১ম প্রকাশ, ২০২১
সাহেব বাড়ি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সাহেব বাড়ি |
| Author | ফারিয়া প্রেমা |
| Publisher | অবসর প্রকাশনা সংস্থা |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 156 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.31 Kg |
| ISBN | 9789848799642 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
4 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টিImran Kabir Himel , Jan 19, 2022
"loved it"
Buty Rany , Jun 29, 2021
"boita niye vebechilam anek horror story hobe kintu ata amar ķase normal story lagche ar boitate ami time er kisui buji ni akhane somoy niye anek gormil roase. amar mono hoi arektu develop korle valo hoto."
Nabonita Pramanik , May 27, 2021
"#Progoty_Book_Club_Review_Competition [ রিভিউ : ৪ ] ▪️বইয়ের নাম : সাহেব বাড়ি ▪️রিভিউ লিখেছেন : নবনীতা প্রামানিক একসময় বঙ্গ দেশের জমিদারি প্রথা বেশ ফুলে-ফেঁপে উঠেছিল। এখন অবশ্য সেসব দিন আর নেই। সময়ের করাল গ্রাসে হারিয়ে গিয়েছে জমিদার বাড়ির জৌলুস। জমজমাট জমিদার বাড়ি এখন জনশূন্য। কিন্তু দিঘির পাড়ের সেই প্রকাণ্ড গাব গাছটার কী হলো, যার আশ্রয়ে পরম তৃপ্তি খুঁজে পেতেন জমিদার সাহেবা? হয়তো খোঁজ নিলে দেখা যাবে, গাব গাছটা একইরকম আছে। দিঘির জল এখনো স্বচ্ছ ও সুন্দর। ▪︎কাহিনি সংক্ষেপ : সেকালে জুগুদিয়া জমিদার বাড়ি তথা সাহেব বাড়ির অধীনে ছিল তারালিয়া পাথারের পুরো অঞ্চল। জমিদার রমিজ চৌধুরী ছিলেন চিন্তা-চেতনায় প্রগতিশীল একজন মানুষ। একমাত্র মেয়ে, ফুল্লোরাকে পাঁচ রকমের ভাষা শেখানোর দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন তিনি। তাছাড়া ফুল্লোরাও শিখতে বেশ পছন্দ করত। অল্প সময়ের ব্যবধানে রমিজ চৌধুরীর কাছ থেকে জমিদারি দেখভালের প্রায় সকল কাজ শিখে নিয়েছিল ফুল্লোরা। ষোল বছর বয়সে জমিদারির সকল দায়িত্ব এসে পড়ল ফুল্লোরার কাঁধে। সদ্য আইন পাশ করা শেখ ইরতেজার সাথে মেয়ের বিয়ে দিয়ে মৃত্যুবরণ করলেন রমিজ চৌধুরী। তারপর ফুল্লোরা হয়ে উঠল সাহেব বাড়ির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, জমিদার সাহেবা। সাহেব বাড়ির মসজিদের কাছে বিখ্যাত ( কিংবা কুখ্যাত!! ) কাকচক্ষু দিঘিটার অবস্থান, যার পাড়ে রাতবিরেতে বসে থাকতে পছন্দ করত সাহেবা। দিঘির পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাব গাছটা তাকে শীতল পরশ দিত, ছাঁয়া দিত মাথার ওপর। জমিদার সাহেবা স্বভাবে ভীষণ রাগী ছিল। চেহারায় একটা গাম্ভীর্য ভাব দেখা যেত সবসময়। মজার ব্যাপার হচ্ছে; জোছনার রাতগুলোতে কড়া মেজাজের সাহেবা-ই কীভাবে যেন কোমল হয়ে উঠত! চেহারায় কঠোরতা প্রকাশ পেত না তখন। রহস্যটা ঠিক কী? অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহেবার শাসনব্যবস্থা ছিল কঠোর প্রকৃতির। ভুক্তভোগীরা সাহেব বাড়িকে অভিশাপ করতে ছাড় দিত না। ধীরে ধীরে অভিশাপের কালো মেঘে ঢেকে গেল সাহেব বাড়ি। সাহেবা কিন্তু অদ্ভুত উপায়ে সকল সমস্যার সমাধান করত। এবং সাহেবাকে উপায়ের সন্ধান দিতেন তেনারা। ʼʼতেনারাʼʼ কারা? তেনারা সেই অতিপ্রাকৃতিক সত্ত্বা, যারা থাকতেন গাব গাছটার আশেপাশে। কাকচক্ষু দিঘির পাড়ে। যাহোক; সাহেব বাড়ির জৌলুস একদিন হারিয়ে যায়। বিরানভূমিতে পরিণত হয় সাহেব বাড়ি; যার অন্যতম কারণ ছিল সাহেবার বড় ছেলে, তু'জানের মৃত্যু। এবং তু'জানের মৃত্যু সাহেব বাড়িতে দারুণ সব পরিবর্তন নিয়ে আসে। উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায় সাহেবার বড় মেয়ে, বেগমজানের স্বভাবে। নরম স্বভাবের বেগমজান নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য বেশ কঠোর হয়ে ওঠে! তু'জানের স্ত্রী, আলেয়াও চুপ থাকে না। সাহেব বাড়ির ধ্বংস কামনা করে আলেয়া নিক্ষেপ করে অভিশাপের বাণ! এদিকে এগিয়ে চলে সময়। পূর্বপুরুষেরা কালের অতলে বিলীন হয়। ছাপ থেকে যায় নতুন প্রজন্মের মধ্যে। পুরনো দিনের গাব গাছটা আবারও ডাক দেয়। কিন্তু সাহেব বাড়ির বর্তমান প্রজন্মের প্রতিনিধি, শাম্মারি কি শুনতে পাবে সেই ডাক? ▪︎পর্যালোচনা : ʼʼসাহেব বাড়িʼʼ একটি অতিপ্রাকৃতিক/হরর ধারার উপন্যাস; যার প্রেক্ষাপট পুরনো দিনের জমিদার বাড়ি।পুরো বইয়ের মেইন হরর এলিমেন্ট, দিঘির পাড়ের সেই গাব গাছটা। কাহিনি পড়লে বোঝা যায়; গাব গাছটার কিছু একটা ক্ষমতা আছে। এমন এক অতিপ্রাকৃতিক ক্ষমতা, যার প্রভাবে সাহেব বাড়িতে সুখ আসে। দুঃখ আসে। সাহেবার জবানিতে, গাব গাছে ʼʼতেনারাʼʼ থাকেন। তেনাদের প্রকৃত পরিচয়কে কেন্দ্র করে তৈরি হয় রহস্যময়তা। মাঝেমধ্যে মনে হয়; তেনারা আসলে পূর্বপুরুষ, যারা সাহেব বাড়ির ভালো চান। কিন্ত তেনাদের জন্য সাহেব বাড়িতে বিপর্যয় নেমে এলে মনে হয়; নিশ্চয়-ই কোনো অতিপ্রাকৃতিক সত্ত্বা হবেন তেনারা! অতিপ্রাকৃতিক ঘরানার বই হলেও সাহেব বাড়িতে ঐতিহাসিক কিছু ব্যাপার আছে। পুরনো দিনের জমিদার বাড়ির বীভৎস একটা রূপ লেখক এখানে তুলে ধরেছেন। নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য মানুষ যে কত ছোট হতে পারে, সাহেব বাড়িতে সেই সম্পর্কে জোরালো একটা ধারণা পাওয়া যায়। লেখকের গল্প বলার ধরনটা বেশ ভালো। অতীত অংশের বর্ণনায় একটা সম্ভ্রমের আভাস পাওয়া যাচ্ছিল, যা বর্তমানে এসে উধাও হয়ে যায়। পুঁথি/শ্লোকের ব্যবহার বইয়ের কাহিনিকে করে তুলেছে দারুণ উপভোগ্য। নারীদের ক্যারেকটার বিল্ড আপ ভালো লেগেছে বেশি। সাহেবা, বেগমজান, শাম্মারি - প্রত্যেকটি নারী চরিত্র-ই যথেষ্ট প্রমিনেন্ট। এবং ʼʼসাহেব বাড়িʼʼ হরর ধারার বই হলেও কাহিনিটা তেমন ডার্ক না। নতুন যারা হরর পড়তে আগ্রহী, তাদের জন্য পারফেক্ট বই। চাইলে পড়ে দেখতে পারেন। [ একনজরে বইয়ের তথ্য ] ▪︎ বইয়ের নাম : সাহেব বাড়ি ▪︎ লেখকের নাম : ফারিয়া প্রেমা ▪︎ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের নাম : অবসর প্রকাশনা সংস্থা ▪︎ প্রকাশকাল : ফেব্রুয়ারি ২০২১ ▪︎ প্রচ্ছদ : মোরশেদ মিশু ▪︎ পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৫৬ ▪︎ মুদ্রিত মূল্য : ৩০০ টাকা"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সাহেব বাড়ি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: