২য় মুদ্রণ, ২০২৩
সপ্তরিপু
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সপ্তরিপু |
| Author | রবিন জামান খান |
| Publisher | অন্যধারা |
| Edition | ২য় মুদ্রণ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 416 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.65 Kg |
| ISBN | 978984958246 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
18 Ratings and 7 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৭টিArko Paul , Aug 29, 2024
"Good plot. Good story telling. Enjoyed every moment of story build up for both time frame. Linkage between time frames was good . But connecting dots at the end could have been narrated better. Felt the writer is in hurry to finish the story. but still it seemed okay. overall, a very good book for thriller lover out there. to me its 4.5 out of 5"
Mohammad Jahedul Islam , Dec 5, 2023
"#আড্ডাখানায়_প্রগতি #রিভিউ_২০২৩ ◎ অতীতের পাতা থেকে — ১৮১৮ সালের দিকে যে কোনো উচ্চাবিলাসী ইংরেজ তরুণদের জন্য ভারতবর্ষ ছিল সত্যিই স্বপ্নের দেশ। ধন-সম্পদ, সম্মান, খ্যাতি, রোমাঞ্চ; ভারতবর্ষ তখন যে কোনো অভিযাত্রীর জন্য স্বর্গরাজ্য। যে কোনো অভিযান প্রিয়, উচ্চাবিলাসী ইংরেজ যুবক তখন ভারতবর্ষ বলতে অজ্ঞান। তবে এদের মধ্যে ব্যতিক্রম ছিলেন হেনরি স্লিম্যান। তার ভেতর অর্থবিত্তের জন্য ভারতবর্ষে ছুটে যাবার আগ্রহ ছিল না বরং বিত্ত-খ্যাতির চাইতে তার ভেতরের অভিযান প্রিয় মন অধিক তাড়িয়ে বেড়ায়। ভারতবর্ষের ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস শিখে ফোর্ট উইলিয়ামে পা রাখেন তিনি। ভারতবর্ষের ফোর্ট উইলিয়াম লাইব্রেরির একটা বই বদলে দেয় তার জীবনের মোড়। ভারতবর্ষের ইতিহাসের খানিক অংশও। ফরাসি লেখক এম. থিভেনটের লেখা ভ্রমণ কাহিনির সেই বইয়ে এমন কী ছিল যা একজন ইংরেজের গোটা জীবনের উদ্দেশ্য পালটে দেয়? সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী মুক্তাগাছা-মধুপুর-বেগুনবাড়ি এলাকার রাজা হওয়ার পর ইংরেজদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে প্রথমবারের মতো ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সৈন্যদেরকে নিজের এলাকায় নিমন্ত্রণ জানান। তার আতিথেয়তা গ্রহণ করে দুইদিন অতিথি হয়ে থাকার পর বিদায় নেয় তারা। সূর্যকান্ত যে পথ দিয়ে তাদেরকে যেতে বলেছিলেন, সেই পথ দিয়ে না যেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ দিয়ে ফিরতে গিয়ে ব্রিটিশ সৈন্যরা হারিয়ে যায়। তাদের হারিয়ে যাবার পেছনের রহস্য কী? ◎ বর্তমানের পাতা থেকে — পাগলার পুকুর ড্রেজিং করে প্রায় শুকিয়ে ফেলা হয়েছে। তলার কাদা দেখা যাচ্ছে। পুকুরের পাড়ে বিরাট একটা ক্রেন-ট্রলি বসানো। ক্রেনের সঙ্গে আটকানো একটা গাড়ি। গাড়িটাকে সম্ভবত পুকুরের তলা থেকে টেনে তোলা হয়েছে ক্রেন দিয়ে। গাড়িটার সামনের উইন্ডশিল্ড ফেটে মাকড়সার জালের মতো হয়ে আছে। কাদা আর শ্যাওলায় ছেয়ে আছে সম্পূর্ণ গাড়ি। গাড়িটা পুকুরপাড়ে নামিয়ে রাখা হলো। গাড়ির সামনের উইন্ডশিল্ড শ্যাওলার প্রায় ঢেকে আছে, কিন্তু এর ফাঁক দিয়ে আবছাভাবে ভেতরে দেখা যাচ্ছে ভেতরটা। দরজা খুলে যেতে ভেতরে পরিষ্কার দেখা গেল একজম মানুষের কঙ্কাল। তাকে খুন করা হয় গলায় ফাঁস দিয়ে। কে বা কারা এই কাজটা করেছে? একটা সিন্দুকে সোনা-রূপার মোহর, অসংখ্য দামি জুয়েলারি, হীরে বসানো হাতির দাঁতের দাবার সেট, সোনার তৈরি ডিনার সেট, কাঁচা সোনার তৈরি নানা ধরনের দেব-দেবীর মূর্তি পাওয়া যায়। সেখানের একটা কালী মূর্তি লন্ডনের মিউজিয়ামে সংরক্ষিত করে রাখা হয়। মুক্তাগাছা জমিদার পরিবারের শেষ বংশধর বিজয় আচার্য এক্সিবিশনের জন্য কালী মূর্তিটা দেশে আনার অনুমতি পান। সেই এক্সিবিশনটা আয়োজন করা হয় জমিদারদের রাজবাড়ি শশীলজ প্রাঙ্গণে। কিন্তু সেটা ডাকাতি হয়ে যায় ময়মনসিংহ মিউজিয়াম থেকে। টুইন কালী নামে সারাবিশ্বে পরিচিত সেই মূর্তিটার ভেতর এমন কী বিশেষত্ব আছে যার জন্য সেটা ডাকাতি হয়ে গেল? আর সেটা বাগিয়ে নিলোই-বা কারা? ◉ পাঠ - পর্যালোচনা :- দুটি সময়কালকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে রবিন জামান খান এর 'সময় উপাখ্যান' সিরিজের প্রথম বই ❛সপ্তরিপু❜; যেখানে অতীত যদি হয় গল্পের প্রাণকেন্দ্র, তাহলে বর্তমান হবে সেই প্রাণকেন্দ্রে যাওয়ার পথ। অতীত হচ্ছে সম্পূর্ণ ইতিহাসের গল্প আর বর্তমান সেই ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করেছে মাত্র। দুটি সময়কালের সমান্তরালভাবে এগিয়ে যাওয়াটা পুরো উপন্যাসের সৌন্দর্যবর্ধন করেছেও বটে। ঐতিহাসিক থ্রিলারের পটভূমি যখন ব্রিটিশ আর ভারতবর্ষকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, তখন এর চাইতে উপাদেয় বস্তু আর কী হতে পারে! একটা ভূখন্ডে একটা জাতির আধিপত্য ফলানোটা ❛সপ্তরিপু❜কে জমিয়ে ক্ষীরে পরিণত করেছে। যদিওবা সেখানে একটা জাতি নয়, একটা দলও নিজেদের কর্তৃত্ব দেখাবে। ইতিহাসের একটা অংশকে কেন্দ্র করে উপাখ্যানের পটভূমি সাজানো হলেও বর্তমানকালটাও দারুণভাবে প্রভাব ফেলেছে; বিশেষ করে, ইতিহাসের সুতো ধরে টান দিয়ে সমাপ্তিতে পৌঁছানো। ❝মাত্রাতিরিক্ত ভক্তি মাত্রাহীন খারাপ। আর এমন আসক্তিকে বলে সপ্তরিপু।❞ ভারতবর্ষের সবচেয়ে কুখ্যাত খুনে ডাকাত দল ঠগী-ই হচ্ছে এ উপন্যাসের মূল উপজীব্য বস্তু। শুধু গলায় ফাঁ*স দিয়ে খু*ন করে ক্ষান্ত হতো না তারা; গলা, পেট কে*টে নাড়িভুঁড়ি সব বের করে নিতো। বী*ভৎস হলেও তা করার পেছনের উদ্দেশ্য কিন্তু ডাকাতি নয়, অন্য একটি উদ্দেশ্যও রয়েছে। আর এই উদ্দেশ্যটাই ❛সপ্তরিপু❜-কে পরিপূর্ণ করেছে। গল্পটা সেকালের যখন জমিদার প্রথা প্রচলিত ছিল। তারা শোষণ যেমন করতেন, ঠিক তেমনি তাদের চেয়ে জাতিতে উঁচু এমন কারো কাছে মাথা নত করতেও দ্বিধাবোধ করতেন না। সেই যুগে নারীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত হওয়াটা ছিল অকল্পনীয়। তখনকার অন্ধকার যুগে শিক্ষার আলোয় দীক্ষিত হয়ে এক নারী নিজের শ্বশুরের অর্পিত করা সিংহাসনে বসে আধিপত্য চালিয়েছিলেন। রহস্যময়ী এক চরিত্র হয়ে উঠেছিলেন তিনি। তার দুজন প্রিয় মানুষের সন্ধানে বের হয়ে গোলকধাঁধায় হারিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে সেখান থেকে ফিরেও এসেছিলেন। এখানে এমন একটা ধর্ম আছে যার অনুসারীরা সেই ধর্মের প্রতি এতটা অনুরক্ত যে, ধর্মের জন্য তারা ন্যায়-অন্যায় ভুলে গিয়ে সব করতে পারে। তারা সমস্ত কিছু করে শুধু বিশ্বাস আর আনুগত্যে থেকে। তাদের আদিম বিশ্বাস যখন বর্তমানে হানা দেয়, তখন এর মাশুল দিতে হয় কাউকে না কাউকে। আর এটাই ❛সপ্তরিপু❜র বর্তমানকে মজবুত করেছে। ময়মনসিংহ শহরের ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরীর রাজবাড়ি তথা শশীলজ জমিদার বাড়িকে কেন্দ্র করে পুরো উপন্যাসের কাহিনি ব্যাপ্ত হয়েছে। এর পাশাপাশি বর্তমানের কাহিনিও ছড়িয়ে পড়েছে ময়মনসিংহ শহরের আনাচে-কানাচে। লেখক এক টুকরো ময়মনসিংহকে বইয়ের পাতায় দৃশ্যায়িত করার চেষ্টা করেছেন এবং সফলও হয়েছেন। যারা কখনো ময়মনসিংহ শহরে যাননি তাদের শশীলজ জমিদার বাড়ি দেখার জন্য হলেও শতভাগ কৌতূহল জাগবে; বিশেষ করে, ❛সপ্তরিপু❜ পড়ার পর। ❛সপ্তরিপু❜ বড়ো পরিসরের বই হলেও মসৃণভাবে এগিয়েছে কাহিনি যা চুম্বকের মতো আটকে রাখতে বাধ্য করেছে শেষ পর্যন্ত। যেহেতু ইতিহাস আশ্রিত থ্রিলার, তাই বইয়ের পাতায় পাতায় টুইস্ট আর টানটান উত্তেজনা আশা করাটা বোকামি। তবে লেখক পুরো উপাখ্যান জুড়ে সাসপেন্স ধরে রাখাতে পারঙ্গম ছিলেন যা ঐতিহাসিক থ্রিলার বইয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেসব বইয়ে ইতিহাসের টুকরোটাকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা জরুরি হয়ে ওঠে। সেটা করতে গিয়ে লেখক সাসপেন্স ধরে রাখতে ব্যর্থ হলে পাঠকের মনোযোগও সহজে বিঘ্নিত হতে সময় লাগে না এবং অনেকাংশে হতাশও হতে হয় তাদের। সেইদিক থেকে ❛সপ্তরিপু❜ সব উতরে গিয়েছে। ধীরগতির কাহিনি হলেও ক্ষণিকের জন্যও বিরক্তির উদ্রেক হওয়ার বিন্দুমাত্র অবকাশ ছিল না। এমনকি যে বিষয়বস্তুর জন্য এতকিছুর আয়োজন সেটাকে দৃশ্যপটে হাজির করাতে বইয়ের অর্ধেকেরও বেশি পাতা ব্যয় করেছিলেন লেখক। এর পেছনের কারণ—বর্ণনাভঙ্গি। এটাই তার লেখার একটা স্বাক্ষর। সেটা হোক ইতিহাসের কোনো অংশ কিংবা বর্তমানের, যাই হোক না কেন, খুঁটিনাটি বর্ণনা করতে ভুলেননি লেখক। পারিপার্শ্বিক আবহ থেকে শুরু করে সবকিছু সুচারুভাবে বর্ণনা করেছেন তিনি। ফলে কাহিনি দাঁড় করানোর পেছনে প্রচুর শব্দ ব্যয় করতে হয়েছে তাকে; যেমনটা এডভেঞ্চার ও ঐতিহাসিক থ্রিলার লেখক উইলবার স্মিথও করেন। যারা উইলবার স্মিথের ভক্ত তাদের জন্য ❛সপ্তরিপু❜ উপাদেয় খাবার। লুফে নিয়ে গিলে ফেলতে বেশি সময় লাগবে না। আর গেলার পর তৃপ্তির ঢেকুর তোলা যাবে নিঃসন্দেহে। যারা ইতিহাসপ্রেমী তাদের জন্য ❛সপ্তরিপু❜ রেকমেন্ডেড। আর যারা ইতিহাসপ্রেমী না, তারাও ❛সপ্তরিপু❜ পড়ে দেখতে পারেন। দেশীয় প্রেক্ষাপটে গড়ে উঠা কাহিনি হতাশ করবে না। অতীত ভিনদেশীয় ফ্লেভার দিলেও বর্তমান দেশীয় ফ্লেভার দেবে। তবে দুটো কালের শেকড় কিন্তু এক স্থানে প্রোথিত এবং সেটা ময়মনসিংহ শহরে। ফলে মানসপটে দৃশ্য ধারণ করতে সহজ হবে। ◉ একনজরে :- ▪️বই : সপ্তরিপু ▪️লেখক : রবিন জামান খান ▪️প্রচ্ছদ : আশরাফ ফুয়াদ ▪️জনরা : ঐতিহাসিক থ্রিলার ▪️প্রথম প্রকাশ : সেপ্টেম্বর, ২০২১ ▪️পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৪১৫ ▪️মুদ্রিত মূল্য : ৬০০ টাকা ▪️প্রকাশনা : অন্যধারা ❝জ্ঞানের আলোয় পৃথিবী ভালো মানুষের হোক।❞"
Aditya , Nov 16, 2023
"সেরা ❤️❤️❤️"
tasdid anwar , Jul 20, 2022
"সো ফার লেখকের মাস্টারপিস।"
iffat ara chaity , Jul 2, 2022
"দুর্দান্ত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।"
fahim khan id149 int48 , Mar 6, 2022
"ek kothai awesome."
Ahamed Sahil , Oct 8, 2021
"বুক রিভিউ বই: সপ্তরিপু লেখক: রবিন জামান খান জনরা: থ্রিলার প্রকাশন: অন্যধারা পৃষ্ঠা: ৪১৪ মুদ্রিত মূল্য : ৬০০ টাকা বইতো পড়ছিলাম না মনে হচ্ছিল দাবা খেলছিলাম।আমি নিজের সমস্ত বুদ্ধি প্রয়োগ করে খেলছি আর প্রতিপক্ষ খেলছে আমার খেলার লাইনআপ বুঝে। তাই যখন মনে হচ্ছে জিতে যাবো, তখনই প্রতিপক্ষ এমন এক চাল দিচ্ছে যা আমাকে বলে দিচ্ছে এখনো খেলা বাকি!!! আসলে দাবা খেলা না, কথা বলছিলাম বর্তমান বাংলাদেশে নামকরা থ্রিলার লেখকদের মাঝে যিনি এক অনন্য স্থান দখল করে আছেন লেখক 'রবিন জামান খান' এর লেখা 'সপ্তরিপু' বইটা নিয়ে। ইতিহাসের সত্যতা বজায় রেখে, আর বর্তমান কে সাথে নিয়ে থ্রিলার জগতে 'সময় উপাখ্যান সিরিজের' প্রথম বই হিসেবে যা এক আলাদা যায়গা দখল করে আছে। প্লট: এক ডিমোশন প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার 'আহমদ বাশার'। ক্যারিয়ার প্রায় শেষের পথে এমন সময় এক অদ্ভুত কেস রীতিমতো তার উপর চাপিয়ে দেয়া হয়। ময়মনসিংহ শহরের এক পরিত্যক্ত পুকুরের নিচ থেকে একটা গাড়ি উদ্ধার করা হয়। যার মাঝে একজন মানুষের লাশ। অদ্ভুত কেসের সমাধানে বাশার যখন পাগলপ্রায় তখন তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়ায় 'জয়া সরকার' নামের এক সাংবাদিক। ঘটনাচক্রে এখানে জড়িয়ে পড়ে আর্কিওলজিস্ট 'রিফাত মজুমদার'। তদন্ত করার এক পর্যায় তারা জানতে পারে এই কেস এভাবে সমাধান হবে না। এর সমাধানের জন্য তাদের উল্টাতে হবে ইতিহাসের পাতা। ইতিহাসের এমন এক কালো অধ্যায় যখন ভারতবর্ষের বুকে বিচরণ করে বেড়াত ভয়ংকর খুনি ডাকাতদের দল। ইতিহাসে যারা 'ঠগী' নামে পরিচিত। আসলে কারা এই ঠগী? তাদের কাজ কি? বাশারের কেসের সাথে ঠগীদের কি সম্পর্ক? শেষ পর্যন্ত কি বাশারের কেসের সমাধান হবে নাকি সেটাও ঠগীদের ইতিহাসের মতো অন্ধকার হয়ে থাকবে? এগুলোর উত্তর পাবেন বইটিতে। পাঠক অনূভুতি : বইটার ব্যাপারে যতোটা বলবো ততটা কম বলা হবে। সময় উপাখ্যান এর ব্যাপারে আমি আগে কোনো থ্রিলার পড়িনি। দুটো সময়ের দুটো গল্প একসাথে সমান্তরাল ভাবে চলছে। কোনোটায় কোনো ঘাটতি নেই। দুটিতেই সমান পরিমান উত্তেজনা। এবং শেষদিকে যখন দুটি ভিন্ন সময়ের গল্প একসাথে মিলে একাকার হয়ে গেল, তখন তা এক অদ্ভুত শিহরণ সৃষ্টি করেছে। প্রথম পর্ব ছন্দপতনে লেখক খুব মজবুত ভাবে ক্যারেক্টার বিল্ডআপ করেছেন। আর দ্বিতীয় পর্ব মৃত্যুহরণে লেখক গল্পে একের পর এক খালি টুইস্ট দিয়ে গিয়েছেন। কোনো প্রশ্নের উত্তর বাকি থাকেনি শেষ পর্যন্ত। সব ক্লিয়ার করে দিয়েছেন। এক কথায় মনের মতো থ্রিলার। আর ইতিহাসের সাথে মিল থাকায় আপনি বাস্তবতায় বিচরণ করতে পারবেন। অনেক সময় আমার কাছে পুরোটাই বাস্তব মনে হয়েছে। লেখক সমালোচনা : 'রবিন জামান খান' কে আমি চিনেছি তার 'ফর্টি এইট আওয়ার্স' বইটা দিয়ে। আমি লেখকের তখন থেকেই বেশ ভক্ত। তিনি যা লিখেছেন বলতে গেলে অসাধারণ। আমি সমালোচনার তেমন কিছুই পাইনি। বরং গল্পে বেশ একটা মুন্সিয়ানা ভাব রেখেছেন। একেকটা চরিত্র এমন ভাবে গঠন করেছেন যে মন ছুঁয়ে গেছে। কি নেই বইটিতে? ইতিহাস, মিথ, প্রত্নতাত্ত্বিকতা থেকে শুরু করে সবকিছু। এক কথায় ব্যাপক। এবং লেখক বেশ পরিশ্রম করেছেন বইটার পিছনে এটা বোঝা যায়। আশা করছি লেখকের 'সময় উপাখ্যান, সিরিজের সামনের প্রত্যেকটা বই পূর্বের টাকে ছাপিয়ে যাবে। শেষকথা : অসাধারণ এক রোমাঞ্চকর যাত্রা শেষ করলাম বলা যায়। বইটির শুরুতে লেখক স্বাগতম জানিয়েছেন ঠগীদের অন্ধকার ভুবনে। বইটি পড়ার সময় আপনার সত্যিই মনে হবে যেন আপনি বিচরণ করছেন ঠগীদের ভুবনে। বইটি পড়তে পারেন। আশা করি বেশ উপভোগ করবেন। থ্রিলার জগতে এক নতুন দরজা আপনার সামনে খুলে যাবে। ইতিহাস আর বর্তমানের মিশেলে একাকার হয়ে যাবেন। পারসোনাল রেটিং: ৯/১০"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
2 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
এই সিরিজ এ কয়টা বই আছে এবং সিরিয়ান অনুযায়ী বলেন
এই বইটি কি খন্ডে খন্ডে লেখা? মানে "সপ্তরিপু" বইয়ের বিষয়বস্তু কি ৪১৬ পৃষ্ঠার মধ্যেই সমাপ্ত হয়েছে?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সপ্তরিপু" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: