হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
পথের দাবি - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

পথের দাবি

7 Ratings | 4 Reviews
TK. 339 TK. 390 -13% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

শরৎচন্দ্রের দৃষ্টি ডুব দিয়েছে বাঙালির হৃদয়রহস্যে। সুখ-দুঃখে মিলনে-বিচ্ছেদে সংঘটিত বিচিত্র সৃষ্টির তিনি এমন করে পরিচয় দিয়েছেন বাঙালি যাতে আপনাকে প্রত্যক্ষ জা...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

শরৎচন্দ্রের দৃষ্টি ডুব দিয়েছে বাঙালির হৃদয়রহস্যে। সুখ-দুঃখে মিলনে-বিচ্ছেদে সংঘটিত বিচিত্র সৃষ্টির তিনি এমন করে পরিচয় দিয়েছেন বাঙালি যাতে আপনাকে প্রত্যক্ষ জানতে পেরেছে। তার প্রম
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title পথের দাবি
Author শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Publisher বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.26 Kg
Translator সেলিম আলফাজ
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

4.86

7 Ratings and 4 Reviews

★★★★★
6
★★★★☆
1
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

৪টি
Sabbir Rahman

Sabbir Rahman , Oct 18, 2022

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"ভালো!"

Shibu deb nath

Shibu deb nath , Apr 17, 2022

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"এককথায় অসাধারণ!!!"

Prosenjit Gain

Prosenjit Gain , Oct 24, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"Good"

tanjina rupa

tanjina rupa , Oct 22, 2019

★ ★ ★ ★ ★

""পথের দাবী" শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বিশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের আগষ্ট মাসে সর্বপ্রথম বঙ্গবানী পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছে।"আমরা সবাই পথিক। মানুষের মনুষ্যত্বের পথে চলবার সর্বপ্রকার দাবি অঙ্গীকার করে আমরা সকল বাধা ভেঙেচুরে চলবো।আমাদের পর যারা আসবে তারা যেন নিরুপদ্রবে হাটতে পারে।তাদের অবাধ মুক্ত গতি কে কেউ যেন রোধ করতে না পারে।" এই শপথের বলিয়ানে রচিত পথের দাবী।ভারতে ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক শাসনের বিরুদ্ধে রচিত এক অনন্য উপন্যাস পথের দাবী।উপন্যাসের শুরুতে দেখতে পাই অপূর্ব নামক এক যুবকের চরিত্র।অপূর্ব এমএসসি পাস তার মধ্যে রয়েছে ধর্মের তীব্র গোড়ামি অপূর্ব হিন্দু ধর্মের এমন কিছু নেই যা মানে না। শুধু যে মানে তাইই নয় গভীর বিশ্বাস ও করে।অপূর্ব এই উপন্যাসে আপামর সাধারন জনতার প্রতিনিধিত্ব করে।ভীরুতা কাপুরষতা স্বার্থপরতা যা চিরন্তন বাঙ্গালীর এক সাসাধারণ বৈশিষ্ট্য। এরা পরিবর্তন চায় যখন নিজের স্বার্থে আঘাত লাগে!এই পরিবর্তনের জন্য এরা বিন্দুমাত্র ত্যাগ কারতে চায় না।যদিও উপন্যাসটির শুরুতে মনে হতে পারে হয়তো অপূর্ব প্রধান চরিত্র বা নায়ক কিন্তু তা নয়।উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সব্যসাচী।সব্যসাচী একাধারে ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার এবং আইন বিষয়েও পারদর্শী।তাকে কখনো দেখি রেলওয়ের সাধারণ যাত্রী কখনো দেখি ডাক্তার আবার কখনো দেখি মাঝি হিসেবে।সব্যসাচী চরিত্র তার নামের যর্থাথতা বজায় রাখে। সব্যসাচী বিপ্লবী, প্রতিবাদী, যার প্রধান লক্ষ্যই হলো ভারতের স্বাধীনতা। স্বাধীনতা অর্জনের জন্যই সে গড়ে তুলেছিল এক গোপন সংগঠন যা এই পথের দাবী। পথের দাবী সর্ম্পকে সব্যসাচীর মন্তব্য - পথের দাবী আমার তর্কশাস্এের টোল নয়-এ আমার পথ চলার অধিকারের জোর।নিজের জন্মভূমিতেই যখন সাদা চামড়ার মানুষ না হওয়ার অপরাধে লাঞ্ছিত হতে হয়,বিচার চাইতে গেলে কপালে জোটে লাঞ্ছনা,অপরাধ না করেও যখন শাস্তি পেতে হয় তখন মানুষের তীব্র চাওয়া হয়ে দাড়ায় স্বাধীনতা। কারণ স্বাধীনতাই পারে পরাধীনতার অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে।এ সকল লাঞ্ছনা,দুঃশাসনের বিরুদ্ধেই লড়াই সব্যসাচীর।সব্যসাচী স্বপ্ন দেখে এক স্বাধীন ভারতের যেখানে কোনো রকম বৈষম্য থাকবেনা।সে স্বপ্ন দেখে ভারতের নব জাগরণের, পরাধীনতার শেকল ভেঙে এক নতুন জাগ্রত ভারতের। সমাজের পুরাতন, জীর্ণ,দুর্বল সবকিছু ভেঙে নতুনের আহ্বান তার কণ্ঠে।জীবনযাত্রায় মানুষের পথ চলবার অধিকার যে কত মহৎ তা তিনি সকলকে বোঝাতে চেয়েছিলেন।মানবজীবনের বৃহত্তম কাম্য হচ্ছে ধর্ম, শান্তি, কাব্য, ও আনন্দ। এদের একান্ত বিকাশের জন্যই প্রয়োজন স্বাধীনতা।তাইতো ভারতের স্বাধীনতা ছাড়া সব্যসাচীর দ্বিতীয় কোনো লক্ষ্য নেই।পরাধীনতার শেকল থেকে মুক্ত হওয়া সবার কাম্য তাইতো সুমিত্রা,ভারতী, তেলওয়ারকর আরো অনেকে পথেরদাবীর অংশীদার। সুমিত্রা এক দৃঢ় নারী চরিত্র। যার একান্ত কামনা ব্রিটিশ শাসনের অত্যাচার থেকে রক্ষা। সুমিত্রা মনে করে জীবনটা নির্বিঘ্নে কাটাতে পারাটাই জীবনের সার্থকতা নয়।মানুষের চিন্তা এবং প্রবৃত্তিই তার কর্মকে নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু পরের নির্ধারিত চিন্তা ও প্রবৃত্তিকে দিয়ে মানুষ যখন তার নিজের স্বাধীন চিন্তার মুখ চেপে ধরে তখন তার চেয়ে বড় আত্মহত্যা আর হতে পারেনা। আর এই আত্মহত্যা কে প্রতিরোধ করার একমাত্র উপায় স্বাধীনতা অর্জন। এই উপন্যাসে সুমিত্রা কে যেমন দেখি কঠোর চরিত্রে ভারতী কে দেখি কোমল চরিত্রে। ভারতী চায় মানুষ তার অধিকারের কথা যেন অকপটে, অসঙ্কোচে ও মুক্তকণ্ঠে বলতে পারে।দুর্বল, পীড়িত ক্ষুধিত ভারতবাসীর অন্ন বস্ত্রের অধিকার সেও চাই । কিন্তু স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সে শান্তির পথ কে সর্বশ্রেষ্ঠ মনে করে।সব্যসাচীর মনে হয় সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমেই স্বাধীনতা অর্জন করা যাবে অপরদিকে ভারতীর মনে হয় শান্তি ও ভালোবাসার মাধ্যমেই স্বাধীনতা অর্জন করা সম্ভব। উপন্যাসটি ব্রিটিশ শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদ ছিল।তাই দেখা যায় সেই সময়ে এর বিরুদ্ধে বিট্রিশ শাসনের তৎপরতা। পুলিশ কমিশনারের চিঠি ও নোট অনুযায়ী তদানিন্তন চিফ সেক্রেটারি পথের দাবীকে 'বিষময়' বলে উল্লেখ করেন। ১৯২৬ সালের ১১ ডিসেম্বর এডভোকেট জেনারেল ব্রজেন্দ্রনাথ মিত্র মত দেন যে পথের দাবী দেশদ্রোহকর ও বাজেয়াপ্তযোগ্য। ১৯২৭ এর ৪ জানুয়ারি প্রকাশিত গেজেটে পথের দাবী নিষিদ্ধ হয়। সারা দেশ জুড়ে এই নিষিদ্ধকরণ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ধ্বনিত হয়েছিল। আইনসভা তে সুভাষচন্দ্র বসু ও হরেন্দ্রনাথ চৌধুরী প্রশ্ন তোলে নিষিদ্ধকরণের যৌক্তিকতা নিয়ে।উপন্যাসটি পড়ার পর সত্যিই শরৎবাবুর সাহসের প্রশংসা করতে হয়।উপন্যাসটি যখন রচিত হয়েছে তখনো বিট্রিশ শাসন ভারতবর্ষে পুরোদমে চলছিল । শরৎবাবু কোনো রকমের সমঝোতার মাধ্যমে নয় বরং সরাসরি বিপ্লবের মাধ্যমেই ভারতের স্বাধীনতার কামনা করছিলেন যা এক কথায় বলা যায় ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি বিপ্লবের আহবান। এ ধরনের সাহসিকতার পরিচয় সেই সময় খুব কম সংখ্যক সাহিত্যিকই দিতে পেরেছিলেন।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"পথের দাবি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
পথের দাবি পাতা: 1 / 7
পাতা 2
পথের দাবি পাতা: 2 / 7
পাতা 3
পথের দাবি পাতা: 3 / 7
পাতা 4
পথের দাবি পাতা: 4 / 7
পাতা 5
পথের দাবি পাতা: 5 / 7
পাতা 6
পথের দাবি পাতা: 6 / 7
পাতা 7
পথের দাবি পাতা: 7 / 7
পাতা / 7
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।