হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
মগরাজ - রবিন জামান খান এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

১ম প্রকাশ, ২০২১

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

মগরাজ

36 Ratings | 16 Reviews
TK. 602 TK. 700 -14% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

মগরাজ- কাহিনী সংক্ষেপ: মোঘল সম্রাট শাহজাহান অসুস্থ, দিল্লীর মসনদ দখলের লড়াইয়ে লিপ্ত হলো তার তিন ছেলে। নিজের দুই ভাইয়ের কাছে যুদ্ধে হেরে পলায়নরত সম্রাট শাহ সুজা...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

মগরাজ- কাহিনী সংক্ষেপ: মোঘল সম্রাট শাহজাহান অসুস্থ, দিল্লীর মসনদ দখলের লড়াইয়ে লিপ্ত হলো তার তিন ছেলে। নিজের দুই ভাইয়ের কাছে যুদ্ধে হেরে পলায়নরত সম্রাট শাহ সুজা আরাকান রাজের আশ্র
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title মগরাজ
Author রবিন জামান খান
Publisher অন্যধারা
Edition ১ম প্রকাশ, ২০২১
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 560
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.86 Kg
ISBN 9789849540397
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

4.11

36 Ratings and 16 Reviews

★★★★★
11
★★★★☆
19
★★★☆☆
5
★★☆☆☆
1
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

১৬টি
Sohel Rana

Sohel Rana , Jan 13, 2024

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"গল্পের প্লট অসাধারন, কিন্তু লেখনীর ব্যাপারে মিতব্যায়ী হওয়া যেত --------------------------------------------- গল্পের প্লট ভালো, কিন্তু অনেকটা অপ্রয়োজনীয়ভাবেই লেখনীর কলেবর বাড়ানো হয়েছে, যেটা বেশ বিরক্তিকর। যতগুলো পৃষ্ঠা খরচ করা হয়েছে, তার অর্ধেকে শেষ করা যেতে পারতো। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, লেখকের এই সিরিজের অন্যান্য বই (যেমন রাজদ্রোহী, সপ্তরিপু, ব্ল্যাক বুদ্ধ, ইত্যাদি) গুলোতেও একই সমস্যা।"

Md Rakib Hasan

Md Rakib Hasan , Sep 23, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"========= কাহিনী সংক্ষেপ ========== “যখন সহায় হিসেবে তোমার কিছুই নেই তখন তোমার পোশাক আর শারীরিক ভঙ্গিই হলো সবচেয়ে বড় বন্ধু। সেটাকে ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারলে স্রেফ শারীরিক ভঙ্গি দিয়েই বিশ্ব জয় করা সম্ভব।” কাহিনীর অবতারনা ১৬৬০ সালে যখন দিল্লীর মোঘল সম্রাট শাহজাহানের অসুস্থতার খবর পেয়ে দিল্লীর মসনদ দখলের জন্য আওরঙ্গজেব ও তার ভাই শাহ সুজা যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। কিন্তু ভাইয়ের সাথে যুদ্ধে সব হারিয়ে দিশেহারা শাহ সুজা বাধ্য হয়ে চট্টগ্রামের দিকে পাড়ি জমান। কিন্তু আারাকানে গিয়ে তার সাথে থাকা বিপুল পরিমাণ মোঘল ধন-সম্পদের কারণে বিশ্বাসঘাতকতার স্বীকার হন। আবার দস্যু আরাকানের রাজা মগ আর পর্তুগীজ জলদস্যুদের সেই সম্পদ কুক্ষিগত করার জন্য তার পেছনে লাগিয়ে দেন। অনেক যুদ্ধ-বিগ্রহ, কৌশল ও বিশ্বাসঘাতকতার মধ্য দিয়ে সেই সম্পদকে বাংলার মানুষের জন্য রক্ষা করতে গিয়ে একটা রহস্যঘেরা একটা ইতিহাস তৈরি করে তালেব তৈমুর আর বাকিরা মিলে। আবার বর্তমান সময়ে একটা সাধারণ রোড এক্সিডেন্টের ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে বাধ্য হয়েই সেই ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে পরে শারিয়ার আর বাকিরা, সাথে যোগ হয় আন্তর্জাতিকভাবে কুখ্যাত অপরাধী চক্র। যাদের প্রত্যেকরই উদ্দেশ্য বিপুল ধন সম্পদ হস্তগত করা। ========= পাঠ প্রতিক্রিয়া ========== গল্পে একটা টান টান উত্তেজনা ছিলো নিঃসন্দেহে। সাসপেন্স, আতঙ্ক, ক্ষোভ, দুঃখ, থ্রিল সব দিক দিয়ে ১৬৬০ আর বর্তমান ছিলো পরিপূর্ণ এবং দুই সময়ের গল্পের বিন্যাস ছিলো যথাযথ। দুই সময়েরই একের পর এক রণকৌশল, উপস্থিত বুদ্ধির ব্যবহার, গল্পের শেষে টুইস্ট ভালোই লেগেছে। তবে মাঝের দিকে অতীত অংশটা অনেক বেশিই বিরক্ত লাগছিল একটু বেশি পরিমাণে অতিমাত্রায় বর্ণনার কারণে। অনেক ছোটখাট জিনিস ও চারপাশ নিয়ে মাঝে মাঝে এতো বেশি আলাপ করা হয়েছে যে, সেগুলা বারবার গল্পের মূল জায়গা থেকে দূরে ঠেলে দিয়েছে। ফলশ্রুতিতে পৃষ্ঠার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫০ এর উপরে। টমি পোদ্দারের মতো এতো বড় ডাটা এনালিস্ট কাম আইটি এক্সপার্ট কিভাবে ল্যাটিচিউড, লঙ্গিচিউড কী, তা জানে না; সেটা নিতান্তই হাস্যকর। আর সিলভেরার চরিত্রটিও কোথাও যেন ঠিক পরিপূর্ণভাবে পরিষ্ফুটিত হতে পারে নি। সর্বোপরি থ্রিলার হিসেবে ভালোই। তবে এর তুলনায় “২৫ শে মার্চ”, “সপ্তরিপু” ও “ব্ল্যাকবুদ্ধা” কে আমি এগিয়েই রাখবো। প্রোডাকশনঃ বইটির প্রোডাকশন ও কভার ডিজাইন আমার কাছে ভালোই লেগেছে। পেজের কোয়ালিটি, বই বাইন্ডিং, ফন্ট সাইজ দারুণ হয়েছে। তবে প্রোডাকশন ঠিক করতে গিয়ে প্রচুর পরিমাণে বানান ভুল লক্ষ্যনীয়। ১৬৬০ হয়ে গেছে ১৮৬০, শারিয়ার হয়ে গেছে তানভীর, কিরান হয়ে গেছে শারিয়ার। আরেক জায়গায় তালেব কিরান হয়ে গেছে তালেব তৈমুর; তার সাথে আবার দাঁড়ি কমার ভুলতো আছেই। এত ভুলের জন্য বারবার বই পড়তে পড়তে মনোযোগের ব্যাঘাত ঘটেছে। যা খুবই দুঃখজনক। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৬.৫/১০।"

Hassan Shariar Aryan

Hassan Shariar Aryan , Jul 14, 2022

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"Absolutely awesome."

farhad hasan

farhad hasan , Jun 1, 2022

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"অসাধারণ একটি বই ।তবে এটা পড়ার পর অবশ্যই "রাজদ্রোহী" পড়তে হবে।"

Morshed Fuad

Morshed Fuad , Mar 8, 2022

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"Godd."

Kazi Hasan Jamil

Kazi Hasan Jamil , Feb 28, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"🔰বই পরিচিতিঃ ➠বইয়ের নাম : মগরাজ ➠লেখক : রবিন জামান খান ➠প্রকাশকাল : বইমেলা, ২০২১ ➠প্রকাশনী : অন্যধারা ➠প্রচ্ছদশিল্পী : আশরাফ ফুয়াদ ➠পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৫৫৯ ➠মুদ্রিত মূল্য : ৭০০ টাকা ➠জনরা : হিস্ট্রিক্যাল থ্রিলার 🔰কাহিনী সংক্ষেপঃ সময়:১৬৬০ খ্রিস্টাব্দ পানিপথের যুদ্ধে প্রথম ইব্রাহিম লোদির বিরুদ্ধে বাবরের জয়ের মাধ্যমে মুঘল সাম্রাজ্যের সূচনা হয়।কালের ধারাবাহিকতায় সেই ❝মুগলিয়া সালতানাত❞ এর সম্রাট হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন সম্রাট শাহজাহান।দীর্ঘ শাসনামলের পরে যখন সম্রাট শাহজাহান অসুস্থ হয়ে পড়েন তখন দিল্লির মসনদের ভিত কেঁপে ওঠে।দিল্লির মসনদের ভিত কেঁপে ওঠা মানে পুরো মোঘল সালতানাত,মানে পুরো ভারতবর্ষের ভিত কেঁপে ওঠে। ভারত দিল্লির ক্ষমতায় আরোহণের জন্য তখন সম্রাট শাহজাহানের পুত্রদের মাঝে যুদ্ধের আভাস। তুলনামূলক শান্তিপ্রিয় অঞ্চল বাংলার সুবাদার শাহ সুজাও যুদ্ধের প্রস্তুতি নিলেন চূড়ান্ত ক্ষমতায় আসীন হওয়ার জন্য। দিল্লি অভিমুখে যাত্রা করেও বড় ভাই দারা শিকোর বাহিনীর কাছে পরাজিত হন শাহ সুজা এবং ফিরে আসেন বাঙাল মুল্লুকে। কিছুদিন পর আবারও খবর পান আরেক ভাই আওরঙ্গজেবের কাছে পরাজিত হয়েছে দারা শিকো। আবারও ক্ষমতা পাওয়ার নেশা চড়ে বসে শাহ সুজার মাথায়, অগ্রসর হন দিল্লির পথে। ভাগ্যের ফেরে এবারও পরাজিত হন এবং পালিয়ে এসে আশ্রয় নেন আরাকান রাজ দরবারে। বিশ্বাসঘাতক আরাকান রাজার নজর ছিলো শাহ সুজার সাথে থাকা সমস্ত সম্পদ ও তার কন্যার দিকে। গভীর রাতে হামলা হয় তাদের উপর। কোনমতে প্রাণ বাঁচিয়ে পাশের জঙ্গলে আশ্রয় নেন শাহ সুজা ও তার একান্ত বন্ধু তালেব তৈমুর।পরবর্তীতে সমুদ্র পথে যাত্রা শুরু করলে তাদের পিছু নেয় মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যু।অন্যদিকে বিভিন্ন ধার দেনায় জর্জরিত কিরানের সামনে সুযোগ আসে এই ধার-দেনা মিটিয়ে আবারও আগের সুন্দর জীবনে ফিরে আসার।কিন্তু আরাকান রাজের নির্দেশ অমান্য করায় তাকে গ্রেফতার করে আরাকান সৈন্য।এরপরেও তার হাতে আসে একটি অন্তিম সুযোগ।দক্ষিণের সাগরে ত্রাস চালানো মগ ও পর্তুগীজ জলদস্যু বাহিনীকে পরাস্ত করতে হবে। শুরুতে রাজি না হলেও পরে যখন জানতে পারে এই মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যু বাহিনী পিছু নিয়েছে তার বাবার জাহাজের, তখন বাবাকে বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য সে বাহিনী গঠন করে, সম্মুখ সমরে নামে ভয়ংকর ও অত্যাচারী জলদস্যুদের বিরুদ্ধে। বর্তমান সময়: চট্টগ্রামের কিছু ধনী পরিবারের বখাটে ছেলেমেয়েরা এক বৃষ্টির রাতে গাড়ি নিয়ে বের হয় লং ড্রাইভে। নেশাগ্রস্থ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে ধাক্কা মেরে দেয় একজন লোককে। ঘটনাস্থলেই মারা পড়ে লোকটি। অন্যদিকে, ট্রেনিং শেষ করে দেশে এসে উর্ধতন কর্মকর্তাদের না জানিয়েই নিজের রেসিং ট্র‍্যাকে ছুট দেয় এজেন্ট শারিয়ার এবং সেখানে গোলমাল বাধায় বাইক মাস্টারের সাথে। তাকে এরপর ধরে আনা হয় সেলে এবং বলা হয় চট্টগ্রামে যেতে, সেখানে একজন লোকের দুর্ঘটনার মৃত্যুর সাথে জড়িত রহস্য সমাধান করতে। সেখানে গিয়েই এজেন্ট শারিয়ার জড়িয়ে পড়ে এমন এক রহস্যের জালে, যার সূত্রপাত হয়েছিলো মধ্যযুগের মোঘল আমলে এবং মগ, পর্তুগিজ জলদস্যুদের সময়ে। 🔰পাঠ প্রতিক্রিয়া: রবিন জামান খান ভাইয়ার লেখার সাথে পরিচয় হয় এই বইয়ের মাধ্যমেই।এই বই পড়ার পরেই আমি মূলত ভাইয়ার লেখার ফ্যান হয়ে যাই।তারপর একে একে সপ্তরিপু,শব্দজাল,বিখণ্ডিত পড়ে ফেলি।আমি বেশিরভাগ সময়ই থ্রিলার জনরার বই পড়ি।এর মধ্যে আবার সাইকোলজিকাল থ্রিলার আর হিস্টরিকাল থ্রিলার খুব বেশি পছন্দের।ভাইয়ার কোনো বই না পড়লেও এই বইয়ের আকর্ষনীয় প্রচ্ছদ আর ফ্ল্যাপ পড়ে বইটার প্রতি আকর্ষন অনুভব করি।জলদস্যু,গুপ্তধন,সম্রাট শাহজাহান ও তার তিন পুত্র এগুলো আসলেই আকর্ষনীয় বিষয়।সব দিক থেকে বিবেচনা করলে এই বইটি আমার ব্যক্তিগত পছন্দের বহিঃপ্রকাশ।মানে সহজ ভাবে বললে দুইয়ে দুইয়ে চার মিলে গিয়েছে।এইজন্যই লেখকের অন্য কোনো বই না পড়লেও এই বইটির প্রতি অনেক আগ্রহ ছিল,আর তাই বইটি প্রকাশিত হবার কিছুদিনের মধ্যেই বইটি সংগ্রহ করি।ভাগ্য তেমন সহায় না হওয়ায় বইটা সংগ্রহ করতেও আমাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। বইটির বেশ কিছু জায়গায় প্রিন্টিং মিস্টেক আছে,যা সত্যিই বিরক্তকর।যেহেতু আমারটা প্রথম মুদ্রনের বই,পরবর্তী মুদ্রণে ভুল গুলো সংশোধন হয়েছে আশাকরি।কিন্তু লেখক যেভাবে অতীত আর বর্তমান সুনিপুণভাবে একই সুতোয় বেঁধেছেন তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।আপাত দৃষ্টিতে দুটি বিচ্ছিন্ন গল্প মনে হলেও এগুলো মিলিত হয়েছে ইতিহাসের হারানো এক বিস্তৃতপ্রায় অধ্যায়ে।এখানেই শেষ নয়।আগামী বইমেলায় আসছে লেখকের সময়ের উপখ্যান সিরিজের পরবর্তী বই ❝রাজদ্রোহী❞।এরই মধ্যে বইটার পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে।আমি যে বইটা পড়ার জন্য কি পরিমাণ আগ্রহী তা বলে বোঝাতে পারব না।মগরাজ পড়ার পর বলতে গেলে প্রায় ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলাম এটা ভেবে যে রাজদ্রোহী আসতে এখনো ১ বছর!অবশেষে সকল অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে যে আসছে এটাই বা কম কীসে!তাই লেখক এবং লেখকের পরবর্তী বই সবকিছুর জন্যই শুভকামনা! 🔰লেখকের লেখার মানঃ লেখকের লেখা নিয়ে আসলে আর কিছু বলার নাই।এরই মধ্যে তিনি দুই বাংলায় অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।ইফতেখারুল ইসলাম ভাইয়ার অনুদিত ডেভিড বালডাচির "জিরো ডে" বইয়ের উৎসর্গ পত্রে ইফতেখার ভাই রবিন জামান খান ভাইয়াকে ❝বাংলার ড্যান ব্রাউন❞ বলে আখ্যায়িত করেছেন।আমিও একমত।রবিন ভাইয়ার লেখার মধ্যে একটা মৌলিকত্ব আছে যা যে কেউকে আকর্ষণ করবে।ভাইয়াকে অসংখ্য ধন্যবাদ বিদেশে বসে অনেক ব্যস্ততার মধ্যেও পাঠকদের জন্য লিখে যাওয়ার জন্য! 🔰প্রোডাকশন কোয়ালিটি,বাইন্ডিং এবং অন্যান্যঃ সময়ের উপখ্যান সিরিজের তৃতীয় বই এটা।বইটা অন্যধারা থেকে প্রকাশিত।এখানে একটা বিষয়,বইগুলোর প্রোডাকশন,বাইন্ডিং বিশেষ করে ডাস্ট কভারটা দূর্দান্ত লেভেলের।ডাস্ট কভারটা দিয়েই যেকোনো পেপারব্যাক বইয়ের কভার দেওয়া যায়।তবে সেই হিসেবে বইগুলোর দাম কিছুটা বেশি মনে হয়েছে।এই সিরিজের প্রথম দুইটা বই সপ্তরিপু ও ব্ল্যাক বুদ্ধা বাতিঘর প্রকাশনি থেকে প্রকাশিত হলেও রিসেন্টলি বইদুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রচ্ছদে, পরিমার্জিত ও সংশোধিত সংস্করণে অন্যধারা থেকে প্রকাশিত হয়েছে।এই বই দুইটার বেলায়ও একই কথা প্রযোজ্য।বইয়ের দামটা আমার মনে হয় আরেকটু কম হলে ভালো হতো। 🔰এই বইয়ের পছন্দের কিছু উক্তিঃ ✪ ❝দুনিয়াবি কর্মপন্থা যখন শূন্যে অসার,স্রষ্টাই তখন আশ্র‍য়ের আধার।❞ ✪ ❝শূন্য থেইকা আসে মানুষ,শূন্যে মিলাই যায়,শূন্য থেইকা ঘুইরা দাঁড়ায়,শূন্যতেই জীবন সাজায়।❞ 🔰ব্যক্তিগত রেটিং:৮.৫/১০ সবশেষে ধন্যবাদ দিতে চাই রবিন জামান খান ভাইয়াকে আমাদের এতো সুন্দর একটা হিস্টরিকাল থ্রিলার উপহার দেওয়ার জন্য।"

Raihan Rouf

Raihan Rouf , Jan 14, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"An excellent thriller."

Lipon

Lipon , Dec 3, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"good"

Md. Akil Afzal

Md. Akil Afzal , Aug 16, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"ভালো বই। কিন্তু লেখকের আগের বইগুলোর সাথে তুলনা করলে কিছুটা হতাশাজনক। প্রতি চ্যাপ্টারের শেষে টানটান উত্তেজনাটা মিস করেছি। থ্রিলারের সাসপেন্স তেমন একটা ছিল না। লেখনীর পরিপক্কতা আগের চেয়ে ভালো। "পড়তে আরাম লাগা" বলতে যা বোঝায় তা ছিল পুরোপুরি। টানা পড়ে যাওয়া যায়। খুব চড়া স্বাদের থ্রিলারপ্রেমী না হলে, যে কারো জন্য অবশ্যপাঠ্য।"

Ashraf Hossain

Ashraf Hossain , Aug 15, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"অবশেষে শেষ করলাম রবিন জামান খান রচিত ইতিহাস আশ্রিত থ্রিলার উপন্যাস মগরাজ। অতীত আর বর্তমান সময়ের সমান্তরাল ঘটনা নিয়ে উপন্যাসটি দারুণ লেগেছে। লেখকের অন্যান্য ইতিহাস নির্ভর এই উপন্যাস সত্যিই অসাধারণ।"

Moinul Islam Reza

Moinul Islam Reza , Jun 7, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"বইঃ মগরাজ লেখকঃ রবিন জামান খান জনরাঃ থ্রিলার প্রকাশকঃ অন্যধারা মুদ্রিত মূল্যঃ ৭০০ টাকা ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৪.৮/৫ দু'টি আলাদা সময়ের কাহিনী নিয়ে সমান্তরালে এগিয়ে চলা ঐতিহাসিক প্লটের উপন্যাস "মগরাজ"। বইটি লেখক দুই ভাগে ভাগ করেছেন। একটিতে বর্ণনা করেছেন অতীতের রোমাঞ্চকর অধ্যায়। অন্যটিতে বর্ণনা করেছেন বর্তমানে চলতে থাকা রহস্যময় সড়ক দুর্ঘটনার আদ্যপন্ত। কাহিনী সংক্ষেপঃ সময়কাল ১৭ শতক। সম্রাট শাহজাহান অসুস্হ, এ খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে দিল্লীর মসনদ দখলের উদ্দেশ্যে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে তার তিন পুত্র। যুদ্ধে আওরঙ্গজেব ও দারা শিকোর কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়ে পলায়ন করে শাহ্ সুজা। পলায়নরত সম্রাট শাহ্ সুজা আতিথ্য নেন আরাকান রাজের। কিন্তু লোভী আরাকান রাজের নজর ছিলো মোঘল সম্পদের বিরাট ভান্ডার ও শাহ্ সুজার কন্যার দিকে। সেই উদ্দেশ্য সফল করতে আরাকান রাজ আক্রমণ করেন সম্রাট শাহ্ সুজার বাসভবন। কিন্তু মোঘল সম্পদ দখলের আগেই তা নিয়ে পলায়ন করতে সক্ষম হন সম্রাট সুজার ঘনিষ্ঠজন তালেব তৈমুর। আরাকান রাজের নির্দেশে তাকে ধাওয়া করে মগ ও পর্তুগীজ জলদস্যুদের বিরাট বাহিনী। অপরদিকে, নিজের হারানো জৌলুস ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি সমুদ্রপথে মগ ও পর্তুগীজ জলদস্যুদের উৎপাত বন্ধ করতে এবং সুজার একান্ত কাছের মানুষ তালেব তৈমুরকে ফিরিয়ে আনতে চট্টগ্রাম থেকে বিরাট বাহিনী নিয়ে রওনা দেয় কিরান। এদিকে, বর্তমান সময়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা রোডে কিছু বখে যাওয়া নেশাগ্রস্ত ছেলে-মেয়ের গাড়ির ধাক্কায় নিহত হয় একজন ব্যক্তি।শুরুতে সাধারণ একটি সড়ক দুর্ঘটনা মনে হলেও ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পরে দেশে এবং দেশের বাইরে সক্রিয় হয়ে ওঠে বিভিন্ন চোরাকারবারি সংগঠন। ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠা এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয় পিবিআই এর স্পেশাল ফিল্ড এজেন্ট শারিয়ারকে। কিন্তু স্পেশাল ফিল্ড এজেন্ট শারিয়ার চট্টগ্রাম পৌঁছে নিজেই প্রতিপক্ষের আক্রমণে বারবার বিপর্যস্ত হতে থাকে। এক পর্যায়ে কতৃপক্ষের কর্মপদ্ধতির বাইরে গিয়ে নিজের টিম নিয়ে কাজ শুরু করে শারিয়ার এবং আবিষ্কার করে ইতিহাসের এক হারানো অজানা অধ্যায়ের। পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ ঐতিহাসিক প্লটের থ্রিলারে লেখক রবিন জামান খান নিজেই নিজেকে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন। ইতিহাসের দারুণ এক অধ্যায় লেখক এই বইয়ে তুলে এনেছেন। বিশাল কলেবরের এই বইটি যে যথেষ্ট গবেষণার ফসল সেটি বোঝা যায় লেখকের অনবদ্য উপস্থাপন ও অসাধারণ ভাষাশৈলীতে। লেখক দারুণভাবে উপমা ব্যবহার করেছেন দৃশ্য বর্ণনা করার ক্ষেত্রে। এক্ষেত্রে তার লেখাশৈলীর গভীরতা ফুটে ওঠে। প্রতিটি চরিত্র লেখক গঠন করেছেন সুনিপুণভাবে। প্রতিটি চরিত্রকে তার জায়গায় যথার্থ বলে মনে হয়েছে। দুইটি ভিন্ন সময়কে সমান্তরালে এগিয়ে নিয়ে এক বিন্দুতে মিলিত করেছেন লেখক। চমকে ভরপুর পুরো বইয়ের শেষ দিকে রয়েছে আরও বেশি চমক যা পাঠকের কল্পনাতীত। ঐতিহাসিক প্লটের থ্রিলারে আগ্রহী পাঠকদের দারুণ সুখপাঠ্য হবে এই বইটি। সম্পাদনার ক্ষেত্রে কিছু ভুল চোখে পড়ার মত। বিশেষ করে শারিয়ার ও তানভীর চরিত্র দুইটি ওলট-পালট হয়ে গিয়েছে কয়েক জায়গায়। সাথে রয়েছে প্রচুর ভুল বানান।পরবর্তী মুদ্রণে আশা করি ভুলগুলো সংশোধন করা হয়েছে। পরিশেষেঃ মুদ্রণজনিত কিছু ভুল-ত্রুটি একপাশে রেখে বইটি শেষ করলে থ্রিলার পাঠকদের দারুণ এক সুখানুভব হবে এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।"

Ishaque Kader Zedan

Ishaque Kader Zedan , May 20, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"অসাধারণ"

Medul

Medul , May 18, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"সুজলা সুফলা এই বাংলার মানুষ স্বভাবত্বই আরাম প্রিয়। এই বাংলার মানুষের বিনোদনের অন্যতম একটি মাধ্যম গল্প বলা আর শুনা। সেই সকল গল্পে কখনো উঠে এসেছে রাজ রাজা কিংবদন্তি কিংবা মিথলজি আবার কখনোও বা দস্যু ঠগী ফিরিঙ্গিরা। এরা বাস্তব, বাংলার আরাম প্রিয় মানুষদের জীবনে অশান্তি নিয়ে এসেছে এরা। আজ কথা বলবো মগ জল দস্যুদের নিয়ে। বাংলার দক্ষিন-পূর্বা অঞ্চলের মানুষের কাছে সমুদ্রের জল দস্যু এক বিশাল ভীতিকর এক নাম। তারা যখন হানা দেয় শুধু সম্পদ লুট না, নির্বিচারে মানুষের পিঠে চাবুক চালিয়ে যায় আর সেই সাথে অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী মানুষদের নিয়ে বিক্রি করে হুগলী আরাকানের বাজারে। এটা সেই সময়ের কথা প্রায় আজ থেকে চারশ বছর আগে যখন দিল্লীর মোঘল সালতানাতের পতাকা উড়ছিলো। বলছিলাম মগ জলদস্যুদের নিয়ে। সুলেখক রবিন জামান খানের নতুন উপন্যাস " মগরাজ" সম্পর্কে। লেখকের সাথে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার তেমন কিছু, বিগত বেশ কয়েক বছর যাবৎ বাংলার পাঠকদের হাতে তুলে দিয়েছেন একের পর এক ইতিহাস আশ্রিত থ্রিলার উপন্যাস। সেই ধারাবাহিকতায় এবার এর বিষয় "মগরাজ"। প্রথমে কাহিনী সংক্ষেপের আলোচনা সারি। রবিন জামান খানের হিস্টোরিক্যাল উপন্যাসের সাথে যারা পরিচিত তারা জানি তার লেখার ধরন। ডাবল টাইম লাইনে সমান্তরাল ভাবে কাহিনীর এগিয়ে চলা। ১৬৬০ সাল যখন মোঘল সালতানাতের পতাকা দিল্লীর আকাশে বাতাশে, মোঘল সম্রাট শাহজাহান অসুস্থ। তার অসুস্থতার খবর ছরিয়ে পরলো দিল্লী ছেরে বাংলা পর্যন্ত। সম্রাট এর চার সন্তানদের মাঝে অভ্যান্তরী কোন্দল শুরু হয়ে যায়, তখন বাংলার সুবাদার ছিলেন শাহ্ সুজা। শাহ্ সুজা তার নিজের দুই ভায়ের কাছে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে পলায়ন করে আরাকান রাজ দরবারে। কিন্তু আরাকান রাজ তাকে আশ্রয় দেয় ঠিকই কিন্তু সুযোগ বুঝে ঝাঁপিয়ে পরে তার উপর। প্রাণ নিয়ে বাঁচার তাগিদে শাহ্ সুজা পলায়ন শুরু করে তখন তার পিছু নেয়, আরাকানরাজ, মগ আর পর্তুগীজ জলদস্যুরা। এদিকে শাহ সুজার বিশ্বস্ত সহযোগি তালেব তৈমূর হারিয়ে যান। তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য ডাক পরে আরাকান এর সাবেক এক নৌ যোদ্ধা তালেব কিরান এর। এদিকে বর্তমান সময়ে চট্টগ্রামে বড়লোক ঘরের একদল বেপরোয়া ছেলে মেয়ে রাতে ফুর্তি করতে গিয়ে তাদের গাড়িতে এক্সিডেন্ট হয় এক বিখ্যাত আর্কেলজিষ্ট ডক্টর সুলতান আবেদল। ডক্টর সাহেব এর প্রোফাইল চেক করে দেখা যায় বছর পাঁচেক আগে বাংলাদেশ সরকার তার আর্কেলজির লাইসেন্স বাতিল করে দেয়। এবং সেই থেকে প্রফেসর কিছু খোঁজার তাগিয়ে একদম চিরতরে তার গবেষনা কর্ম নিয়ে হাইবানেশনে চলে যায়। এবং তার গবেষনা পাওয়ার জন্য বিদেশি কিছু বৈধ অবৈধ সংস্থা শুরু করে নানান চক্রান্ত। এই কেসে ডাক পরে সদ্য জার্মান থেকে ট্রেনিং প্রাপ্ত পিবিআই অফিসার শারিয়ার এর। আর এভাবেই শুরু হয় ডাবল টাইম লাইনে খেলা। সুলেখক রবিন জামান খানের আগের দুটো হিস্টোরিক্যাল থৃলার এর চেয়ে মগরাজ আমার কাছে একটু ভিন্ন লেগেছে। তাই এখন ধীরে ধীরে আলোচনা করবো। প্রথমে আসি প্লটের ব্যাপারে, লেখক ডাবল টাইমলাইনে সমান্তরাল ভাবে এগিয়ে যাওয়া এবং শেষে দুই প্লটকে এক বিন্দুতে এনা বেশ দারুণ বলা চলে। লেখক আগের দুটো বই এর মতো হুটহাট করে শুরে করেন নি, বুঝাই গেছে বইটি বেশ সময় নিয়ে ধীরে ধীরে লেখা। কারন শুরু থেকে ধীরে ধীরে লেখক গল্পে এগিয়েছেন। গল্পের প্রারম্ভ অংশে তুলাপাধা গ্রামের বর্ননার মধ্য দিয়ে তারপর অতীত কাল নিয়ে লেখক শুরু করেছেন, আর ঐদিকে শারিয়ার কে দিয়ে বর্তমান। লেখক বেশ সময় নিয়ে তৈরি করেছেন প্লট তা বুঝা গেছে ভালোই। কোন তারাহুরার ছাপ ছিলোনা। কোন ধীপ ধাপ কাজ ছিলো না, ফলে পাঠক হিসাবে একটু বোরিং লেগেছে। এবার লেখক দুই অংশে বইটি ভাগ করেছেন, অশ্রুপতন এবং শূন্য জীবন। এবার আসি চরিত্রানয়ের দিকে, সারে পাঁচশ পেজের ঢাউস সাইজের বই, এতে প্রায় পঞ্চাশটিরও বেশি প্রধান অপ্রধান চরিত্র ছিলো। দুই অংশে দুই নায়ক। যেন এক টিকেটে দুই নায়কের সিনেমা। তালেব কিরান আর বর্তমান এর শারিয়ার। তালেব কিরান সাবেক নৌ যোদ্ধা। তার আগমন ঘটে ষাঁড়ের লড়াই এর মধ্য দিয়ে। তার চরিত্রের দৃঢ়তা বীরত্বতা, তার স্থির মানসিকতা বেশ ভালো ছিলো, শারিয়ার তুলনামূলক বিপরীত একটু ইগোয়েটিক পারসোনাল, সেই সাথে যথেষ্ট বুদ্ধিমান তা গল্পের ভিতরে পেয়েছি। শারিয়ার চরিত্রটি আরেকটু জোরদার হওয়া দরকার ছিলো। যদিও শেষাংশে তার ভিতরে নায়ক চরিত গুন পাওয়া গেছে ভালোই। এছাড়া অতীতে কিরানের সাথের বেদু, গোলন্দাজ, বৈঠা, গোমেজ এই চরিত্রগুলো বেশ ভালো ভাবে মানিয়ছে, আর বর্তমানে শারিয়ার এর সাথে টমি, সুমন, ভুবন। রুম্পার কথা ভুলি কিভাবে, লেখক রুম্পার প্রথম বর্ননায় মাথা শ্যারোন স্টোন কে ঢুকিয়ে দিয়েছে। হাহা। অতীতের চরিত্র গুলো আমাকে বেশি টেনেছে, যাকে কেন্দ্র করে রহস্য তালেব তৈমূর তাকে বেশ লেগেছে, এছাড়া অন্যান্য চরিত্র গুলো আহমেদ বেগ, চাচা, পদ্ম দস্যু রাণী বেশ মনে ধরার মতো। পদ্ম দস্যূরানী চরিত্রটা একটু বেশি ভালো লেগেছে যেভাবে তার উৎত্থান এবং তার চলায়ন দৃঢ় একজন নারী হিসাবে অসাধারন। খলচরিত্রে সিলভেরা ভালো ছিলো। বর্তমানের চরিত্রগুলো একটু খাপ ছাড়া ছিলো। আমি আবারো বলছি যে বইটার শুরুটা ছিলো ধীর গতির। যতটুকু জানি লেখক এর ড্রিম প্রোজেক্ট মগরাজ। তো এর বর্ননা ভঙ্গি ছিলো বেশ ঢিলেধালা, অর্থাৎ খুব সাধারণ জীবন যাত্রার কাহিনী দিয়েই দুই অংশ শুরু আর তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে যাওয়া। লেখক খুব সুন্দর ভাবে সেই সময়ের চটাগাঁও, আর বর্তমানের চট্টগ্রাম এর বর্ননা দিয়েছেন। স্পেশালী আমার ভালো লেগেছে চারশ পেজ এর পর থেকে যখন চট্টগ্রাম কোর্ট, মহসিন কলেজ আরো বেশ কিছু জায়গা, আর অতীতে জংলাটিলা সন্দ্বীপ। টুর প্রেমিদের জন্য বেশ ছিলো। আগ্রহ জাগানিয়া বর্ননা। লেখকের ভাষাশৈলী ছিলো ভালো। কোথাও অঞ্চলিকতা আর প্রমিত এর মিশ্রণ ছিলো না। লেখকের ভাষা বিজ্ঞান সম্পর্ক কে ভালো জ্ঞান আছে তা সেই "শব্দজাল" উপন্যাসেই পেয়েছিলাম। গল্পটির প্লট স্টোরি এবং চরিত্র সবকিছু বেশ ভালোই ছিলো, এবং শেষাংশে পরিনতিই ইতিবাচক। একদম জায়গাম মতো টুইস্ট এবং সসময়ে একেক জনের উপস্থিতি বেশ ভালো ভাবেই শেষ হয়েছে। আমাকে সবচে বেশি টেনেছে চারশ পেজের পরের পেজ গুলো সে ছেড়ে উঠাই আমার জন্য মুশকিল ছিলো। অতীতাংশ বেশি ভালো ছিলো। আগেই বলেছি মগরাজ লেখকের ড্রিম প্রোজেক্ট। মগরাজ নিয়ে আমার এগিয়ে চলা ছিলো কচ্ছপ গতির। কখনো রাতে ঘুমানোর আগে কখনো সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা ইফতারের আগে পরে এভাবে কেটেছে। আসলে গত দুবছর করোনা মহামারীর জন্য আমার বই পড়া জীবনে বেশ ভাটা এসে লেগেছে, তাই স্লো থেকে স্লোতর হয়ে গিয়েছি। মগরাজ নিয়ে আমার জার্নিটা ভালো ছিলো। মাঝখানে ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছিলাম বাট সময় নিয়ে ধরে রেখে এগিয়েছি এবং আরেকবার প্রমাণ করতে পারলাম ধৈর্যের ফল দারুণ কিছু হবে। সো মগরাজ নিয়ে আমার জার্নি বেশ ভালো ছিলো। মগরাজ বইটি প্রকাশ করেছে অন্যধারা প্রকাশনী। প্রকাশনা জগৎ এ অন্যধারার বেশ সুনাম শুনেছি, কিন্তু মগরাজ নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা ভালো না। বই এর প্রডাকশন বেশ ভালো ছিলো। বাঁধাই বেশ শক্ত পক্ত, মলাট বেশ হার্ড, ফ্লাপ ছিলো কার্ড কাগজের, সেলাই ছিলো বেশ, বইটি অন্য সব বই এর চে একটু লম্বায় বড়, সাইজেও বড় ওজনেও বড়। সর্বাপরি প্রাইম একটা লুক। কিন্তু ভিতরে এ কি হাল? বই এর বেশ কয়েকটা পেজ ভাজ করা ছিলো। সেটা বড় কথা না বই তে অনেক অনেক ভুল, অনেক মেজর পয়েন্ট এ ভুল। একদম শুরুতেই ১৮৬০ যেটা হবে ১৬৬০ সাল। তাছারা বর্তমান অংশের গল্পে শারিয়ার বারবার হয়ে যাচ্ছে তানভির। তাছারা বানান ভুল অহরহ। আরো আছে কমা, দাড়ি, ইনভাইটেট কমা ঠিক মতো পরেনি। একজায়গায় একটি ইনভাইটপট কমা আরেক জায়গায় নেই, শব্দের মাঝে স্পেস মিসিং, বানান ভুল, প্যারা মেকিং এ ভুল, অতীত অংশে কিরান এর জায়গায় শারিয়ার এর এসে পরা, শারিয়ার এর জায়গায় কিরান। উফ্। ভাই বই পড়ে শিখতে বসছি ভুল ধরতে নয়। অন্যধারা প্রুফ রিডার ছাড়াই বইটি প্রকাশ করেছে বেশ আঘাত পেয়েছি মনে। পাঠক এতো টাকা খরচ করে যদি এতো ভুলে ভরা জিনিশ নেয় তখন। তাহলে প্রথম মুদ্রণ এর বই পড়াই বাদ দিবো? প্রচ্ছদ নিয়েও অসঙ্গতি। কেন আমাদের দেশের প্রকাশনী গুলো এতো উদাস?? আমার মতে প্রডাকশন ভালোর চেয়ে বই এর ভিতরের বানান এবং ভুল গুলোর দিকে নজর দেয়া উচিত। আর আলোচনা বাড়াবো না, মগরাজ বইটি নিয়ে বেশ দারুণ কিছু দিন কেটেছে আমার। লেখক রবিন জামান খানের প্রায় সব বইই পড়া। "সপ্তরিপু", "ব্ল্যাক বুদ্ধা" এর পর যোগ হলো "মগরাজ"। এছারা লেখক এর সাইকোলজিক্যাল থৃলার "শব্দজাল" এবং মুক্তিযুদ্ধ ভিক্তিক থৃলার "২৫শে মার্চ", এসবের সাথে আমার পড়া তালিকায় যুক্ত হলো "মগরাজ"। "মগরাজ" নিয়ে আপনাদের জার্নি বেশ ভালো কাঁটবে আশাকরি আগ্রহী পাঠকরা পড়তে পারেন। পুনশ্চ : রাজদ্রোহী এর একান্ত অপেক্ষায় আছি। পারসোনাল রেটিং : ৪.৫/৫, গুডরিডস রেটিং : ৪.১৫/৫। ফিরে দেখা, বইয়ের নাম : মগরাজ লেখক : রবিন জামান খান জনরা : হিস্টোরিক্যাল থ্রিলার উপন্যাস। প্রকাশকাল : ফেব্রুয়ারী ২০২১ প্রচ্ছদ : আশরাফ ফুয়াদ প্রকাশনা : অন্যধারা প্রকাশনী। পৃষ্টা সংখ্যা : ৫৫৭ পেজ প্রচ্ছদ মূল্য :৭০০ টাকা। ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন, সাবধানে থাকবেন সবাই। বই ধার চাইবেন না, বই ধার দেইনা। মগরাজ তো ভুলেও না।"

অনন্যা হক

অনন্যা হক , Apr 20, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"প্রথমেই বলতে চাই যা ভালো লাগেনি তা নিয়ে। আমি পড়েছি প্রিঅর্ডার কপি। অসংখ্য বানান ভুল আর লাইন রিপিট হবার কারণে বিরক্তবোধ করেছি। আমার মনে হয়েছে ৫৬০ পাতা অনেক বেশি। রহস্য-থ্রিলার এর থেকে কমে শেষ করতে পারলে ভালো হত। এটা একান্তই নিজের মতামত। আর আগেই কি হতে পারে অনুমান করে ফেলতে পারায় আনন্দ অনেকটাই কমে গিয়েছে। এখন বলি কি কি ভালো লেগেছে- ১। বই এর কওয়ালিটি খুব ভালো। ২। লেখনী খুব ভালো। মার্জিত। আমার কাছে সপ্তরিপু, এর চাইতে একসাইটিং মনে হয়েছে। আসলেই চমকে গিয়েছিলাম। এটা পরে সেরকম লাগেনি।সেটার পর এটা পড়ে আমি একে ৩/৫ রেট করছি।"

আব্দুল হালিম

আব্দুল হালিম , Apr 9, 2021

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"সপ্তরিপু, ব্ল্যাক বুদ্ধার পরের বই মগরাজ। সামনে এই সিরিজের আরো ৪টি বই আসবে।"

Jawad Musa

Jawad Musa , Apr 3, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"বইয়ের নাম : মগরাজ লেখক : রবিন জামান খান প্রকাশকাল : বইমেলা, ২০২১ প্রকাশনী : অন্যধারা প্রচ্ছদশিল্পী : আশরাফ ফুয়াদ পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৫৫৯ মুদ্রিত মূল্য : ৭০০ টাকা জনরা : হিস্ট্রিক্যাল থ্রিলার প্লট : *ফলো ইউর হার্ট* ভারতবর্ষ, বহু শতক, হাজার বছর আগে থেকেই যে অঞ্চল বিখ্যাত নানা কারণে। দিল্লির ক্ষমতায় আরোহণের জন্য তখন সম্রাট শাহজাহানের পুত্রদের মাঝে যুদ্ধের আভাস। তুলনামূলক শান্তিপ্রিয় অঞ্চল বাংলার সুবাদার শাহ সুজাও যুদ্ধের প্রস্তুতি নিলেন চূড়ান্ত ক্ষমতায় আসীন হওয়ার জন্য। দিল্লি অভিমুখে যাত্রা করেও বড় ভাই দারা শিকোর বাহিনীর কাছে পরাজিত হন শাহ সুজা এবং ফিরে আসেন বাঙাল মুল্লুকে। কিছুদিন পর আবারও খবর পান আরেক ভাই আওরঙ্গজেবের কাছে পরাজিত হয়েছে দারা শিকো। আবারও ক্ষমতা পাওয়ার নেশা চড়ে বসে শাহ সুজার মাথায়, অগ্রসর হন দিল্লির পথে। ভাগ্যের ফেরে এবারও পরাজিত হন এবং পালিয়ে এসে আশ্রয় নেন আরাকান রাজ দরবারে। বিশ্বাসঘাতক আরাকান রাজার নজর ছিলো শাহ সুজার সাথে থাকা সমস্ত সম্পদ ও তার কন্যার দিকে। গভীর রাতে হামলা হয় তাদের উপর। কোনমতে প্রাণ বাঁচিয়ে পাশের জঙ্গলে আশ্রয় নেন শাহ সুজা ও তার একান্ত বন্ধু তালেব তৈমুর। অন্যদিকে বিভিন্ন ধার দেনায় জর্জরিত কিরানের সামনে সুযোগ আসে এই ধার-দেনা মিটিয়ে আবারও আগের সুন্দর জীবনে ফিরে আসার। কাজ শুধু একটাই, দক্ষিণের সাগরে ত্রাস চালানো মগ ও পর্তুগীজ জলদস্যু বাহিনীকে পরাস্ত করতে হবে। শুরুতে রাজি না হলেও পরে যখন জানতে পারে এই মগ ও জলদস্যু বাহিনী পিছু নিয়েছে তার বাবার জাহাজের, তখন বাবাকে বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য সে বাহিনী গঠন করে, সম্মুখ সমরে নামে ভয়ংকর ও অত্যাচারী জলদস্যুদের বিরুদ্ধে। . চট্টগ্রামের কিছু ধনী পরিবারের বখে যাওয়া ছেলেমেয়েরা এক বৃষ্টির রাতে গাড়ি নিয়ে বের হয় লং ড্রাইভে। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে ধাক্কা মেরে দেয় একজন লোককে। ঘটনাস্থলেই মারা পড়ে লোকটি। লোকটির মৃত্যুর পরে আনাগোনা বেড়ে যায় কিছু চক্রের, লাশটি পুলিশ উদ্ধার করে কিন্তু চেষ্টা চালানো হয় লাশটি চুরি করার। অন্যদিকে, ট্রেনিং শেষ করে দেশে এসে উর্ধবতন কর্মকর্তাদের না জানিয়েই নিজের রেসিং ট্র‍্যাকে ছুট দেয় এজেন্ট শারিয়ার এবং সেখানে গোলমাল বাধায় বাইক মাস্টারের সাথে। তাকে এরপর ধরে আনা হয় সেলে এবং বলা হয় চট্টগ্রামে যেতে, সেখানে একজন লোকের দুর্ঘটনার মৃত্যুর সাথে জড়িত রহস্য সমাধান করতে। সেখানে গিয়েই এজেন্ট শারিয়ার জড়িয়ে পড়ে এমন এক রহস্যের জালে, যার সূত্রপাত হয়েছিলো মধ্যযুগের মোঘল আমলে এবং মগ, পর্তুগিজ জলদস্যুদের সময়ে। পাঠ প্রতিক্রিয়া : ইতিহাস বিষয়টা আমার খুব পছন্দ বলে ঐতিহাসিক প্লটের থ্রিলার বই আর সিনেমাগুলো সবসময়ই আমাকে টানে। আর ইতিহাস আশ্রিত থ্রিলার লেখকদের মাঝে রবিন জামান খান আমার অন্যতম পছন্দের। লেখকের সপ্তরিপু বইটা দিয়েই তার লেখা বইগুলো পড়া শুরু করি এবং আস্তে আস্তে ব্ল্যাক বুদ্ধা, ২৫শে মার্চ পড়ে শেষ করি। উনার বইগুলো পড়লেই বোঝা যায় অনেক গবেষণা ও পরিশ্রম করে লেখা হয় সেগুলো। মগরাজ বইটার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম অনেক। বলতেই হয় যে, বইটা নিরাশ করেনি আমাকে। বইটির প্রথম পৃষ্ঠা থেকেই গল্পের আকর্ষণ এমনভাবে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরেছিল যে বইটা শেষ না করা পর্যন্ত কাহিনীটা মাথার ভেতরেই ঘুরছিলো। নিতান্তই ব্যস্ততার মধ্যে পড়া বলে ৪ দিন লেগেছে, নাহলে এই বই দুইদিনেই পড়ে শেষ করে ফেলার মতো। গল্পের প্রতিটা চরিত্রকে বেশ অনেকখানি সময় নিয়েই তৈরি করা হয়েছে, যে কারণে মূল কাহিনী ১৫০-২০০ পেজ পর শুরু হয়। কিন্তু গল্পের গভীরে যাওয়ার জন্য এবং প্রতিটা চরিত্রের সাথে অভ্যস্থ হওয়ার জন্য এটা খুবই জরুরী ছিলো। গল্পের চরিত্রগুলোকে খুবই ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। লেখকের অন্যান্য বইয়ের মতো এই বইয়েও দুটি ভিন্ন সময়ে দুজন প্রধান চরিত্র থাকে। একজন অতীতের কিরান আরেকজন বর্তমানের শারিয়ার। একদিকে বাবাকে বিপদ থেকে বাঁচানোর জন্য কিরানের আপ্রাণ চেষ্টা আর জলদস্যুদের হারানোর জন্য বিশাল বাহিনী গঠন, অন্যদিকে রহস্য উদ্ধারের পথে শারিয়ারের একের পর এক বিপদের সম্মুখীন হওয়া, ধোঁকা খাওয়ার সাথে সাথে বইটি পড়ার সময়ে প্রতিটা পাতা উল্টানোর সাথে সাথে মনে হচ্ছিলো "কী হবে এরপর?" সাইড ক্যারেক্টার গুলোও যথেষ্ট শক্ত ভূমিকা পালন করেছে এই বইয়ে। গোমেজ, পদ্ম, ভুবন, টমি সবাই-ই এই বইয়ে সমান গুরুত্বপূর্ণ রোল প্লে করেছে প্রতিটা মুহূর্তে। নি:সন্দেহে বলা যায় দুর্দান্ত কাহিনীর বইটি আমার কাছে যথেষ্ট উপভোগ্য লেগেছে। বইয়ের প্রোডাকশন এবং কিছু কথা : বইয়ের প্রোডাকশন বেশ ভালো। বিশাল কলেবরের বইটির ওজনও যথেষ্ট ভারী অন্যান্য বইয়ের তুলনায়, পড়ার সময় টেবিলে রেখে পড়তে হয়েছে বেশিরভাগ সময়। বাইন্ডিং মজবুত, প্রোডাকশন নিয়ে কোথাও কোন খুঁত নেই। তবে বইতে প্রিন্টিং এ ভুল আছে বেশ অনেক। অন্তত দুইটা চ্যাপ্টারে শারিয়ারের নাম বারবার তানভীর বলা হয়েছে। এছাড়াও আরেক জায়গায় কিরানের নামের স্থলে শারিয়ার লেখা হয়েছে। এছাড়াও বইজুড়ে ছোটখাটো বেশ কিছু বানান ভুল চোখে পড়েছে। তবুও, বেশ উপভোগ্য বই। যারা এখনো পড়েননি তারা পড়ে দেখতে পারেন, আশা করি সময়টা খারাপ কাটবে না। বইয়ের শেষে লেখক তার পরবর্তী বই রাজদ্রোহীর আভাস দিয়ে গেছেন। এটি আমার প্রথম রিভিউ, আশা করি ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। পারসোনাল রেটিং : ৭.৫/১০"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"মগরাজ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
মগরাজ পাতা: 1 / 8
পাতা 2
মগরাজ পাতা: 2 / 8
পাতা 3
মগরাজ পাতা: 3 / 8
পাতা 4
মগরাজ পাতা: 4 / 8
পাতা 5
মগরাজ পাতা: 5 / 8
পাতা 6
মগরাজ পাতা: 6 / 8
পাতা 7
মগরাজ পাতা: 7 / 8
পাতা 8
মগরাজ পাতা: 8 / 8
পাতা / 8
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।