৪র্থ প্রকাশ, ২০২৪
মায়ামৃগ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | মায়ামৃগ |
| Author | ইলমা বেহরোজ |
| Publisher | অন্যধারা |
| Edition | ৪র্থ প্রকাশ, ২০২৪ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 304 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.58 Kg |
| ISBN | 978-984-97473-0-7 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
66 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টিJannatul Sweety , Aug 8, 2026
"worth it!!!"
880****965 , Dec 1, 2025
"সুন্দর একটি বই।"
Tazul Islam , Oct 15, 2025
"Best book ever i read🤧💗🌟🌟👍✨"
Shamim Ara Parvin , May 8, 2025
"Onek Valo legeche😭💯💕"
Riana jahan wohi , Mar 10, 2025
"আশা করেছিলাম আরেকটু ভালো হবে । দাম কোয়ালিটির তুলনায় অনেক । অনেক সময় বিদেশী ভাষার বই বাংলাতে ট্রান্সলেট করলে যেমন হয় তেমন লিখেছে । আরো ইমপ্রুভমেন্ট দরকার।"
sul****com , Jan 13, 2025
"valo laglo voi ta🤗🤗🤗"
mta****com , Nov 26, 2024
"It's a so good"
880****877 , Oct 11, 2024
"ব্যালান্সড স্টোরি। খুব ভালো লেগেছে। এটির উপরে হলিউড ফিল্ম হতে পারে ভবিষ্যতে। মায়ামৃগ এর সিকিউয়াল আনার জন্য লেখিকা কে অনুরোধ জানাচ্ছি।"
Jahan Hasnat , Sep 12, 2024
"বইটি এক কথায় অসাধারণ।"
Leeon Haque , Jul 24, 2024
"ইলমা বেহরোজের কথা আর কি লিখবো। অসাধারণ লেখিকা আর অসাধারন লেখনী।"
Farjana Khondokar , Jun 19, 2024
"Khub valo chilo boita."
Mohammad Akilul Islam Akil , Jun 1, 2024
"ভালো লাগলো বইটি।"
Md. Ajharul Islam , Apr 14, 2024
"ভালো একটা উপন্যাস।"
Sayem Ahmed Chowdhury , Mar 30, 2024
"Awesome"
Al Shahriar Shanto , Dec 27, 2023
"খুব সুন্দর একটা বই।এক কথায় অসাধারণ 🔥"
Md Shakib , Aug 14, 2023
"প্রথম বই! just 💥🔥"
Toma , Jul 1, 2023
"এতটাই ভালো লেগেছে যে মায়ামৃগ ২য় পার্ট চাই। অনেক অজানা কথা জানা বাকি আছে।"
Sneha zaman , Jun 5, 2023
"This book is good enough I think!She is a new writer cause It's her first book!But she writes very well✨"
Sakib , May 4, 2023
"#মায়ামৃগ #পাঠ_অনুভূতি ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ মায়ামৃগ •লেখকঃ ইলমা বেহরোজ •ধরনঃ অ্যাডভেঞ্চার, থ্রিলার •প্রকাশনীঃ অন্যধারা •প্রচ্ছদঃ মোঃ সাদিতউজজামান •মুদ্রিত মূল্যঃ ৬৬০ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৩০৪ •প্রকাশকালঃ বইমেলা ২০২৩ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ নিজেকে নিয়ে ভাবতে বসলেই আমার সাথে সাথে প্রকৃতির আবেশ ভেসে আসে । আমি জানি না কেনো, বারবার মনে হয় প্রকৃতি যেন আমার সবকিছুর সাথে সংযুক্ত । এই যে আমি একটুকরো হাসি আনন্দ নিয়ে ভেবে ফেললাম সাথে সাথে আবহের রেশ হিসেবে কিভাবে যেন প্রকৃতির সামান্য সতেজতা আমাকে আরো আবেশিত করে দেয় । যখনই ভালো লাগা বের হয়ে আসে, ভালো লাগা নিয়ে ভাবতে বসি ঠিক তখনই মনে হয় যেন প্রকৃতিতেও বসন্তের পাতা ঝরার শব্দ শোনা যাচ্ছে । মনের প্রকৃতির সাথে পৃথিবীর প্রকৃতির দারুণ এই সংযোগে কখনও কখনও সুখে থাকার মতো হাঁসফাঁস লাগতে থাকে মনটা । যখন কষ্টের অবিরত ছোঁয়ায় নিজের মনটা ঘুরতে থাকে, পৃথিবীর প্রতিশব্দে যেন তখন মেঘের আঁধার নেমে আসার মতো শব্দ হয় । এই দারুণ ব্যবহারে আমি মুগ্ধ হই । বারবার আরো একটু একটু করে পৃথিবীর প্রকৃতিতে মজে যাই । শরতের নীল আকাশের মতো স্নিগ্ধ একটা মন পেতে ভালো লাগে । যেখানে মিষ্টি এক সুবাসের মতো বাতাস থাকবে । ♦পারিপার্শ্বিক দিকঃ এই বইটি কবে পড়বো আমি কখনোই বুঝতে পারিনি । আমার মন বলতো, আমি প্রচণ্ড অপেক্ষা নিয়ে বইটি পড়তে চেয়েছি কতগুলো দিন । কিন্তু আমার অপেক্ষা আমাকেই সহ্য করে যেতে হতো । বইটা আমাকে বারবার যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছিল । বারবার বলছিল, এবার তো শুরু করো । এবার আমাকে গ্রহণ করে নাও । আমি তা পারিনি । আজকে পড়া শুরু করবো, তা আমি ঠিক করে রেখেছিলাম আরো দুইদিন আগে । অনেকদিন পরে আয়োজন করে বই পড়তে বসেছিলাম । বাইরে বৃষ্টি, মনে রেশ এই নিয়ে ঠিক বিকেল ৪টায় বইটি পড়তে শুরু করেছিলাম । বৃষ্টি থেমে গেছে, মনে কেমন একটা আবহ হাতছানি দিচ্ছে । কিন্তু বইটা পড়া শেষ হয়ে গেল । সময়টা তখন রাত ৯টা ৩০ মিনিট । ♦নামকরণঃ মানুষ কোথাও গিয়ে ক্ষণিকের সবকিছু ভুলে হারাতে চায় । দুঃখ এবং কষ্ট নামক বিশেষণের আঘাতে ভাসিয়ে দিতে চায় খোলা আকাশে । বুঝিয়ে দিতে চায় এই থেকে দূরে যাওয়ার পথ খুঁজে নেওয়া । শান্তি এবং সুখ নামক এক গহীন বনে মানুষ হারিয়ে যেতে চায় আবেশে । যেখানে গিয়ে মানুষ সবকিছু ভুলে যাবে । সব কষ্ট, দুঃখ হারিয়ে ফেলে ফিরে আসতে পারবে সুখের রাজ্যে । জীবনের গলিঘুপচিতে ক্লান্ত ভাব ফিরে না আসার তাগিদে প্রকৃতির মাঝে থেকে মায়া নামক মুগ্ধতায় হারিয়ে যেতে পারবে । মায়ামৃগ নামের মায়া দিয়ে তৈরি করা হরিণের রূপক অর্থে তৈরি এই প্রকৃতির প্রতি মায়া দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া প্রতিটি বিশেষণগত সৌন্দর্য যেন বারবার ফিরে ফিরে আসে ভালোলাগা নিয়ে, এই মানব মনে অনুভূত প্রতিটি বিশেষণ প্রকৃতির আবেগের সাথে সংযোগ করার এক অদ্ভুত ধাঁচ নিয়ে যেন বেরিয়ে আসে । এই নামটা এত্ত সুন্দর লাগে আমার কাছে । শুনলেই মনে হয়, মায়া নামক সংশ্লিষ্ট পৃথিবীতে সবকিছুই আমার কাছে সুন্দর, ভীষণই আবেগের । ♦ফ্ল্যাপে লেখাঃ হীরাকান্তের অদৃশ্য সরোবরে ফোটা কোনো অচিন ফুলের মতো, প্রণয়নীর বিনুনিতে গেঁথে রাখা আছে প্রণয় শত শত । তুমি থাকলে পাশে সৃষ্টির সকল সুখ চিরসত্য, অবেলার তুষার গলা জমাট জল, তারকারাজির ঝিলমিল রং, তুমি থাকলে পাশে তীব্র আঘাতেও এই ধরণি অমর । তুমি হৃদয় গহিনে, নীলয়ের আলিঙ্গনে বেঁচে আছো, ‘বিচ্ছেদ’ তো শুধু একটি শব্দ মাত্র! কিছু সম্পর্কের মায়ার বাঁধনে মানুষ মানুষকে সামলে রাখে, আগলে থাকে, বাঁচতে শেখায়, অতল জলে না ডুবেও ভাসতে শেখায় । জড়িবুটি হয়ে হৃদয়ের জখম তাড়ায় । আবার কিছু সম্পর্ক কাঠের নৌকা যেমন, মাঝসমুদ্র হেসে-খেলে পার করিয়ে তীরে এসে তরি ডুবায় । আঁধারী সমীর আমারে নতমুখে শুধায়, ‘প্রিয়তমকে এক শব্দে ব্যখ্যা করার কী উপায়?' স্মিত হেসে বলি, ‘মায়ামৃগ চেনো?’ ছুঁয়ে দেখার আগেই সে হারিয়ে যায় যেন! –কুহু চৌধুরী । ♦প্রচ্ছদঃ এই প্রচ্ছদটি যেদিন প্রথম দেখেছিলাম, আমি প্রথমত খুব মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম আমার চোখে সবুজের প্রতি স্নিগ্ধ এক আভা তৈরি হওয়ায় । এই স্নিগ্ধ ভাব আমাকে বারবার ভালোলাগায় আটকে দিয়েছিল । হালকা সবুজে ঘিরে রাখা জঙ্গলের মাঝে একটি কুকুরকে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটিকে দেখলে প্রচ্ছদটিকে বড্ড কল্পনায় ঘিরে থাকা সুন্দর দৃশ্য মনে হয় । যে দৃশ্য মনের রাজ্যে প্রবল ভালোলাগার ঝড় তুলে দেয় । রংয়ের ধাঁচ এত সুন্দর ভাবে পুরোটা জুড়ে এসেছে, যে আমার কাছে প্রিয় হয়ে লেগেছে প্রতিটি দৃশ্যপট । ♦চরিত্র বিশ্লেষণঃ বেশ কয়েকটি চরিত্র নিয়ে আলোচনা করবো । যাদের উপন্যাসে পেয়েছি এবং কাছের মনে হয়েছে । •ফ্লোরাঃ নিজের মনের কথা মনেই লুকিয়ে রেখে মনোকষ্টে ভুগতে থাকা মেয়েটি ফ্লোরা । মনের মাঝে দুঃখের এক প্রবল ছাপ তার । বয়স অনুপাতে দুঃখের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তা ছাপিয়ে যেন আরো মায়াবিলাসী তৈরি করে যেন তাকে । খানিকটা অন্যমনস্ক স্বভাবের মেয়েটি মাঝে মাঝে সামান্য অপরিণত আচরণ করে ফেলে । •টোটোঃ অসাধারণ একটি চরিত্র । সর্বক্ষণ সঙ্গে থাকা কুকুর এই চরিত্রটি নিজ মনিবের প্রতি দারুণ ভাবে বাধ্য । মনিবকে মারাত্মকভাবে ভালোবেসে প্রতিটি মুহূর্তে পাশে থেকে যায় সে । •সুলেমানঃ পরিস্থিতি অনুযায়ী স্বভাবে পরিণত স্বভাবের মানুষটি সবাইকে বুঝানোর দারুণ গুণ নিয়ে থাকে । দারুণ আত্মবিশ্বাসী স্বভাবের মানুষটি নিজের কথা দ্বারা প্রভাবিত করার এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আছে তার । নিজের পাশে থাকা প্রতিটি মানুষকে সাহায্য করারও দারুণ চেষ্টা আছে তার । •শিরিনঃ শিরিন অসাধারণ বন্ধুত্বপূর্ণ একটি চরিত্র । পরিস্থিতি অনুযায়ী যখন যেরকম দরকার তখন সেরকম ভাবে আচরণ করতে থাকে সে । হাসিখুশি স্বভাবের মিষ্টি মানুষটি সাহায্য করার দারুণ এক চেষ্টায় সর্বদা সজাগ থাকে । •গফুরঃ অল্পতেই রেগে যাওয়া আবার ক্ষনিকেই রাগ পড়ে যাওয়া ধরনের চরিত্র হিসেবে গফুর থাকলেও তার মধ্যে দারুণ এক অসাধারণ মানুষটি লুকিয়ে আছে । ভালোবাসার মানুষটিকে প্রবল ভাবে ভালোবেসে থাকে সে । •তালিবুলঃ আত্মবিশ্বাসী স্বভাবের মানুষটি সহজেই ভেঙ্গে না পড়লেও কখনও মায়া নামক এক সৌন্দর্যে আবেশিত হয় । এই মানুষটির সবাইকে নিয়ে একসাথে থাকার এক চেষ্টা দারুণভাবে মুগ্ধ করে । •জুহাদঃ সুদর্শন, মিষ্টি স্বভাবের পুরুষ চরিত্রটি সহজেই পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিয়ে ফেলে । প্রকৃতির প্রেমে পড়ে যাওয়া মানুষটি বই পড়তে খুব পছন্দ করে । মায়া নামক এক অসাধারণ এক আবেগ তাকেও অসাধারণ মানুষ হিসেবে রূপান্তরিত করে । ♦টুকিটাকিঃ এছাড়াও বেশকিছু চরিত্র আছে উপন্যাসে যারা উপন্যাসে সাময়িক উপস্থিতি দিয়ে উপন্যাসকে জড়িয়ে ধরে রাখে । বাহার নামক চরিত্রটি দোষ-ভুলের মিশ্রণে জড়িয়ে গিয়ে পরিস্থিতিতে আবেগ তৈরি করে আবার দারুণ পরিণত স্বভাবের এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল । গ্রেসিফার এর ভালোবাসা এবং তাকে জড়িয়ে ধরে রাখার মাঝে দারুণ এক আবেগ ভীষণভাবে মুগ্ধ করে । অলি নামক চরিত্রটির প্রতি একরাশ আবেগ আর মায়া হঠাৎ করে এসে জড়ো হয় । ♦প্রিয় চরিত্রঃ এই উপন্যাসে পড়ার শেষে আমি সাধারণত যা করি তা হলো আমার অনুভূতি প্রকাশের আগে কয়েকটা মুহূর্ত অপেক্ষা করে বসে থাকি একেকটি বিভাগে কি লিখবো, তা ঝালিয়ে নিতে চেয়ে । এই অংশটা আমাকে বারবার ভাবতে বলেছে । বারবার বলেছে, কি লিখবে তুমি! প্রিয় চরিত্র কে তোমার! আমি পাইনি । উপন্যাস জুড়ে আমার একেক সময় একেক জনকে প্রিয় মনে হয়েছে । উপন্যাসের মাঝে ডুবে থেকে তাদেরকে নিয়ে ভাবতে ভালো লেগেছে । আমার কখনও কখনও সুলেমান নামক চরিত্রটিকে প্রিয় লেগেছে । কখনও আমি জুহাদ নামক ওই বন্ধুভাবাপন্ন স্বভাবের মানুষটিকে প্রিয় মনে হয়েছে । কখনোবা শিরিন এর অদ্ভুত ভাবে সবার সাথে মিলেমিশে যাওয়া স্বভাবকে কাছের মনে হয়েছে । আমার বেশিরভাগ সময়েই শিরিনকে প্রিয় বেশি মনে হয়েছে । তাই হয়তো শিরিন আমার প্রিয় চরিত্র হয়ে থাকবে । ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √এই বইটি পড়তে পড়তে আমি আমার পাঠক জীবনের শুরুর দিকে চলে গিয়েছিলাম । সেই ১০ বছর আগে, যখন আমার পাঠক জীবন শুরু সেই সময়টিতে আমি পাঠক হওয়া যে ছাপ দিয়ে তৈরি সেরকম ঘরানার উপন্যাস পড়তে বসলে এখনও যে আমি আকর্ষিত হই, আমাকে মুগ্ধ করে, আবেশিত হতে হতে ভাবি । এই বিষয়টা দেখে নিজের প্রতি ভালোলাগা কাজ করছে । আমি ভেবেছিলাম এই ঘরানা থেকে অনেকটা দূরে চলে এসেছি আমি । হয়তো আমার আবেশ এতে আর থাকবে না । এই গল্পে আমি জড়িয়ে যাবো না । কিন্তু তা আদতে হয়নি । আমি জড়িয়ে গেছি বারবার, বারেবারে আবেগ এসে মনের দরজায় কড়া নেড়েছে । তিন গোয়েন্দা কিংবা সেবা প্রকাশনীর মুগ্ধতা আমাকে বারবার স্মৃতিচারণ করে আটকে দিয়েছে । √সাধারণত এই ধরনের উপন্যাসের পটভূমি বাছাই করে সে হিসেবে লেখা অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে যায় । মূলত এই ধরনের পটভূমিতে আগেই সাজিয়ে নেওয়ার একটা ব্যাপার থাকে । প্রতিটি দৃশ্যপট উপন্যাসে ভেসে আসার পাশাপাশি তা কিভাবে সাজানো হবে, কিভাবে আসবে তা বারবার পরিলক্ষিত করা, বারেবারে উপন্যাসকে একই সুরে বয়ে দিয়ে চলার মাঝে একটা দারুণ ব্যাপার থাকে । তাছাড়াও এই ধরনের উপন্যাসে আবহের অংশটিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল । কেননা, এখানে বারবার আবহ পরিবর্তন হওয়ার একটা দারুণ ব্যাপার কাজ করে । সাধারণত আবহ বারবার পরিবর্তন হলে, পাঠক হিসেবে সেটি আমার কাছে খুবই প্রিয় একটি ব্যাপার হিসেবে কাজ করে । কারণ এই জায়গাটিতেই লেখার মাঝের গভীরতা, ঘটনাপ্রবাহের টানাপোড়েনের এক দারুণ এক ছাপ উপন্যাসে জুড়ে বসে থাকে । সেই বিষয়গুলো থাকার কারণে এই উপন্যাসটি আমার কাছে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভালো লাগার মতো অবস্থা নিয়ে এসেছে । আগে থেকেই তাই বইটি পড়তে পড়তে মনে হয়েছে, কোনো এলোমেলো সৌন্দর্য থাকেনি । পটভূমি যেন বেশ সাজানো । এই পটভূমি বেশ অন্যরকম । অন্যরকম ভাবে জীবনধারা অনুযায়ী পটভূমিকে সাজানো হয়েছে । যে ঘটনার অববাহিকায় আমি অবাক হয়েছি । এই উপন্যাসে বেশ সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলে কাহিনী বর্ণনা করার এক দারুণ ছাপে আবহের মাঝে ভালোলাগা বাড়িয়ে দিয়েছে । প্রতিটি দৃশ্যপট যেন একই সুরে, একই সুতায় গাঁথা থাকার মতো উপন্যাসের জীবনজুড়ে বয়ে গিয়েছে । যেহেতু এখানে খানিকটা থ্রিলার ঘরানার হালকা ছাপ আছে, সেক্ষেত্রে এই একই ভাবে দৃশ্যপট পরিবর্তন এবং তা একই ভাবে ব্যবহৃত হওয়া দৃশ্যগুলো থাকার কারণে উপন্যাসটিকে পড়তে বেশ লাগে । √এই ধরনের উপন্যাসে চরিত্রগত গঠন এবং উপস্থিতিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । কারণ তাদের মাধ্যমেই আবহকে আরো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা হয় । এত সুন্দর ভাবে তাদের মাধ্যমে মানসপটে ভেসে উঠে যে মুগ্ধ হয়ে যেতে হয় । ফ্লোরা চরিত্রটির মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি, প্রকৃতির সাথে মজে থেকে এগিয়ে যাওয়া এর মতো অসাধারণ ভাবে গঠন বেশ লেগেছে আমার । সুলেমান চরিত্রটির গঠন উপন্যাসের পটভূমি এর সাথে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলার মতো করে তীব্র ভাবে তৈরি করা হয়েছে । যে কারণে তার উপস্থিতি এবং গঠন বেশ চমৎকার লাগার মতো । এছাড়াও শিরিন চরিত্রটি পুরো উপন্যাস জুড়ে গঠন এবং উপস্থিতি বেশ ভালো থাকলেও, উপন্যাসের শেষের দিকে গিয়ে যেন তা উপন্যাসের খানিকটা মোড় দিতে অসাধারণ ভাবে তৈরি করা হয়েছে । তার উপস্থিতি উপন্যাসে বেশ ভালো ভাবে এসেছে । এই ধরনের উপন্যাসে মূলত প্রতিটি ছোট ছোট চরিত্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায় । টোটো নামক চরিত্রটিকে দারুণ ভাবে গঠন করা হয়েছে । তাছাড়াও জুহাদ এর গঠন উপন্যাস জুড়ে সামান্য হাস্যরস এর পাশাপাশি বেশ স্নিগ্ধ এক মায়া সৃষ্টি করেছে । ♦প্রিয় অংশঃ এই ধরনের উপন্যাসে প্রতিটি সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম বিষয়ে যেন দৃষ্টি রাখতে হয় । সেই দৃষ্টি সঠিক ভাবে থাকলে যেন উপন্যাসটিকে আরো বেশি করে ভালো লাগে । পৃথিবীতে প্রকৃতির প্রতি আমাকে সবসময় মুগ্ধ করে । এক অজানা আবেশে আমি অপেক্ষা করে বসে থাকি প্রতিটি আবেশে ভেসে যেতে । এই ধরনের ঘরানার উপন্যাসে প্রকৃতি নিয়ে প্রতিটি সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম দৃশ্য যেন অসাধারণ এক ভাবাবেগ তৈরি করে । হীরাকান্ত দ্বীপের প্রতিটি সূক্ষ্ম এবং প্রকৃতিগত বর্ণনা বেশ মুগ্ধ করে যেন চোখের সামনে ভেসে এসে তার প্রতি মায়া বাড়িয়ে দেয় । প্রকৃতির এক দারুণ খেয়ালে ভেসে আসা সম্বোধনকে নিজের করে তৈরি করে নিয়ে তার মাঝে বিছিয়ে দেওয়ার মতো করে ছড়িয়ে দিতে হয় উপন্যাসের পটভূমিকে । তা অসাধারণ ভাবে যেন তৈরি করা হয়েছে । সেই অনুযায়ী পরিবেশগত এই আবহ তৈরি করার এক ছাপে প্রকৃতির এই বর্ণনা উপন্যাসকে আরো যথার্থভাবে উপস্থাপন করেছে । এছাড়াও উপন্যাসের বেশ কিছু কিছু জায়গা আমার কাছে খুব প্রিয় । যে অংশগুলোর প্রকৃতিগত বর্ণনা আমাকে বেশ আকর্ষিত করে । ফ্লোরা এবং টোটোর মধ্যকার কিছু কথোপকথন আমাকে বেশ ভালো লাগা দেয় । এছাড়াও ফ্লোরার মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি এর পাশাপাশি ঘাস থেরাপি এর অদ্ভুত বর্ণনা বেশ ভালো লাগা দেয় । শিলাছড়িতে যাওয়ার মুহূর্তগুলো আমার বেশ প্রিয় অংশ । ওখানের দৃশ্যপটগুলো উপন্যাসে নতুন মোড় দেয় । নতুন এক ছন্দে উপন্যাসকে গড়ে তুলে । তাছাড়া শিরিন এবং গফুর এর সম্পর্কের টানাপোড়েন কিংবা প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়ার এক আবেগ দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বলে বেশ লাগে । জুহাদ এর বিভিন্ন দৃশ্যপটে মায়া নামক এক অদ্ভুত সুন্দর অনুভূতির সাথে জড়িত হওয়া উপন্যাসকে দারুণভাবে মুগ্ধ করে । এই উপন্যাসে স্মৃতিচারণ করার বেশ কয়েকটি ধাপ ছিল । সেই ধাপে উপন্যাসের বর্ণনা করার ধরন কিংবা উপন্যাসের আবহ পরিবর্তন করার ধাঁচ বেশ লেগেছে আমার । এই ধরনের উপন্যাসে প্রকৃতির সৌন্দর্যের সাথে অদ্ভুতভাবে সাক্ষী হওয়ায় এর প্রতি মায়া জন্মে । হীরাকান্ত দ্বীপের প্রতিটি বাতাসের এই অদৃশ্য সাক্ষী হতে বেশি ভালো লাগা কাজ করে খুব । দ্বীপটির প্রকৃতির এই মায়া কাটানোর মতো নয় । এই মায়া আবেগে নতুন ভাবে তাড়িত করে । ♦অন্যান্য বিষয়ঃ √প্রকাশনীঃ আমি যেন দিন দিন প্রকাশনী হিসেবে অন্যধারা এর প্রতি মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছি । পাঠক হিসেবে এ প্রবল মায়া । বইটির প্রচ্ছদটি এত সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে বইটি ধরতে বেশ লাগে । একরাশ স্নিগ্ধ অনুভব দেয় মনের কোণে । হাত দিয়ে বুলিয়ে দিতে বেশ লাগে । তাছাড়া বইটির জলছাপ এবং তা সাজানোর ধরন বেশ সুন্দর । বইটির বাঁধাই সবসময়ের মতো অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । তেমন একটা টাইপিং মিস্টেক নেই যে কারণে বইটি পড়তে বেশ লাগে । তবে বইটিতে বিভিন্ন চরিত্রের ঘটমান পরিস্থিতি কিংবা আলাদা দৃশ্যপটের পরিবর্তনে যে ফাঁকা জায়গাটুকু রাখার প্রয়োজন ছিল তা অনেকাংশেই ছিল না । এক দৃশ্যপট থেকে অন্য দৃশ্যপটে যেন হঠাৎ করেই চলে গিয়েছে । ♦লেখক প্রসঙ্গেঃ ‘মায়ামৃগ’ লেখক ইলমা বেহরোজ এর প্রথম উপন্যাস । তার লিখনশৈলী এর সাথে আমার পরিচয় হঠাৎ করে । ফেসবুকে আমার যখন গল্প পড়া কমে গিয়েছে । আমি যখন পুরোদস্তুর বইয়ের পাঠক রূপে নিজেকে সাজিয়ে নিয়েছি, ঠিক সেরকম একটা সময়ে তার লেখা পড়েছিলাম । তার লেখায় সবথেকে যে বিষয়টি আমার ভালো লাগে । তা হলো প্রকৃতিগত দৃশ্যপট । এই বর্ণনা যে উপন্যাসে কতখানি সৌন্দর্য নিয়ে আসে, কতখানি আবেগ এবং বিভিন্ন সংমিশ্রণ উপন্যাসের মাঝে ঘটনাপ্রবাহে ছাপ ফেলে জড়িয়ে দিতে চায় তা পাঠক হিসেবে পড়তে বেশ ভালো লাগা কাজ করে । তার সামান্য কয়েকটা গল্প পড়েই আমি এই বইটি পড়ার জন্য অপেক্ষা করেছি । তার শব্দপ্রয়োগ এবং বাক্যালাপ বেশ সোজা এবং সরল হলেও উপন্যাসের ঘরানা অনুসারে বেশকিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যেগুলো প্রকৃতির সাথে খাপ খাইয়ে তোলার জন্য দারুণ ভাবে কাজ করা হয়েছে । যদিও শব্দগুলো সহসা চলে আসায় তার সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য পাঠককে দারুণভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে । যে কারণে ঘটনাপ্রবাহে পাঠক যখন জড়িয়ে যাবে গভীরতা নিয়েই এই রেশে মুগ্ধ হতে থাকবে । যা অবশ্যই একটি ভালো ব্যাপার । তবুও তার শব্দপ্রয়োগ এবং বাক্যালাপ, এই দুইটির সামান্য একটু ফাঁকা জায়গায় আরেকটু নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে । যেহেতু এই ঘরানা আমার কাছে মনে হয় অন্য সব ঘরানা থেকে একটু কঠিন । শব্দকে নিয়ে দারুণ ভাবে খেলা তৈরি করে তা দ্বারা মায়া তৈরি করতে হবে । সে হিসেবে প্রথম বই হিসেবে এটি অসাধারণ চেষ্টা ছিল । লেখক ইলমা বেহরোজ এর পরবর্তী বইয়ের আমি অপেক্ষায় রইলাম । ♦রেটিংঃ ৪.৬/৫ ♦উপসংহারঃ প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়া এই উপন্যাসের প্রতি মুগ্ধ হতে হতে আমার চারপাশের পৃথিবীতেও যেন পৃথিবীর সৌন্দর্য আমাকে দেখানোর জন্য এক তাড়া লেগেছে । আমি যখন উপসংহার লেখার ঠিক আগমুহূর্তে । তখন আকাশ ভেদ করে জলরাশি ছেয়ে এসেছে পৃথিবীজুড়ে । আমার চারপাশের পৃথিবীকে দারুণ মুগ্ধতা নিয়ে বৃষ্টিকে বরণ করার এই যাত্রায় পৃথিবীকে বেশ লাগে । বেশ অনুভব নিয়ে আমি আবিষ্কার করি, পাঠক জীবনে আমার কতশত আরো অনুভূতি সৃষ্টি হওয়ার আরো বাকি আছে! পৃথিবীতে আমি প্রায়ই হাসি । কখনোবা দুঃখ পাই । কখনোবা অদ্ভুত কোনো বিশেষণে জড়িয়ে যাই । কিন্তু আমার একেকটি হাসি একেক রকম আভা তৈরি করে । একেক রকম আলোড়ন সৃষ্টি করে । পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষের একেক দিনের সুখ, আনন্দ, হাসি, কান্না একেক রকম । কোনো দিনের সাথে কোনোটা মিলে যায় না । কিন্তু স্মৃতিচারণ করার দারুণ এই চেষ্টায় পূর্বের হাসি এবং কান্নাকে বড্ড মায়া কাড়া মনে হয় । যেন কি ভীষণ সৌন্দর্য নিয়ে তারা সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছে ।"
Mehbub Hasan Raju , Mar 5, 2023
"বাচ্চা মেয়েটা অনেক ভালো লিখছে🥰"
Tanim , Mar 1, 2023
"আহামরী অতটা ভাল না । দামের কথা বিবেচনা করলে আরো ইম্প্রুভমেন্ট দরকার।"
Farhana Fimu , Feb 28, 2023
"প্রথম বই হিসেবে আমি বলবো ১০/১০...ইলমা ইনশাআল্লাহ আরও এগিয়ে যাবে। ❤️"
Nazmul Hasan , Feb 24, 2023
"অসাধারন সুন্দর"
Safin Israt Maisha , Feb 24, 2023
"Onek sundor ekta boi.love you Elma apu"
Al-mahajabin , Feb 24, 2023
"ইলমাপ্পি মানে সেরাটা❤️❤️"
Ahsanullah Adnan , Feb 24, 2023
"অসাধারণ একটি বই"
Imran Nazir , Feb 24, 2023
"অনেক সুন্দর একটা বই , একবার বইয়ের জগতে ঢুকে গেলে আর বেরোতে পারবেন না ।"
Mahila Rahman , Feb 22, 2023
"খুব সুন্দর একটা বই। মন মাতানো"
study tutorial , Feb 20, 2023
"need improvement"
Tajmahal , Feb 14, 2023
"অসাধারন একটিবই।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
4 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
স্যার এই বইটির কয়টি খন্ড আছে?
বইটির আগের কভার পেজ কি পাওয়া যাবে।
বইটির পেজ সংখ্যা কত?
Sir.... ai boi ta ki 'Poddoja uponnash' ar shonge connected?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"মায়ামৃগ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: