হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
সফরনামা - সিদ্দিক আহমেদ (লেখক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা) এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

১ম প্রকাশ, ২০২৫

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

সফরনামা

2 Ratings | 2 Reviews
TK. 399 TK. 500 -20% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

১৯৭১। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের কালো ছায়ায় দুই সম্পর্কহীন পথিক এক বিপন্ন যাত্রায় এগিয়ে চলে। একজন মাঝবয়সি, যার অভিজ্ঞ কাঁধে ইতিহাসের ভার, আর এক কিশোর, যে ভবিষ্যতের প্রতি...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

১৯৭১। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের কালো ছায়ায় দুই সম্পর্কহীন পথিক এক বিপন্ন যাত্রায় এগিয়ে চলে। একজন মাঝবয়সি, যার অভিজ্ঞ কাঁধে ইতিহাসের ভার, আর এক কিশোর, যে ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি। দখলদার বাহিনীর
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title সফরনামা
Author সিদ্দিক আহমেদ (লেখক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা)
Publisher ঋদ্ধ প্রকাশ
Edition ১ম প্রকাশ, ২০২৫
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 320
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.44 Kg
ISBN 9789843574022
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

5.00

2 Ratings and 2 Reviews

★★★★★
2
★★★★☆
0
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

২টি
Baran Al Hoque

Baran Al Hoque , Jun 15, 2026

★ ★ ★ ★ ★

"বই: সফরনামা লেখক: সিদ্দিক আহমেদ জনরা: মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস প্রচ্ছদ: ফরিদুর রহমান রাজীব প্রকাশনী: ঋদ্ধ প্রকাশ পৃষ্ঠা: ৩২০ মেরে কেটে যার বয়স বারো, সেই লাবু নদীর ধারে লাশের স্তুপে খুঁজে যাচ্ছে নিজের আপনজনকে। ভরা পুর্ণিমার রাতে নদীর পানিতে রূপালী আলো চিকচিক করলেও নদীর ধার তেমন আলোকিত হয়নি। ঘন কুয়াশার চাদরে সবটা ডাকা পরেছে। তাও লাবু একটার পর একটা ভারী লাশ উল্টাচ্ছে আর খুঁজে যাচ্ছে কাঙ্খিত সেই মুখটা। অন্ধকারে দেখতে না পারায় হাত দিয়ে মুখগুলো ধরে ধরে বোঝার চেষ্টা করছে। একটা সময় পেয়েও যায় প্রিয় মানুষটাকে, ডিসেম্বরের হিম ধরা শীতে হুহু করে কেঁদে উঠে লাবু। বাউল বাবার বুকে আছরে পরে ছেলেটা। কিন্তু এরই মাঝে রাজাকারের দল টহল দিতে থাকা অবস্থায় দেখে ফেলে লাবুকে। মনে করে লাশের মালামাল লুট করতে এসেছে, তাই ধরে নিয়ে যায় সাথে। এমনিতেই তারা ভয়ে আছে এলাকায় চাউর হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম প্রবেশ করেছে, যে কিনা কমান্ডার ইলিয়াসের ডান হাত। ইলিয়াস ছাড় দিলেও মোসলেম কোন ছাড় দেন না। গোলাম রসুল ওরফে গ্যাদা রাজাকারকে মান্য করে এলাকার সকল রাজাকারেরা। হিন্দু মেরে, মুক্তিযোদ্ধাদের ধরিয়ে দিয়ে, তাদের মেয়ে বউদের ক্যাম্পে তুলে দিয়ে এলাকায় যেমন ত্রাস সৃষ্টি করেছে তেমনি তাদের বাড়িঘর ও দখল করেছে। তার বাড়িতেই নিয়ে যাওয়া হয় লাবুকে। ফেলা হয় টর্চাররুমে। সেই রুমে অন্ধকারের মেঝেতে দেখতে পায় উল্টানো নখ, দাঁত, চুল, রক্ত। দুরুদুরু বুকে ঘরের কোনায় বসলে দেখতে পায় উপর থেকে ঝুলে আছে একটা লাশ। ভয়ে সিটিয়ে যায় ছেলেটা, কারণ লাশটা কথা বলে। কিন্তু একটা সময় বুঝতে পারে মানুষটা বেঁচে আছে। কিছুক্ষণের মাঝেই ঘরে ঢুকে গ্যাদা রাজাকার এবং উপর থেকে মানুষটাকে নামানোর হুকুম দেয়। জানা যায় সে একজন চোর। খাবারের খোঁজে এই বাড়িতে ঢুকেছিলো। ভাগ্যের ফেরে ধরা পরে যায়। নাম তার রইছ। বিভিন্ন প্রশ্নের পরে যখন নিশ্চিত হয় যে সে আসলেও চোর তখন গ্যাদা রাজাকার তাকে পাঠায় ক্যাম্পে, গরু চুরি করে আনতে। একটা গরুর জন্য তার মেয়ে নুড়ির বিয়ে আটকে আছে। আর এলাকার সকল গরু দখল করে রেখেছে ক্যাম্পের মেজর গুল মোহাম্মদ জিলানী। গরুর মাংস ছাড়া যার মুখে খাওয়া রোচে না। এদিকে রইছ যেন পালিয়ে না যায় সেজন্য রইছে একমাত্র সম্বল তার মায়ের আংটিটা গ্যাদা রাজাকার দখল করে রাখে। কিন্তু রইছ বোকা হলেও এতোও বোকা না। গ্যাদা রাজাকার কে একটা চিঠি লিখে দিতে বলে যেন রাস্তায় তাকে কেউ বিরক্ত না করে। লাবুকে মেরে ফেলার হুকুম দিলে রইছ পথ দেখানোর কথা বলে তাকে সাথে নিয়ে নেয়। গ্যাদা রাজাকার হাসে, জানে ছেলেটার জান বাঁচাতে চাইছে। অবশ্য সমস্যা নেই, রাজাকারের প্ল্যান তো অন্য। রাজাকারের এই কাজের মাধ্যমেই শুরু হয় রইছ আর লাবুর সফর। সেই সাথে এগিয়ে যেতে থাকে গল্প 'সফরনামা'। ১৯৭১ এর রক্তক্ষয়ী যে মুক্তিযুদ্ধ তার একটা অংশ লেখক তুলে ধরেছেন এই উপন্যাসে। রইছ এবং লাবুর চোখে আপনি দেখবেন তখন একটা জেলায় ঠিক কি কি করে পাকিস্তানি আর্মি, আলবদর, রাজাকারে রা। নিজের হিন্দু প্রতিবেশীকে বাঁচাতে কতোটা ঝুকি নেয় একজন মাঝি। দিন শেষে যার জীবন দিতে হয় শুধুই তাদের বাঁচানোর জন্য। রইছ ও লাবু ক্ষুধার জ্বালায় হাটতে হাটতে একটা সময় ঢুকে পরে বিহারী এলাকায়। যেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে নিশ্চিত মৃত্যু। কিন্তু শুধুমাত্র একজনের মানবিকতায় বেঁচে যায় তাদের জীবন। একটা পুরা গ্রামের সব ছেলেদের মেরে ফেলা হয় শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য। মেয়েরা প্রাণের ভয়ে, ইজ্জতের ভয়ে আশ্রয় নেয় জঙ্গলে। ক্ষুধার কষ্ট কতোটা নির্মম যে মানুষকে চোর বানিয়ে ফেলে। একটা গরুর জন্য রইছ কতোটা পাগল হয় যে এক বুড়ির একমাত্র সম্বল একটা গরু, যা সে চুরি করতে চায়। কিন্তু বুড়ির মুখে যখন শুনে তার নিজের জীবনের নির্মম পরিহাস তখন আর মন মানে না। ভিরিয়ে দেয় বর্ডার পার হতে যাওয়া দলের সাথে। যখন তারা বুড়িকে দিয়ে আবার ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় তখনই দেখে কিভাবে এই মানুষগুলো কে পাকিস্তানি আর্মিরা মারছে। দৃশ্যটা এতোটাই নৃশংস যে সেদিকে তাকিয়ে থাকাও মুশকিল। রইছ এবং লাবুকে ক্যাম্পে চুরি করতে যেতে যেতে নিজেদের বার বার ভাঙ্গতে হয়, বিপদকে মোকাবেলা করতে হয় একই সাথে বেঁচে থাকার জন্য মনকে প্রস্তুত করতে হয়। লেখক ইমোশনগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটিতে তুলেছেন। বয়সের বিবেচনায় লাবুর লাশ দেখে আতংকিত হওয়া, ভেঙ্গে পরা, মনে মনে প্রতিশোধপরায়ণ হওয়া যেমন ছিলো তেমনি রইছ তার বয়সের পরিপক্কতায় সবকিছু সামলে নেয়া, লাবুকে আঁকড়ে ধরা ও ছিলো। এই সফরে রইছ এবং লাবুর মাঝে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে উঠে। রইছের চুরি করা, দরকার পরলে রাজাকারের দলে যোগ দিতে চাওয়া আবার মানুষের জন্য করা। লাবু রইছের প্রত্যেকটা কাজের শুরুতে যেমন বিরক্ত হয় তেমনি শেষে মনে হয় লোকটা এতোটাও খারাপ না। তবে বার বার সে রইছকে মনে করিয়ে দেয়, মোসলেমের দলকে পেলে সে যুদ্ধে যাবে। রইছের সাথে চুরিতে অংশ নিবে না। কিন্তু যখন আসলেও মোসলেমের দল সামনে পরে তখন সেই লাবুই রইছকে পালাতে সাহায্য করে। এই একটা যুদ্ধ যে তখনকার মানুষকে ভিতর থেকে কতোটা বদলে দিয়েছে তা উল্লেখ্য করার মতোই। মানুষ যেমন হিংস্র হয়েছে তেমনি মানবিক ও হয়েছে। সেই সাথে এটাও উঠে এসেছে যে সবাইকে দিয়ে সব হয় না। আর এখানে বয়সের কোন হিসাব নাই। লেখক সিদ্দিক আহমেদ কিছু লাইন/উক্তি লিখেছেন যা এই ২০২৬ এসেও প্রবলভাবে সত্য। উপন্যাসে কিছু টুইষ্ট আছে যা হয়তো অনেকেই শুরু থেকে ধরতে পারবে তবে সবটা না। যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ যেমন ছিলো একই সাথে রইছের মাধ্যমে লেখক কিছুটা হিউমার দিয়েছেন যা একটু হলেও আপনার মুখে হাসি ফোঁটাবে। গল্পের শেষ দৃশ্যে যখন মুক্তিযোদ্ধা আর পাকিস্তানিদের মাঝে যুদ্ধ চলে সেই অংশটা যেন আপনি চোখে দেখতে পাবেন, এতোটাই সুন্দর করে লেখা হয়েছে। একটা কথা না বললেই না, উপন্যাসে যতোবার 'জয় বাংলা' স্লোগানটা আপনি পড়বেন ততোবার আপনার মনে হবে আপনি এখনই যুদ্ধে যাবেন। গায়ে কাটা দিবে। উত্তেজিত করবে, ইমোশনাল করবে। উপন্যাসটা উৎসর্গ করা হয়েছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদদের কে। যাদের জন্য আমাদের বাংলাদেশ। উপন্যাসের প্রচ্ছদ করেছেন ফরিদুর রহমান রাজীব। প্রচ্ছদটা গল্পের মতোই সুন্দর। শীতের কুয়াশার বর্ণনা যেমন গল্পে দেয়া হয়েছে, প্রচ্ছদেও সেটা সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই দুইজন ব্যাক্তিই রইছ এবং লাবু। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছে ঋদ্ধ প্রকাশ থেকে। পৃষ্ঠা কোয়ালিটি ভালো তবে আরেকটু ভালো হতে পারতো। বাইন্ডিং কোয়ালিটি সুন্দর তবে তাদের হালকা বানান ভুল আছে, সাথে কয়েক জায়গায় চরিত্রের নাম একটু ভুল লেখা হয়েছে। আশা করি পরের মুদ্রণে ঠিক হয়ে যাবে। পরিশেষে বলবো, যাদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা করে বা তখনকার সময়ে আমাদের দেশের মানুষ কি কি অন্যায় অত্যাচারের মাঝ দিয়ে গেছে তার সুন্দর একটা ছবি আপনারা 'সফরনামা'য় দেখতে পাবেন। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সাধারণ মানুষ কিভাবে নিজেদের বাঁচাতে প্রাণের ভয়ে পালিয়েছে আবার মুক্তিযোদ্ধারা অল্প অস্ত্র এবং অল্প ট্রেনিং এ কিভাবে পাকিস্তানি আর্মিদের মোকাবেলা করেছেন তাও জানতে পারবেন। কতোটা বুদ্ধি খাটিয়ে আর কতোটা দু:সাহসিকতা তারা দেখিয়েছেন যার জন্য আজকে আমাদের দেশ 'বাংলাদেশ'। হ্যাপি রিডিং।"

Duddho Mrittunjoy

Duddho Mrittunjoy , Mar 16, 2025

★ ★ ★ ★ ★

"রইস চোরাই হলো আসল মোসলেম । ক্যাম্পের কাছে যে মোসলেম ছিল ও ভুয়া । আর আংটিটা হলো গেদা রাজাকারের মেয়ের জন্য কমান্ডার ইসমাইল কর্তৃক দেয়া। ধইনা কইতর আসলে - ইঁদুর ধন্যবাদ । ভালো বই ।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"সফরনামা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
সফরনামা পাতা: 1 / 12
পাতা 2
সফরনামা পাতা: 2 / 12
পাতা 3
সফরনামা পাতা: 3 / 12
পাতা 4
সফরনামা পাতা: 4 / 12
পাতা 5
সফরনামা পাতা: 5 / 12
পাতা 6
সফরনামা পাতা: 6 / 12
পাতা 7
সফরনামা পাতা: 7 / 12
পাতা 8
সফরনামা পাতা: 8 / 12
পাতা 9
সফরনামা পাতা: 9 / 12
পাতা 10
সফরনামা পাতা: 10 / 12
পাতা 11
সফরনামা পাতা: 11 / 12
পাতা 12
সফরনামা পাতা: 12 / 12
পাতা / 12
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।