১ম সংস্করণ ২০২৪
সালেম নো গ্রেনি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সালেম নো গ্রেনি |
| Author | যাবেদ খান আবু বকর |
| Publisher | বর্ণলিপি প্রকাশনী |
| Edition | ১ম সংস্করণ ২০২৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 256 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.49 Kg |
| ISBN | 9789849837329 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
15 Ratings and 9 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৯টি
sur****com , Jan 25, 2025
"purai mahatha nosto level ar bajey boi 🙃"
Sumyia Kabir , Feb 16, 2024
"#বুকরিভিউ বই: সালেম নো গ্রেনি লেখক: যাবেদ খান আবু বকর জনরা: থ্রিলার ট্রিগার: ধর্ষণ, খুন, নেক্রোফিলিয়া গল্প: গল্পের শুরুটা ২০১৮ সালে, শ্রীনগর থানার ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেন তার অধিনস্থ সাব ইন্সপেক্টর রফিক কে ধাওয়া করতে গিয়ে নিজের অফিসে অজ্ঞান হয়ে যান। হাসপাতালে নেয়া হলে জানা যায় অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। দুই বছর আগে মাথায় যে আঘাত তিনি পেয়েছিলেন তা এখনো পুরোপুরি সেড়ে উঠেনি এবং তার কারণেই আজ এমন অবস্থা। বাসায় নেয়ার পরে কৌতূহলবশত রফিক তার স্যার কে জিজ্ঞেস করেই বসে যে কি ঘটেছিল দুই বছর আগের কেসে? অনেক দ্বিধা নিয়েই আনোয়ার বলতে শুরু করেন…. ঢাকা মাওয়া হাইওয়েতে হুট করেই পাওয়া যায় এক দম্পতির লাশ তাদেরই গাড়ির সিটে। নির্মম এই হত্যার তদন্তের দায়িত্ব এসে পড়ে ইন্সপেক্টর আনোয়ার এর উপরে। গাড়ির নম্বর থেকে তথ্য সংগ্রহ করে অজ্ঞাত এই দম্পতির পরিচয় বের করে তারা। কিন্তু লাশ শনাক্তকরণের জন্য করা ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট বলে অন্যকিছু। অন্যদিকে শরীয়তপুরের নড়িয়ায় একই সাথে দুই স্কুল ছাত্রী গুম হয়। তাদেরকে খুঁজে বের করার দায়ভার এসে পড়ে সাব ইন্সপেক্টর সাবিতের উপরে। ছাত্রী দুজনের মৃতদেহ ভিন্ন ভিন্ন দিনে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে পাওয়া যায়। তাদের কেসের একমাত্র ক্লু তাদের স্কুলে এসে থামে যেখানে তারা সহপাঠী ছিলো। এই ক্লু ধরেই সাব ইন্সপেক্টর সাবিত আগাতে থাকে এবং পৌঁছে যায় অপরাধীর দিকে। দুটি ভিন্ন কেসের মাঝে কিসের সংযোগ? কারাই বা করেছে মাওয়া হাইওয়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড? কিভাবেই বা ইন্সপেক্টর আনোয়ার হলেন এমন মারাত্মক আঘাতের শিকার? জানতে হলে পড়ে দেখতে পারেন বইটি। পছন্দের বিষয়বস্ত: ১. একই সাথে দুই ভিন্ন কেসের বর্ণনা দিয়েছে লেখক যাতে এক বইয়ের মধ্যে দুই গল্পের স্বাদ পাওয়া যাবে। ২. বইটি সাবলীল বাংলায় লেখা। অপছন্দের বিষয়বস্তু: ১. লেখকের শব্দবাছাইয়ে আরো উন্নতি করার জায়গা আছে। বইটি সহজ ভাষায় লেখা হলেও কিছু কিছু জায়গায় শব্দের ব্যবহার আরো ভালো হতে পারতো। ২. কিছু কিছু জায়গায় ঘটনার বর্ণনায় একঘেয়েমি লেগেছে। শুরুর দিকে টানটান উত্তেজনা কাজ করেনি। ৩. গল্পের গতি কোথাও কম, কোথাও বেশি মনে হয়েছে। নিজস্ব মতামত: কালারফুল এডিশনের বই নিয়ে এখন অনেক হাইপ। কৌতূহল বশত ব্লু এডিশনের এই বইটি পড়া শুরু করলেও পাঠক হিসেবে তা শেষ করতে আমার ভালোই বেগ পেতে হয়েছে। চোখের উপরে খুব চাপ পড়ার ফলে আমার পড়ার গতিও বারবার নষ্ট হয়েছে। কালারফুল বই কালেকশনে রাখার জন্য বেশি ভালো। রেটিং: ৭/১০ © Bookish Bliss"
Ashrafun Nahar , Feb 9, 2024
"নেগেটিভ রিভিউ দিলেই তো সরায় দিবে অথারিটিরে তেল দিয়ে। তাও দিবেই পাবলিক🥱 #স্পয়লার_এলার্ট ❝কয়েক মুহূর্ত পরেই সম্পূর্ণ দেহ নিস্তব্ধ হয়ে যায়। হাত-পা নড়ছে না আর! স্থির হয়ে বসে পড়লেন মীরার নিস্তব্ধ দেহের পাশে। বড়ো বড়ো কয়েকটা শ্বাস নিলেন। ধ্বস্তাধ্বস্তি করতে গিয়ে হয়রান হয়ে গেছেন। আচমকা উচ্চস্বরে হাসতে হাসতে আওড়াতে লাগলেন তিনি, "আমি সখী খারাপ হতে পারি, কিন্তু ভালোবেসেছিলাম তোমায়। আমায় রেখে নতুন পাখি নিয়ে ফুডুৎ করে উড়াল দেবে, সেই সুযোগ তো নাহি দেবো তোমায়।" আচমকা সাবিতের চোখ যায় মীরার বুকের দিকে। নিজের মাঝে আবারও অনুভব করে কাম উত্তেজনার। আবারও... মৃত মেয়েকেও ধ/র্ষণ করলেন আরেকবার! রা*গ কমছে না তার কোনোভাবেই।❞ বই সংক্ষেপঃ কয়েকজন পুলিশ, সার্জন ও সাইন্টিস্ট এর সম্মিলিত একটি ডার্ক-মিশন। যাতে প্রয়োজন তরুনীদের মুখের চামড়া। আর সেই চামড়ার জন্য রাজধানীর অদূরে, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে ঘটে যাচ্ছে একের পর এক খু*ন। ভ-য়া"নক অবস্থায় মিলছে লাশ। খু*নের প্রধান টার্গেট মেয়েরা। সাথে কোনো পুরুষ থাকলে সেও মা"রা পড়ছে, সাক্ষী রাখা যাবে না। তদন্তের সম্পূর্ণ ভার একজন সাব-ইন্সপেক্টরের উপর। এক গাড়ির মেয়ের বিধস্ত লা*শ পাওয়া যাচ্ছে পরের শিকারের গাড়িতে। অপহরনকৃত মেয়েদের গণধর্ষণ করে মে*রে ফেলা হচ্ছে বিশেষ কৌশলে, তারপর দক্ষ হাতে তুলে নেওয়া হচ্ছে মুখের চামড়া। যা দিয়ে বানানো হবে কোটি টাকার দ্রব্য। রক্ষকের দলই ভক্ষক। নিজেদের কাজের তদন্তের সার্বিক কার্যাবলি নিজেদের হাতেই। পাঠ্যানুভূতিঃ একটা বই আমার হাতে আর সেই বইয়ের ফ্ল্যাপে বই সম্পর্কে লেখা "ছাপা অক্ষরে আসতে চলেছে বইটি", " প্রকাশিত হতে যাচ্ছে এটি" পাঠ্যানুভূতি বাজে ধরনের বাজে। ড্রামা শব্দটা ইতিবাচক হলেও মেলোড্রামা শব্দটা নেতিবাচক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, কারণ এক্ষেত্রে ভালো কন্টেন্টকেও ঘুরায়-প্যাঁচায় বিরক্তিকর করে তোলা হয়। মেলোড্রামার মোক্ষম উদাহরণ হলো ভারতীয় সিরিয়াল। আর এই বই পড়ার পর মনে হইছে তেমনই কোনো সিরিয়ালের স্ক্রিপ্ট পড়লাম। শুধু স্ক্রিপ্ট বললে ভুল হবে, শ্যুটিং ডিরেকশন ডিটেইলসও বলা যায়। একই কথা একশবার বলা হইছে। স্টোরিটেলিং মারাত্মক রকমের বিরক্তিকর। ক্লাস ওয়ান-টু এর বাচ্চাদের গল্প বলার সময় যে কথায় একটা বাচ্চামি ভাব আনা হয়, তারথেকেও বেশি বাচ্চামি টাইপ লেখা। প্রায় পুরো লেখা বিরক্তিকর, এন্ডিং টা অবশ্য খারাপ বলা যায় না। স্পেশালি লা"শগুলো ডিস্পোজ না করে পুলিশের হাতের নাগালে ফেলে যাওয়ার লজিক। তবে এতো ভয়ানক কেসের তদন্ত কেবল সাব-ইন্সপেক্টর পর্যায়েই কীভাবে থেমে থাকে তা লেখক-ই জানেন। তাছাড়া বাকি ক্যারেক্টরগুলো ডিস্ক্রাইব করার জন্য যে গল্পগুলো সাজানো হইছে, সবই ক্রাইম পেট্রোল বা সিআইডি থেকে পুরোপুরি কপি হয়তো। আর থ্রিল? যারা থ্রিলার জনরার সাথে পরিচিত, শুরুতেই বুঝে ফেলবে ব্ল্যাক ক্যারেক্টর কারা। প্রোডাকশনঃ বই নাকি কোচিং এর শীট বুঝা দায়। গাঢ় নীল রঙের কাগজ মোটেও পড়ার ক্ষেত্রে কমফোর্টেবল না। তাও যা পড়তে পড়তে চোখে সহনশীল হতো, একেক ফর্মায় একেক কালার শেড আসায় আরও বাজে হয়ে গেছে। আবার এই-সেই পারপাজে সে-সব ফন্ট দেওয়া হইছে সেগুলো প্রিন্টে ভালো আসে নাই, পড়া যথেষ্ট টাফ। আমাদের অঞ্চলে একটা প্রবাদ আছে, ❝বেশি হাউশের(শখের) পিঠার মইধ্যে কাঁচা থাকে।❞ এই বইটার যত বেশি হাইপ তোলা হইছে, তত বেশিই বিরক্তিকর লাগছে। পাঠক খুব ধৈর্যশীল না হলে ৩০/৪০ পেইজের পর আগাতে পারবে কি-না আল্লাহ জানেন। মোদ্দা কথা হলো— মেইন কন্টেন্ট খারাপ না। তবে যে প্লট সাজানো হইছে সেটায় প্লটহোল আছে, ঠিক তা বলা যায়না। কারণ পুরোটাই প্লটহোল মনে হইছে। বইঃ সালেম নো গ্রেনি লেখকঃ যাবেদ খান আবু বকর প্রকাশনায়ঃ বর্ণলিপি প্রকাশনী পার্সোনাল রেটিংঃ ০.৮/৫"
Khaled Alam , Feb 4, 2024
"ইম্যাচিউর লেখক, সাহিত্যজ্ঞান কম"
Syed Nafees Ashraf , Feb 4, 2024
"very bad book. Please,don't read this book."
সাকিব আহমেদ , Feb 4, 2024
"পিও বই। পিও বইয়ের প্রতি ভালোবাসা অবিরাম..."
Akib Nahiyan , Feb 3, 2024
"খুবই নির্লজ্জ একজন লেখক। আর উনার এই বই আরো খারাপ। কেমন ইনসেন্সিটিভ হলে নিজেই কয়েকটা ফেইক আইডি খুলে নিজের বই এর রিভিউ দেয়। এই লেখক ভবিষ্যৎ এ ভালো লেখা লিখলেও পাঠক রা গ্রহণ করবে না। নিজের ক্যারিয়ার(লেখার) নিজেই ধ্বংস করলেন।"
tah****com , Feb 3, 2024
"এই মনোমুগ্ধকর বইটি এক তারা পাওয়ারই যোগ্য"
Shakil Ahmed , Feb 3, 2024
"এতোই ভালো বই যে খুশিতে আত্মহারা হয়ে ১ স্টার দিয়ে ফেলেছি🌚"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সালেম নো গ্রেনি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: