১ম প্রকাশ, ২০২০
খুনে অরণ্য
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | খুনে অরণ্য |
| Author | মারুফ হোসেন |
| Publisher | প্র প্রকাশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২০ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 232 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.11 Kg |
| ISBN | 9789849468400 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
14 Ratings and 10 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১০টি
Washim Bond , Dec 4, 2022
"ফালতু এন্ডিং নাই"
Amazing Quran , Jan 25, 2022
"বইটা এক কথায় অসাধারন।"
Md Idris Ali , Dec 17, 2021
"যা ভেবেছিলাম তা না। বইটির মধ্যে অন্যরকম কোনো চমক নেই। খুনি হিসেবে প্রথমে যাকে সন্দেহ করা হয় সেশ পর্যন্ত সেই খুনি প্রমাণিত হয়। আগাথা ক্রিস্টি /নিক পিরোগ এর মতো লেখকদের বইয়ের কাছে এ বইটি যেন দুধভাত।"
Qazi Akash , Nov 28, 2020
"কর্মজীবনে দারুণ সাফল্য পাওয়া আইনজীবী আহমেদ মুনতাসির তপু। বয়স আটত্রিশ। পরিবার বলতে একমাত্র মেয়ে আর তিনি। পাঁচ বছর আগে স্ত্রী মারা গেছেন। একসময় বাবা, মা, বোন সবাই ছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে একে একে সাবাই পৃথিবী ছেড়েছে। মেয়েকে নিয়ে ভালোই কেটে যাচ্ছিল তার। হঠাত একদিন ফারুক মৃধা নামের এক ব্যক্তির লাশ পাওয়া গেল। লাশের পকেটে তপুর ঠিকানা লেখা। পুলিশ তপুকে নিয়ে যায় লাশের কাছে। লাশ দেখে সে থমকে যায়। ১৯ বছর আগে মারা যাওয়া তার বন্ধু রাহাদ শরীফের লাশ এটি। সে রাতে রাহাত শরীফ একা মারা যায় নি। তপুর জমজ বোন রাত্রি সহ আরো দুই বন্ধু মারা যায় সে রাতে। রাহাত যেহেতু বেঁচে ছিল, তাহলে কি বেঁচে আছে তার বোন রাত্রিও? ১৯ বছর আগে তপু গাজীপুরের এক রিজর্টে কাজ করতেন। রাতে পাহাড়া দেওয়াই তার কাজ। রিজর্টের মালিকের মেয়ে অদিতির সাথে ভাব ছিল তপুর। এক সাথে পড়ালেখা করতো। এক রাতে তপু কাজের ফাঁকি দিয়ে অদিতিকে নিয়ে ঘুরতে যায় গজারি বনের গহীনে। সে রাতেই খুন হয় চারজন মানুষ। দুজনের লাশ পাওয়া গেলেও বাকি দুজনের লাশ পাওয়া যায়না। লাশ না পাওয়াদের মধ্যে কজন রাত্রি। অন্যজন রাহাত শরীফ। এ ঘটানার পর তপুর অন্য বন্ধু মোশারফকে গ্রেফতার করা হয়। সে একটু সাইকো টাইপের। রিজর্টের লোকদের ধরে ধরে খুন করে। গাজীপুরে তাঁর খুনের প্রমাণ পাওয়া নে গেলেও অন্য দুটি যায়গায় খুনের প্রমাণ হিসেবে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অদিতি আর তার বাবা রিজর্ট বিক্রি করে বিদেশ চলে যায়। তপুর মা সবাইক ছেড়ে ভারতে চলে যায়। রাত্রিকে খুঁজতে খুঁজতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে তপুর বাবাও। তপু বর্তমানে একটি ধর্ষণ মামলা নিয়ে ব্যস্ত। একটি সাধারণ ঘরের মেয়েকে দুজনে মিলে ধর্ষণ করেছে। কিন্তু কোন প্রমাণ রাখেনি। ছেলের বাপ ধনবান। সে চায় ছেলেকে যেভাবে হোক মুক্ত করতে। বেকে বসে তপু। জেলের ভাত খাইয়ে ছাড়বে দুই ছোকরাকে। এরকম পরিস্থিতে রাহাত শরীফের লাশ পাওয়া যায়। যদিও রাহাতের বাবা মা লাশকে তার ছেলে হিসেবে মানতে রাজি না। এরকম অবস্থায় তপুর অতীত নিয়ে ঘাটছে কেউ। যেভাবেই হোক ফাঁসাতে চায় তপুকে। অতীতের সম্পর্কে পুরপুরি অন্ধাকারে তপু। হঠাত ১৯ বছর পর অদিতির ফোন পায় তপু। এতদিন পরে অদিতির ফোন পাওয়াটাও কম আশ্চর্যজনক নয়। অতীত নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে তপু। গজারি বন খুঁজে পাওয়া যায় একটি লাশের কঙ্কাল। পরীক্ষা করে জানা গেল কঙ্কালটি বেঁচে থাকাকালীন সন্তান প্রসব করেছিল। এটিই কি তবে রাত্রি? কিন্তু রাত্রিরতো বিয়ে হয়নি। কারো সাথে গভীর সম্পর্ক ছিল বলেও জানা নেই তপুর। তাহলে.....? আসলেই কি রাত্রি বেচে আছে? রাহাত শরীফ এতদিন গা ঢাকা দিয়ে ছিল কেন? রাহাতের লাশ জেনেও তার পরিবার অস্বীকার করছে কেন? অদিতিই কেন এত দিন পর তপুকে খুঁজে বের করলো? সত্যিই কি তপুর মা ভারতে চলে গিয়েছিলেন? মোশারফই কি খুন করেছিল সবাইকে? তাহলে রাহাত বাঁচল কিভাবে? মোশারফ যেহেতু জেলে, এতদিন পর তাহলে রাহাতকে কে মারল? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে পড়তে হবে বইটি। এই রহস্য উপন্যাসটি হারলান কোবেনের 'দ্য উডস' উপন্যাসের অবলম্বনে লেখা। বইয়ের ভাষায় দারুণ খেল দেখিয়েছেন মারুফ হোসেন। এড্যাপশনের কাজটাও খুব ভালোভাবে করেছেন। বাংলাদেশের সাথে খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। খুনে অরণ্য প্র পাকশনীর প্রথম বা দ্বিতীয় বই। বাধাই দারুণ হয়েছে। তবে প্রচ্ছদটা নিয়ে আমার একটু আফসোস। মূল্যও মোটামুটি ঠিক আছে।"
Razu Ahmed , Nov 17, 2020
"বেশ ভালো"
Aananya Mehnaz , Mar 4, 2020
"রহস্য উপন্যাস "খুনে অরণ্য" লেখকঃ মারুফ হোসেন প্রকাশনীঃ প্র প্রকাশন মুদ্রিত মূল্যঃ ১৬০ লেখকের "ঠগীর জবানবন্দী" পড়তে যেয়ে লেখার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী বাচনভঙ্গি ব্যবহারের সাবলীলতায় আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। "খুনে অরণ্য" - তেও সেই মুগ্ধতা অটুট। হারলান কোবেনের "দ্যা উডস" এর ছায়া অবলম্বনে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গল্পটিকে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় চরিত্র "তপু"র দৃষ্টিকোণ থেকে। "দ্যা উডস" পড়া হয়নি দেখে ঠিক কতটুকু ধারে আর কতটুকু নিজের মতন করে গড়ে নিয়েছেন সেটা বলতে না পারলেও গল্পটার স্টোরি টেলিং ন্যারেশনটা প্রথমদিকে একটু ঢিমেতেতালা লাগলেও গোটা বিশেক পৃষ্ঠা শেষ করার পরেই গল্পের শেষ জানার নেশাটা প্রবল হয়ে জেকে ধরে একদম। ১৯৯৮ সালে একটি রিসোর্টে বেড়াতে গিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ১৭/১৮ বছর বয়সের সাত তরুণ তরুণী - তপু, অদিতি, মোশারফ, রাত্রি, রাহাত, অনিমা আর রায়হান। সেই রাতে গজারির বনে খুন হয় চারজন। দু'জনের গলাকাটা লাশ খুঁজে পাওয়া গেলেও বাকি দু'জনের লাশ পুরো বন তন্নতন্ন করে খুঁজেও পাওয়া যায়নি। বেঁচে থাকা তিনজনের মাঝে একজন খুনি সাব্যস্ত হয়ে জেলে, একজন বেনামে পাড়ি জমায় বিদেশে, দেশে রয়ে যাওয়া আরেকজনই গল্পের মূল চরিত্র "তপু"। ১৯ বছর পরে তপু মুখোমুখি হয় তার জীবনের চরম সত্যের। যেই ভয়াল রাতের পরে তছনছ হয়ে যায় তার জীবন - সেই রাতের রহস্য খুঁড়ে বের করছে কে? আসলেই কি খুন হয়েছিল সেই চারজন? বাকি দু'জনের লাশ কোথায়? অতীতকে ধামাচাপা দিতে সবাই এতো মরিয়া হয়ে উঠলো কেন এতোদিন পরে এসে? এইসব প্রশ্নের জবাব জানতে হলে পড়ে ফেলতে হবে ২৩২ পৃষ্ঠার পেপারব্যাকটি। ৩৯টি পরিচ্ছেদের প্রত্যেকটির শেষেই নতুন করে একটি রহস্যের শুরু পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে শতভাগ সফল। একবার শুরু করলে শেষ না করে ওঠা সত্যিই মুশকিল। উপন্যাসের সেরা কাজ নিঃসন্দেহে এর শেষের ওপেন এন্ডিং। রহস্যর সব সুতোর জট একে একে ছাড়ানোর পরেও মানবিক সম্পর্কের জট নিয়ে উপন্যাসের শেষটা চমৎকার লেগেছে। বৃত্তাকারে গল্পের কাহিনী যেখানে শুরু হয়েছিল সেখানেই এসে শেষ করাটা পাঠক হিসেবে কল্পনা করে নিতে খুব আরাম দিয়েছিল। ছোট করে ঢাবির ইংরেজি বিভাগের বর্ণনা, কুয়েত মৈত্রী হল, কাউন্সেলিং আর চাইল্ড এবিউজের মতন স্পর্শকাতর অংশটুকুর জন্যে লেখককে - ধন্যবাদ। পুরো বইয়ে একমাত্র হিন্দি শব্দ "বেচয়েন", যেই চরিত্রের মুখ দিয়ে এই শব্দটি এসেছে তার চরিত্রের সাথে হুট করেই এই শব্দটা আমার কাছে একটু বেখাপ্পা লেগেছে। এই একই অংশে আরেকটু ধীরস্থিরে ডিটেইলিং থাকলে গল্পের ফ্লোটা ভালো লাগতো। তবে একই সাথে কয়েকটা রহস্য হুট করে খুলে দিয়ে লেখক হয়তো পাঠকদের এড্রিনালিন রাশ দিতে চেয়েছিলেন এমনও হতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের প্রেক্ষাপট ব্যবহার করাটা খুবই চমৎকার প্লট বিল্ডিং টেকনিক ছিল। দুটো কেস প্যারালালে চালিয়ে একটা আরেকটার সাথে মিলিয়ে দিতে পারার কঠিন কাজটি লেখক দক্ষতার সাথে করেছেন। পর্নোগ্রাফি, সেক্সের মতন ট্যাবু বিষয় নিয়েও পড়তে যেয়ে অস্বস্তি লাগেনি একদম। এক কথায় বললে, উপন্যাসটা পড়তে যেয়ে ঘুরেফিরে রাত জেগে সেবার বই পড়ার দিনগুলোর কথা মনে পড়ছিল। উপন্যাসের সবচেয়ে ভালোদিক এর ভাষার গাঁথুনি আর গল্পের সাথে বাস্তবতার মিল। কোথাও মনে হয়নি যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চরিত্রগুলো বেমানান। প্রথম তিনটি পরিচ্ছেদ শুধু গল্পের প্লটটা ধরতে একটু অসুবিধা লাগলেও এরপর রহস্যের মারপ্যাচে পাঠক ডুবে যেতে বাধ্য। ওপেন এন্ডিংটা আমার গত দুই তিন বছরে পড়া যেকোন এন্ডিং এর মধ্যে দ্বিতীয় সেরা। (প্রথমটা Ama Ata Aidoo এর Lice, তৃতীয়টা সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর "স্তন") পাক্কা অনুবাদক থেকে ছায়ায় আসা লেখক এইবার মৌলিকের মহীরুহ হয়ে উঠুক। শুভকামনা! 😊"
Md. Fuad Al Fidah , Mar 3, 2020
"বহুদিন পর পাঠ-প্রতিক্রিয়া লিখতে বসলাম। কেননা পরিচিত মানুষজনের বইয়ের ব্যাপারে দুই-চার খানা কথা বলা সহজ। ভালো বললেও তারাসহ কেউ গা করে না, মন্দ বললেও না...সকলি গরল ভেল। জনাব মারুফ হোসেন নিরীক্ষাধর্মী কাজ, তথা অ্যাডাপ্টেশন করার জন্য খাসা একখানা বই বেছে নিয়েছেন। খাসা বলছি এই কারণে যে বইটির সঙ্গে সম্ভবত বাংলাদেশের অনেককিছুই সহজে মিলে যায়। তাই তার কাজও সহজ হয়েছে। কাজ সহজ করতে এই বই বেছে নেয়া, না বই বেছে নিয়ে কঠিন কাজকে সহজ করা হয়েছে-সেই বিতর্ক কালের পাতে তোলা থাক। প্রথমেই আসি গল্পের প্রেমিসের ব্যাপারে। বইয়ের শুরুটাকে অনেকটা ঢিমে-তেতালা বলা চলে। প্রথম দিকে অবশ্য মনে হওয়া বিচিত্র নয় যে কোনো একখানা কোর্টরুম থ্রিলার হাতে তুলে নেয়া হয়েছে। কিন্তু পুঁটি মৎস শিকারের নিমিত্তে জেলে নদীতে গমন করিয়া যে শোল মাছ মারিচ্ছেন, তাহা প্রতীয়মান হয় কিয়দংশকাল পরে লাশের আগমনের সঙ্গে সঙ্গেই! অতঃপর দৌড়, ছাপ। অতঃপর ইঁদুরের পেছনে বেড়াল আর বেড়ালের পেছনে মানুষ। কে যে কোন চরিত্রে আছেন তা বোঝা মুশকিল...এমনকী শেষ পাতা পর্যন্ত গিয়েও! চরিত্রসমূহ বেশ ফ্ল্যাশড আউট। মূল চরিত্রগুলোর মনোভাব, আদর্শ, ভাবনা-চিন্তা এবং নানা পদক্ষেপের মাঝে রয়েছে ভারসাম্যপূর্ণ বিস্তৃতি। তাই পড়তে গিয়ে মনে হয় না যে শ্রদ্ধেয় মারুফ সাহেব পুরো লাইন বাই লাইন অনুবাদ করেছেন, বরঞ্চ বইটিকে সহজপাচ্য করার পেছনে তার পরিশ্রম আঁচ করা যায়। ইতিহাস সাক্ষী, 'অবলম্বনে' লেখা বইগুলোতে ছোটখাটো অনেক অসামঞ্জস্য থাকে। যেমন বাংলাদেশে এসে চরিত্র ব্যবহার করেন এটিঅ্যান্ডটি মোবাইল, চরিত্রের পরিচয় জানার জন্য ব্যবহার করা হয় 'ডেন্টার রেকর্ড', আদালতে গিয়ে মাননীয় জুরির সামনে কেস উপস্থাপন করেন মাননীয় আইনজ্ঞরা। তবে খুনে অরণ্যতে আমার চোখে তেমন কিছু পড়েনি। থাকতে পারে, তবে আমি পাইনি আরকী। বইয়ের গল্প নিয়ে আপত্তি শুধু এক জায়গায়- শেষের পরের শেষ। কোবেনে বইতে এমন হয়। এন্ড ক্রেডিটে ১ মিনিটের একটা সিন দিয়ে দেন তিনি। কারও কারও খুব ভালো লাগে, কারও হজম হয় না। আমার হয় না, এখানেও হয়নি। আমি বইটি উত্তরাধিকার সূত্রে ছাপার খানিক আগে পড়েছি, তবে কোয়ালিটি দেখার ইচ্ছে ছিল বেশ। পেপারব্যাক কোম্পানির বাংলাদেশে একটাই, বাকিটার চেষ্টা করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সফল হয় না, তবে প্র প্রকাশনের সফল হবার সম্ভাবনা বেশি বলেই মনে হয়। পাতার মান নিউজপ্রিন্ট পেপারব্যাক হিসেবে ভালো। বাঁধাই, ছাপা ও মলাটও গ্রহণযোগ্য। দাম খানিকটা বেশি বলা চলে, তবে ২৩২ পাতার বই ১২০ টাকা খুব বেশিও না। আপত্তি আছে একটূ, ছাপাটা আরেকটু বড় হলে সম্ভবত খারাপ হতো না। বুড়ো হচ্ছি, চশমাও ভাঙছে; কয়েক পা পাতা পড়ার পর একটু চাপ লাগল চোখে।"
শরিফ খান , Feb 27, 2020
"দুর্দান্ত থ্রিলার! অনেক দিন এতো ভালো থ্রিলার পড়িনি! এ বইটা 'দি উডস'-এর অ্যাডাপ্টেশন। মূল বইটা পড়া হয়নি। পড়া থাকলে, হয়তো অপছন্দের কিছু খুঁজে পাওয়া যেতো। যাইহোক, বাংলাদেশী থ্রিলারের স্ট্যান্ডার্ডে মারুফ হোসেন যে খেলাটা দেখিয়েছেন, আমি তাতেই মোটামুটি সন্তুষ্ট। মারুফ হোসেনের বই আগেও দু'একটা পড়া হয়েছিল। উনি বেশ ভালো লেখেন। উনার লেখা পড়তে যেয়ে আটকাতে হয় না। বাক্যগঠন ও শব্দচয়নেও উনি খুবই সাবলীল। পুরোদস্তুর মৌলিক কিছু লেখক লেখেন বা লেখেন, উনার অ্যাডাপ্টেশনের জন্য আমি মোটামুটি মুখিয়ে থাকবো- এটা এখন অকপটেই বলা যায়। -Shaon Arafat"
Talha Jubayer , Feb 27, 2020
"চমৎকার এডাপটেশন, সেবা'র স্বর্ণযুগের থ্রিলার উপন্যাসগুলোর মতো। একটানে পড়ে ফেলা যায়। দুর্দান্ত কাহিনী। এডাপ্টেশনের কাজটি লেখক দক্ষতার সাথে করেছেন, এ কথা বলতে দ্বিধা নেই। অন্য কোন গল্পের ছায়ায় এই বই লেখা হয়েছে সেটি বোঝার উপায় নেই। মোলায়েম লেখা, টানটান টুইস্টে ভরপুর রোমাঞ্চকর গল্প---সব মিলিয়ে প্র প্রকাশনের প্রথম প্রয়াস 'খুনে অরণ্য' A মার্কস পাওয়ার দাবি রাখে।"
Faruk Ahmed , Feb 24, 2020
"১৯ বছর পর চাপা পড়া অতীত দাঁত খিঁচিয়ে দাঁড়ায় প্রখ্যাত আইনজীবী তপুর সামনে। এক ঝটকায় এলোমেলো করে দেয় তার জীবন। ১৯ বছর আগের গজারি বনের ঘটনায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল তার পারিবারিক জীবন। আজ আবার ধ্বংসের মুখে তার ক্যারিয়ার, পারিবারিক বন্ধন। ১৯ বছর আগে বিনা কারণে তাকে ছেড়ে চলে প্রেমিকা আবার উদয় হলো কোন্ মতলবে। অনেকগুলো অমীমাংসিত রহস্য। জট ছাড়াতে পারবে তো তপু? রুদ্ধশ্বাস রহস্য উপন্যাস। একটানে পড়ে ফেলার মতো। বহুদিন বাদে এমন আদ্যন্ত উপভোগ্য বই পড়লাম। নির্দিষ্ট বিরতিতে একের পর এক চমক উপহার দিয়ে গেছেন লেখক। বইটা লেখা হয়েছে হারলান কোবেনের 'দ্য উডস' অবলম্বনে। বলতেই হয় মারুফ হোসেন চমৎকার মুনশিয়ানায় দেশের প্রেক্ষাপটে এনেছেন গল্পটা, কোথাও একরত্তি বিদেশি গন্ধ বা ছাপ নাই। সব মিলিয়ে প্র প্রকাশনের প্রথম প্রয়াসে আমি তৃপ্ত। শুধু কিছু মুদ্রণ প্রমাদ এড়াতে পারলে এবং পাতার মান আরেকটু উন্নত করতে পারলে ১০০তে ১০০ দেওয়া যেত। রহস্যের চাদরে মোড়ানো সম্পর্কের টানাপোড়েনের একটি উপভোগ্য, টানটান গল্প পড়তে চাইলে বসে পড়ুন 'খুনে অরণ্য' নিয়ে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
এইটা হার্ডকাভার?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"খুনে অরণ্য" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: