১ম সংস্করণ, ২০১৮
সাহাবিদের চোখে দুনিয়া
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
জননী বুক ডিপো
তাকরিরে তিরমিযী
মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
মাওলানা আনিসুর রহমান
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
কওমী লাইব্রেরী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | সাহাবিদের চোখে দুনিয়া |
| Author | আবদুস সাত্তার আইনী |
| Publisher | মাকতাবাতুল বায়ান |
| Edition | ১ম সংস্করণ, ২০১৮ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 230 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইসলামি বই |
| Weight | 0.31 Kg |
| Translator | আবদুস সাত্তার আইনী |
| ISBN | 9789843434098 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
62 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
Rezwanul Hasan , Sep 4, 2026
"আলহামদুলিল্লাহ,,,🧡💛💚"
MD TAOSIF KABIR , Sep 3, 2026
"alhamdulilah good book"
Nazmul Hussain , Jan 28, 2026
"এই বইয়ের মধ্যে প্রথম ১০-১২ টা পৃষ্ঠা উল্টাপাল্টা সিরিয়াল ঠিক নাই"
MD. KARIM ULLAH , Oct 25, 2025
"অহংকারী আত্মার হেদায়েতের জন্য উত্তম একটি বই।"
Ahmed Jubayer , Jul 17, 2025
"দুনিয়া লোভী থেকে নিজেকে সুরক্ষায় রাখতে হলে এই বইটি পাঠ করা খুবই প্রয়োজন"
IMTIAZ , Mar 26, 2025
"great"
Md. Rashel Gazi , Mar 25, 2025
"আলহামদুলিল্লাহ অসাধারণ একটা বই। মহান রব্বুল আলামীন লেখক, প্রকাশক অনুবাদকসহ সকলের পরিশ্রম কবুণ করুন। দুনিয়ায় ও আখিরাতে কল্যাণ দান করুন।"
Md Elias Salim , Oct 5, 2024
"আলহামদুলিল্লাহ আমার পড়া সেরা বইগুলোর মধ্যে একটি। সবাই নিতে পারেন দুনিয়া এবং আখেরাতের পাথেয় হবে ইনশাআল্লাহ।"
MD. ASHIKUR RAHMAN , Feb 28, 2024
"দুনিয়া যে কত বড় ধোকা এবং যুহদ কি, কাকে বলে, এই বইটি না পড়লে হয়তো বুঝতে পারতাম না। রাসূল (স:) এর শিক্ষায়, সাহাবীরা যেভাবে দুনিয়াকে দেখতেন, বা তারা যেভাবে দুনিয়ায় যুহদ অবলম্বন করে চলতেন, সেগুলো পড়ে আমার চোখ দিয়ে পানি এসে পড়েছিল। প্রখ্যাত সাহাবী আবু যর্ (রা:) এর যুহদ অবলম্বন করার ঘটনা গুলো আমাকে দুনিয়া বিমুখীর ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি ভাবিয়েছে। সবাইকে সাজেস্ট করবো এই বইটি একবার হলেও পড়ার জন্য।"
Sheikh Abir Hossain , Sep 7, 2022
"বইটায় যে বর্ণনাগুলো আছে সেগুলার সূত্র দেওয়া থাকলে ভালো হতো , কোনটা সহীহ কোনোটা দুর্বল এটা বুঝতে না পেরে পাঠক বিভ্রান্তিতে পরবে ..."
MD FARHAD HOSSAIN , Jul 7, 2022
"thank you"
abm ahad Uddin , Dec 12, 2021
"গুড"
AbdurRahman , Dec 10, 2021
"Very good"
Ahsan habib , Sep 19, 2021
"আলহামদুলিল্লাহ্"
সত্য মিথ্যার পার্থক্য , Aug 12, 2021
"good"
sohan , May 20, 2021
"Alhamdulillah"
Nasrin Sultana , Oct 6, 2020
"খুব ভালো বই"
sofikul , Jan 19, 2020
"আলহামদুলিল্লাহ ভালো লাগলো বইটির রিভিউ দেখে আসলে সত্যি বলতে কি আমার আজ বই অর্ডার করার মত কোনো মন মানসিকতা ছিলনা কিন্তু আজ এই বইটি চোখে পড়তেই কেমন জানি পছন্দের তালিকায় চলে আসলো আর বইটির কিছু পৃষ্ঠা পড়ার পর খুব ভালো লাগলো আর মনের গহিনে চলে গেলো কিছু রচনা আহ মনটা গলে গেলো তাই আমার একটাই অনুরোধ বই পড়ুন দ্বীন সম্পর্কে জানতে পারবেন"
Abdur Rahman , Dec 24, 2019
"সাহাবায়ে কেরামের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো যত কিছুই হোক না কেন সাহাবীগণ কখনো আল্লাহ প্রদত্ত এবং রাসূল (স:) প্রদর্শিত ইসলাম থেকে বিচ্যুত হন নি। সাহাবীদের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল এবং কিভাবে অতিবাহিত করেছেন সেই আলোকে লেখা একটি অন্যতম বই হলো "কিতাবুয যুহদ্" । যা আজ থেকে প্রায় সাড়ে এগারোশত বছর পূর্বে ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রচিত এক মহামূল্যবান গ্রন্থ। বইটি মূলত একটি হাদীসের বই। এখানে স্থান পেয়েছে বেশকিছু সাহাবী (রা:) এর দুনিয়াবী কর্ম ও দৃষ্টিভঙ্গি সংক্রান্ত হাদীসগুলো। অভিজ্ঞ অনুবাদক আব্দুস সাত্তার আইনী কতৃক বাংলায় অনুবাদের পর যার নাম হয়েছে "সাহাবীদের চোখে দুনিয়া" !! . ▶ সার-সংক্ষেপঃ- বইতে মোট ২৩ জন সাহাবীর দুনিয়া সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি আলোচনা করা হয়েছে। তারা কিভাবে দুনিয়ার জীবনে চলাফেরা করেছেন, দুনিয়ার ক্ষনিকের মোহ তাদের কিভাবে স্পর্শ করতো এসবকিছু আলোচনার পাশাপাশি জানা যাবে তাদের ইমাণদীপ্ত জীবনের কথা। রাসূল (স:) সাহাবীদের যখন যেভাবে নির্দেশ করতে সাহাবায়ে কেরামগণ তখনই তা পালন করতে সচেষ্ট হতেন। শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তারা কিভাবে ইসলামের উপর অটুট ছিল। তারা দুনিয়ার সফলতা নয় বরং আখেরাতের সফলতা পেতেই ব্যকুল ছিলেন। এভাবে ২৩ জন সাহাবায়ে কেরামের দুনিয়াবী জীবন সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে " সাহাবীদের চোখে দুনিয়া " বইতে। . ▶ বইটি কেন পড়বেনঃ- ১। আপনি যদি দুনিয়ার চিন্তায় সারাক্ষন ব্যস্ত থাকেন। দুনিয়ায় ব্যস্ততায় আল্লাহর ইবাদত করার মত সময় পাচ্ছেন না। তাহলে বইটি একবার হলেও পড়ুন। জানতে পারবেন সাহাবীগন জীবনের শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কত সাধারণ জীবনযাপন করেছেন। কিন্তু তারপরও তারা আল্লাহর ইবাদত করা থেকে পিছপা হননি। (২) বইটি এ জন্য পড়বেন যে বইতে পাবেন সাহাবাগণের দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি এবং আখিরাতের প্রতি আসক্তি বিষয়ক অনেক হাদীসের সমাহার। (৩) আপনার জন্য বইটি হতে পারে সাহাবায়ে কেরামের দুনিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানার এবং তাদের আদর্শ জীবনে বাস্তবায়ন করার এক অনন্য মাধ্যম। . ▶ বইয়ের গুণগত মানঃ- বইয়ের কভার, প্রচ্ছদ, বাইন্ডিং যথেষ্ট ভালো। ভিতরের পৃষ্ঠাসজ্জা ও পেজ কোয়ালিটি উন্নত মানের। দক্ষ অনুবাদক জিয়াউর রহমান মুন্সীর অনুবাদে বইটি হয়েছে সহজ, সাবলীল ও প্রাণবন্ত। বিষয়সমূহের ধারা বর্ণনা, ভাষাশৈলী ও উপযুক্ত শব্দচয়ন বইটিকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। বইতে বুক মার্কের জন্য ফিতারও ব্যবহার রয়েছে। আপনি চাইলেই যে যায়গায় পড়া বন্ধ করেছিলেন সেখান থেকে বুকমার্কের সাহায্যে আবার পড়া শুরু করতে পারবেন। ▶ যা কিছু ভালো লাগে নিঃ- (১) বইয়ের হাদীসগুলো তাহকীক করা নেই। কোন হাদীস সহিহ, কোনটি যঈফ ইত্যাদি নির্ণয় করা থাকলে ভালো হতো। (২) বইতে হাদিসগুলোর অনুবাদ দেয়া আছে কিন্তু কোন আরবী ইবারত দেয়া নেই । এক্ষেত্রে আরবী ইবারত সহ থাকলে ভালো হতো। . ▶ ব্যক্তিগত অনূভুতিঃ- ব্যক্তিগত অনূভুতি যদি বলতে হয় তাহলে বলবো বইটি এককথায় অসাধারন। বইটি পড়ার পর পাঠক বুঝতে পারবেন সাহাবায়ে কেরামের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল। আরো জানতে পারবেন তাদের আচার আচরণ ও কর্মপন্থা সম্পর্কে। যা আমাদের জন্য অনুসরণীয়। সাহাবীদের দুনিয়ার জীবন থেকে শিক্ষনীয় অনেক কিছু আছে। কেননা তারা ছিলেন রাসূল (স:) এর সহচর্চ প্রাপ্ত , উম্মাহর শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম এবং তাদের মধ্যে অনেকে দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ লাভ করেছেন। তাই সকল পাঠকের প্রতি অনুরোধ বইটি একবার হলেও পড়ুন আর জীবনকে রাঙিয়ে তুলুন সাহাবায়ে কেরামের জীবন ও আদর্শের আলোকে। ,"
Md. Sabbir Hossain , Oct 28, 2019
"এই বইটি অসাধারণমূল্যবানএকটি বই। সবাইকে পড়ার অনুরোধ করছি.........."
Md Omar Faruk , Oct 22, 2019
"অসাধারণ বই///"
Jahidur Rahman , Oct 22, 2019
"নবি-রাসূলগণ যেই দৃষ্টি নিয়ে দুনিয়াকে দেখতেন তা সবচেয়ে বেশি যারা মনে প্রাণে আত্মস্থ এবং উপলব্ধি করেছিলেন তারা হচ্ছেন সাহাবা রাদিয়াল্লাহু আনহুম আজমাইন। ১৪০০ বছর পরে আজকের এই যুগে আমরা যদি ইসলামকে উপলব্ধি করতে চাই তবে অবশ্যই জানতে হবে সাহাবিরা ঠিক কোন চোখে এই দুনিয়াকে দেখেছেন, কোন দৃষ্টিভঙ্গির কারণে দুনিয়া ও আখিরাতে সফলদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। সাহাবিদের চোখে দুনিয়া বইটি পড়লে বিখ্যাত সাহাবিদের জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি জানার পাশাপাশি জানা যাবে, দুনিয়াকে কোন চোখ দিয়ে দেখলে আমরা দুনিয়া এবং আখিরাতে সফল হতে পারবো।"
Md 🆂🅰🅳🅸🅺 , Oct 20, 2019
"পড়া হয় নাই"
Sabbir , Oct 11, 2019
"আয়েশা সিদ্দীকা রাযি. বলেন, 'রাসূল ﷺ-এর ইন্তেকালের পর আমি পরিতৃপ্তির সঙ্গে খাবার খাইনি। যদি কাঁদতে চাইতাম, কাঁদতে পারতাম। (অর্থাৎ দুঃখ-বেদনা প্রকাশ করতে পারতাম।) মুহাম্মাদ ﷺ-এর পরিবার তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত তৃপ্তিসহকারে খেতে পায়নি।' . তাই বলে কি তিনি অন্যের দুয়ারে হাত পেতেছেন? না। তিনি আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন এবং পর্দার ব্যাপারে দৃঢ়পদ ছিলেন। নিচের বর্ণনাটি এর সাক্ষ্য দেয়: আয়েশা রাযি. বলেন, 'যে-ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করতে গিয়ে মানুষের বিরাগভাজন হয়, মানুষের বিপক্ষে আল্লাহ তাআলাই তার জন্য যথেষ্ট। আর যে-ব্যক্তি মানুষকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে আল্লাহর বিরাগভাজন হয়, আল্লাহ তাকে মানুষের মুখাপেক্ষী করে দেন।" . আল্লাহর বাণী: 'আর তোমরা স্বগৃহে অবস্থান করো এবং জাহিলি যুগের মতো নিজেদের প্রদর্শন করে বেড়াবে না। তোমরা সালাত আদায় করবে এবং যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর আসূলের অনুগত থাকবে।'[সূরা আহযাব, ৩৩] আয়েশা রাযি. যখন এই আয়াতটি পাঠ করতেন, খুব কাঁদতেন। এমনকি তাঁর ওড়না ভিজে যেতো। . বই: সাহাবিদের চোখে দুনিয়া লেখক: ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল রহ."
Abu Abdullah , Apr 1, 2019
"প্রায় ১২০০ বছর আগের বই পড়ছি শুনলেই কেমন যেন লাগে। তাও আবার ইমাম বুখারি, মুসলিম এর উস্তাদ এর বই। আসলেই সেই একটা বই ছিল। একেবারে অন্তর কেপে যায়।"
Md Hasan , Apr 1, 2019
"রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়কাল ছিল সর্বশ্রেষ্ঠ সময়। তারপর ছিল সাহাবায়ে কিরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আজমাঈনের যুগ। আজকের জামানা আর সাহাবাদের জামানার মাঝে রয়েছে বিস্তর ফারাক। সাহাবিদের উচ্চ মর্যাদা ও গুণাবলির কারণেই আল্লাহ তাদেরকে দ্বীনের জন্য রাসূলের সাথী হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। তাদের সকল কাজই ছিল আখিরাতমুখী। দুনিয়া ওপর সব সময় আখিরাতকে প্রাধান্য দিতেন তারা। আর আমাদের অবস্থা হলো একেবারে উল্টো। আখিরাতমুখী কাজগুলোও যেন শুধু দুনিয়ার আশায় করি আমরা। দুনিয়া ও আখিরাতের মাঝে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে বললে, আমরা কেন যেন মুখ স্বীকার না করলেও অন্তরে দুনিয়াকেই বেছে নিই। আমাদের কাজে কর্মে এটা স্পষ্ট। এজন্য আমাদের প্রয়োজন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় সাহাবিদের চোখে দুনিয়াকে জানা, তাদের চোখে দুনিয়াকে দেখা। তদুপরি তাদের মতো দুনিয়ার ওপর আখিরাতকে প্রাধান্য দেওয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টা করা।"
Shamim Hossain , Apr 1, 2019
"দারিদ্রতা কী? স্বচ্ছলতা কী? আমাদের আশে পাশে এমন অনেক মানুষ লক্ষ্য করা যায়, যাদের বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদ থাকা পরেও "আরো চাই, আরো চাই" এমন লোভী মনোভাবের কারণে কখনোই তারা সন্তুষ্ট হতে পারেন না। সারাক্ষণ যেনো অভাববোধ লেগেই থাকে তাদের জীবনে। অন্যদিকে, এমন কিছু মানুষও আমরা দেখতে পাই, যারা হয়তো আর্থিকভাবে ততটা স্বচ্ছল নন কিন্তু পাওয়া- না পাওয়া নিয়ে তাদের আফসোস নেই। যা আছে তাতেই যেনো তারা পরিতৃপ্ত । তারা আল্লহর শোকর আদায় করেন এবং আখেরাতের অনন্ত জীবনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করেন। অভাববোধহীনতার কারণে তাদেরকে যেনো উপরোক্ত উচ্চবিত্ত শ্রেণীর চেয়েও অধিক স্বচ্ছল ও সুখী মনে হয়। জীবনের এই দৃষ্টিভঙ্গি উম্মতের সেরা প্রজন্ম সাহাবিরা কিভাবে নিয়েছিলেন তা উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)'র মুখেই শোনা যাক- "অবশ্যই তোমরা জেনে রেখো, লোভই দারিদ্রতা; আর অভাবহীনতার বোধই স্বচ্ছলতা। মানুষ যখন কোন বস্তু থেকে অভাবহীন বোধ করে, তখন তার ওই বস্তুর কোন প্রয়োজন থাকেনা।" "সাহাবিদের চোখে দুনিয়া"(হাদিস নং- ৫৫)"
Jamil Hasan , Apr 1, 2019
"বনী ইসরাইল অভিশপ্ত জাতিতে পরিণত হওয়ার পিছনে কারণগুলোর ভিতর একটা অন্যতম কারণ ছিল, দুনিয়ার প্রতি এ্যাটাচমেন্ট এবং নেয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞতা। প্রত্যেক যুগে নবি রসুল এসেছিল জাতিকে এই দুনিয়া পুজা থেকে মুক্ত করে আল্লাহর উবুদিয়াতের দিকে ফিরিয়ে আনার জন্য। ‘যুহুদ’ বা দুনিয়াবিমুখতা নবি এবং আল্লাহ ওয়ালাদের অন্যতম একটি আমল। কিন্তু “দুনিয়াকে কতটুকু নিতে হবে?” এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে এক শ্রেণীর মানুষ হয়েছে সংসার বিরাগী। ইসলামে বৈরাগ্যবাদের কোনো স্থান নেই; তবে যুহুদ-এর গুরুত্ব অপরিসীম। কীভাবে দুনিয়াতে অবস্থান করেও দুনিয়া বিমুখ জীবনযাপন করতে হয়, সেই শিক্ষা হাতে কলমে শিখিয়ে গেছেন রসূল ﷺ, আর তাঁর শেখানো পদ্ধতিতে আমল করে গেছেন সাহাবা রদিয়াল্লাহু আনহুম আজমাইন। . নববী যুগের নিকটতম সময়ে যুহুদ নিয়ে যেসব সহী হাদীসের গ্রন্থ সংকলন করা হয়েছিল, সেসবের মধ্যে অন্যতম প্রাচীন গ্রন্থ হচ্ছে ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহ. এর ‘কিতাবুয যুহুদ।’"
Ariful islam , Apr 1, 2019
"দুনিয়াকে আমরা নিজেদের কল্পিত চশমা দিয়ে দেখতেই বেশি পছন্দ করি। কল্পনার ক্যানভাসে দুনিয়াকে নিয়ে হাজারও রঙিন ছবি আঁকি। অথচ এটা যে মেকির জগত, এ কথাটা বুঝতে চাই না। আর বুঝলেও মানতে চাই না। আসলে দুনিয়ার ভালোবাসা আমাদেরকে প্রতারিত করেছে, স্রষ্টার স্মরণ থেকে গাফিল করে দিয়েছে। কাফিরদের উন্নতি আর সমৃদ্ধি দেখে আজ আমাদের অন্তরে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। অথচ ওদের সুখটা কেবল দুনিয়াতেই। আখিরাতে ওদের কোনো অংশ নেই। . কিন্তু মুমিনদের জন্যে? দুনিয়া মুমিনদের জন্যে জেলখানা। হ্যাঁ, সত্যিই। রাসূল (স.) এমনটাই বলেছেন। মুমিনের জন্যে এটা আরাম-আয়েশের জায়গা নয়। এখানে একজন মুমিন তার দ্বীন ও ঈমানের জন্যে তীব্র কষ্ট আর মুজাহাদা করবে। এবং আখিরাতে এর উত্তম বদলা পাবে। . নাওফ আল বিকালি (রাহ.) একটি ঘটনা বর্ণনা করেন। একবার একজন মুমিন আর একজন কাফির মাছ শিকার করতে বের হলো। কাফির জাল ফেলতে লাগলো এবং তার দেবতাদের স্মরণ করতে লাগলো। তার জাল ভরে মাছ উঠতে লাগলো। আর মুমিন ব্যক্তি জাল ফেলতে লাগলো আর আল্লাহকে স্মরণ করতে লাগলো। কিন্তু তার জালে কোনো মাছ উঠে আসছিলো না। . তাঁরা দুজনেই সূর্যাস্ত পর্যন্ত মাছ শিকার করলো। মুমিন ব্যক্তিটি একটিমাত্র মাছ শিকার করতে পারলো। সে যখন মাছটি হাত দিয়ে ধরতে গেলো, সাথে সাথেই মাছটি পানিতে পড়ে গেলো। সে শূন্যহাতে ফিরে এলো। তার কাছে কোনো মাছই ছিলো না। কিন্তু কাফির ব্যক্তিটির নৌকোভর্তি মাছ ছিলো। . এ দৃশ্য দেখে মুমিন ব্যক্তির ফিরিশতা আশাহত হলো। সে বললো, ‘হে আমার রব, আপনার এই মুমিন বান্দা আপনাকে ডেকেছে, অথচ সে খালি হাতে ফিরে এসেছে। আর আপনার কাফির বান্দা তার নৌকোভর্তি মাছ নিয়ে বাসায় ফিরেছে।’ আল্লাহ তাআলা ফিরিশিতাটিকে ডেকে বললেন, ‘এদিকে এসো।’ . আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতে ওই মুমিন বান্দাটির অবস্থান দেখালেন। এরপর বললেন, ‘আমার মুমিন বান্দা এখানে আসার পর সবকিছুর কষ্ট ভুলে যাবে।’ এরপর তিনি ফিরিশতাকে ওই কাফির বান্দাটির জাহান্নামের অবস্থান দেখালেন। এরপর বললেন, ‘সে দুনিয়াতে যা কিছু অর্জন করেছে, তা কি এখানে তার কোনো কাজে আসবে?’ ফিরিশতা বললো, ‘না, আল্লাহর কসম! হে আমার রব।’ জীবনের এই দৃষ্টিভঙ্গি উম্মতের সেরা প্রজন্ম সাহাবিরা কিভাবে নিয়েছিলেন তা উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)'র মুখেই শোনা যাক- " অবশ্যই তোমরা জেনে রেখো, লোভই দারিদ্রতা; আর অভাবহীনতার বোধই স্বচ্ছলতা। মানুষ যখন কোন বস্তু থেকে অভাবহীন বোধ করে, তখন তার ওই বস্তুর কোন প্রয়োজন থাকেনা।" "সাহাবিদের চোখে দুনিয়া"(হাদিস নং- ৫৫) জীবনের সকল জটিল বিষয় সহজ করতে আমাদের পড়া প্রয়োজন সাড়ে এগারো শত বছর আগের কিতাব ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ)র কিতাবুয যুহদের ২য় অংশ সাহাবিদের চোখে দুনিয়া"
abdur rahman , Mar 23, 2019
"নবি-সাহাবিদের চোখে এই দুনিয়া ঠিক কেমন ছিল এই বিষয়কে কেন্দ্র করে সালাফদের মাঝে যারা কিতাব রচনা করে গিয়েছেন তাদের মাঝে ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল অন্যতম। তার রচিত সাড়ে এগারো শত বছর পূর্বের "কিতাবুয যুহদ" এর অনুবাদ হিসেবে মাকতাবাতুল বায়ান থেকে ইতোপূর্বেই প্রকাশিত হয়েছে প্রথম খন্ড "রাসূলের চোখে দুনিয়া"। তারই ধারাবাহিকতায় এবার দ্বিতীয় পর্ব "সাহাবিদের চোখে দুনিয়া"। এই খন্ডে বিখ্যাত সাহাবিদের জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি জানার পাশাপাশি জানা যাবে, দুনিয়াকে কোন চোখ দিয়ে দেখার মাঝে এই উম্মতের সফলতা, দুনিয়া এবং আখিরাতের কল্যাণ নিহিত সেই রুপরেখা।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"সাহাবিদের চোখে দুনিয়া" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: