১ম প্রকাশ, ২০২৫
মিয়াজান
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | মিয়াজান |
| Author | সোহেল আমিন বাবু |
| Publisher | কিংবদন্তী পাবলিকেশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 96 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.43 Kg |
| ISBN | 9789849829362 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
1 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টিLima Sultana , Mar 20, 2025
"#বই_রিভিউ বই: মিয়াজান লেখক: সোহেল আমিন বাবু বইয়ের ধরন: ঐতিহাসিক উপন্যাস প্রকাশনী: কিংবদন্তী পাবলিকেশন প্রচ্ছদ: শামীম আরেফিন পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৯৬ ▪️বইয়ের উৎসর্গ: ইতিহাস গবেষক অনুজপ্রতিম ড. এমদাদ হাসনায়েন ও মানবতার ফেরিওয়ালা অনুজপ্রতিম আশিকুল ইসলাম চপল কে। ▪️কাহিনী সংক্ষেপ: ( স্পয়লার এলার্ট ⛔) ছোট বেলা থেকেই মিয়াজান ছিলেন অতিবুদ্ধি সম্পূর্ণ একটি ছেলে। মুক্ত মক্তবের সব বই তার মুখস্থ। ১০ বছর বয়সে বাংলা আরবি ফাঁসি উর্দু ভাষার রক্ত করে ফেলেছেন। মক্তবের ওস্তাদের কাছে বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার উপর যে নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছে সেসব ইতিহাসের গল্প শুনলে দরদর করে চোখ বেয়ে অশ্রু নামে মিয়াজানের। ওস্তাদের কাছে মুসলমানদের করুন অবস্থার কথা সবাই শুনে আর তখন মিয়াজান বলে আমরা আজাদ হতে চাই। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আমাদের কিন্তু যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। ওস্তাদের কাছে একটি পরিকল্পনা নিয়ে যায় পরামর্শ নিতে। মিয়াজান তখন বলে ওস্তাদজি আমরা বাহাদুরপুর যাব আর সেই পথের সন্ধান দিন। ওস্তাদ তখন বুঝতে পারে তারা আরো বড় শিষ্য হতে চাই অবশ্যই সংস্কারের দিকনির্দেশনা নিয়ে সঠিক পথে। ওস্তাদজি তখন বাহাদুরপুর যাওয়ার পথ বলে দেন। আর সেখান থেকে বিদায় নেওয়ার সময় ওস্তাদের আদেশে গোসল করে ইমামতি করে নামাজ আদায় করে আর খাবার খেয়ে সেখান থেকে চলে আসেন। পরেরদিন সকালের জন্য নৌকা ঠিক করে আর খাদ্যখানা অর্থ ব্যবস্থা জোগাড় করে। তার আব্বার কাঁচা অনুমতি নিয়ে পরদিন সকালবেলা রওনা হোন। পথ মধ্য অনেক চড়াই-উতরায় পাড় করে হাজী শরীয়তুল্লাহ কাছে পৌঁছান। তিনি মানুষের মুক্তির জন্য লড়াই-সংগ্রাম করছেন। বড় হুজুর সংস্কার এবং যুদ্ধ দুটাই করতে হবে বলে সে বিষয়ে অনেক তালিম দিলেন। ফরিদপুরের বাহাদুরপুর থেকে ফিরতে তিনদিন সময় লাগে। মিয়াজান তিতুমীর এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং জমিদার আর দের বিরুদ্ধে আজাদী যুদ্ধে সে যাবে বলে মুজাহিদের লিখে দেন। ১৮৩০ সাল উত্তাল সময় তবুও বাড়ির পাশে মিষ্টি তৈরির কাজে নেমে পড়লো মিয়াজান। সাথে সুলেমান জিতুর বদর মুনির আসাদসহ গ্রামের অনেক মানুষ এসে কাজে হাত লাগায়। নদীয়ার জমিদারের কৃষ্ণচন্দ্র মুসলমান প্রজাদের নানাভাবে পেরেশানি করে আর তার রাজ্যে দাড়ি রাখার উপর আড়াই টাকা ট্যাক্স ধার্য করে। শিলেদা পাংশার জমিদারও মসজিদ নির্মাণ দাড়ি রাখা আর গোরু কুরবানী দিতে ট্যাক্স দেয়না বলে লাঠি শোটাসহ লোক পাঠায় মিয়াজান এর কাছে। নিয়া যান সঙ্গীদের নিয়ে জমিদার ভৈরব রায়ের সাথে যার জন্য বিরাট বড় বাহিনী নিয়ে ভৈরবের পালিত লাঠিয়াল দের সাথে যুদ্ধ করতে হয়। এবং সে যুদ্ধে জয়লাভ করেন। পরবর্তীতে এলাকার সকল অবৈধ ট্যাক্স বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে তার বাবার কথায় বাবার বন্ধু বাহাউদ্দিন মিয়া তার বাড়িতে যান এবং কিছু ঘটনার পরে তার বিয়ে সম্পন্ন হয় বাহাউদ্দিন এর মেয়ে হাফসার সাথে। আর বিরাট জলসার ব্যবস্থাও করা হয়। আশেপাশে থেকে শতশত লোক আসেন শুধু তার কিছু কথা শোনার জন্য। ১৮৩১ সাল মিয়া জানের ঘরে ফুটফুটে এক পুত্র সন্তান এসেছে যার নাম আব্দুল মসজিদ। সে বছর তার পিতা ও ইন্তেকাল করেন। সংসারের সকল দায়িত্ব এসে পড়েন তার কাঁধে। একদিকে ব্যবসা অন্যদিকে সংগ্রামের নেতৃত্ব দেওয়া। শিখেরা বালাকোটে মুজাহিদ বাহিনীর উপর হামলা করেন সে হামলায় শহীদ হয়েছেন আজাদী নেতা আহমেদ ব্রেলবী ও মোহাম্মদ ইসমাইল।ইংরেজি বছর শেষের দিকে তিতুমীর শহীদ হয়েছেন বাঁশের কেল্লার ভেতর যুদ্ধ করতে করতে। তার ঘনিষ্ঠ ফাঁসিতে লটকানো হয়েছে অন্যদের গুলি করে মেরেছে ব্রিটিশরা ক্ষ্যাপা কুত্তার মত হয়ে উঠেছে যদি আন্দোলন কিভাবে থামানো যায় প্রতিনিয়ত তাট ছক করছে। সে শোক কাটিয়ে নব জাগরণের উদ্দীপ্ত হলো মিয়াজান। তার বন্ধু শিষ্যদের মসজিদে ডেকে সবাই জ্বালাময়ী বক্তব্য দিলো মিয়াজান। যুদ্ধের জন্য শুধু যোদ্ধা নয় টাকা-কড়ি সংগ্রহ করবো।ছদ্মনামে নতুন উদ্যমে শুরু হলো লড়াইয়ের কাজ। তাদের অস্ত্রের প্রশিক্ষণ দিয়ে পাটনার ঘাঁটিতে পাঠালেন। সেখান থেকে সিস্তান ও ইয়াগিস্তান নিয়ে যায় পাটনার যোদ্ধারা।যাদের সংকেত ছিলো কাঁধে সবুজ রুমাল। তারপর সিপাহি বিদ্রোহ শুরু হলো। সিপাহী বিদ্রোহের নামে মুসলমান পুলিশেরা আজাদী সংগ্রাম শুরু করেছিল অনেক পুলিশ মারা যায়, আহত হয়,সফল হতে পারে না তারা। ইংরেজদের কিছু পাচাটা এদেশের পুলিশের কারণে ব্যর্থ হয় সংগ্রাম। তারপরও থামেনি আন্দোলন। দিশেহারা হয়েছিলেন মিয়াজান। সিপাহী বিপ্লবের পর নীলকর টমাস আইভান কেনির সাথে লড়াই ছিল মুসলমানদের আরেক বিজয়।শালঘরমধুয়ার শেখ আলী আমির আলী নেতৃত্ব দেয়। অংশ নেয় মিয়াজান এর লোকেরাও। চাষিরা জিতে গেলেও জুলুমবাজ ইংরেজরা ছাড়েননি গ্রামে গ্রামে পুলিশবাহিনী দিয়ে অত্যাচার শুরু করে। সব জায়গাতেই বিদ্রোহ দমন আর আজাদি আন্দোলন বানচাল করেছে। সিপাহী বিদ্রোহ দমনের পর সেই জয়ের আনন্দে মশগুল ছিল তারা আমি আজানের কাছে খবর এলো তুমুল লড়াই চলতেছে ভারতবর্ষের পশ্চিম সীমান্তে। মরণকামড় হানলো মুসলিম মুজাহিদরা রক্ত ক্ষয়ই যুদ্ধে জিতে গেল মুসলমান বাহিনী আর হেরে গেছে ইংরেজ সেনারা। এরপরে মুসলিম যোদ্ধাদের সম্পর্কে ব্যাপক তদন্ত শুরু হলো। আর তাতেই নিয়ে আজানের বাড়িতে আসতে লাগলো গোয়েন্দারা। ব্রিটিশ সরকার ও পুলিশের খাতায় তার নাম ঝুঁকিপূর্ণ জীবন। নিয়া যান অনেক চিন্তা ভাবনা করে আর আব্দুল মজিদ কে নিয়ে চলে যান পাবনা শহর।তার সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি উইল কারেন্ট ছেলের নামে কারন তার নামে সম্পত্তি থাকলে সরকার তা বাজেয়াপ্ত করে নিবে। তখন আরও ক'জন বাছাই করা মুজাহিদ পাঠান সীমান্তে। আম্বালা গিয়ে তারা গোয়েন্দার নজরে পড়ে আর ধরা পড়ে পুলিশের কাছে। তাদের তল্লাশি করে মিয়াজান এর ফারসি ভাষায় লেখা চিঠি পায়। তারপর তাদের নির্মম নির্যাতনের কাছে হার মেনে আব্দুর রহিম বলে দেয় মিয়াজান এর সমস্ত খবর আর ঠিকানা। ব্রিটিশ সরকার থেকে মিয়াজানকে গ্রেফতার করার জন্য তার বাড়িতে চলে যান। সে খবর তার কাছে গেছে মুখের খাবার ফেলে আত্মগোপনে যায়। তার খোঁজ আর কেউ দিতে না পারা তার পরিবারের উপর অত্যাচার করা হয়। সে সময় তার ভাই মিরাজ কাজি ঘর থেকে বের হয়ে বড়ো ভাই মিয়াজান কে ধরিয়ে দেন। তাকে প্রথমে থানা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে উনি সব স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তাকে পাঞ্জাবের আম্বালা জেলে নিয়ে যাওয়া হয় ও তাকে পাশবিকভাবে নির্যাতন করা হয়। আদালতে তার এবং তার আরও পাঁচজন সহযোদ্ধা'র মামলা তোলা হয়। দফায় দফায় তারিখ আর সরকারি বাহিনীর নির্যাতনের পর তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়। সেখানেই শেষ না জেলে তাকে কারো সাথে কথা বলতে দেওয়া হতো না আর তার কথায় সবাই প্রভাবিত হয় সেই ভয়ে। তার দেহের উপর চলেছ পৈশাচিক নির্যাতন, শরীরে প্রচন্ড ব্যথা পাজরের হার ভেঙে গেছে এমন মনে হয় দিন দিন তার শরীরের অবনতি হতে থাকে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করলেও নাম চিকিৎসা হয় সেখানে। অসুস্থ অবস্থাতেও নিয়মিত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করতেন। বুকের তীব্র ব্যথায় উনি মারা যান আর তাকে জেলখানার কবরস্থানে দাফন করেন। ▪️বইয়ের চরিত্র সমূহ : কাজি মিয়াজান উপন্যাসের মূল চরিত্র জিতু সর্দার,বাদল গাজী, লকাই জমাদার, মনির উদ্দিন মুন্সী, মধু শেখ, বাউল সর্দার, তা ছাড়া আরও আজিমউদ্দিন ও আরিফ উদ্দিন, হাজী শরিয়তউল্লাহ শেখ বকসী মুরাদ কাজি বাহাউদ্দিন মিয়া হাফসা ইত্যাদি। ▪️লেখক পরিচিতি: সোহেল আমিন বাবু। পিতা: প্রয়াত আমিন উদ্দিন বিশ্বাস, মাতা: প্রয়াত রোকেয়া বেগম। জন্ম: একত্রিশে ডিসেম্বর ১৯৬৫, বড়ুরিয়া, কুমারখালী, কুষ্টিয়া। লেখক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম এ পাশ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: প্রেমাটিয়া (উপন্যাস-১৯৯৭), কাঙাল হরিনাথ মজুমদার (কিশোর জীবনী-২০১৩), গগন হরকরা আমি কোথায় পাবো তারে (গবেষণাগ্রন্থ-২০২৩)। প্যারী সুন্দরী (উপন্যাস ২০২৪) প্রকাশিত গ্রন্থ ত্রিশটি। পুরস্কার : অগ্রণী ব্যাংক- শিশু একাডেমি শিশুসাহিত্য পুরস্কার ১৪২০ বঙ্গাব্দ, শিলাইদহ রবীন্দ্র পরিষদ প্রদত্ত, রবীন্দ্র পদক-২০০০, কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরি গুণিজন সম্মাননা ২০০৫, কুষ্টিয়ার মুক্তচেতন শিশুসাহিত্য সম্মাননা ২০১৮ সহ আরও কয়েকটি সম্মাননা ও পুরস্কার। ▪️ব্যাক্তিগত অভিমত: মিয়াজান এর ইতিহাস আমাকে দেশপ্রেম, সঙ্গী, সাথি ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসা আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা নত না করা শিখিয়েছে। ৯৬ পৃষ্ঠার এই বইটি এক বসাতে শেষ করছি। পড়া শুরু করার পর আর বই রেখে উঠতে মন চাইবে না। আশা করি বইটি পড়ে ভালো লাগবে। আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন এই বই পড়ে। ▪ সমালোচনা : বইয়ে বেশ কয়েকটা বানান ভুল ছিল। আশা করি পরের মুদ্রণে সংশোধন হয়ে যাবে । ▪️বই নিয়ে কিছু কথা: বইটির বাইন্ডিং, ,পৃষ্ঠা সব কিছুই খুব ভালো হয়েছে এবং খুব ভালো মানের। বইয়ের প্রচ্ছদ নিয়ে আলাদা করে বলার কিছু নাই। কাহিনীর সাথে একদম মিল রেখেই প্রচ্ছটি করা হয়েছে। ▪ ব্যাক্তিগত রেটিং - ০৮/১০ ✍️ রিভিউদাতা: লিমা সুলতানা"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"মিয়াজান" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: