সর্বশেষ সংস্করণ, ২০২০
শেষ চিঠি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | শেষ চিঠি |
| Author | মাহিন মাহমুদ |
| Publisher | মাকতাবাতুল হাসান |
| Edition | সর্বশেষ সংস্করণ, ২০২০ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 160 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.18 Kg |
| ISBN | 9789848012192 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
56 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
Jahid Hasan Mahmudi , Sep 17, 2026
"আলহামদুলিল্লাহ"
iftekhar , Sep 13, 2026
"গুড কোয়ালিটি"
Shahed ahmed , Aug 17, 2026
"কি যে বলবো মাহিন মাহমুদ এর বই মানে এক কথায় অসাধারণ লাগছে"
Adiba islam , Aug 7, 2026
"🥰🥰🥰"
Honufa Akhter , Jul 20, 2026
"মাশা আল্লাহ , অনেক সুন্দর একটি বই ।"
Tanzil Rahman , Jul 19, 2026
"অনেক ভলো একটা বই।পরে ভালো লাগলো"
Tania Rahman , Jul 16, 2026
"onek sundor💯"
Sajid Hasan , Jul 9, 2026
"'শেষ চিঠি' রিভিউ ও পাঠপ্রতিক্রিয়া ইসলামী পাঠক-পাঠিকাদের মাঝে সমকালীন লেখক হিসেবে মাহিন মাহমুদ বেশ জনপ্রিয় নাম। সম্প্রতি তার ‘শেষ চিঠি’ বইটি পড়লাম। এটি আমার পড়া লেখকের প্রথম বই। বইটির রিভিউ ও পাঠ-প্রতিক্রিয়া দেয়া যাক তাহলে। তবে তার আগে সারাংশ বলে নিই, পাঠ-সংক্ষেপঃ বইয়ের প্রধান চরিত্র নওশিন ও আহসান। ধনী বাবার আদরের সন্তান নওশিন। দ্বীনদার পরিবারের হলেও দ্বীন মানতে চায় না সে। লুকিয়ে লুকিয়ে সোহেল নামে এক আলট্রা মডার্ন ছেলের সাথে তার রিলেশন। যদিও তার কিছু ভালো গুণও আছে। কাছে আসার গল্পের প্রোডাক্ট ডাস্টবিনের এক শিশুকে সে নিজ দায়িত্বে বড় করে। অন্যদিকে আহসান একজন টিচার, বিজনেসম্যান ও লেখক। আহসান বিনয়ী, জ্ঞানী ও পরোপকারী। দ্বীনি কাজে সময় দেন। অসহায় মানুষকে সাহায্য করেন দু হাত খুলে। নওশিন সোহেলকে খুব পছন্দ করলেও সোহেল আসলে একজন প্লে-বয় ক্যারেক্টারের ছেলে। এ ব্যাপারটা নওশিন জেনে যায়। সেসময় নওশিনের জন্য আহসানের সাথে বিয়ের প্রস্তাব আসে। আহসান নওশিনের রিলেশনের ব্যাপারটা জেনে যায়। তবুও সে বিয়েতে মত দেয়। নওশিন অনেকটা বাধ্য হয়েই আহসানকে বিয়ে করে। তারপর আহসানকে জানিয়ে দেয় সে আহসানকে স্বামী হিসেবে মেনে নিতে পারবে না। আহসান জানায়, সে ভালোবাসা দিয়ে নওশিনকে জয় করে নেবে। ধীরে ধীরে নিজের মিশনে আহসান সফলতার দিকে যেতে আরম্ভ করে। তবে হঠাৎ একদিন ঝগড়া করে নওশিন স্বামীর বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। তারপর আহসানের মোবাইলে নওশিনের নম্বর থেকে মেসেজ আসে, সে সোহেলের সাথে চলে যাচ্ছে। দুই পরিবারই এই খবরে ভেঙে পড়ে। সবাই আহসানকে আবার বিয়ে করতে বলে। আহসান বাধ্য হয়ে দুই পরিবারের সম্মতিতে তারই গুণমুগ্ধ এক পাঠিকাকে বিয়ে করতে রাজি হয়। তারপর পাঠককে চমকে দিয়ে ঘটে যায় অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটনা। শেষের সে চমকটুকু না হয় লুকানোই থাকুক। রিভিউঃ ইতিবাচক দিকঃ শেষ চিঠি বইটির বেশ কিছু দিক প্রশংসাযোগ্য। যেমনঃ শেষ চিঠি বইটি বেশ সহজপাঠ্য। লেখক বইটিকে নবীনতম পাঠকদের উপযোগী করে লিখেছেন। তারা পড়তে গিয়ে কোথাও আটকাবে না। বইটিতে লেখক ইসলাম মেনে চলার উপকারিতাগুলো সহজ ও স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন। এছাড়াও শাপলা চত্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাও বইটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফিকশন ঘরানায় এমন ব্যতিক্রমী কাজ প্রশংসার দাবি রাখে। অনেকেই ফিকশন থেকে জীবনের মূল্যবোধ খুঁজে পান। কিন্তু বাংলা ভাষার ম্যাক্সিমাম লেখকদের ফিকশনে বা খাঁটি বাংলায় বললে ‘সেকুলার’ ফিকশন বইগুলোতে ইসলামের কোন চিহ্নও থাকে না। উল্টো ৯০% বইয়ে ইসলাম-বিরোধী ও ইসলাম-বিদ্বেষী উপাদানে ও উৎসাহে ভরপুর। অপ-সংস্কৃতির এ সয়লাবে মুসলিম পাঠকদের জন্য এ ধরণের বইগুলো বেশ কাজের। পরিবারের গুরুত্ব বেশ সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। নওশিন বারবার পরিবারের অবাধ্য হয়। আর এই অবাধ্যতা তার জীবনে যে পরিণতি নিয়ে আসে তা নবীন পাঠকদের জন্য শিক্ষণীয় হতে পারে। এদিক গুলো বিবেচনা করে নবীন ইসলামী পাঠকদের উদ্দেশ্যে বলা যায় শেষ চিঠির মতো কাজগুলো আপনারা পড়ে দেখতে পারেন। নেতিবাচক দিকঃ এবারে বইটির কিছু নেতিবাচক দিকের কথা বলি। আশা করছি লেখক ও বইটি যারা পছন্দ করেন তারা মনঃক্ষুণ্ণ হবেন না। শেষ চিঠির সবচে বড় দুর্বলতা হল হুমায়ূনীয় ঢং। বইটিতে হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যের একটা সুস্পষ্ট ছাপ পাওয়া যায়। যারা হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে অভ্যস্ত, তারা নিশ্চিত বইটির অনেকগুলো পৃষ্ঠায় বারবার হোঁচট খাবেন। বাংলাদেশের সমসাময়িক লেখকদের মাঝে হুমায়ূনের কমবেশি প্রভাব থাকাটা বলা চলে প্রায় অবশ্যম্ভাবী। তবে এ ধরণের ছাপ থাকাটা নিশ্চিত ভাবেই বইয়ের সাহিত্যমান কমিয়ে দেয়। সেই সাথে বিদগ্ধ পাঠকের কাছেও ব্যাপারটা কাম্য নয়। দ্বিতীয় যে সমস্যাটা চোখে পড়েছে, সেটা হল কাকতালীয় ঘটনা। বইতে বেশ কয়েকটি কাকতালীয় ঘটনা উল্লেখ রয়েছে। সমস্যা হল, পড়ার সময় সেগুলো কেন যেন বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। ফলে বইটি পড়ার আগ্রহ কমে গেছে। তৃতীয় যে বিষয়টা চোখে লেগেছে সেটি হল লেখক হিসেবে গুণকীর্তন। দেখা যাচ্ছে সবাই আহসানের লেখক পরিচয়কে খুব মূল্যায়ন করছেন। বাস্তবতা হল, রিয়েল লাইফে মানুষ লেখকদের এভাবে মূল্যায়ন করে না। চতুর্থ যে ব্যাপারটা উল্লেখযোগ্য, সেটি হল বইয়ের নাম। শেষ চিঠির প্লটের সাথে এর সংযোগ সামান্যই। তাই এই নামকরণ ব্যাপারটা আসলে সফল কিনা সে ব্যাপারে আমি সন্দিহান। পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ শেষ চিঠি বইটি আমি কয়েক ঘণ্টায়ই শেষ করি। পড়তে গিয়ে কোথাও আটকে যাইনি। এটি লেখকের দ্বিতীয় বই। তাই আনকোরা ভাবটা লেখক তখনো মুছতে পারেননি। তবে সত্যি বললে লেখকের প্রচেষ্টা আর নিষ্ঠা আমাকে মুগ্ধ করেছে। এ ধরণের বই আসলে বাংলা ভাষায় খুব বেশি নেই। আমরা যারা ইসলামের রঙে জীবন রাঙ্গাতে চাই, দ্বীনের ঢঙে আমাদের জীবন গড়ে তুলতে চাই তাদের কথা তাদের চাওয়া-পাওয়া ফিকশনে উঠে আসে কমই। এই যে গ্যাপ পূরণের চেষ্টা, একে সম্মান না দিয়ে আমি পারিনি। বইয়ের সাহিত্যমান আর দুর্বল প্লট সেই প্রচেষ্টার চেয়ে সেটিই আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেউ কেউ হয়তো বলতে পারেন বইতে অনৈসলামী কর্মকাণ্ডে ইসলামী রং দেওয়া হয়েছে। অ্যাভারেজ বই, পড়তে ভালো লাগে না, এসব পড়া সময় নষ্ট—ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনাদের মতকে আমি সম্মান করি। কিন্তু আমার দৃষ্টিভঙ্গি আপনাদের চেয়ে ভিন্ন। আমি বলতে চাই, আপনাদের চাহিদাই শেষ কথা নয়। আপনি হয়তো খুব ভালো পড়ুয়া। দুর্বল ঈমানের সাধারণ মুসলিমদের জন্য লেখা বই আপনার ভালো লাগে না। কিন্তু তাই বলে তো তাদের জন্য বই লেখা অপরাধ হতে পারে না। এ ধরণের বই তো দরকার। কত সহজ বই পড়ে কত মানুষ হেদায়াত পায়। আরিফ আজাদের বই তো তার বড় উদাহরণ। সব মিলিয়ে যারা বই পড়ার অভ্যাস গড়তে চান, দ্বীনে ফিরতে আগ্রহী তারা বইটি পড়তে পারেন। অভিজ্ঞ পাঠকদের বইটি রেকমেন্ড করবো না। লেখক মাহিন মাহমুদ ভাইয়ের জন্য রইলো শুভকামনা। তার অন্যান্য বইগুলোও পড়ার ইচ্ছা রাখি। আশা করি সেগুলোতে সার্বিকভাবে আরও ভালো মানের লেখনী পাবো। পড়া শেষে সময়-সুযোগ হলে রিভিউ দেওয়ার চেষ্টা করবো। বই: শেষ চিঠি লেখক: মাহিন মাহমুদ প্রকাশনী: মাকতাবাতুল হাসান প্রথম প্রকাশের সাল: মে, ২০১৬ মুদ্রিত মূল্য: ২৬০ টাকা [ছাড়ের আগে] পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬০ পৃষ্ঠা বাঁধাই ধরন: পেপারব্যাক পার্সোনাল রেটিংঃ ৬.৫/১০"
MD JASIM , Jun 12, 2026
"বইটি পরে মুগ্ধ হয়ে গেলাম"
880****940 , May 24, 2026
"উপন্যাস এর মাধ্যমেও যে এইভাবে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া যায়,তা হয়তো বইটি না পড়লে বুঝতাম না।আল্লাহ তায়ালা লেখকের ইলমে বারাকাহ দান করুন। আমিন।।"
Md. Kabir , May 22, 2026
"অনেকদিন ধরেই ইসলামিক কিন্তু কিছুটা রোমান্টিক উপন্যাস খুজছিলাম। পরে এই বইটাকে খুঁজে পেলাম। এবং আমাকে বলতেই হবে এটা আমার পড়া এখন পর্যন্ত সেরা ইসলামিক উপন্যাস। বিশেষ করে আমার প্রত্যেক মুসলিম বোনদের এই বইটা অবশ্যই একবার পড়া উচিত। ইনশাআল্লাহ নিরাশ হবেন না 🙂। বইয়ের পেজ কোয়ালিটি ও যথেষ্ট ভাল ছিল।"
MD. KARIM ULLAH , Apr 24, 2026
"খারাপ না, মোটামুটি ভালো উপন্যাস।"
mar****om , Apr 17, 2026
"onnnek bhalo boi"
dhalnagor madrasha , Apr 3, 2026
"অসাধারণ একটা বই মাহিন মাহমুদ খুব ভালো একটা লেখক তিনি আরো ভালো বই লেখেন"
880****283 , Feb 5, 2026
"খুবই সুন্দর একটি বই।"
SHEIKH SELIM , Feb 2, 2026
"সুন্দর বই"
SM JUBAYER , Jan 29, 2026
"ভালো একটি বই" এখনো পুরোপুরি পড়া হয়নি পড়া হয়ে গেলে একটা রিভিউ দেওয়া হবে 🙂"
mas****com , Jan 6, 2026
"চমৎকার একটি বই।বইটিতে শাপলা চত্বরে ঘটনাকে তুলে ধরা হয়েছে। আমার হ্যাপি এন্ডিং পছন্দ।আর এই গল্পটিরও হ্যাপি এন্ডিং হলো। আল্লাহর আইন মেনে পর্দা করা যে নারিদের জন্য কতটা উপকারী, আর ওয়েস্টার্ন কালচার ফলো করা নারীদের জন্য কতটা ক্ষতিকর। শুরু থেকেই নওশিনকে ঘৃনা করে আসছিলাম কিন্তু শেষ এসে তার প্রেমে পড়ে গেলেম।সাইমাও শেষে ভালোবাসা অর্জন করে ফেললো।"
Meheraj Hossain , Nov 19, 2025
"❤️❤️"
Tazul Islam , Nov 11, 2025
"I think, aro vlo kora jaito👍"
Arif Hossain , Nov 2, 2025
"সুন্দর"
Tahsin Abdullah , Oct 7, 2025
"ভালোই"
Md Firus , Aug 4, 2025
"হৃদয় নিংড়ানো অসাধারণ একটি বই"
নাঈম , Aug 1, 2025
"অসাধারণ উপন্যাস, ভালো লেগেছে,"
mdr****com , May 7, 2025
"আমি সচারাচর খুব একটা বই পড়ি না। আমার মনটা অনেক খারাপ ছিলো সেদিন।ফোন চালাইতেও ভালো লাগছিলো না।হাতের কাছে বইটা নিয়ে পড়তে শুরু করলাম। টিপিকাল প্রেম ভালোবাসার বই মনে করেই পড়ছিলাম।একপাতা দুইপাতা করে পড়তে পড়তে বইটা থেকে আর চোখ সড়াইতে পারছিলাম না।ইসলামিক মূল্যবোধ উপন্যাস আকারে যে এতো সুন্দর করে উপস্থাপন করা যায় ভাবতেও পারি নাই।একরাতের ভিতরই পুরো বইটা পড়ে ফেলি। বইটা পড়ার পর ইসলামের প্রতি আগ্রহ আমার কয়েকগুন বেড়ে গেছে। ধন্যবাদ মাহিন মাহমুদ ভাই☺️"
asma ul hosna , Apr 21, 2025
"nice book"
Md Mohiuddin Bepari , Feb 18, 2025
""জগতে সবাই রাবেয়া বসরী না। কেউ কেউ ভিন্ন মেজাজেরও রয়েছে। রেডিমেড রাবেয়া বসরী খুঁজে পাওয়ার চেয়ে, ভিন্ন মেজাজের কাউকে বিয়ে করে সেই ছাঁচে গড়ে তোলার মতো কঠিন কাজটিই আহসান বেছে নিয়েছে।" ◾পাঠ প্রসঙ্গ ব্যক্তিগতভাবে আমার উপন্যাস পড়া হয় না তেমন। আমার পছন্দের জনরার বই পড়তে পড়তে যখন বিরক্তি বোধ হয় তখন উপন্যাস পড়ি। বাসে করে বাড়িতে যাচ্ছি। দীর্ঘ সময় কী করবো? ফোনে আমার পিডিএফ কালেকশনে গেলাম। 'শেষ চিঠি' বইটা চুজ করলাম আর পড়া আরম্ভ করলাম। ◾বই বৃত্তান্ত ধার্মিক রক্ষণশীল পরিবারের রূপসী এক মেয়ে। বাবার স্বপ্ন ছিল মেয়ে বড় ডাক্তার হবে, যাতে দ্বীনের খেদমত করতে পারে। তাই মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো। কিন্তু মেয়ে তথাকথিত আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়ে এক নারী পাচারকারী মুখোশধারী ভদ্র এক ড্যান্সার এর খপ্পরে পড়ে এবং তার প্রেমেও পড়ে যায়। পর্দা করাকে অবহেলা করতে শুরু করে। ঘটনা ক্রমে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয় এক ধার্মিক তরুণ কথা সাহিত্যিক লেখক এর সাথে। যার নাম আহসান। বিয়ের প্রথম দিনই নওশীন(মেয়ের নাম)আহসানকে আজেবাজে বলা শুরু করে। "আহসান এই কথাগুলো শুনতে মানসিকভাবে একরকম প্রস্তুতই ছিল। সে এই বিয়েটা একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছে। জগতে সবাই রাবেয়া বসরী না। কেউ কেউ ভিন্ন মেজাজেরও রয়েছে। রেডিমেড রাবেয়া বসরী খুঁজে পাওয়ার চেয়ে, ভিন্ন মেজাজের কাউকে বিয়ে করে সেই ছাঁচে গড়ে তোলার মতো কঠিন কাজটিই আহসান বেছে নিয়েছে। তার আত্মবিশ্বাস তাকে বলছে, সে পারবে। সব একদিন ঠিক হয়ে যাবে।" (কোর্ট করা অংশটুকু সরাসরি বইয়ের উদ্ধৃতি) বিয়ের ২১ দিনের মাথায় নওশিন রাগ করে নিজ বাড়ি যাওয়ার পথে সে অপহরণ হয় সোহেলের (সেই পাচারকারী) মাধ্যামে। ভাগ্যক্রমে সেখান থেকে বেঁচে নওশিন চক্ষুলজ্জায় না যাচ্ছে বাবার বাড়ি, না যাচ্ছে শশুর বাড়ি। সিদ্বান্ত নেয় বাকি জীবন এতিমখানায় বাচ্চাদের সেবায় কাটিয়ে দেবে। এদিকে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে আহসান অন্য জায়গায় বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। বিয়ের তারিখও নির্ধারিত হয়। ঠিক বিয়ের দুদিন আগে ভাগ্য আহসানকে সেই এতিমখানায় নিয়ে যায়। পরিচয় হওয়ার পর নওশিন ক্ষমা চায় এবং আহসান নতুন বিয়ে বাতিল করে নওশিনকে ফিরেয়ে আনে নিজের ঘরে। ◾পাঠ প্রতিক্রিয়া এর আগেও মাহিন মাহমুদের উপন্যাস পড়া হয়েছে। হুক লাগাতে পারেন উনি ভালো। তাই এক বাসাতেই একটা উপন্যাস শেষ করা যায়। বই বৃত্তান্ত পড়ার পর মনে হতে পারে উপন্যাসটি প্রেম ভালোবাসা টাইপ কিছু হবে। কিন্তু না! লেখকের মূল ফোকাস ছিল নারীদেরকে পর্দার গুরুত্ব বোঝানো। গল্পের মাধ্যমে লেখক সেটা করতে সক্ষম হয়েছেন। লেখক গল্পে, ২০১৩ সালের ৫ই মে শাপলা চত্বরের ঘটনারও বাস্তবতার কিছু অংশ ফুটিয়ে তুলেছেন। আবার একই সাথে একজন পুরুষকেও বিয়ের জন্য যথেষ্ট যোগ্য হওয়ার বিষয়টিকে তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। যারা পর্দা নিয়ে অবহেলা করে গল্পের মাধ্যমে পর্দার গুরুত্ব বোঝার জন্য চমৎকার একটা বই হবে এটি। আপনার যদি এমন কেউ থাকে পর্দার গুরুত্ব বোঝাতে চান,তবে এই বইটি উপহার হিসেবে দেওয়া যায়। ◾ বই পরিচিতি- ------------------------------------ ▪️বই : শেষ চিঠি ▪️লেখক : মাহিন মাহমুদ ▪️পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৬০ ▪️প্রকাশনী : মাকতাবাতুল হাসান ▪️ছবি: সেল্ফ কনটেইন্ড ◾পার্সোনাল রেটিং : 8.2 (১০ এর মধ্যে)"
IB IBRAHIM 👑 , Feb 13, 2025
"বইটি খুবই চমৎকার আপনারা পড়লে বুঝতে পারবেন ইসলামিক উপন্যাস হিসেবে খুবই ভালো আপনিরা চাইলে নিতে পারেন"
Jihan Hossain , Dec 23, 2024
"Nice book ♥️"
isl****com , Dec 5, 2024
"অনেক ভালো বই পড়ে খুব ভালো লাগলো। লেখককে ধন্যবাদ এরকম একটি বই লেখার জন্য।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
3 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
boitir ki hard cover pawa jabe ?
boi er page koto
boi tar cover ki hard cover?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"শেষ চিঠি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: