হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
নিরাপদ তন্দ্রা - মাহমুদুল হক এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

৫ম মুদ্রণ, ২০১৬

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

নিরাপদ তন্দ্রা

2 Ratings | 1 Reviews
TK. 215 TK. 250 -14% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

প্রথমে নিজের সম্পর্কে কিছু বলা দরকার। আমি একজন অকর্মণ্য যুবক। আমার নিজের কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শ্রমের কোনো মূল্য নেই। এই প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত প্রয়োজনের একটা ফ...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

প্রথমে নিজের সম্পর্কে কিছু বলা দরকার। আমি একজন অকর্মণ্য যুবক। আমার নিজের কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শ্রমের কোনো মূল্য নেই। এই প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত প্রয়োজনের একটা ফিরিস্তি দিতে চাই, এ থে
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title নিরাপদ তন্দ্রা
Author মাহমুদুল হক
Publisher সাহিত্য প্রকাশ
Edition ৫ম মুদ্রণ, ২০১৬
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 128
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.31 Kg
ISBN 9844652466
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

5.00

2 Ratings and 1 Reviews

★★★★★
2
★★★★☆
0
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

১টি
Abdulla Al Baky

Abdulla Al Baky , Apr 12, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"নামঃ নিরাপদ তন্দ্রা লেখকঃ মাহমুদুল হক ধরনঃ উপন্যাস প্রেক্ষাপটঃ পুরাদস্তুর শহুরে জীবনে বসবাস করা একদল মানুষ। যাদের জীবিকা নির্বাহ হয় রোজ হিসেবে। শ্রম বিক্রি করতে না পারলে যাদের উপোস থাকতে হয়। শহুরে সমাজের সেই নিচু শ্রেণীর মানুষের জীবন কে কেন্দ্র গড়ে ওঠা একটা গল্প। যেখানে নানা বিচিত্র মতের, নানা বিচিত্র পেশার মানুষের বাস। কেউই স্থায়ী নয়। সবাই ভাসমান জীবনের তোরে ভাসতে ভাসতে এই ঘাট ওই বন্দর করতে করতে এসে ঠেকেছে এই চাঁদ সর্দারের বস্তি তে। এই সব ছিন্নমূল মানুষের জীবন। আরো খোলাসা করে বলতে গেলে তাদের বিনোদনের মাধ্যম,নানা কুসংস্কার, নিচু মানের ঠট্টা মসকরা, সর্দার কর্তৃক অত্যাচারিত হওয়া, গুন্ডামী, রাহাজানি, সহ তাদের যৌন জীবনের নিরেট এক গল্প সাজানো হয়েছে এই উপন্যাসে। শহুরে বস্তিবাসী জীবনের নানা অসুবিধার কথা, তাদের বঞ্চিত এই জীবনের মাঝে ছোট ছোট অনেক গল্পই জমা পরে থাকে। সেই গল্প গুলো কে একসাথে করে এক কাতারে তুলে নিয়ে এসেছেন লেখক। তবে এসবের মাঝেও তাদের ভেতরে থাকা সুপ্ত প্রেমানুভুতির এক গভীর নির্জাস ছড়িয়েছেন। তখনো ঢাকা শহর ঠিক জমজমাট এক নগরী হয়ে উঠতে পারেনি। ইট কাঠের নিচে তখনো চাপা পরে যায় নি তার আর্তনাদ গুলো। তখনো নানা বঞ্চনার এই আর্তনাদ গুলো কাহিনীর প্রেক্ষাপট থেকে বাস্তবে বের হয়ে আসতে চায়। ছিটকে ফেলে দিতে চায় সব পিছুটান। তেমনি এক সময়ে যেন তুলে ধরেছেন লেখক। ঘুমকাতুরে সভ্য সমাজের নিচে চাপা পরে যাওয়া মানুষ গুলোর যে একটা আলাদা জগৎ আছে তা আমরা দেখেও দেখি না। টিনের চশমা পরে থাকা এই সমাজের প্রথার প্রগাঢ় এক প্রলেপ সমাজে এঁকেছেন সমাজপতিরা, তার নিচের এক জগৎের গল্প উঠে এসেছে লেখের স্নায়ু তন্তীর মাঝে থেকে ছাপার অক্ষরে। . কাহিনীঃ এই কাহিনীর সুত্রপাত এক ভবঘুরে মানুষের জীবন কে কেন্দ্র করে। যারা জীবনে অপ্রাপ্তি বলে কিছু নেই। যা পায়, যেটুকু পায় এই নিয়েই তার জীবন কে সে উপভোগ করে। তার মতে মানুষ কোন বিলাসিতা ছাড়া কখনো বাঁচতে পারে না। তাই তার জীবনে এই বেচে থাকার পেছনেও একটি বিলাসিতা আছে। আর সেটু হলো বই পড়া। ভবঘুরে জীবনের এই মানুষ টি বড়ই বেখেয়ালি আর অলস। পকেটে খাবার আর ঘর ভাড়া দেবার মত পয়সা থাকলে সে খেটে পয়সা উপার্জন করতে রাজি না। এভাবেই দিন যেত। তবে বই পড়ার পেছনে তার যুক্তি টাও অদ্ভুত। তিনি কখনো নতুন বই কেনেন না। ফুটপাতে থেকে পুরাতন বই কেনেন। তাও আবার যে সব বই রাজ্যের অন্য কেউ কেনে না কারন প্রয়োজন টা পুরাতন বইয়ের দোকানীরা ভাল ভাবেই বুঝতে পারে তাই সেখানপ জবাই হবার সম্ভাবনা থাকে। তিনি বই কেনেন পিপরার জীবন বৃত্তান্ত, জীন সঙ্গ ও অলৌকিক ঘটনা টাইপের বই। একসময় সে ইলেকট্রনিক ডেকোরেশন কোম্পানি তে কাজ করতো। সেখানকার হেড মিস্ত্রি ফৎনার চালাকি ধরতে পেরে ১ হাজার টাকা দাবি করে। কিন্তু নগদে তা ৫০০ টাকায় রফা করে চাকরি কে লাথি মেরে সে বিদায় হয়। পরে ইদ্রিস নামে তার এক পরিচির সাথে দেখা হবার পর থাকার অসুবিধে জানালে ইদ্রিস লুফে নেয় কথাটা। ইদ্রিসের রুম মেট হিসেবে সে গিয়ে ওঠে চাঁদ সর্দারের বস্তি তে। সেখানে একটি তক্তপোশের কেনার পর সেই তক্তপোশের জীবন বৃত্তান্ত বলতে গিয়ে আসল কাহিনী তে ঢুকে পরা। হিরন নামের একটি মেয়ে ঘটনা ক্রমে কম্পোজার ইদ্রিসেদের প্রেসের ম্যানেজারের প্রেমিকা হিসেবে অনিচ্ছা সত্বেও ইদ্রিসের ঘরে রেখে যায় এবং ইদ্রিস সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেয় তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী হিসেবে। কিন্তু নানা কারনে ম্যানেজার কেরামত আলী লাপাত্তা হবার পর ইদ্রিস বিপদে পরে তাকে নিয়ে। একসময় পেরে না উঠে ইদ্রিস হিরন কে সিন্ধান্ত নিতে বলে, এদিকে ইদ্রিস হিরনের প্রেমে পরলেও তা মুখফুটে বলতেও পারে না। আবার আমানত হিসেবে তার কাছে আশ্রিত থাকায় কখনো তার উপর ঝাপিয়ে পরার সাহসও পায় না। বুক ফাটে তাও মুখ ফোটে না অবস্থা। একদিন হঠাৎ করেই ইদ্রিস বাসায় ফিরে দেখে হিরন বাসায় নেই। নারী লোভি কোবাত কে সে বিয়ে করেছে এভাবেই তালাক ও বিয়ে পরপর হিরন আকদ্দস, কাঞ্চন করে শেষে কাসেমের জিম্মায় আখড়ায় থাকতে শুরু করে। এদিকে হিরন ছিলো বয়াতির মেয়ে তাই তার গানের সুখ্যাতি ছড়িয়ে পরে বস্তিজুরে। এই সবের ধুর্ত জলিল বুকি হিরন কে নানা ঘাটের পানি খাওয়ায়। কোবাতের ঘরে থাকা কালে কোবাত তার উপর জোর খাটিয়ে চাঁদ সর্দারের কাছে থেকে বখরা নিয়ে হিরন কে নিয়ে মজমাস্তি করতো। আকদ্দশের কাছে সে ঝামেলা না থাকলেও ছিলো ভুখা থাকার কষ্ট। সেটা অর্থাভাবে নয়, আকদ্দশের ছিলো টাকা জমানোর নেশা। পরে কাঞ্চনের কাছে থাকতে শুরু করে। কাঞ্চনও তাকে যেমন ভোগ করে তেমনি চাঁদ সর্দারের গুন্ডা হাবলুকে দিয়ে ভোগ করাতো। একদিন কাঞ্চনের কাছে থেকে হাবলু হিরন কে দাবি করে কিন্তু কাঞ্চন দিতে রাজি না হলে কাঞ্চনের হাত কেটে নেয় হাবলু পরে পুলিশের ভয়ে হাবলু গা ঢাকা দিলে লুটের মাল হয়ে চাঁদ সর্দারের আরেক গুন্ডা কাশেমের জিম্মায় রইলো। এদিকে ইদ্রিস একা জীবন কাটাতো। সে বিয়ে না করায় তার বেশ্যাপল্লিতে যাতায়াত ছিল। একদিন এমনই এক পল্লি তে গিয়ে দেখা পায় কাঞ্চনের সেখানে পুরো জাকিয়ে বসেছে ব্যবসা। ইদ্রিসের সাথে তার একান্ত কাছের তিন জন হিরা চুনি পান্নার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। সেখানে ভালোই খেজমত পায়। কিন্তু কাঞ্চন একসময় হিরন কে কাসেমের কাছে থেকে ছাড়িয়ে আনার প্রস্তাব দিলে ইদ্রিস সেখানে যাওয়া বন্ধ করে। কারন এমনি হিরনের সাথে আগে যোগাযোগ থাকলেও এখন কোন কথাই তার হয় না, আর কাশেমের সাথে কোন ভাবেই ইদ্রিস পেরে উঠবে না তা সে ভাল করেই জানে। এভাবেই ইদ্রিস চুপষে যায়। একদিন হঠাৎই কাশেমের আখড়ার ভেতরেই গলা কাটা লাশ পাওয়া যায় কাশেমের। সাথে হিরন ও মিশরকুমারী উধাও। অনেকে অনেক কথা তুললেও কোন হদিস হলো না। এরওর অনেকদিন কেটে গেলো। ইদ্রিসের সেই পুরনো স্বভাব আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো। কিন্তু কাছে পিঠে কাঞ্চনের ওখানে যাওয়ার সাহস তার হলো না। তাই সে নারায়নগঞ্জে গেলো কিন্তু সেখানেও সব ঘাটের মরা মেয়েছেলে। তাই এক দালাল মতলব বুঝে তার কাছে ২০ টাকার বিনিময়ে ভাল জিনিস দেবার নাম করে নিয়ে যায়। ঘরে ঢুকে ইদ্রিস হিরন কে দেখে তার সব ইন্দ্রিয় অসার হয়ে ওঠে সকল বাসনা দুরে চলে যায়। হিরণ তাই মুক্তিখোজে ইদ্রিসের কাছে। দালাল বাতেন জানায় ১ হাজার টাকা হলে গুন্ডা ভাড়া কটে কাঞ্চন কাছে থেকে হিরণ কে মুক্ত করা যাবে। তখন নানা ভাবে চুরি করে খেটেখুটে পয়সা জমাতে থাকে। কিন্তু টাইপ মেশিন চুরির অভিযোগে তাকে ধরা পরে। শেষে এক বৃষ্টি স্নাত দিনে হিরণ অবশেষে উপস্থিত হয় ইদ্রিসের বাড়িতে কিন্তু অন্ধকারে লেখক কে ইদ্রিস মনে করে তার জীবনের বাসনা গুলো কে উজার করে বলতে শুরু করে। আর এখানেই লেখক ইতি টানে উপন্যাসের। . পর্যালোচনাঃ এই উপন্যাসের সবচেয়ে যে জিনিস টি আমার ভালো লেগেছে তা হলো, এই উপন্যাস টি শুরুর দিকে যাকে উপন্যাসের মুল চরিত্র ভেবেছি, আসলে হঠাৎ করেই যেন তিনি এক পা পেছনে গিয়ে অন্দর থেকে কাউকে একজন কে সামনে দাড় করিয়ে দিয়েই পার্শ্ব ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে যাবেন। তাই গল্প টি যে ভাবে গতি নিয়ে এগিয়ে যাবে ভেবে ছিলাম হঠাৎই তার ছন্দ পতন হয়ে কোথায় যেন হারিয়ে গেল সে। যাই হোক, মাহমুদুল হকে লেখা যতগুলো উপন্যাস আমি পড়েছি তার মধ্যে এই উপন্যাস টি অর্থাৎ "নিরাপদ তন্দ্রা" আমার কাছে সবার সেরা মনে হয়েছ। আসলে এর নাম টিও যথার্থ, কারন তন্দ্রা মানুষের দৈনন্দিন সকল ঝামেলা একঘেয়েমি থেকে মানুষ কে প্রশান্তি প্রদান করে। আর এই প্রশান্তি টি অনেক মানুষের কাছেই নিরাপদ নয়। এই যেমন হিরণ, বয়াতির ঘরে জন্ম নেয়া অতি শান্ত স্বভাবের মানুষ হলেও কেরামতের প্রেমে পরে তার জীবন ভার তুলে দিয়ে বড় বিপদে পরেছেন। হয়েছেন লুটেরার মাল, ইচ্ছে মত তাকে সবাই ভোগ করেছে৷ অনেক মানুষই তাকে কাছে টেনেছে। কিন্তু কেউই তাকে আপন করেনি কখনো। প্রয়োজন শেষে সবসময় তাকে দূরে ঠেলে দিয়েছে দূর দূর করে। তাকে নিয়ে ব্যবসা করেছে ধূর্ত জলিল বুকি। হিরন চরিত্রটি যেন আজন্ম দুঃখ ভোগের জন্যই জন্মেছে। তার প্রতি এই অবহেলা, অপমান তার নিত্য সঙ্গী হয়েছে। এই জীবনের সংগ্রাম এবং তা থেকে উত্তরণের কোন পথই সৃষ্টি করেন নি লেখক। অপর দিকে ইদ্রিস চরিত্র টি অত্যন্ত সফল একটি চরিত্র। বেশ্যাপল্লি তে তার নিয়মিত যাতায়াত থাকলেও হিরনের সাথে একঘরে থাকলেও তার প্রতি কখনো ঝাপিয়ে পরার মত নষ্টামি করতে যান নি। অন্যদের মত সে হিরণ কে ভোগের মাল ভাবে নি। তাছাড়া কাঞ্চনের কাছে থেকে হিরণ কে ছাড়িয়ে আনবার জন্য যে একাগ্রতা তার মাঝে দেখা যায় তা থেকেই বোঝা যায় যে ইদ্রিস চরিত্র টি লেখক পরম যত্নে সাথে সৃষ্টি করেছেন। যা এক অসাধারণ চরিত্র হয়ে উঠেছে। তাছাড়া লেখকের কাহিনীর বর্ণনায় চাঁদ সর্দারের যে বস্তি তে এই গল্প টি বেড়ে উঠেছে তাতে দারিদ্র্য শ্রেনীর মানুষের পেশা ও জীবন যাপনের বৈচিত্র্য তা অন্তর দৃষ্টির এক জোড়ালো জ্যোতির বহি প্রকাশ। এই যেমন ড্রাইভার কোবাতের যেমন মেয়ে মানুষের নেশা, অপর প্রান্তে ক্যানভাসার আকদ্দসের নেশা টাকা জমানো। আবার চালচুলো হীন কাঞ্চনের পরগাছা হয়ে বেড়ে ওঠা। এসব কিছু কে তুলে ধরছেন এক গভীর মমত্ববোধের সাথে। তাছাড়া সারা উপন্যাস জুড়েই ছড়িয়ে থাকা অনেক প্রবাদ প্রবচন আছে, যা পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করবেই। এছাড়া ভাষার ব্যবহার টাও মন্দ নয়। তবে যেহেতু তারা সমাজের নিচু শ্রেণির মানুষ তাই হালকা আঞ্চলিকতা থাকলে আরো জোড়ালো হতো বলেই মনে কটি। সব চরিত্রের সেই একঘেয়েমি সাবলীল বাংলা ভাষায় কথপোকথন টা একটু ভুগিয়েছে। তবে আমার সব ক্ষোভ জমা হয়েছে শেষ পরিচ্ছেদে এসে। সেখানে হিরনের ফিরে আশা এবং তার বর্ণনা টি উপন্যাসের মুল কাহিনীর সাথে কোন যোগ আছে কি না তার কোন হদিস পাই নি। আর হিরনের এত উতলা হয়ে ইদ্রিসের প্রতি ভালবাসা জাগানো কি এতোই সহজ ব্যাপার যার পেছনে রয়েছে এক বিশাল অবর্ণনীয় কষ্টকর স্মৃতি। তাই এই অংশ টুকু মিলিয়ে নিতে কষ্ট হয়েছে আমার। লেখক হয়তো আরো অন্য অনেক ভাবেই ইতি টানতে পারতো। কিন্তু এভাবে অযথা এক বর্ণনা টেনে শেষ করার কোন অর্থ আমি সত্যিই খুঁজে পাইনি।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"নিরাপদ তন্দ্রা" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 1 / 12
পাতা 2
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 2 / 12
পাতা 3
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 3 / 12
পাতা 4
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 4 / 12
পাতা 5
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 5 / 12
পাতা 6
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 6 / 12
পাতা 7
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 7 / 12
পাতা 8
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 8 / 12
পাতা 9
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 9 / 12
পাতা 10
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 10 / 12
পাতা 11
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 11 / 12
পাতা 12
নিরাপদ তন্দ্রা পাতা: 12 / 12
পাতা / 12
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।