সমস্যা হল, বাংলাদেশে সমালোচকের সংখ্যা এতই বেশি যে, মনে হয়, আমাদের দেশে সমালোচকই আছে, মানুষ নেই। কথায় কথায় বিদ্রুপ, কারনে অকারনে আক্রমন, সামান্য ত্রুটিতেও নিন্দা গীবত। যেমন কিছু লিখলে বলবে-‘বলুন, একি কোনো লেখা হল? ভালো কি হত না আরো ভাল হলে? যেন কথাটা কেউ জানেনা। আবার না লিখলে বলবে-‘উনি যে লিখছেন না, এ কি ঠিক হচ্ছে? ভেতরে এত কথা নিয়ে এমন চুপ করে থাকা! এ তো বিবেকের সংগে বিশ্বাসঘাতকতা”। “শুধু বললেই হয় কারো-এগিয়ে যাও! কাজ কর। তুমি পারবেই’। সাম্প্রতিক সময়ে মুরাদ ভাই প্রোগ্রামের দোষ ত্রুটি ধরার জন্য আমার কাছে জিজ্ঞেস করেন, ভাই সব ঠিক আছে। হেহে।...................... “সমাজের সবখানে এমনি এক আত্মঘাতী নেতিবাচকতা। শুধু সমালোচনা আর নিন্দা। সবাইকে ধ্বংস করার একটা অশুভ পায়তারা সবসময়। এদেশে অধিকাংশ মানুষ নিজে কিছু করছে না। করার ক্ষমতাও নেই। সুতরাং অন্যের সাফল্য সে কী করে সহ্য করবে? আমার পাশের জন এত সব করে ফেলল, আর আমি যেই কে সেই। এ কি সহ্য করার মতো?” এটাও আমার জন্যঃ “বাঙালি ব্যার্থতার সবচেয়ে বড় কারন হচ্ছে শারীরিক উপযুক্ততার অভাব। আমাদের দেশে একশ জন মানুষের মধ্যে ৯০ জন মানুষের ফিজিক্যাল ফিটনেস নেই। একটা দুরারোগ্য স্বাস্থ্যহীনতা আমাদের অস্তিমজ্জায় জেকে বসে আছে। একটা তলহীন গভীর অক্ষমতা ও নির্জীবতা আমাদের সমস্ত চিন্তাচেতনা ও শক্তির ভিত্তিকে নিস্ক্রিয় করে রেখেছে। আমরা তাই চাইলেও আত্মশক্তিতে জেগে উঠতে পারিনা। সেজন্য চাই সচেতনতা”। এতকাল পরীক্ষার নাম করে চিকন ছিলাম, এখন বিয়ার নাম করে চিকন আছি। পাবলিকের ভাষ্য অনুযায়ী-বিয়া না করলে মোটা হব না। আরে ভাই ব্যায়াম টা তো আমাকেই করতে হবে কিনা? বউ কইরা দিবে, না শাশুড়ী কইরা দিবে। শেষের টা হিমু পরিবহণের জন্য, ক্ষয়িষ্ণু এই সংগঠনের এখন এই দিকে চিন্তা করা উচিতঃ “যে সংগঠন থেকে অনুপ্রাণিত মানুষেরা থেকে থেকে নতুন উদ্যেমে জন্ম নেবে, শেষ পর্যন্ত সেই সংগঠনই টিকে থাকবে-তা তারা সে সংগঠনের মূল ধারাকে প্রতিবাদই করুক আর সমর্থনই করুক। অর্থাৎ যে সংগঠনের মূল স্বপ্ন সময়ের পরীক্ষায় পাস হবে, সে সংগঠনই টিকে থাকবে। সঙ্ঘের এই জাগ্রত সন্তানেরাই সংগঠনের দীর্ঘবাহিতার স্তম্ভ। যদি কোনো সঙ্ঘে এই মানুষ না জন্মায়, তবে সে সংগঠন একসময় ধসে যাবে। আর যদি উল্টোটা হয় তবে ওই সংগঠন দিনের পর দিন আরও বিস্তৃত, শক্তিশালী, বলীয়ান ও সংহত হবে। নতুন নতুন স্বপ্ন জাগানোর ক্ষমতা যে সংগঠনে যত বেশি সেটি তত দীর্ঘস্থায়ী” ............... ধন্যবাদ সবাইকে। ................"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ভাঙো দুর্দশার চক্র" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: