১ম প্রকাশ, ২০২১
মহিষমতি সমীকরণ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | মহিষমতি সমীকরণ |
| Author | নাঈম হোসেন ফারুকী |
| Publisher | প্রান্ত প্রকাশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 128 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.31 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
78 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টিSarminshikha , Jul 6, 2025
"ei boi ta sera best science fiction book eta so sobai nite paren 🤧"
Shahriar Nafiz , Sep 27, 2024
"একটা বড় কল্পবিজ্ঞান আর বেশ কিছু ছোট কল্পবিজ্ঞান মিলে নাঈম হোসেন ফারুকীর বই মহিষমতি সমীকরণ। আমার ব্যক্তিগত অসুবিধার কারনে পুরো বই এক/দুই পড়ায় শেষ করতে পারিনি। তবে যারাই পড়বেন, চেষ্টা করবেন এক বা দুই পড়ায় শেষ করতে। যাইহোক, বইয়ের ব্যাপারে কিছু বলি। প্রথম কল্পগল্পটা জোস একটা জিনিস। খুবই অদ্ভুত লেগেছে আমার কাছে। প্রচণ্ড থ্রিলিং। এ বই না পড়লে জানতে পারবেন না যে বাজারের মামুলি সায়েন্স ফিকশনের সাথে এর তফাত কতটা। সায়েন্স ফিকশনের নামে আজকাল যেইসব মশকরা চলছে! যাইহোক, ছোট কল্পবিজ্ঞানগুলোর কথায় আসি। এর মধ্যে কয়েকটা লেখকের অন্য কিছু বইয়ের সাথে কমন আছে। এই গল্পগুলোও সেরা। লেখক চিন্তার জন্য রেখেছেন অনেককিছু। এগুলো পড়ে কিছুটা খাটি বিজ্ঞানচর্চাও হবে! আজগুবি, পুরোপরি মন গড়া বিজ্ঞান দিয়ে লেখা না। যতটা সম্ভব সত্যিকারের বিজ্ঞান ঠিক রেখেই লেখা হয়েছে। তাছাড়া বইয়ের ছবিগুলোও প্রিমিয়াম। ব্রেইনস্টর্মিং সহ সাই-ফাই এর মজা নিতে চাইলে এই বই পড়া অতি আবশ্যক। &: বহু বছর পর পরবর্তী প্রজন্মের কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করে, "আপনাদের সময়ে বিজ্ঞানের/কল্পবিজ্ঞানের সেরা বই কোনগুলো?" আমি নির্দ্বিধায় এই বইগুলোকে টপ লিস্টে রাখবো। আরো বলব, শুধু আমাদের সময়ের না, সবসময়ের। আমাদের অনেক সৌভাগ্য* আমরা এমন একজন লেখক পেয়েছি। লেখকের প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।।"
Joyant Sheikhar Gupta Joy , Mar 8, 2024
"বুক রিভিউ: মহিষমতি সমীকরণ লেখক:নাঈম হোসেন ফারুকী জনরা: সাইন্স ফিকশন পৃষ্ঠাসংখ্যা: 128 পৃষ্ঠা মুদ্রিত মূল্য: 250 টাকা প্রকাশনী: প্রান্ত প্রকাশন রিডিং টাইম: 6.048 × 10¹⁴ ন্যানো সেকেন্ড পার্সোনাল রেটিং: 8.89/10 আকবর সাহেবের ছেলের জন্য রহিমার মা’র নাম করে কে আসলে হরলিক্স পাঠায়? কি আছে এই হরলিক্সে যা খেয়ে আকবর সাহেবের ছেলের খাবারের রুচি এতো বেড়েছে? জমিদার ঐ রহস্যময় কুয়ার মধ্যে কি দেখেছিল? শহরের বাচ্চারা হারিয়ে যাচ্ছে কেন?সোর্স আসলে কী? আইনস্টাইনের বাক্সে কি আছে? বৌ বাসর রাতে তার স্বামীকে কেন খেয়ে ফেললো? লংফেলোর ঘড়ির গুদামে কী কারণে ঘড়িগুলো বার বার গুঁড়ো হচ্ছে? স্টেইনব্রেকের ঘরে গভীর রাতে পিয়ানো কে বাজায়? মহিষমতি সমীকরণ আসলে কী? এই সব রহস্যের উত্তর আছে মহিষমতি সমীকরণ বইটিতে। পুরো বইটা মূলত দুই অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশে বড় কল্পবিজ্ঞান দ্বিতীয় অংশে ছোট ছোট কল্পবিজ্ঞানের গল্প। প্রথম অংশটি একটি উপন্যাস, বেশ কয়েকটি ছোট বড় গল্প মিলিয়ে এই উপন্যাসের নাম দেয়া হয়েছে রহিমার মা। উপন্যাসের শুরুতে গল্পগুলো কিছুটা খাপছাড়া মনে হতে পারে।কিন্তু প্রতিটা গল্পের মধ্যে একধরণের মিল রয়েছে সেটা হচ্ছে রহস্য। প্রতিটা রহস্যের সমাধান একটাই যা এই অংশের শেষে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিটা গল্পের থিমগুলো দারুণ ছিলো। রহস্যের সমাধান পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য পাঠককে শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে। উপন্যাসের শেষে বইয়ের প্রচ্ছদে দেয়া কোডটার সমাধান আছে। কোডটা দারুণ ছিলো। বইয়ের দ্বিতীয় অংশ হচ্ছে ১২টি বিভিন্ন ধরণের কল্পবিজ্ঞানের গল্প নিয়ে। যেমন: রূপকল্পবিজ্ঞান, টেককল্পবিজ্ঞান, বায়োকল্পবিজ্ঞান ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে ‘লংফেলোর ঘড়ির গুদাম, শ্মশানপুষ্প, মহিষমতি সমীকরণ’ গল্পগুলো সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। বাকি গল্পগুলোর থিমও বেশ ভালো ছিলো। প্রতিটা গল্পের শেষে ট্যুইস্টগুলো অসাধারণ ছিল। লেখক প্রতিটি গল্প রস, রহস্যে ও রোমাঞ্চর সংমিশ্রণে দারুণভাবে উপস্থাপন করেছেন। বইটির আরেকটি ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে লেখক তার গল্পগুলো কোথা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লিখেছেন সেগুলো গল্পের শেষে উল্লেখ করে দিয়েছেন। বইয়ের প্লটগুলোর সাথে প্রচ্ছদের মিল থাকলেও প্রচ্ছদ খুব বেশি ভালো লাগেনি। পেইজ কোয়ালিটি এবং বাইন্ডিং মোটামুটি ভালো ছিল। সব মিলিয়ে বইটা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। বইটি পড়ে না থাকলে আপনিও পড়ে দেখতে পারেন। হ্যাপি রিডিং"
Achinta Roy , Mar 8, 2024
"horror and scifi(a little bit of comedy too). satire and sarcasm was at it's level best"
mst****com , Sep 5, 2023
"চিঠি পেতে ভালো লাগে আপনার? মনে করুন আপনি একটি চিঠি পেলেন আর সাথে একটি হরলিক্সের কৌটা। চিঠিতে প্রেরক নিজেকে রহিমার মা হিসাবে পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু রহিমার মা যদি আপনার অপরিচিত কেউ হয়? আপনি মন খারাপ করে ভাবলেন অপরিচিত কেউ তার ছেলেমেয়ে বা আত্মীয়কে হরলিক্সের কৌটা পাঠিয়েছেন শখ করে আর তা ভুল জায়গায় চলে এলো। আপনি কুরিয়ার সার্ভিসে যোগাযোগ করবেন চিঠি আর হরলিক্সের কৌটা ফেরত দিতে? আকবর সাহেবও এই চেষ্টা করেছিলেন। ফোন নাম্বার ভুল দেওয়া। ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করেও যখন লাভ হলো না, আকবর সাহেব হরলিক্সটা নিজের ছেলে রুদ্রের জন্য রেখে দিলেন। হরলিক্স খেয়ে রুদ্রের খাওয়ার রুচি ফিরেছে। স্বাস্থ্য ভালো হয়েছে। কিন্তু বাজার থেকে আনা অন্যসব হরলিক্সের কোনোটাই রুদ্র মুখে তুলছে না। আকবর সাহেবের কাছে পার্থক্য ধরা পড়েছে। রহিমার মার দেওয়া হরলিক্স থেকে বেলি ফুলের মতো গন্ধ আসে আর স্বাদ অপূর্ব। আবার চিঠি। তার সাথে হরলিক্সের কৌটা। প্রেরক রহিমার মা। হাতের লেখা ও জায়গার নাম আগের থেকে ভিন্ন। ফোন নাম্বারও ভুল। হরলিক্সের স্যাম্পল থেকে ল্যাব টেস্টে ক্ষতিকর কিছু পাননি ডাক্তাররা, তবে অপরিচিত কিছু কেমিক্যাল রয়েছে। আবারও চিঠি ও হরলিক্সের কৌটা। চিঠি পড়ে আকবর সাহেব সত্যি চিন্তিত হয়ে পড়লেন। অদ্ভুত কথা। "গরুর খাবার হলো ঘাস, আর মানুষের খাবার হলো গরু, এটাই প্রকৃতির নিয়ম।" আর রহিমার মা নিজের মেয়েকে খাওয়াতে পারছে না, অথচ তার ছেলের জন্য হরলিক্স পাঠাচ্ছে। কিছু একটা ঠিক নেই। আকবর সাহেবের মতো আরো অনেকের কাছে যাচ্ছে হরলিক্সের কৌটা। সাধারণ হরলিক্স না। বেলি ফুলের গন্ধ তাতে আর স্বাদও ভিন্ন। বাচ্চারা এই হরলিক্স খেতে অনেক পছন্দ করে। তাদের স্বাস্থ্যে ও আচরণে পরিবর্তন আসে। এরপর তারা নিখোঁজ হয়ে যায়। তাদের মৃত্যু সংবাদ পাওয়া যায়। অদ্ভুদভাবে তাদের মধ্যে থেকে কেউ কেউ ফিরে আসে। হরলিক্সে কি আছে? আর কারা তৈরি করছে? বাচ্চাগুলো কেন মারা যাচ্ছে? মৃতদের মধ্যে থেকে কেউ কিভাবে ফিরে আসছে? যে আসছে, সে আসলে মানুষ নাকি অন্যকিছু? সবকিছুর মূলে কে বা কারা আছে? মহাকাশযানে অল্পকিছু মানুষ। তাদের উপর নির্ভর করছে মানবজাতির ভবিষ্যৎ। বিশাল এই মহাকাশযানের এক কোনায় একটি বাক্স রয়েছে। আইন্সটাইন বাক্স। তার উপরে রয়েছে এই কোড: II([U)[ (∩II)UIL DΔ⌈T[DIΔDΠLI[ΛIΠ কোডটি মানবজাতির শেষ আশা। শেষ পর্যন্ত কি হয়েছিলো? কোডটি কি ডিকোড করা সম্ভব হয়েছিলো? আইন্সটাইন বাক্সে কি আছে? প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে বইটি পড়ুন। বইটির প্রথম অংশে রয়েছে একটি বড় কল্পবিজ্ঞান। নাম রহিমার মা। প্রথমে প্লটগুলো পড়ে মনে হতে পারে, এগুলো আলাদা আলাদা ছোট গল্প। কিন্তু গল্পগুলো একটা অন্যটার সাথে যুক্ত। ধীরে ধীরে গল্পগুলো থেকে রহস্যে ঘেরা কাহিনী এতো সুন্দরভাবে পরিষ্কার করা হয়েছে! দ্বিতীয় অংশে রয়েছে বারোটি ছোট কল্পবিজ্ঞান। বেশ কিছু প্লট বাস্তবের সাথে সম্পর্কযুক্ত। 'আরাম-চশমা' তেমনি একটা গল্প। এটা, 'রোবট বিপ্লব' আর 'মহিষমতি সমীকরণ' গল্প তিনটা পড়ে আমার কষ্ট লেগেছে। প্রোগ্রামিং পারি না, তাই 'লংফেলোর ঘড়ির গুদাম' গল্পটা বুঝতে পারিনি। 'স্যুপ' আর 'শনি' গল্প দুইটা মজার। অসম্ভব ভালো লেগেছে তিনটা গল্প পড়ে। 'পিয়ানো', 'কার্ডিয়াক' ও 'শ্মশানপুষ্প'। বড় এবং ছোট কল্পবিজ্ঞানগুলোর প্লট ব্যতিক্রম ও অসাধারণ। লেখকের বর্ণনার ধরন অনেক ভালো লেগেছে। আর সব কল্পবিজ্ঞানের শেষে রয়েছে গল্পের পিছনের গল্প। নামঃ মহিষমতি সমীকরণ লেখকঃ নাঈম হোসেন ফারুকী ধরণঃ কল্পবিজ্ঞান প্রকাশনীঃ প্রান্ত প্রকাশন মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০ টাকা ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৭.৮/১০ হ্যাপি রিডিং অনেক আগে একবার পড়েছিলাম। রিভিউ দেওয়া হয়নি তখন। কিছুদিন আগে আবার বইটা পড়লাম। তাই রিভিউও লিখে ফেললাম। ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করবেন। ধন্যবাদ।"
Md Moshiur Rahman Rafi , Apr 28, 2023
"#Book_Review বইয়ের নামঃ মহিষমতি সমীকরণ লেখকঃ নাঈম হোসেন ফারুকী মূদ্রিত মূল্যঃ ২০০ টাকা রেটিংঃ ৮.৫/১০ প্রথমে বইটি বন্ধু থেকে নিয়েছিলাম বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ভেবে, বাট পড়ে বুঝলাম এটা জাস্ট বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর না। এটাকে থ্রিলার, ডিটেক্টিভ ও বলা যায়। বইয়ের কথায় আসি। বইটিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বড় কল্পকাহিনী ও ছোটো কল্পকাহিনী। বড় কল্পকাহিনীটা এক কথায় অসাধারণ ছিল। এই গল্পটাকে ৮টি ছোটো গল্পে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক্টা গল্পই মনে হবে একটা আরেক্টার সাথে মিল নেই। কিন্তু এই সবগুলো গল্পের মধ্যে একটা মিল বুঝা যাবে শেষে। এইভাবে গল্পটা সাজানো খুব ভালো লেগেছে। এমন স্নায়ু টান টান থ্রিলিং গল্প অনেকদিন পর পড়লাম। এই গল্প পড়ার পর আমি হরলিক্স খাওয়ার আগে ১০বার ভাবব 🙂 আমি বিজ্ঞান কল্পকাহিনী তেমন পড়ি নি। কিন্তু যা যা পড়েছি তার মধ্যে এই গল্পটা বেস্ট! দ্বিতীয় পার্টটার মধ্যে ছোট ছোট ১২টি গল্প রয়েছে। এগুলোর মধ্যে আর্টিফিশিয়াল স্টুপিডিটি, সন্তান,কার্ডিয়াক, শ্মশানপুষ্প আমার ফেভারেট। অন্য গল্পগুলোও বেশ ভালো ছিল। শেষের গল্পটা বইয়ের নামের নামে, মহিষমতি সমীকরণ। এই গল্পটা এককথায় জাস্ট জোশ ছিল। প্রত্যেকটি গল্পে লেখক কোন জায়গা হতে অনুপ্রাণিত হয়েছেন তা উল্লেখ করেছেন। এই জন্যে লেখক কে রেসপেক্ট🫡 আপনি যদি থিলার লাভার হন, ডিটেক্তিভ গল্প পছন্দ করেন, পাশাপাশি বিজ্ঞান নিয়েও আগ্রহী হন তাহলে আমি এই বই পড়তে আমি রেকমেন্ড করবো। বইটি পরে কেউ অসন্তুষ্ট হবেন না। হ্যাপি রিডিং🖤"
Jahirul Islam , Mar 24, 2023
"বইয়ের প্রচ্ছদে বাঘের ছবি। কিন্তু টাইটেলের নাম 'মহিষমতি সমীকরণ', বাঘমতি নয় কিন্তু। পুরা বইটা পড়ার পরে কনফিউশান টা ধরা পড়ে। সায়েন্স ফিকশন এই বইটার দুইটা পার্ট। প্রথম পার্টে একটা দীর্ঘ উপন্যাস রয়েছে, যার সাথে বাঘ এর একটা সম্পর্ক রয়েছে। দ্বিতীয় পার্টে অনেকগুলো ছোট ছোট সায়েন্স ফিকশন আছে , যাদের মধ্যে শেষ গল্পটার নাম 'মহিষমতি সমীকরণ'। এই দুইটা পার্ট রিপ্রেজেন্ট করছে প্রচ্ছদটা। প্রতিটা গল্পের শেষে গল্পের পেছনের গল্প/ইন্সপাইরেশন / টেকনিলাল শব্দের ব্যাখ্যা / নির্দিষ্ট কোনো টেকনোলজি সম্ভব কি অসম্ভব - এই ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এটা খুবই কাজের জিনিস। আমার তো মনে হয়, সকল লেখকের সকল বইয়ের শেষেই এক/দুই পাতা করে এইরকম ব্যাখ্যা থাকা উচিত। বইয়ের প্রথম পার্ট এর নাম রহিমার মা। এই টাইটেল এর আন্ডারে ৮ টা গল্প/চ্যাপ্টার রয়েছে। সবগুলো মিলে একটা পূর্নাঙ্গ উপন্যাস। আবার এগুলোকে আলাদা ছোটগল্পও বলতে পারেন। ( আমেরিকার ছোট গল্প লেখক ও হেনরি'র ক্যাবেজেস এন্ড কিংস উপন্যাস এর মাধ্যমে এই ধরনের উপন্যাসের সাথে আমার পরিচয় ঘটেছিল। ওই উপন্যাসটাও এইভাবেই লেখা হয়েছিল, যেখানে আলাদা আলাদা ১৯টা ইন্টার লিংকড ছোট গল্প ছিল।) যাইহোক, রহিমার মা'র কাহিনী এপোক্যালিপ্টিক ঘরানার৷ পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, পৃথিবীর মানুষ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, অন্য কোনো প্রাণী এসে মানুষকে মেরে ফেলছে -- এইরকম কাহিনী। গেম অফ থর্ন্স এর হোয়াইট ওয়াকারদের আক্রমণের মত অবস্থা। তবে এখানে শত্রুকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। শত্রুর সব কার্যক্রম কম বেশি দেখা যাচ্ছে, কিন্তু শত্রুটা যে কে, কোথায় থাকে সে, কিভাবে কাজ করে, কিভাবে তাকে ঠেকানো যায়, তার কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। দ্বিতীয় অংশে রয়েছে ১২ টা ছোট সায়েন্স ফিকশন, যেগুলা একে অপরের সাথে কানেক্টেড নয়। এগুলোর মূল উপজীব্য বিজ্ঞান হলেও বিভিন্ন সামাজিক সমস্যাকেও টাছ করা হয়েছে, এসব সমস্যা নিয়ে আমাদের ভাবতে বাধ্য করে গল্পগুলো। বিশেষ করে শেষ গল্পটা ( মহিষমতি সমীকরণ) একেবারে লা - জবাব। বিজ্ঞানের ফিল্ডে নন স্পেশিল্ট কাউকে দায়িত্ব দিলে কি অবস্থা হয়, তার অনেক উদাহরণ আমরা করোনা মহামারীর সময়েই দেখেছিলাম। আর এই গল্পে একটা রকেট উৎক্ষেপন এর দায়িত্ব বিজ্ঞানী বা ইঞ্জিনিয়ার দের পরিবর্তে অন্যদের হাতে দিলে কি অবস্থা হতে পারে, সেটাই দেখানো হয়েছে। রুপকের মাধ্যমে লেখক চোখে আঙুল দিয়ে আমাদের বর্তমান সমাজকেই দেখিয়ে দিয়েছেন স্পষ্ট করে। আরেকটা কথা। গল্পের পরতে পরতে লেখকের রসবোধের প্রমাণ পাওয়া যায়। গল্পের নায়ক যখন সংকটে, তখনো 'শাহ সিমেন্ট আর ক্রাউন সিমেন্ট একসাথে মিশিয়ে বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা পরীক্ষা করে' বাড়ি বানানোর কথা শুনে হাসি ছাড়া আর উপায় থাকে না।"
Mahbubur Rahman , Mar 20, 2023
"এটি সায়েন্স ফিকশন সমগ্র। বইটা সম্পর্কে জানার দীর্ঘদিন পরে মহান একুশে বই মেলা ২০২৩ থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পেরেছি। এর আগে বাংলাদেশের সায়েন্স ফিকশন বলতে শুধু জাফর ইকবাল স্যারের সায়েন্স ফিকশনই পড়েছি। অন্য কারো দুয়েকটা পড়লেও সেগুলো উল্লেখযোগ্য না। জাফর ইকবাল স্যারের সায়েন্স ফিকশনের একটা ধারা আছে। সে ধারার বাইরে গিয়ে অন্য ধারার সায়েন্স ফিকশন পড়লাম এই লেখকের দুটি। একটা 'ঘুম' অন্য এটা 'মহিষমতি সমীকরণ'। দু'টো বইই অনেকটা গোয়েন্দা গল্পের ধাঁচে। ডিটেকটিভ গল্পের ভক্ত হওয়ায় স্বভাবতই বইটি আমার ভালো লেগেছে। এই বইয়ের কথা বলতে গেলে বলতে হয় যে বইটিতে ভিন্নতা আছে। লেখকের লেখার প্যাটার্ন হলো- লেখক গল্পটা তৈরিতে যেহেতু মাথা খাটিয়েছেন তাই পাঠককেও আরামে বসে থাকতে দিবেন না। পাঠককেও মাথা খাটাতে হবে। এরই ধারাবাহিকতায় বইতে বড় যে গল্পটি আছে সেটি রহস্যের জাল বিছাতে বিছাতে সামনের দিকে এগোয়। আর পাঠকের সামনে একটু একটু করে চ্যালেঞ্জ দিতে থাকে। গোয়েন্দা গল্পের মত রীতিমতো তদন্ত, অন্তর্দ্বন্দ্ব, সাংকেতিক চিহ্নের পাঠোদ্ধারের বিষয়গুলো সামনে এসেছে গল্পে। একবার মনে হয় সায়েন্স ফিকশন, একবার মনে হয় গোয়েন্দা গল্প। এদিকে এই দুটো জনরাই আমার প্রিয়। তাই বইটি পড়ে আমি উৎফুল্ল। সাথে মাথার যে কাজ দিয়ে রেখেছে লেখক তা সমাধানকল্পে মাথার ব্যায়ামও হয়েছে খানেক। যদিও রহস্যের জট খুলতে সম্পূর্ণ পারিনি কিন্তু একটু একটু পেরেছিলাম। বইটিতে বেশ কিছু ছোট সায়েন্স ফিকশন গল্প রয়েছে। শুধু যে মাথায় ঝড় তোলা সায়েন্স ফিকশনের বই এটি, তা কিন্তু নয়। রম্য, ভৌতিক এ ধরনের সায়েন্স ফিকশন রয়েছে বইটিতে। বইটিতে একটু বেশি মাত্রার খুনোখুনির উপস্থিতি লক্ষ্য করেছি। বড় গল্পটায় তো প্রচুর খুনোখুনি আছেই, সাথে ছোট বারোটা গল্পের অন্তত আটটা গল্পই খুনোখুনির মধ্য দিয়ে গেছে। বইটিকে গূঢ় সিরিয়াস বার্তা সমৃদ্ধ হাসির সায়েন্স ফিকশন সমগ্র বলে বইটির পরিচয় করিয়ে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু বেশি খুনোখুনি, ভায়োলেন্স সে পথ রুদ্ধ করেছে। তবে যে গল্পটির নামে বইটির নাম সেই মহিষমতি সমীকরণ গল্পটা তো রীতিমতো দম ফাটানো হাসির সায়েন্স ফিকশন। এবং এটিতে গভীর ফিলোসফি রয়েছে। একইভাবে ‘চশমা’ নামের সায়েন্স ফিকশনটির গভীরে ডুব দিলে সন্ধান পাওয়া যাবে সমাজ নিয়ন্ত্রকদের বিরুদ্ধে, তাদের দিকে তোলা আঙ্গুলখানির। আসলে ভায়োলেন্স সমৃদ্ধ গল্পগুলো থেকে নজর সরাতে, একঘেয়েমি কাটাতেই কি রম্যকল্পবিজ্ঞান গুলোর আবির্ভাব? কে জানে?"
KM Bakhtiar Uddin Bishal , Oct 8, 2022
"বাচ্চাদের ভাল লাগবে"
Farzana Siddiqui Nancy , Jun 10, 2022
"বইয়ের নামঃ মহিষমতি সমীকরণ লেখকঃ নাঈম হোসেন ফারুকী প্রকাশনঃ প্রান্ত প্রকাশন কল্পবিজ্ঞান আমাকে অসম্ভব আকৃষ্ট করে। বড় কল্পবিজ্ঞান আর ছোট কল্পবিজ্ঞান এই দুই জায়গায় চমৎকার কিছু গল্পের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বই সাজানো হয়েছে। রহিমার মা গল্পে আকর্ষনীয় লাইন ছিলো , " গরুর খাবার ঘাস , আর মানুষের খাবার হলো গরু। " ইভা, আইনস্টাইন বাক্স সহ বড় কল্পবিজ্ঞানের প্রতিটি গল্প অসাধারণ। প্রতিটি গল্পের উৎস হিসেবে গল্পের পেছনের গল্প উল্লেখিত আছে। ছোট কল্পবিজ্ঞানের রূপ কল্পবিজ্ঞানেরঃ বিজনেস মাইন্ডের বউ পড়ে আমি কিছু সময় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি এর সাথে পরিচয় থাকলেও অপরিচিত ছিলাম আর্টিফিশিয়াল স্টুপিডিটি এর সাথে। স্যুপ, রোবট বিপ্লব সহ প্রতিটি গল্প অসাধারণ।"
Anando Siddique , Mar 29, 2022
"golpo gula onek sundar... porle moja lage... tobe kauke suggest korbo na... karon boita islam birodhi...."
Shafayee , Mar 1, 2022
"এক শব্দে চমৎকার বই"
Rownok Shahriar , Jan 31, 2022
"মহিষমতি সমীকরণ লেখক: নাঈম হোসেন ফারুকী জনরা: সায়েন্স ফিকশন পৃষ্ঠা: ১২৮ পড়ার সময়: ২ ঘন্টা গুড রিডস রেটিং: ৪.০০/৫.০০ লেখকের প্রথম সায়েন্স ফিকশন। বইটার টুইস্ট, বিজ্ঞানের আলাপগুলা আসলেই দারুণ ছিল! প্রথম বই হিসেবে বইয়ের ভাষাগত দিকটা সবার কাছে ভালো লাগবে। বইটা দুই অংশে বিভক্ত ছিল, যার প্রথম অংশে রহিমার মা শীর্ষক কল্পবিজ্ঞান এবং দ্বিতীয় অংশে ছোটো ছোটো বেশ কিছু কল্পকাহিনি রয়েছে। প্রথম অংশের রহিমার মা অংশটা সবচেয়ে দারুণ লেগেছে! হরলিক্সের রহস্য, কুয়া, আইনস্টাইনের বাক্সে সহ বিষয়গুলা থ্রীলার ফিল এনে দেবে। যদিও বইটা নিয়ে রাহুল ভাইয়ের থেকে শুনেছিলাম, কেমন হবে, তাও আকর্ষণে কোনো ভাটা পড়ে নি✌️ দ্বিতীয় অংশের কল্পকাহিনীগুলো নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের ওপর ছিল না। গল্পগুলোর মাঝে 'শ্মশানপুষ্ম' ও 'লংফেলোর ঘরির গুদাম' পার্সোনালি বেশ দারুণ লেগেছে…. বাকিগুলো ক্ষেত্রে তেমন একটা আকর্ষণ পাইনি (কিছু আগে থেকে পড়া থাকায়🤐)"
Sakib , Sep 2, 2021
"মহিষমতি কণাবিজ্ঞানী।"
Azim Abdullah Rafi , Aug 22, 2021
"II([U)[ (∩II)UIL DΔΓΤ[DIΔDΠLI[ΛIΠ বই:মহিষমতি সমীকরণ লেখক: নাঈম হোসেন ফারুকী প্রকাশীত:প্রান্ত প্রকাশন থেকে(২০২১) প্রচ্ছদ:মেহরাব সিদ্দিকী সাবিত। গুডরিডস রেটিং:4/5 পার্সোনাল রেটিং:9/10(ছোটগল্পগুলো বেশিই ছোট লাগলো,কেন জানি না।আর শেষদিকে ৩-৪ টা সেকেন্ড ব্রেকেড লক্ষ্য করলাম,অকারণে) রিডিং টাইম:২দিন(একদিনে বড় গল্প,একদিনে সব ছোটগল্প) ¢ শুরুটা এক অদ্ভুত পার্সেল আসার মাধ্যমে,আসলে পার্সেলটা ঠিকানাবিহীনও নয়,রহিমার মা নামক একজন পার্সেলটা পাঠিয়েছেন।অজানা প্রেরক থেকে পাঠানো একটি অদ্ভুত চিঠি,সাথে বেলিফুলের সুগন্ধযুক্ত হরলিক্সের কৌটা,একবার এলো।কোনভাবেই আকবর সাহেব জানতে পারলেন না এটি কোথা থেকে এলো।ভেবেচিন্তে শেষমেশ হরলিক্সের কৌটাটা তিনি রেখে দিলেন। কিন্তু..... আবার এলো! এবারের প্রেরকও রহিমার মা!আশ্চর্য, কে এই রহিমার মা?আকবর সাহেব বেশ চমকে গেলেন।আবার এটাও দেখলে হরলিক্সের কৌটাটা তার ছেলের উপকারে এসেছে,কিন্তু তা বোধহয় পরে একটু বেশিই উপকার করে ফেলেছিলো! এরপর,আবার অদ্ভুত চিঠির সাথে একই জিনিস পার্সেল করে পাঠানো হলো।রহস্যটা যেন আরো ঘোলাটে রূপ নিলো।"কে এই রহিমার মা?" রহস্যের সমাধানে নামেন আকবর সাহেব,কিন্তু রহস্যকে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন কি? জমিদার সাহেব কুয়ায় তো ঠিকই নামলেন, কিন্তু ফিরে কি এসেছিলেন?হ্যা,এসেছিলেন তো।কিন্তু উনি যে জমিদার সাহেবের ক্লোন মশাই!তবে কি আসল জমিদারকে মেরে ফেলা হয়েছে? গ্রামবাসীর কথা শুনে অর্বাচীন চাকমা মোটেও ভেঙে পড়লেন না।তিনি মনেপ্রাণে বেশ শক্তপোক্ত মানুষ। তিনি তার ছেলের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেবেন।কিন্তু আদৌ কি তা তার ছেলের মরদেহ ছিলো,যা গ্রামবাসী দেখতে পায়?অর্বাচীন চাকমা কি পারবেন,ছেলের হত্যাকারীকে ধরতে? আইনস্টাইন তো চলে গেলেন,কিন্তু রেখে গেছেন অমূল্য সব থিওরি,সমীকরণ।আইনস্টাইন বাক্স কি?সেটাও কি আইন্সটাইনের আবিষ্কার?নামটি আইন্সটাইন বক্স ই বা কেন হলো?কি এর কাজ? সচরাচর সোর্স মানে আমরা বুঝি কোন কিছুর উৎস বা এরকম কিছু।কিন্তু গল্পের সোর্স কি আসলে এরকম কিছুই?নাকি অন্য কিছু? হরলিক্সের কৌটা পাওয়া পরিবারগুলো থেকে,বাচ্চারা গায়েব হয়ে যাচ্ছে,সেসকল বাচ্চা যারা এই কয়দিনে ফুলেফেঁপে উঠেছিলো।তাদেরই লাশ পাওয়া যাচ্ছে কয়দিন পরপর।মহাকাশে থাকা সেই মানুষগুলোই কি আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ? আইন্সটাইন বাক্স দিয়ে তারা করবেই বা কি?তারা কি পৃথিবীকে রক্ষা করছে?নাকি যারা সেখানে উপস্থিত,তারা সব ক্লোন? এইসব প্লট নিয়ে লেখা হয়েছে একটি বড় সাইন্স ফিকশন গল্প।৮টি পর্বে।যারমধ্যে আপবি সিক্যুয়েলি না পড়লে হয়তোবা নাও বুঝতে পারেন।পাশাপাশি রয়েছে বেশ কিছু ছোট কল্পগল্প,(কল্পবিজ্ঞান সহ একটি অকল্পবিজ্ঞানও) লেখা এবং বই প্রসঙ্গে: লেখকের মতে তিনি কোন একসময় যদিও বা অজনপ্রিয় হয়ে যান,তবুও কেও যেন তার লেখার দিকে আঙুল তুলতে না পারে,সেজন্য লেখক তার বইয়ে একটি বিশেষ দিক তুলে ধরেন।গল্পের পেছনে গল্প,বা গল্পটি লেখার যে অনুপ্রেরণা,তার উৎস।লেখাগুলো ছিলো অল্পকথার।কিন্তু,তা পড়ার মুহুর্তটা ছিলো টানটান উত্তেজনাপূর্ণ। বিশেষ করে,সিচ্যুয়েশন টা এক্সপ্লেইন করার ধরন,অল্প কথায় অসাধারণ! আগেই বললাম,৮ টি পর্ব নিয়ে লেখা হয়েছে একটি বড় গল্প,সেটি পার্সোনালি খুব ভালো লাগে।বিশেষ করে লেখক গল্পের থ্রিল টা ভালোই মিলিয়েছেন। বাকি ছোট গল্পগুলোর মধ্যে,সবচেয়ে ভালো লাগে কার্ডিয়াক আর শশানপুস্প।কার্ডিয়াক পড়ার পর দেখি,গল্পটা বিশেষ কাওকে উৎসর্গ করা।:') আর সবচেয়ে কঠিন মনে হলো,টেককল্পবিজ্ঞান এর গল্পটা।কঠিন না ঠিক,লেখা ঠিকাছে, কিন্তু থিম টা বুঝার সাধ্য নেই আমার। নরমালি বাংলা সাইন্স ফিকশন গুলোয় একটা প্রবণতা প্রবণতা বেস লক্ষণীয়, "প্লট মিলে যাওয়া,কিংবা টপিক একই থাকা" লেখকের নাম উল্লেখ না করা ভালো,তবে এখনও কিছু কিছু সাইন্স ফিকশন গল্পগুলো অড টাইপের মনে হয়।শুধু মহাকাশ/এলিয়েন/টেক এগুলো পড়তে পড়তে,নীলস বোর হয়ে যাই। কিন্তু এই বইটি সম্পর্কে বিপরীত ফিল টা এসেছে। টপিক গুলা ছিলো ইউনিক।পড়ার সময় মনে হবে,নরমাল থ্রিলার গল্প।কিন্তু গল্পের শেষদিকে,ভেতরের বিজ্ঞান টা বুঝা যায়। প্রচ্ছদটা খুব কিউট লাগলো,হরিবল ও বটে! একদম উপরে অদ্ভুৎ এক সমীকরণ লিখলাম না? মানবজাতির ভবিষ্যৎ কি এই সমীকরণেই নির্ভর করছে?আইন্সটাইন বাক্সে ঠিক এরকম কিছুই লেখা আছে। রহস্যভেদ করতে চান?তাইলে পড়তে পারেন এই বই, মহিষমতি সমীকরণে আপনাকে স্বাগতম..."
Hridoy Bishwas Akash , Jun 25, 2021
"#Progoty_Book_Club_Review_Competition #প্রগতি_বুক_রিভিউ_প্রতিযোগিতা_২০২১ #স্পয়লার_এলার্ট মহিষমতি সমীকরণ "Never trust anything that can think for itself if you can’t see where it keeps It's brain." -J.K.Rowling রহস্য-রোমাঞ্চ-বিজ্ঞান একে অপরের পরিপূরক যার এক উৎকৃষ্ট প্রয়োগ এই উপন্যাসিকা। এতে অবগাহনে অনুভূত হয় এক অদ্ভুত শিহরণ রহস্যপ্রেমীর কাছে যা মস্তিষ্কের পুষ্টি। কাহিনীসংক্ষেপঃ প্রাচীন মন্দিরের পাশে পুরু ইস্পাতের পাতে মোড়ানো বিশাল কুয়া থেকে ঝড়-বৃষ্টির রাতে গুমগুম শব্দ ভেসে আসে,কি আছে সেটার অতলে? কেন নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে শহরের বাচ্চারা? প্রবল ঝড়ের রাতে দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গলে বাঘের রূপধারী যে প্রাণীটা অর্বাচিন চাকমার ছেলেকে খুন করেছিল, ছেঁচে নিয়েছিল গায়ের সব রক্তমাংস সে কি আসলেই বাঘ? গোপন ল্যাবরেটরিতে আইন্সটাইন বাক্স নামের রহস্যময় যে জিনিসটা তৈরী হচ্ছে কি আছে তার ভেতর? আকবর সাহেবের কাছে অপরিচিত ঠিকানা থেকে রহিমার মা নামে যে দরদী বৃদ্ধা নিয়মিত চিঠি পাঠায়, সাথে হরলিক্সের কৌটা- কী তার পরিচয়? কি চায় সে? আকবর সাহেব হরলিক্সের কৌটা খুললেন। বেলি ফুলের মিষ্টি গন্ধে ভেসে গেল চারদিক। আর সেই সাথে খুলে গেলো এমন এক রহস্যের দরজা যার শুরু হয়েছিলো হাজার হাজার বছর আগে,অন্য কোনো জগতে,কোনো মহাজাগতিক সত্ত্বার হাত ধরে। 'সোর্স' নামের যে সত্ত্বা বা প্রাণীটা(হয়ত প্রাণীগুলো) ধীরে ধীরে নিঃশেষ করে দিচ্ছে পৃথিবীকে কি তার পরিচয়? সে কি ঈশ্বর? প্রচন্ড ক্ষোভে কি ধ্বংস করছে পৃথিবীকে মানুষের পাপের শাস্তি হিসেবে? নাকি দূর গ্রহ থেকে আগত কোনো এলিয়েন? কোথায় আছে সোর্স? আইনষ্টাইন বাক্স তৈরীতে অকল্পনীয় শক্তির জোগানদাতারাই বা কে? কি উদ্দেশ্যে তারা সহযোগিতা করছে মানবজাতিকে দূর্দান্ত সব প্রযুক্তি দিয়ে? II([U)[ (∩II)UIL DΔ⌈T[DIΔDΠLI[ΛIΠ আইন্সটাইন বাক্সের এই রহস্যময় কোডের সমাধান কি? এই কোডের সমাধানে কি শেষরক্ষা হবে মানবজাতির?কে খুলবে সেই বাক্স? আদৌ কি সেই রহস্য উন্মোচন হবে? রহস্য আর বিজ্ঞানের অপূর্ব মেলবন্ধনে রচিত 'রহিমার মা' গল্পটিতে প্রতিটি মুহুর্তেই অপ্রত্যাশিতভাবে মোড় নিচ্ছিলো ঘটনাবলি ।'রহিমার মা' আর 'কুয়া' গল্প দুটি প্রথমে খাপছাড়া মনে হলেও পরের কয়টি গল্পেই মিল খুঁজে পাওয়া যায়।কারণ গল্পের প্রধান কোনো চরিত্র নেই, সময় সময় উপস্থিত হয় ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র। গল্পের ধারায় বইতে গিয়ে ধীরে ধীরে জড়িয়ে যাচ্ছিলাম অদ্ভুত কোনো মায়াজালে। বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে খুজছিলাম রহস্যের সমাধান। অনেক চেষ্টায় ডিকোড করেছিলাম দূর্বোধ্য কোডটি।গল্পের চালিকাশক্তি যদি হয় রহস্য তাহলে কোড এর প্রাণ। আমার কাছে তাই 'আইন্সটাইন বাক্স' অংশটি সবচেয়ে রোমাঞ্চকর। বইটি মূলত খন্ড খন্ড অনেকগুলো কল্পবিজ্ঞানের মিশ্রণ।তন্মধ্যে একটি বড় কল্পবিজ্ঞান 'রহিমার মা' । রয়েছে আরো কিছু ছোট কল্পবিজ্ঞান। সবগুলোই প্রশংসার দাবিদার তন্মধ্যে সবচেয়ে উপাদেয় গল্প হিসেবে আমার পছন্দ 'লংফেলোর ঘড়ির গুদাম'। রম্যরচনায় 'আর্টিফিসিয়াল স্টুপিডিটি' চমৎকার। বর্তমান পরিস্থিতির সাথে বিজ্ঞানকে মিশিয়ে তৈরী টাইটেল স্টোরি 'মহিষমতি সমীকরণ' ও 'আরাম চশমা' সমাজের প্রতিবন্ধকতার রূপকল্প। মন্তব্যঃ বৈচিত্র্যময় সব কল্পগল্পের সমাহারে গল্পের ছলে জানতে পারা যায় বিজ্ঞানের নানা দিক সম্পর্কে। প্রযুক্তির বিভিন্ন দিকের সমন্বয়ে আপেক্ষিকতার নির্ভুল প্রয়োগে আর সোর্সের মতো সত্ত্বা বা প্রাণীর অসাধারণ উপস্থাপনায় গল্পগুলো রীতিমতো চাঞ্চল্যকর ছিল। দার্শনিক কিছু উক্তি গল্পকে এনে দিয়েছে মাধুর্য্য । প্রতিটি গল্পের পেছনের গল্পতো রয়েছেই সাথে গল্পের পেছনের বিজ্ঞানটাও সুচারুভাবে অল্পকথায় ব্যক্ত করেন,যা পাঠককে অভিভুত করে রহস্যময় বিজ্ঞানকে জানতে।কাহিনির আদলে আঁকা প্রচ্ছদটি শিল্পীর শৈল্পিক সৃষ্টি ও সৃজনশীলতার মানদণ্ডে গল্পের যথার্থ প্রতিবিম্ব । বাক্যগঠন আর শব্দচয়ন বেশ সাবলীল। ক্ষেত্রবিশেষে কিছু ইংরেজি শব্দ দূর্বোধ্য ঠেকেছে। বিজ্ঞানের কিছু বিষয়ে ধারণা না থাকলে কয়েকটি গল্প হয়তো পুরোপুরি বোধগম্য হবে না তবে তাতে রসের কমতি থাকবে না। সহজ-সরল উপস্থাপনায় বিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলি পাঠকের নিকট সহজবোধ্য করে তোলায় গল্পটি সবার পড়ার উপযোগী । বলা বাহুল্য,বইটি বিজ্ঞানশিক্ষায় পাঠকমহলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে সেই সাথে গতানুগতিক ধারার বাইরে লিখতে অনুপ্রাণিত করবে নবীন লেখকদের। লেখক পরিচিতিঃ বিজ্ঞান ও রহস্যপ্রেমী লেখকের জন্ম রংপুরে হলেও বেড়ে উঠা ঢাকায়। পেশায় প্রকৌশলী। ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞান আর সাহিত্যের প্রতি প্রবল আকর্ষণ থাকায় অধ্যয়ন করেন বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে আর সেগুলিকে সহজ-সরলভাবে তুলে ধরেন নবীনদের জন্যে।তার প্রথম প্রকাশিত বই'Big-জ্ঞানে,অগ-Gun' পাঠকমহলে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রকাশিত ২য় বইটিও বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। 'মহিষমতি সমীকরণ' তার ৩য় বই।অসাধারণ উপস্থাপনার জন্যে লেখাগুলি জায়গা করে পাঠকমনে। পরিশেষে, মহাবিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় রহস্য যার টানে মানুষ পাড়ি দিচ্ছে যুগের পর যুগ,পথের পর পথ। কারণ, "Everything is being done for the greater good" লেখকঃ নাঈম হোসেন ফারুকি ধরণঃ রহস্য উপন্যাস/কল্পবিজ্ঞান প্রকাশিতঃ প্রান্ত প্রকাশন প্রথম প্রকাশঃ বইমেলা ২০২১ পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১২৮ মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০৳ ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৯.৫/১০"
ইমামুল হাসান , Jun 24, 2021
"বইয়ের নামঃ মহিষমতি সমীকরণ ক্যাটাগরিঃ সায়েন্স ফিকশন লেখকঃ নাঈম হোসেন ফারুকী এ বইয়ের কয়েকটা গল্প লেখক বই বের হওয়ার আগেই ফেসবুকে প্রকাশ করায় বইটি পড়তে আগ্রহ জাগে। বইটি মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে দুটি বড়ো কল্প বিজ্ঞান এবং দ্বিতীয় ভাগে ১২টি ছোট কল্প বিজ্ঞান। কাহিনি সংক্ষেপঃ প্রথম অংশ গল্প-১ঃ রহিমার মা আকবর সাহেবের কাছে চিঠি আসে রহিমার মা নামক এক বৃদ্ধ মহিলার কাছ থেকে, সাথে হরলিক্সের একটা কৌটা।অরুচিতে ভোগা তার ছোট্ট ছেলেটি সেই হরলিক্স খেয়ে নাদুস-নুদুস হয়ে উঠে।কিন্তু পরে এই হরলিক্সই হয়ে উঠে তার সর্বনাশের কারণ! গল্প-২ঃ কুয়া এক জমিদারের দখল করে নেয়া পুরনো এক মন্দির থেকে এ রহস্যের শুরু।মন্দিরের ঠিক মাঝখানে বিশাল এক কুয়া যেটার কি না হাজার বছর ধরে মুখ বন্ধ।একদিন সন্ধ্যায় রাজা মন্দির থেকে ফিরবে এই মূহুর্তে কুয়োর ভিতরে কিসের যেন এক গুম গুম আওয়াজ শুনতে পান।রাজার কৌতূহল বাড়লো এবং অভিযান চালালেন।অবশেষে রাজা কুয়া থেকে অনেক ধন-রত্ন পেলেও কিন্তু থেকে যায় কেননা রাজা সেই রত্ম আহরণ উম্মুক্ত করে দেয়। গহীন জঙ্গলে অবস্থিত ছোট্ট একটি গ্রাম।সে গ্রামে থাকেন ফাদার রোজারিও যিনি কি না গ্রামবাসীর কাছে ভীষণই প্রিয় পাত্র! গ্রামের অপুষ্টিতে ভোগা বাচ্চাদের উনি বিশেষ ধরনের হরলিক্স খেতে দেয়... বাচ্চারা বেশ মোটাতাজা হয়ে উঠে..... এক সময় গ্রামে শুরু হয় ভয়াবহ সব অঘটন।গ্রামের দুটো শিশুকে বাঘে খেয়ে ফেলে।কিন্তু সন্তানহারা কৃষকের মনে হয় এটা বাঘের কাজ নয়।তাই তিনি পুত্র হত্যার প্রতিশোধ নিতে জঙ্গল থেকে লাশ না সরিয়ে গভীর রাতে পাহারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। রাতে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। বিশেষ ধরনের মেঘ থেকে হওয়া বৃষ্টিতে কৃষক অজ্ঞান হয়ে যায় এবং তার সঙ্গী হিসেবে নেওয়া ভাইপোও শিকারে পরিণত হয়। কৃষক ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং হাসপাতালগামী হয়। আমেরিকার এক গবেষক ইন্ডিয়াতে আসেন একটা কনফারেন্সে। কিন্তু ফিরে গিয়ে তার আচরণ বদলে যায়, তার ছোট্ট ছেলেটি তাঁর কাছে আসতে ভয় পায়,তার কুকুর ইভা তার ধারেকাছেও ঘেঁষে না। দিন কয়েক পরে তাঁর বাড়িতে এক নৃশংস কান্ড ঘটে.. সে পালিয়ে যায়। কিন্তু কেন ভয়ে না-কি স্বেচ্ছায়? আমেরিকার একটি গোপন এজেন্সি। যেখানে বেশ কয়েক জন বিজ্ঞানী কাজ করেন।তারা ইশ্বরের কাজ করেন, ইশ্বরের ক্ষুধা মিটিয়ে ইশ্বরকে শক্তিশালী করে তোলেন।কে সে ইশ্বর? তার এতো ক্ষুধা কেন? ইশ্বর পূজারীরা নিজেরাই ইশ্বর হতে চায়। কিন্তু সে স্বপ্ন বদ্ধ কোনো এক কক্ষে বিশ্বাসঘাতকতার বিষে ধবংস হয়ে যায়। ইশ্বর এতো মানুষ খাওয়ার পরেও মানুষ কমেনি পৃথিবীতে। কিন্তু যারা আছে সবাই আসলে মানুষ নয় তাঁরা ক্লোন।ক্লোনে ক্লোনে ভরে গেছে পৃথিবীতে। ইশ্বর তৈরি করেছেন তাদের কিন্তু কেন? মহাবিশ্ব হতে মানুষের বিলুপ্তি ঠেকাতে বিজ্ঞানীরা আইন্সটাইনের দেওয়া তত্ত্বকে কাজে লাগিয়ে এক যুগান্তকারী আবিষ্কার করে ফেললেন! যেটা পৃথিবীতে বেঁচে থাকা কিছু মানুষসহ পাঠিয়ে দিলেন দূরে কোনো এক নক্ষত্রের উদ্দেশ্য। সেই নক্ষত্রে কী মানুষেরা পৌঁছাতে পেরেছিলো? মানবজাতি কি সেই ইশ্বরের সাথে যুদ্ধে জিতে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পেরেছিলো? জানতে পড়ুন বইটি...... দ্বিতীয় ভাগে ১২টি গল্পের সবগুলোই অসাধারণ। গল্পগুলো এমনিতেই খুব ছোট তাই কাহিনি সংক্ষেপের দরকার নেই। তবে বিশেষ বার্তা বহনকারী গল্প হচ্ছে,'আরাম চশমা' এবং 'মহিষমতি সমীকরণ'। বইটি আপনার জন্য হাইলি রিকমন্ডেড।"
Rafsan , Jun 15, 2021
"ক্যাটাগরি: সায়েন্স ফিকশন রেটিং:৯/১০ বইটি একটি উপন্যাস ও কয়েকটি ছোটো ছোটো গল্পের মিলিত ফসল। উপন্যাসটির কাহিনী একেবারেই নতুন মনে হয়েছে আমার কাছে। কিন্তূ উপন্যাসটির থেকেও ছোটগল্প যেমন- শনি, মহিষ মতি সমীকরণ, পিয়ানো আমার পছন্দের। উপন্যাসটির শুরুর দিকটা খুব রহস্যজনক। সোর্স নামের নতুন এক ধরনের জীবের ভয়াবহ ছোবলে পড়ে পৃথিবীর মানুষ। যার প্রধান খাবার মানুষের বাচ্চা। তাতেই শেষ না। একেবারে খাদ্যের অনুরূপ ক্লোন তৈরি করে, যাদের আচরণ না দেখলে চেনা খুব কঠিন। যদিও খুব অল্প কিছু প্রানী এদের সেন্স করতে পারতো, তাদের নিয়ে শুরু হয় প্রজেক্ট ইভা। এতেও মানুষ ব্যার্থ হয়। অবশেষে পৃথিবীর সব বড় নেতাদের মিটিং বসে। কঠোর নিরাপত্তা সত্ত্বেও তারা সোর্স এর কবলে পড়ে এবং তাদের ক্লোন তৈরি হয় যারা সোর্সের সিস্টেমের অংশ। এভাবেই পুরো পৃথিবী নিয়ন্ত্রন নিয়ে নেয় সে। এই অবস্থায় কয়েকজন বিজ্ঞানী কিছু মানুষকে একটি রকেটে করে দূর নক্ষত্রের পানে পাঠিয়ে দিলেন। সেখানেও আক্রমণ করে সোর্স এর ক্লোন তারপর সেখানেই শুরু হয় নতুন আরেক গল্পের..... বইটির গল্পগুলো অনেক ইউনিক মনে হয়েছে আমার কাছে। আর গল্পগুলোর কিছু কিছু কাহিনী বাস্তবের সাথে মিলে যায়। আর বড় কথা হলো লেখক গল্পের আইডিয়া কোথা থেকে পেয়েছে সেটা পর্যন্ত উল্লেখ করিছে।। আর উপন্যাসটির শেষ অংশটুকু ক্লিয়ার করা হয়নি ভালোভাবে। যদিও নামটা আমার তেমন পছন্দ হয়নি। তবুও নাম দিয়ে কি আসে যায়।"
Ahadul Hasan , May 31, 2021
"ok"
Anirban Maitra , May 21, 2021
"#Progoty_Book_Club_Review_Competition বই: মহিষমতি সমীকরণ লেখক: নাঈম হোসেন ফারুকী রিভিউ করছি: অনির্বান মৈত্র (Anirban Maitra) পূর্ব-কথা: 'মহিষমতি সমীকরণ' নবীন বিজ্ঞান-লেখক নাঈম হোসেন ফারুকী'র সায়েন্স ফিকশন-সংকলন গ্রন্থ। ইতোপূর্বে প্রকাশিত ‘বিজ্ঞানে অজ্ঞান’ এবং 'চা, কফি আর কোয়ান্টাম মেকানিক্স' এর পর এটিই লেখকের প্রথম সায়েন্স-ফিকশন বই। এ বছর বইমেলাতে বইটি প্রকাশিত হয়েছে ‘প্রান্ত প্রকাশনী’ থেকে। বইটিতে স্থান পেয়েছে একটি বড় এবং বারোটি ছোটো কল্পবিজ্ঞান-কাহিনী। বড় কল্পবিজ্ঞান-কাহিনী ‘রহিমার মা’ আবার আটটি উপগল্পে বিভক্ত। ছোটো কল্পকাহিনীগুলোও লেখক তাদের বিষয়বস্তু-বিবেচনায় 'টেককল্পবিজ্ঞান',‘রম্যকল্পবিজ্ঞান’,‘ভৌতকল্পবিজ্ঞান’,‘বায়োকল্পবিজ্ঞান’ প্রভৃতি হিসেবে ভাগ করেছেন। বইয়ের কথা: “কেমন আছো বাজান? শইল স্বাস্থ্য ভালা তো? খালি তো চাকরি-চাকরি করো, পোলাডার খবর রাখছো একডু?পোলাডা শুকায় একবারে কাডি হইয়া গেসে। পোলাডার কথা ভাইবা এই হরলিক্সের ডিব্বাটা পাঠাইলাম। দুই বেলা খাইতে দিও। ইতি, রহিমার মা” —ব্যস্ত চাকুরে আকবর সাহেবের কাছে হঠাৎ আসে এই উদ্ভট চিঠি,সাথে এক কৌটা হরলিক্স। রহিমার মা নামে তার কোনো চেনা-পরিচিত নেই। তবে কি ভুল করেই এলো চিঠিটা? কিন্তু শুধু একবার না,বারবার ‘রহিমার মা’য়ের কাছ থেকে এরকম চিঠি পেতে লাগলেন আকবর সাহেব; প্রত্যেকবার ভিন্ন ভিন্ন ঠিকানা থেকে,সাথে ঐ এক কৌটা হরলিক্স। সে হরলিক্সের স্বাদও ভিন্নতর, ঢাকনা খুললেই বেলি ফুলের সুবাস ছড়িয়ে পরে চারদিকে। এদিকে আকবর সাহেবের একমাত্র সন্তান রুদ্র খুব খুঁতখুঁতে,কিচ্ছু খেতে চায় না—তার মনে ধরলো এই হরলিক্স। কয়েকদিন হরলিক্স খেয়ে বেশ মোটাতাজা হলো রুদ্র, কিন্তু তার আচরণে দেখা গেলো অদ্ভুত পরিবর্তন। একদিন হঠাৎ নিখোঁজ হলো রুদ্র। একই ব্যাপার ঘটলো হাজার মাইল দূরে পাহাড়ি জঙ্গলে,ফাদার রোজারিও'র দেওয়া বিশেষ হরলিক্স খেয়ে হারিয়ে গেলো অর্বাচিন চাকমা'র ছেলে চঞ্চল এবং তার বন্ধু অনির্বাণ। ওদিকে আরেক গোপন ল্যাবরেটরিতে টন-কে-টন তৈরি হতে থাকলো সেই বিশেষ হরলিক্স। বিশ্বজুড়ে বইতে শুরু করলো ঘোর রহস্যের চোরাস্রোত, তাবৎ পৃথিবীর বড়ো-বড়ো-মাথা'রা ব্যস্ত হয়ে পড়লেন এই রহস্যের কুল-কিনারা করতে; একসময় খুললো সেই রহস্যের দরজা, যার শুরু হয়েছে অন্য কোনো মহাজাগতিক সত্তার হাত ধরে। এই রোমাঞ্চকর গল্প শেষ হয়েছে পৃথিবী ছেড়ে অনেক দূরে, অনেক অনেক চমক উপহার দিয়ে। তার রেশ অব্যাহত আছে ছোটো গল্পগুলোতেও! সেগুলো না-হয় পাঠকের জন্যেই তোলা থাকলো! পাঠ-প্রতিক্রিয়া: লেখকের প্লট-পরিকল্পনা বেশ অভিনব। বাংলাদেশে কল্পবিজ্ঞান-জগতের পথিকৃৎ মুহম্মদ জাফর ইকবাল কল্পবিজ্ঞান-কাহিনী রচনা করেছেন প্রচুর, কিন্তু দেখা গেছে বেশ কতোগুলো গল্পের প্লট আসলে একইরকম—সেই ডিসটোপিয়ান পৃথিবী,সাইবর্গ-রোবটদের রাজত্ব,মানবজাতির প্রান্তীয়করণ,সংঘাত এবং শেষে মানবিকতার কাছে যন্ত্রের পরাজয়। পরবর্তীতে তার অনিবার্য-প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে যারা সায়েন্স ফিকশন রচনা করেছেন, তাদের অনেকের মধ্যেও খানিকটা একইরকম প্লট নিয়ে কাজ করার প্রবণতা দেখা গেছে। সেদিক দিয়ে লেখক নাঈম হোসেন ফারুকী' স্বতন্ত্র এবং অনন্য। তার কল্পকাহিনীর বিষয়বৈচিত্র্য দারুণ আকর্ষণীয়। উৎকণ্ঠায়-আবেগে-উত্তেজনায় গা-শিউড়ে উঠেছে রহিমার মা' পড়তে গিয়ে । দারুণ রোমাঞ্চ অনুভব করেছি কার্ডিয়াক, শ্মশানপুষ্প, পিয়ানো' গল্পগুলোতেও। কয়েকটা গল্প বিজ্ঞান থেকে খানিকটা সরে গেছে সমাজ-সমকাল,সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে। ‘আরাম চশমা’,‘শনি’ কিংবা নামগল্প ‘মহিষমতি সমীকরণ' এরকম উল্লেখযোগ্য গল্প । বিজ্ঞান এবং একে ঘিরে দেশ-কাল-সমাজের সামগ্রিক পরিকাঠামো সম্বন্ধে লেখকের প্রচ্ছন্ন মনোভাব খানিকটা বিদ্রূপ,ভর্ৎসনা এবং হতাশার সাথেই উঠে এসেছে এই গল্পগুলোতে। ভালো লেগেছে গল্পের শেষে ছোটো করে প্রাসঙ্গিক-বিজ্ঞানটুকু জানিয়ে দেওয়ার ব্যাপারটাও! সমালোচনা: 'রহিমার মা'য়ের পর যতোটুকু কাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা ছিলো লেখকের কাছে, পরের গল্পগুলোতে এসে তার সবটা পূরণ হয়েছে বলতে পারি না, বরং কোথাও কোথাও খানিকটা হতাশ'ই হয়েছি। কয়েকটা গল্প পড়ে মনে হয়েছে গল্পগুলো যেনো আরেকটু পরিপক্ব হতে পারতো,অন্তত হওয়ার সুযোগ ছিলো। লেখকের বাক্যগঠন, শব্দের ব্যবহার বেশ পরিণত;তবে চরিত্রের নাম নির্বাচনে কয়েক জায়গায় আরেকটু শ্রুতিমধুর নাম ব্যবহার করা যেতো বোধহয়। বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় ইংরেজি ব্যবহারে আপত্তি নেই, তবে তার বাইরে ‘ফর্মাল’,‘রেয়ার’,‘টাইপ’—এরকম শব্দগুলোর বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহারই শ্রেয়। উপসংহার: আমার ব্যক্তিগত মত, লেখকের প্রস্তুতিপর্ব আরেকটু দীর্ঘায়িত হলে আরো ভালো সায়েন্স-ফিকশন হয়তো পেতে পারতাম আমরা। ফিকশন রচনায় তাঁর অনন্যতা এই বইতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত, দেখার বিষয় এটাই ভবিষ্যতে তিনি তা কিভাবে ব্যবহার করেন! লেখকের পরবর্তী বইয়ের জন্য রইলো অনেক শুভকামনা। হ্যাপি রিডিং 🙂 একনজরে বইয়ের খুঁটিনাটি: ||বইয়ের নামঃ মহিষমতি সমীকরণ ||লেখকঃ নাঈম হোসেন ফারুকী ||প্রকাশনীঃ প্রান্ত প্রকাশনী ||জঁনরাঃ সায়েন্স ফিকশন ||মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০ ৳ ||পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১২৮ ||ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৭/১০"
Rakibul Islam Choudhury , May 17, 2021
"he is the best"
Sourav , May 16, 2021
"সেরা সাইন্স ফিকশন"
Ashraful Islam Mahi , May 10, 2021
"রহিমার মা। একজন বৃদ্ধা। নিয়মিত হরলিক্স পাঠান আকবর সাহেবের ছেলের জন্য। শুধু এটুকু মনে করলে বিরাট ভুল হয়ে যাচ্ছে৷ রহিমার মা বৃদ্ধা না। তিনি শুধু আকবর সাহেবের ছেলের জন্য না, আরও অনেক অনেক জায়াগায় হরলিক্স পাঠান। নতুন ধরণের হরলিক্স, শরীরে গোসত বাড়ায়, থলথলে ভাব নিয়ে আসে। এই থলথলে শরীরের মাংস খায় কেউ একজন। একা না, তারা মাছের মতো, নিজে খায় না, অন্যকে দিয়ে খাওয়ায়। কুয়ার মাঝে জমিদার সাহেব কোথায় গেলেন? আসল জমিদারকে মেরে ফেলা হয়েছে। আসবেন এখন নকল, ক্লোন জমিদার। ছেলের লাশের উপর বসে অর্বাচীন চাকমা কী দেখবেন? মেঘ। অদ্ভুত দর্শন কিছু৷ আইন্সটাইন বাক্সে কী আছে? এই অদ্ভুত নামই বা কেন? ইভা নামক কুকুর কী জানে? রহস্যে ঘেরা গল্প রহিমার মা। সোর্স নামক এক ভয়ঙ্কর কিছু অপেক্ষা করছে সেখানে। যে জানবে, তাকে মেরে ফেলা হবে৷ কিচ্ছুটি খবরাখবর মানুষদের কানে যেতে দেওয়া যাবে না। গেলেই শেষ! আড়াইশো বছর পর পর জেগে ওঠে সে। মহাভয়ঙ্কর। চালাক সে, মহা চতুর। স্পেসশিপে করে দূর নক্ষত্রের পানে ছুটবে মানব। আইন্সটাইন বাক্স খুলবে কীভাবে? II([U)[ (∩II)UIL DΔΓΤ[DIΔDΠLI[ΛIΠ এটা দিয়ে। কী আছে এই বাক্সে? এরকম হাজারও রহস্যে ঘেরা গল্প রহিমার মা। আলাদা আলাদা ছোটো ছোটো গল্পের সমন্বয়ে পুরো রহিমার মা গল্পটা। গল্পগুলোর প্লট আলাদা আলাদা মনে হলেও শেষ দিকে এসে একটা একটা করে সুক্ষ্ম অন্তমিল পাওয়া যায়। পাজেলের মতো, যেন গল্পগুলো সেই পাজেলের টুকরা। সেটা মিলে বড়ো পাজেল রহিমার মা গল্প। বেশ ইন্টারেস্টিং গল্পটা, প্রচণ্ড নিখুঁত সুক্ষ্ম সমন্বয় যেন বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। অনেকগুলো রহস্যময় প্রশ্ন গল্পে আছে৷ সোর্স কে, সে বেঁচে আছে, নাকি মানুষ বেঁচে আছে! পৃথিবীর কী হলো, সোর্স আসলে কেমন — এসব। এগুলোর উত্তর পেতে অবশ্যই রহিমার মা গল্পটা পুরোটুকু পড়ে চিন্তা করতে হবে। গল্পের বাকি অর্ধেক অংশ জুড়ে আরেক ইন্টারেস্টিং ব্যাপার-স্যাপার শুরু হবে। ছোটো ছোটো ২/৩ মিনিটে পড়া যায় এমন কতগুলো আলাদা গল্প আছে। সেগুলোর প্রত্যেকটাই অসম্ভব ভালো লেগেছে। ঘড়ির রহস্য, যদিও ঘড়ি রহস্যের সমাধানটা বুঝিনি, তারপর আছে কার্ডিয়াক কিলার, আরাম চমশার আরামের দুনিয়া, শনি আরও অনেক। শেষের গল্পটা একটু অন্যরকম। সুক্ষ্ম মেসেজ লুকিয়ে আছে গল্পটায়, নাম মহিষমতি সমীকরণ — বইয়ের নামে। গণতান্ত্রিক উপায়ে সমীকরণ প্রতিষ্ঠার ব্যর্থ চেষ্টা! বইটা পড়ার জন্য আপনি সর্বদা আমন্ত্রিত।"
Nirmol Gain , Apr 18, 2021
"বড় গল্প টা অনেক রহস্যময় । রহিমার মা, কুয়া, শিকার , ইভা, মেঘ, ঈশ্বর , সোর্স, আইনস্টাইন বাক্স সব গুলো একই উপন্যাসের অংশ হলের পত্যকের স্বতন্ত্র একটা ভাব বিদ্যমান। ছোট গল্প সব গুলোই অসাধারণ। আমার সব থেকে ভালো লেগেছে স্যুপ, মহিষমতি সমীকরণ , আরাম চশমা, শনি। গল্প গুলোর প্লট অসাধারণ।"
USS Super Alsace , Apr 18, 2021
"দুঃখিত। ফেসবুকে যেমন প্রচার দেখেছি, তেমনটি আসলে নয়। মৌলিক কোনো লিখা পেলাম না। অনেকটা Raবা খানদের লিখার মতো।"
Sourov Ahmed , Apr 17, 2021
"মহিষমতি সমীকরণ লেখকঃ নাঈম হোসেন ফারুকী বই এর ধরনঃ কল্পবিজ্ঞান আমার কাছে একটা বই এর বিষয় বস্তু থেকেও যে জিনিস টা বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটা হলো লেখকের লেখার ভাষা,ধরণ,উপস্থাপনা। পাঠকের মস্তিষ্ক চালনা করার ক্ষমতা থাকতে হবে লেখকের কলমে। কোন লেখা গিললে পাঠক বিস্মিত হবে,মুখে তৃপ্তির হাসি রেখা ফুটবে,ইমোশনকে হার্ট করবে,চিন্তা করতে শেখাবে এসব কিছু জানা একজন লেখকের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। এসবের সব কিছুর মিশ্রণ পাওয়া যায় নাইম ভাই এর লেখায়। সেই সাথে লেখকের আরেকটা গুন হলো গল্পের প্লটের আবহাওয়া তৈরি করা। চারপাশের পরিস্থিতি,পরিবেশ কে কলমে ফুটিয়ে তুলতে পারা৷ যাইহোক বই এ ছোট বড় মিলিয়ে বেশ কয়টি গল্প রয়েছে। সব গুলো গল্প শেষ করেছেন রহস্য দিয়ে। শুরুতে ভাবিনি বড় গল্প গুলো সব মূলত একই কাহিনির ধারাবাহিক অবতারণ। আমার তো সব গুলো আলাদা আলাদা লেগেছিলো,শেষে এসে জট খুললো। ছোট গল্প গুলোও বেশ লেগেছে। এক বসাতেই শেষ করে ফেলেছি। সময়টা বেশ কেটেছে। হ্যাপি রিডিং"
Oyahidur Rahman Mohin , Apr 15, 2021
"বইয়ের নামঃ মহিষমতি সমীকরণ লেখকঃ নাঈম হোসেন ফারুকী রেটিংঃ ৯/১০ রহিমার মাঃ ❝Earth provides enough to satisfy every man's need, but not every man's greed❞ – Mahatma Gandhi লোভ, স্বার্থপরতা, হিংসা, প্রতারণা আর রাগ পৃথিবীর সকল অন্যায় আর খারাপ কাজের জন্য দায়ী। লোভী মানুষকে প্রকৃতি কখনো প্রশ্রয় দেয় না। লোভী, স্বার্থপররা কখনো সুখি হতে পারে না। সক্রেটিস বলেছেন– ❝He who is not contented with what he has, would not be contented with what he would like to have❞ স্বার্থপর আর লোভীরা সবসময় নিজেদের চাহিদাকে বাড়াতে থাকে। নিজেদের প্রাপ্তি নিয়ে খুশি থাকে না। তাই তারা যা পায়, যা চায় তা নিয়েও কখনো সুখি থাকতে পারে না। ঠিক এই ভূলটাই করেছেন, জমিদার মহেন্দ্র বাবু। তার নিজের অনেক সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও লোভ আর স্বার্থের কারণে সমস্ত পৃথিবীকে তিনি হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছেন, যা পরবর্তীতে পৃথিবীর জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। অন্যের জিনিস, অপরিচিত এক মহিলার দেওয়া জিনিস নিজের ছেলেকে খাইয়ে যে বড় ভূলটা শাহানা করেছেন তার পরিণতি সে আজীবন ভুগে গেছেন। যার কারণে তিনি হারিয়েছেন তার পরিবারকে। ❝গরুর খাবার হলো ঘাস, আর মানুষের খাবার হলো গরু। এটাই প্রকৃতির নিয়ম।❞ তারা জানে মানুষের দুর্বলতা কি, তাই তারা বারবার আঘাত করেছেন মানুষের লোভী সত্তায়। আর মানুষ নিজে অন্যের ওপর আধিপত্য বিস্তারের জন্য, লোভের জন্য প্রতি নিয়ত তাদের সাহায্য করে গেছে। যার কারণে মারা গেছে সে নিজে ও হত্যা করেছে নিজেদের প্রিয় ঘরকে। কিন্তু তারা কারা? তারা কি? কোথায় তাদের শুরু কি ই বা তাদের পরিণতি? রহিমার মা নামে উপন্যাসটি লেখা হয়েছে তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের পরিণতি, মানবজাতির পরিণতি নিয়ে। এই উপন্যাসকে রহস্যময় বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী বলা যায় আবার একইসাথে থ্রিলারও বলা যায়। আর রহস্যময় সেই সত্তার খোঁজে বিজ্ঞানীদের ঘুম হারাম হয়ে আছে। রবার্টসনও সেই রহস্যময় সত্তার অনুসন্ধানী দলের বিজ্ঞানী। চারপাশে ছোট ছোট বাচ্চাদের হত্যা করা হচ্ছে, বীভৎসভাবে তাদের মাংস খেয়ে ফেলছে। মানুষ হয়ে কিভাবে অন্য মানুষের মাংস খেয়ে ফেলছে! নাকি এটা অন্যকিছু? রবার্টসন সেই ধাধার সমাধান করে ফেলেছেন। তার মতে, ❝খাবার খেয়ে খাদক পুরোপুরি খাবারে রূপ নিলে ক্ষুদা মেটে কিভাবে❞ গরু ঘাস খায় ক্ষুধা মেটানোর জন্য, কিন্তু সে নিজেই মানুষের খাবার হয়ে যাচ্ছে। তাহলে মানুষও কি খাবার খেয়ে খাদ্যে পরিণত হয়ে যাচ্ছে নাকি হয়ে গেছে! আসলে পুরো উত্তেজক উপন্যাস হলো রহিমার মা, প্রতিটি গল্পে তার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে আর রহস্য ঘোর তৈরি করেছে। যার কারণে সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়েছে সবগল্পে। আর শেষে সেই সৌন্দর্য জন্ম দিয়েছে নতুন প্রশ্নের! ছোট গল্পঃ মহিষমতি সমীকরণ বইটা সাজানো হয়েছে একটা উপন্যাস আর ১২ টি ছোট গল্প দিয়ে। উপন্যাসের মতো ছোট গল্পগুলোও দুর্দান্ত। সেখানে আছে রম্য ছোট গল্প, ভৌতিক কল্পগল্প, বায়োকল্পগল্প, রূপক কল্পগল্প। আরাম চশমাঃ আরাম চশমা মূলত রূপক কল্পগল্প। সুন্দর একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এখানে। মানুষ যখন নিজের দায়িত্ব, দায়বদ্ধতা ভূলে স্বার্থপর হয়ে ওঠে তখন সেই স্বার্থপরতার রেশ থেকে সে মুক্তি পায় না। বরং নিজের প্রিয় জনের ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে সেই স্বার্থ! বাবার সামনে মেয়েকে রেপ করা হচ্ছে অথচ বাবা মজা নিয়ে সেই দৃশ্য দেখছে। শুধু বাবা না আরো অনেক মানুষ। আমার মতে এটা আমাদের বর্তমান সময়কে ইঙ্গিত করে লেখা। আমাদের সামনে কোনো অন্যায় হলে আমরা কথা বলি না। কিন্তু এই আচরণ কি সেরা জীব হয়ে আমাদের মানায়? পিয়ানোঃ পিয়ানো হলো একটা ভৌত কল্পগল্প। এই গল্প নিয়ে আলোচনা করে গল্পের গভীরতা নষ্ট করবো না। খুবই সুন্দর একটা গল্প। আমি সরাসরি বই থেকে কিছু লাইন তুলে দিচ্ছি– ❝গভীর রাত। গহীন জঙ্গলে একেবারে নির্জন একটা বাড়িতে পিয়ানো বাজছে। কেউ খেয়াল করলে দেখতে পেত কালো একটা ল্যাব্রাড কুকুর অবিকল মানুষের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে করুণ সুর তুলে চলেছে পিয়ানোতে!❞ এখানে “করুণ সুর" শব্দের প্রয়োগটা আসলেই চমৎকার হয়েছে! কিছু কথাঃ এই অংশটা শুরু করার আগে একটা কথা বলা দরকার। কোনো কিছু লিখতে গেলে একজন লেখকের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। এই স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করার অধিকার কারো নেই। আর আমি কোনো সাহিত্য সমালোচক নই। কিন্তু পাঠক হিসেবে আমি কিছু জিনিস আমি তুলে ধরতে চাই। আমি আবারো বলছি, লেখকের অধিকার কেউ ক্ষুণ্ণ করতে পারে না। প্রথমত, লেখার শেষে যে “পিছনের গল্প" বলা হয়েছে সেটা সুন্দর ছিল। কিন্তু কেন এই পিছনের গল্প বলা তা বই পড়লে পাঠক বুঝতে পারবেন। তাই পাঠক হিসেবে লেখকের প্রতি একটা কথা, অন্যের কথাকে খুব বেশি প্রাধান্য দিলে নিজের সত্তাকে ভালো করে অনুসন্ধান করা যায় না। তাই অন্যের কথার চেয়ে শিল্পের ছোঁয়ার দিকে নজর দেওয়াই অধিকতর যুক্তিযুক্ত। আবারো বলছি আমি কোনো সাহিত্য সমালোচক নই। দ্বিতীয়ত, কিছু কিছু শব্দের ব্যাবহার পরিবর্তন করলে লেখাটা আরো সুন্দর ও বাস্তব হবে। যেমন, ৯০ পৃষ্ঠায় আছে– “খিচুরিটা কি তুই বানিয়েছিলি মা! টেস্ট কিন্তু সেই ছিল" এখানে লেখক "সেই" শব্দটা হয়তো ভিন্নতা আনার জন্য ব্যবহার করেছেন। কিন্তু এই শব্দটা অনেক মানুষের বিরক্তির কারণ। তাই এই শব্দগুলোর পরিবর্তে অন্য শব্দ ব্যবহার করলে হয়তো ভালো হতো। ❝অসৎ আনন্দের চেয়ে পবিত্র বেদনা অনেক মহৎ❞ – হোমার"
Taj Ahmed , Apr 14, 2021
"হরলিক্স। বেশ জনপ্রিয় মল্ট ড্রিংক। জীর্ণশীর্ণ রোগা-পটকা বাচ্চারা খেয়ে মোটাতাজা হয়।প্রচুর চলে বাজারে। অবশ্য আজকাল চলছে অন্য ধরনের হরলিক্স।সাধারণ হরলিক্সের চেয়ে বেশ আলাদা,স্বাদে অনন্য।কৌটোর মধ্য থেকে আসে বেলি ফুলের গন্ধ।একবার যে এই হরলিক্স খেয়েছে তার অন্য হরলিক্স আর কিছুতেই মনে ধরে না। বেলি ফুলে গন্ধমাকা হরলিক্স বাচ্চারা খায়,খেয়ে স্বাস্থ্য তরতর করে বেড়ে উঠে তাদের। সেই বাচ্চারা একসময় হারিয়ে যায়। কোথায় যায় তারা?কিছদিন পর ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায় বাচ্চাগুলোর লাশ।।কার হাত তাদের এই পরিণতির পেছনে?এর সাথে কি এই বিশেষ হরলিক্সেরকোনো যোগসূত্র আছে?কারা পাঠায় এই হরকিক্স? বাচ্চারা গায়েব হয়ে যাচ্ছে।নানা জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে বীভৎস লাশ। পুরো মানবজাতির সামনে ঘোর বিপদ। হারিয়ে যাচ্ছে মানুষ। কে আছে এর পেছনে? কারা করছে এসব? স্পেসশিপে বেঁচে থাকা শেষ কিছু মানুষের হাতে নির্ভর করছে মানবজাতির ভবিষ্যৎ। তাদের হাতে আছে আইনস্টাইন বাক্স। বাক্সের গায়ে লেখা একটি কোড। II([U)[ (∩II)UIL DΔ⌈T[DIΔDΠLI[ΛIΠ সব প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে এই একটি কোডের উপর।কোড ব্রেক করতে পারলে খোলা যাবে আইনস্টাইন বাক্স।তার মধ্যে লুকিয়ে আছে মানবজাতির শেষ আশা। কি হয়েছিল শেষ পর্যন্ত?কোড কি কেউ ব্রেক করতে পেরেছে?কি ছিল আইনস্টাইন বাক্সের ভেতরে? জানতে হলে পড়তে হবে মহিষমতি সমীকরণ। বইটির দুটি পার্ট। প্রথম অংশে একটি বড় কল্পবিজ্ঞান-রহিমার মা। এতক্ষণ ধরে যা পড়লেন,তা ছিল রহিমার মার প্লটের সংক্ষিপ্ত আলোচনা।আটটি অংশের সমন্বয়ে গল্প এগিয়েছে। প্রথমদিকে পড়ে মনে হতে পারে এগুলো আলাদা আলাদা গল্প,বিশেষ করে রহিমার মা আর কুয়া পড়ার পর এই ধারণা জন্মাতেই পারে।কিন্তু পরবর্তী গল্পগুলোতে এদের সম্পর্ক বোঝা যায়। শুরুতেই যদি এগুলোকে আলাদা গল্প ভেবে বসেন,তবে পরে গিয়ে ধাক্কা খেতে হবে।প্রতিটা অংশ একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।অনেকটা রহস্যে ঘেরা ঘোলাটে কাহিনী ধাপে ধাপে পরিষ্কার হয়েছে। রহিমার মার কাহিনীবিন্যাস ও বর্ণনা একেবারেই ইউনিক।প্রতিটা অংশেই সাসপেন্স,থ্রিল।সমাপ্তি কোনোভাবেই প্রেডিক্টেবল না। শেষ পর্যন্ত পড়ে যেতেই হবে আপনাকে। দ্বিতীয় অংশে রয়েছে ছোট ছোট বারোটি কল্পবিজ্ঞান।প্রতিটা গল্পের প্লটই ইউনিক। এবং গল্পগুলো বাস্তবের সাথে দারুণভাবে রিলেটেবল,অনেক কিছু ভাবতে বাধ্য করবে আপনাকে।আমাদের পরিতিত কিছু সিচুয়েশনের মেটাফোরিক উপস্থাপন খুঁজে পাবেন গল্পগুলোর মধ্যে। পার্সোনালি আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে মহিষমতি সমীকরণ ও আর্টিফিশিয়াল স্টুপিডিটি। সব মিলিয়ে আমার মতামত- প্লট অসাধারণ এবং ইউনিক। প্রতিটা দৃশ্যের পরিবেশ একেদম রিয়েলিস্টিক।কাহিনীতে ডুবে যেতে বাধ্য করবে। লেখকের শব্দচয়ন ও বর্ণনা পাঠকের হৃদয়ে মুগ্ধতা ছড়াবে। সব মিলিয়ে থ্রিলিং ও উপভোগ্য একটা সায়েন্স ফিকশন।থ্রিলার ও সাসপেন্সপ্রেমীদের জন্য হাইলি রেকমেন্ডেড।"
Kaif Rahman , Apr 14, 2021
"বইয়ের নাম: মহিষমতি সমীকরণ। লেখক: নাঈম হোসেন ফারুকী। মুদ্রিত মূল্য: মাত্র ২০০ টাকা পার্সোনাল বেটিং: ৭.৫/১০ বইয়ের শুরুটা একটি চিঠি দিয়ে। চিঠিটির প্রেরক রহিমার মা আর প্রাপক আকবর সাহেব। চিঠিটির সাথে ছিল হরলিক্সের ডিব্বা যা আকবর সাহেবের ছেলের জন্য রহিমার মা পাঠিয়েছিল। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় আকবর সাহেব রহিমার মাকে চিনেই না। যাই হোক কোনভাবে রহিমার মা এর সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় আকবর সাহেব তার ছেলেকে এই হরলিক্স টি খাইয়েছিল। ফলাফলস্বরূপ তার ছেলে রোগা থেকে স্বাস্থ্যবান হতে থাকলো। হরলিক্সটির একটি বিশেষত্ব ছিল আর সেটি হল বেলি ফুলের ঘ্রাণ। হরলিক্সটি শেষ হয়ে গেলে তা আবার এসে যেত রহিমার মায়ের কাছ থেকে। এই হরলিক্স ছাড়া অন্য কোন হরলিক্স আকবর সাহেবের ছেলে খেত না। আকবর সাহেব এবার চিন্তার মধ্যে পড়লেন। এর মধ্যে হঠাৎ একদিন তার ছেলে হারিয়ে গেল। ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে এক্সিডেন্টে আকবর সাহেবও মারা গেল। এই গেল চিঠির গল্প। এবার আসি কুয়ার গল্পে। জমিদার মহেন্দ্র বাবুর রাজত্ব ২০০ বিঘা বাড়ার পর সে এক প্রাচীন কুয়ার সন্ধান পেল। মন্দিরের পুরোহিতরা কুয়ার ভেতরে যেতে মানা করল। কিন্তু লোভ সামলাতে না পেরে ঠিকই মহেন্দ্র বাবু তার লোকলস্কর নিয়ে যায়। তারপর কুয়ার ভিতর কত আজব আজব কাহিনী ঘটবে। জানতে হলে বইটি পড়তে হবে। এরপরের গল্পটি হচ্ছে শিকার নিয়ে। ঝড়-বৃষ্টির এক রাতে অর্বাচিন চাকমার ছেলে চঞ্চল বাড়ি আর ফিরে না। পরদিন দেখা যায় তার ক্ষতবিক্ষত লাশ। ধারণা করা হয় বাঘ খেয়েছে। তাই অর্বাচিন চাকমা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বাঘকে মারার সিদ্ধান্ত নেয়। বাঘকে মারতে গিয়ে কি আজব আজব কাহিনী হয়েছিল সেটা জানতে চান? তাহলে বলছি। নাহ বললে তো স্পয়লার হয়ে যায়। এখানেই থেমে যাই। এভাবে রহিমার মা, কুয়া, শিকারের সাথে ইভা মেঘ,ঈশ্বর, সোর্স,আইনস্টাইন বাক্স গল্পগুলো একত্রে মিলে ইন্তেরকানেক্টেড হয়ে এক চরম সাই-ফাই থ্রিলার সৃষ্টি করে। মনোযোগ পড়লে আর কানেকশন গুলো বুঝলে উপন্যাসটিকে অসাধারণ বলতে বাধ্য হবেন। আইনস্টাইন বাক্সের কোড(বইয়ের কভারে দেওয়া আছে) ডিকোড করতে পারলেই কেল্লাফতে। কোডটি দেখতে বিদঘুটে হলেও এর সমাধান খুবই সোজা। কোডটির মাধ্যমে যা বুঝানো হয়েছে তা বাস্তবায়ন করতে পারলেই মানবজাতি সোর্স থেকে রক্ষা পাবে। সোর্স কে? বলবো না। বই পড়তে হবে। এবার বইয়ের দ্বিতীয় অংশের ছোট ছোট সাই-ফাই নিয়ে আসি। এই সাই-ফাইগুলো এত ছোট যে এগুলোর প্লট সম্পর্কে একটুও ধারণা দেওয়া যাবে না।এখানে মোট বারোটি সাই-ফাই পাওয়া যাবে। এগুলোকে আবার বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে ফেলা হয়েছে। যেমন:টেক কল্পবিজ্ঞান, ভৌত কল্পবিজ্ঞান, অপ কল্পবিজ্ঞান,রম্য কল্পবিজ্ঞান ইত্যাদি।এই ১২ টি কল্পবিজ্ঞানের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে আমার পিয়ানো, রোবট বিপ্লব, আর্টিফিশিয়াল স্টুপিডিটি এবং শ্মশান পুষ্প ভালো লেগেছে। অন্যদিকে লং ফেলোর ঘড়ির গুদাম গল্পটি বুঝিনি। কারণ-বুঝতে হলে প্রোগ্রামিং সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে যেটা আমার নেই। "বিজনেস মাইন্ডের বউ" গল্পের লাস্টের কয়েকটি লাইন পড়ে মজা পেয়েছি। সমালোচনা: ১. বইটিতে কিছু জায়গায় বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহার হয়নি। ২. ছোট সাই-ফাই গুলো আরেকটু বিস্তারিত হলে ভালো হতো। আরাম চশমা এবং স্যুপ গল্প দুটি একটুও ভালো লাগেনি আমার ব্যক্তিগতভাবে। পুরো রূপকথার মতো মনে হয়েছে। কোন ইউনিকনেস ছিল না। বইয়ের বিশেষ দিক: বইয়ের লেখক কিছু গল্পের পেছনে কোথা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছে সেটা বলে দিয়েছে যেটা আজকাল দেখা বিরল। লেখকের এই আচরণ আমাকে মুগ্ধ করেছে। এছাড়াও লেখক সমকালীন সমাজের সাথে কয়েকটি গল্পের মিল ঘটিয়েছে যা আমার খুবই ভালো লেগেছে। বর্তমানে সাই-ফাই বইগুলোতে ইউনিকনেস খুব কম পাওয়া যায়। কিন্তু "মহিষমতি সমীকরণে" বইটি তার ব্যতিক্রম।তাই মৌলিক সাই-ফাই বই পড়তে চেলে আমি অবশ্যই এই বইটিকে রিকমেন্ড করব। হ্যাপি রিডিং।"
Shikhor Sarkar , Apr 14, 2021
"বইটা গতকাল বিকেলেই হাতে পেয়েছি।বাড়িতে আনার পরই বইটি পড়তে বসে যাই।বইয়ের প্রথম গল্প রহিমার মা পড়ে ঢুকে যাই রহস্যের দুনিয়ায়,অপূর্ব এক দুনিয়ায়,যেটা পুরোপুরি রহস্যময়।রহিমার মায়ের সেই হরলিক্সের কৌটো,কুয়োর সাত রাজার ধন,লাস্তে লাকোনির ঈশ্বর,আইনস্টাইনের বাক্স,বাক্সের কোড সবকিছুতে এই রহস্য পুরোপুরিভাবে উপভোগ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন লেখক।দুঃখের বিষয় হলো প্রোগ্রামিং নিয়ে কোনো ধারণা না থাকায় 'লংফেলোর ঘড়ির গুদাম' গল্পের রহস্যের সমাধানটা পুরোপুরি বুঝি নি,একটু-আধটু বুঝেছি।তবে স্যুপ গল্পটা আমার কাছে খুব মজার মনে হয়েছে।প্রত্যেকটা ছোট কল্পবিজ্ঞানের শেষে গল্পটির বিজ্ঞান বুঝিয়ে দিয়েছেন,যার মাধ্যমে বিজ্ঞান ও কল্পবিজ্ঞানের সুক্ষ্ম পার্থক্য তুলে ধরেছেন।আর সবশেষে লেখককে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই,নাইম্ভাই যখন লিখেছেন বইটাকে অসাধারণ তো হতেই হবে।😉"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"মহিষমতি সমীকরণ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: