দ্বিতীয় সংস্করণ ১০ নভেম্বর,২০২২
উমর (রা.)-এর ঢাকা সফর
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
জননী বুক ডিপো
তাকরিরে তিরমিযী
মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
মাওলানা আনিসুর রহমান
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
কওমী লাইব্রেরী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | উমর (রা.)-এর ঢাকা সফর |
| Author | মুহাম্মদ নূরুযযামান |
| Publisher | গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস |
| Edition | দ্বিতীয় সংস্করণ ১০ নভেম্বর,২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 120 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইসলামি বই |
| Weight | 0.42 Kg |
| ISBN | 978-984-96584-9-8 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
39 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টিKAZI AHAMMODULLAH , Sep 8, 2026
"Extremely nice and good."
Minhajul islam , Sep 5, 2026
"কাল্পনিক হলেও ঘটনাগুলো আসলেই যদি ঘটে তা অনুভব করে পড়লে আপনি হারিয়ে যাবেন।"
Tahsin Abdullah , Sep 15, 2025
"সেরা"
MD TALHA , Jul 6, 2025
"এই বইটি বাস্তব চিন্তার খোরাক দেবে ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের আশা জোগাবে। ইনশাল্লাহ কল্পিত স্বপ্ন একদিন পূরণ হবে।"
Eushra Mahazabin , Feb 24, 2025
"Eye-opening."
Labib Arefin , Jan 15, 2025
"কিছু বলবো না শুধু বলবো একটা মাস্টারপিছ। পুরো পড়িনি এখনো। যেভাবে ভালোলাগা শুরু হইছে রিভিউ না দিয়ে পারলাম না। ইনশাআল্লাহ এই বইটি আপনাকে, ভিন্ন চোখে দেশকে দেখাবে। লেখক এর জ্ঞান ও প্রজ্ঞা আল্লাহতালা বৃদ্ধি করুক। বরকত দান করুক তার জীবনে। জাযাকাল্লাহ।"
Md. Nazmus Sakib , Oct 22, 2024
"Good!"
MD. Rakib Hasan , Feb 3, 2024
"একজন যুবক আর এক আগন্তুক অতিথির কথোপকথনের মাধ্যমে বাঙালি মুসলিম সমাজের অসঙ্গতি, মুসলিমদের ঈমানের ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে এই বইটিতে। লেখক খুব সুন্দর ভাবে ভারতীয় মুসলিমদের অধঃপতন চিত্রায়িত করেছেন। একবসায় পুরো বইটির পরে ফেলা যায়। আর চোখের সামনে এভাবে দৃশ্যায়ন করা হয়েছে ঘটনাগুলোকে মনে হবে আপনি নিজেই উপস্থিত হয়ে সব দেখতে পাচ্ছেন। বইটি নব্বই দশকের, গার্ডিয়ান পাবলিকেশন এটা পুনঃ মুদ্রণ করেছে তাই গার্ডিয়ান কে অসংখ্য ধন্যবাদ।"
H. M. Abu Hasanat , Dec 3, 2023
"একনজরে বই—-- বই এর নাম : একটি স্বপ্নের সংলাপ উমর (রা.)- এর ঢাকা সফর লেখকের নাম: মুহাম্মদ নূরুযযামান প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স মোট পৃষ্ঠা : ১২০ প্রচ্ছদ মূল্য : ১৪০ টাকা (ফিক্সড)। প্রাথমিক কথা—- "উমর (রাঃ) ঢাকা সফর" একটি ভিন্ন সাধের, ভিন্ন ধারার এবং একটি ব্যতিক্রমধর্মী সাবলীল উপস্থাপনা। গ্রন্থের লেখক মুহাম্মদ নূরুযযামান তার সাহিত্যিক কল্পনায় অর্ধ-পৃথিবীর শাসককর্তা উমর (রাঃ) এর শাসনামলের চিত্র তুলে ধরেছেন অপরূপ ভঙ্গিমায়। লেখক বইটিতে ওমর (রাঃ) কে কল্পনা করেছেন একজন আগন্তুক অতিথির চরিত্রে যিনি ঢাকা শহরের অলিগলি ঘুরে ঘুরে সমসাময়িক দুর্দশা ও অনৈসলামিক কার্যকলাপ অবলোকন করে তার সমাধান দেয়ার চেষ্টা করেছেন এবং তাঁর সাথে থাকা যুবকের বিভিন্ন প্রশ্নের সুন্দর সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বইটি একদিকে মুসলিমদের জন্য চলার পথের পাথেয়, অন্যদিকে এটি অবিশ্বাসী এবং বিপথগামী সমাজ নেতাদের জন্য চপটেঘাত। মূলত সামাজিক বাস্তবতাকে ইসলামের আলোকে উপস্থাপন বইটিকে অনন্যতা দান করেছে। বইটি কেন পাঠ করবেন---- বিশ্বে বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডটি যেন সমস্যায় জর্জরিত একটি জনপদ। জনসংখ্যায় নূজ্য দেশটির চারদিকে শুধু অনিয়ম আর বিশৃঙ্খলা। একজন আরেক জনকে ঠকাচ্ছে। সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে যাচ্ছে। অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা আমাদের লজ্জাকেও হার মানাচ্ছে। সমাজে ধনী-গরীবের ব্যবধান যেন প্রতিনিয়ত বাড়ছেই। মানুষ কোরআন ও ইসলাম ছেড়ে দৌড়াচ্ছে পাগলা বাবা, পীর-মাজারে। প্রতিনিয়ত পাল্লা দিয়ে বাড়ছে খুন-গুম-হত্যা-সন্ত্রাস। নেতৃত্বের আসনে বসে বাতিল শক্তিরা তৈরি করছে ইসলাম বিরোধী আইন। ইসলামের শত্রুরা নিত্যনতুন কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে অবিরত। —-------------—------------- এমন একটি হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতিতে আজ যদি আমিরুল মোমেনিন উমর (রাঃ) থাকতেন তবে--- তিনি কি করতেন? কেমন হতো তার শাসন পরিচালনার নীতি? তিনি কোন বিষয়টিকে সবার আগে প্রাধান্য দিতেন? তিনি কীভাবে এসব সমস্যার মোকাবিলা করতেন? তিনি কি পারতেন সকল সমস্যা পায়ে দলে নতুন পৃথিবী গড়তে?? এমন চমকপ্রদ ঘটনা নিয়ে লেখকের একটি স্বপ্নের সংলাপ "উমর (রা.)-এর ঢাকা সফর" বইটি। ইনশাআল্লাহ বইটি প্রতিটি পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। রিভিউ লেখক আবু হাসানাত আহা"
মুনিম বিল্লাহ , Nov 26, 2023
"একুশ শতকের এই কঠিন সময়ে আবার উমর হয়ে আসুক কোনো এক বীর মুজাহিদ। গ্রন্থটি পড়লে আমরা উপলব্ধি করতে পারব, একজন উমর যদি এখন থাকত, ঠিক কীভাবে আমাদের এই রাষ্ট্র পরিচালিত হতো।"
Md. Nazmul Huda , Nov 24, 2023
"বইটার প্রত্যেকটি লাইন আপনার হৃদয় ছুয়ে যেতে বাধ্য। মনে মনে শুধুই আফসোস হবে আর ভাবনায় আসবে- আহ! যদি আমারা এই সময়ে একজন উমর পেতাম, তাহলে কতই না ভালো হতো। আমি লেখকের এই চিন্তা ভাবনায় ঢুবে গিয়েছি নিমেষেই। দোয়া করি লেখকের জন্য। ধন্যবাদ গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্সকে এত সুন্দর একটি বই উপহার দেওয়ার জন্য। হ্যাপি রিডিং..."
Ehsanul Hoque , Sep 13, 2023
"লেখক আমাদের ভুল গুলো দেখানোর চেষ্টা করেছেন। আমরা যে কত ভ্রান্তিতে নিমজ্জিত তার সহজ পাঠ।"
Abdullah Al Raihan , Jul 12, 2023
"হৃদয়স্পর্শী একটি বই। লেখকের জন্য ভালবাসা রইলো।"
Hossain Mahmud , Jul 12, 2023
"অনেক সুন্দর বই!"
Leeon Haque , Apr 2, 2023
"ভালো লাগলো।"
Elias Ahmed , Jan 6, 2023
"এক কথায় অসাধারণ"
kobir , Nov 2, 2022
"বই : উমর (রা.) এর ঢাকা সফর লেখক : মুহাম্মদ নূরুযযামান প্রথম প্রকাশ : ১৬ জুন, ২০২২ পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১২০ মুদ্রিত মূল্য : ১৪০ টাকা (ফিক্সড প্রাইস) প্রকাশনী: গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স আমিরুল মুমিনিন উমর বিন খাত্তাব (রা.) ছিলেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা এবং প্রধান সাহাবীদের অন্যতম। আবু বকর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এর মৃত্যুর পর তিনি দ্বিতীয় খলিফা হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। উমর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ইসলামী আইনের একজন অভিজ্ঞ আইনজ্ঞ ছিলেন। উমর রাঃ এর ঢাকা সফর একটি ভিন্ন মাত্রার বই।লেখক একটি যুবকের স্বপ্ন কে ফুটিয়ে তুলেছেন। উমর রাঃ যদি ঢাকা সফরে আসতেন তাহলে সে বর্তমান সমাজের পেক্ষাপট দেখে কী বলতেন? চারিদিকে অন্ধকার অমানিশা। বিপন্ন মানবতার অন্তিম রদনে আকাশ-বাতাশ ভারি হয়ে আসছে। ভোটে জয়লাম করার আগে কত শত অসিয়ত, কিন্তু দিন শেষে চেয়ারে বসার পরে সকল ওয়াদা ভূলে যাওয়া। নেতাদের এমন দৃশ্য, ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা হাজার শিশু এমন দৃশ্য দেখে তিনি কি বলতেন? নৈরাজ্য,লুটতরাজ,ক্ষুধা, মৃত্যু আর বৈষম্যের অকুল পাথারে ডুবে রয়েছে সমগ্র জনপদ। সবার মুখে একটিই কথা যদি উমর রাঃ আবার আমার মাঝে ফিরে আসতেন। তাহলে তিনি এই শহর কে ইসলামের ছায়সতলে উৎজিবীত করতে পারতেন। ৯০ ভাগ মুসলিমের দেশে সারাক্ষণ এই বুলি গুলো আমরা আওড়াবো৷ কিন্তু আমার প্রতিবেশী না খেয়ে সেই খেয়াল আমি রাখব না। চারিদিকে এত,এত আহাজারি এমন সময় যদি হাজির হতেন ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক আমিরুল মুমিনিন উমর বিন খাত্তাব (রা.) তবে কেমন হত বিষয় টি? বর্তমান সমাজে নেতারা তাদের পকেট ভরতে ব্যাস্ত সমাজের মানুষেরে নিয়ে ভাবার সময় কোথায় তাদের । যারা রক্তের গঙ্গা প্রবাহিত করে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকে, কোন অধিকারে তারা মানুষ কে নতুন স্বপ্ন দেখায়। নিজেকে মুসলিম দাবি করে কিন্তু ইসলামের বিধান কতটুকু মানে? আমিরুল মুমিনিন তিনি ইতিহাসের অন্যতম সেরা রাষ্ট্রনায়ক। তার মত এমন এক জন কে আজ সমাজে বড্ড প্রয়োজন। লেখক তার সাহিত্যে উমর রাঃ ঢাকা সফরে আসলে সকল মুসলিম কে কি নিয়ে প্রশ্ন করতেন? যদি প্রতিটি অলিতে,গলিতে ফুটপাতে শুয়ে মানুষের কথা শুনতেন।? সঠিক বিচার করতেন সব কিছুর তবে কেমন হতো? লেখক সাবলিল ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছে উমর রাঃ এর আসল রূপ রেখা তিনি বর্তমান সমাজ কে দেখে যেমন,যেমন বলতেন। এটি এমন একটি বই সমাজের অকটে লুকিয়ে থাকা শিকলে আবদ্ধ প্রতিটা হৃদয় কে তার আসল পরিচয়, হৃদয় কে বাঁধন মুক্ত করার এক প্রচেষ্টা। বইটির মূল্য কম হওয়াও সহজেই পাঠক বই টি সংগ্রহ করতে পারবে ইনশা আল্লাহ। এবং বইটির সহজ সরল ভাষা প্রতিটি পাঠকের বুঝতে সহজ হবে। প্রত্যেকের একবের হলে ও বইটি পড়া উচিৎ। ইসলামের সোনালি দিন গুলি কে ভূলে গিয়ে, পশ্চিমা সংস্কৃতি তে আকড়ে ধরে, মেয়েদের কে উলঙ্গ করতে ব্যাস্ত। হারামে আসক্ত হয়ে নিজের পকেট ভারি করতে ব্যাস্ত এমন দৃশ্য দেখে আমিরুল মুমিনিন উমর বিন খাত্তাব (রা.) দেখে কি বলতেন? এমনই এক দৃশ্য একটি যুবকের স্বপ্নের আলোকে আমিরুল মুমিনিন উমর বিন খাত্তাব (রা.) এর সাথে কথোপকথন এর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এক জন মুসলিম হয়ে আমাদের চলাফেরা,আমাদের আদর্শ কেমন হওয়া উচিৎ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।"
musahid vai , Nov 2, 2022
"নাম : উমর রা.-এর ঢাকা সফর লেখক : মুহাম্মদ নূরুযযামান প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স পৃ.-১২০ মূল্য: ১৪০ টাকা অনুচ্ছেদ : ৮টি ক্যাটাগরি : মনোমুগ্ধকর সংলাপ লেখক পরিচিতি : মাধমিক ও স্নাতক পাশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে। ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষাতেই বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং অসংখ্য আরবি গ্রন্থ অনুবাদ করেছেন। বইটি এক কথায় : এই সময়ে উমর রা. যদি ঢাকায় থাকতেন, তাহলে কী ঘটত চতুর্মুখী সমস্যায় জর্জরিত অযুত সম্ভাবনার এই আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশে। প্রেক্ষাপট : বাংলাদেশের সমাজ, রাষ্ট্র ও আদর্শের প্রেক্ষাপটে গ্রন্থটি রচিত। ভূমিকা : উমর রা.-এর ডাক নাম ছিল আবু হাফসা। উওম চরিত্র, আন্তরিকতা, জিহাদ, দাঈ, আলিম, রাজনৈতিক চিন্তাবিদ, উম্মাহর শাসক, উম্মার নেতা ইত্যাদি নানান গুণে গুণান্বিত ছিলেন তিনি। ঈমান, জ্ঞান, বুদ্ধিমওয়া, বাগ্মিতা, প্রভাবশালিতা ইত্যাদি প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অনন্য। সারমর্ম : বইটিতে লেখক খলিফা উমর রা.-কে একজন কাল্পনিক অতিথি হিসেবে আগমন করিয়েছেন- যিনি ঢাকার অলিতে-গলিতে, বেশ্যাপট্টিতে, মসজিদ-মাজারে, হাটে-বাজারে, শহীদ মিনারে, রাজনৈতিক মঞ্চে ঘুরে বেরিয়েছেন৷ প্রতিটি সমস্যা নিয়ে কথোপকথন করেছেন এবং সেইসাথে সমাধানও দিয়েছেন। পাশাপাশি বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে জাকাত ও যিজিয়া করের মাধ্যমে কীভাবে গরিবের জন্য কলকারখানা স্থাপন করতে হবে; আলোচনা করা হয়েছে অশ্লীলতার সমাধান, হারামের জবাবদিহিতা, নেতৃত্বের অভাব ও আইনের শাসনতন্ত্র নিয়ে; জাতীয় সম্পদের অপচয়, শীরক, বিদআত ও কবরপূজা , মাজারপূজা নিয়ে; জাহেলি যুগের দৃশ্যে এবং শহীদদের নিয়ে। বইটি কেন পড়বেন এবং কী কী জানতে পারবেন : ১) ছোটবেলা থেকে তিন গোয়েন্দা, এডভেঞ্চারের বই পড়ে তাদের সাথে কল্পনাতে সফর করেছেন। এবার এই বইটি পড়ে উমর রা.-এর সাথে একটি কাল্পনিক সফর দিতে পারবেন। দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে বলছি- বইটি আপনাকে চমৎকার একটা সফরের স্বাদ আস্বাদন করাবে, ইনশাআল্লাহ। ২) আমাদের নামাজ, রোজা কেন জায়নামাজে পড়ে আছে; আল্লাহর জমিনে নয়- তা জানতে পারবেন। ৩) সে কালের নটনটি এবং বর্তমান কালের আমারা যাদের আর্টিস্ট বলি, তাদের মধ্যে আদৌ পার্থক্য আছে কি না তা জানতে পারবেন। ৪) বেশ্যাপট্টির পাপের দায়দায়িত্ব কেন মসজিদের ইমাম ও মুতওয়াল্লিদের নিতে হবে তা জানতে পারবেন। ৫) বেশ্যাদের উপার্জনের ভাগ দুনিয়াতে নিতে হবে ইমাম, মৌলভি, নামাজ-রোজা করা যে কোনো মুসলিম এবং আখিরাতে তাদের কেন জবাবদিহি করতে হবে- তা জানতে পারবেন। ৬) কর্তব্য আদায় না করে শুধু আল্লাহর হক আদায় করে কেন নায়েবে রাসূল হওয়া যায় না- তা জানতে পারবেন। ৭) নামাজ, রোজা, হজ, যাকাতকে শিরক কীভাবে জ্বালিয়ে দেয়- তা জানা যাবে। ৮) ইসলামের উপর সুপরিকল্পিতভাবে হামলার বিষয়ে জানতে পারবেন। ৯) মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ কীভাবে ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলিমদের আজাদ করেছেন এবং তাঁদের বেঁচে থাকার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন- তা জানতে পারবেন। ১০) কাজী নজরুল ইসলামকে ভারতীয় মুসলিমদের আজাদী আন্দোলন থেকে বিরত রাখার জন্য অসুস্থ ঘোষণা করার কারন জানতে পারবেন। ১১) দেশের ত্যাগের জন্য কোনো অমুসলিমকে স্বতন্ত্রভাবে সম্মান দেওয়া যাবে, কিন্তু শহীদ বলা যাবে না। কেন বলা যাবে না এবং প্রকৃত শহীদ কারা- তা জানতে পারবেন। ১২) কীভাবে আবু লাহাব ও আবু জাহেলের উওরসূরিরা ধার্মিকতার লেবাস পরে মাঠে কাজ করে। ১৩) লাখ লাখ পীর ভাইয়েরা কেন দেশকে ইসলামের কোনো খাতে প্রবাহিত করতে পারছে না তা জানতে পারবেন। ১৪) যিনি মসজিদে নামাজের নেতৃত্ব দেবেন, তিনি বাহিরের অন্যায়, অবিচার ও মানবতার নেতৃত্ব দিবেন কি না তা জানতে পারবেন। ১৫) হিন্দুস্থানে গরু জবাই করলে তারা যত ব্যথা পায়, সীমান্তে মানুষ মরলে তারা তত কি ব্যাথা পায়? না পেলে কেন পায় না- তা জানতে পারবেন। ১৬) বাংলাদেশ কতটুকু বন্ধুত্বহীন রাষ্ট্র- তা জানতে পারবেন। সংলাপের কয়েকটি নমুনা : যুবক : আল্লাহ মানুষকে ধনী ও গরিব করে সৃষ্টি করেছেন। ধনী গরিব সকলেই আল্লাহর বান্দা। তাই গরিবকে সাহায্য করলে ধনী তার সওয়াব পাবে, কিন্তু না করলে সওয়াব থেকে বঞ্চিত হবে। অতিথি : কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান দিয়েছ, কিন্তু মনে রেখ- এত সহজে নিস্তার পাবে না। দায়িত্ব পালন না করার জন্য আখিরাতে জবাবদিহি করতে হবে। যুবক : আরেকটু পরিষ্কার করে বলেন।পৃ.-২৩ অতিথি : ওরা কি এই স্থানকে জোর করে পতিতা পাড়া বানিয়েছে? যুবক : না; তাদের অনুমতি দেওয়া আছে সরকারিভাবে। অতিথি : তোমাদের দেশের আবাল, বৃদ্ধা, বণিতা সবাই এই উপার্জন ভোগ করছ। ইবাদত করে যাদের কপালে দাগ পড়েছে, তাদেরও এই কাজের জন্য আখিরাতে জবাবদিহি করতে হবে।। যুবক : যারা মন্দ কাজ করেনি, তারা কেন জবাবদিহি করবে- বুঝতে পারছি না। পৃ.-৯৮ প্রিয় পাঠক! সত্যি বলতে- বইয়ের প্রতিটি পাতাই রিভিউযোগ্য। কলেবর বেড়ে যাবে বিধায় আমি শুধু সামান্য নমুনা দিলাম। বইটি কাদের জন্য : মুসলিম বাবা-মায়েদের জন্য । দেশ ও জাতিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা প্রতিটি স্বপ্নবাজ তরুণ-তরুণীদের জন্য । দায়িত্বশীল-দায়িত্বশীলাদের জন্য , আলেম-মুফতির জন্য । রিভিও লেখার উদ্দেশ্য : শেকল পরা জীবনকে বাধনমুক্ত করে তার দৃষ্টান্ত নিজেদের জীবনে অনুসরণ করে পার্থিব ও পরকালীন জীবনে সাফল্য অর্জনের জন্য। ভাষা : ভাষার সঠিক ব্যবহার, জটিল শব্দ পরিহার, জুতসই শব্দ চয়ন; সর্বোপুরি সহজবোধ্য শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। সমালোচনা : →৩৯ নম্বর পেইজের শেষ প্যারাতে প্রবাহ বানানটি ভুল। →প্রচ্ছদ মান মোটামুটি হয়েছে। পরামর্শ: প্রচ্ছদে উমর রাঃ নামটি খয়েরি লাল রঙ ব্যাবহার করা উওম হবে লাল মানে হ্মমতার প্রতিক। হ্মমতা মানে ভালোবাসাহীন শক্তি, নির্মম শক্তি কে বলতে চাইছি না। বিদঘুটে লাল না। উপসংহার : মানব ইতিহাস, উম্মার ইতিহাস, মানবতা; সর্বোপুরি চিরসভ্য আধুনিকতার জন্য উমর রা.-এর শাসনামল যেহেতু দীপ্তিময় সূর্যের মতো, তাই সেই আলোকোজ্জ্বল সূর্যটা আমাদের মধ্যে ধারণ করতে হবে; নতুবা অন্ধকারের অমানিশায় আমরা হারিয়ে যাব।"
rohim rm , Nov 2, 2022
"• বই: উমর (রা.) - এর ঢাকা সফর “শুধু অঙ্গুলি হেলনে শাসন করিতে এ জগতের দিয়াছিলে ফেলি মুহম্মদের চরণে যে শমশের, ফিরদৌস ছাড়ি নেমে এসো তুমি সেই শমশের ধরি, আর একবার লোহিত সাগরে লালে লাল হয়ে মরি!” উমর রাদিআল্লাহুকে নিয়ে এই অগ্নিঝরা উক্তিটি করেছিলেন আমাদের বিদ্রোহী কবি। কিন্তু তাতে কী? দেশের অনভিপ্রেত পরিস্থিতির যাতাকলে পিষ্ট হয়ে এক ছটাক বর্ণালি আলোর আশায় আমারাও মাঝে মাঝে বলে ফেলি, ‘আমাদের একজন উমরের খুব প্রয়োজন’। নব্য জাহিলিয়াতি রাষ্ট্রব্যবস্থায় আমাদের এই অনুতাপের অশ্রুতে আশার ফোয়ারা হতে পারে লেখক মুহাম্মদ নুরুযযামানের অনবদ্য রচনা “উমর (রা.) - এর ঢাকা সফর” বইটি। একটি স্বপ্নের সংলাপ নিয়ে রচিত এই বই আমাদের সামনে নতুন চেতনার ইশতাহার হয়ে ধরা দিবে নিশ্চিত। . চলুন প্রথমেই বইয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচয় জেনে আসি: • বইয়ের নাম: উমর (রা.) - এর ঢাকা সফর • লেখক: মুহাম্মদ নুরুযযামান • প্রকাশনায়: গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স • পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২০ • মুদ্রিত মূল্য: ১৪০/- . • পাঠ পর্যালোচনা: মোট আটটি অনুচ্ছেদে সুসজ্জিত এই বইয়ের কেন্দ্রীয় চরিত্রের মহানায়ক হচ্ছে উমর রাদিআল্লাহু। যাকে কল্পনার রঙ তুলিতে চিত্রিত করা হয়েছে ঢাকা শহরের একজন অতিথি হিসেবে। নব্বই শতকে রচিত এই বই। অথচ ডিজিটালাইজেশনের যুগে এসেও যেন জীবন্ত ও সমানভাবে ফলপ্রসূ। মূলত সমাজব্যবস্থা যতই আধুনিক হোক না কেন, ইসলাম ছাড়া সবই অপরিপূর্ণ, অপাংক্তেয়। তাই তো পরিস্থিতি যেমনই হোক, সমাধান ওই একটা পথেই। প্রাচুর্য ও উন্নয়নের মহাসড়কে ইঁদুর দৌঁড়ের মতো দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে আমরা আমাদের নৈতিকতা ও রুট হারিয়ে ফেলেছি। হয়ে পড়েছি স্বার্থান্বেষী, বেপরোয়া, নোংরা ও জাহেল। মুসলিমদের এই শিকড়হীন জীবন ও সমাজের চলমান বিশৃঙ্খল ঘটনার ঘনঘটা নিয়েই বক্ষ্যমান বইয়ের প্রেক্ষাপট সাজানো হয়েছে। একের পর এক তৈরী হয়েছে গল্প, দিয়েছে সমাধান। কখনো উমর রাদিআল্লাহু এর দরদ ভরা চাহনি হৃদয়কে বিগলিত করেছে, আবার কখনো তার ক্ষোভে উন্মত্ত দৃষ্টিবাণ জর্জরিত করেছে বিবেককে। এমন কিছু সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যেগুলো আমরা সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করি না, অথচ ইসলামে তা নিষিদ্ধ। বইয়ের সবথেকে হৃদয়গ্রাহী ও আকর্ষণীয় জায়গাটা হচ্ছে বইয়ের এন্ডিং। এন্ডিংটা পড়ার সময় চোখ ভিজে উঠেছে। মনে হয়েছে স্বয়ং উমর রাদিআল্লাহু, আলী রাদিআল্লাহু, উসমান রাদিআল্লাহু সহ জান্নাতের সবুজ পাখিগুলো বুঝি আমার সামনে বসে আছেন। এরপর হঠাৎ করে ডানা মেলে জান্নাতের সবুজ উদ্যানের দিকে উড়াল দিয়েছেন। কাঁদাতে কাঁদাতে নতুন দিনের স্বপ্ন বুনিয়েছে এই বই। লেখকের চমৎকার শব্দচয়ন আর নিরেট বর্ণনা সবকিছু জীবন্ত করে রেখেছিল। মনে হচ্ছিলো উমর রাদিআল্লাহু ও সেই যুবকের সফরটা বুঝি চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছি। আমার কাছে পুরো বইটা একটা অ্যাডভেঞ্জারাস জার্নি ছিলো। আমি নিশ্চিত পাঠক বইটি পড়ার সময় মনে করবেন যেন আপনি স্বয়ং উমর রাদিআল্লাহু এর সাথে কথা বলছেন। . • পাঠ অনুভূতি: রাসুলুল্লাহর ﷺ অনুপম আদর্শ ধারণ করে অর্ধ পৃথিবী শাসন করেছেন উমর রাদিআল্লাহু। সেই উমর রাদিআল্লাহুর সংস্পর্শ পেলাম যেন এই বইয়ে। এ এক অন্যরকম অনুভূতি। যার স্নিগ্ধতা কখনো বলে বোঝানো সম্ভব নয়। আমি মনে করি চলমান বিশৃঙ্খল সমাজব্যবস্থার মূলে কুঠারাঘাত করবে এই বই। পাঠক মননকে নতুন ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করবে, নতুন করে শাহাদাতের পেয়ালা পান করার তামান্না জাগ্রত করবে। স্বপ্ন দেখাতে শুরু করবে যুব সমাজকে। . • যাবার বেলার কথা: নাস্তিক-সেক্যুলারদের এক কমন আদিক্ষ্যেতা হচ্ছে, সেই চৌদ্দশত বছর পূর্বের জীবনবিধান নাকি বর্তমান প্রেক্ষাপটে খাপ খায় না। তাই সমাজ পরিবর্তনের সাথে নিয়মেরও পরিবর্তন প্রয়োজন। নাস্তিকদের এই সহজ সরল, কিন্তু ইমান বিধ্বংসী যুক্তির ফাঁদে কিন্তু অসংখ্যা মুসলিম আটকা পড়েছে। মুসলিমরা জানেই না কোন পরিস্থিতিতে কোন বিধান কীভাবে প্রয়োগ করতে হবে! যার কারণে তৈরী হয়েছে বিভিন্ন মতবাদ ও দল। আজ মুসলিমরা পাশ্চাত্যের আমদানিকৃত নীতিমালা চোখ বন্ধ করে গলাধঃকরণ করে। মুসলিমদের এই গাইরত্বহীন অবস্থা ও নাস্তিক-সেক্যুলারদের ইমান বিধ্বংসী রোগের এক কঠোর প্রতিশেধক হচ্ছে ‘উমর (রা.) - এর ঢাকা সফর’ বইটি। কারণ বইটি বর্তমান প্রেক্ষাপটের আলোকে বর্ণনা করা হলেও সমাধান করা হয়েছে সেই চৌদ্দশত বছর পূর্বের নিয়মেই। অর্থাৎ ইসলামি জীবনব্যবস্থা যে চিরহরিৎ ও সকল প্রেক্ষাপট, সকল সমাজের জন্য প্রযোজ্য সেটা আরো একবার প্রমাণীত হলো। বইটির সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অজস্র সালাম।"
Nasrin Nahar , Nov 2, 2022
"বৈষম্যের ঢাকা শহরের বিভিন্ন অসঙ্গতি নিয়ে সুন্দর উপস্থাপনার একটি লেখা বই উমর বিন খাত্তাব (র.) এর ঢাকা সফর। নানা অসঙ্গতি অনিয়মে আবদ্ধ ঢাকা শহরের একদিকে সুরম্য অট্টালিকা, বিলাসবহুল গাড়ি বহর নিয়ে বিত্তশালীদের ঝাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপন অন্যদিকে ডাস্টবিনের পঁচা দুর্গন্ধযুক্ত উচ্ছিষ্ট খাবার উদরপূর্তি করতে ভুখা মানুষের জীবনযুদ্ধ। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উমর বিন খাত্তাব (র) এই সময়ে যদি ঢাকায় আগমন করতেন তাহলে তিনি এইসব অসঙ্গতি দেখে কী প্রতিক্রিয়া দেখাতেন? ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য তিনি কী ভূমিকা নিতেন? এতো এতো বিত্তবান থাকার পরও এতো গরীব জীর্ণ শীর্ণ লোক কিভাবে ঢাকা শহরে থাকতে পারে?কল্পনায় সফররত ওমর রা. এর এসব পেরেশানি নিয়েই কল্পনাশ্রিত কাহিনী সম্বলিত উক্ত বইটি। বইটি প্রকাশ হয় ১৯৯০ সালে।"
kalimulla , Nov 2, 2022
"আমিরুল মুমিনিন উমর বিন খাত্তাব (রা.) নির্দেশ দিয়েছেন- দজলা ও ফোরাতের তীরে যেন একটা কুকুরও ক্ষুধার জ্বালায় না মরে।অথচ বাংলাদেশের জনগণের বার্ষিক মাথাপিছু আয় প্রায় ২৮২৪ মার্কিন ডলার হওয়া সত্ত্বেও এ দেশের বহু আদমশিশুকে ডাস্টবিনের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বাঁচতে হয়, ঘুমাতে হয় ফুটপাতের খোলা আকাশের নিচে। আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯০ ভাগ মুসলিম কিন্তু পশ্চিমাদের আইন অনুযায়ী আমাদের লেনদেন এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা পরিচালিত হয়। আমাদের দেশের মুসলিমরাই শিল্প সংস্কৃতির দোহাই দিয়ে অর্ধনগ্ন নর্তকীর নৃত্য দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। যে মুসলিমদের ইতিহাস সাফল্যের ইতিহাস যে ইতিহাসে মহাবীর খালিদ (রা.), সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস (রা.), নোমান বিন মুকাররিন (রা.) এর মত বীরেরা বারবার ইসলামের বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন, সেই মুসলিম জাতি হয়েও আজ আমরা অন্ধকারে নিমজ্জিত। আমাদের দেশের মুসলিমরা কেবল নামাজ রোজায় সীমাবদ্ধ। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের করুণায় আমাদের টিকে থাকতে হয়। এ দেশের ইমাম, খতিবদের দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা দূরের কথা মসজিদের নেতৃত্ব দেওয়ার এখতিয়ারও নেই। মুসলিম জাতির জন্য এটা কতটা মর্মান্তিক এবং লজ্জাজনক! বাংলাদেশের এ চিত্র যদি আমিরুল মুমিনিন উমর (রা.) দেখতেন - কী হতো তার অনুভূতি? কী হতো তার প্রতিক্রিয়া? সেই দৃশ্য কল্পনায় অবলোকন করে অতিথিবেশী আমিরুল মুমিনিন উমর বিন খাত্তাব (রা.) ও যুবকের (কথক) মধ্যে কথোপকথনের মাধ্যমে এ দেশের সামগ্রিক সমস্যা ও প্রতিকারের উপায়গুলো চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বইটিতে। কেমন হতো, যদি এ দেশের ঘনঘোর সংকটে অকস্মাৎ হাজির হতেন ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক আমিরুল মুমিনিন উমর বিন খাত্তাব (রা.)? উমর (রা.) হয়তো পৃথিবীতে আর আসবেন না কিন্তু তার শাসন, নেতৃত্ব, ন্যায় ও ইনসাফ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা ফিরিয়ে আনতে পারি আমাদের সেই সোনালি অতীত।"
Sahadhot , Nov 2, 2022
""উমর (রাঃ) ঢাকা সফর" একটি ভিন্ন সাধের, ভিন্ন ধারার এবং একটি ব্যতিক্রমধর্মী সাবলীল উপস্থাপনা। বইটি লেখা হয়েছে বাংলাদেশের সমাজ, রাষ্ট্র ও আদর্শের প্রেক্ষাপটে। গ্রন্থের লেখক মুহাম্মদ নূরুযযামান তার সাহিত্যিক কল্পনায় অর্ধ-পৃথিবীর শাসককর্তা উমর (রাঃ) এর শাসনামলের চিত্র তুলে ধরেছেন অপরূপ ভঙ্গিমায়। লেখক বইটিতে ওমর (রাঃ) কে কল্পনা করেছেন একজন আগন্তুক অতিথির চরিত্রে যিনি ঢাকা শহরের অলিগলি ঘুরে ঘুরে সমসাময়িক দুর্দশা ও অনৈসলামিক কার্যকলাপ অবলোকন করে তার সমাধান দেয়ার চেষ্টা করেছেন এবং তাঁর সাথে থাকা যুবকের বিভিন্ন প্রশ্নের সুন্দর সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বইটি একদিকে মুসলিমদের জন্য চলার পথের পাথেয়, অন্যদিকে এটি অবিশ্বাসী এবং বিপথগামী সমাজ নেতাদের জন্য চপটেঘাত। মূলত সামাজিক বাস্তবতাকে ইসলামের আলোকে উপস্থাপন বইটিকে অনন্যতা দান করেছে। বইটি কাদের জন্য----- সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্য বইটি উপযোগী। তবে বিশেষভাবে তরুণদের জন্য এটি বেশি উপযোগী যারা সমাজকে পরিবর্তন করতে আগ্রহী। বইটি কেন পড়া উচিত---- বিশ্বে বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডটি যেন সমস্যায় জর্জরিত একটি জনপদ। জনসংখ্যায় নূজ্য দেশটির চারদিকে শুধু অনিয়ম আর বিশৃঙ্খলা। একজন আরেক জনকে ঠকাচ্ছে। সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে যাচ্ছে। অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা আমাদের লজ্জাকেও হার মানাচ্ছে। সমাজে ধনী-গরীবের ব্যবধান যেন প্রতিনিয়ত বাড়ছেই। মানুষ কোরআন ও ইসলাম ছেড়ে দৌড়াচ্ছে পাগলা বাবা, পীর-মাজারে। প্রতিনিয়ত পাল্লা দিয়ে বাড়ছে খুন-গুম-হত্যা-সন্ত্রাস। নেতৃত্বের আসনে বসে বাতিল শক্তিরা তৈরি করছে ইসলাম বিরোধী আইন। ইসলামের শত্রুরা নিত্যনতুন কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে অবিরত। এমন একটি হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতিতে আজ যদি আমিরুল মোমেনিন উমর (রাঃ) থাকতেন তবে--- তিনি কি করতেন? কেমন হতো তার শাসন পরিচালনার নীতি? তিনি কোন বিষয়টিকে সবার আগে প্রাধান্য দিতেন? তিনি কীভাবে এসব সমস্যার মোকাবিলা করতেন? তিনি কি পারতেন সকল সমস্যা পায়ে দলে নতুন পৃথিবী গড়তে?? এমন চমকপ্রদ ঘটনা নিয়ে লেখকের একটি স্বপ্নের সংলাপ "উমর (রা.)-এর ঢাকা সফর" বইটি। ইনশাআল্লাহ বইটি প্রতিটি পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। বইটির বিষয়বস্তু ----- বইটিকে লেখক আটটি অনুচ্ছেদে ভাগ করেছেন। প্রথম অনুচ্ছেদে লেখক অসংখ্য মানুষের ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকার কথা উল্লেখ করেছেন যাদের কোনো বাসস্থান নেই। অথচ পাশেই সারিসারি বিশাল অট্টালিকা রয়েছে। মূলত ইসলামের ফরজ বিধান যাকাত সঠিকভাবে আদায় না হওয়া এবং তা সঠিক পদ্ধতিতে বন্টন না হওয়ায় আজকে ধনী-গরিবের এই ব্যবধান বাড়ছে। ব্যক্তি পর্যায়ে কাপড়,লুঙ্গি দ্বারা যাকাত আদায় না করে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বায়তুলমাল গঠন করে সরকারকেই যাকাত বন্টনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ব্যক্তি পর্যায়ে ইসলাম মানলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে তা না মানা, অধার্মিক শাসকের হাতে বাইয়াত করার অসারতা, ভোটারবিহীন সরকারের হাতে ক্ষমতার অপব্যবহারের কথা বইটিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে একই ডাস্টবিনে কুকুর ও অসহায় মা-শিশুর খাদ্য সংগ্রহের করুণ চিত্র ভেসে উঠেছে। এক্ষেত্রে ওমরের শাসনামলে খলিফার নিজের কাঁধে খাবার বহনের উদাহরণ টানা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশের আচরণ, সীমান্তে নির্বিচার হত্যা, অবাধ অনুপ্রবেশ জনসংখ্যার সমস্যা, নেতাদের সীমাহীন দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এক্ষেত্রে ওমর ও উসমান (রাঃ) এর শাসনামলের উদাহরণ টেনে বলা হয়েছে, শাসক জনগণের খাদেম; প্রভু নয়। সম্ভাবনার কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশের সম্পদ ও জনসংখ্যাকে কাজে লাগানোর কথা বলা হয়েছে। সত্যের বিজয়ে সংখ্যাধিক্যের চেয়ে ঈমানী দৃঢ়তা, ত্যাগ-কোরবানি, মানবতার সেবাই মূখ্য। উদাহরণ হিসেবে তুরস্কের বীর বখতিয়ার খিলজির আক্রমণে লক্ষ্মণ সেনের পলায়ন; যা মাত্র ১৭জন মুজাহিদের দ্বারাই সম্ভব হয়েছে। ইস্পাত কঠিন ঈমানী দৃঢ়তা নিয়ে ১৭বছরের টগবগে তরুণ মুহাম্মদ বিন কাসিম অত্যাচারী রাজা দাহিরের মসনদ চুরমার করে দেন। সুলতান মাহমুদ ১৭বার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেও ক্লান্ত হয়নি ঈমানী দৃঢ়তার বলেই। অপরদিকে আমাদের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে বলা হয়েছে, আদর্শহীনতা আর ঈমানী দৃঢ়তার অভাবই আমাদের অনগ্রসরতার মূল কারণ। সবশেষে নিজেদের দায়িত্ববোধ মনে করিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে , প্রত্যকেই দায়িত্বশীল, আর দায়িত্বের ব্যাপারে সবাইকে জিজ্ঞাসা করা হবে। তৃতীয় পরিচ্ছেদে প্রেক্ষাগৃহ, সিনেমা, গান-বাদ্য-নৃত্য, ইসলামের আগমনে মক্কার কাফের নেতৃত্ত্বের বিরোধিতা, রাসূলকে অপবাদ প্রভৃতি বর্ণনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, পাপকে ধ্বংস করতে হবে। পাপের সমুদ্রে নিমজ্জিত থেকে মনকে পবিত্র রাখা অসম্ভব। বলা হয়েছ, হারাম আয়ের দ্বারা ইবাদত আল্লাহ কবুল করেন না। এক্ষেত্রে গায়ক-গায়িকা-নর্তকীর উপার্জন হারাম। আজকে মানুষ অবৈধ পেশায় নিয়োজিত থাকছে আবার নামাজও পড়ছে। ফলে এ নামাজ তার কোন কাজে আসছে না। এরপর রাসুলের দাওয়াতের বিরোধিতা এবং নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। নামাজ রত অবস্থায় রাসূলের গলায় ফাঁস, আবু বকরকে লাথি, বেলাল আম্মারকে জ্বলন্ত অঙ্গারে পুড়ানো, সুমাইয়াকে বর্ষা নিক্ষেপে হত্যা প্রভৃতি উল্লেখ করে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে–শত বাঁধার পাহাড় পেরিয়ে কঠিন পরিবেশ জয় করে দ্বীনের বিজয় এসেছে। সবশেষে 200 বছরের ইংরেজ শাসন, আযাদী আন্দোলনের ব্যর্থতা, নীলকরদের অত্যাচার, কবি নজরুলকে পঙ্গু করে দেয়া, সিরাজউদ্দৌলা, শরীয়তুল্লাহ, তিতুমীরের সংগ্রামী আন্দোলনকে সামনে আনা হয়েছে। এসব আন্দোলন ও ইসলাম ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে একে একে গঠিত হয়েছে ফিল্ম উন্নয়ন বোর্ড, ললিতকলা কেন্দ্র, আর্ট কাউন্সি, নৃত্যগীত সেন্টার প্রভৃতি। চতুর্থ পরিচ্ছেদে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ, আরম্ভর বিবাহ অনুষ্ঠান, পীরের মাজারে ওরশ শরীফের আয়োজন করা, মূর্তিপূজার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, শহীদ ও শাহাদাত আরবি শব্দ; যা শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ঈমানের সাথে সংশ্লিষ্ট। বলা হয়েছে সংগ্রামের সফলতা স্তম্ভ নির্মাণ নয় কর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। স্তম্ভ নির্মাণ বা মূর্তি তৈরি করা রোমান পৌত্তলিক ও মুশরিকদের কাজ, যা মুসলমানদের ঈমান ধ্বংস করে। এছাড়া দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু ঢোকানোই বেদআত। এক্ষেত্রে পীরের মাজারে জাঁকজমকপূর্ণ ওরশ, পীরের কাছে মানত, তাদের কাছে চাওয়া, মাজারে বাতি দেওয়া সম্পূর্ণ শিরক ও বিদআতী কাজ। মাকাল গাছ থেকে যেমন আপেল আশা করা যায় না, তেমনি পীরের দরবার হতে ইসলামের খেদমত আশা করাও অবান্তর। এছাড়া কবরের ফিতনা সম্পর্কেও সাধারন মুসলমানদের সচেতন করা হয়েছে। পঞ্চম পরিচ্ছেদ হিন্দুদের সাম্প্রদায়িকতা, বাংলার মুসলমানদের নিজস্ব সংস্কৃতি, দ্বীনে তখত প্রভৃতি বিষয় আলোচিত হয়েছে। বলা হয়েছ, হিন্দুরা মুসলিমদের বন্ধু হতে পারে না। কেননা তারা ভেতরে চরম সাম্প্রদায়িক হলেও বাহিরে তারা গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী। এজন্য দুটি দলকে আল্লাহ জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন; যার একটি হল হিন্দুস্তানের বিরুদ্ধে জিহাদকারী দল। আজকে সোহরাওয়ার্দীতে অনির্বাণ শিখা জ্বলছে অথচ ঈমানী বলেই কাদেসিয়ার যুদ্ধ মুসলিমগণ খসরু পারভেজের অনির্বাণ অগ্নিকুণ্ড নিভিয়ে দিয়েছিল। বলা হয়েছে, কোনো মানুষকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানানো মুসলিম সংস্কৃতি নয়। মুসলিম সংস্কৃতি স্থান-কাল-পাত্রভেদে এক ও অভিন্ন। ইসলামে মূর্তিপূজারও কোনো স্থান নেই। মুসলিমগণ বেঁচে থাকে কর্মের মধ্যে আর কাফির কর্মের চেয়ে স্মৃতিসৌধকে ভালবাসে বেশি। স্মৃতিসৌধ না থাকলেও মানুষ বদরী সাহাবী, হামজা, খালিদকে ভুলে যায়নি আজো; তারা অমর। বর্তমান নেতৃত্বকে লেখক দ্বীনে তখত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যেখানে নেতৃবৃন্দ নিজের গদি রক্ষার জন্য নিজেরাই নিয়ম তৈরি করে মানুষকে তা মানতে বাধ্য করে। যেমন-আকবরের দ্বীন-ই-ইলাহী। এদেশের নেতৃবৃন্দ ও বুদ্ধিজীবীগণ দ্বীনকে নিছক ব্যক্তিগত ব্যাপার মনে করে; তাদের মতে রাষ্ট্র নিরপেক্ষ। আসল কথা হচ্ছে তাগুত ও দ্বীন কখনো সহাবস্থানের থাকতে পারেনা। ষষ্ঠ পরিচ্ছেদে জুমআর নামাজের চিত্রের মাধ্যমে বর্তমান সময়ে মসজিদ এবং তৎসংশ্লিষ্ট ইমাম, মোয়াজ্জিন, খতিব, পরিচালনা কমিটির বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে ধর্মকর্মকে মসজিদে তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে। মসজিদে সমকালীন বিষয়াদি, রাজনীতি, নেতৃত্বের দোষ-গুণ বর্ণনা করা যায় না। ইমাম-খতীবদের দায়িত্ব আজ শুধু নামাজে নেতৃত্ব দেওয়া; মসজিদের নেতৃত্ব থাকে কমিটির হাতে। তাই এইসব আপসকামী, নিরলস দ্বীনি অনুভূতিহীনদের দ্বারা দ্বীনের বিজয় অসম্ভব। নেতৃত্বের মোহ আজকে জাতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আজকের মসজিদগুলো চাকচিক্যের ব্যাপারে উদার। বর্তমানে মসজিদ কমপ্লেক্সের নামে ব্যবসা অগ্রাধিকার পাচ্ছে। সপ্তম পরিচ্ছেদে একদল যুবক একটি কাল্পনিক পরিবেশ তৈরি করে সেখানে ইসলাম পূর্ব ও পরবর্তী যুগের বাস্তব নমুনা নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। সেখানে তুলে ধরা হয়েছে জাহেলি যুগের গোত্রপ্রধানদের আচরণ, ইয়াতিমের সম্পদ আত্মসাৎ, লুটতরাজ, খুন, ধর্ষণ, গানের আসরে নর্তকীদের উদ্দাম নৃত্য, জীবন্ত মেয়েকে কুয়োয় ফেলে হত্যার মতো নিঃসংশ ঘটনাবলী। এরপর দেখানো হয়েছে উদীয়মান সূর্য, সোনালী সম্ভাবনা, রাসূলের দাওয়াত ও তার বিরোধিতার চিত্র। সবশেষে ২৩ বছরের সংগ্রামী আন্দোলনের মাধ্যমে দ্বীনের বিজয়কে উপস্থাপন করা হয়েছে অনুপম ভঙ্গিমায়। সবশেষ অষ্টম পরিচ্ছেদে মসজিদে নববীতে সাহাবীদের সাথে উমর (রাঃ) এর বৈঠকখানার কাল্পনিক সংলাপ তুলে ধরা হয়েছে। বৈঠকখানায় আশারায়ে মুবাশশারা ও আসহাবে সুফফার সদস্যগণ, বাসূলের নাতি হাসান-হোসাইন, কুরআনের অবমাননার প্রতিবাদে নিহত ১১জন শহীদসহ নাহবন্দের শহীদ নোমান বিন মুকরিউন, মিশরের হাসান-আল-বান্না, সাইয়্যেদ কুতুবের উপস্থিতি লক্ষনীয়। সকল শহীদের শরীর থেকে তাজা রক্ত ঝরে পড়ছে তখনও। সবার মনেই পুনরায় শহীদ হওয়ার তীব্র বাসনা। আমিরুল মোমেনিন উমর রাঃ সবার সামনে বাংলাদেশের অসহায় চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে বলেন- দেশটির তিনদিক পৌত্তলিকবেষ্টি এবং একদিকে সীমাহীন সমুদ্র। দেশটি মুসলিম বিশ্ব হতে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন,এতিম। প্রচুর সম্পদ থাকার পরেও তারা দুর্বল ও দরিদ্র, সীমান্ত অরক্ষিত। এসব শুনে উপস্থিত সকলে উমর রাঃ এর কাছে জিহাদের অনুমতি প্রার্থনা করতে থাকে। সকলের আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে কাবার আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হতে থাকে। একসময় সকল শহীদ ও সাহাবীরা আকাশে উড়ে যেতে থাকে। আকাশে লক্ষ মানুষ "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু" খচিত সাদা পতাকা নিয়ে ইসলামকে যারা বিজয়ী করেছে তাদের সংবর্ধনা দিতে থাকে। সবশেষে ফযরের আযান শুনে যুবকের ঘুম ভাঙার মাধ্যমে ইতি টানা হয়েছে "উমর রাঃ এর ঢাকা সফর" নামক স্বপ্নের সংলাপটি।"
asar alo , Nov 2, 2022
"লেখকের কল্পিত যুবকের সাথে হঠাৎ ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ঢাকা সফরে বের হয়েই দেখা পেলেন বস্তি আর তার পাশেই আকাশছোঁয়া দালান। কি ধাপ্পাবাজ এরা! তিনি কিছু দূরে গিয়েই দেখলেন ডাস্টবিনে এক শিশু কোলে জীর্ণ-শীর্ণ মা আর কুকুর খাবারের খোঁজে ময়লা হাতাচ্ছেন। রাগে আর ক্ষোভে কাকে কি বলবেন? কিছু না বলে যুবককে সাথে নিয়ে ওই মায়ের বাড়িতে উনুন জালানোর সমস্ত সামগ্রীসহ চাল ডাল নিয়ে রান্না করে তাদের খাওয়ালেন। আহা নেতা! ঢাকা শহরে কতশত মাজার আর কংক্রিটের মূর্তিতে ভরপুর তার কোনো ইয়ত্তা নেই। যে কোন সচেতন মুসলিমই এহেন পরিস্থিতিতে দুঃখে-কষ্টে, ব্যথা-বেদনায়, শোকে মুহ্যমান। মুসলমানদের এমন অধঃপতন আর তার সাথে যথোপযুক্ত ভাবে যুক্ত হয়ে আছে শিরক-বেদআত সহ অসংখ্য পৌত্তলিকতা এবং হিন্দুস্তানের রেসম-রীতি, পূজা-উপাসনা। খুব সতর্কভাবেই দীর্ঘদিন ধরে এ দেশে জাহেলিয়াত চলমান। আলেম-উলামা সেসব গোগ্রাসে গিলছে আর আম মুসলিমদের উদ্বুদ্ধ করছে। কি হাস্যকর! শহরের আরো কিছু অলি-গলি ঘুরে দৃশ্যমান যত সমস্যা, তার কারণ যুবকের থেকে তিনি খুব কমই শুনেন; নিজেই বলতে থাকেন আর কারণ ব্যাখ্যা করেন এবং সমস্যার সমাধানের উপায় বাতলে দেন। সেই সাথে যুবককে মনে করিয়ে দেন, বিশ্বে মুসলিম বীরদের বিজয়গাথা বীরত্ব এবং এ দেশের বিভিন্ন কীর্তি অর্জনে মুসলিম সেনানী কত বড় ভূমিকা রেখেছেন। এসব তিনি যুবককে বলে উৎসাহিত করেন। আর যুবক স্বপ্নে বিভোর! হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে দেখে যুবক ঘামে একাকার আর জামা ভিজে জবুথবু। বইটি পড়ে নিজের ভেতর একটু শক্তি এবং সাহস সঞ্চার হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আর পরিস্থিতির আলোকে করণীয় বিষয়ে সিদ্ধহস্ত হতে পারবেন।"
Marzia Tabassum , Nov 2, 2022
"প্রকাশনী: গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স কেন ওমর রাঃ কে নিয়ে এমন ভিন্ন ধাচের লেখা?বইটি গার্ডিয়ান প্রকাশনীর প্রকাশ করার ঘোষণা পড়েই আমার মনে প্রশ্ন জাগে। উত্তর খুজে পাই বইটি পড়েই! ইসলামের অন্যতম খলিফা ওমর রাঃ।আমাদের প্রতিটি আলাপচারিতায়,জীবনের প্রতিটি ঘটনার অন্যতম কেন্দ্রিয় চরিত্র,প্রতিটি আলোচনায় যার দুর্ধর্ষ পদক্ষেপ স্মরণীয় হয়ে আছে উদাহরণে! তার শাসন ভার কেমন ছিলো?তাকে নিয়ে এতোই বেশি আলোচনায় হয় যে,তার শাসনামলের কোনো না কোনো ঘটনা আমাদের সবারই জানা। ওমর রাঃ কে নিয়ে এতো আলোচনা হয় তবুও কোনো আউটপুটের দিক দিয়ে কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ আমাদের কম? এর মুল কারন আমরা চিন্তার গন্ডিতে আটকে রেখেছি আমাদের মস্তিষ্ক আর তাই আমরা সময়ের সাথে তা সমন্বয় করতে ব্যার্থ! মূলত এই বিষয়টা এবং সিক্রেট একটা বুদ্ধিমত্তা লেখকের চিন্তা জগতের তরঙ্গ সৃষ্টি করার ফল এই বই। এই বইটার বিশেষত্বই বইয়ের নাম।সে দিক দিয়ে বইটির নামকরণ শতভাগ সফল বলে আমার মনে হয়েছে। এই অসাধারণ বইয়ের নাম দেখেই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে,ওমর রাঃ কি সত্যিই বাংলাদেশে এসেছিলো?এই ভুখন্ডে তার সফরই বা কেমন ছিলো? আমারও এমনটাই মনে হয়েছিলো।কিন্তু যখন জানতে পারি লেখকের ভালোবাসায় ওমর রাঃ এর ঢাকা সফর নিয়ে একটি কল্পনা প্রসুত লেখা এই বই!তখন কিছুটা ঘাবড়ে যাই।কিন্তু মুগ্ধতায় হারিয়ে যাই যখন বইটি পড়া শুরু করি! চলুন বইয়ের ভেতরটা একটু দেখে আসি।ঢাকার বাসিন্দা এক যুবকের একটি স্বপ্নকে কেন্দ্র করে এই বইয়ের ঘটনা প্রবাহিত হয়েছে। যুবকের মুখে অতিথির বর্ণনা শুনেই আমরা বুঝতে পারি এই অতিথি আমাদের প্রিয় ওমর রাঃ! তার বর্ণনা শুনেই পাঠকের গায়ের লোম দাঁড়াবে,রক্ত গরম হবে,সাহসের এক অসীম ঢেউ বয়ে যাবে!যার দৈর্ঘ্য পরিমাপ্য হবে ইমানে!সত্যের এক প্রতিকের প্রতিকৃতি ভেসে উঠবে চোখে,মস্তিষ্ক স্থির হয়ে চিন্তার জগতে প্রবেশ করবে!ইচ্ছে করবে এই অতিথির মতো যদি হতে পারতাম! রাজধানীর ব্যস্ততায় মুখরিত রাস্তায় অতিধি আর যুবকের পদচারণা ও তাদের সংলাপের মাঝে শুরু হয় গল্পের শুরু। অতিধির মানবিক হৃদয়,ইমানদীপ্ত অসিম সাহস অথচ শান্ত এক বিবেচ্য ভাব ফুটে উঠেছে চোখ,জ্ঞানের এক অন্যতম পরিচয় তার শান্ত মুখের জ্ঞান-গৌরব আলোচনা! মানুষের অভাবগ্রস্থতা,অসহায়ত্বতা,কতশত অন্যায়,অত্যাচার,অবিচার,অধিকারহারার আত্মচিৎকার,দেশ ও শাসন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা,সমস্যা চিহ্নিত করন ও তার আশ্চর্য সুন্দর ও সাবলিল এবং খুব সহজ সমাধান দিয়েছেন।কখনো কথা বলেছেন শান্ত গলায়, প্রয়োজনে শক্ত গলায়!তাকে দেখে তার কথা শুনে কারো কোনো ক্লান্তি আসে না! সবই পাঠককে কিছু-সময় পর পর চিন্তা জগতের নতুন নতুন ধাপের সাথে পরিচিত করবে! আলেম সমাজের অপারগতা ও তাদের প্রতিও উমর রাঃ এর বয়ানে সমাধান স্পষ্ট হয়েছে। প্রিয় উমর রাঃ এর বিচক্ষণ দৃষ্টিতে সমস্যাগুলোর আলোচনা জীবন্ত উপস্থাপিত হয়েছে। বইটা পাঠ করার পুর্বে ও পরে দারুন এক পার্থক্য ও পাঠকের নিজস্ব চিন্তার দারুন এক পজিটিভ পার্থক্য দেখা যাবে।তবে একটা আফসোস থেকে যাবে,বইটা শেষ করেও আফসোস হবে!ইশশ আর একটু যদি লেখক লিখতেন।আর একটু যদি বড় করতেন! বইটি পাঠককে স্পষ্ট ভাবে দেখাবে মহান রব তার প্রিয় রাসুল (সাঃ) এর মাধ্যমে পৃথিবীবাসীর জন্য কোন ইসলাম দিয়েছেন,আর এ দেশের মানুষ কোন ইসলাম অনুসরণ করছে। বইয়ের ব্যাতিক্রমতাঃ গত দুই বছর যাবৎ আমি ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স এর উপর চর্চা করছি।আমার আইকিউ নিতান্তই কম।তার চেয়ে ইকিউকে আমি বেশি প্রাধান্য দিয়েছি। কারন ইকিউটা শুধু আমার বুদ্ধিমত্তার সাথে সম্পর্কিত নয়।বরং আমার জীবনের আমার মস্তিষ্ক,বডি সহ আমার বাস্তবিক ও আধ্যাত্মিক চর্চার সাথে সম্পর্কিত। এই আবেগীয় বুদ্ধিমত্তায় আমাদের আবেগ কে ব্যবহার করে নতুন একটা রুপ দান করতে পারে। যেটা রাসুল সাঃ এর জীবনের প্রতিটি ক্রিয়া কলাপে দেখতে। এই যে,আমরা রাসুল সাঃ এর জীবনের নানা ঘটনা শুনি,সাহাবী (রাঃ) দের জীবনের কত ইমানদীপ্ত ঘটনা আছে তা শুনি।কিন্তু সেগুলো এই যুগে কি এপ্লাই করতে পারি? একদম না। কিন্তু লেখক এই বিষয়টা খেয়াল করেই বইটাতে ওমর রাঃ এর পুর্ব দুর্ধর্ষ চিন্তা ও মানবিক গুনকে বর্তমান সময়ের সাথে সমন্বয় করেছে।আমি একটা উদাহরণ থেকে পরিষ্কার করছি।এ দেশে হাজার হাজার কোটিপতি,লাখপতি আছেন।তাদের টাকার অভাব নেই।এ সত্যেও কত মানুষ ঘর হারা,অন্য পায় না তথা মৌলিক অধিকারই যোগাতে অক্ষম।অথচ এরা জাকাত প্রদান করে।মানুষ দেখিয়ে একটা করে কাপড় দিয়ে তারা জাকাতের কাজ সমাপ্ত করে। এই যে চিত্র,এই মানুষগুলোর অসহায়ত্ব ঘটনায় তিনি মর্মাহত হয়েছেন।তার আবেগ "দুঃখে জর্জরিত ছিলো"। কিন্তু তিনি এই আবেগের সাথে বুদ্ধিমত্তার এক ছোয়া দিয়েছেন। মোট জাকাতকে একটা অর্গানাইজেশন তুলবে।ও ডিস্ট্রিবিউশন করবে তারা কর্মযোগানের মাধ্যমে। যে কোনো ধরনের শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠা করবে সেই জাকাতের টাকায়। এবং সেখানে শ্রমিক থাকবে এই গরিবরাই।এবং মালিকও তারা। ফলে তারা স্থায়ী ভাবে কর্মঠ ও সাবলম্বি হলো। এতে বেকার সমস্যাও দুরিভুত হলো। চিন্তার গভীরতা একটু খেয়াল করে চিন্তা করুন;আপনার নিজেরই চিন্তার একটা অধ্যায় সুচনা হবে। লেখক এই ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স বিষয়টার গুরুত্ব অনুধাবণ করতে পেরেই এমন ইউনিক এবং সুপাঠ্য বই লিখেছেন। সুতরাং এই বইটার ব্যাতিক্রমটা বাংলা সাহিত্যের অন্যান্য বইগুলোর মধ্যে আলাদা ও সম্পুর্ন প্রায়োগিকতায় ভিন্ন। এমন চিন্তা আমাদের বাস্তবিক ও আধ্যাত্মিক জীবনে দারুন ইমপ্যাক্ট রাখবে এবং সমস্যার মাঝেও আবেগীয় রুপান্তর ঘটিয়ে সমাধানের পথ দেখাবে। পছন্দের কিছু কথা যা অতিথির ভাষায় প্রকাশ পেয়েছেঃ তোমরা দ্বীন ইসলামের বাহ্যিক আবরণ নিয়ে টানাটানি করছ।আসল রুহের সন্ধান এখনো পাওনি।তাগুতকে মনে করো ইসলামের খাদেম,আর দ্বীনের দুশমনকে ভাব আল্লাহর দোস্ত! এ দেশের শহরগুলো একপাশে শত শত অসহায় দরিদ্র গৃহহীন মানুষ রাস্তার ধারে ফুটপাতে খোলা আকাশের নিচে শুয়ে রাত কাটায়,অথচ শহরের অন্য পাশে সারি সারি আকাশছোঁয়া অট্টালিকায় কিছু মানুষের বিলাসী জীবন। পারস্যে অগ্নি উপাসক দাম্ভিক শাসক খসরু পারভেজের অনির্বান অগ্নিকুণ্ড চিরতরে নিভিয়ে দেওয়ার জন্য ইসলামের সেনারা অকাতরে প্রান বিলিয়ে দিয়েছিলো আর এই দেশে নানা ছুতোয় অগ্নিকুণ্ড প্রজ্জ্বলিত করা হয়। বানানঃ যতিচিহ্নের ব্যবহার বেশ ভালো বানান ভুলের সংখ্যা খুব একটা চোখে পড়েনি। বাচনভঙ্গিঃ সহজ শব্দচয়ন আর বেশ গোছালো কথা। পড়তে বেশ ভালো লেগেছে। প্রচ্ছদ,মলাট,বাইন্ডিং ও পৃষ্ঠাঃ প্রচ্ছদ খুব একটা ভালো লাগেনি। মলাট ও বাইন্ডিং মানসম্মত। কোয়ালিটিফুল পেইজ, লেখাগুলো স্পষ্ট। নামকরণে সার্থকতাঃ ১০০%"
Ayesha Khanam Tinu , Oct 22, 2022
"আমিরুল মুমিনিন উমর বিন খাত্তাব (রা.) ছিলেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা এবং প্রধান সাহাবীদের অন্যতম। আবু বকর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এর মৃত্যুর পর তিনি দ্বিতীয় খলিফা হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। উমর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ইসলামী আইনের একজন অভিজ্ঞ আইনজ্ঞ ছিলেন। উমর রাঃ এর ঢাকা সফর একটি ভিন্ন মাত্রার বই।লেখক একটি যুবকের স্বপ্ন কে ফুটিয়ে তুলেছেন। উমর রাঃ যদি ঢাকা সফরে আসতেন তাহলে সে বর্তমান সমাজের পেক্ষাপট দেখে কী বলতেন? চারিদিকে অন্ধকার অমানিশা। বিপন্ন মানবতার অন্তিম রদনে আকাশ-বাতাশ ভারি হয়ে আসছে। ভোটে জয়লাম করার আগে কত শত অসিয়ত, কিন্তু দিন শেষে চেয়ারে বসার পরে সকল ওয়াদা ভূলে যাওয়া। নেতাদের এমন দৃশ্য, ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা হাজার শিশু এমন দৃশ্য দেখে তিনি কি বলতেন? নৈরাজ্য,লুটতরাজ,ক্ষুধা, মৃত্যু আর বৈষম্যের অকুল পাথারে ডুবে রয়েছে সমগ্র জনপদ। সবার মুখে একটিই কথা যদি উমর রাঃ আবার আমার মাঝে ফিরে আসতেন। তাহলে তিনি এই শহর কে ইসলামের ছায়সতলে উৎজিবীত করতে পারতেন। ৯০ ভাগ মুসলিমের দেশে সারাক্ষণ এই বুলি গুলো আমরা আওড়াবো৷ কিন্তু আমার প্রতিবেশী না খেয়ে সেই খেয়াল আমি রাখব না। চারিদিকে এত,এত আহাজারি এমন সময় যদি হাজির হতেন ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক আমিরুল মুমিনিন উমর বিন খাত্তাব (রা.) তবে কেমন হত বিষয় টি? বর্তমান সমাজে নেতারা তাদের পকেট ভরতে ব্যাস্ত সমাজের মানুষেরে নিয়ে ভাবার সময় কোথায় তাদের । যারা রক্তের গঙ্গা প্রবাহিত করে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকে, কোন অধিকারে তারা মানুষ কে নতুন স্বপ্ন দেখায়। নিজেকে মুসলিম দাবি করে কিন্তু ইসলামের বিধান কতটুকু মানে? আমিরুল মুমিনিন তিনি ইতিহাসের অন্যতম সেরা রাষ্ট্রনায়ক। তার মত এমন এক জন কে আজ সমাজে বড্ড প্রয়োজন। লেখক তার সাহিত্যে উমর রাঃ ঢাকা সফরে আসলে সকল মুসলিম কে কি নিয়ে প্রশ্ন করতেন? যদি প্রতিটি অলিতে,গলিতে ফুটপাতে শুয়ে মানুষের কথা শুনতেন।? সঠিক বিচার করতেন সব কিছুর তবে কেমন হতো? লেখক সাবলিল ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছে উমর রাঃ এর আসল রূপ রেখা তিনি বর্তমান সমাজ কে দেখে যেমন,যেমন বলতেন। এটি এমন একটি বই সমাজের অকটে লুকিয়ে থাকা শিকলে আবদ্ধ প্রতিটা হৃদয় কে তার আসল পরিচয়, হৃদয় কে বাঁধন মুক্ত করার এক প্রচেষ্টা। বইটির মূল্য কম হওয়াও সহজেই পাঠক বই টি সংগ্রহ করতে পারবে ইনশা আল্লাহ। এবং বইটির সহজ সরল ভাষা প্রতিটি পাঠকের বুঝতে সহজ হবে। প্রত্যেকের একবের হলে ও বইটি পড়া উচিৎ। ইসলামের সোনালি দিন গুলি কে ভূলে গিয়ে, পশ্চিমা সংস্কৃতি তে আকড়ে ধরে, মেয়েদের কে উলঙ্গ করতে ব্যাস্ত। হারামে আসক্ত হয়ে নিজের পকেট ভারি করতে ব্যাস্ত এমন দৃশ্য দেখে আমিরুল মুমিনিন উমর বিন খাত্তাব (রা.) দেখে কি বলতেন? এমনই এক দৃশ্য একটি যুবকের স্বপ্নের আলোকে আমিরুল মুমিনিন উমর বিন খাত্তাব (রা.) এর সাথে কথোপকথন এর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এক জন মুসলিম হয়ে আমাদের চলাফেরা,আমাদের আদর্শ কেমন হওয়া উচিৎ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।"
Doraemon bangla and hindi , Oct 20, 2022
"বইটা অসাধারন।এক কথায় অসাধারন।"
Imran Hasan , Sep 6, 2022
"আহা! শুধু এতটুকুই বলবো ; অসাধারণ!"
Sojib Islam , Aug 17, 2022
"“উমর (রা.)-এর ঢাকা সফর” বই নিয়ে Ayesha Tinu বলেছেন— বইটি তে মুগ্ধতা আছে তবে অপ্রয়োজনীয় মুগ্ধতা নেই। জ্বর, সর্দি, চোখ জ্বালাপোড়া নিয়ে যখন কিছুই ভালো লাগবে না; এমনকি ফেসবুক পর্যন্ত বিরক্ত লাগবে তখনও কিন্তু চোখের পানি, নাকের পানি মুছতে মুছতে বইটি পড়া শুরু করলে পড়তে পারবেন। মানে কোনো বিরক্তিবোধ আসবে না। অসুস্থতার জন্য রেস্ট নিয়ে পড়তে মন চাইতে পারে। আপনি খুব পড়ুয়া না হলেও বইটি পড়া শুরু করতে পড়তে পারবেন। আপনি গার্ডিয়ান প্রকাশনীকে অপছন্দ করলেও বইটি পড়তে পারবেন। আপনি পড়ুয়া জাতি হলে পড়া শুরু করবেন এবং পড়া শেষ করে উঠবেন।"
Play tricks , Aug 14, 2022
"Alhamdulillah Book's quality is godd .And this book is oussum ,especially for practicing young muslim"
Abdur Rahman Rayhan , Jun 30, 2022
"বইয়ের পাতা পড়তে পড়তে কখনো চোখ ঝাপসা হয়ে এসেছে কখনোবা সুখের সাগরে সাঁতার কেটেছি, কখনো ধিক্কার দিয়েছি নিজেকে আবার সেই নিজেকে খুঁজে পেয়েছি সেখানে । বলছি উমর (রা.) এর ঢাকা সফর বই পড়ার অনুভূতি থেকে । ভিন্নরকম স্বাদ আর ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা । বইটি যেন এক বেদনা-সুখ-রাগ-ভালোবাসার মিশ্রণের অনুভূতি । কখনো ৪ ঘণ্টায় একটা বই তো পড়িনি বরং সেই চিন্তাও করতে পারিনি । কিন্তু সেই অসম্ভব সাধন করতে পারে আমার খুবই আনন্দ লাগছে । মন চাইছে আর একবার পড়ি । বইয়ের প্রতিটি লাইনই মনে ধরার মত । বইয়ে যে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখানো হয়েছে তা ইনশাআল্লাহ বাস্তব হবে । এই দেশে সেই উমর না আসলেও একদিন তার উত্তরসূরি ঠিকই আসবে । ইয়া রাব্বি, মসজিদের সেই কাফেলায় আমাকেও কবুল করুন ।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
4 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
Is this book available? And will it be suitable for my younger brother to read? He is 12-13 years old
হার্ডকভার বইটি?
বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা কত?
বইটি available আছে?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"উমর (রা.)-এর ঢাকা সফর" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: