১ম প্রকাশ, ২০২৬
মেঘ, মন্ত্র আর নেপাল
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
মে ফ্লাওয়ার
হুমায়ূন আহমেদ
উঠোন পেরিয়ে দুই পা
হুমায়ূন আহমেদ
পৃথিবীর পথে
মুহিব খান
রাবণের দেশে আমি ও আমরা
হুমায়ূন আহমেদ
নবীদের পুণ্যভূমিতে
রাইহান খাইরুল্লাহ
একা একা আমেরিকা
মুহাম্মদ আদম আলী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | মেঘ, মন্ত্র আর নেপাল |
| Author | ফারাহ্ আজাদ দোলন |
| Publisher | জলধি |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৬ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 84 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ভ্রমণ ও প্রবাস |
| Weight | 0.3 Kg |
| ISBN | 978-984-29419-8-6 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
1 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টিNuzhat Nasim , Mar 13, 2026
"ফারাহ্ আজাদ দোলন বিরচিত "মেঘ মন্ত্র আর নেপাল" কেবল একটি সাধারণ প্রব্রজ্যার আখ্যান নয় বরং এটি হিমালয়দুহিতা নেপালের এক নিবিড় পারমার্থিক ও নান্দনিক দর্পণ। এই গ্রন্থে লেখিকা অত্যন্ত সুচারুভাবে প্রাক্কৈশোরের স্মৃতির পটে বর্তমানের অভিজ্ঞতার এক অপূর্ব আলপনা এঁকেছেন। শৈশবকালে সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী লেখনী ও সেলুলয়েডের মায়াজাল যে অনুরাগের বীজ বপন করেছিল লেখিকা অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সাথে সেই মমতাকে এই গ্রন্থে পল্লবিত করেছেন। কাঠমান্ডুর ঐশ্বর্যমণ্ডিত রাজপ্রাসাদ থেকে শুরু করে ভক্তপুরের কারুকার্যখচিত প্রাচীন তরণী পর্যন্ত প্রতিটি বর্ণনা যেন এক একটি সচল মহাকাব্য। তুষারমৌলি হিমালয়ের অমোঘ আকর্ষণ উপেক্ষা করার সাধ্য কার রয়েছে এই অন্বেষায় লেখিকা পাঠককে এক রোমাঞ্চকর অভিযাত্রার সহযাত্রী করেন। বিপদ কখনও একা আসে না এই আপ্তবাক্যের সত্যতা ফুটে ওঠে যখন মেঘালোকিত আকাশে বিমানের যান্ত্রিক গোলযোগ জীবনকে খাদের কিনারায় দাঁড় করিয়ে দেয়। তবে রাখে আল্লাহ মারে কে এই প্রবাদের সার্থকতা প্রমাণ করে লেখিকা মৃত্যুর করাল গ্রাস থেকে ফিরে আসার যে লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন তা যেকোনো পাষাণ হৃদয়েও কম্পন ধরাতে সক্ষম। ত্রিভুবন বিমানবন্দরের সেই পিচ্ছিল রানওয়ে আর বৃষ্টির অঝোর ধারায় সিক্ত বিষণ্ণ আলোকবর্তিকাগুলো এক অপার্থিব বিভীষিকার সঞ্চার করে। হিমালয়ের তুষারধবল শৃঙ্গের রাজকীয় বিভা আর মেঘবালিকার লুকোচুরি খেলা যেন এক স্বপ্নাতীত নন্দনকাননের বার্তা বহন করে আনে। গণেশ হিমালের ললাটে ঊষার কাঞ্চন আভা যখন প্রতিফলিত হয় তখন মনে হয় প্রকৃতির নিজ হাতে গড়া এক অলৌকিক ভাস্কর্য মূর্ত হয়ে উঠেছে। নাগরকোটের নিভৃত কন্দরে অবস্থিত মিস্টিক মাউন্টেন এর শান্ত সমাহিত ভোরের বর্ণনা পাঠককে এক মায়াবী আচ্ছন্নতায় আবিষ্ট করে রাখে। ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েও পাহাড়ের ডাক শুনে লেখিকা যেভাবে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছেন তা তাঁর অদম্য সাহসেরই পরিচয় দেয়। নেপালের ইতিহাস অতিশয় প্রাচীন ও গহন হলেও লেখিকা তা অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও আকর্ষণীয় শব্দশৈলীতে উপস্থাপন করেছেন। প্রায় সহস্রাব্দ প্রাচীন জনপদের ধ্বংসাবশেষ আর মল্ল রাজবংশের শৈল্পিক আভিজাত্য আমাদের বিস্মৃতির অন্তরালে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। নে এবং পাল এই দুই পদের সংমিশ্রণে উদ্ভূত পবিত্র গুহা নামকরণের সার্থকতা এই জনপদের প্রতিটি ধূলিকণায় প্রস্ফুটিত। নেপালের রাজনৈতিক বিবর্তন থেকে শুরু করে রাজতন্ত্রের অবসান পর্যন্ত প্রতিটি ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ এখানে পরম নিষ্ঠার সাথে গ্রন্থিত হয়েছে। ভক্তপুরের সেই কালজয়ী তোরণ যা একখণ্ড সুবিশাল কাষ্ঠখণ্ড দিয়ে নির্মিত তা পর্যটকদের কাছে আজও এক পরম বিস্ময়। সত্যজিৎ রায়ের অমর সৃষ্টি যতকাণ্ড কাঠমান্ডুতে এর সেই পরিচিত পটভূমিগুলোর বর্ণনা পাঠকদের স্মৃতির মণিকোঠায় নিয়ে যায়। লেখিকার তুলির আঁচড়ে কাঠমান্ডু কেবল একটি ভৌগোলিক ভূখণ্ড নয় বরং এটি এক অবিনশ্বর অনুরাগের নাম যা বারবার মানুষকে ফিরে আসার জন্য ব্যাকুল করে তোলে। হাঁড়ির খবর রাখার মতো নিপুণভাবে লেখিকা নেপালের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা রহস্যগুলোকে উন্মোচন করেছেন যা এই ভ্রমণকাহিনীকে এক অনন্য উচ্চতা দান করেছে। নেপালিদের প্রাত্যহিক আহার থালি আর তাদের মস্তকাবরণী ঢাকা টুপি এই জনপদের সরল জীবনদর্শনেরই জীবন্ত দলিল। বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের সম্প্রীতির বন্ধন নেপালকে বিশ্বমানচিত্রে এক অনন্য নক্ষত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। উপত্যকাগুলোর মন্দিরে মন্দিরে কাঁসর ঘণ্টার ধ্বনি আর গুম্ফাতে তিব্বতি মন্ত্রের গুঞ্জন মিলেমিশে এক আধ্যাত্মিক আবহমণ্ডল সৃষ্টি করে। প্রকৃতির এই অফুরন্ত দান আর মানুষের অকৃত্রিম আতিথেয়তা এই গ্রন্থকে এক অনন্য মহিমায় ভাস্বর করেছে যেখানে চরাচর আর মানবাত্মা একাকার হয়ে যায়। মেঘ মন্ত্র আর নেপাল পাঠকালে মনে হবে আপনি নিজেই নাগরকোটের মেঘমেদুর শৈলশিখরে দাঁড়িয়ে হিমেল বাতাসের পরশ পাচ্ছেন। লেখিকার তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ আর শিল্পীত শব্দচয়নে নেপালের প্রতিটি দৃশ্যপট এক একটি জীবন্ত ক্যানভাস হয়ে মানসপটে ভেসে ওঠে। যারা নতুনের অন্বেষণে বিভোর এবং সুন্দরের একনিষ্ঠ উপাসক তাদের জন্য এই বই এক অমূল্য রত্নভাণ্ডার। জীবন মানেই তো এক নিরন্তর পরিব্রাজন আর সেই পরিব্রাজনের সার্থকতা লুকিয়ে আছে এমন সব চিত্তাকর্ষক উপাখ্যানে যা হৃদয়ে অক্ষয় হয়ে রয়। হিমালয়ের গগনচুম্বী শৃঙ্গ এভারেস্ট বা সাগরমাথার বিশালতা মানুষের নশ্বরতা আর ক্ষুদ্রতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। জীবনের অনিশ্চয়তা আর প্রকৃতির অলৌকিক লীলাখেলা মিলেমিশে এই গ্রন্থ আমাদের এক পরম সত্যের সম্মুখীন করে। মেঘ মন্ত্র আর নেপাল কেবল অক্ষরলিপিতে সীমাবদ্ধ কোনো পুস্তক নয় এটি অনুভব করার মতো এক অখণ্ড মায়াজাল যা প্রতিটি ভ্রমণপিপাসু হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন লাভ করবে। তাই আসুন এই মেঘ ও মন্ত্রের মায়াবী জগতে অবগাহন করি এবং হিমালয়ের শাশ্বত আহ্বানে নিজেদের বিলীন করে দিই। তরাইয়ের গহন অরণ্য থেকে শুরু করে পোখারার দর্পণের মতো স্বচ্ছ হ্রদ পর্যন্ত প্রতিটি বর্ণনা যেন এক একটি সার্থক চিত্রকর্ম। লেখিকার কলমে লুম্বিনির প্রশান্তি আর পশুপতিনাথ মন্দিরের পবিত্র গাম্ভীর্য সমানভাবে প্রস্ফুটিত হয়েছে। প্রতিটি পরিচ্ছেদ যেন এক একটি নতুন দিগম্বরী মায়ার দ্বার উন্মোচন করে আমাদের চিরচেনা নেপালকে নতুন করে আবিষ্কার করতে শেখায়। পরিশেষে এটাই প্রতীয়মান হয় যে এই বই কেবল দূরত্বের কথা বলে না বরং এটি অন্তরাত্মার সাথে প্রকৃতির এক নিগূঢ় সন্ধি স্থাপন করে যার রেশ পাঠককে আচ্ছন্ন করে রাখবে যুগযুগান্তর। শৈলশিখরে মেঘের অবাদ বিচরণ দেখে কবিগুরু গেয়েছিলেন মেঘের কোলে রোদ হেসেছে বাদল গেছে টুটি। এই গ্রন্থটিও ঠিক তেমনই এক মায়াবী আবেশে পাঠককে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখে যেখানে যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি নিমেষেই অন্তর্হিত হয়। হিমালয়ের নিস্তব্ধতায় যখন ওম মণি পদ্মে হুম মন্ত্রের প্রতিধ্বনি জাগ্রত হয় তখন মনে হয় পার্থিব জগতের ঊর্ধ্বে অন্য এক জগত বিরাজমান। এই বই পাঠকালে আমার মনে হয়েছে আমি যেন কোনো এক পৌরাণিক জনপদের ধূসর পথে পদচারণা করছি যেখানে প্রতিটি প্রস্তরখণ্ড সহস্র বছরের ইতিহাস ধারণ করে আছে। গ্রন্থটি পাঠের সময় আমার ইন্দ্রিয়গুলো যেন সেই তুষারশীতল সমীরণের স্পর্শ লাভ করছিল। লেখিকার বিদগ্ধ শব্দচয়ন এতই ঐশ্বর্যমণ্ডিত যে নেপালের প্রতিটি স্থাপত্য ও শৈলশ্রেণী জীবন্ত হয়ে সম্মুখে উপস্থিত হয়। মরণান্তক সংকট থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার যে বর্ণনা লেখিকা প্রদান করেছেন তা পাঠকালে হৃদস্পন্দন রুদ্ধ হয়ে আসে এবং জীবনের অসারতা নতুন করে উপলব্ধ হয়। এই আখ্যান আমাকে শিখিয়েছে যে বিপদে ধৈর্য ধারণ করে কীভাবে সুন্দরের আরাধনা করতে হয় এবং প্রকৃতির অসীম শক্তির কাছে বিনম্র মস্তকে নতি স্বীকার করতে হয়। আমি বিদগ্ধ পাঠকদের এই গ্রন্থটি পাঠ করার জন্য সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাচ্ছি কারণ এটি কেবল তথ্যভারাক্রান্ত কোনো ভ্রমণবৃত্তান্ত নয় বরং এটি অন্তরের তৃণা নিবারণের এক মহৌষধ। বর্তমানের এই ইট কাঠ পাথরের কৃত্রিম জীবনে যখন আমরা হাপিত্যেশ করি তখন এই বই আমাদের মানসপটে এক টুকরো সতেজ হিমালয় উপহার দেয়। আকাশ কুসুম কল্পনা না করে যারা ধূলিমলিন পৃথিবীর বাস্তব সুন্দরের সন্ধানে বের হতে চান তাদের জন্য এই বই এক আলোকবর্তিকা। যারা পরিব্রাজন অনুরাগী কিংবা যারা গৃহকোণে বসেই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড দর্শনের অভিলাষ পোষণ করেন তাদের জন্য এই গ্রন্থ পাঠ করা একান্ত আবশ্যিক। লেখিকার আন্তরিক শব্দশৈলী আপনাকে নিমেষেই হিমালয়ের সেই মেঘাবৃত মন্ত্রমুগ্ধ স্বর্গরাজ্যে নিয়ে যাবে যা আপনার জ্ঞানতৃষ্ণা নিবারণে এক অনন্য ভূমিকা পালন করবে। এই গ্রন্থটি পাঠ করে আমার মনে হয়েছে এটি যেন এক অমৃতের সন্ধান যা মরুভূমিতে মরূদ্যান পাওয়ার মতো আনন্দদায়ক। লেখিকা যেভাবে নেপালের রূপ রস গন্ধ পাঠকের সামনে অকৃপণভাবে বিলিয়ে দিয়েছেন তাতে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো মানুষের মতো যারা ভবঘুরে তাদের হৃদয়ে এক প্রবল স্পন্দন সৃষ্টি হবে। তাসের ঘরের মতো ঠুনকো নয় বরং এই গ্রন্থের বর্ণনাগুলো পাথরে খোদাই করা চিহ্নের মতো সুদৃঢ়। আমি মনে করি প্রত্যেক সাহিত্যপ্রেমীর উচিত এই মণি কাঞ্চন যোগে ঋদ্ধ বইটি একবার হলেও পাঠ করা কারণ এতে তথ্যের খই ফোটে না বরং সাহিত্যের সুধা ঝরে পড়ে। উপস্থিত বুদ্ধিই যে পরম সম্পদ এবং অতি লোভে তাঁতি নষ্ট হওয়ার হাত থেকে নিজেকে কীভাবে রক্ষা করতে হয় সেই দর্শনও এই গ্রন্থের পরতে পরতে লুকিয়ে আছে। যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই রাত হয় এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়েও লেখিকা যেভাবে সাহস হারাননি তা দেখে মনে হয়েছে ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। নেপালের পথে পথে হাঁটতে গিয়ে বারংবার মনে হয়েছে চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী আর অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ এর মতো বাস্তব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়া পর্যটকদের জন্য এই বই এক অমূল্য দিকনির্দেশনা। লেখিকার বর্ণনায় নেপাল যেন কেবল একটি দেশ নয় বরং এটি চেনা বামুনের পৈতা লাগে না প্রবাদের মতোই এক স্বপ্রকাশিত মহিমা। পরিশেষে এক কথা বলতে দ্বিধা নেই যে বামন হয়ে চাঁদে হাত দেওয়ার মতো দুঃসাহস যারা দেখান তাদের জন্য এই হিমালয় ভ্রমণ এক চরম পাঠ। দশের লাঠি একের বোঝা নীতিতে পর্যটন শিল্প যেভাবে নেপালে গড়ে উঠেছে তা আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। এক মাঘে শীত যায় না তাই নেপালের এই মায়া বারবার পাঠকদের সেই পাহাড়ের গহীন অরণ্যে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাবে। আপনি যদি হিমালয়ের শীতলতা আর মন্ত্রের গাম্ভীর্যে নিজের ক্লান্ত মনকে জুড়িয়ে নিতে চান তবে এই বইটির বিকল্প নেই বললেই চলে। বই: মেঘ,মন্ত্র আর নেপাল(ভ্রমণকাহিনী) লেখক: ফারাহ্ আজাদ দোলন প্রকাশনী: জলধি পৃষ্ঠা:৮৪ মুদ্রিত মূল্য: ৩০০ টাকা"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"মেঘ, মন্ত্র আর নেপাল" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: