হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
পুতুলনাচের ইতিকথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

১ম, ২০১৫

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

পুতুলনাচের ইতিকথা

4 Ratings | 1 Reviews
TK. 249 TK. 300 -17% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

Title পুতুলনাচের ইতিকথা
Author মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
Publisher রচনা প্রকাশ
Edition ১ম, ২০১৫
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 176
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.296 Kg
ISBN 9789849147480
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

4.25

4 Ratings and 1 Reviews

★★★★★
1
★★★★☆
3
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

১টি
asif ubada

asif ubada , Jun 6, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"(বই পর্যালোচনা) —খোবাইব হামদান 📚 - পুতুলনাচের ইতিকথা ✒ - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় 📘 - উপন্যাস 📃 - (১৪৫-১৫০) পৃষ্ঠা প্রথম প্রকাশ - ১৯৩৬ খৃষ্টাব্দ ◽◽ •“সংসারে মানুষ চাই এক অার হয় অার হয়, চিরকাল এমনই দেখে অাসছি ডাক্তারবাবু। পুতুল বৈ তো নই অামরা, একজন অাড়ালে বসে খেলাচ্ছেন।”• কামনা নাচায়, ভোগ নাচায়, অনুভূতিরা নাচায়, বিশ্বাস নাচায়, অবেগ নাচায়, জীবন নাচায়, এমনকি নাকি বিশ্বাসও নাচায় অদ্ভুত রঙ্গশালায়। রঙ্গশালার মঞ্চে পুতুল হয়ে নাচে মানুষ। মানুষ কি এমনভাবে নাচতে চায়? নাকি নাচে অনিচ্ছায়? নিজের অজান্তে নাচে, নাকি জানার পরও নাচে? নাচতে যদি চায় নাচুক, যদি অনিচ্ছায় নাচে তবে কি মানুষ ভোগ বিলাস, অনুভূতি বা পরিস্থিতির হাতে অস্বাধীন। মানুষ কি এমনভাবে নাচতে বাধ্য? জীবন নামক অনির্দিষ্ট একটি সময়কে গতি দিতে মানুষ খুব নাচে। সেই পুতুল ও নাচের গল্পে মানবজীবন, তার উপলব্ধি ও পরিবর্তনের বর্ণনা দিয়েছেন বিজ্ঞানমনস্ক লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় তার "পুতুলনাচের ইতিকথায়"। •“গ্রামের লোকের অনুমান শক্তি প্রখর। সকালে অাকাশের দিকে চাহিয়া তাহারা বলিতে পারে বিকালে বৃষ্টি হইবে। বিকালে যদি নেহাত বৃষ্টি না-ই হয় সে অপরাধ অাকাশের।” • গ্রামের মানুষ যেমনটা সহজ, সরলমনা তেমনই অাবার কঠিন ও বিদঘুটে। তারা পশুবলিকে ধর্ম অার পশুপ্রেমকে অধর্ম মনে করে। তাদের কাছে ডাক্তারের চেয়ে কবিরাজ, জজের চেয়ে শালিশকর্তা অার বুদ্ধিমান জ্ঞানীর চেয়ে কথিত পীর, ফকির, সন্ন্যাসীর মর্যাদা বেশী। এমনই গ্রামের মধ্যে একটি গ্রাম, "গাওদিয়া গ্রাম"। যেটা উপন্যাসের পটভূমি। জীবন চালনের ইশারায় গল্পের তাগিদে এই গেঁয়ো লোকেরাও দেখেছে বাহিরের পথ, বাজিতপুর এলাকায় তাদের যাওয়া অাসা খুবই সাধারণ। কখনো গিয়েছে সুদূর কলিকাতা শহরে। গেঁয়ো লোক বলতেই সবাই দুর্বিনীত নয়, কেউ কেউ বিনীত ও ভদ্র হতে শিখেছে, তাদের একজন শশী(উপন্যাসের প্রধান চরিত্র)। সে এ গ্রামের পাশকরা ডাক্তার। গেঁয়ো লোকের অভদ্রতা ও বিরূপ মানসিকতা নিয়েই সে পড়তে গিয়েছিল কলকাতা মেডিকেল কলেজে। শহরে পড়তে যাওয়ার সময় যার মন মননে চেপেছিল অর্থ জমানোর ব্যগ্রতা, হৃদয় ছিল যার সংকীর্ণ, মস্তিষ্কের ব্যবহার করতে যে অাছাড় খেত, চিন্তাশক্তি ছিল যার ভোতা, রসবোধ যার স্থূল। তার এসবকে পরিবর্তন করে দিয়েছে কুমুদ (তার বন্ধু)। শশীকে কুমুদ ভেঙে ভেঙে গড়েছে। শশীকে বুঝিয়েছে ধর্ম কী, গোঁড়ামি কী? কোনটা থিংক কোনটা টেনশন? গেঁয়ো গোঁড়ামির বিরুদ্ধে তার মনন-মনে ভরিয়ে দিয়েছে কল্পনা, ভাবাবেগ, রসবোধ, সুচিন্তা ও প্রেম। তার জন্য এ-শহরের পরিবেশও তাকে সাহায্য করে। সে শশী ফিরেছে গ্রামে প্রেকটিস করছে গ্রামেই। গ্রামের মানুষের সেই একমাত্র চিকিৎসক। শহরের মুক্তচিন্তায় গঠিত মন-মননের নতুন মানুষ শশী, সে এখন গ্রামে তার গ্রামীণ জীবনযাপন, সেখানকার মানুষের সাথে তার সম্পর্ক, তার ও তাদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মূল অলোচনা হয়েছে পুতুলনাচের ইতিকথায়। শশী একদিকে যার তীক্ষ্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও গ্রামের প্রতি মমত্ববোধ অন্যদিকে তার পালাই পালাই করা মন। মাঝেমাঝে যে গ্রামের মানুষের কাছে অামৃত্যু বেঁচে থেকে তাদের ভালোবাসায় সিক্ত হতে চাই, সে অাবার পাড়ি দিতে চাই অনেকদূরে কোথাও। যেখানে অজ্ঞতার লেশও নেয়। কী চাই শশী? যে গ্রামের লাবণ্যময়ীতার পরশ খোঁজে সে অাবার শহরের চাকচিক্যময়িতার স্বপ্নও দেখে। কি খোঁজে শশীর মন? লেখক তাকে ফেলেছে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দে। গ্রামের দুএকজন মানুষের প্রেম যদিও শশী অাটকে দিয়েছে তার জীবন এই গ্রামে। গোপাল দাশকে (তার বাবা) সে ভালোবাসে কিনা সে সেই জানে তবে শ্রদ্ধা সে নিশ্চয়ই করে। তবে চারজনের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা তার অারও স্পষ্ট খুঁজে পাওয়া যায় সেখানে দুটি অন্যতম। সে দুজন মতি ও কুসুম। কেউ একজনকে নিয়ে সে বাঁচতে চাই এ দুনিয়ায়। কাকে নিয়ে বাঁচতে চাই সে? সেটা নির্মূলন কে করবে? পরানো বোন মতি নাকি পরানের বউ কুসুম। মতিকে হয়তো শশী খুব ভালোবাসে, তবে এখনও ছোট বলে উপেক্ষা ও অপেক্ষার জালে সেটা বলা হয়নি। যখন একদিন কলেজবন্ধু কুমুদ যাত্রাদলের প্রবীর হয়ে অাসে গ্রামে, মতি হয়ে যায় তার দিওয়ানা। তাকে প্রচন্ডরকম ভালোবেসে ফেলেছিল মতি। তালবনে হারিয়ে যাওয়া কানের দোলও কুমুদ তাকে কিনে দেয়। একসময় মতি কুমুদকে দেখতে এমনিতেই কলকাতা ঘুরে অাসে। কুমুদ যখন মতিকে বিয়ে করতে অাসে শশী তা মানতে পারছিল না। এমনকি শশী মতিকে নিজে বিয়ে করতে চেয়ে কুসুমকে সে কথা বললে কুসুম হেসে উড়িয়ে দেয়। কুসুম এক রহস্যময়ী নারী। কি চাই কুসুম? কেন মতির বুকে টেথোস্কোপ ধরা নিয়ে কুসুমের অাপত্তি! সেটা শশীও বুঝতে পারে না। কুসুম খুব উঠেপড়ে মতির বিয়েটা সেরে ফেলতে চাই। কিন্তু কেন? কুমুদ কি এতোই যোগ্য? কই মতি তো যে কুমুদকে ভালোবেসেছিল তাকে বিয়ের পরে অার খোঁজে পায়নি। তবে কেন কুসুম এতো ব্যস্ততা নিয়ে মতির বিয়েটা দিয়েছে। মতির বিয়ে হয়ে গেলে শশীর একটি প্রেমপাত্র হারিয়ে যায়। হারিয়ে যায় গ্রামে বেঁচে থাকার অাধেক নিশ্বাস। ছিন্ন হয়ে যায় একটি অাশ্রয়। ▫(কুমুদ ও মতির বিয়ে পরবর্তী জীবন মাফিক গল্পকে যদিও লেখক বলেছে সেটা 'পুতুলনাচের ইতিকথায়' প্রক্ষিপ্ত। তবে যেটুকু বলেছেন সেখানে কুমুদের অস্বাভাবিক যাযাবর জীবন নিয়ে অসাধারণ কাহিনী উঠে এসেছে। ধীরে ধীরে গেঁয়ো মেয়ে মতি কি করে হয়ে যায় একজন ভবঘুরে নারী ও তাদের পরবর্তী জীবন নিয়ে লেখক যদি কোথাও লেখে তবে পড়ার ইচ্ছে অাছে। এই কাহিনীটি অামার কাছে খুব ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে।) ▫ কুসুম যে শশীকে নীরবে নীরবে ভালোবাসে সেটা শশী বুঝতে পারেনা। কুসুম অার কি করবে, কুসুম হাতভাঙার ছুতো ধরে শশীর রুমে অাসে। পেটব্যথার ছুতোয় শশীকে ডাকে, মতির কথা জানতে তালবনে ডেকে অানে। এমনকি বলে উঠে, “চাঁদনী রাতে অাপনার সাথে কোথাও চলে যেতে স্বাদ হয় ছোটবাবু।” তবুও শশী বুঝে না। কুসুমের সাথে এমন কথাও হয়, “অাপনার কাছে দাঁড়ালে অামার শরীর এমন করে কেন ছোটবাবু? শরীর! শরীর! তেমার মন নাই কুসুম?” তবুও শশী বুঝে না। কুসুম কি চাই? কুসুম তাকে ভালোবাসে! শশীর মনে কুসুমের ভালোবাসাটা বুঝে ছিন্ন হওয়া অাশাটা সেদিন ফিরে। যেদিন কুসুমের গাওদিয়া গ্রাম ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ফাইনাল হয়ে যায়। এমনকি পরানও যাচ্ছে এবং বাবাও তাকে নিতে এসেছে। যখন বুঝতে পারে কুসুমই এখন তার একমাত্র অাশ্রয়স্থল, কুসুমের ভালোবাসা যখন ঘোর কেটে যায় তখন খুব দেরী হয়ে যায়। কুসুম এবার হৃদয়হীন মানবীতে পরিণত হয়। কুসুম চলে যাবে এই শেষ সিদ্ধান্ত। “মনটা কেমন করিয়া উটে শশীর। হয়তো পরশু, তার পরদিন কুসুম গাঁ ছাড়িয়া যাইবে, অার অাসিবে না।” সেই চিন্তায় হঠাৎ শশী বিগড়ে যায়, মরিয়া হয়ে কুসুমকে তালবনে ডেকে যখন হাত ধরে পালানোর কথা বলে, কুসুম উত্তর করে, “কতবার নিজে যেচে এসেছি, অাজকে ডেকে এনে হাতধরা টরা কি উচিত ছোটবাবু?” এই শুনে শশীর মুখ অাধো পাংশু হয়ে যায়। শশী যখন জোড় করে কুসুম বলে “এমন স্বস্তা হইনি ছোটবাবু”। একদিন নির্লজ্জের মতো হাতভাঙার ছোতা নিয়ে রুমে অাসা নারীটি এই উত্তর। একদিন “চাঁদনী রাতে অাপনার সাথে কোথাও চলে যেতে স্বাদ হয় ছোটবাবু।” বলা মেয়েটির অাজ পালিয়ে যেতে বাঁধা কেন? যে মেয়েটি একদিন কথা না পেলে বানিয়ে বলার চেষ্টা সে অাজ কথাও বলতে চাই না। তাহলে কি অাজ সত্যিই কুসুমের মনে অার ভালোবাসা বেঁচে নেয়। কুসুম চলে যায় গাওদিয়া গ্রাম ছেড়ে, তালবন ও তালবনের গল্প ছেড়ে, শশীকে ছেড়ে। এমনইভাবে দ্বিতীয় অাশ্রয়স্থলও শশীর হারিয়ে যায়। শশী হয়ে যায় একেবারে নীরব। এই সেই শশী অাজ নীরব যে কিনা নিজের যোগ্যতার ভিত্তিতে গ্রামে মান্য গণ্য হয়ে উঠে। সে হয়ে যায় নীরব। প্রেমের কি নিদারুণ অপচয়! ভালোবাসায় কি কঠিন উপেক্ষা! যে পরানকে সে ভালোবাসতো সেও একদিন শশীর চিকিৎসায় অবিশ্বাস করে বাজিতপুরে চলে যায়। পরানের অবিশ্বাস ছিল নাকি রাগ ছিল সেটা সে মনেই গেঁথে রেখেছে। যামিনী কবিরাজের বৌ সেনদিদিও তো তারা একে অপরকে ভালোবাসতো। সেনদিদি বসন্তের চিকিৎসা কুৎসা রটনা উপেক্ষা খুব রাতদিন ভূলে করেছে। গোপাল ও যামিনীর যদিও কথা শুনতে হতো তবুও সে সেনদিদি বাঁচিয়ে তুলেছিল। অতঃপর সেনদিদি যখন গর্ভকালীন সময়ে মৃত্যুশয্যায় শুয়ে থাকে তখন সেদিকে নিজে থেকে শশী চোখ তুলে দেখতে চাই নি। পাঠকের মনে হবে, শশী স্বার্থান্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু মতি ও কুসুম যে তার চিত্তকে অাগুনের দাবানলে জ্বালিয়ে শেষ করে দিলো। যে হৃদয়ের ভালোবাসা প্রস্ফুটিত হয়ে সুরভি ছড়ানোর অাগেই উপকরণ ঝড়ে যায় সেটা কি অার জিন্দা থাকে! যাদের ভালোবাসা শশীকে এ গ্রামে বেঁধে রেখেছিল অতঃপর তারা কেউ অার থাকলো না। এখন কি গ্রামের লাবণ্যময়ীতায় মমত্ববোধ রেখে এখানেই নিজের অামৃত্যু বেঁচে থাকবে নাকি চাকচিক্যময় স্বপ্নের শহরে সে চলে যাবে? যাদবের হসপিটালের দায়িত্ব যে তাকে বেঁধে রেখেছে। সে বাঁধাটি খুলার জন্য সে অারেক ডাক্তার বন্ধুকে ডেকেছে। এখন কি সে প্রতিবন্ধকতা ভেঙে স্বপ্নের শহরে স্বাধীন হবে? নাকি তার এই প্রতিবন্ধকতা তাকে পুতুল করে নাচাবে? নাকি যাবে গোপাল দাশের দুনিয়ায়? গোপালের মনমতো মঞ্চের পুতুল হতে। ©খোবাইব হামদান ২৩/০২/১৪২৭ ০৬/০৬/২০২০"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

1 টি

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

Q

এটার কি হার্ডকাভার?

880****093 • 17 Feb, 2025
A
প্রিয় গ্রাহক, বইটি হার্ডকভার। ধন্যবাদ।
Rafid Ahmed • 17 Feb, 2025

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"পুতুলনাচের ইতিকথা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
পুতুলনাচের ইতিকথা পাতা: 1 / 1
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।