প্রথম প্রকাশ-২০১২
সবারে আমি নমি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া (বাংলা)
হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.)
শামায়েলে তিরমিযী (আরবি-বাংলা)
ইমাম আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত তিরমিযী (রহঃ)
সহজ বাংলা সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া
হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.)
প্রশ্নোত্তরে সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া
হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী (রহ.)
শামায়েলে তিরমিযি
ইমাম আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত তিরমিযী (রহঃ)
মহিলা সাহাবির আদর্শ জীবনকথা
মাওলানা আবু যার আব্দুল্লাহ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সবারে আমি নমি |
| Author | কানন দেবী |
| Publisher | ধ্রুপদ সাহিত্যাঙ্গন |
| Edition | প্রথম প্রকাশ-২০১২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 207 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | Biographies, Memories & Interviews |
| Weight | 0.32 Kg |
| Editor | জর্জ হায়দার |
| ISBN | 9789848457054 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টি
Shadin Pranto , Sep 29, 2019
"বাংলা চলচ্চিত্রের প্রথম তারকা অভিনেত্রী কাননবালা দেবী৷ 'সবারে আমি নমি' তারই জীবনকথা। এক অনবদ্য ঢঙে সরল গদ্যে লেখা স্মৃতিকথা যাতে মিশে আছে একজন নারীর দুঃখ-সুখের অতীত মাত্র নয়, বাংলা চলচ্চিত্রের অনেক অজানা কথা৷ কানন দেবী তখনও বেশ ছোট। হঠাৎই যে মানুষটিকে বাবা বলে জানতেন, সে চলে গেল না ফেরার দেশে৷ 'বাবা বলে জানতেন' লিখেছি কারণ তার মায়ের সাথে বাবার শাস্ত্রমতে বিয়ে হয়নি। এজন্য ন্যূনতম অনুতাপ ছিল না কিশোরী কাননের৷ কেননা চিন্তিত হবার মতো আরও অনেক ঘটনা ইতিমধ্যে ঘটতে শুরু করেছে। মা ছোট্ট কাননকে নিয়ে আশ্রয় নিলেন দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়ের বাসায়৷ দিনগুলি ছিল সত্যিকার অর্থেই দুঃখের দিনের দোঁহা। আশ্রয়দাতারা মা-মেয়েকে বসে বসে খাওয়াতে অপারগতা প্রকাশ করল। তা মুখে বলল না। শুধু বাসার ঝি আর রান্নার মানুষকে ছাড়িয়ে দিল৷ সেখানে বহাল হলো মা-মেয়ে। সারাদিন বাসার সবকাজ করেও মন যোগাতে পারতো না তারা। মুখ নাড়ানি সহ্য করতে হতো প্রতিদিন। আশ্রয়হীন মা-মেয়ে সবই সয়ে যেতে লাগল। কিন্তু একদিনের ঘটনা সব মাত্রা পার করে গেল৷ কিশোরী কানন তার মাকে নিয়ে নেমে এল কঠিন বাস্তবতার মোড়কে ঘেরা এক জগতে। বিধাতা রূপ দিয়েছেন অকৃপণ হাতে৷ গানের গলাও যেন মিষ্ট। ডাক পড়লো সিনেমার জগতে৷ অভিনয় নিয়ে অতীব আগ্রহ থেকে না, বরং দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে নিঃশেষিত হওয়ার ভয়েই কানন দেবী এসেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের ঝলমলে জগতে। যাকে আমরা আজ গ্ল্যামারাস জগৎ বলে থাকি। জ্যােতিষ বন্দ্যােপাধ্যায়ের 'জয়দেব' চলচ্চিত্রে হাতখড়ি কাননবালা দেবীর। নিজে সেইসব দিনের কথা ভুলতে পারেননি৷ প্রথম উপার্জনের পুরো টাকা হাতে আসেনি তার। আক্ষেপের সুরে নিজেই বলছেন, ' প্রকৃত বেতন ধার্য হয়েছিল পঁচিশ টাকা৷...কিন্তু আমার হাতে এসে পৌঁছেছিল পাঁচ। ' প্রথম চলচ্চিত্রের পর মোটামুটি জীবনের বাঁক ঘুরে গেল৷ কিন্তু আজকের মতো সেযুগে নায়িকার তত কদর ছিল না। নায়ক-নায়িকা হতে নির্দিষ্ট প্রোডাকশন হাউসের বাঁধা মাইনে চাকুরে! প্রোডাকশন হাউস তথা থিয়েটারের কর্তাবাবুদের কথায় উঠতে-বসতে হতো। নতুবা হিরো কিংবা হিরোইনগিরির 'চাকরি' নট! তখন কাননবালা দেবী খ্যাতিমান নায়িকা। প্রোডাকশন হাউসকে মাইনে বাড়াতে বললেন৷ মাত্র ২শ' টাকা বেশি দিতে রাজি হলো না কোম্পানি। চলে এলেন তিনি। কাস্টিং কাউচ কিংবা মিটু আন্দোলন আজকে ঝড় তুলেছে গণমাধ্যমে। অভিনেত্রীরা কীভাবে অভিনয় জগতে এসে শারীরিক কিংবা মানসিক হেনস্তার শিকাট হন তার অনেক খবরই চাউর হচ্ছে। মুখও খুলছেন অনেকে৷ অভিনয়জগতে এই নিপীড়ন নতুন কিছু নয়৷ উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের শৈশব, কৈশোর থেকেই এই নোংরা বীজাণু ছিল। কাননবালা দেবী কতবার এসবের মুখোমুখি হয়েছেন তার ইয়াত্রা নেই৷ এরকম অনেকগুলো ঘটনার বর্ণনা তিনি দিয়েছেন। ততদিনে তিনি ইন্ডাস্ট্রির নামি অভিনেত্রী। শুটিং চলছে। খ্যাতিমান এক পরিচালকের অধীনে কাজ করছেন৷ হঠাৎ ডিরেক্টর মশাই একাকী ডাকলেন। বললেন, ' কথা আছে, বোস। ' এই বলে বিশ্রীভাবে বিভিন্ন ইঙ্গিতপূর্ণ কথার মাধ্যমে নিজের কদর্য ইচ্ছের পূরণের আবদার করতে ভুললেন না। এক বিখ্যাত নায়ক ( নাম তিনি বলেননি)। অভিনয় শেখাবার প্রবল আকাঙক্ষা তার। কানন দেবীকে অভিনয় শেখাবার নাম বলে শরীরে হাত দিতে বড়ই পুলকিত বোধ করতেন 'হিরো'মহাশয়। নিজেকে এভাবে লাঞ্ছিত হতে দেখে কতটা অসহায় বোধ করতেন কানন দেবী তা পড়তে গিয়ে পাঠক হিসেবে আমারও যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। তিনি সেই গরল পানের দিনগুলির কথা মনে করে লিখেছেন, ' কিন্তু আমার যতখানি বয়স ছিল। তারচেয়েও তীক্ষ্ম ছিল অনুভূতি। ' বাংলা চলচ্চিত্রের শক্তিমান অভিনেতা প্রমথেশ বড়ুয়া, জহর গাঙ্গুলী এবং ধীরাজ ভট্টাচার্যকে ঘিরে কতশত স্মৃতি জমাট বেঁধে আছে কানন দেবীর স্মৃতিভাণ্ডারে।কেবল বাংলা ছবিতেই নয়, বহু দর্শকপ্রিয় হিন্দি চলচ্চিত্রের নায়িকা কানন দেবী। সেইসব ঘটনার ভাণ্ডার তিনি অবারিত করে দিয়েছেন পাঠকদের জন্য । চলচ্চিত্রের সোনা,রূপোর রাংতা মোড়া স্মৃতির বাইরে নিজের একান্তই আপনার ভাবনার দেওয়ালের আঁকিবুঁকির কথা পাঠকের সাথে নির্দ্বিধায় ভাগ করে নেওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয়। যারা এই রঙিন দুনিয়ায় বাসিন্দা, তারা জীবনবোধের স্থূলতাকেই পুঁজি করেন বলে ধারণা আমাদের। কিন্তু কানন দেবীর জীবনকাহিনি একেবারে ব্যতিক্রম৷ ২শ' পাতার বইয়ের একটি বড় অংশ জুড়ে দীর্ঘ জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা থেকে শেখা দর্শনকে সহজ-সরল ভাষায় বর্ণনা করেছেন কানন দেবী। তার কথাগুলো খুবই জীবনধর্মী। যেন মনে হয় অনেকটা সময় নিয়ে একান্তেই নিবিড়ভাবে না ভাবলে এমন বোধদয় হয়না, হতে পারেই না। ঠেকে শিখেই তিনি উপলব্ধি করেছেন, ' মানুষের ওপর নির্ভর করলেই নিজেকে অসহায় হয়ে পড়তে হয়৷ আর অসহায় মানুষকে খাতির করবার মতো উদার হৃদয় পৃথিবীতে বেশী নেই৷ ' জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই পৃথিবীর নিত্যদিনের চেহারা দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে গেছেন।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সবারে আমি নমি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: