১ম প্রকাশ, ২০১৬
তৃণা এবং একজন সিরিয়াল কিলার
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | তৃণা এবং একজন সিরিয়াল কিলার |
| Author | রহমান শেলী |
| Publisher | অনিন্দ্য প্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৬ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 78 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.21 Kg |
| ISBN | 9789849120460 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
3 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টিAayesha , Sep 29, 2026
"Good 💙"
Dr. Asif Shufian Arnab , Dec 14, 2019
"লেখক রহমান শেলীর এটি প্রথম বই। লেখক একজন পুলিশ অফিসারও। সেদিক থেকে চিন্তা করলে গল্পের মধ্যে কাল্পনিক এবং বাস্তবতার সংমিশ্রণে এক অন্য রকম অনুভূতি সৃষ্টি হবে। পাঠকের মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতই এই গল্পের প্লাটফর্ম।"
সুসানা রহমান , Nov 13, 2016
"গোয়েন্দা উপন্যাস তৃণা এবং একজন সিরিয়াল কিলার। কিলার! তাও আবার সিরিয়াল কিলার! সিরিয়াল কিলার কেনো হয়? কারা হয়? একটি হত্যার পরই পুলিশ খঁজে বেড়ায়, কে এ হত্যাকারী? তারপর কিলার নিজেকে গোপন করে চালিয়ে যায় তারপরের হত্যাকান্ড। একের পর এক হত্যা করে সে হয় সিরিয়াল কিলার। তৃণা নামের মেয়েটিকে সিরিয়াল কিলার কিডন্যাপ করে নিয়ে যায় ধর্ষণ করে হত্যা করার জন্য। এর আগের ঘটনাগুলোও তাই। নিষ্পাপ মেয়েদের নিয়ে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। তৃণার বাবা-মা চিন্তত! চিন্তিত তার ক্লাসমেটরাও! তৃণা কোথায়? মিডিয়াগুলো বলছে, আগামীকাল হচ্ছে একত্রিশ ডিসেম্বর। তারমানে আমরা তৃণাকে দেখব, লাস হয়ে ঘরে ফিরেছ! পুলিশ কী করছে? গোয়েন্দারা কী ঘুমিয়ে আছে? তাদের এক বোতল খাটি সরিষার তেল কিনে দেয়া হোক, যেন ঘুমটা আরো ভালো করে হয়! বলছে সবাই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও বসে নেই। তৃণাকে আমরা জীবিত উদ্ধার চাই! চাই! চাই! আসে প্রাইভেট ডিটেকটিভ হ্যাটম্যান। অভীক সাহসী এক গোয়েন্দা। তার মতে সকল রহস্যেরই একটা ক্লু থাকে। সেই ক্লুই বলে দিবে আসল রহস্য। হ্যা এবার কুপোকাত হবে সিরিয়াল কিলার। দেরী না করে মাঠে নামে হ্যাটম্যান। । পূর্বের হত্যাগুলোর ফাইল হাতে নেয়। নিয়ে মোটিভ জানার চেষ্টা করে। আশ্চর্য! সকল হত্যাই ধর্ষণসহ। এবং সবার বয়সও একই। সবাই স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী ছিল। সবচেয়ে রহস্যময় হলো সবার হত্যার তারিখও এক। এসব ঘটনাতে আছে ক্লু। হ্যাটম্যান পেয়েও গেলেন সেই ক্লু। এবার পেছনে লাগার পালা। এবার কিলার যাবে কোথায়? সে কি জানে তার জম এখন মাঠে? হ্যাটম্যানের হাত থেকে যতোবড়ো কিলারই হোক তার যে আর রেহাই নেই। সে কি তা জানে? একটি ডিভিডির কাভার! একটি সিম্বল! পেয়ে যায় সকল রহস্যের সূত্রপাত। এতো সুক্ষ, এতো তীক্ষ্ণ দৃষ্টি তো হ্যাটম্যানেরই থাকার কথা। কাজ করতে গিয়ে দেখে দুর্গা নামে একটি মেয়েকে সিরিয়াল কিলার অজিত ভালোবাসতো। তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে কিছু ছদ্মবেসী ভদ্রলোক। যার বিচার হয় নি। বিচারের আশায় পথে পথে ঘুরেছে সে। এটাই কি তার কারণ? এ জন্য কি তাকে একের পর এক হত্যা করতে হবে? আর এর বলি হবে একজন মেধাবী ছাত্রী? হ্যাটম্যান তার সাহসী পদক্ষপে নিয়ে এগিয়ে যায়। ছুটে যায় কিলারের পেঁছনে। নিজেকে লুকিয়ে রেখে চালায় অভিজান। এই এক অন্যরকম থ্রিলার! কিলার তার সামনে। কিন্তু এখনই তাকে আটক করা ঠিক হবে না। তৃণা কোথায় আছে! তাকে তৃণার গন্তব্যস্থল পৌছতে হবে। গাড়ী নিয়ে অজিত পালায়। হ্যাটম্যানও ছুটে। রাস্তায় গাড়ী নষ্ট হয়। তাতে কী! পা দুটি থাকতে দৌড় নয় কেন? এক সেকেন্ড সময় নষ্ট না করে ফলো করছে কিলারকে। পথে কিলার তার গাড়ীর নাম্বার প্লেট চেইঞ্জ করে ফেলে। হ্যাটম্যানের চোখ হচ্ছে জহুরী চোখ। নাম্বার প্লেট চেইঞ্জ করাও বুঝতে পারে। তৃণাকে আটক করে রাখা হয় একটি বদ্ধ ঘরে। হ্যাটম্যান পাশের ফ্লাটে বেড়াতে এসেছে বলে একটা অভিনয় করে ঘরে ঢুকে। তারপর শুরু হয় এ্যাকশন। ক্রিমিনাল এবার হাতের মোঠোয়। পাশে একটি বদ্ধ রুম। দরজা ধাক্কা দিয়ে ঢুকতেই দেখতে পায় তৃণা ফ্লোরে পড়ে আছে। তার মানে তৃণা সেন্সলেস। হ্যাটম্যান তৃণাকে উদ্ধার করে তার মুখের কাছে নাক নিয়ে শুকে দেখে। সর্বনাস! তৃণাকে ক্যামিকেল খাওয়ানো হয়েছে! দ্রুত এ্যাম্বুলেন্স আনা হলো। তৃণাকে পাঠানো হলো চিকিৎসার জন্য। আর সিরিয়াল কিলারকে পড়ানো হলো লোহার সিকলসহ হাতকড়া। মিডিয়ার সামনে সিরিয়াল কিলার অজিত বর্ণনা দেয় নিজেকে। কেনো সে সিরিয়াল কিলার হলো? তার এ খারাপ হবার পেছনে কে দায়ী? সে নিজেকে এ কাজের জন্য অপরাধী মনে করছে না। সিরিয়াল কিলাররা কি এমনই হয়? ... গোয়েন্দা কাহিনী হিসেবে বইটি যথেষ্ট থ্রিলার সম্পূর্ণ। শুরু করলে পড়া শেষ করতেই হবে। রহস্যপূর্ণ সিরিয়াল কিলারকে জানতে বাইটি আপনার বইয়ের সেল্ফে থাকা উচিত। লেখকের এটি হ্যাটম্যান সিরিজের প্রথম গোয়েন্দা বই। লেখক নিজে স্বয়ং পুলিশের চাকরি করেন। বাস্তব জীবনে লোকায়িত রহস্য এখানে উঠে আসে সাহিত্যের হাত ধরে। বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। ছোটদের চৌকস বুূ্দ্ধিমান বানাতে বইটি সংগ্রহে রাখুন।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"তৃণা এবং একজন সিরিয়াল কিলার" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: