১ম, ২০১৫
ঔপনিবেশিকোত্তর ঔপনিবেশিক মন
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন- ১
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন - ২য় খণ্ড
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
কিতাব পরিচিতি প্রয়োজনীয়তা ও পদ্ধতি
মাওলানা আবদুল্লাহ নাজীব
প্রতিষ্ঠান যেভাবে পরিচালনা করবেন - ৩য় খণ্ড (ইলমের দাওয়াত)
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
গবেষণা ৩৬০°
হাসিবুল হাসান
আদর্শ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা গাইড (১ম, ২য় ও ৩য় খণ্ড একত্রে)
হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ঔপনিবেশিকোত্তর ঔপনিবেশিক মন |
| Author | মুনতাসীর মামুন |
| Publisher | সময় প্রকাশন |
| Edition | ১ম, ২০১৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 156 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | প্রবন্ধ |
| Weight | 0.31 Kg |
| ISBN | 9789849105787 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
2 Ratings and 2 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২টি
Ali Hossain Shuvo , May 16, 2019
"ঔপনিবেশিকোত্তর ঔপনিবেশিক মন" নামে একটা বই পড়ছি কয়দিন থেকে। লেখক মুনতাসীর মামুন। সুলেখক। আজীবনের ভালো লাগা ইতিহাস, সমাজতত্ত্ব ও আইন বিষয়ক কোন বই হাতে পেলে নিম্নচাপ উপেক্ষা করেও যেমন যথারীতি পড়ে থাকি, এবারও হলো তেমনটা। খুব মনযোগ দিয়ে এবং ধারাবাহিকভাবে পড়ার চেষ্টা করছি। লেখক সুপরিচিত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক। তাঁর পূর্বপরিচিত- বইয়ের ভেতর ভালো কিছু আছে বলে আশান্বিত করেছে, এবং ছিলও। এতবড় লেখকের বই সমালোচনা করা আমার মতো ক্ষুদ্রের পক্ষে যেমন সম্ভব না, তেমনি বইয়ের রিভিউ লিখতে না পারা- "ভালো বই পড়ে অনুভূতি প্রকাশ করা"র ক্ষেত্রে হয়েছে বিরাট অসুবিধার ব্যাপার। তবে চেষ্টা করছি কয়েকটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে, যাতে আফসোস সামান্য মাত্রায় হলেও লাঘব হওয়ার সম্ভাবনা আছে। প্রথমেই বলে রাখি, বইটির রাজনৈতিক প্রবন্ধ থেকে কোন প্রকার আলোচনা করবো না। বইটিতে প্রবন্ধ আছে মোট ১৪ টি। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রবন্ধে লেখক রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। তবে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ ছাড়াও লেখক সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও মানুষের অভ্যাসদ্বারা নিয়ন্ত্রিত কিছু কাজের কথা বলেছেন। পাশাপাশি তিনি কয়েকটি বিষয়ের কথা উল্লেখ করেছেন, বিশেষত শব্দের ব্যবহার। সবচে' বেশি আনন্দের বিষয় এবং প্রয়োজনীয় কথা হচ্ছে লেখক কয়েকটি প্রশ্ন তুলেছেন। আমাদের সমাজে "জ্বি হুজুর" "সহমত ভাই" বলা লোকদের ভীড়ে প্রশ্ন তোলার মানুষ খুবই কম। মুনতাসীর মামুন প্রশ্নগুলো উত্থাপন করে প্রশংসার দাবি রেখেছেন পরোক্ষভাবে। প্রথম প্রবন্ধে লেখক "ঔপনিবেশ" এর ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। তাঁর ব্যাখ্যাটা সমাজতত্ত্বের আলোকে খুবই যথার্থ। তিনি কলোনি বা ঔপনিবেশের ব্যাখ্যা প্রদান করতে ফরাসি সমাজ বিজ্ঞানী 'রেনি মওনিয়ে'র তত্ত্ব ব্যবহার করেছেন। কলোনির ব্যাখ্যায় যেসব পরিভাষা ব্যবহার করেছেন সেগুলো হলো- কলোনাইজেশন, কনকোয়েস্ট, এক্সোটিক, এমিগ্রেশন, অকুপেশন, কোলাবরাশন, এ্যাসিমিলেশন, অটোনমি, ফিউশন, ডমিনেশন, জুস্কটাপজিশান, ডমিনেশন, পেনেট্রেশন, পাইনিয়ারস, নেটিভ, সেনট্রালাইজেশন, ইউনিফিকেশন, কালচারাল ইডিয়ম ইত্যাদি। সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে লেখক বইটিতে যা বুঝাতে চেয়েছেন, তা বলতে গিয়ে পাঠককে অন্ধকারে না রাখতেই সমাজবিজ্ঞানের আলোকে যথার্থ পরিভাষা ব্যবহার করে কলোনি কথাটি বুঝাতে চেষ্টা করেছেন। কেননা বইটিতে ঔপনিবেশিক (মানসিক) দাসত্বের কথা বলা হয়েছে। লেখক দেখানোর চেষ্টা করেছন কিভাবে আমরা ভাষাগতভাবে এখনো দাসত্বের স্বীকার। এখানে বলে রাখা ভালো, আমরা বলতে 'সবাই'। যারা বর্তমানে কিছু শব্দ থেকে সুবিধা নিচ্ছে তারা যেমন বের হতে পারছে না এসব শব্দ থেকে, তেমনি যারা এসব শব্দ দ্বারা দাসত্বের স্বীকার- তারাও না। প্রথম শব্দটা হচ্ছে ক্যান্টনমেন্ট। ইংরেজরা ইউরোপীয় সেনাদের জন্য ব্যারাক তৈরি করে নাম দিলো 'ক্যান্টনমেন্ট"। আর নেটিভ সৈন্যদের ব্যারাকের নাম হলো "স্টেশন"। অর্থাৎ স্থানীয় সৈন্যদের চেয়ে ইউরোপীয় সৈন্যদের মর্যাদা বেশি বুঝাতে এই "ক্যান্টনমেন্ট" শব্দটির উৎপত্তি। পরবর্তীতে ঔপনিবেশিক শাসনের সমাপ্তি ঘটলে ক্যান্টনমেন্ট শব্দটি আমাদের ভারতীয় সৈন্যদের ব্যারাকের নাম হয়ে গেল। এখানেও একটা উদ্দেশ্য আছে। জনসাধারণ থেকে নিজেদেরকে এলিট হিশেবে প্রমাণ করার জন্য এ নামটি গ্রহণ করা হয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশ ছাড়া পৃথিবীর আর কোথাও সেনা ব্যারাককে ক্যান্টনমেন্ট বলা হয় না। এ শব্দটি উপরোক্ত কারণে ব্যবহার করাই হচ্ছে ঔপনিবেশিকোত্তর ঔপনিবেশিক মনের পরিচয়। লেখক ব্যক্তিপর্যায়ের, সামাজিক, রাজনৈতিক (দলীয়), ও রাষ্ট্রীয় সমস্যা (অসঙ্গতি) গুলো উপস্থাপন করে বুঝানোর চেষ্টা করেছেন যে, এগুলো আমাদের ঔপনিবেশিক মনের পরিচয় মাত্র। বইটিতে সাহেব ও বিবিসাহেব কথা দুইটির বিশ্লেষণ করা হয়েছে এবং দেখানো হয়েছে যে শব্দ দু'টি একজনের ওপর আরেকজনের কর্তৃত্ব বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। স্যার শব্দটির ব্যবহারের শুরু কখন এবং এটি কিভাবে কর্তৃত্ব বুঝাতে ব্যবহৃত হতো এবং আরো পরবর্তীকালে শব্দটি কিভাবে শিক্ষকদের সাথে ব্যবহার করা শুরু হলো এ বিষয়েও আলোচনা আছে এই বইটিতে। এই অঞ্চলের (বাংলা) মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা পর্যালোচনা করার পাশাপাশি তিনি একটি তথ্য দিয়েছেন (যা ব্যক্তিগতভাবে আমার জানা ছিল না) যে, এই অঞ্চলের মানুষদের মধ্য মুসলমানরা প্রথম লুঙ্গি ব্যবহার করতে শুরু করে। এবং পরবর্তীতে সকল ধর্মের লোকেরা এই লুঙ্গি পরিধান করতে শুরু করে। এছাড়াও লেখক নানা শ্রেণিপেশা ও নানা বয়সী মানুষের পোষাকের কথা আলোচনা করেছেন। পোষাকের বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি একটি আক্ষেপের কথা বলেছেন। সেটি হচ্ছে অন্যান্য সংস্কৃতির (দেশের) অনুকরণে আমাদের দেশের মহিলারা বৃদ্ধ বয়সে জামা-সেলোয়ার পরিধান করে, যা আমাদের সংস্কৃতির সাথে মিলে-কি-মিলে-না বিষয়টির চেয়ে বিশ্রী লাগার বিষয়টা মূখ্য হয়ে দাড়িয়েছে বর্তমানে। বাঙালি মহিলাদের বার্ধক্যে কাপড়-ই বেশি মানানসই বলে লেখক বোধ করেন। লেখক তারপর প্রশ্ন তুলেছেন বাংলা ভাষার আন্তর্জাতিকতা নিয়ে। বইয়ের ৪৯ নং পৃষ্ঠায় লেখক আক্ষেপ করে লিখেছেন- "প্রধানমন্ত্রী কি জানেন, এ-দেশে বিদেশিদের বাংলাভাষা শিখতে হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হয়? কোন আমলে বাংলা ভাষা বিরোধী এই আইন করা হয়েছিল। যে দেশের ভাষা শিখতে হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হয় সে দেশের ভাষা কিভাবে আন্তর্জাতিক ভাষা হবে? ক্রীতদাসের মন না হলে এই ধরনেন মানসিকতা সম্ভব!" যদি লেখকের এই তথ্য সঠিক হয়ে থাকে এবং বর্তমানেও এই পরিস্থিতির পরিবর্তন না ঘটে থাকে তবে তা হবে আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টের ; এমনকি লজ্জার। যে ভাষার জন্য রক্ত ঝরাতে হ'ল, জীবন দিতে হ'ল- সে ভাষা শিখতে অনুমতি নিতে হবে! সত্যিই আশ্চর্য করা ব্যাপার! সৈনিক শব্দটির ব্যবহার নিয়ে লেখক বলার চেষ্টা করেছেন। অল্প কথায় তিনি মনের ব্যাথা প্রকাশ করার পাশাপাশি আমরা বাঙালিরা যে প্রভাবিত হতে বেশি পছন্দ করি সেটাই তুলে ধরেছেন। সৈনিক শব্দটির ব্যবহার আগে থেকে থাকলেও শব্দটির বহুল ব্যবহার শুরু হয় ১৯৮১ সালের পর। তখন সামরিক শাসন চলছিল। মানুষের মনে সেনাবাহিনীর প্রতি একটা সম্মান আছে ঠিক, তবে ভয় আছে আরো ততোধিক। তাই নানা পেশা বা কাজের সাথে সৈনিক শব্দটির ব্যবহার হতে দেখা যায় অহরহ। যেমন কলম সৈনিক, ভাষাসৈনিক, রেমিট্যান্স সৈনিক ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু সৈনিক বলতে আর্মির (পদাধিকার বিবেচনায়) নিম্ন একটি পদকে বুঝায়। অথচ ভাষা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা একজন সেই সাধারণ লেভেলে নেমেই শান্তি বোধ করেন! শুধু ভাষার বিষয়ে না, প্রায় সব বিষয়েই একথা প্রযোজ্য। অথচ '৮১ আগে "যোদ্ধা" শব্দটি স্ব-মহিমায় ব্যবহার হতো। এখন হয় না। ওই যে ঔপনিবেশিক মন আমাদের! ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স (রাষ্ট্রীয় পদ অনুযায়ী মর্যাদার পদক্রম) অনুযায়ী তিন বাহিনীর প্রধানের মর্যাদা ডাক বিভাগের মহাপরিচালকের পরে। অথচ আমরা সাধারণ জনগণ আর্মির সাধারণ সদস্য কে দেখলেই ভয়ে কাচুমাচু হয়ে যাই। এমনটা হওয়ার কথা ছিল না। রাজনৈতিক বিষয়ে কথা বলবো না- বলেছিলাম। শুধু একটি কথা বলবো। সামরিক শাসন নিয়ে লেখকের সমূহ অসন্তুষ্টি আছে। এর সাথে আমি শতভাগ একমত। তবে কিছু কথা তাঁর (লেখকের) দলীয় কর্ণায় থেকে বলা একথা অস্বীকার করা যায় না। আমলাতান্ত্রিক বাহাদুরির কথা বারবার উল্লেখ করার পাশাপাশি লেখক গণতন্ত্রের নামে আমলাতন্ত্রের কাছে আমাদের নতিস্বীকারের একটি রূপরেখা তুলে ধরেছেন। বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত, দীর্ঘতম রাস্তা, ওমুক দেশের মুদ্রা, তমুক দেশের ভাষা আর উচ্চতম রাজধানীর নাম মুখস্ত করে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশাসনে আসা আমলারা মন্ত্রী-এমপিদের হাতের পুতুল ভাবেন কিংবা সুযোগ থাকলে কিছুই ভাবার প্রয়োজন বোধ করেন না। অথচ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মন্ত্রী-এমপিদের স্থান হওয়া উচিৎ ছিল সকল প্রকার আমলাদের উপরে। বর্তমান অবস্থার কারণ আমাদের মেকি গণতন্ত্র। অবশ্য আমাদের রাজনীতিবিদের চরিত্রেও আরো কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনা জরুরি বলে লেখক মনে করেন। আমাদের কারিকুলাম নিয়ে লেখক কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। এর মধ্যে নবম-দশম শ্রেণিতে সকল গ্রুপে ইতিহাস বাধ্যতামূলক না করার সমালোচনা করার পাশাপাশি তিনি বইয়ের রেফারেন্স উল্লেখ করে ইতিহাস, বিশেষত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির কথা স্পষ্ট উল্লেখপূর্বক সমালোচনা করেছেন। আমাদের পাঠ্যবইয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করার যে বিশ্রীরকম নমুনা লেখক তা তুলে ধরেছেন, এবং তা সত্যিই ন্যাক্কারজনক। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানতে বইটি পড়া আবশ্যক। এখন বলি বইটির নেতিবাচক কিছু বিষয়ের কথা। লেখক বইটিতে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিষয়ের যেসব কথা বলেছেন- তা নিতান্তই একটি দলের কর্ণার থেকে বলা এবং সরাসরি একটি ধর্মবিরোধী অবস্থান দাঁড় করিয়েছেন। স্পষ্ট করে বললে, তিনি তাঁর বক্তব্যে ইসলাম বিরোধিতা এবং তাঁর রাজনৈতিক স্ট্যান্ড ফুটিয়ে তুলেছেন। কোন কোন ক্ষেত্রে ইসলামকে ছোট করেছেন সচেতনভাবে। আবার কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের কম মেধাবী বলে আলাদা একটি পয়েন্টে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন। সর্বোপরি বইটির জন্য তিনি প্রশংসা পেতে পারেন। এবং যেহেতু প্রথমেই বলেছি এটা কোন প্রথাগত রিভিউ না, সুতরাং এখানে রেটিং দেয়া থেকে বিরত থাকলাম।"
iqbal mahfuj , Feb 16, 2015
"সংবাদপত্রের ছবিটা ভারি সুন্দর। একটি নদী বোঝা যাচ্ছে তা বুড়িগঙ্গা। নদীর তীরে এক সারি বাড়ি। প্রত্যেকটি বাড়ির ছাদে মহাসমারোহে উড়ছে আর্জেনটিনার সাদা-নীল বড় পতাকা। বুড়িগঙ্গার ওপার বোধহয় আর্জেনটিনার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করছে। নাকি আর্জেনটিনা জায়গাটি দখল করে নিয়েছে যখন ঢাকাবাসী গভীর ঘুমে ছিল অচেতন। সার্বভৌমত্ব জারির প্রথম নিদর্শন হলো পতাকা উত্তোলন। আইয়োজিমার বিখ্যাত সেই ছবিটির কথা মনে পড়ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ছোট এই দ্বীপখ-টি মার্কিন সেনারা দখল নিচ্ছে। চারদিকে গুলিবৃষ্টি। তার মধ্যে ছোট এক পাথুরে টিলার চুড়োয় মার্কিন পতাকা ওড়াবার আপ্রাণ চেষ্টা করছে সৈন্যরা। ফকল্যান্ডে আর্জেনটিনার পতাকা উড়বে, না ব্রিটেনের, এই নিয়ে তো যুদ্ধই হয়ে গেল। তারপর দিন ঢাকার উপকণ্ঠের একটি পাড়া। দেখলাম প্রত্যেকটি বাড়ির ছাদে ব্রাজিলের সবুজ-হলুদ পতাকা উড়ছে। একই চিন্তা হলো। তারপর থেকে সংবাদপত্র- টিভিতে খালি পতাকা ওড়াবার কিচ্ছা। এইসব কাহিনী মানুষজনকে আরও উজ্জীবিত করছে পতাকা ওড়াবার। মনে হয় সারা বাংলাদেশ দু’টি দেশ ভাগ করে নিয়েছে। আমাদের না হোক, অন্তত হঠাৎ করে বহিরাগত কেউ এ শহরে, এদেশে এলে তাই মনে হবে। সুত্রঃ বাংলা শুধুই বাংলা"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ঔপনিবেশিকোত্তর ঔপনিবেশিক মন" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: