১ম প্রকাশ, ২০২৪
তমসা নদীর তীরে
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | তমসা নদীর তীরে |
| Author | মুহম্মদ নিজাম |
| Publisher | ৫২ (বায়ান্ন) |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 136 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.31 Kg |
| ISBN | 9789849767879 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
1 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টিZamsedur Rahman , May 5, 2024
"“পশ্চিমা সভ্যতার একাধিক চিন্তক ও চিত্রপরিচালক দুনিয়ার সব গল্পকারদের উদ্দেশ্যে প্রায়শই এইটা বলে থাকে, ‘সত্য স্বীকার করতে গিয়ে কখনও গল্পের মজাকে নষ্ট করো না। বিশুদ্ধ একখানা গল্পের মূল্য বিশুদ্ধ এক ডজন সত্যের চেয়েও বেশি।’ ওরা আসলে বোঝাতে চায়- গল্পকে উপাদেয় করতে যেসব কল্পনা বা বিকল্প ঘটনার আশ্রয় নেওয়া হয় তা যেন কিছুতেই পাঠকের সম্মুখে নিয়ে না আসা হয়। কেননা সত্য কিংবা কল্পিত, যে-কোনো একটা ঘটনাকে অবলম্বন করে লেখা কিছু কিছু গল্পে যে ম্যাজিকের সৃষ্টি হয়, তা কখনোই শুধু সত্যের জোরে হয় না। সত্যকে কিছুটা বদলে দিয়ে, কিছুটা গোপন করে, লেখক তার আপন মনভূমিতে যে আশ্চর্য আবেগ ও শব্দের চারুশৈলী রচনা করে তারই বদৌলতে সৃষ্টি হয়।” উপরোক্ত বক্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করতেই হয়। এভাবেই তো গল্প হয়; হওয়া উচিত। কিছু সত্য, কিছু কল্পনা, বাকিটা লেখকের গল্প বলার ঢং আর লিখনশৈলী; সব পরিমিত থাকলে আর কী লাগে! ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে রীতিমতো দৌড়ঝাঁপ চলছে। নতুন কোনো বই, বিশেষ করে উপন্যাস পড়ার মতো ধৈর্য্য বা মানসিকতা তৈরি করতে পারছিলাম না। আবার রিডিং ব্লকেও যেতে চাইছিলাম না। আমার দরকার ছিল এমন কিছু, যা সময় নিয়ে, বিরতি দিয়ে পড়তে পারবো। যা মনের খোরাক তো মেটাবেই, পাশাপাশি চিন্তা-ভাবনার সুযোগ তৈরি করবে। পড়ার পর যার রেশ থেকে যাবে দীর্ঘসময়। এই ভাবনা এবং কয়েকজনের সাজেশনে হাতে তুলে নিলাম ঔপন্যাসিক মুহম্মদ নিজাম এর প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘তমসা নদীর তীরে’। “প্রান্তিক” এলাকায় “কভিড-১৯ এবং তৎসংলগ্ন গ্রামনামচা” অনেকেরই দৃষ্টি আর্কষণ করে। “শাপভ্রষ্ট দেবু” কিংবা “শাপভ্রষ্ট দেবী” সেখানে কখনো-বা “মন্দ মানুষ” হিসেবে পরিচিত, কখনো-বা “ফিনিক্স” পাখি। আর আমাকে ভেবে নিতে পারেন “নিরালোক রাজপুত্র”। যদিও আমি রাজপুত্র বা রাজা নই; তবে ভবিষ্যতে “যদি আমি রাজা হই”, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে “প্রতিশোধ পয়গাম” নিয়ে এই দুর্মূল্যের নগরীতে “মন্বন্তর” ঠেকানোর চেষ্টা করব। “ক্রস-চেক” করব কারা “একই সঙ্গে একটি মসজিদ ও হাসপাতালে আগুন” দিতে চায়। “বুদ্ধিবেশ্যা” পরিচয় দিয়ে “বাচ্চাকাচ্চা কোম্পানি লিমিটেড” খুলে বসবো না। প্রয়োজনে “বাঘের ওপর ঠাগ” দিবো। আর “আজ রাতে যদি আমার মৃত্যু হয়, মরে যাব মাইরি”, তবুও আমাকে “যারা ভালোবেসেছিল” তাদেরকে হতাশ করব না। যে মানুষটির কারণে এ জীবনে আর “প্রেম আসে না”, তাকে বলতে চাই- “ফিরে এসো মরিয়ম”, চলো যাই “তমসা নদীর তীরে”। যেখানে মোট ২০টি গল্প রয়েছে; যেগুলোর শিরোনাম ইতোমধ্যে এই অনুচ্ছেদে উল্লেখ করে ফেলেছি। ১৩৬ পৃষ্ঠার এই গল্পগ্রন্থে মোট গল্প ছিল ২০টি। হরেক আকার-আয়তন ও বৈচিত্র্যময় বিষয়-বস্তুতে ঠাসা প্রতিটি গল্পের বুনন ছিল চমৎকার এবং উপভোগ্য। জনরা বিচারে ইতিহাসের আশ্রয় নিয়ে লেখা গল্পগুলো সমকালীন হলেও তাতে থ্রিলারের উপকরণ ছিল ভরপুর। প্রাধান্য পেয়েছে সামাজিক অবক্ষয়, জাত বৈষম্য, গ্রাম্য রাজনীতি, কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা, প্রেম-প্রণয়, যৌনতা, লোককথা ও পুরাণ, ঘাত-প্রতিঘাতসহ জীবন সম্পর্কিত একাধিক বিষয়-বস্তু। সমাজ ও রাষ্ট্রের তীর্যক সত্যগুলো কোনোরকম ফিল্টারিং ছাড়া সাহসীকতার সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়েছে। ফলে এসকল গল্পের আবেদন পাঠ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকে না, পাঠকমনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং গল্পের অন্তর্নিহিত বিষয়সমূহ নিয়ে ভাবতে বাধ্য করে। চাইলে প্রত্যেকটি গল্প নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করা যায়। কিন্তু এতে রিভিউয়ের দৈর্ঘ্য মাত্রাতিরিক্ত বড় হয়ে যাবে। সেইসাথে স্পয়লারের ভয় তো আছেই। এর বদলে ভিন্ন প্রসঙ্গে আলোকপাত করা যাক। ছোটগল্পে শব্দসংখ্যা কম বা সীমিত থাকে। ফলে চাইলেও ঘটনার বিশদ বর্ণনা কিংবা চরিত্রের খুঁটিনাটি তুলে ধরা সম্ভব হয় না। শুধুমাত্র মূল ঘটনার তাৎপর্য এবং গল্পের উদ্দেশ্যটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেন লেখকেরা। কিন্তু এই বইয়ের চিত্র বেশ ভিন্ন। এখানকার চরিত্রগুলো তার গল্পগুলোকেও ছাপিয়ে গেছে। স্বল্প শব্দ-বাক্যে চরিত্রের অতীত-বর্তামান, তার দোষ-গুণ-বৈশিষ্ট্য, মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত, লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য, মোটকথা চরিত্রের ভেতর-বাহির সম্পর্কে পাঠকেরা স্পষ্ট ধারণা পাবেন। যা গল্প পাঠের আনন্দকে দ্বিগুণ করে তোলে। কেননা আপনি যখন কোনো চরিত্র সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকেন, তখন তার গতিবিধি এবং গল্পের ঘটনা-কাহিনিতে পূর্ণ মনোযোগ স্থাপন করতে পারবেন। আর আশ্চর্যজনকভাবে এই বইয়ের প্রতিটি গল্পেই তার সফল প্রয়োগ দেখা গেছে। আমি বরং নিজের পাঠ অভিজ্ঞতা বর্ণনা দিই- কীভাবে চরিত্রগুলোর সঙ্গে আমার পরিচয় ঘটেছে। আর কীভাবেই-বা তারা আমাকে মোহগ্রস্ত করে রেখেছিল। লেখক যখন নিজের দৃষ্টিকোণ থেকে গল্প এগিয়ে নিয়ে গেছেন, তখন তিনি মান্টো চরিত্রের নিকট দ্বারস্থ হয়েছেন। স্থান-কাল-পাত্র বিবেচনায় তাকে কোনো নির্দিষ্ট বয়সে আটকে রাখা কঠিন। তবে আমাদের প্রথম পরিচয় ঘটে তার শৈশবকালে। ঐ বয়সেই তাকে বীভৎস ঘটনার সম্মুখিন হতে হয়েছিল। ভালো মানুষের মুখোশ পরা ইশান ভাইয়ের নাটকীয়তা, স্কুলমাস্টার এরশাদ ভাইয়ের আড্ডা কিংবা তমসা নদীর তীর ঘেঁষা কাউনের মাঠে মুন্নি নামের সরল কিন্তু সাহসী মেয়েটির ক্ষত-বিক্ষত ও বিপর্যস্ত মরদেহ মান্টো ভুলতে পারে না। আমার পরিচয় হয় তার ফুপাতো ভাই কানা বদরুলের সঙ্গেও। যার তাজা ফুলের মতো সুন্দর জীবন চোখের সামনেই একটু একটু করে ঝরে যেতে দেখি। ঋষিপাড়ার শঙ্কর বড্ড আজব মানুষ। বেঁচে থাকার তাগিদে সময়ে সময়ে বিভিন্ন ছোটবড় কাজে নেমে পড়ে। অদ্ভুত সব স্বপ্ন দেখে, অন্যদিকে আবার প্রতিশোধের নেশায় মত্ত। গোবিন্দপুরের মাহিন চৌধুরী তার চির শত্রু। কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, দুর্জন ব্যক্তির ক্ষমতার দাপটের কাছে পরাস্ত হয়ে তার আগে-পিছু নমঃ নমঃ করতে হয়। ক্ষমতা আর নোংড়া রাজনীতির কাছে পরাজিত হতে দেখি জগলু চাচাকেও। অলি সাহেবের মতো ধুরন্ধর মানুষেরা বরাবরই শেষ হাসি হেসে থাকেন। মিমি নামের একটি মেয়ের সাথে পরিচয় হয়। তাকেও ধুরন্ধর বলা ঠিক হবে কি-না বুঝতে পারছি না। তবে তার বুদ্ধি-সুদ্ধি বেশ। এই সমাজে এতটুকু বুদ্ধি নিয়ে না চললে বিপদ সুনিশ্চিত। চরিত্রের নাম না থাকলেও এক যুবক আর এক যুবতীর কথোপকথনে আস্তিক ও নাস্তিক চিন্তাবোধের দেখা মেলে। খানিক পরেই এক বৃদ্ধের সঙ্গে পরিচয়। অন্ধ ভিখারি সগীর আলির জীবনে দুবেলা খাওয়া-দাওয়া করতে পারাটাই যেন সমস্তকিছুর উর্ধ্বে। তবুও তাকে খাদ্য ও খিদে ছেড়ে যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ করতে দেখা যায়। কিছুদূর হেঁটে শিমুলতলী কালভার্ট যাওয়ার পর হাসান নামের এক মাদকাসক্ত যুবকের মুখোমুখি হতে হলো। তার সঙ্গে দেখা না হলে জানতে পারতাম না, জীবনের শেষপ্রান্ত থেকে এভাবেও সফলভাবে ফিরে আসা যায়। তালসোনাপুর ভ্রমণে আসর আলি ও সফুরার আশ্চর্যজনক কাহিনি যেন রূপকথার গল্পকেও হার মানায়। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও মানুষের মুখে মুখে ফেরে তাদের কাহিনি। উঠে আসে আরও কিছু লোকগল্প ও পুরাণ কীর্তি। মান্টো যখন যুবক, দুইচোখে গল্প-উপন্যাস-কবিতা ও সিনেমা বানানোর স্বপ্ন। এমন সময় সিমরান নামের একটি মেয়ের প্রেমে পড়ে গেল। হাসিখুশি ও জীবনের প্রতিটি ধাপে সফল হওয়া এক নারীর করুণ পরিণতি মান্টোকে দুমড়ে-মুচড়ে রেখে দেয়। হাসিখুশি মানুষ আরও একজন রয়েছে, নাম ইরাজ। একদম মাটির মানুষ। সমাজ তাকে বোকা ভাবে, অথচ মানুষ খোলসে ছেলেটা এক টুকরো স্বর্ণ। খোলসের কথা উঠলোই যখন, খাদেম আলী ও সুফিয়ার একমাত্র কন্যার কথাও বলা যায়। যে মেয়েটি কখনো মৌমিতা ইসলাম মারিয়া, আবার কখনো মরিয়ম আক্তার পরিচয়ে জরাজীর্ণ। তাকে আগলে রাখে কে, জানেন? লোকটার নাম মুরগি জামাল! অদ্ভুত মানুষের ভিড়ে আরও একজন আছেন, ফু-আম্মা। যিনি মৃত্যুমুখে মান্টোকে তিন বর দিয়ে যান। যা তাকে আশীর্বাদের মতোন আগলে রাখে। তবে পাখি ভাইকে আগলে রাখতে পারেনি আঁখি আপু। জীবন এমনই, উত্থান-পতনে ভরপুর। সেই উত্থান-পতনে নিজের সবটুকু উজার করতে দেখা যায় দেবুকে। পরিমল নামের এক রাক্ষসের ছোবল থেকে ছিনিয়ে আনে ইশিতা নামের এক নিষ্পাপ মেয়েকে। একইরকমভাবে এক নিষ্পাপ মেয়ে লীমাকে নিয়ে দেশান্তর হতে হয় আতিকউল্লাহকে। হাতিমপুর ইউনিয়নের খালেদ-নসুর কবল থেকে পালিয়ে বাঁচতে হয় তাদের। অপরদিকে সিলেটি গুন্ডি মহিলা রওশন জামিলের মিষ্টি প্রেমের কবল থেকে বাঁচতে পারে না মান্টো। বিয়ের পিড়িতে বসতেই হয় তাকে। শুরু করতে হয় নতুন জীবন। সবার জীবন একরকম হয় না। তার দৃষ্টান্ত মেলে আলী ভাইকে দেখে। অর্থাভাবে থাকা মানুষটি মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে দশ বছরের মাথায় রীতিমতো কোটিপতি বনে যান। সফল এই মানুষটির রয়েছে অদ্ভুত এক রোগ, তার কোনোকিছুতে ইচ্ছে হয় না। আচ্ছা, মানুষ চাইলেই কি শত বছর বাঁচতে পারে? যদি বলি, ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে এক অদ্ভুত চরিত্র শুধুমাত্র বেঁচে থাকার তাগিদে দুর্ভিক্ষ পেরিয়ে বহু বছর বেঁচে ছিল। একশ বছরের ব্যবধানে জার্নাল লিখতো সে। কে জানে, হয়তো সে সত্যিই হাজার বছর বেঁচে ছিল। ব্যাপারটা অবাস্তব লাগতেই পারে। এমন অবাস্তব কাহিনি আরও একটি রয়েছে। ঈশ্বরীচণ্ডী পুত্র নেতাইচণ্ড এবং এক বাঘিনীর গল্প। এই বইজুড়ে তাদের সকলের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। মুহম্মদ নিজাম মূলত একজন ঔপন্যাসিক। অনেকগুলো উপন্যাস লিখেছেন ইতোমধ্যে। আর এটা তার প্রথম গল্পগ্রন্থ। পাকা হাতে লেখা গল্পগুলো ২০১৩ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ঢাকা ও কলকাতার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, সাহিত্য ম্যাগাজিনে পূর্ব প্রকাশিত। চমৎকার লিখনশৈলী ও বিশ্বাসযোগ্য ঢঙে গল্প বলার নিপুণতা বইটিকে ভীষণ উপভোগ্য করেছে। তবে আমার দৃষ্টিতে গল্পগ্রন্থ অনেকটা হাতের পাঁচ আঙুলের মতো। মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় একরকম মনে হলেও প্রতিটি আঙুল একটা অপরটা হতে ভিন্ন। বইয়ে থাকা গল্পগুলোও তাই। ২০টি গল্পের প্রত্যেকটিই অসাধারণ হয়েছে এমন বলা যাবে না। তবে বেশিরভাগই উপভোগ্য লেগেছে। দুর্বল তালিকায় রাখতে হয়েছে মাত্র ৪টি গল্প, তবে তা পাঠকভেদে কম-বেশি হতে পারে। বইয়ে বেশকিছু বানান ভুল চোখে পড়েছে। কিন্তু লেখকের গল্প বলার সম্মোহনী ক্ষমতায় পড়ার সময় তা বাঁধা সৃষ্টি করতে পারেনি। তবে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়েছি ছোট ছোট কয়েকটি অনুচ্ছেদে, যেগুলোর বাক্য বা কয়েকটি লাইনের পুনরাবৃত্তি দৃষ্টিকটু লেগেছে। এটা ইচ্ছাকৃত না-কি সম্পাদনার ভুল, প্রশ্নবিদ্ধ করেছে আমাকে। এছাড়া সমালোচনা করার মতো বড় কিছু নেই। বইয়ের প্রোডাকশন যথেষ্ট সুন্দর। যারা ছোটগল্প পড়তে পছন্দ করেন, তাদের জন্য বইটি দারুণ এক অভিজ্ঞতার হবে বলে বিশ্বাস করি। একবসায় শেষ করার মতো বই হলেও, আমি অনুরোধ করব বিরতি দিয়ে পড়ার জন্য। তাহলে আরও বেশি উপভোগ করতে পারবেন। হ্যাপি রিডিং। . বই: তমসা নদীর তীরে লেখক: মুহম্মদ নিজাম প্রচ্ছদশিল্পী: সাদিতউজজামান প্রকাশনা: বায়ান্ন (’৫২)"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"তমসা নদীর তীরে" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: