৫ম মুদ্রণ, ২০২২
মেয়ের কাছে বাবার চিঠি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
My First Padded Board Books of Nursery Rhymes
ওয়ান্ডার হাউজ বুকস
My First Padded Board Books of Times Table
ওয়ান্ডার হাউজ বুকস
বর্ণপাঠ -প্রথম ভাগ (প্লে-নার্সারি)
হাসান রাউফুন
গণিতপাঠ -২য় ভাগ (কেজি-জুনিয়র ওয়ান)
হাসান রাউফুন
মজায় মজায় লিখি-ও-পড়ি (কোড -১১৭)
সিসিমপুর
আদর্শ গণিত প্রথম শ্রেণী
মোঃ আঃ জব্বার
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | মেয়ের কাছে বাবার চিঠি |
| Author | জওহরলাল নেহেরু |
| Publisher | দ্যু প্রকাশন |
| Edition | ৫ম মুদ্রণ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 128 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | শিশু কিশোর বই |
| Weight | 0.13 Kg |
| Translator | বদিউর রহমান |
| ISBN | 9789849588689 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
83 Ratings and 11 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১১টি
Aunima Tanha Shreya , Dec 29, 2019
"Very nice!!"
Bahar , Oct 31, 2019
"আপন মেয়ে কে গল্প বলছেন একজন পিতা চিঠির ভাঁজে ভাঁজে। পৃথিবীর রহস্যগুলি সাধ্যমত ব্যাখ্যা করে চলেছেন অত্যন্ত সরল ভাষায় যেন ছোট্ট মেয়েটির বুঝতে কোন কষ্ট না হয়। কলমের আঁচড়ে আঁচড়ে এক চিঠির শেষে আরেক চিঠির শুরু। ভূগোল ইতিহাস রাজনীতি অর্থনীতি দর্শন কোন কিছুই বাদ গেল না সেই চিঠিগুলিতে। স্নেহধন্য সেই মেয়েটি ইন্দিরা গান্ধী আর স্নেহের আধার সেই পিতা পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু। পৃথিবী ও চারপাশের জগৎ নিয়ে প্রবল কৌতূহলী কন্যার সাথে বিচ্ছিন্ন এক সময়ে যোগাযোগ রাখতে ও আড্ডা চালিয়ে যেতে পিতা একের পর এক চিঠি লিখে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সেই চিঠিগুলি বন্ধুদের পরামর্শে বই আকারে পাঠকদের জন্য প্রকাশিত করেন জওহরলাল নেহেরু। Letters From A Father to His Daughter নামে বই আকারে প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে এলাহাবাদ ল জার্নাল প্রেস থেকে ইংরেজি ভাষায়। নিষ্পাপ কচি কৌতূহলগুলী মেটানোর জন্য এমন আর একটি বইয়েরও কি কেউ সন্ধান দিতে পারবেন?"
Md. Rashed Ali (Mukul) , Oct 31, 2019
"আট কি দশ বছরের মেয়েকে গল্প বলছেন একজন পিতা চিঠির ভাঁজে ভাঁজে। পৃথিবীর রহস্যগুলি সাধ্যমত ব্যাখ্যা করে চলেছেন অত্যন্ত সরল ভাষায় যেন ছোট্ট মেয়েটির বুঝতে কোন কষ্ট না হয়। কলমের আঁচড়ে আঁচড়ে এক চিঠির শেষে আরেক চিঠির শুরু। ভূগোল ইতিহাস রাজনীতি অর্থনীতি দর্শন কোন কিছুই বাদ গেল না সেই চিঠিগুলিতে। স্নেহধন্য সেই মেয়েটি ইন্দিরা গান্ধী আর স্নেহের আধার সেই পিতা পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু। পৃথিবী ও চারপাশের জগৎ নিয়ে প্রবল কৌতূহলী কন্যার সাথে বিচ্ছিন্ন এক সময়ে যোগাযোগ রাখতে ও আড্ডা চালিয়ে যেতে পিতা একের পর এক চিঠি লিখে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সেই চিঠিগুলি বন্ধুদের পরামর্শে বই আকারে পাঠকদের জন্য প্রকাশিত করেন জওহরলাল নেহেরু। Letters From A Father to His Daughter নামে বই আকারে প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে এলাহাবাদ ল জার্নাল প্রেস থেকে ইংরেজি ভাষায়। নিষ্পাপ কচি কৌতূহলগুলী মেটানোর জন্য এমন আর একটি বইয়েরও কি কেউ সন্ধান দিতে পারবেন?"
Sultan , Oct 29, 2019
"ছোট্ট মতন বই, কিন্তু বিপুল জ্ঞানের ভান্ডার। আমার খুব ভালো লেগেছে। ১৯২৮ সালে জওহরলাল নেহেরুর লেখা ৩০টি চিঠি থেকে এই সংকলন বের করা হয়। যখন তার মেয়ে ইন্দিরা গান্ধীর বয়স ১০ বছর, ঠিক তখন তিনি এই চিঠিগুলো লিখেছিলেন। কী এমন ছিল চিঠির বিষয়বস্তু যার কারনে তা বিশ্বের কাছে এতো সমাদৃত হয়েছিল? চিঠিতে ছিল প্রাকৃতিক ও মানব ইতিহাসের বিষয়গুলিতে এক একটি শিক্ষা টুকরা। চিঠি লেখার সময়, নেহরু ছিলেন এলাহাবাদে, ইন্দিরা ছিলেন মুসুরীতে। ইন্দিরা গান্ধীর কাছ থেকে দূরে বাবা জওহরলাল নেহেরুর ভালো দিন কাটছিল না। ছোট্ট ইন্দিরাকে তিনি ভীষণ ভালোবাসতেন। তারা খুব বই পড়ুয়া ছিলেন। তাই বাবা হয়ে মেয়েকে আরও অধিক পড়ার জন্য আগ্রহী করে তুলতেই এসব চিঠিতে অনেক মজার মজার জানার মতো চমৎকৃত তথ্য দিয়ে ভরিয়ে রাখতেন। যেন এক একটি ক্লু। জানার আগ্রহ জাগানিয়া সেসব পয়েন্ট ইন্দিরাকে অনেক বড় মাপের পাঠক হতে পরবর্তীতে তো সাহায্য করেই ছিল, সাথে বাইরের জগতে এই বই আকারে প্রকাশের পর তাও দারুণ সাড়া জাগায়। প্রথম প্রাণের অস্তিত্ব, কীভাবে জীবজন্তু এলো, মানুষ এলো, ভাষা, সভ্যতা, দেশ, মানচিত্র, জাতি, যুদ্ধ, ধর্মের সুচনা, গোত্রপতি, রাজা, কৃষি ব্যবস্থা, প্রাচীন শহর, সমুদ্রযাত্রা, মন্দির, পুরহিত, ফসিল, মিউজিয়াম, রামায়ন ও মহাভারত, বিভিন্ন জ্ঞান আহরনের উৎস, প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক, পাহাড়-পাথরের ভাষা বোঝাশহ অনেক মজার সব বিষয় লিখে পাঠাতেন। যারা ধর্মের সাথে এই বই মেলাতে চাইবেন, তারা অনেক কিছুই মিল পাবেন না। তাদের বিশ্বাসের ভিত্তিতে তিনি এই চিঠি লিখেছিলেন, যদিও বা শিক্ষার দিক থেকে তিনি ছিলেন উচু মাপের শিক্ষিত ব্যক্তি। এমনকি ইন্দিরা গান্ধী কেমন অনুরক্ত পাঠক ছিলেন তা তার জীবন থেকে বিস্তর জানা যায়, এই বইয়ের সংস্করনের ভুমিকা থেকেও জানতে পারবেন কম বেশি। বইটি খুব সীমিত মুল্যে অনেক পরিশীলিতভাবে বাজারে এনেছে দ্যু প্রকাশন। হাতে নিয়ে পড়তে বইটি খুব ভালো লাগবে।"
Abdus Sabur Pappu , Aug 28, 2019
"সুন্দর বই"
Tahomina , Sep 13, 2017
"ভালো বই"
Ahosan , Sep 13, 2017
"5"
Mahbub Zaman , Aug 27, 2017
"অধিকাংশ শিশু তার বাবা-মাকে অনুসরণ করে। কিন্তু আমার বাবা-মার মতো অনেকের বাবা-মা এত ভালো সঙ্গী হন না। আমার বাবা-মা সব কিছুতেই উৎসাহী ছিলেন এবং কাউকে উৎসাহী করতে খুব আনন্দ পেতেন। আমি ছিলাম খুব প্রশ্নমুখর। আমার প্রশ্নের উত্তরেই বাবা আমাকে নানা গল্প বলতেন। যার মধ্যে থাকত আমাদের এই পৃথিবী, পৃথিবীতে কীভাবে নারী-পুরুষের বসতি গড়ে উঠেছে, কে কাকে কীভাবে তাড়িয়েছে বা প্রভাবিত করেছে, কীভাবে একের ভাবনা আর এককে প্রভাবিত করে, সেই সঙ্গে সাহিত্য-শিল্প ইত্যাদি। সর্বোপরি তিনি আমাদের এই সুন্দর দেশ সম্বন্ধে বলতে ও লিখতে পছন্দ করতেন। তিনি বলতেন এদেশের কীৰ্তি, চমৎকারিতৃ, পত্তন, পরাধীনতা ইত্যাদি নানা বিষয়। সবচেয়ে গুরুত্বসহকারে তিনি যে বিষয় নিয়ে ভাবতেন তা হলো স্বাধীনতা। তিনি কেবল ভারতবর্ষের স্বাধীনতা নিয়ে ভাবতেন না, তিনি ভাবতেন। সারা বিশ্বের সমস্ত মানুষের স্বাধীনতা নিয়ে। এ বইয়ের চিঠিগুলো যখন লিখেছেন তখন আমার বয়স আট কি নয় বছর। এগুলোর বিষয়বস্তু ছিল পৃথিবীর উদ্ভব এবং মানুষের আত্মসচেতনতা নিয়ে। এ এমন চিঠি নয় যে পড়লাম। আর ফেলে। রাখলাম। এগুলো ছিল মানুষের সজীব দৃষ্টিভঙ্গি এবং চারপাশের জগৎ ও মানুষ সম্বন্ধে উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী লেখা। এই চিঠি প্রকৃতিকে বই হিসেবে পড়ার শিক্ষা দেয়। পাথর, উদ্ভিদ, জীবজন্তু, পোকামাকড় জীবনবৈচিত্ৰ্য নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়েছি আর রাতে দেখেছি আকাশের তারা। ইতিপূর্বে এই চিঠিগুলো বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে। আমি নিশ্চিত বৰ্তমান আকর্ষণীয় পুনর্মুদ্রণ শিশুদের কাছে আরো গ্ৰহণীয় হবে। চিঠিগুলো তাদের ভাবনার মধ্যে নতুন জগতের উন্মোচন ঘটাবে, যেমনটা আমার বেলায় হয়েছিল।"
Anamika , Aug 1, 2017
"যেকোন বই পড়ার শুরুতে ভূমিকা আর শেষের লেখক পরিচিতি পড়া আমার অভ্যাস। ভুমিকা পড়তে গিয়েই মনে হয়েছে অমূল্য এক রত্নের সন্ধান পেলাম। তখনি চিন্তা করলাম বইটি আমকে এবং আমার মেয়েকে পড়তেই হবে। একটা পাথর, সে কিভাবে এমন গোলাকার, মসৃন আর উজ্জ্বল হলো? চোখ-কান খোলা থাকলে এমন প্রশ্নে উত্তর পাথর নিজেই তোমাকে বলবে – জওহর লাল নেহেরু চিঠিতে তার মেয়েকে লিখেছেন এমন কথা যা পড়ে আমি রীতিমত চমকে উঠেছিলাম। পাথর কিভাবে নিজের সৃষ্টির ইতিহাস বলতে পারে!?! উত্তর জানার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে পড়তে থাকলাম। তিনি বলেছেন- ‘প্রকৃতি একটি বিশাল মহাগ্রন্থ, পাথর সেই মহাগ্রন্থের এক একটি পৃষ্ঠা, প্রকৃতির মহাগ্রন্থ পড়তে হলে তোমাকে পাথর আর পাহারের গায়ে লেখা বর্ণ বা অক্ষর জানতে হবে’ ‘মেয়ের কাছে বাবার চিঠি’ পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর তার মেয়ের কাছে লেখা চিঠির সমাহার। ইন্দিরা গান্ধীর বয়স যখন আট/নয় বছর তখন তার বাবা চিঠিগুলো তাকে লিখেছিলেন। সুতরাং তার বয়সী শিশু থেকে শুরু করে যেকারো জন্যই এটি একটি অসাধারণ বই। মা-বাবা এবং বড়দের জন্য এটি অবশ্যই পাঠ্য একটি বই। বইটি থেকে অভিভাবকদের অনেক কিছুই শিখবার আছে। মা-বাবার সন্তানদের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত বা মা-বাবার সাথে সন্তানদের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত -সে বিষয়ে বইয়ের প্রতিটি চিঠি থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। আমরা সাধারণ মানুষ এখন এতটাই ব্যস্ত যে কাছে থেকেও বাচ্চাদের সাথে গল্প করার সময় পাইনা। পন্ডিত জওহর লাল নেহেরু যখন মেয়ের কাছ থেকে দূরে ছিলেন তখনও তার মেয়েকে সময় দিয়েছেন। চিঠির মাধ্যমে মেয়ের চিন্তা ও চেতনাবোধকে জাগ্রত করেছেন। কত সহজে সন্তানকে নতুন জগতের সন্ধান দিয়েছেন। বাবার চিঠি পড়ে ইন্দিরা গান্ধী ঘন্টার পর ঘন্টা পার করেছেন পাথর, উদ্ভিদ, জীব-জন্তু, পোকামাকড়ের জীবনবৈচিত্র্য আর আকাশের তারা দেখে। অনুবাদ করার পর অনেক সময় বইয়ের আসল সৌন্দর্য্য হারিয়ে যায়। এখানে অনুবাদক বদিউর রহমান ভালো কাজ করেছেন। চিঠিগুলোর সৌন্দর্য্য ও আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। বইটির পেইজসংখ্যা আরো বেশী হলে আনন্দ পেতাম।"
Tultul Zabin , May 22, 2017
"‘মেয়ের কাছে বাবার চিঠি’ জওহরলাল নেহেরু এর লেখা তার মেয়ে ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি কিছু চিঠির সংস্করনে প্রকাশিত একটি বই । গঙ্গা নদীর তীরে এলাহাবাদ শহরে জওহরলাল নেহেরু জন্মগ্রহণ করেন ১৮৮৯ সালে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, আদর্শবাদী, পন্ডিত এবং কূটনীতিবিদ নেহরু ছিলেন একজন আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। লেখক হিসেবেও নেহরু ছিলেন বিশিষ্ট। মহাত্মা গান্ধীর তত্ত্বাবধানে নেহেরু ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীন ভারতের পতাকা উত্তোলন করেন। পরবর্তীকালে তার মেয়ে ইন্দিরা গান্ধী ও দৌহিত্র রাজীব গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। বইটি বাংলাতে অনুবাদ করেছেন বদুর রহমান ।বইটি প্রকাশিত হয় দ্যু প্রকাশন থেকে ২০১৭ সালের জানুয়াআরি মাসে । বইটির প্রচ্ছদ করেছেন মিতা মেহেদী । মেয়ের কাছে বাবার চিঠি বইটি তে বাবা জওহরলাল নেহেরু ও মেয়ে ইন্দিরা গান্ধী । মেয়ের কাছে লেখা পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু এর চিঠি নিয়ে লেখা এ বইটি । বাবা জওহরলাল নেহরু এ বইয়ের চিঠিগুলো যখন লিখেছেন তখন ইন্ধিরা গান্ধীর বয়স আট কি নয়। বইটির বিষয়বস্তু আত্মসচেতনতা। মানুষের সজীব দৃষ্টিভঙ্গি এবং চারপাশের জগত ও মানুষ সম্পর্কে উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী এ চিঠিগুলো অন্যসব চিঠির চেয়ে অনেকটাই আলাদা। ইন্ধিরা গান্ধী লিখেছেন- ‘অধিকাংশ শিশু তার বাবা-মাকে অনুসরণ করে। কিন্তু আমার বাবা-মার মতো অনেকের বাবা-মা এত ভালো সঙ্গী হন না। আমার বাবা-মা সব কিছুতেই উৎসাহী ছিলেন এবং কাউকে উৎসাহী করতে খুব আনন্দ পেতেন। আমি ছিলাম খুব প্রশ্নমুখর। আমার প্রশ্নের উত্তরেই বাবা আমাকে নানা গল্প বলতেন’। চিঠিগুলো পড়ে আমারও মনে হয়েছে- শিশুদের জন্য এগুলো বিশেষ পাঠ্য হওয়া দরকার। কারণ নতুন ভাবনার উন্মোচন ঘটাতে এ চিঠিগুলো যথেষ্ট ভুমিকা রাখবে। চিঠির কথাগুলো ছোটদের জন্য অনেক দরকার , কারন এগুলো শিশুহৃদয়ে প্রভাব ফেলতে সক্ষম । অসাধারন এ চিঠিগুলো নিয়ে লেখা বইটি পাঠকদের নিকট ভালো লাগবে তা বলা যায় নির্দিধায় ।"
Pathik Munier , May 16, 2017
"পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। ১৮৮৯ সালের ১৪ নভেম্বর এলাহাবাদে জন্ম। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। ‘আধুনিক ভারতের জনক’ জওহরলাল নেহরু ছিলেন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, আদর্শবাদী, পন্ডিত এবং কূটনীতিবিদ। ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী গান্ধী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার প্রিয় ছাত্রীর নাম দিয়েছিলেন প্রিয়দর্শিনী। ভারতের প্রথম ও আজ পর্যন্ত একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী। দাদা মতিলাল নেহেরু ছিলেন একজন প্রথম সারির কংগ্রেস নেতা। আর পিতা উপরোল্লেখিত ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু। ‘মেয়ের কাছে বাবার চিঠি’ গ্রন্থটি নিয়ে কথা বলছি যেহেতু, তাই পূর্ণ পরিচয়ে না হলেও শুরুতেই কিছুটা স্পস্ট করতে চেয়েছিলাম এই নামের ভেতরকার বাবা এবং মেয়েকে। মেয়ে ইন্ধিরা গান্ধীকে লেখা পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরুর লেখা গুরুত্বপূর্ণ সব চিঠির সংকলন ‘মেয়ের কাছে বাবার চিঠি’। বহুল প্রচারিত ও আলোচিত এই গ্রন্থটি আমি একটু দেরিতেই হাতে পেলাম। হয়তো অনেকেই পড়ে ফেলেছেন গুরুত্বপূর্ণ এ বইটি। ‘মেয়ের কাছে বাবার চিঠি’ গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে এলাহবাদ ল’ জার্নাল প্রেস, ভারত থেকে। বাবা জওহরলাল নেহরু এ বইয়ের চিঠিগুলো যখন লিখেছেন তখন ইন্ধিরা গান্ধীর বয়স আট কি নয়। বইটির বিষয়বস্তু আত্মসচেতনতা। মানুষের সজীব দৃষ্টিভঙ্গি এবং চারপাশের জগত ও মানুষ সম্পর্কে উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী এ চিঠিগুলো অন্যসব চিঠির চেয়ে অনেকটাই আলাদা। বইটি ২০১৭ সালের বইমেলায় প্রকাশ করে দ্যু প্রকাশন। আমাকে বইটির প্রতিটি চিঠিই আকৃষ্ট করলেও বিশেষভাবে ভালো লেগেছে বইটির শুরুতেই ইন্ধিরা গান্ধীর লেখা ভুমিকাটি। ইন্ধিরা গান্ধী লিখেছেন- ‘অধিকাংশ শিশু তার বাবা-মাকে অনুসরণ করে। কিন্তু আমার বাবা-মার মতো অনেকের বাবা-মা এত ভালো সঙ্গী হন না। আমার বাবা-মা সব কিছুতেই উৎসাহী ছিলেন এবং কাউকে উৎসাহী করতে খুব আনন্দ পেতেন। আমি ছিলাম খুব প্রশ্নমুখর। আমার প্রশ্নের উত্তরেই বাবা আমাকে নানা গল্প বলতেন’। চিঠিগুলো পড়ে আমারও মনে হয়েছে- শিশুদের জন্য এগুলো বিশেষ পাঠ্য হওয়া দরকার। কারণ নতুন ভাবনার উন্মোচন ঘটাতে এ চিঠিগুলো যথেষ্ট ভুমিকা রাখবে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
সামনের মাসের শুরুতে কিছু বই অর্ডার দিবো। এই বইটি এভেইলেবল করলে ভালো হতো।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"মেয়ের কাছে বাবার চিঠি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: