লালসালু
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | লালসালু |
| Author | সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ |
| Publisher | বই সাগর |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.23 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
1 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টি
jami jahan , Jan 22, 2017
"উপন্যাসের শুরুতে একটা অখ্যাত গ্রামের চিত্র। যেখানে মজিদ নামক একটা লোকের বসবাস। গ্রামটা শস্যহীন জনবহুল অথচ টুপী পড়া মানুষের অভাব নেই।ভোর বেলা মক্তবে এত আর্তনাদ ওঠে যে, মনে হয় এটা খোদা তালার বিশেষ দেশ। গোঁফ উঠতে উঠতে তারা হাফেজ হয়ে যায়। কিন্তু দেশটা মরার দেশ। শস্যশুন্য। যা হয় তাও যৎসামান্য।এরা তাই দেশ ত্যাগ করে। ত্যাগ করে সদলবলে বেড়িয়ে ছড়িয়ে পড়ে। এক সময় মজিদও তার এই নিরন্ন অস্তানা ছেড়ে বেড়িয়ে আসে বেঁচে থাকার তাগিধেই। একদিন শ্রাবনের শেষাশেষি নিরাক পড়েছে তখন, তাহের কাদের দুই ভাই। তারা ধানক্ষেতে নৌকা নিয়ে বেরোয়। ধানক্ষেতে প্রগাঢ় নিঃশব্দতা। কোথাও একটা কাক ডেকে উঠলে মনে হয় আকাশ টা চিরে গেল।খুব সাবধানে তারা নৌকা নিয়ে এগিয়ে যায়। হঠাৎ তাহের একটা রুই মাছ ধরে কোচ দিয়ে। আবার নৌকা চলে। এভাবে মতিগঞ্জের সড়কে চলে আসে এবং দেখে একটা লোক আকাশ পানে হাত তুলে মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাড়িয়ে আছে । শীর্ণ মুখে ক-গাছি দাড়ি, চোখ নিমলিত। সময়ের পর সময় যায় লোকটির কোন চেতনা নেই। এক সময় মোনাজাত শেষ হয়। পাশের পুটুলিটা নিয়ে, বড় বড় পা ফেলে উত্তর দিকে হাটতে থাকে। খানিক টা এগিয়েই মহব্বত নগর গ্রাম। তাহের কাদেরদের গ্রাম সেখানেই।বিকালের দিকে মাছ নিয়ে বাড়ি ফেরে দেখে, ব্যাপারির বাড়িতে জটলা। গ্রামের লোকেরাও আছে, তার বাবাও সেখানে। সবাই কেমন গম্ভীর ও চিন্তা যুক্ত। ভেতরে তাকিয়ে দেখে সেই লোকটা। আর এভাবেই মজিদ এর প্রবেশ মহব্বতনগর গ্রামে। সে গ্রামে লোকদের গালাগাল দেয়, এমন কি খালেকব্যাপারীও চুপ করে তার কথা শুনে।সে সবাই কে বলে, তারা বে আলেম ও জাহেল। তারা মোদাচ্ছের পীরের মাজার কে তারা অযত্নে ফেলে রেখেছে। গ্রাম থেকে একটু দূরে বাঁশ ঝাড়। সেখানে মোদাচ্ছের পীরের মাজার। গ্রামের অতিশয় বৃদ্ধ লোক সোলেমানের বাপ ও তার কিছু বলতে পারলেন। কিছু সময় পরে দেখা গেল, জঙ্গল সাফ এবং ইট সুরকি দিয়ে প্রাচীন কবর বাধাই করে। তার উপর ঝালর ওয়ালা সালু দ্বারা আবৃত করা হলো। এ গ্রাম সে গ্রামে থেকে লোকেরা আসতে লাগল। দেখতে দেখতে মজিদের ঘরবাড়ি উঠল। বাহির ঘর, গোয়াল ঘর, অন্দর ঘর, আওলা ঘর। একদিন সে বিয়েও করে। সেই প্রশস্ত ব্যাপ্ত যৌবনা মেয়ে লোকটিকেই তার বিবি হয়ে ঘরে এলো। একসময় এই লাল সালু কাপড় দ্বারা আবৃত জায়গা টাকে মানুষ অনেক প্রকার মানত করা শুরু করে। এবং আশে পাশের গ্রামের মানুষ গুলো তাদের সকল আর্জি নিয়ে এই মাজারে। আর গ্রামেরা মহিলারা ধরা শুরু করলো মফিজ এর বৌ রহিমা কে। আর তা থেকে হতে থাকলো মজিদ এর আয়। সে এই ধর্মের জোড়েই সবাইকে জিম্মি করে রাখে। সাত ছেলের বাপ দুদু মিঞা কে বলে, "কলমা জানো মিঞা?" বুড়ো লোকটা কথা বলে না। একদিন ধাড়ি ধাড়ি কতো গুলো ছেলেকে আটকে বলে, "খৎনা হইছে ব্যাটা?"এক দুপুরে একসাথে পিতা পুত্রের খৎনা দিয়ে ফেলল মজিদ মিয়া। আরো অনেক কিছুই ঘটতে থাকে মজিদ এর ইচ্ছায়। এমন কি খালেক ব্যাপারীকেও একদিন সে জব্দ করে।মানুষ ও তার বাস্তব জীবন অবলম্বল করেই উপন্যাসের কাহিনী নির্মিত। এক শ্রেনীর ধূর্ত মানুষ, সহজ সরল মানুষ গুলোর বিশ্বাসের উপর প্রতারণা করার যে চিত্র আমাদের সমাজে ফুটে উঠে তাই লেখক উপন্যাসে উল্ল্যেখ করেছেন।সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যের এক অসামান্য কথাশিল্পী।বিরলপ্রজ এ শিল্পীর প্রথম উপন্যাস লালসালু আমাদের উপন্যাস সাহিত্যের সবচেয়ে বাস্তবধর্মী। উপন্যাস টি বহুল পঠিত ও নন্দিত।লালসালুর কাহিনী গড়ে উঠেছে ধর্মীয় প্রতারনার বলি এক দল ভাগ্য বিপর্যস্ত মানুষকে নিয়ে। লাল কাপড়ে আবৃত একটা নাম দাম হীন কবর কে অবলম্বন করে মজিদ তার ঠগবাজি করে যায়। তার দম্ব পুরোপুরি ভেঙে দেয় জমিলা কিন্তু তবুও সে দাড়ায়। উপন্যাসের শেষ দিকেও সে ধর্ম কে অবলম্বন করেই বলে, " নাফরমানি করিও না। খোদার উপর তোয়াক্কাল রাখো।"লালসালু প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে। উর্দূ, ফরাসী ও ইংরেজি এই তিন টি ভাষাতেও অনুবাদ হয় লালসালু। উর্দূ ভাষায় উপন্যাস এর নামকরন হয় Lal shalu.ফরাসীতে L Ardre sans racines.অনুবাদ করেন ওয়ালীউল্লাহর সহধর্মিনী অ্যান মারি -থিরো।লালসালু ইংরেজী অনুবাদে নাম করন হয় Tree Without Roots. পরবর্তীতে জার্মান ও চেক ভাষা সহ বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত হয়। আহসান হাবীব লালসালু কে বলেন, " বাঙালি মুসলিম রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাস"।২০০১ সালে লালসালু নামে চলচিত্র নির্মান করাহয়। এই উপন্যাসে মূলত কুসংস্কার আচ্ছন্ন বাঙালীকে দেখানো হয়েছে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"লালসালু" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: