১ম প্রকাশ, ২০২৫
সৃজিত মুখার্জীর নাম কী
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সৃজিত মুখার্জীর নাম কী |
| Author | আবদুল্লাহ আল মামুন (কাইকর) |
| Publisher | নবকথন প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 152 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.34 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
191 Ratings and 21 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২১টি
শাহ্ ফখরুল ইসলাম আলোক , Jun 30, 2024
"অসংখ্য বানান ভুলে বইটি পড়তে গিয়ে বারবার খেই হারিয়ে ফেলেছি। অগোছালো একটি কাহিনী। সময়ের সাথে সাথে টাকাও নষ্ট হলো।"
Md Iktiar , Sep 10, 2022
"খুব একটা ভালো লাগেনি। পুরোটা পড়ে মনে হলো গল্পটা টেনে টেনে বড় করা হইছে। একদম কোনও একটা খুনের স্পষ্ট বর্ননা না করেই বইটা শেষ করা হইছে এবং পাঠককে দ্বিতীয় পার্টের জন্য অপেক্ষা করানো হইছে। প্রথম পার্টে কিছু ঘটনার কিছু অন্তত বিস্তারিত আসা উচিৎ ছিলো। কেউ যদি আগে 'সাইকো'১,২,৩, 'রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেননি'১,২ টাইপের সিরিজ উপন্যাস পড়ে থাকেন। তবে এই বই তাদের খুব একটা ভালো লাগবে বলে মনে হয়না ।"
Jarin Tasnim , Mar 24, 2022
"বাংলাদেশের বেস্ট মৌলিক থ্রিলার বইয়ের একটি এটি 💥"
Leeon Haque , Mar 15, 2022
"অনেক ভালো। ভয়ানক থ্রিল।"
Amina Islam Mou , Mar 13, 2022
"বেস্ট একটা থ্রিলার বই।"
Fahmida Ria , Mar 12, 2022
"থ্রিলার 💥💥💥💥"
A S M Sayem , Mar 12, 2022
"মাথা নষ্ট মৌলিক থ্রিলার পড়লাম।"
Noyon Bin S.Alam , Dec 26, 2021
"অনেক ভালো🌸 বেস্ট ডিটেকটিভ টাইপ বইগুলোর মধ্যে একটি 🌸"
Md. Muzahidul Islam , Dec 6, 2021
"খুবই বিরক্তিকর একটা বই। কিনে ঠকেছি।"
আরফিন ছিদ্দিক অন্তর , Nov 28, 2021
"অনেক সুন্দর একটা বই।"
Galiba Yesmin , Jun 20, 2021
""সৃজিত মুখার্জী-র নাম কী?" বইয়ের নামেই একটা কেমন যেনো কিছু মজার আবার কিছু সন্দেহজনক গন্ধ আছে। এই থ্রিলার উপন্যাসে চরিত্র অনেক গুলো তবে উল্লেখ্য যোগ্য চরিত্র গুলো হচ্ছে সূর্য নীল ঘোষ, অমিত ঘোষ, নোলক, ডিটেকটিভ সুকুমার রায়, সুকুমার রায়ের স্ত্রী রাখি রায় এবং এস আই রাকিব। সবচেয়ে অন্যরকম চরিত্র হচ্ছে ডিটেকটিভ সুকুমার রায়, উপন্যাস পড়তে পড়তে আপনারাই তার মাঝে থেকে খুজে পাবেন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকমের অনুভূতি। উপন্যাসের ঘটনা শুরু হয় একজন মেয়রের খুনের মধ্য দিয়ে, খুনিকে ধরার একটা নমুনা বা প্রমাণ বা তথ্য - ছোট একটা কাগজে হাতে লিখা "সৃজিত মুখার্জী-র নাম কী?", তবে খুন হলে খুনি এক সময় ধরা পরবেই কিন্তু সেই খুনিকে খুঁজতেই এক পর এক ঘটনা শুরু হতে থাকে; খুনি - পুলিশ - সাংবাদিক - সাধারণ জনগণ - ডিটেকটিভ - খুন হওয়া মেয়রের পরিবার সবাই মিলে যেনো রহস্য বুনে চলে, এক রহস্য কাটিয়ে উঠতেই আরেক রহস্য সামনে চলে আসে। বইটা পড়তে পড়তে আমার নিজেরই মনে হচ্ছিলো পুলিশ নিজেই খুনি কিন্তু খুনি যে সে যদি নিজেই অন্যের হাতে একই ভাবে খুন হয় এবং একের পর এক খুনিরা নিজেই খুন হতে থাকে তাহলে সত্যি বের করা মুশকিল হয়ে যায় "সৃজিত মুখার্জী-র নাম কী?" সবকিছু মিলিয়ে একজন তরুণ লেখকের থ্রিলার উপন্যাস আমার ভালো লেগেছে। একটা কথা না বললেই হচ্ছে না - একটা উপন্যাস লিখার জন্য প্রচুর পড়ালিখা করতে হয় এবং পরিশ্রম করতে হয়; এই উপন্যাসের লেখক সেই পরিশ্রমটা করেছেন তা আপনারা বইটি পড়ার সময়ই বুঝতে পারবেন। তাই আপনারও "সৃজিত মুখার্জী-র নাম কী?" বই কিনে পড়ুন এবং ডিটেকটিভ সুকুমার রায়ের সাথে সাথে নিজেরাই খুজে বের করুন সৃজিত মুখার্জী-র নাম কী!? শুভ হোক আপনার পাঠ্য কার্যক্রম।"
সজিবুর রহমান সজিব , Jun 19, 2021
"বই: সৃজিত মুখাজী-র নাম কী? লেখক: আবদুল্লাহ আল মামুন (কাইকর) প্রকাশনী: শিখা প্রকাশনী Category: থ্রিলার "সৃজিত মুখাজী-র নাম কি?" - বই এর নামটি পড়েই আপনিও চমকে যাবেন। আমিও পেয়েছিলাম কিন্তু এমন নামকরণের কারণ গল্প পড়ে বুঝতে পেরেছি। থ্রিলার বইটি তৈরী করা হয়েছিল একটি মার্ডার কেস ও কি করে সমাধান হয়তা নিয়ে। খুনের ভেতর রহস্য, খুনের তদন্তে রহস্য, সেই রহস্যের ভেতরে রহস্য! একটা রহস্য সমধান হতে না হতে নতুন আরেকটা রহস্য বের হয়ে আছে। গল্পটি পড়তে পড়তে লুকিয়ে আছে যা আমাকে ও আপনাকে ভাবি তুলবে আালে হচ্ছে কি এখানে!? তবে গল্পের মুল প্লট যতটা আকর্ষণীয় ছিল তা জায়গায় জায়গায় কিছুটা ক্ষয়ে গিয়েছে সম্ভবত লেখকের অনভিজ্ঞতার কারনে। কিছু জায়গায় ছিল যেখানে অনর্থক কিছু অসংলগ্ন বড় করে দেখা হয়ছে, আবার টুইস্টের জায়গায় খুব দ্রুত টান দিয়ে চলে যাওয়া হয়ছে। এগুলোর মধ্যে লেখক সামঞ্জস্যতা রাখতে পারলে সুন্দর প্লটের গল্পটি আরও সুন্দর হতে পারে। আমি আশা করি, লেখক ভবিষ্যতে এই দিকে নজর দিবেন, তবে এমন এক প্লট তৈরী করতে পেরে সত্যি তিনি প্রশংসিত। পরিশেষে, বই এর নাম স্বার্থকতা জানার জন্স সকলকে একবার পড়ে দেখা উচিত ।"
Afsana Mim , Jun 15, 2021
"আফসানা আক্তার মীম বইয়ের নামঃ সৃজিত মুখার্জির নাম কী? পোস্ট নং -১৭ ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖ #Progoty_Book_Club_Review_Competition ❝বৃষ্টির ফোঁটা টপ টপ করে টিনের চালে পড়লে এক ধরণের অনুভূতি পাওয়া যায়। কিন্তু রক্তের ফোঁটা যদি টপটপ করে পড়ে কেমন বিচ্ছিরি লাগবে বলুন তো- 'সৃজিত মুখার্জীর নাম কী' বইটি সংকলনে তাই হচ্ছে❞ পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ ➖➖➖➖➖ বইটির শুরুতেই নির্মমভাবে খুনের বর্ণনা দেওয়া আছে। যেন প্রতিবারই রক্ত বৃষ্টি বর্ষিত হয়। কি নির্মম দৃশ্যগুলো যেন নিজের চোখের সামনে ভেসে উঠছিলো। মাথা যেন ঝিম ধরে গিয়েছিলো।তাও আগ্রহ নিয়ে বইটি পড়া শেষ করলাম।এছাড়াও একজন বাবার নিঃসঙ্গতা, সন্তানের প্রতি ভালোবাসা হাহাকার যেন আমার ভিতরের দরজায় একটু কড়া নাড়লো। বইটার শেষ প্লিপে একজন বাবা মায়াবি কাতর কন্ঠে বলেছে- স্যার! একটা কথা বলি? জ্বি বলেন। আমার ছেলেটারে আর না কাটলে হয়না,স্যার? এমনিতে তো অনেক কাটাকাটি করে মারা হয়েছে।এখন আবার কাটবেন আপনারা!ছেলেটা অনেক রক্ত দেখে ভয় পেতো।আর আপনারা তারে রক্তের মধ্যেই শোয়ায় রাখবেন! “সন্তানের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশবাহী গাড়িতে ওঠানো হচ্ছে আর সেই সন্তানহারা বাবার ভিতর ডুকরে ডুকরে হাহাকার করছে সে সাথে অন্য পুলিশ সদস্যরাও মুখ চেপে চোখের পানি ফেলল। সর্বোপরি- বইটি পড়া শেষে মনে হচ্ছে লেখকের গল্পের যেন শুরু, এতে কিছু একটা ঘাটতি রয়েই গেলো। কাহিনীকথন সংক্ষেপঃ ➖➖➖➖➖➖➖➖ এলাকার মেয়র শারাফ আহমেদ খুন হয়েছে,নিংখোঁজ। সূর্যনীল ঘোষ ও তাঁর প্রেমিকা নোলক একান্ত সময় কাটানোর জন্য কাশবনে যায় ওখানে মেয়রের লাশ খোঁজে পাওয়া যায় খুব বাজে অবস্থায়। ছেলেটি লাশটা দেখে ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। কারণ লাশটির ছিলো ডান হাত কাটা,কপালের মাঝ বরাবর পেরেক দিয়ে একটা কাগজ গাঁথা। তাতে লেখা আছে- “সৃজিত মুখার্জির নাম কী?” এই ঘটনার তদন্ত করতে মাঠে নেমে পড়েন ডিটেকটিভ সুকুমার রায়। যে কিনা এখনও পর্যন্ত কোনো কেসে হারেনি। কিন্তু এবার তিনি বড় রকমের ঝামেলায় পড়ে যান। একটা তদন্ত শেষ না হতেই আবার আরেকটি খুন তাও পূর্বের নৃশংসতার খুনের মতোই। একের পর এক ঝামেলা লেগেই যেন থাকছে সব যেন ধোঁয়াশা যাই হোক অবশেষে খুনিকে খোঁজে বের করেন তিনি।একি! খুনিকে বের করার পর বেরিয়ে এলো আরো নতুন কিছু তথ্য। পরিস্থিতি যেন দিন দিন ঘোলাটেই হচ্ছে। একই রকম ভাবে আবারো আরো দুটি খুন হয়। তাহলে এবারের খুনি কে? কেন এভাবে হত্যা করা হচ্ছে, কেনই বা কাগজে লেখে- “সৃজিত মূখার্জির নাম কী?” এরই বা রহস্যটা কি আর এর সমাধান কি ডিটেকটিভ সুকুমার রায় কি বের করতে পারবেন মূল রহস্য? নাকি এটাই তার জীবনের প্রথম হেরে যাওয়া হবে? বলব যে- প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে হলে অবশ্যই বইটা আপনাকে পড়তে হবে। বইয়ের বর্ণনাঃ ➖➖➖➖➖ ২২ টি অধ্যায় নিয়ে “সৃজিত মুখার্জির নাম কী?” বইটি রচিত হয়েছে - তবে মনে হচ্ছে বইটির শেষ অধ্যায়ের দ্বারাই যেন মেইন গল্প শুরু প্রথম দিকটা যেন নিছক কোন জীবনখেলা। রহস্যজনক থ্রিলারের এই গল্পের বাকি অধ্যায়ের জন্য অপেক্ষা- এছাড়া গল্পের মূল থ্রিলার রহস্য বুঝে উঠা যেন মুশকিল। তবে বইটির নামকরণে বুঝা যাচ্ছে লেখক পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় চলচিত্র নির্মাতা 'সৃজিত মুখার্জির' খুব ভক্ত। তার নির্মিত সবগুলো চলচিত্রই প্রায় থ্রিলার টাইপের। আমার কাছে মনে হচ্ছিলো বইটির শুরুটা দেখে এটা একটা সাইকো থ্রিলার টাইপের কিন্তু বইটির প্লটটা বেশ অগোছালো এটা সাইকো থ্রিলার নয়। লেখক পাঠকদের যা দিতে চেয়েছিলো তা দিতে পারেনি বলে মনে হচ্ছে, এছাড়া তাড়াহুড়ো করে গল্পের বইয়ের শেষে লিখে দিলো চ্যাপ্টার লোডিং----- লেখকের ব্যর্থতা: বইটিতে চরিত্রায়ন খুবই দুর্বল ছিলো।এখানে মূখ্য চরিত্রায়ন হলেন ডিটেকটিভ সুকুমার সাহেব। এতসব খুন খারাপির বেড়াজালে সুকুমারের কথা ফুটিয়ে তুলা লেখকের যেন বিশাল একটা ঘাটতি রয়েই গেলো। আমার কাছে গল্পের চরিত্রায়ন খুবই জরুরি। বইটির অন্যান্য চরিত্রগুলোও তেমন একটা ভাব প্রকাশ করেনি। বইটিতে অপ্রাসঙ্গিকতার ছড়াছড়ি: হিন্দি গান 'ইয়া হাবিবি' ছেড়ে দিয়ে একজন মানুষকে পাঁচ টাকার ব্লেড দিয়ে কোপে কোপে একটা হাত, পা কেটে আলাদা করে ফেলে, সেখানে বইটিতে বলল রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। অথচ ব্লেড দিয়ে কাটলে রক্ত গড়িয়ে পড়ার কথা নয় রক্ত ক্ষতস্থানেই জমাট বাঁধার কথা। আবার কাশবনে এক যুগল একান্তে সময় কাটাতে যায় সেখানে প্রেমিক তার প্রেমিকাকে হাতের ইশারায় বুঝাচ্ছে প্রাকৃতিক পানি বের করার কথা। এটা আমার কাছে সবচেয়ে বিরক্তিকর ও অপ্রাসঙ্গিক মনে হলো। এছাড়া সুকুমার সাহেবের বউ আদেখ্যাতা ও একজন অফিসার রাকিব সাহেব অন্যান্য পুলিশদের তদন্তের ক্ষেত্রে যতটা সাহায্য করার কথা বইটির গল্পে তা করা হয়নি- মনে হলো একজন অফিসারের কাজ লাশ গাড়িতে উঠানো, ময়নাতদন্তে পাঠানো এবং অফিসে এসে হাত গুটিয়ে বসে থাকা। কিন্তু এটা অপ্রাসঙ্গিক ছিলো বইটিতে কারণ এটা কখনোই কোন অফিসারের ক্ষেত্রে বোধগম্য নয়। ভালো লাগা: লেখক বইটির প্লিপে বলেছেন- ছোট ছোট শব্দ জোড়াতালি দিয়ে বিক্রি করে লাখপতি হয়েছি। খুব দ্রুত যেন কোটিতে পা দিতে পারি সেই দুআ করবেন। আমি শব্দ বিক্রি করে খাই মানুষ না। পরবর্তীতে বইটির নতুন চ্যাপ্টার বা সিনেমা তৈরির ক্ষেত্রে লেখকের যা খেয়াল রাখা উচিত: পাঠকের মনোযোগ ধরে রাখার জন্য যেমন ভালো স্টাডি দরকার ঠিক সেরকমই চরিত্র ও গল্পের ধারাবাহিকতা যেন বেশ সহজ ও সাবলীল হয়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে৷ আবার গল্পের শুরু থেকে যেন ভিতরের অংশ হঠাৎ করে অতিমাত্রায় বেড়ে না যায় এটাও খেয়ালে রাখা উচিত। বইটি কেন পড়বেন ও ভালোলাগাঃ ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖ বইটির প্রচ্ছদেই বলে দিচ্ছে এটি একটি সেরা মার্ডার থ্রিলার সে সাথে রহস্যময় তো বটেই। আরেকটি মজার বিষয় হলো- “সৃজিত মুখার্জির নাম কী” বইটির প্রথম কপি নিলামে উঠেছিলো সেখানে ভিত্তিমূল্য ৫০০ টাকা ধরা হয়েছিলে। কিন্তু সবাইকে তাক লাগিয়ে সর্বোচ্চ দাম দিয়ে (৩২ হাজার) টাকা দিয়ে বইয়ের প্রথম কপিটি কিনে নেয় ❝কেয়া আজাদ খান❞ নামের এক মহিলা। সর্বোপরি বইটির এই সর্বোচ্চ মূল্য ৩২ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে অসুস্থ এক অসহায় বোনের চিকিৎসার জন্য। "বইটি পাঠকদের মজা দিবে এবং পড়তেও বেশ ভালো লাগবে বলে আশা করছি।" আর আমি খুবই আশাবাদী, বইটার পরবর্তী চ্যাপ্টার এবং সংস্করণে লেখক গল্পটি নিয়ে আরো বেশ ঝমকালো ও আকর্ষণীয় কাজ করবেন। ইনশাআল্লাহ ❝বই মানুষের মনকে বিশুদ্ধ করে তোলে। বই নিয়ে কথা হোক,বই নিয়ে চলা হোক, বই হোক ভালোবাসার প্রথম স্থান❞... এক নজরেঃ ➖➖➖➖ সৃজিত মুখার্জির নাম কী? লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রকাশনিঃ শিখা প্রকাশনি রেটিংঃ ৪.৮/৫ প্রকাশকালঃ একুশে বইমেলা ২০২১ মূদ্রিত মূল্যঃ ২৯৫৳"
salman ismail , Jun 13, 2021
"নামঃ ফাতেমা ইসমাইল কেয়া বইয়ের নামঃ সৃজিত মুখার্জীর নাম কী? লেখকঃ আবদুল্লাহ আল মামুন ধরণঃ থ্রিলার প্রকাশনীঃ শিখা প্রকাশনী প্রচ্ছদঃ তথাগত তীর্থ পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৫৯টি মুদ্রিত মূল্যঃ ২৯৫ টাকা কাহিনী সংক্ষেপঃ এলাকার মেয়ের শারাফ আহমেদ নিখোঁজ। সেই মেয়রের লাশ খুঁজে পায় কাশবনে একান্ত সময় কাটানোর জন্য যাওয়া এক যুগল। লাশটি দেখে ছেলেটি ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। হওয়ারই কথা, কারন লাশটির ডান হাত কাটা ছিলো। আবার তার মাথার মধ্যে পেরেক দিয়ে একটি কাগজ সেঁটে দেয়া হয়েছে। তাতে লেখা "সৃজিত মুখার্জীর নাম কী?"। ঘটনার তদন্ত করতে মাঠে নেমে পড়েন ডিটেকটিভ সুকুমার রায়। যে কিনা এখনও পর্যন্ত কোনো কেসে হারেনি। কিন্তু এবার তিনি বড় রকমের ঝামেলায় পড়ে যান। একটার তদন্ত শেষ না করতেই আরেকটা খুন। একই রকম নৃশংসভাবে হয় দ্বিতীয় খুনটাও। একের পর এক ধোঁয়াশা তৈরি হতে থাকে। অবশেষে সুকুমার খুনীকে খুঁজে বের করেন। কিন্তু একি! তীরে এসে তরী ডুবে যাওয়ার মতো অবস্থা হয় তার। খুনীকে ধরার পর বেরিয়ে আসে নতুন কিছু তথ্য। সুকুমারের মাথায় যখন কিছুই ঢুকছিলো না, ঠিক তখনই ঘোলাটে পরিস্থিতিকে আরো ঘোলাটে করে দিয়ে একই কায়দায় হয় আরো দুটো খুন। এবারের খুনী কে? কেন এভাবে হত্যা করা হচ্ছে? কাগজে "সৃজিত মুখার্জীর নাম কী?" এটা লেখার উদ্দেশ্যই বা কি? এসব রহস্যের সমাধান কি ডিটেকটিভ সুকুমার বের করতে পারবেন? নাকি এটাই তার জীবনের প্রথম ব্যর্থতা হতে চলেছে? প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে হলে পড়তে হবে পুরো বইটি। পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ বইটির শুরুতে দেয়া নির্মমভাবে খুনের বিবরণ পড়তে গিয়ে নিজের সামনেই বীভৎস দৃশ্যগুলো দেখতে পাচ্ছিলাম বলে মনে হয়েছে। এছাড়াও বইটিতে থাকা একটি মিষ্টি প্রেমের সম্পর্কও উপভোগ করেছি। একজন বাবার একাকীত্ব, সন্তানের প্রতি নিদারুণ ভালোবাসা দারুণ ভাবে নাড়িয়ে দিয়েছিলো ভেতরটা। "আমার ছেলেটারে আর না কাটলে হয় না, স্যার? এমনিতে তো অনেক কাটাকাটি করে মারা হয়েছে। এখন আবার কাটবেন আপনারা!", সন্তানের লাশ পরীক্ষার জন্য লাশবাহী গাড়িতে ওঠানো হলে একজন সন্তানহারা বাবার বলা কথাগুলো মনের মধ্যে হাহাকার তৈরি করেছিলো। তবে বইটি পড়া শেষে মনে হয়েছে অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে লেখকের। পাঠ পর্যালোচনাঃ এই অংশকে আমি একাধিক ভাগে ভাগ করে আলোচনা করবো। প্লটঃ বইটির শুরুটা পড়ে মনে হয়েছিলো এটি হয়তো একটা সাইকো থ্রিলার। কিন্তু ধীরে ধীরে এটি সিরিয়াল কিলিং এর দিকে এগুচ্ছিলো। তবে প্লটটা আমার কাছে অগোছালো লেগেছে। লেখক পাঠকদের যা দিতে চেয়েছেন তা তিনি দিতে পারেননি বলেই মনে হয়েছে। চরিত্রায়নঃ আমার কাছে সবসময়ই চরিত্র চিত্রায়ণটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই বইটির চরিত্রায়ন খুবই দুর্বল ছিলো। গল্পের মূল চরিত্র ছিলো সুকুমার সাহেব। তার চরিত্র চিত্রায়ণে লেখকের ব্যাপক ঘাটতি রয়ে গেছে। চরিত্রের কোনো গভীরতা ছিলো না। তার বলা সংলাপগুলো যেমন অপ্রয়োজনীয় ছিলো, ঠিক তেমনি বিরক্তিকরও ছিলো। তার কথায় কথায় নিম্ন মানের রসিকতা অন্যদের কাছে কেমন লাগবে তা আমি জানি না। তবে আমার কাছে মোটেও ভালো লাগেনি। বরং অনেকাংশে বিরক্তির উদ্রেক ঘটিয়েছে। সুকুমার সাহেবের বারবার "বউটুপি" মাথায় দেওয়া, অপ্রাসঙ্গিক কথাবর্তা বলা- এসব বইয়ের মূল কাহিনীর সাথে খাপ খায়নি। গল্পে সময়ের সাথে সাথে ক্যারেক্টার আর্ক বা চরিত্রের ক্রমপরিবর্তনও চোখে পড়েনি। এছাড়া বইয়ের অন্যান্য চরিত্রগুলোর চিত্রায়ণেও তেমন একটা গভীরতা প্রকাশ পায়নি। ডেভেলপমেন্টঃ ডেভেলপমেন্টের উপর নির্ভর করেই মূলত বলা যায় বইয়ের গল্পটি ভালো হয়েছে নাকি খারাপ হয়েছে। "সৃজিত মুখার্জীর নাম কী?" বইটির সমস্তজুড়েই লেখক চেষ্টা করেছেন একটা ভীতিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করার। কিন্তু আমার মনে হয়েছে লেখক তাতে অপারগ। অনেক ক্ষেত্রেই লেখকের বর্ণনাভঙ্গি বেশ দৃষ্টিকটু এবং অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে। যেমন- শুরুতে দেখা যায় চারিদিকের দেয়ালে রক্ত বৃষ্টির মতো টপটপ শব্দ করে পড়ছে। ভিক্টিমকে রুমের মাঝখানে একটা বেডে আটকে রাখা হয়েছে। তার মাথার ওপর ঝুলছে বোয়াল মাছ। আবার সাউন্ড বক্সে "ইয়া হাবিবি" নামক একটি হিন্দি গান চলছে। গানের তালে তালে খুনী ভিক্টিমের হাত, পা টুকরো টুকরো করে। এখানে রক্ত কোনো ভাবেই টপটপ করে নিচে পড়ার কথা না। রক্তের হেপারিন ভেঙে রক্ত জমাট বাধাঁর কথা। অন্যদিকে গানের তালে তালে হত্যা করা, তাও আবার হিন্দি গান! বিষয়গুলো অনেকটাই অযৌক্তিক ও অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। তারপর আবার দেখা যায়, প্রেমিক আর প্রেমিকা কাশবনে প্রেম করার উদ্দেশ্যে গেলে প্রেমিক হাত দিয়ে ইশারা করে প্রেমিকাকে বুঝিয়ে দেয় তার শরীর থেকে "প্রাকৃতিক পানি" বের করে দেয়ার জন্য। এখানে "প্রাকৃতিক পানি" ব্যাপারটা অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে। এরপর পুরো বই জুড়েই সুকুমার সাহেবের রসিকতা, সুকুমার সাহেব অল্পতেই মানুষকে রাগিয়ে দিতে ভালোবাসেন, বউটুপি মাথায় দিয়ে থাকেন, তিনি সেরা ডিটেকটিভ, তিনি বউয়ের সাথে ঝগড়া না করলে মাথায় তথ্য আসে না - কথাগুলো বলতে গেলে পুরো বইয়ের অধিকাংশ পৃষ্ঠাতেই ছিলো। দেখা যায়, সম্পূর্ণ বইতে অপ্রাসঙ্গিক কথার ব্যাপক ছড়াছড়ি ছিলো। অন্যদিকে, পুলিশ অফিসার রাকিব খুনের ব্যাপারে কোনো তথ্যই বের করতে পারলেন না। সাধারণত থ্রিলার গল্পগুলোতে অফিসাররা ডিটেকটিভদের নানানভাবে সাহায্য করে। কিন্তু এখানে অফিসার রাকিবের কোনো তৎপরতাই চোখে পড়লো না। মনে হলো যেন, খুন হলে লাশ আনা আর থানায় বসে থাকা ছাড়া তার আর কোনো কাজই নেই। এক কথায় বলতে গেলে বইটির ডেভেলপমেন্টে প্রচুর ঘাটতি ছিলো লেখকের। স্টোরি টেলিংঃ ডেভেলপমেন্ট অংশে ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে কিছুটা ইঙ্গিত দিয়েছি। বইটিতে অনেক অপ্রয়োজনীয় বর্ণনা বেশি আশায় স্টোরি টেলিং যথার্থ মনে হয়নি৷ শুরুর দিকে গল্পের যা গতি ছিলো শেষ দিকে হঠাৎই তা বেড়ে যায়। যা গল্পের সাবলীলতা নষ্ট করেছে। সব মিলিয়ে বলবো, স্টোরি টেলিং সাবলীল হয়ে ওঠেনি। স্টার্টিং অ্যান্ড এন্ডিংঃ পাঠককে আঁকড়ে ধরার জন্য একটা ভালো স্টার্টিং থাকা দরকার। যেটা পড়ে পাঠক নড়েচড়ে বসবে এবং গল্পটার প্রতি আগ্রহ পাবে। "সৃজিত মুখার্জীর নাম কী?" বইটির শুরুটাও মোটামুটি সেরকম। একটি চমৎকার এন্ডিং গল্পটা পাঠকের হৃদয়ে বাঁচিয়ে রাখে। আমার মতে, বইটির এন্ডিং ঠিক সেরকম হয়নি। বইটির এন্ডিং এ লেখক কোনো কিছুই সঠিকভাবে বলেননি। দ্বিতীয় খুনটার পেছনে যে মোটিভটা উল্লেখ করেছেন সেটা রীতিমতো অবাস্তব। এখানেও সেই ভীতিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে গিয়ে লেখক অনেকটা রম্য ধাচের করে ফেলেছেন। তবে লেখক অনেকগুলো জট রেখে শেষ করেছেন বইটা৷ কয়েকটা টুইস্টও রাখার চেষ্টা করেছেন। শেষের টুইস্টটা ভাবনার উদ্রেক ঘটায়৷ অনেকগুলো অপশন এনে লেখক বইটা শেষ করেছেন গল্পটা অসমাপ্ত রেখেই। আশা করছি পরের খন্ডে লেখক জটগুলোর বেশ ভালো একটা সমাধান দিবেন। প্রোডাকশনঃ বইটি প্রকাশ করেছে শিখা প্রকাশনী। বাঁধাই, পৃষ্ঠা কোয়ালিটি বেশ ভালো ছিলো। প্রচ্ছদটাও অত্যন্ত আর্কষণীয়। তবে প্রুফটা দেখে আমি হতাশ। অনেক বেশি বানান ভুল ছিলো বইটিতে। শুধুমাত্র ফ্ল্যাপেই "কি/কী" জনিত ভুল ছিলো কয়েকবার। পুরো বইজুড়ে হ্যা/হ্যাঁ, জি,জ্বী ইত্যাদিসহ অনেক বানান ভুল রয়েছে। আর ২০ নং পৃষ্ঠায় "উপংধং" লেখাটার মানে কি ছিলো তা হয়তো প্রুফ রিডাররাই ভালো বলতে পারবেন। তবে নামকরণটা একেবারেই মানানসই হয়েছে বইয়ের মূূল গল্পের আলোকে। পাঠক বইটি পড়লেই বুঝবেন যে, নামকরণ নিয়ে অভিযোগ করার কিছু নেই। ওভার অল অ্যানালাইসিসঃ একটি বই লেখা খুব সহজ না। লেখককে অনেক পরিশ্রম করতে হয়, অনেক কিছু ভাবতে হয়৷ "সৃজিত মুখার্জীর নাম কী?" বইটির লেখক একেবারেই তরুণ। তাই লেখকের প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। লেখক হয়তো তার যথাসাধ্যই চেষ্টা করেছেন ভালোটা দেয়ার। আশা করছি পরবর্তী বইয়ে তিনি তার ত্রুটিগুলো কাটিয়ে উঠতে পারবেন এবং পরবর্তী খন্ডে তার লেখা নিয়ে আর কোনো অভিযোগের সুযোগ দেবেন না। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৬/১০"
Rk Shourav , May 31, 2021
"Best"
Eibnul Musaib , May 17, 2021
"বই: সৃজিত মুখার্জী-র নাম কী? লেখক: আবদুল্লাহ আল মামুন (কাইকর) প্রকাশনী: শিখা প্রকাশনী Category: থ্রিলার "সৃজিত মূখার্জীর নাম কি?" - বই এর নামটি পড়েই হয়ত চমকে যাবেন। আমিও গিয়েছিলাম, কিন্তু এহেন নামকরণের কারণ গল্প পড়ার সাথে সাথে বুঝতে পারবেন। থ্রিলার গল্পটি বেজ করা হয়েছে একটি মার্ডার কেস ও তার সমাধান নিয়ে। খুনের ভেতর রহস্য, খুনের তদন্তে রহস্য, সেই রহস্যের সমাধানে বেরিয়ে পরে আরো সব রহস্য! হাইড্রার মাথা কাটলে যেমন নতুন মাথা গজিয়ে উঠে, এই গল্পেও তেমন এক রহস্যের সমাধান না হতেই আরেক রহস্য মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। গল্পটির পরতে পরতে লুকিয়ে আছে নিত্যনতুন বাঁক যা আপনাকে ভাবিয়ে তুলবে আসলে হচ্ছেটা কি! তবে গল্পের মূল প্লট যতটা আকর্ষণীয় ছিল তা জায়গায় জায়গায় কিছুটা ক্ষয়ে গিয়েছে সম্ভবত লেখকের অনভিজ্ঞতার কারণে। কিছু জায়গা ছিল যেখানে অনর্থক কিছু অসংলগ্ন সংলাপ বড় করা হয়েছে, আবার কিছু টুইস্টের জায়গায় খুব দ্রুত টান দিয়ে চলে যাওয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে লেখক সামঞ্জস্য রাখতে পারলে সুন্দর প্লটের গল্পটি আরো অনেক সুন্দর হতে পারত। আশা করি ভবিষ্যতে লেখক এদিকটায় নজর দিবেন; তবে এরকম একটা প্লট চিন্তা করতে পারার জন্যও তার বাহবা প্রাপ্য। পরিশেষে, বই এর নামটার স্বার্থকতা জানার জন্য হলেও বইটি একবার পড়ে দেখা উচিত সবার।"
Rifat Abrar Jowad , May 7, 2021
"thanks 😍"
Md kamrul Hasan , Apr 4, 2021
"📚 বই নিয়ে আলোচনা সৃজিত মুখার্জি-র নাম কী? চাপটার ১। বিদঘুটে একটি ঘর। তার চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মানুষের শরীরের বিভিন্ন কাটা অংশ। ভালো করে দেখলে মনে হয় ঘরটা কোনো কোরিয়ান মুভির সাইকোর ঘর। যেখানে খুনি তার শিকার নিয়ে গিয়ে ইচ্ছে মতো কাটাকুটি করতে পারে। তেমনই এক ঘরেই বেঁধে রাখা হয়েছে এক লোককে। এবং একটু পরেই নির্মম ভাবে খুন করা হয় তাকে। এলাকায় মিসিং মেয়র শারাফ আহমেদ। সেই মেয়রের লাশ খুঁজে পান সেই এলাকার বাসিন্দা ‘সূর্যনীল ঘোষ’। পুলিশ আসে, আসে ডিটেক্টিভ সুকুমার। আর গল্পের প্রধান চরিত্রের ভুমিকায় থাকেন এই ডিটেক্টিভ। যেমন তার জঘন্য চালচলন তেমন তার কথা বলার ঢং। তাকে কথায় কথায় ডিটেক্টিভ ডাকতে হবে। তিনি নাকি দেশ সেরা গোয়েন্দা। কিন্তু সারা গল্পে দেখিনি কোনো চমক। কিন্তু কেউ জিজ্ঞেস করলেই বলেন, দুইদিনের মধ্যে খুনিকে নিয়ে আসবো। যাইহোক তার ব্যাপারে পরে বলবো। মেয়র খুন হন বিভৎস ভাবে। এক হাত কাটা, মুখে অসংখ্য ব্লেড দিয়ে কাটার দাগ, এবং কপালে একটি পেরেক দিয়ে গাঁথা চিরকুট। তাতে লেখা ‘সৃজিত মুখার্জি’! তো এই মেয়রের খুনি ধরতে ধরতে তিন মাস চলে যায়। বইয়ের চলে যায় ৭০ পেজ। আর এসময় খুন হন সূর্যনীল ঘোষের ছোট ভাই। এবং একই পদ্ধতিতে। পুরা প্রশাসন থাকে চাপে। আর এই খুন, আর খুনি নিয়ে চলতে থাকে রাজনৈতিক মহলে অনেক নোংরা খেলা। পক্ষ বিপক্ষকে করতে থাকে দোষারোপ। এলাকায় সৃস্টি হয় অশান্তির। হঠাৎ একদিন গোয়েন্দা সুকুমারর খুনি নিয়ে এসে হাজির। খুনিও স্বীকার করে নেয় যে সে খুন করে। তবে তিনি শুধু একজনকেই খুন করে। দ্বিতীয় জনকে খুন করেন নাই। তাহলে খুনি কে? আর একই পদ্ধতি অবলম্বন করলো কী করে? কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা এই খুন গুলো কেনো করা হচ্ছে? এখন আসি ঘটনার ঘনঘটায়, সৃজিত মুখার্জির নাম কী? বইয়ের নাম করন দেখে বুঝলাম লেখক পশ্চিম পাড়ার বাংলা মুভি নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির ভক্ত বা তাকে অনুসরণ করেন। ভালো কথা এটা, কিন্তু তিনি যে প্রধান চরিত্র ঠিক করলে তা রীতিমতো অখাদ্য। গোয়েন্দা সাহেব কথায় বউয়ের সাথে রঙ্গো করেন। বউয়ের সাথে ঝগড়া করার পরই তার মাথায় বুদ্ধি খেলে যায়, এমন কি খুনি ধরার পরও তিনি বউয়ের কোলে মাথা রেখে ঘুমান, এসব কী! তিনি সারা বইতে এক কনস্টেবল নিখোঁজ হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। পরে বের করলেন কনস্টেবল ছিলেন শারীরিক ভাবে দূর্বল। এটা নিয়ে নতুন বউয়ের সাথে মনমালিন্য। সেজন্য গোপনে চিকিৎসা করাতে গেছেন। হাহ্ দেশ সেরা গোয়েন্দার কাজ। লেখক বইতে অহেতুক কথা বলে বলে বইয়ের পেজ বাড়িয়েছে। যার কোনো দরকার ছিলো না। আর সারা বইতেই বানান ভুলের খেলা চলেছে। কমবেশি। আছে নাম বিভ্রাট (একবার যাকে বলছে সোকন ঠাকুর, পরের বাক্যেই তাকে আবার ঠোকন ঠাকুর বলা হচ্ছে।) সুকুমার বাবু দেশসেরা ডিটেকটিভ কথাটা অনেকবার বলা। কিন্তু তিনি কোনো কাজেরই না। তাহলে লেখক শুধু নিজেই তার ঢোল পিটিয়ে গেলেন কেনো? লেখকের নিজের অহেতুক মতামত দিয়ে পেজ বাড়ানো। আগে বলেছি অহেতুক কথা, এখন বলছি মতামত বা নৈতিক কথা। যেমন প্রেম কী? পার্কে বসে দুই ছেলে মেয়ে তাদের প্রেমের অভিসারের ভবিষ্যতে নিয়ে কি বলছে সেটা নিয়ে তো বললই সাথে লেখকের ফ্রী নীতি কথা ছিলো। এরকম আরো আছে। ডিটেকটিভের অহেতুক মিথ্যা বলা। আমি বুঝিনা, যে কেস সলভ করতে একজন গোয়েন্দার তিনমাস সময় চলে যাচ্ছে, একবিন্দুও অগ্রসর হতে পারলেন না, তারপরও তিনি অনবরত মিথ্যা বলেই যাচ্ছেন, তবুও তাকে প্রশাসন দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন। কেন? খুনির মোটিভ ছিলো একদম ফালতু(এটা এখনি বলা যাবে না কারন পরের পার্টে তার ব্যাখ্যা থাকতে পারে। তবু লেখকের প্লট নির্বাচন পছন্দ হইনি)। গোয়েন্দা প্রবর ফট করে খুনিকে ধরলেন, ধরে লকাপে ভরলেন, তারপর বউয়ের কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়লেন! এটা কিছু হইলো? খুনি কিভাবে খুন করলেন, খুনির খুন করার রুম নিয়ে কোনো আলোচনা নাই, খুনি কিভাবে শিকারীকে ট্রাপে ফেললেন তার কিছুই তিনি জিজ্ঞেস করলেন না। বাহ! যার সাথে যা দরকার নাই তার সাথে তাই নিয়ে আলোচনা। যেমন দারোয়ানের সাথে থ্রিলার মুভি নিয়ে আলোচনা। আরে ভাই তিনি কিভাবে এই দাঁত ভাঙা আলোচনা করবেন? গল্পের গুরুত্বপূর্ণ একটা চরিত্র হলো একটি এ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার। তিনি একজন ফাঁসি দন্ডপ্রাপ্ত মৃত আসামিকে ট্রান্সফার করছেন। পথে তিনি গাড়ি থামিয়ে সিগারেট খান। তিনি আবার সেই গাড়ি জেল থেকে একা একাই নিয়ে যাচ্ছিলেন। এটা কোনো কথা? কোনো প্রকার সিকিউরিটি ছাড়া এভাবে কী সরকারি গাড়ি চলা ফেরা করা সম্ভব? আমিতো কখনো শুনি এমন। এবার কিছু কথা বলি। প্লটটা নিঃসন্দেহে অসাধারণ। তবে লেখকের অপুটতায় সম্পূর্ণ কাহিনি ফেঁসে গেছে। অনেক টুইস্ট আছে সারা গল্পে কিন্তু আমার মনে হয়েছে লেখক নিজেই সেই জালে জড়িয়ে গেছেন। আর বের হতে না পেরেই তড়িঘড়ি করে বলে দিলেন ‘চাপ্টার ২ লোডিং’। এই প্লটটা নিয়ে লেখক অনেক অনেক কাজ করতে পারতেন। কাহিনি বিল্ডাপ, চরিত্র গঠন, ভাষা ব্যবহার, প্লট টুইস্ট সবকিছুই। আমি পড়ছি সিরিয়াল কিলিং বিষয়ের গল্প, তার মধ্যে যদি প্রেম, পরকিয়া, রাজনীতি আসে তাহলে অবশ্যই সেগুলো যৌক্তিক ভাবে আসতে হবে। ইচ্ছে হলো আর নিয়ে আসলাম তাহলে আর সেই গল্প পড়ে আর মজা নাই। আমি অনুরোধ করবো লেখককে তার এই বইটা নিয়েই কাজ করতে। কারন গল্পটি আমার পছন্দ হয়েছে। এটা একটা সেরা মার্ডার থ্রিলার বই হতে পারে। আমি বারবার আফসোস করছি যে এমন একটা কাহিনি নিয়েও লেখক ‘আব্দুল্লাহ আল মামুন’ সাহেব কিছুই করতে পারলেন না। বিঃদ্রঃ তিনি যদি এটার পরের সিকুয়েল বের করেনই তবে আবারো প্রগতিকে অনুরোধ করবো যে বইটা যেনো আবারো আমাকে উপহার দেন। ধন্যবাদ। ©️ মোঃ কামরুল হাসান 📚 বই হোক আপনার, আপনি বইয়ের 📚"
Md.Niloy Hossen , Mar 12, 2021
"অসম্ভব সুন্দর একটা বই।"
Mohammad Azhar Adnan , Feb 9, 2021
"5-2-21 amar birthday te order done korece🙂"
Nafia Jashed Niha , Feb 5, 2021
"Order done❤"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সৃজিত মুখার্জীর নাম কী" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: