২য় সংস্করণ, ২০০৪
অন্ধকারের গান
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | অন্ধকারের গান |
| Author | হুমায়ূন আহমেদ |
| Publisher | অনন্যা |
| Edition | ২য় সংস্করণ, ২০০৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 96 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.32 Kg |
| ISBN | 9789844328945 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
26 Ratings and 9 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৯টি
Akita Khanom , Mar 7, 2025
"একেবারে অনবদ্য একটি উপন্যাস। আমি পুরোটা শপষ করেছি বেশী সময়ও লাগেনাই। হুমায়ুন আহমেদ এর এরকম পারিবারিক বন্ধন মিশ্রিত সাদা মাটা উপন্যাস কি যে ভালো লাগে। তবে পাঠক হিসাবে সবসময় যে চাহিদা থাকে যে চাওয়া থাকে তা হুমায়ুন আহমেদ একটু অপ্রত্যাশিতই রেখে যান। এটাও লেখার এক ধরনের সুন্দর মাধুর্য অবশ্য। যাইহোক বুলু র মৃত্যুটা সত্যিই কষ্টকর ছিলো। আর বারবার মনে হচ্ছিল শেষ হয়েও হইলোনা শেষ"
আফজাল হোসেন , Oct 4, 2024
"একটু ভয় আমাদের জীবনকে কীভাবে অন্ধকার করে তুলে তারই মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপারগুলো দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে অন্ধকারের গান বইটিতে। হুমায়ূন আহমেদের বই সবসময় সাধারণ হলেও গল্পগুলো থাকে একটু ভিন্ন ধাঁচের। মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প নিয়ে লেখা এই বইটিতে জীবনদর্শন নিয়ে মনে নানাভাবে ধাক্কা খাওয়ার মতো শক্তি তৈরি করে রেখেছেন লেখক। সহজ স্বাভাবিক এই গল্পটিতে দৈনন্দিন কার্যকলাপ বর্ণনা করে শুরু ও শেষ করা হলেও এরই ফাঁকে ফাঁকে 'ভয়' নামক একটি অন্ধকারের গান গেয়েছেন তিনি৷ গল্পের অন্যতম চরিত্র হলেন মিজান সাহেব। মিজান সাহেবের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। মিজান সাহেব বাঘ বা ভাল্লুক না হলেও স্ত্রীসহ সন্তানরা প্রচন্ডরকমের ভয় পায় উনাকে। ওসমান গনি সাহেবের মেঘনা এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন মিজান সাহেব। মিজান সাহেবের বড়ো ছেলে বুলু টানা তিনবার বি.এ. ফাইনাল পরীক্ষায় ফেল করে বাবার ভয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। ওদিকে ধুরন্ধর ব্যবসায়ী ওসমান গনি সাহেব কর্মচারীদের উপর চাপ তৈরি করে রাখতে কৌশলে গুটি চালেন, যার ফলাফল হিসেবে ক্যাশে তৈরি হয় বড়ো একটা গড়মিল। এরই প্রেক্ষিতে মিজান সাহেবের পরিবারে নেমে আসে ভয়াবহ অন্ধকার। বুলুর বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে ছোটো একটা ক্ষত নিয়ে ফিরে আসা এবং দিনরাত এক করে অফিসের হিসেব মেলাতে না পারার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মিজান সাহেবের পরিবারে। শেষমেশ কী হয়েছিল তাদের পরিণতি, তারা কী পেরেছিল ভয়াবহ পরিস্থিতি সামাল দিতে? না কি ভয় নামক শব্দের অন্ধকারে হারিয়ে যায় সবকিছু? একটা শব্দ 'ভয়'। ভয় নামক শব্দের মায়াজালে ঘেরা থাকে আমাদের জীবন। একেকজন মানুষ নিজের জায়গা থেকে ভয়ের বীজ চাষ করে তার থেকে দূর্বল মানুষদের উপর৷ এভাবেই পর্যায়ক্রমে আমাদের গ্রাস করে ভয়। সুন্দর সুন্দর কিছু সম্পর্ক, সুন্দর সুন্দর কিছু জীবন ভয় নামক হিংস্রতায় হারিয়ে যায় অন্ধকারে, জীবনে বাজতে থাকে অন্ধকারের গান। ভয়ের ভয়াবহ গল্প নিয়েই লেখা অন্ধকারের গান বইটি। আমার ভালো লেগেছে, আশা করছি আপনারও ভালো লাগবে এক বসায় শেষ করার মতো এই বইটি। বই: অন্ধকারের গান লেখক: হুমায়ূন আহমেদ প্রকাশনী: অনন্যা পৃষ্ঠা: ৯৬ জনরা: সমকালীন উপন্যাস মূল্য: ২২৫৳ বি. দ্র. এই বইটি ভালোভাবে উপলব্ধি করলে হয়তো অন্যান্য কিছু দিকও উল্লেখ করার মতো হতে পারে। ভয়ের দিকটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়ায় ভয় নিয়েই লিখলাম আমি।"
Laxmi Akter , Nov 21, 2022
"খুব সাধারন মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি ছোট গল্প। মোটামুটি ভালই লেগেছে।"
Anamika Tahsin , Nov 17, 2022
"Satisfied. This is a wonderful book"
Md. Naiem Hasan Shoikot , Sep 3, 2021
"চমৎকার একটা উপন্যাস"
Mahmud Parvez , Mar 16, 2020
"boita onek vlo"
Kaushik Ahamed , Nov 27, 2019
"আহা!!! কতদিন পর হুমায়ূন আহমেদ পড়লাম। সেই পুরনো অনুভূতি। একটা মধ্যবিত্ত পরিবার। যেখানে সব গুলো চাওয়া পাওয়ার পূর্ণতার দেখা নেই। গল্পের একজন বাউন্ডুলে বা আউট অব স্কেল, একজন রাজপুত্র বা রাজকন্যার চেহারায় জন্ম নেওয়া মানুষের পাগলামি। আর আমাদের অতি পরিচিত বাবা মাকে এক এক গল্পে এক এক ভাবে চেনা। এবং সব গল্পের সাথে সহজেই নিজেকে খুঁজে পাওয়া। এবং বই শেষ করে শেষ পরিণতি দেখতে না পারায় মন খারাপ হওয়া। সবকিছু এতো পরিচিত, তারপর ও হুমায়ূন প্রতি বইতেই কীভাবে যেন নতুন করে ধরা দেয়।"
jami jahan , Jan 31, 2017
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বই-অন্ধকারের গান লেখক-হুমায়ূন আহমেদ ধরন-উপন্যাস পৃষ্ঠা-৯৬ মূল্য-১২৫ অনন্যা প্রকাশনা ... তিনি প্রশ্ন করিলেন,আলোর জন্ম কোথায়? দেবদূত উত্তর করিলেন,আলোর জন্ম অন্ধকারে। তিনি দ্বিতীয় প্রশ্ন করিলেন, অন্ধকারের জন্ম কোথায়? দেবদূত ক্ষণকাল নীরব থাকিয়া কহিলেন, আমি জানি না। আপনার কি জানিতে ইচ্ছা করে না? দেবদূত কহিলেন, না এই প্রশ্নের উত্তর জানিতে আমি ইচ্ছা করি না। কিন্তু আমার জানতে ইচ্ছা করে । সত্যিই আমার জানতে ইচ্ছা করে। অন্ধকার এর সৃষ্টি কিভাবে..? হুমায়ুন আহমেদ এর অন্যতম উপন্যাস হল "অন্ধকারের গান"। নামেই কেমন জানি গুমোট গুমোট ভাব। তবে এটা ঠিক নামের সাথে উপন্যাসের মিল অনেক। কিন্তু করলা তিতা জেনেও অনেকে আছেন আমার মতো, যারা খুব তৃপ্ত সহকারে ভাত খেতে পারেন। তেমনি এই বই পড়ার পর মন টা খারাপ হয়ে যাবে জেনেও পাঠক এর অভাব হবে না। আরো সহজ করে বললে, কাহিনী টা পুরো বুঝে ফেলার পরও আপনার ইচ্ছা হবে আরও কয়েক বার বই টা উল্টানোর। সমাজে কয়েক প্রকার মানুষ থাকে কেউ বীণার বাবার মতো , যারা অভাব এর থৈ খুজে পান না। আবার থাকে গণি সাহেবের মতো, যারা টাকা খরচ করার জায়গা পায় না। বীণারা থাকে একটা পুরানো আমলের হিন্দু বাড়িতে । তুলসী মঞ্চ আছে, ছোট একটা ঠাকুরঘর আছে। এর দক্ষিনে আছে একটা কুয়া। এটা বীণার বাবা মিজান সাহেব , নিত্যরঞ্জন বাবুর থেকে কিনেছেন জলের দামে। কিন্তু দখল নিতে অনেক কাঠখড় পুড়াতে হয়েছিলো। বীণা, বুলু, বাবলু, আর লীনা চার ভাই বোন সব সময় তটস্থ থাকে বাবার ভয়ে। বুলু আর বীণার বি এ রেজাল্ট হয়েছে। বুলু আগের দুইবারের মতো এবারো ফেল করেছে। অথচ বীণা বেশ ভালো রেজাল্ট করেছে। বুলুর ফেল করার চাপটা পরিবারের সবার উপর আসবে বলে বীণা ভয় পাচ্ছে। বীণা জানে বুলু অনেক চেষ্টা করেছে। তবুও সে পারে নি।আর তাই বাবার ভয়ে সে বাড়ি থেকে পালিয়েছে। বীণার দাদা দাদীও ছিলেন বীণাদের সাথে। গ্রাম থেকে আসায় এখানে থাকতে তাদের খুব কষ্ট হচ্ছিলো। বীণার বান্ধবী অলিক । বীণার সাথে বেশ কৌতুক করেই অলিকের বন্ধুত্ব হয়েছিল। অলিক এর মা মারা গেছেন কিছু দিন আগে। অলিক ভাবে সেও খুব তাড়াতাড়িই মারা যাবে। কেন না তার মায়ের অসুখ টা তার ও হয়েছে বোধহয়। আর একটি চরিত্র হলো, ওসমান গনি ।তিনি মেঘনা এন্টারপ্রাইজের মালিক। কোন নির্দিষ্ট নায়ক বা নায়িকা নেই উপন্যাসে। তবে সব গুলো চরিত্র সক্রিয়। অন্ধকারের একটা ছায়া পুরো উপন্যাস জুড়ে। তবুও আমার বেশ ভালো লেগেছে। মাঝে মাঝে ইচ্ছা করেই কিছু কষ্ট পেতে ভালো লাগে। মনে হয় এখন কিছু কষ্ট আমার পাওয়া উচিৎ। তাহলে বোধ হয় , ভেতর টা হালকা লাগবে। সেই সময়টায় আমার এই বই টা খুব দরকারি মনে হয়। ভালো লাগে বীণা কে, বুলু কে এমন কি শেষ দিকে ভালো লাগে তার বাবাকেও। প্রগতি লিংক https://www.progoty.com/book/128/অন্ধকারের-গান"
mostafizur rahman , Nov 30, 2016
"বইটির নাম অন্ধকারের গান। অন্ধকার বিষয়টা আমরা যথেষ্ট ভালবাসি না, অন্ধকারের মাঝে কিরকম জানি একটা আতঙ্ক মিশে থাকে, সেইসঙ্গে থাকে দুঃখ দুঃখ ভাব। আর একটা উপন্যাসের নামের একটা অংশ জুড়ে যদি অন্ধকার শব্দ উল্লেখ থাকে তাহলে উপন্যাসটি কষ্টের এবং দুঃখের যে হবে এটা ভাবা অস্বাভাবিক নয়। অস্বাভাবিক নয় বলেই বলছি গল্পে আছে কিছু দুঃখ আর কিছু অভিমান। মেজাজ খারাপ করা চরিত্র আছে। প্রত্যেক উপন্যাসে বাবা নামে চরিত্র থাকে এটাতেও আছে তবে প্রথমে আমার তাকে একফোঁটাও ভালো লাগেনি, কারন তিনি তার ছেলে মেয়েদের নির্মম শাস্তি দেন। তার শাস্তি গুলো বাড়ির বড় ছেলে মেয়ে যে BA পরীক্ষায় ৩য় হয়েছে পেপারে ছবি উঠেছে তাকে মিষ্টি খাওয়ানোর বদলে এমন প্রচন্ড মার দেয়া হয় যে....থাক বলছি না। তবে এটা কোন প্রেমের উপন্যাস নয়, আমাদের সমাজের আর দুটা পরিবারের মতই একটা পরিবারের দিনকাল নিয়েই রচনা। গল্পে মূল চরিত্র আছে, মূল চরিত্র মানেই নায়ক নায়িকা হতে হবে এর কোন মানে নেই যদি ধরি গল্পের নায়ক বুলু তাহলে খুব একটা ভূল হবেনা কেননা যে বাবার ভয়ে তার সাথে দুটা কথাবলা তো দূরের কথা ভয়ে তটস্হ হয়ে থাকতে হত সেই বাবার সাথে খোস মেজাজে গল্প করা যাচ্ছে। এটা কেন হল? অবশ্যই বুলুর কারনে। তবে এটা হতে অনেক সময় লেগেছে এর মাঝে ঘটে গেছে অনেক অনেক কাহীনি। বুলুরা যখন নতুন বাড়ীতে এসেছিল তখন একটা তাদের পুরা পরিবারকে একটা চক্রান্তের শিকার হতে হয়েছিল ফলে সেই চক্রান্ত থেকে মুক্তি লাভের জন্য অনেক অর্থ ব্যায় হয়। আর তারপর পরিবারে নেমে আসে দারিদ্র্য। দারিদ্র্য পরিবারে বাড়তে থাকে মুখের সংখ্যা। গত পচিশ বছর ধরে এই বাড়িতে আছে বুলুরা। বুলু একদিন বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়, পালিয়ে যাওয়ার কারন সে পরীক্ষায় ফেল করেছে। পর পর তিনবার ফেল করার পর রাগী বাবার হাত থেকে যে কিছুতেই রক্ষা পাওয়া যাবেনা সেটা বুঝতে পেরেই পালানো। তবে এমনটা নয় সারা জীবনের জন্য পালানো বরং দু তিন মাস যখন ফিরে এলো তখন আর বুলুকে চেনা যায়না। পায়ে বিধিয়েছে শিমুল গাছের কাটা। পা অসম্ভব ফুলে আছে। পা নিয়ে চিন্তার শেষ নেই বুলুর বোন বীনার। অথচ তার বাবা নির্বিকার। বীনা মনে মনে ঘৃনা করে তার বাবাকে, এক ঘটনার পর বাবার দেয়া হাত ঘড়ি ড্রেনে ফেলে দিয়েছে। এভাবেই এগোতে থাকে কাহীনি, গল্পে বীনার বান্ধবী অলিকের সুন্দর একটা চরিত্র আছে, অলিক বিশ্বাস করে সে বেশিদিন বাচবে না। কারন ঠিক যে অসুখটার কারনে তার মা মারা গেছে সেটা তারও হয়েছে। বিদেশে গিয়েও তার কোন লাভ হয়নি। অলিক যখন বুঝতে পারলো তার আয়ু শেষ তখন সে নামলো ইচ্ছা পূরন করার জন্য। এমন একটা ইচ্ছা যেটা বিয়ে না করলে পূরন করা যায়না। সে ইচ্ছাটাই পূরন করবে অলীক। এ ব্যাপারে পরামর্শ চায় বীনার কাছে। কাহিনী আমার ভালো লেগেছে, আশাকরি আপনাদেরও ভালো লাগবে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"অন্ধকারের গান" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: