১ম প্রকাশ, ২০২১
লাল রঙের নীল বৃষ্টি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | লাল রঙের নীল বৃষ্টি |
| Author | তৃধা আনিকা |
| Publisher | ছাপাখানা প্রকাশনী |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২১ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 299 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.51 Kg |
| ISBN | 9789843515483 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
16 Ratings and 10 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১০টি
Muslimah Ummat , Dec 3, 2025
"আমার খুব পছন্দের একটি বই..তৃধা আনিকা খুব ভালো লিখেন..ধন্যবাদ রাইটারকে এত সুন্দর বই উপহার দেয়ার জন্য..! 💖😊"
880****188 , Mar 30, 2024
"অসাধারণ অসাধারণ অসাধারণ 💝💝💝"
Jolly , May 29, 2022
"মন ভালো করে দেয়ার মত একটি উপন্যাস। গল্পটিতে প্রতিটি চরিত্র নিজ নিজ জায়গায় অনবদ্য, আর লেখাটাও সাবলীল। লেখিকাকে অনেক ধন্যবাদ অহেতুক জটিলতা ছাড়া এমন দারুণ একটি উপন্যাসের জন্য। ❤️"
Nimki , Mar 29, 2022
"💟💟💟"
Jarif , Mar 24, 2022
"💜💜💜"
Md jihadul islam , Dec 24, 2021
"কিছু বলবো না। শুধু বলবো অনুভূতি আর অনুভূতি💘"
Sakib , Dec 12, 2021
"#লাল_রঙের_নীল_বৃষ্টি #রিভিউ ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ লাল রঙের নীল বৃষ্টি •লেখকঃ তৃধা আনিকা •ধরনঃ সামাজিক, রোমান্টিক •প্রকাশনীঃ ছাপাখানা প্রকাশনী •প্রচ্ছদঃ খালেদ সাইফুদ্দিন •মুদ্রিত মূল্যঃ ৫২৫ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২৯৯ •প্রকাশকালঃ নভেম্বর ২০২১ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ হঠাৎ একটা জিনিস মনে হলো । লেখক তৃধাপুর বইয়ের পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখতে গেলে দুইটা জিনিস করতে হয় । এক হলো, নিজেকে তৈরি করে প্রস্তুত হয়ে থাকতে দিতে হয় । যেনো বলা হলো, হও এবার বাহ্যিক ভাবে প্রস্তুত । আর দুই হলো, মনকে উপন্যাসের আদলে ভিজিয়ে নিতে হয় । এইটা আসলে খুবই সমস্যার বিষয় । কারণ মনে হয় মন থেকে প্রস্তুত হতে গিয়ে আমি আরো দ্বিধান্বিত হয়ে পড়ি প্রতিবার । এক নাম্বার তো আমি করে ফেলেছি, দুই নাম্বার করতে গিয়েই আমি এলোমেলো হয়ে যাই । আমার মনে হয় আমার মনে যে চাপ পড়ে লেখকের সেটা থেকে আসলে আনন্দের পাশাপাশি খুশি খুশি কষ্টও বের করে দিয়েছে । ♦পারিপার্শ্বিক দিকঃ লাল রঙের নীল বৃষ্টি! পৃষ্ঠা সংখ্যা ২৯৯ । রাতের শেষ হয়ে রাতের মাঝামাঝিতে যখন নতুন দিনের সূচনা শুরু হয় ঠিক সেই সময়ে উপন্যাসটি পড়তে শুরু করেছিলাম । রাত ঠিক ১২টায় উপন্যাসটি পড়া শুরু করেছিলাম । আর পড়া শেষ করে এখন পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখতে বসেছি ঠিক ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে । আমি ভাবিনি এত সময় লাগতে পারে । আমি এই পুরোটা সময়ে উপন্যাসটা পড়েছি । মাঝে মাঝে ফিতাটা ধরে নাড়িয়ে দিয়েছি । আমার এই না ঘুমানো রাত, কিংবা জেগে জেগে কাটিয়ে দেয়া ভোর তাই আলোড়নই তুলে দিয়ে গেল । ♦নামকরণঃ লাল রঙের নীল বৃষ্টি । পৃথিবীতে বৃষ্টি বিষয়টা অদ্ভুত । আকাশ ভেদ করে মেঘেরা কান্না করুক বা ঝরঝরিয়ে হাসুক আমার হুট করে প্রতিবারই মনে হতো প্রকৃতির বৃষ্টি আমার কাছে ভালোবাসার এক অপেক্ষা । আমি উপন্যাসে বারবার খেয়াল করেছি প্রতিটি বৃষ্টি এই উপন্যাসে অদ্ভুত এক মোড় তৈরি করে দিয়েছে । যে মোড় উপন্যাসকেই এলোমেলো করে দিয়েছে । এই মোড়গুলো আসলেই যেন জীবনের ছায়াপথে লাল রঙের নীল বৃষ্টির মতো । জমকালো সাথে উদাসীন খুশি খুশি ভাব । ও এত কথা বলার মধ্যে বলা হয়নি, উপন্যাসের নামকরণটা সার্থক হয়েছে । ♦চরিত্র বিশ্লেষণঃ অনেকগুলো প্রিয় চরিত্র আছে এই উপন্যাসটির । কিছু চরিত্র নিয়ে বিশ্লেষণ করবো । আমার প্রতিবার পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখতে গেলে এই অংশটা নিয়ে ভয় করে । জীবনের ভিত্তিতে এই চরিত্রগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করার মতো আমি হয়তো কেউ না । কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্যি লিখেই পোস্ট করে অনেক অনেক পরে পোস্টে নোটিফিকেশন পেয়ে আমি যখন আবার পড়ি তখন এই চরিত্র বিশ্লেষণ অংশটাই বেশ আয়েশ করে পড়ি । •আয়ানঃ পৃথিবীতে বেঁচে নিজের জীবন নিজে পরিচালনা করে হাসি আনন্দ নিয়ে চলতে চাইলে যে যে গুণগুলো দরকার এবং প্রয়োজনীয় তা সবগুলোই আয়ানের মধ্যে আছে । আয়ান ভালোবাসাকে বোঝানোর থেকে ভালো রাখার, পাশ থেকে পাশের মানুষদেরকে সামনের পথে এগিয়ে নেয়ার জন্য যে আন্তরিক প্রচেষ্টা করেছে সেটা সবথেকে ভালো লেগেছে । হয়তো বোঝানো যেতো না তাও প্রতিটি পদক্ষেপে আমি তার ভালোবাসা টের পেয়েছি । পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষকে তার মতো করে তাকে ভালোবাসা আমার কাছে সবথেকে বড় গুণ । আয়ান সেটা অসাধারণ ভাবে করেছে । •নাজিয়াঃ আমার ব্যক্তিগত ভাবে নাজিয়া চরিত্রের মধ্যেকার যে সাইকোলজিটা দেখানো হয়েছে সেটা ভালো লেগেছে । এই যে সিদ্ধান্তহীনতা, কি করবে নিজে বুঝতে না পারা অর্থাৎ আমি কি চাই তা আমিই বুঝতে পারছি না সেটা যখন তার মধ্যেই একে একে ধীরে ধীরে গঠন হলো সেটার পরের পরিস্থিতিটা ভালো লেগেছে । মা-বাবাকে ভালোবাসা বলা যায় পৃথিবীতে যাদের মাধ্যমে এসে পা ফেলে সব কাজ করছি সেখানে একটু হলেও আনন্দ প্রকাশ করা । যে না, দেখো মা-বাবাকে আমি অনেক অনেক ভালোবাসি । এই বিষয়টা আমার খুবই ভালো লেগেছে । •আতিক সাহেবঃ মেয়েদের বাবাদের কাছে মেয়েরা রাজকন্যা হয় । আর উল্টোদিক থেকে মেয়েদের কাছেও বাবা হয় আদর্শ । সেই দিক থেকে তিনি মেয়ের কাছে আসলেই একজন আদর্শের মতো । নিজের জীবনের প্রতিটি বিষয় মেয়েকে বুঝতে দিতে সাহায্য করার পাশাপাশি মেয়ের জীবনের প্রতি চলাচলে, প্রতিটি মোড়ে এত সুন্দর করে ব্যাখ্যা করে বলেছেন যা আসলেই খুব সৌন্দর্যের মতো ছিল । •বীথিঃ বীথি চরিত্রটি যখন আসবে তার ঠিক আগে আগে হঠাৎ আমার মনে হচ্ছিল ভাই দুইজনের জীবনের একটু মোড়ে মোড়ে হয়তোবা বোনটার হাতও আছে । বোনের উপস্থিতি দরকার, খুব করে দরকার । অন্তত আমার আনন্দের জন্য । যতক্ষণ না আসবে ঠিক ততক্ষণ অপেক্ষা করবো আমি । তারপরে আসলো । এত হাস্যোজ্জ্বল এবং বন্ধুত্বপূর্ণ মানুষটিকে তাই প্রতিটি পদক্ষেপে কাছের মনে হয়েছে । •রায়ানঃ রায়ানের রান্না বিষয়ক বর্ণনাটা আমার ভালো লেগেছে সবথেকে । হঠাৎ করে মনে হয়েছে পরিস্থিতি বুঝে নিয়ে কাজ করতে পারে খুব সুন্দর করে । •লিজাঃ লিজাকে নিয়ে আমি কিছু লিখবো এটা আমি ঠিক করেছিলাম লিজাকে যখন দ্বিতীয়বার নাজিয়া ফোন করেছিল তখন । মনে হয়েছিল এত সুন্দর করে কেউ ফোনে বন্ধুর অনুভূতি বুঝতে পারে, এত সুন্দর করে সব সাজিয়ে দিতে পারে এই চরিত্রটিকে নিয়ে আমার লিখতেই হবে । ♦প্রিয় চরিত্রঃ প্রিয় চরিত্র কে নয় সেটা বলা বোধহয় আরো সোজা ছিল আমার জন্য । যাহোক তাও আমার কাছে একজনকে নিয়ে লিখতে গেলে অবশ্যই আয়ান হবে । আয়ানের ধৈর্য, সব মানিয়ে চলাই তাকে প্রিয় চরিত্রে পরিণত করেছে । ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √ভূমিকায় থাকা অংশটা দিয়েই শুরু করবো । লেখকের পাঠ প্রতিক্রিয়া লিখতে গেলে আমি প্রতিবার কাঁপতে থাকি । মনে মনে ভাবতে থাকি, আমি যা যা দরকার তা লিখতে পারছি তো! আমার প্রতিটি কথা বুঝিয়ে বলতে পারবো তো । আমার মনে হয় প্রতিটি বার লেখকের পাঠ প্রতিক্রিয়া আমি ঠিকভাবে লিখিনি একটিও । অথচ আমার পরবর্তীতে যতটুকু পারছি তার মধ্যে ব্যক্তিগত প্রিয় বলতে গেলে লেখক তৃধাপুর উপন্যাসের পাঠপ্রতিক্রিয়া গুলোই । মনে হতে থাকে যেন, এখানে প্রতিটি শব্দ কাঁপছে । প্রতিটি শব্দ অনুভূতি বের করছে । √এবার পাঠ প্রতিক্রিয়া এর প্রথম থেকে লিখি বরং । বইটা পড়ার জন্য মেলে ধরতেই পৃষ্ঠা থেকে একটা অন্যরকম গন্ধ বের হয়েছিল । কেনো বের হয়েছিল আমি তা জানি না । কিন্তু এই গন্ধটা কোনো সুগন্ধ এর থেকে কম ছিল না । এই আবেশ আমি নাকে ধরে রেখেছিলাম অনেকক্ষণ । √আমি যতই বলি, পৃথিবীতে প্রতিটি পাঠকই না জেনেও, না চিন্তা করে হলেও অন্তত ভাবে উপন্যাসের নামকরণটা জীবনধারার মধ্যে কিভাবে প্রভাব ফেলবে । আমি তো তখন ভেবেছিলাম দেখা যাক বৃষ্টি কিভাবে প্রভাব ফেলে । আমি প্রতিবারের মতো এবারও মারাত্মক ধৈর্য নিয়ে জীবনধারা খেয়াল করেছি । এটা সুন্দরভাবে সাজানোর বিষয়টা অদ্ভুত থাকে । আর জীবনধারার ব্যাকগ্রাউন্ডে তৃধাপুর মতো করে সুন্দরভাবে সাজাতে আমি কোথাও পাইনি । ব্যাকগ্রাউন্ডে মানুষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মুহূর্তের অনুভূতিগুলোকে ভেঙ্গে জুড়ে দিয়ে জীবনধারার চারপাশে যেন সীমানা গড়ে দেয়া হয়েছে । যেন মনে হচ্ছিল এই হলো সীমানা এর মাঝে থাকা প্রতিটি মানুষের জীবনধারা এই সুরেই গেঁথে উঠবে । এইটাই অসাধারণ ছিল । যেহেতু একটু খুশি খুশি অনুভূতির উপন্যাস । সেজন্য জীবনধারার ব্যাকগ্রাউন্ডে সবসময় তুলোর মতো নরম নরম ভাব বিরাজ করছিল যা আরো মুগ্ধতা বাড়িয়ে দিয়েছে । প্রতিটি বার মনে হচ্ছিল এই সুন্দর সুন্দর মুহূর্তগুলো তো আমাদের জীবনেও ঘটে । আমাদেরও পাশাপাশি হাতে কানায় কানায় লেগে থাকা স্পর্শে কাজ করে তাহলে তাদের মনেও এত সুন্দর কোমলতা, এত মায়া, এত অনুভূতি সব মিলিয়ে এটাই উপন্যাসের ভালো দিক । √একটা উপন্যাসের জীবনধারা সাজানো হয়ে গেলে তখন আসে চরিত্র গঠন । চরিত্র গুলোকে ঠিকভাবে দাঁড় করিয়ে দিয়ে যেন বলা, নে এখানেই দাঁড়িয়ে থাক । নিজের জীবনের বিশেষত্ব নিয়ে চলাফেরা কর । তারপরই প্রতিটি আনন্দে, খুশিতে, দুঃখ, কান্নায় তোর জীবন যেমন প্রকাশ করতে বলে সেভাবেই প্রকাশ কর । যাহোক উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্রের উপস্থিতি অসাধারণ ছিল । যেখানে যাদের উপস্থিতি প্রয়োজন সেখানে তাদেরকেই নির্বাচন করা হয়েছে যেন । তবে পরিশিষ্টতে একটা সময় গিয়ে মনে হচ্ছিল ব্যাকগ্রাউন্ডে আয়ানের উপস্থিতি থাকলে বেশ হতে পারতো । তাছাড়া প্রতিটি চরিত্র সঠিকভাবে গড়ে তোলা হয়েছে । ♦প্রিয় অংশঃ এই উপন্যাসের প্রতিটি অংশ বোধহয় আমার প্রিয় । প্রতিটি অংশ যেন আমাকে বলেছে আমাকে পাঠক হিসেবে ব্যাখ্যা করো । তাহলে প্রথমেই বলবো ৪৬-৪৭তম পৃষ্ঠার মুহূর্ত থেকে । এই পৃষ্ঠা দুইটিই উপন্যাসকে প্রথম মোড়টা দিয়েছে বলে আমার মনে হয়েছিল । মনে হয়েছিল এই মোড়টিই উপন্যাসে আলোড়ন করে গড়ে তুলবে । যা শেষে এসে আরো মনে হয়েছে । এই উপন্যাসের নামকরণ হয়েছে আসলে কিছু বৃষ্টির জন্য । কিছু বৃষ্টির পরের অংশের জন্য । তার মধ্যে প্রথম বৃষ্টিটা হুড়মুড়িয়ে এলো ৭২ পৃষ্ঠায় । আমার হঠাৎ মনে হলো যেন কিছু বৃষ্টি মায়ার মতো দেখতো । মানে তাকালেই মনে হবে এ যেন অদ্ভুত এক মায়া, কি না বলা এক অস্থিরতা, অন্যরকম এক বিষণ্ণতা তৈরি করে দেয় । এইরকম মায়া নিয়ে গড়া কিন্তু ভয়ংকর এক বৃষ্টি উপন্যাসে আরো একটি মোড় সৃষ্টি করলো । যা আমার আরো প্রিয় হয়ে উঠলো । আচ্ছা, বৃষ্টি কি শুধু আকাশের কান্না হয়েই আসে! মানুষের জীবনে চোখের কান্না হয়ে আসে না । আকাশের অভিমানে বৃষ্টি, মানুষের অভিমানে কান্নারূপে এ এক নতুন বৃষ্টি ১২৪ পৃষ্ঠায় আমাকে বাবা মেয়ের শুদ্ধতম ভালোবাসার মুহূর্তের সাক্ষী করলো যেন । তারপরের বৃষ্টিটা বোধহয় একটা চরিত্র আসলে কিভাবে গঠন হচ্ছে তাই পাঠককে অনেকটা বুঝিয়ে দিয়েছে । এবং এই অংশটা আমার খুব খুব ভালো লাগার অংশ, ১৬৭ পৃষ্ঠার এই অংশটা তাই আমার মনের কাছের । মানুষের জীবনে অনেক ধাপ থাকে যেমন, তেমন একেকটা বৃষ্টি একেক রকম । কোনোটা সুখ, কোনোটা আনন্দ, কোনোটা কষ্ট এইরকম বৃষ্টি নিয়ে থাকা ১৯৫ পৃষ্ঠার অংশটাও আমাকে অন্যরকম একটা মোড় নেয়া বুঝিয়েছে । বাবার মেয়েকে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ বোঝানোর জন্য যে ধাপটা ২৬৯ পৃষ্ঠায় দেখানো হয়েছে তা আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে এই মানুষগুলো কতটা সুন্দর করে কাছের মানুষদের বুঝতে পারে । ♦অন্যান্য বিষয়ঃ √প্রচ্ছদঃ আমি যেদিন প্রথম এই প্রচ্ছদটা দেখেছিলাম আমি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম, আমার মনে হয়েছিল এই উপন্যাসটির প্রচ্ছদটাই এটাকে এমন একটি স্থানে নিয়ে যাবে যা কেউ অন্য কোনো উপন্যাসকে নিতে পারবে না । সবথেকে বেশি যেটা মনে হচ্ছিল তা হলো, মানুষ পাঠকদেরকে বই গিফট দেয়, জন্মদিনে বই গিফট করে কিন্তু এটার মতো এত সুন্দর নাম এবং প্রচ্ছদের বই আসলে গিফট দেয়ার জন্যে পুরো যথাযথ ছিল । এই প্রচ্ছদটা আমার খুব প্রিয় । ভাবছি পড়া তো শেষ হয়ে গেল, কিন্তু বইটা বিছানাতেই রাখবো । একটু একটু করে প্রচ্ছদটা দেখবো । √উৎসর্গঃ উপন্যাসটা যখন আমি মেলে ধরলাম আমার চোখ প্রথমে উৎসর্গ লেখা না দেখেও এমন একটা মানুষের নামের ওপরে পড়েছিল মনে হয়েছিল এই নামটাই যথেষ্ট এই উপন্যাসকে পছন্দ করার । এই উপন্যাস আমি জড়িয়ে ধরবো । এটাকে আমি আমার প্রতিটি সুখের মুহূর্তগুলো বলবো । এই উপন্যাস আমার প্রতিটি পথচলায় সাক্ষী হবে । এমন একজনকে উপন্যাসটি উৎসর্গ করা হয়েছে যে আমার খুব প্রিয় একজন । এই বিষয়টা ভালো লেগেছে খুব । √উপন্যাসের ভূমিকাঃ পৃথিবীতে সবাই বলে মানুষ কৌতুহলী । আমার এতদিনকার কৌতুহল যখন কেটে গেল তখন আমার মনে হয়েছিল পৃথিবীতে এত সুন্দর ভূমিকার সাক্ষী আমি কেনো হতে পারলাম না । এই একটু কম কম কাঁদা মানুষটি বোধহয় কেঁদেই দিতো । পৃথিবীতে কেঁদেও যে শান্তি তা বোধহয় বুঝতে পারতাম । এত সুন্দর ভূমিকা পুরো উপন্যাসের বাকি পৃষ্ঠাগুলোয় আবেশ ছড়িয়ে দিয়েছে । √প্রকাশনীঃ প্রকাশনী হিসেবে ছাপাখানা প্রকাশনী আমার সবসময়ই প্রিয় । মনে হয় এরা যেন নিজের ঘরের পাশের প্রতিবেশীর মানুষগুলোর মতো কাছের । আপন আপন লাগা ভাব । তারা অসাধারণ কাজ করে যাচ্ছে । আমিও তাদের লাইভ দেখে সত্যিই দ্বিধান্বিত হয়ে পড়েছিলাম । কিন্তু আমার কাছে স্পেসিং একেবারে ঠিকঠাক লেগেছে । বরং আরো সুন্দর করে ফুটে উঠেছে । তাদের এটার পৃষ্ঠার বাইন্ডিং অন্যরকম ছিল । পৃষ্ঠাগুলো আকর্ষণ বাড়িয়ে দিয়েছে । ছাপাখানার পোস্ট প্রোডাকশন সবসময়ের মতোই সুন্দর লাগে । এবং তা অতীব মাত্রায় আকর্ষণীয় । ♦লেখক প্রসঙ্গেঃ লেখক প্রসঙ্গে লিখতে গেলেই সবার আগে লিখতে ইচ্ছে করে, লেখক পরিচিতি আমি মনোযোগ দিয়ে পড়েছি । এবং মনে হয়েছে নিজের সম্পর্কে এত সরল সোজা ভাবে নিজেকে বিশ্লেষণ করাটা খুবই কষ্টসাধ্য কাজ । এটা তৃধাপুর দশম বই । দশম, দশম শব্দটাই কেমন ভারী ভারী লাগে না? মনে হতে থাকে এটার প্রতি অনেক দায়িত্ব । অনেক কাজ করতে হবে । তৃধাপু তা সুন্দরভাবে করে ফুটিয়ে তুলেছেন । তার প্রতিটি উপন্যাসে মানুষের জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত আত্মিক এবং বাহ্যিক দুই পরিবেশেই এত সুন্দর করে সাজানো হয়ে থাকে যে তা পড়তে থাকলেই আমার মনে হতে থাকে সুখ সুখ কষ্ট পাচ্ছি । আবার কখনও মনে হতে থাকে কষ্ট কষ্ট সুখ পাচ্ছি । এই অদ্ভুত বিষয় আমার পাঠকমনে একটি প্রভাবই বাড়িয়েছে শুধু । তা হলো এত সুন্দর করে সাজানোটা অন্য কোনো লেখক পারতো না । এত সরল ভাবে মনের প্রকাশটা কেউ সাজাতে পারতো না । তৃধাপুর পরবর্তী উপন্যাসের জন্যে শুভকামনা রইলো । আপুকে এখনই ভালোবাসাও জানাচ্ছি । আমার অটোগ্রাফটি এত পছন্দ হয়েছে । উপন্যাসের প্রতিটি শব্দই পাঠকদের কাছে প্রিয় । কিন্তু তা ছাড়াও যতগুলো শব্দ অটোগ্রাফে জড়ো হয়ে প্রিয় হয়ে গেছে তাও প্রিয় হয়ে গিয়েছে । ♦উপসংহারঃ উপন্যাসের নামের একটা অংশ হঠাৎ মনে করিয়ে দিলো একটা জিনিস । বৃষ্টি মানুষের মনের আবেগ ঠিক তার মতো করে প্রকাশ করে থাকে । যা আসলেই আমাদের মনের মতো সমার্থক হিসেবেই আসে । মুষলধারে বৃষ্টি মানুষের মনে সুখ আনুক বা কষ্ট যেটাই আনুক সেটাকে তীব্র ভাবেই আনে । আমার এই বৃষ্টিগুলো খুবই পছন্দ । মনে হতে থাকে এরকমই ভাবেই আকাশের মতো করে সব অনুভূতি বের করে দিয়ে নিজেকে নিশ্চিন্তে নিঃশ্বাস নেওয়ানো একটা অসাধারণ বিষয় । আমার পাঠক জীবনে এরকম সুখ সুখ মুহূর্তের বৃষ্টি প্রতিটি বারই আনন্দ হয়ে ঝড়ুক । তারা অপেক্ষা করতে করতে বুঝিয়ে দিক তৃধাপুর পরবর্তী উপন্যাসের জন্য অপেক্ষা করাই যায় । আচ্ছা প্রিয় লেখকদের উপন্যাসের জন্য এই অপেক্ষা গুলোও বিশেষ হয় না! মনে হতে থাকে না! আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাচ্ছি ধরনের । তৃধাপুর পরবর্তী উপন্যাসের অপেক্ষা করতে করতেই বলে যাই বরং দশম বইটি যেমন নামে মাইলস্টোন উপন্যাসেও মাইলস্টোন হয়ে রইলো, এই আনন্দে অপেক্ষা তো করাই যায় । এরকম সুখ, সুখময় অপেক্ষা!"
Sidna Chowdhury , Dec 9, 2021
"দারুণ একটা সময় কেটেছে! প্রতিটা চরিত্র এত চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন লেখক যে আমি প্রিয় চরিত্র ডিসাইড করতে পারছি না। একরাশ ভালোবাসা তৃধা আনিকা এন্ড কনগ্রেচুলেশন্স ফর ইউর টেন্থ বুক। আরো অনেক বই চাই ♥"
Jafna Jahan , Dec 9, 2021
"যাদের হুট করে মন খারাপ হয়।দিন দুনিয়া কিছুই ভালো লাগেনা।তখন যাদের বেস্ট সঙ্গী হবে লাল রঙের নীল বৃষ্টি।প্রথম কয়েক পাতা আগ্রহ নিয়ে পড়ার পর হঠাৎ দেখন আরে পুরো বই পড়া শেষ!তখন মনে থাকবে কিছু সম্পর্কের গভীর ভালোবাসার ছাপ।ঠোঁটে থাকবে হাসি আর চোখে ভাসবে এক অসহায় ছেলের নাজেহাল অবস্থা!"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটা কত পৃষ্ঠা????
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"লাল রঙের নীল বৃষ্টি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: