দ্বিতীয় সংস্করণ:নভেম্বর, ২০২৩
নবিদের দাওয়াতি পদ্ধতি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
জননী বুক ডিপো
তাকরিরে তিরমিযী
মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
মাওলানা আনিসুর রহমান
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
কওমী লাইব্রেরী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | নবিদের দাওয়াতি পদ্ধতি |
| Author | আরিফুল ইসলাম |
| Publisher | গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস |
| Edition | দ্বিতীয় সংস্করণ:নভেম্বর, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 79 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইসলামি বই |
| Weight | 0.11 Kg |
| Translator | আরিফুল ইসলাম |
| ISBN | 9789849658412 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
12 Ratings and 11 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১১টি
Md. Nazmul Huda , Nov 26, 2023
"আমার পড়া অনন্য সাধারণ একটি বইয়ের নাম নবিদের দাওয়াতি পদ্ধতি। মাত্র ৮৮ পৃষ্ঠার বইটি পড়ে জেনে নিতে পারেন কোন পদ্ধতিতে দাওয়াত দিয়ে মাত্র ২৩ বছরে সমাজ পরিবর্তন করেছিলেন রাসূল (সা.)! কীভাবে মানুষের মনে প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হয়েছিলেন আল্লাহর নবিগণ! একজন দাঈ হিসেবে অবশ্যই আপনার সেরা ও সফল মডেলটি-ই অনুসরণ করা উচিৎ! তাই বলা যায়- নবিদের দাওয়াতি পদ্ধতি- দাওয়াতের সেরা মডেলে!"
kobir , Nov 2, 2022
"vloi boi ta"
musahid vai , Nov 2, 2022
"good books"
rohim rm , Nov 2, 2022
"Very nice Very nice and good books thanks"
Nasrin Nahar , Nov 2, 2022
"💛💛💛💛"
kalimulla , Nov 2, 2022
"অসাধারন একটা বই। এ বইটি আমি বলবো যে আপনারা কিনে পরবেন। যা আজানা রয়েছে আশা তা দুর হয়ে যাবে।"
Sahadhot , Nov 2, 2022
"চমৎকার একটি বই। অমুসলিম ভাইয়েরা জানার জন্যে সংগ্রহ করে পড়তে পারেন।"
asar alo , Nov 2, 2022
"ভাল বই"
Mostafizar , Nov 2, 2022
"প্রজ্ঞা ও উত্তম উপদেশের মাধ্যমে দাওয়াত রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে দাওয়াতের পদ্ধতি সম্পর্কে জানিয়ে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন — ‘তুমি তোমার রবের পথে হিকমত ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে আহ্বান করো এবং সুন্দরতম পন্থায় তাদের সাথে বিতর্ক করো। নিশ্চয়ই একমাত্র তোমার রবই জানেন —কে তাঁর পথ থেকে ভ্রষ্ট হয়েছে। আর হিদায়াতপ্রাপ্তদের তিনি খুব ভালো করেই জানেন।’ সূরা নাহল : ১২৫ এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে দাওয়াতের তিনটি মৌলিক পদ্ধতির কথা জানিয়ে দিয়েছেন। সেগুলো হলো — * প্রজ্ঞার সাথে দাওয়াত। * সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে দাওয়াত। * সুন্দরভাবে বিতর্ক করা। প্রত্যেক নবি-রাসূলের মধ্যে দাওয়াতের এই তিনটি উপাদান খুঁজে পাবেন। তাঁরা মানুষকে প্রজ্ঞার মাধ্যমে আহ্বান করেছেন, উত্তমরূপে উপদেশ দিয়েছেন এবং যৌক্তিকভাবে, সুন্দরতম উপায়ে বিতর্ক করেছেন। আলিমগণ দাওয়াতের ক্ষেত্রে ‘হিকমাহ’ বা ‘প্রজ্ঞা’ শব্দের ব্যবহারের তিনটি ক্ষেত্রের কথা উল্লেখ করেন। সেগুলো হলোÑ * দাওয়াত প্রদানের বিষয়। * দাওয়াত উপস্থাপনের ভঙ্গি। * দাঈর চরিত্র। আপনার দাওয়াত উপস্থাপনের ভঙ্গি হতে হবে কুরআন-সুন্নাহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কুরআন-সুন্নাহর বিপরীত কোনো বিষয়ে আপনি দাওয়াত দেবেন না। রাসূলুল্লাহ ﷺ মনগড়া কোনো কথা বলতেন না। তিনি দ্বীনি বিষয়ে যেসব কথা বলতেন, সেসব আল্লাহর ওহির মাধ্যমে প্রাপ্ত; তাঁর বানানো কোনো কথা নয়। আপনি মানুষকে এমন ভাষায় দাওয়াত দেবেন, যেন তারা সহজে বুঝতে পারে। আপনি চীনে গিয়ে বাংলা ভাষায় দাওয়াত দিলে কাজ হবে না। আপনাকে তাদের ভাষা জানতে হবে। সেক্ষেত্রে তাদের ভাষা না জেনে কিংবা সাথে কোনো দোভাষী না রেখে আপনি দাওয়াত দিতে পারবেন না। একেক শ্রেণির মানুষের জন্য দাওয়াতের একেক ভাষা, একেক রকম সম্বোধন রয়েছে। আপনি গ্রামে গিয়ে সেখানকার মানুষদের তাদের ভাষায় সহজভাবে দাওয়াত উপস্থাপন করবেন। কিন্তু একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে গ্রামের সাধারণ মানুষের ভাষায় দাওয়াত দিলে তা ফলপ্রসূ হবে না। তার সঙ্গে তার ভাষায় কথা বলতে হবে। রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন বিশ্বের বিভিন্ন রাজা-বাদশাহর কাছে চিঠি প্রেরণ করেতেন, তখন তাদের সম্মানের সাথে সম্বোধন করতেন। তাদের নামের সঙ্গে থাকা উপাধি ব্যবহার করতেন। দাঈর আরেকটি গুণ হলো —মানুষের সাথে নম্র আচরণ করা। উগ্রতা প্রদর্শন করে দাওয়াত দেওয়া যায় না। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দাওয়াতের পদ্ধতি উল্লেখ করে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন — ‘অতঃপর আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমতের কারণে তুমি তাদের প্রতি কোমল আচরণ করেছিলে। আর যদি তুমি কঠোর স্বভাবের, কঠিন হৃদয়সম্পন্ন হতে, তবে তারা তোমার আশপাশ থেকে সরে পড়ত।’ সূরা আলে ইমরান : ১৫৯ দাওয়াতের হিকমাহ হলো—আপনি নম্রভাবে দাওয়াত দেবেন। আবার কখনো প্রয়োজনে কঠোর হবেন; এটাও হিকমাহ। যে পরিস্থিতিতে যেভাবে আচরণ করতে হয়, সেই পরিস্থিতিতে সেভাবে আচরণ করার নামই হলো হিকমাহ। একজন দাঈর চরিত্র সমাজের আর দশজনের মতো হলে হবে না। তাকে চারিত্রিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ হতে হবে। তার মধ্যে সত্যবাদিতা, আমানতদারিতা, জবাবদিহিতা, ন্যায়পরাছুতার মতো গুণাবলির সমন্বয় থাকতে হবে। এ ছাড়াও থাকতে হবে হিকমাহ। ইমাম আশ-শাওকানি (রহ.) বলেন — ‘হিকমাহ হলো একজন মানুষের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ গুণাবলি।’ অর্থাৎ, একজন মানুষ বোকার মতো কাজ করবে না। একজন মানুষ শুধু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য যেমন আগুনে ঝাঁপ দেয় না, তেমনি একজন দাঈও বোকার মতো কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন না। তিনি মানুষকে উত্তম উপদেশ দেবেন। ‘উত্তম উপদেশ’ বলতে বোঝায় স্মরণ করিয়ে দেওয়া। আপনি মানুষকে আল্লাহর প্রতিশ্রুত পুরস্কার এবং আজাবের কথা স্মরণ করিয়ে দেবেন। মানুষ যখন বুঝতে পারবে —কোন কাজ করলে আল্লাহ ভালোবাসেন এবং কোন কাজ আল্লাহ অপছন্দ করেন, তখন তারা ভালো কাজ করবে এবং খারাপ কাজগুলো পরিত্যাগ করবে। আপনি মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেবেন জান্নাতের অগণিত নিয়ামতের কথা, জান্নাতে আল্লাহর দর্শন লাভের কথা, আল্লাহর ক্ষমাশীলতার কথা, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর শাফায়াতের কথা। এতে করে মানুষ উৎসাহিত হবে। অন্যদিকে, আপনি মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেবেন কবরের আজাবের কথা, জাহান্নামের আজাবের কথা, আল্লাহর অবাধ্য হবার দুনিয়া ও আখিরাতের শাস্তির কথা। এতে মানুষ আল্লাহর আজাবের ভয়ে তাঁর আনুগত্য করবে। মুমিনের অন্তরে ভয় ও আশা —দুটোই থাকতে হয়। মুমিন আল্লাহর রহমতের যেমন আশা করে, তেমনি আল্লাহর আজাবেরও ভয় করে। এই দুটো হলো পাখির দুটো ডানার মতো। একজন মুমিনের মধ্যে এই দুটো গুণ অবশ্যই থাকতে হবে। আল্লাহর আজাবের ভয় ও রহমতের প্রত্যাশা। একজন দাঈ হিসেবে আপনি মানুষের মনে এগুলো জাগিয়ে দেবেন। নবিদের দাওয়াতি পদ্ধতি বই থেকে..."
Marzia Tabassum , Nov 2, 2022
"দাওয়াতের একটি প্রচলিত ভুল অনেকেই অমুসলিমকে দাওয়াত দিতে গিয়ে তাওহীদ ছাড়া ইসলামের অন্যান্য বিষয়ের দাওয়াত দেন। ইসলামের সৌন্দর্য উল্লেখ করতে গিয়ে এসব বিষয়ের দাওয়াত দেয়া ভুল কিছু না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুজিযার কথা উল্লেখ করতেই পারেন। তাই বলে, দাওয়াতের মূল বিষয়বস্তু সেগুলো না। মূল দাওয়াত দিতে হবে তাওহীদের। অনেকেই অমুসলিমকে দাওয়াত দেবার জন্য বই লিখেন, কনফারেন্সের আয়োজন করেন। সেইসব বই পড়া বা কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করা কোনো অমুসলিমকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় কী শিখলেন? তারা জবাব দেয়- কুরআনের বৈজ্ঞানিক বিস্ময়, অমুসলিমদের প্রতি ইসলামে অধিকার, ইসলামে মানবাধিকার, ইসলামে পরিবেশ অধিকার ইত্যাদি। কিন্তু, তারা তাওহীদের শিক্ষা পায় না। আপনি একজন খ্রিস্টানকে ইসলাম শেখাতে গেলেন। আপনি বললেন, “আমি তোমাকে ইসলাম সম্পর্কে বলবো?” “হ্যাঁ, বলো।” “ইসলাম তোমার মায়ের সাথে ভালো ব্যবহার করতে বলে।” “ও, তাই? আমাদের খ্রিস্টান ধর্মও বলে।” “ইসলাম প্রতিবেশীর অধিকার সম্পর্কে বলে।” “হ্যাঁ, আমাদের খ্রিস্টান ধর্মও বলে।” অমুসলিমদের মধ্যে অনেকেই উদার, মানুষের সেবা করেন, সমাজের উপকার করেন, অন্যের বিপদে এগিয়ে যান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেন। তাদেরকে দাওয়াত দিতে গেলে তাদের কাজের সাথে মিলিয়ে ইসলাম কী বলছে সেই দাওয়াত না দিয়ে তাওহীদের দাওয়াত দিন। কারণ, তারা যা করছে, ইসলামও যদি সেটা করতে বলে, তাহলে তারা ভাববে অমুসলিম হয়েও তো আমি এগুলো করতে পারি, মুসলিম হবার দরকার কী? সুতরাং, তার মধ্যে যা নেই, তার দাওয়াত দিন; যা আছে, তার দাওয়াত না। এভাবে দেখা যাবে যে, সাধারণ ভালো বিষয়গুলোর দাওয়াত দিলেন, যা অন্যান্য ধর্মেও আছে। কিন্তু, ইসলামের যে স্বকীয়তা, সেই তাওহীদের দাওয়াত দিলেন না। তাওহীদের ব্যাপারে ইসলামের যে অবস্থান, সেটা সাধারণত আপনি অন্যান্য ধর্মে পাবেন না। আপনি যদি অন্য ধর্মের কাউকে দাওয়াত দেন, তাহলে ইসলামের সবচেয়ে মৌলিক বিষয় তাওহীদের দাওয়াত দিবেন, এক আল্লাহর ইবাদাতের দাওয়াত দিবেন। এই দাওয়াত প্রত্যেক নবী-রাসূলের দাওয়াত, মুআয ইবনে জাবাল রাসিয়াল্লাহু আনহুকে শেখানো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাওয়াত। অন্যদিকে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মতের মধ্যে অনেকেই শিরকে লিপ্ত। তারা কবর পূজা করে। কবরে থাকা শুয়ে থাকা ব্যক্তির কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে, তার নামে মানত করে। সে ভাবে কবরে শুয়ে থাকা ব্যক্তির কাছে কিছু চাইলে পাওয়া যাবে। এজন্য সে কবরে সিজদাহ দেয়। এমন একজন ব্যক্তিকে দেখলে আপনি প্রথমে কিসের দাওয়াত দিবেন? আপনি কি তাকে নামাজে শুদ্ধ করে কুরআন তেলাওয়াতের নিয়ম শেখাবেন? তাশাহুদের দু’আ শেখাবেন? না, এই জায়গায় তাকে শিরক ও তাওহীদের শিক্ষা দিতে হবে। তাকে শেখাতে হবে কোনটি শিরক আর কোনটি তাওহীদ। ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাছে যখন দুজন লোক স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে আসলো, তখন তিনি তাদেরকে স্বপ্নের ব্যাখ্যা শুনানোর আগে দ্বীনের দাওয়াত দিলেন। তাঁর দাওয়াতের মূল বিষয়বস্তু ছিলো তাওহীদ। তিনি বলেন: “হে আমার কারাগারের সঙ্গীদ্বয়! বহু সংখ্যক ভিন্ন ভিন্ন রব ভালো, নাকি মহাপরাক্রমশালী এক আল্লাহ? তোমরা তাঁকে বাদ দিয়ে নিছক কতোগুলো নামের ইবাদাত করছো, যাদের নামকরণ তোমরা ও তোমাদের পিতৃপুরুষ করেছে; যাদের ব্যাপারে আল্লাহ কোনো প্রমাণ নাযিল করেননি। বিধান একমাত্র আল্লাহরই। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে, তাঁকে ছাড়া আর কারো ইবাদাত করবে না। এটাই সঠিক ধর্ম; কিন্তু, অধিকাংশ লোক জানে না।” [সূরা ইউসুফ ১২:৩৯-৪০] তারমানে বুঝা যায়, দাওয়াতের প্রথম পদক্ষেপ হলো তাওহীদের প্রতি আহ্বান; যা সকল নবী-রাসূলগণের প্রথম পদক্ষেপ ছিলো। নবি-রাসূলগণের দাওয়াতের পদ্ধতি নিয়ে গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত 'নবিদের দাওয়াতি পদ্ধতি' বই থেকে।"
Ayesha Khanam Tinu , Oct 24, 2022
"অনেকেই অমুসলিমকে দাওয়াত দিতে গিয়ে তাওহীদ ছাড়া ইসলামের অন্যান্য বিষয়ের দাওয়াত দেন। ইসলামের সৌন্দর্য উল্লেখ করতে গিয়ে এসব বিষয়ের দাওয়াত দেয়া ভুল কিছু না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুজিযার কথা উল্লেখ করতেই পারেন। তাই বলে, দাওয়াতের মূল বিষয়বস্তু সেগুলো না। মূল দাওয়াত দিতে হবে তাওহীদের। অনেকেই অমুসলিমকে দাওয়াত দেবার জন্য বই লিখেন, কনফারেন্সের আয়োজন করেন। সেইসব বই পড়া বা কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করা কোনো অমুসলিমকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় কী শিখলেন? তারা জবাব দেয়- কুরআনের বৈজ্ঞানিক বিস্ময়, অমুসলিমদের প্রতি ইসলামে অধিকার, ইসলামে মানবাধিকার, ইসলামে পরিবেশ অধিকার ইত্যাদি। কিন্তু, তারা তাওহীদের শিক্ষা পায় না। আপনি একজন খ্রিস্টানকে ইসলাম শেখাতে গেলেন। আপনি বললেন, “আমি তোমাকে ইসলাম সম্পর্কে বলবো?” “হ্যাঁ, বলো।” “ইসলাম তোমার মায়ের সাথে ভালো ব্যবহার করতে বলে।” “ও, তাই? আমাদের খ্রিস্টান ধর্মও বলে।” “ইসলাম প্রতিবেশীর অধিকার সম্পর্কে বলে।” “হ্যাঁ, আমাদের খ্রিস্টান ধর্মও বলে।” অমুসলিমদের মধ্যে অনেকেই উদার, মানুষের সেবা করেন, সমাজের উপকার করেন, অন্যের বিপদে এগিয়ে যান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেন। তাদেরকে দাওয়াত দিতে গেলে তাদের কাজের সাথে মিলিয়ে ইসলাম কী বলছে সেই দাওয়াত না দিয়ে তাওহীদের দাওয়াত দিন। কারণ, তারা যা করছে, ইসলামও যদি সেটা করতে বলে, তাহলে তারা ভাববে অমুসলিম হয়েও তো আমি এগুলো করতে পারি, মুসলিম হবার দরকার কী? সুতরাং, তার মধ্যে যা নেই, তার দাওয়াত দিন; যা আছে, তার দাওয়াত না। এভাবে দেখা যাবে যে, সাধারণ ভালো বিষয়গুলোর দাওয়াত দিলেন, যা অন্যান্য ধর্মেও আছে। কিন্তু, ইসলামের যে স্বকীয়তা, সেই তাওহীদের দাওয়াত দিলেন না। তাওহীদের ব্যাপারে ইসলামের যে অবস্থান, সেটা সাধারণত আপনি অন্যান্য ধর্মে পাবেন না। আপনি যদি অন্য ধর্মের কাউকে দাওয়াত দেন, তাহলে ইসলামের সবচেয়ে মৌলিক বিষয় তাওহীদের দাওয়াত দিবেন, এক আল্লাহর ইবাদাতের দাওয়াত দিবেন। এই দাওয়াত প্রত্যেক নবী-রাসূলের দাওয়াত, মুআয ইবনে জাবাল রাসিয়াল্লাহু আনহুকে শেখানো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দাওয়াত। অন্যদিকে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মতের মধ্যে অনেকেই শিরকে লিপ্ত। তারা কবর পূজা করে। কবরে থাকা শুয়ে থাকা ব্যক্তির কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে, তার নামে মানত করে। সে ভাবে কবরে শুয়ে থাকা ব্যক্তির কাছে কিছু চাইলে পাওয়া যাবে। এজন্য সে কবরে সিজদাহ দেয়। এমন একজন ব্যক্তিকে দেখলে আপনি প্রথমে কিসের দাওয়াত দিবেন? আপনি কি তাকে নামাজে শুদ্ধ করে কুরআন তেলাওয়াতের নিয়ম শেখাবেন? তাশাহুদের দু’আ শেখাবেন? না, এই জায়গায় তাকে শিরক ও তাওহীদের শিক্ষা দিতে হবে। তাকে শেখাতে হবে কোনটি শিরক আর কোনটি তাওহীদ।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"নবিদের দাওয়াতি পদ্ধতি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: