হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
অসম্পূর্ণ সত্তা - আদেল পারভেজ এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

২য় সংস্করণ, ২০২৪

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

অসম্পূর্ণ সত্তা

4 Ratings | 4 Reviews
TK. 208 TK. 320 -35% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

আত্মকথন সুখ নামক এক ঘর বেঁধেছি বায়ান্ন তাসের প্রাচীর- ক্যান্সার নামক বিভীষিকা ঘিরে রেখেছে তার চারদিক। আমি যেন ঐ দূর আকাশে ভেসে থাকা রঙধনু, যখন ভেসে বেড়াই তখন...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

আত্মকথন সুখ নামক এক ঘর বেঁধেছি বায়ান্ন তাসের প্রাচীর- ক্যান্সার নামক বিভীষিকা ঘিরে রেখেছে তার চারদিক। আমি যেন ঐ দূর আকাশে ভেসে থাকা রঙধনু, যখন ভেসে বেড়াই তখন সবাই দ্যাখে, আর যখন হ
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title অসম্পূর্ণ সত্তা
Author আদেল পারভেজ
Publisher বই অঙ্গন প্রকাশন
Edition ২য় সংস্করণ, ২০২৪
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 112
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.29 Kg
ISBN 9789849878742
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

5.00

4 Ratings and 4 Reviews

★★★★★
4
★★★★☆
0
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

৪টি
টি এ অনন্যা

টি এ অনন্যা , Mar 5, 2024

★ ★ ★ ★ ★

"উপন্যাস কথন: উপন্যাসের প্রধান চরিত্র তিমিরের পরিবারের সাথে পাঠককে পরিচয় করানোর মাধ্যমে লেখক শুরু করেন "অসম্পূর্ণ সত্তা" বইয়ের প্রারম্ভ। নিজের বাড়ির ছাদ থেকে এক পরিবারের ভাড়া বাড়ি থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার মুহূর্তে তাদের অজান্তে ফেলে যাওয়া একটি ডায়েরিতে দৃষ্টি পড়ে তিমিরের। যতক্ষণে সে ডায়েরির কাছে পৌঁছে ততক্ষণে ডায়েরির মালিক চলে যায় বহুদূর। ডায়েরি হাতে নিয়ে ভাবে সে কী করবে এটা? কীভাবে সে এটা পৌঁছে দিবে মালিকের কাছে? মানুষ মাত্রই কৌতূহলী। ডায়েরিটা কি তিমির খুলে দেখবে নাকি না? দ্বিধান্বিত হয়ে সে খুলেই ফেলল। ডায়েরি খুলতেই প্রথমে চোখ পড়ে একটা ফোন নাম্বারে যার পাশে লেখা "কৃপা"। নিজের ফোনের ডায়ালে নাম্বারটা তুলে কল দিতেই ওপাশ থেকে জানিয়ে দিলো নাম্বারটি বন্ধ। ডায়েরির কয়েক পৃষ্ঠা উল্টাতেই তার মনে হলো, কারো অনুমতি ব্যতিরেকে তার ব্যক্তিগত জিনিস দেখা কি ঠিক? তিমিরের দাদা-দাদির জন্য বাড়িতে মিলাদের আয়োজন করেছেন তারা বাবা ইমতিয়াজ বুলবুল এবং নাজমা বুলবুল। সে উপলক্ষে বাড়িতে উপস্থিত হয়েছেন তার একমাত্র ফুপু রাবেয়া খাতুন ও তাঁর একমাত্র মেয়ে তনু। তনুর মনে তিমির শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে এক ভালোবাসা নামক বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। কিন্তু তিমির কি তা জানে? নাকি জেনেও বুঝে না তনুকে? সে নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই। তনুর রূপে, গুণে তিমিরের বাবা-মাও মুগ্ধ। কিন্তু তিমির কি পারবে তনুকে ভালোবাসার জায়গায় বসাতে? নাকি সে শুধুই ফুপাতো বোন হিসেবে ভালোবাসে তনুকে? পাঠককে এমন দ্বিধা দ্বব্দে ফেলে লেখক এগিয়ে চলেন তাঁর উপন্যাস। এরইমধ্যে লেখক পরিচয় করিয়ে দেন তিমিরের বন্ধু তপুর সাথে। বাবা-মা হীন তপুর চাচার অসুস্থতার কারণে তিমির নিজে গিয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে। তপুর জীবনেও ছিল একজন ভালোবাসার মানুষ ফাল্গুনী। তপুর জীবন থেকে হারিয়ে গেলেও তিমিরের প্রত্যাশা সে ফিরে আসুক। কিন্তু কেউ জানে না, সে কি কখনো আসবে ফিরে? কোথায় আছে ফাল্গুনী? ধীরে ধীরে তিমির কৃপার ডায়েরি পড়তে থাকে আর তার হৃদয়ে আবিষ্কার করে অজানা এক রমণীকে। হঠাৎ একদিন কৃপার মোবাইল নাম্বার চালু হতেই ভাগ্যের জোরে কথা হয় দুজনের। কথার জলীয়বাষ্প একসময় রূপ নেয় ভালোবাসার ভারী বর্ষণে। কিন্তু ততদিনে কৃপা জানায় তার সীমাবদ্ধতার কথা। বাবা-মায়ের অতি আদুরে একমাত্র মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও সে যেন বন্দী কোনো এক মায়াজালে। সে জানে না, কোথায় আছে তারা? বাবা-মা ব্যতীত তিমিরের আগে কখনো বাইরের কারো সাথে তার কথা হয়নি। তিমির অবাক, এ কীভাবে সম্ভব? একটা মানুষ তার জীবনের এতগুলো বছর এভাবে একটা পরিবারে একা থাকাতে পারে? ইচ্ছে করে তিমির আর কৃপা দেখা করবে। কিন্তু কৃপা না চিনে বাইরের কিছু আর না জানে নিজের ঠিকানা। কীভাবে তাদের দেখা হবে? জানে না তারা, কখনো কি হবে এ জীবনে দুজনের দেখা? আর এদিকে তনুর হৃদয়ে তিমিরের প্রতি ভালোবাসা গভীরে যাচ্ছে। কী হবে তাদের এই ত্রিভুজ প্রেমের শেষ পরিণতি? তিমির কি পাবে কৃপার দেখা? আর সে কি কখনো-ই বুঝবে না তনুকে? লেখক তার আপন ইচ্ছেয় বুনতে থাকেন শব্দজাল, উপন্যাস এগিয়ে চলে তার নিজস্ব গতিতে। উন্মোচিত হয় বিভিন্ন চরিত্রের অজানা তথ্য। কৃপা সম্মুখীন হয় জীবনের এক ভয়ংকর এবং নির্মম সত্যের মুখে। কী এমন তথ্য পায় কৃপা যা তার জীবনে নির্মম? সে না পারে তা গ্রহণ করতে আর না জীবনে আশ্রয় দিতে। কী করবে এখন সে? তনু, তিমির, কৃপা, তপু কিংবা ফাল্গুনী আবার পরিণতি জানতে পড়তে হবে "অসম্পূর্ণ সত্তা" বইটি। ভাষা ও চরিত্র বিশ্লেষণ: লেখক আদেল পারভেজ এর প্রথম উপন্যাস "অসম্পূর্ণ সত্তা" বাংলা ভাষার চলিত রীতিতে রচিত। পাঠক বোধগম্য শব্দচয়ন, সহজ বাক্য প্রনয়ন ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন উপন্যাসটিকে পাঠকের কাছে অধিক গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। বাক্য কিংবা শব্দকে গুরুগম্ভীর বা জটিল না করে পাঠকের কাছে সহজবোধ্য করে উপন্যাসকে সাজানো লেখকের এক নিপুণতা। লেখক অসম্পূর্ণ সত্তা লেখার সময় সেদিকটা মাথায় রেখেই রচনা করেছিলেন তার প্রথম উপন্যাস। অতিরিক্ত উপমার ব্যবহার, চরিত্রকে অবাস্তবিকভাবে অতিমাত্রায় রঞ্জিত না করে বাস্তবতার আদলে উপস্থাপন করেছেন পাঠক সম্মুখে। এতে বইটি পড়ার সময় পাঠকের মনে হয়েছে তার সম্মুখে ঘটমান কোনো ঘটনা। অসম্পূর্ণ সত্তা উপন্যাসের প্রধান চরিত্র তিমির, কৃপা ও তনু। তিমির: একজন প্রেমিক পুরুষ সে। চায় ভালোবাসার সন্ধান। ফুপাতো বোনের আড়ালে হৃদয়ে লুকিয়ে থাকা ভালোবাসা তার দৃষ্টিগোচরে আসে না। অজানা কৃপার মাঝে খুঁজে পায় তার ভালোবাসার স্বাদ। শুধুমাত্র প্রেমিক পুরুষ বললে ভুল হবে একজন দায়িত্বশীল বন্ধু বা বাবা-মায়ের আদর্শ সন্তানও বলা চলে। কৃপা: পৃথিবীর রহস্যময় গোলকধাঁধায় সবাই আটকায়। কিন্তু কৃপা তো আটকে আছে তার জীবনের-ই গোলকধাঁধায়। যুবতী বয়সে এসেও সে সামাজিকতার আড়ালে থাকা এক অতি রূপবতী নারী যাকে কেউ-ই দেখতে পায় না। নিজের বাবা-মায়ের মায়াপুরীতেই সে বন্দী। জানে না এর কারণ বা তার উত্তোরণের পথ। তনু: সম্পর্কে তিমির তার মামাতো ভাই হলেও সদ্য যৌবনে পা দেওয়া তনুর হৃদয়ের সবটা জুড়ে নিয়েছে সে। তার মনের আঙিনায় ধীরে ধীরে যত্ন করে তিমির নামক ভালোবাসা বৃক্ষকে বড়ো করে তুলছে। কিন্তু উল্টোদিকের মানুষটা তাকে কতটা চায় সে জানে না। তপু: অসম্পূর্ণ সত্তা উপন্যাসের পাঠকদের হৃদয়ের অনেকটা জুড়ে রয়েছে তপু। অনাথ তপুর একমাত্র আশ্রয় তার চাচা জয়নাল মিয়া। তিমিরের সাথে শৈশব থেকেই তার খুব ভালো বন্ধুত্ব। নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারিয়েও চোখ ভরা স্বপ্ন তার। একের পর এক ভবিষ্যতের স্বপ্ন শেয়ার করে বন্ধুদের সাথে। লেখক সুকৌশলে উপন্যাসের প্রধান চরিত্র তিমির, কৃপা বা তনু হলেও বাকি চরিত্র যেমন তপু ও তার চাচা জয়নাল মিয়া, তপুর প্রাক্তন ফাল্গুনী, তিমিরের মা নাজমা বুলবুল ও তিমিরের বাবা ইমতিয়াজ বুলবুল, তনুর মা রাবেয়া খাতুন ও বাবা রাকিব হাসান, কৃপার বাবা আশরাফ চৌধুরী ও মা তানিয়া চৌধুরী এবং অন্যান্য সকল চরিত্রকে বাস্তবতার আদলে উপস্থাপন করার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন। পাঠ প্রতিক্রিয়া : উপন্যাস শুধুমাত্র লেখার খাতিরে কিছু শব্দের বুনন না হয়ে যখন পাঠককে বাস্তবিক অনুভূতি দেয় তখনই তা লেখকের সার্থকতা। উপন্যাস হতে হয় জীবনের প্রতিচ্ছবি। সেখানে শুধুমাত্র শব্দের সমারোহ কিংবা অতিরঞ্জিত কিছু চরিত্রের উপস্থাপনই যথেষ্ট নয়। সেইসব চরিত্রের মার্জিত ও সূক্ষ বিশ্লেষণ যখন পাঠক দৃষ্টিতে জীবন্ত হয়ে উঠে তখন উপন্যাস হয়ে উঠে চিত্তাকর্ষক। অসম্পূর্ণ সত্তা উপন্যাসে লেখক আমাদের সমাজের নিতান্তই এক সাধারণ এবং পরিচিত চরিত্রকে উপন্যাসে স্থান দিয়ে তার ব্যতিক্রমী মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। আপাতদৃষ্টিতে এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য ভালোবাসা বা প্রেমের উপাখ্যান হলেও এর গভীরে লুকিয়ে ছিল এক অনন্য পটভূমি। লেখকের ভিন্নধর্মী পটভূমিতে উপন্যাস রচনা আমাকে মুগ্ধ করেছে। যদিও এই উপন্যাসের সমাপ্তির আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আমি সাধারণ প্রেমের উপন্যাস হিসেবেই ভেবে নিয়েছিলাম। অসম্পূর্ণ সত্তা উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্রের সাধারণ কিন্তু নিখুঁত বর্ণনা এবং তাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থার বর্ণনা পাঠকদের হারিয়ে নেয় উপন্যাসের গভীরে। প্রাকৃতিক পরিবেশের অপরূপ বর্ণনা সৃষ্টি করে এক মোহময় আবেশ। কিন্তু লেখকের শব্দশৈলীতে বইটি পড়ার সময় উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্র জীবন্ত হয়ে উঠেছে। মনেই হয়নি কাল্পনিক। উপন্যাসের প্রথম থেকেই লেখক পারিপার্শ্বিক অবস্থানের বর্ণনায় পাঠককে মুগ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। তিমিরে ছাদ বাগান কিংবা তিমিরের ঘরে তনুর সাথে কাটানো মুহূর্তে পাঠক নিজেই হারাতে বাধ্য তাদের মাঝে। আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগা ছিল মায়াপুরের বর্ণনা। তনু এবং তিমিরের কাটানো মুহূর্তেগুলো আমাকে ঘোরগ্রস্ত করে। আমার পাঠক হৃদয় আকুল হয়ে ওঠে একবার হলেও নিজের প্রিয় মানুষকে নিয়ে মায়াপুর পরিদর্শন করতে। তিমির এবং কৃপা যখন পরষ্পরের স্বপ্নগুলো একে অপরের সাথে আলোচনা করত তখন মনে হতো আমি নিজেই যেন সেখানে উপস্থিত। মোবাইল ফোনে তিমিরের কাছে বলা কৃপার কষ্টগুলো পাঠকের হৃদয়ে পৌঁছে নাড়া দেয় অনুভূতিতে। কিছু মুহূর্তের জন্য হলেও হারিয়ে গিয়েছি কৃপার সেই অসহায়ত্বের মাঝে৷ আবার তপু তার বন্ধুদের সাথে যখন তার অকল্পনীয় স্বপ্নগুলো বলছিল পাঠককে হারিয়ে নেয় সেই স্বপ্ন জগতে। পাঠক তার স্বপ্নের সাথে উপলব্ধি করে তার জীবনের অপ্রাপ্তিগুলো। ফাল্গুনীকে হারিয়ে একমাত্র চাচাকে নিয়েও তার পথচলা সমাপ্তি হয়। তার দুর্দশার জীবনে একমাত্র তিমিরই ছিল আশার আলো হয়ে। শুধুমাত্র বন্ধু নয় ভাইয়ের মতো তাকে আগলে রাখার প্রয়াস আমাকে মুগ্ধ করে। বর্তমান সময়ে ভালো বন্ধুত্ব যেখানে অমাবস্যার চাঁদ সেখানে তিমির ও তপুর বন্ধুত্ব ছিল হিংসে করার মতো। বইয়ের প্রতিটি শব্দ এবং বাক্য যেন অজ্ঞাত মাদকতায় আকৃষ্ট করে পাঠককে। যার রেশ থেকে গেছে বইটি পড়ে শেষ করার পরেও। উপন্যাসটিতে ভালোবাসা ছিল, রোমান্টিকতা ছিল কিন্তু তা শালীনতার সাথে। বইটি পড়ার প্রতিটি মুহূর্ত এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে পাঠক হৃদয়ে। বইটি পড়ার সময় একেকটি ঘটনা মোড় নিতে থাকে আর আমার পাঠক হৃদয় আকুল হয়ে উঠে পরবর্তী ঘটনা জানার অধীর আগ্রহে। কিন্তু ভয় হচ্ছিল যত তাড়াতাড়ি ঘটনাগুলোর রহস্য উদঘাটিত হচ্ছে তত তাড়াতাড়ি বইটি পড়া শেষ হয়ে যাচ্ছে। বইটি পড়ার পরেও বহুদিন রয়ে যায় এর ভালোলাগা অনুভূতির রেশ। মনে হয় যেন আরেকটু যদি বেশি লিখতেন লেখক! যা কিছু অসঙ্গতি: কোনো কিছু ভুলের উর্ধ্বে নয়। তদ্রূপ অসম্পূর্ণ সত্তা বইটিও সম্পূর্ণ নির্ভুল নয়। তাতে ছিল কিছু জ্ঞাত বা অজ্ঞাত ত্রুটি। কিছু বানানের ক্ষেত্রে ত্রুটি রয়েছে। উপন্যাসের বেশ কিছু জায়গায় আরেকটু সুপ্রসন্ন বর্ণনার ঘাটতি ছিল। আশা করি লেখক পরবর্তী মুদ্রণে সকল ভুল-ভ্রান্তি সংশোধন করে নিবেন। প্রিয় কিছু উক্তি: ১. যারা জীবনে আসবে না,তাদের জন্য অপার আগ্রহ।হয়তো হয়ত আমি কোনো অসাধারণ ব্যক্তিত্বের সঙ্গলাভ থেকে বঞ্চিত হলাম। ২. সুখি হতে চাওয়া অপরাধ নয়,অধিকার। কিন্তু সুখটা যেন এমন করে না খুঁজি; আমার সুখ যেন অন্য কারোর সারাজীবনের অসুখ হয়ে না যায়। ৩. মানুষের মৃত্যুর চাইতে বড় মৃত্যু হচ্ছে মায়ার মৃত্যু, মানুষ মরে গেলে হয়তো কিছুদিন পর ধীরে ধীরে তা ভুলে যায়। কিন্তু মায়া থেকে যায়, যে মায়াতেই এই মৃত মানুষটা বেঁচে থাকে সারাজীবন। ৪. আকাশ যেন অনেক অভিমানে কান্না করে, সমস্ত রাগ বৃষ্টি করে ঝরিয়ে দিয়েছে ধরণীর বুকে । ৫. আমি যেন ঐ দূর আকাশে ভেসে থাকা রঙধনু,যখন ভেসে বেড়াই তখন সবাই দেখে,আর যখন হারিয়ে যাই তখন আর কেউ খুঁজে না। ৬. মায়ার মৃত্যু হলে একই শহরে থেকে দেখা হবে,পাশ দিয়ে হেঁটে যাবে,কেউ কাউকে দেখেও দেখবে না। ভালো মন্দ জিজ্ঞেস করবে না। ৭. যত বড় হচ্ছি ততই কেমন যেন একা হয়ে যাচ্ছি । তাহলে কি মানুষ যত বেশি বড় হয় , তত বেশি একা হয়ে যায় । ৮. কিছু কিছু মানুষ আছে এই পৃথিবীতে , আল্লাহ মৃত্যুর শেষ সময় পর্যন্ত তাদেরকে একাকিত্ব দিয়ে রাখেন । রেটিং : ৪.৫/৫ জেনে নিই- বই : অসম্পূর্ণ সত্তা লেখক : আদেল পারভেজ প্রকাশনী : নোলক প্রকাশনী প্রকাশকাল : অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০"

sif****com

sif****com , Mar 3, 2024

★ ★ ★ ★ ★

"অসম্পূর্ণ সত্তা (বই নিয়ে কিছু কথা) কিছু কিছু লেখক আছেন যারা খুবই ভালো লিখেন কিন্তু তাদের পরিচিতি নেই।আমার কাছে আদেল পারভেজ নামটা এদের মধ্যেরই মনে হয়েছে।বইটা বার্থডে গিফট হিসাবে পেয়েছিলাম মামার পক্ষ থেকে।বই হাতে পাওয়ার পর নামটা অপরিচিত মনে হলো,কখনও নাম শুনিনি। আজ পড়ার মতো কোন বই নেই দেখে ঘাটতে গিয়ে না পড়া দু চারটা বই পেলাম।এই বইটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষন প্রচ্ছদের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।ঘোর লাগা কাজ করছিল যেন বইটা এক্ষুনি আমাকে পড়তে হবে। বই নিয়ে কি লিখবো,কোথা থেকে শুরু করবো ভেবে পাচ্ছি না।লেখকের লেখার ধরন আমার খুব পছন্দ হয়েছে। চমৎকার নির্ভূল একটা বই উপহার দিয়েছেন আমাদের। বইটা টানটান উত্তেজনা নিয়ে শেষ করলাম।সবগুলো টুইস্টগুলো ভালো লেগেছে।বইটা এতো তাড়াতাড়ি শেষ হওয়াতে মন খারাপ লাগছে।ইশ!আরেকটু যদি লেখা থাকতো। লেখক সাহেব বইটা চমৎকার করতে অযথা টেনে বড় করেননি এটা আমার ভালো লেগেছে। এখানের শেষটাই ভালো ছিল অহেতুক টেনে বড় করলে বইটা বেমানান লাগতো।বইয়ের চরিত্রগুলো টানতে গিয়ে লেখক সাহেব লেখার মধ্যে কোন ফাঁক রাখেননি।বইটা আমার কাছে আসলেই খুব ভালো লেগেছে।চমৎকার লেখার সাথে উইনিক প্লট আহা! বইয়ের কাহিনী সংক্ষেপ: ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া তিমির বিষন্ন মনে ছাদে দাড়িয়ে আকাশ দেখছিল।তখনই একটা মালবাহী বড় ট্রাক তাদের বাড়ীর সামনে কিছুক্ষন দাড়িয়ে থেকে চলে যায়। ছেলেটি লক্ষ্য করে দেখলো রাস্তাতে একটা ডায়েরি পড়ে আছে।সে আগ্রহ নিয়ে ডায়েরিটা নিতে বাহিরে গেল।কারো থেকে হারিয়ে গেছে খুজতে আসবে ভেবে কিছুসময় অপেক্ষায় ছিল। কেউ আসে না দেখে সে ডায়েরিটা নিয়ে বাসায় ফিরে আসল।খুলবে না খুলবে না ভেবে সে ডায়েরির পাতা উল্টায়।একটা নাম্বার তার নীচে ছোট করে লেখা কৃপা।সে কয়েকবার ফোন দিয়ে দেখলো,না সে ফোনটা বন্ধ পাচ্ছে আর না কোন ঠিকানা লেখা ছিল। বিরক্ত হয়ে কৌতুহল বসত পরের পৃষ্ঠা উল্টিয়ে দেখলো লেখা,,, আমার নামই কৃপা। তারপর,,,,, একটা মেয়ে যে কিনা কখনো বাহিরের আলো বাতাস দেখতে পায় না,যে নিজের ঘরের জানালা খুলতে পারে না,যে জন্মের পরে পৃথিবীটাকে নিজের চোখে সুন্দর করে দেখে না,যে কখনও চাঁদ দেখেনি,যে নিজের বাড়ি থাকা সত্বেও অন্যের বাসায় ভাড়া থাকতে হয়।কেন তার এই বন্দী জীবন?কেন তার নিজের বাবা মা তাকে গত উনিশ বছর ধরে এমন বন্দী করে রেখেছে?বাবা,মা ছাড়া কেন অন্য মানুষের সাথে কথা বলতে পারে না?কেন সে টিভি দেখতে পারে? মেয়েটা নিজেই জানে না কি কারনে তাকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। তারপর কি তিমির আদৌ সেই রহস্য উদঘাটন করতে পেরেছে নাকি সে জানতে পারেনি? জানতে হলে বইটা পড়তে হবে। লেখক বইয়ের শুরুতে কিছু চমৎকার উক্তি লিখেছেন যদিওবা দেখলেই বুঝা যাবে লেখক তার আশেপাশের মানুষদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন তবে উক্তিগুলো আমার ভালো লেগেছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম কিছু উক্তি 🖤 ★সুখ নামক এক ঘর বেঁধেছি বায়ান্ন তাসের প্রাচীর,ক্যান্সার নামক বিভীষিকা ঘিরে রেখেছে তার চারদিক। ★আমি যেন ঐ দূর আকাশে ভেসে থাকা রঙধনু,যখন ভেসে বেড়াই তখন সবাই দেখে,আর যখন হারিয়ে যাই তখন আর কেউ খুঁজে না। ★যে মানুষটা পিপাসায় কাতর,তার সামনে অজস্র খাবার রাখলেও সে নর্দমায় যাবে। ★যারা ছেড়ে গেছে,তাদের কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ থেকেছি,জীবনে অহেতুক ভিড় না বাড়ানোর জন্য। ★যারা থেকে গেছ, তাদের কাছে নতজানু আমি।আমাকে পুরোপুরি একলা না করার জন্য,আমায় সহ্য করার জন্য,আমায় ভালোবাসার জন্য। ★যারা জীবনে আসবে না,তাদের জন্য অপার আগ্রহ।হয়তো হয়ত আমি কোনো অসাধারণ ব্যক্তিত্বের সঙ্গলাভ থেকে বঞ্চিত হলাম। বাকীগুলো একেবারেই ব্যক্তিগত লেগেছে। (এটা কোনো রিভিউ না,আমি রিভিউ লিখতে পারি না।মনে যা এসেছে লিখে ফেলেছি,গুছিয়ে লিখতে পারি না কখনও😐💃)"

Aleya Alo

Aleya Alo , Mar 3, 2024

★ ★ ★ ★ ★

"বিভাগ: বুক রিভিউ বইয়ের নাম: অসম্পূর্ণ সত্তা বই মানুষকে হাসাতে পারে,কাঁদাতে পারে।কিছু বই পড়লে অন্তরে একটা দাগ থেকে যায়।চোখের সামনে বই দেখলেই সবার আগে সেই বইয়ের কথা মনে হয়। ঠিক তেমনি একটা বই 'অসম্পূর্ণ সত্তা'।এই উপন্যাসটি হৃদয়ের দাগ কেটে মনের গহীনে প্রবেশ করেছে।বইটি আমি যত পড়ছিলাম ততই মুগ্ধ হচ্ছিলাম।মুগ্ধতায় আচ্ছন করা বইটি আমি একদিনে পড়ে শেষ করেছিলাম।বইটিতে এত টুইস্ট ছিল যে আমি বইটা শেষ না করে উঠতেই পারছিলাম না। কাহিনী সংক্ষেপ: এই উপন্যাস মূলত লিখা হয়েছে তিমির, কৃপা ও তনুকে নিয়ে। তাছাড়াও আরো অনেক চরিত্র রয়েছে এই উপন্যাসে। এই উপন্যাসের মূল হলো কৃপা!সে এক অসহায় মেয়ে।যার মনের কথা বুঝার মতো কেউ নেই।যে সব সময় ঘরের চার দেয়ালে বন্দী থাকতো।এই কৃপা বাহিরের আলো বাতাস দেখতে পারতো না।উপভোগ করতে পারতো না এই সুন্দর পৃথিবীটাকে।কিন্তু কেন.....? মেঘলা আকাশ,মুগ্ধচোখে তাকিয়ে আকাশ দেখছিল তিমির।এমন সময় একটা বড় ট্রাক এসে থামলো বাড়ির গেটের সামনে।কিছুক্ষণ পর ট্রাকটি বাড়ির আসবাবপত্রে ভরপুর হয়ে চলে গেল।আর তখনই তিমির লক্ষ্য করে দেখলো রাস্তাতে একটা ডায়েরি পড়ে আছে।সে আগ্রহ নিয়ে ডায়েরিটা রাস্তা থেকে কুড়িয়ে নিলো।ডায়েরিটা পেয়েই তিমিরের জীবনের পরিবর্তন ঘটে।এই ডায়েরিতেই তিমির খুঁজে পায় একটা ফোন নাম্বার।আর এই নাম্বার হলো ডায়রির মালিক কৃপার।কৃপার সাথে ফোনে পরিচয় হয় তিমিরের।তারপর কৃপার কাছ থেকে তিমির জানতে পারে,সে এক অসহায় মেয়ে।যার জীবন ঘরের কোণে বন্দি।কৃপার জীবনে বাবা মা ছাড়া আর কোনো বন্ধু বান্ধব নেই।কৃপা কখনো বাহিরের আলো বাতাস,সুন্দর পৃথিবীটাকে দেখতে পারে না।নিজের মতো করে কিছু অনুভব করতে পারে না।যে নিজের ঘরের জানালাও খুলতে পারে না।কৃপা কখনো চাঁদ দেখেনি।দেখেনি সে নিশুতি রাতের জোছনা।জন্মের পর থেকে কৃপা ঘরে বন্দী। নিজের বাড়ি থাকা সত্বেও অন্যের বাসায় ভাড়া থাকতে হয়। কৃপার বাবা মা কেন এতটা বছর ধরে কৃপাকে বন্দী করে রেখেছেন সে নিজেও জানে না!কিন্তু কেন?সে বাবা,মা ছাড়া কেন কারো সাথে কথা বলতে পারে না। কৃপার কোনো বন্ধু, বান্ধবী নেই।কৃপার জীবনে সমস্ত বিষণ্ণতা কাটিয়ে এসেছিল তার জীবনে তিমির।তারপর দু'জন মেতে উঠেছিল ভালোবাসা গল্পে।দু'জন স্বপ্ন দেখেছিল তাদের একটা ঘর হবে, সুন্দর সংসার হবে।তা কী হয়েছিল? তিমির কৃপার সাথে দেখা করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল।কিন্তু কৃপার ঠিকানা জানতো না।কীভাবে দেখা করবে?এমনকি কৃপাও জানতো না সে কোথায় থাকে?সে-তো চার দেয়ালে বন্দী থাকে! শেষটা কী হয়েছিলো?কী সেই অসম্পূর্ণ সত্তা........? উপন্যাসটির মধ্যে পছন্দের অনেক লাইন খুঁজে পেয়েছি।কিন্তু সব তুলে ধরতে পারিনি। ★আমি তারে ছুঁয়ে দেখিনি। কেন তবু এত অনুভব। আমি কিছুই দেইনি তারে,কেন তবু সে আমার সব। ★কিছু মানুষ আছে এই পৃথিবীতে,আল্লাহ মৃত্যুর শেষ সময় পর্যন্ত তাদেরকে একাকিত্ব দিয়ে রাখেন। ★যারা জীবনে আসবে না,তাদের জন্য অপার আগ্রহ।হয়তো হয়ত আমি কোনো অসাধারণ ব্যক্তিত্বের সঙ্গলাভ থেকে বঞ্চিত হলাম। ★সুখি হতে চাওয়া অপরাধ নয়,অধিকার। ★সুখ নামক এক ঘর বেঁধেছি বায়ান্ন তাসের প্রাচীর,ক্যান্সার নামক বিভীষিকা ঘিরে রেখেছে তার চারদিক। ★পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ লেখক সাহেব এই উপন্যাসটি মনোমুগ্ধকর লিখার মধ্যে ফুটিয়ে তুলেছেন।অসাধারণ লিখনশৈলী।হৃদয়স্পর্শী লিখা সত্যি আমার মন কেড়েছে।উপন্যাসটি যতই পড়ছিলাম ততই মুগ্ধ হচ্ছিলাম।পড়ার মধ্যে একটি বারের জন্যও আগ্রহ হারাইনি।কোনো একঘেয়েমিতা অনুভব হয়নি।আমার পড়া উপন্যাসের মধ্যে অসম্পূর্ণ সত্তা বইটি প্রথম সারিতে রাখতে পারি।আমি মনে করি বইটি লিখতে লেখক সাহেব স্বার্থপরতা করেছেন,নাহলে কি লিখার মধ্যে এত টুইস্ট কেউ রাখে?লেখক সাহেবের সুন্দর সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন, বাচনভঙ্গি সত্যি সবার মন কাড়বে।উপন্যাস প্লটও ছিল আনকমন।তাছাড়া প্রত্যেকটি চরিত্রেকে উপন্যাসের পাতায় সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক সাহেব। আমি মনে করি অসম্পূর্ণ সত্তা একটি পরিপূর্ণ বই।কারণ লেখক সাহেব তার পাঠককে ধরে রাখতে পেরেছেন!"

sayfa shanta

sayfa shanta , Mar 3, 2024

★ ★ ★ ★ ★

"বেস্ট একটা বই সবমিলিয়ে অসাধারণ বলা যায়। সার্বিক বিবেচনায় পুরো উপন্যাসটা পড়ে কেউ বিরক্ত হবেনা বরং একের পর এক রহস্য ও ঘোরের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। আমি যখন বইটি পড়তে বসেছি এক বসায় বইটা পড়া শেষ না করে উঠতে পারিনি। একদম পুরোটা শেষ করে শেষাংশ টা সত্যি চোখের জল আনার মতো ছিল। অনেক ভালো লাগছিল পড়ে। ভাষার মাধুর্য ও ব্যবহার ও শব্দচয়ন সবমিলিয়ে বেস্ট।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"অসম্পূর্ণ সত্তা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 1 / 20
পাতা 2
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 2 / 20
পাতা 3
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 3 / 20
পাতা 4
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 4 / 20
পাতা 5
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 5 / 20
পাতা 6
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 6 / 20
পাতা 7
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 7 / 20
পাতা 8
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 8 / 20
পাতা 9
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 9 / 20
পাতা 10
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 10 / 20
পাতা 11
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 11 / 20
পাতা 12
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 12 / 20
পাতা 13
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 13 / 20
পাতা 14
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 14 / 20
পাতা 15
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 15 / 20
পাতা 16
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 16 / 20
পাতা 17
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 17 / 20
পাতা 18
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 18 / 20
পাতা 19
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 19 / 20
পাতা 20
অসম্পূর্ণ সত্তা পাতা: 20 / 20
পাতা / 20
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।