হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
কেয়াফুলের রয়ানি - ফাইজুন নাহার সিফাত এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

১ম প্রকাশিত, ২০২১

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

কেয়াফুলের রয়ানি

13 Ratings | 12 Reviews
TK. 196 TK. 280 -30% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

কৈশোর পেরিয়ে আসা একজন কীভাবে দেখে তার চারপাশকে? একুশ বছরের মেয়ে কেয়া। অন্যদের মতোই সাধারণ একজন সে। তবু, সাধারণ কথাটা কেবল এক মিথ ছাড়া তো কিছু নয়। তাই সাধারণ সেই...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

কৈশোর পেরিয়ে আসা একজন কীভাবে দেখে তার চারপাশকে? একুশ বছরের মেয়ে কেয়া। অন্যদের মতোই সাধারণ একজন সে। তবু, সাধারণ কথাটা কেবল এক মিথ ছাড়া তো কিছু নয়। তাই সাধারণ সেই জীবনের মধ্যেই অসাধা
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title কেয়াফুলের রয়ানি
Author ফাইজুন নাহার সিফাত
Publisher ভূমিপ্রকাশ
Edition ১ম প্রকাশিত, ২০২১
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 128
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.25 Kg
ISBN 9789849345794
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

4.92

13 Ratings and 12 Reviews

★★★★★
12
★★★★☆
1
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

১২টি
Denmark Construction And Mechanism

Denmark Construction And Mechanism , Apr 17, 2026

★ ★ ★ ★ ★

"Amazing 🍬"

Niharika Nila

Niharika Nila , Oct 20, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"মনের মাধুরি মিশিয়ে লেখা আধুনিক কালের তরুণ মনের অবস্থা ও মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তরুণ বয়সের যে কেউ বইটি পড়লে নিজের পরিস্থিতির সাথে সাদৃশ্য খুঁজে পাবে।"

Md. Shariful Islam

Md. Shariful Islam , Sep 30, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"সচরাচর উপন্যাসগুলোতে আমরা কি দেখি? একটা বইয়ে অনেকগুলো চরিত্র, তাদের মধ্যে নানা ঘাত-প্রতিঘাত, কাহিনীর ক্লাইম্যাক্সে ওঠা আর শেষটাতে ‘সুখে-শান্তিতে বাস করিতে লাগিলেন' বা কারও হারিয়ে যাওয়া/মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বিরহের উপস্থিতি। কিন্তু এই বইটাতে বলতে গেলে এদের কিচ্ছু নেই। মাত্র দুইটা চরিত্র এখানে। তাদের কথোপকথনের (সত্যি বললে একজনের বক্তব্য) মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়েছে বইটার কাহিনী। চরিত্রগুলোর না আছে তেমন ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি আর না আছে স্পষ্ট পরিণতি! তাহলে কি আছে বইটাতে? কি বলতে চেয়েছেন লেখিকা? লেখক আর কেয়া চরিত্রের মাধ্যমে কি পাবে পাঠকরা? সত্যি বলতে বইটার তেমন কোনো কাহিনী নেই। একুশ বছরের একটা মেয়ে কেয়া যে আটকে থাকতে চায় পনেরোতেই। খুবই সহজ তার জীবন তবুও জীবনটা যেন মনমতো হয় না কেয়ার। এই সহজত্ব থেকেই কি যেন অসাধারণত্ব খোঁজে সে। তার মনে ঘোরে নানা প্রশ্ন। জগতকে দেখার চোখটা তার যেন ঠিক গতানুগতিক নয়। সেই ভিন্নধর্মী চোখ দিয়ে সে যা দেখে, যা চিন্তা করে আর যা স্বপ্ন দেখে তারই বর্ণনা এই বইটা। লেখকের প্রশ্ন আর কেয়ার উত্তরের মধ্য দিয়ে একুশটা ছোট ছোট অধ্যায়ে উঠে আসে চিরকালীন কৈশোর, বন্ধুত্ব, স্বপ্ন, প্রকৃতি, ইচ্ছাসহ মানুষের চরিত্রের নানান দিক। প্রচ্ছদ আর নামকরণের কথাই প্রথমে বলা যাক। প্রচ্ছদটা কেয়ার সাথে দারুনভাবে মানিয়ে গিয়েছে। কাঁধের একপাশে ওড়না রেখে চুলগুলো বাতাসে উড়িয়ে দিয়ে সূর্যোদয় দেখার যে দৃশ্যটা এখানে ফুটে উঠেছে তা কেয়ার সাথে দারুনভাবে খাপ খেয়েছে। আর নামটাও বেশ কাব্যিক। রয়ানি শব্দের আক্ষরিক অর্থ মনসামঙ্গলের গান। এখানে কেয়ার গল্প/বর্ণনা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে শব্দটা। চরিত্র নিয়ে খুব বেশি কিছু বলার নাই। মাত্র দুইটা চরিত্রই আছে পুরো বই জুড়ে – লেখক আর কেয়া। দুইটা চরিত্র হলেও মূলত চরিত্র একটাই কেননা লেখক চরিত্রের উপস্থিতি খুবই সামান্য, বলতে গেলে কিছুই জানা যায় না তার সম্পর্কে। মূলত কেয়াকে নিয়েই এগিয়েছে বইটা। তার চরিত্রটা বেশ জটিল। বন্ধুত্ব, বেড়ে ওঠা, ইচ্ছা, স্বপ্ন সর্বপরি জীবন নিয়ে তার ভাবনাই উপন্যাসটিকে গতি দিয়েছে। চরিত্র দুটো হলেও প্রশ্ন কিন্তু জাগেই চরিত্র কি আসলেই দুইটা? লেখক আর কেয়ার দেখা হওয়া, একত্রে থাকা একটা দ্বন্দ্বে ফেলে দেয় ওরা কি একই মানুষ? তাহলে স্বল্প সময়ের জন্য আসা একা চরিত্রটা কে? আবার বাস্তবের লেখিকা সিফাত কি কেয়ার চেয়ে ভিন্ন কেউ? এটা কি তারই জীবনের কথাগুলো না? তাহলে এটা কি আত্মজীবনীমূলক রচনা? নাকি শুধুই কৈশোর পেরিয়ে পরের পর্বে যাওয়া ছেলে-মেয়েদের কথা লিখেছেন সিফাত? হারমোনিকাটা আসলে কি শুধুই কেয়া কিনতে চেয়েছিলো নাকি লেখিকা সিফাতও তাই চেয়েছিলেন? এই প্রশ্নগুলোর কোনো সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বইটা থেকে। আবার চারটা একুশও একটা প্রশ্ন রেখে যায়। চার একুশ বলতে উপন্যাসের চরিত্র লেখক, বাস্তবের লেখিকা সিফাত এবং কেয়া সবার বয়স একুশ এবং বইযের অধ্যায় সংখ্যাও একুশ। এ থেকে কি ধারণা পাই আমরা? লেখক কি এভাবেই আমাদের ইঙ্গিত দিয়েছেন? আমি কি পেলাম বইটা থেকে? বইটা আমাকে আমার জীবনটা পিছন ফিরে দেখতে সাহায্য করেছে। এই মধ্য বিশে এসে আমি কেয়ার মাধ্যমে উঁকি দিয়েছিলাম আমার কৈশোরে। আর অবাক হয়ে দেখলাম বইটা কেয়া বা সিফাতের গল্প হলেও বইটা আমারও গল্প! ইন্টারনেটের দুনিয়ায় যেটাকে বলে ‘Us Moment' সেটা পেয়েছি প্রচুর। অর্থাৎ কেয়ার বর্ণনার মাধ্যমে আমি নিজের কৈশোরটা দেখতে পাচ্ছিলাম। বড়দের আমাকে বুঝতে না পারা, বই নিয়ে মাতামাতি, নিজেকে বুঝতে না পারা, সব ছেড়ে ছুঁড়ে চলে যাওয়ার ইচ্ছা, ডায়েরি লেখার পেছনের যুক্তি, ছোট ছোট ইচ্ছা পূরণের কথা, নিজেকে পুরোপুরি বুঝতে পারা কারও অভাব, নিজের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন, শিশু গাছের নাম নিয়ে দ্বিধা ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে কেয়ার জায়গায় নিজেকে খুঁজে পেয়েছি। বন্ধুত্বকে কেয়া যখস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বলছিলো তখন নিজের সাথে মেলাতে পেরেছি, তরুণাশ্রম আইডিয়ার সাথেও মিল খুঁজে পেয়েছি নিজের। অর্থাৎ কেয়া নিজের মাধ্যমে আমার চিন্তাধারার একটা বড় অংশের যেন প্রতিফলন করেছে বই জুড়ে! এবার আশা যাক লেখনী আর বর্ণনাভঙ্গির বিষয়ে। ফ্ল্যাপে লেখা লেখক পরিচিতি আর ভূমিকা থেকেই আমরা লেখিকার প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে জানতে পেরেছি। শব্দরা এই প্রথম একটা ‘কাগজের ঘর' পেলেও শব্দ লেখিকার আশেপাশে ঘুরেফিরে সেই ছোটবেলা থেকেই। ফলে বইটা তাঁর প্রথম বই হলেও লেখনী আর বিষয়বস্তু থেকে তা ধরার উপায় নেই! খুবই পরিণত লেখনীশৈলী লেখিকার। এর সাথে যুক্ত হয়েছে প্রচুর উপমার ব্যবহার। উপমা ব্যবহারে রীতিমতো সিদ্ধহস্ত লেখিকা! প্রিয় বই বারবার পড়ার সাথে পরিচিত নদীর সাক্ষাতের, মানুষ পড়ার মতো বই পড়ার, অন্যের জীবন দেখার সাথে অন্ধের হাতি দেখার, লেখার সাথে সোয়েটার বোনার বা বন্ধুত্বের সাথে স্বতঃস্ফূর্ত কবিতার তুলনা থেকেই লেখকের সুনিপুণ হাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া রয়েছে কোট করার মতো প্রচুর লাইন। বড় হতে শেখা মানে আসলে মানুষকে হতাশ করতে শেখা বা জগতে এমনিতে অনেক মিথ্যা আছে। হাসিটুকু মিথ্যা না হোক বা ব্যর্থতাও তো একধরণের অর্জনই। চেষ্টা করলে তবেই তো ব্যর্থতা আসে ইত্যাদি লাইন টুকে রাখার মতো তো বটেই। লেখিকার লেখনীর আরেকটা দিকের কথাও না বললেই নয়। সেটা হলো বইয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্মগুলোর উল্লেখ। লেখিকা লিটল প্রিন্স বা লস্ট হরাইজন বইয়ের কথা যেমন এনেছেন তেমনি এনেছেন গ্রিক মিথোলজি আর বাংলা মহাকাব্যের কথা। এসেছে আমার সবচেয়ে প্রিয় দুই সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ আর জীবনানন্দের প্রসঙ্গও। আরেকটা বিষয়ের কথাও এখানে বলা যায়। লেখিকা তাঁর ব্যক্তিগত পড়াশোনা আর তাঁর ডিপার্টমেন্ট ( ইংরেজিতে পড়েন উনি) থেকে পাওয়া বিভিন্ন আইডিয়ার কথাও এনেছেন কেয়ার জীবনের নানা ঘটনার ব্যাখ্যায়। সনডুকু, প্যাখেটিক ফ্যালাসি, ইউটোপিয়ান রিয়েলিটি, প্যারেন্ট ইগো, মাইক্রোকসমিক সোসাইটি, ইমপোস্টার সিনড্রোম ইত্যাদি আইডিয়ার কথা পাওয়া গেছে বিভিন্ন জায়গায়। বইটার শেষ অংশটা কেমন ছিলো? কেয়া কি কৈশোরেই আটকে গিয়েছিলো নাকি জীবনের সামনের দিকে তাকিয়েছিলো? এখানেও লেখিকা দারুণ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন। কেয়ার মুখ থেকে গন্তব্য নয় পথের দিকে মনোযোগ দেওয়া, পাতিহাঁসের গা থেকে পানি ঝেড়ে ফেলার মতো জীবন থেকে নেতিবাচক বিষয়সমূহ দূর করা বা প্রতি মুহুর্তকে উপভোগ করার মতো কথা বলিয়েছেন লেখক। এভাবেই তিনি জীবনের জয়গান গেয়েছেন। জীবনে স্মৃতিকাতরতা থাকবেই কিন্তু তার জন্য যে জীবন থেমে থাকবে না কেয়া যেন সেই বার্তাই দিয়েছে শেষটাতে। এবার বইটার যা ভালো লাগেনি সেসব দিক নিয়ে কিছু বলা যাক! প্রথমেই আসবে চরিত্র দুইটার অস্পষ্টতার কথা। লেখিকা দুইটা চরিত্র দিয়ে অনেক দার্শনিক কখা বলিয়েছেন, রূপকের ব্যবহার করেছেন সব মানলেও চরিত্র দুইটা স্পষ্ট না। লেখক আর কেয়ার পরিচয় কিভাবে বা চরিত্র দুইটার ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি আরেকটু থাকলে গল্পটা ধরতে আরও সুবিধা হতো। এছাড়া কাঠামোগতভাবে ঠিক উপন্যাস হয়েছে কিনা সেটাও একটা প্রশ্ন। তবে লেখিকা যে তাঁর প্রথম বইয়েই এমন নিরীক্ষা করেছেন সেটাও প্রশংসনীয় বটে! প্রচলিত কাঠামো বাদ দিয়ে এমন আঙ্গিকের গল্প রচনা বা বিষয়বস্তুর অনন্যতার প্রশংসা না করে উপায় নেই। এরপরে যেটা বলতে হবে সেটা হলো বইয়ের একই ধরণের সংলাপের ব্যবহার। হ্যাঁ, আমি বুঝতে পেরেছি লেখকের প্রশ্নের মাধ্যমে কেয়ার কখা বলার চেষ্টা করেছেন লেখিকা কিন্তু তাই বলে প্রতিটা অধ্যায়ের প্রতিটা পৃষ্ঠাতেই এমন গঠনের পুনরাবৃত্তি চোখে লাগেই। লেখকের মুখ থেকে আরও কথা আসতে পারতো বা অধ্যায়ের শুরুতে কিছুটা নৈর্ব্যক্তিক আলোচনা থাকতে পারতো একঘেয়েমি দূর করতে! তা না করে লেখিকা যেভাবে পুরো বইয়ে একই ধরণের সংলাপ কাঠামো ব্যবহার করেছেন তা কিছুটা বিরক্তিকর! বইয়ে ব্যবহৃত কবিতাটার কথাও বলতে হয়। উপন্যাসের শুরুতেই কবিতাকে ‘স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে এমন নামকাওয়াস্তে কবিতার (!) ব্যবহার করা বেমানান মনে হয়েছে আরকি। বইটা কি আরেকটু বিস্তৃত হতে পারতো? হয়তো। যেভাবে বইটা হঠাৎ করে শুরু হয়েছে তেমনি হঠাৎ করেই যেন বইটা শেষ হয়ে গেল! এটার কারণ কি লেখিকার সংকোচ যেমনটা ভূমিকা থেকে ইঙ্গিত পাই? ভূমিকায় লেখিকা আশঙ্কা করেছিলেন দীর্ঘ বই হলে পাঠক বিরক্ত হতে পারে, সেজন্যই কি এই তাড়াহুড়ো? হয়তো। এছাড়া শুরুর দিকে কেয়ার মুখ দিয়া এটা বলানো যে জীবন সম্পর্কে আর কতটুকুই জানে সে - এটাও কি লেখিকার একধরণের ডিফেন্স মেকানিজম ছিলো সম্ভাব্য সমালোচনা এড়াতে? হয়তো। নিশ্চিত করে কিছুই বলা যায় না, শুধু করা যায় অনুমান! বেশ দীর্ঘ আলোচনা হয়ে গেল, এবার শেষ করি। যদি এত বকবকানির সামারি করতে হয় তাহলে বলবো নবীন লেখিকা হিসেবে বেশ সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন লেখিকা। প্রচলিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে ভিন্ন ধরণের চিন্তা উদ্রেককারী একটা গল্প তুলে ধরতে চেয়েছেন। সফলভাবে পেরেছেন কি? আমার উত্তর হবে লেখিকা মোটামুটি সফল। লেখিকা তাঁর বিষয়বস্তু দিয়ে, লেখনী দিয়ে মুগ্ধ করেছেন যদিও কিছুটা খামতি রয়ে গিয়েছে প্রকাশভঙ্গিতে। লেখিকার পরবর্তী রচনা পড়ার অপেক্ষায় অবশ্য থাকতেই হবে এতকিছুর পর!"

Md Rakib Hossain

Md Rakib Hossain , Sep 20, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"শুরুতেই বলতে হয়, কেয়াফুলের রয়ানি উপন্যাসটি পড়ার সময় পাঠকের কখনোই মনে হবে না, এটা লেখিকার লেখা প্রথম উপন্যাস। শব্দচয়ন, ঘটনাপ্রবাহ, চরিত্রায়ন এবং মনস্তাত্ত্বিক চিত্রায়ণ দেখলেই পাঠক মুগ্ধ না হয়ে পারবে না। দ্বিতীয়ত, ভালো লেখকরা যে ভালো পাঠকও হয় সেটা স্বীকার করতেই হয়। উপন্যাসটি পড়ার সময় দেশ বরেণ্য লেখকদের লেখনির প্রভাব দৃষ্টি এড়াতে পারবে না। তৃতীয়ত, লেখকরা তাদের লেখনীতে যে নানা তত্ত্ব তুলে ধরেন সেটাও উল্লেখযোগ্য। William Wordsworth এর Songs of Innocence and Songs of Experience এর দ্বিমুখী চিত্র অবলোকন করা যায়। এছাড়া, উপন্যাসটিতে Stream of Consciousness তত্ত্বের প্রয়োগ চোখ এড়ায় না। লেখিকা প্রধান চরিত্র কেয়ার চেতন এবং অবচেতন মনের উভয় দিকটিই তুলে ধরেছেন। পরিশেষে, পাঠকের মনে সংশয় থেকেই যাবে যে, "উপন্যাসটি কি আত্মজৈবনিক নাকি পাঠকের সহ অন্য সকল মানুষের দমানো ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি।"

Ali Akbar

Ali Akbar , Jul 2, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"বই পড়ার ক্ষেত্রে আজকাল বড় সাবজেক্টিভ হয়ে গেছি। যেকোন বই দেখলেই আজকাল পড়তে মন চায় না। মনে হয় বইয়ের বিষয়বস্তু হয়তো অনেক কঠিন, প্যাঁচালো লাগতে পারে৷ জটিল লাগতে পারে ক্যারেক্টারগুলোর কথোপকথন। হয়তো বুঝে উঠতে পারব না লেখক কি বলতে চাচ্ছেন, কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন তার চরিত্রগুলোকে। এইসব ভেবে এখন বই পড়া একদম কমিয়ে দিয়েছি। নিতান্তই কোন বড় বই পড়ি না। এখন বেশ ছোটগল্প পড়ি মন দিয়ে। তবু এই ক্ষেত্রেও আরো বেশি সাবজেক্টিভ। লেখার ধরণের সাথে পরিচিত লেখকদের ছাড়া আর কারো কিছু পড়ি না। মোটকথা, যা পড়লে মন শান্ত হয়, স্বস্তি লাগে, হয়তো সন্ধ্যায় নদীর ধারে বসে দু চারটা কথা ভাবতে ইচ্ছে করে এমন কিছুই খুঁজে ফিরি সারাক্ষণ। Faijun Nahar Sifat এর 'কেয়াফুলের রয়ানি' ঠিক সেরকম একটা বই। বইয়ের চরিত্রগুলোর চিন্তা এত গভীর আর সূক্ষ্ম যে মনে হয় এর মাঝে আমার নিত্যদিনের ঘটে যাওয়া ঘটনা, ভাবনাগুলোর সাথে কোন অমিল নেই। এত শান্ত, সুন্দর চিন্তাভাবনার মাঝে দেখা যায় দুজন মানুষের নানা কথোপকথনের মধ্যে দিয়ে কেউ জীবনের মানে খুঁজছে আবার নানান জীবনদর্শন এর গল্প শোনাচ্ছে। দুটোই চলছে সমানতালে। কখনো মনে হয়নি পড়তে পড়তে কোথাও হাপিয়ে পরছি, ক্লান্ত লাগছে। অনেক দিন যাবৎ ই এমন একটা বই খুঁজছিলাম যেখানে এমন চিন্তাভাবনার বেশ বড় একটা লেখা পাবো। এই বইটাতে যার সবটুকুই পেয়েছি এবং তা খুব সুন্দর গুছিয়ে লেখা। পরবর্তী বইয়ের জন্য শুভকামনা রইল............"

Eshita Haque

Eshita Haque , Jun 26, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"কেয়া যেন আমি। আমার মতো আমরা। কেয়াফুলের ম ম সুগন্ধি রেশ হৃদয়বাগানে রয়ে গেছে। ভালোবাসা ঔপন্যাসিকের জন্য 🤍"

Rima Pervin

Rima Pervin , Jun 24, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"বইটি পড়ে আসলেই খুব ভালো লেগেছে।লেখিকার এটি প্রথম বই।শুভ কামনা লেখিকার জন্য, আরো বই প্রকাশিত হোক।"

Sazid Kamal

Sazid Kamal , Jun 23, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"সমসাময়িক উপন্যাস হিসেবে খুবই সম্ভাবনাময় মনে হয়েছে।Inner realm of human psyche কে খুবই চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।"

038_ joyeta saha

038_ joyeta saha , Jun 22, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"খুব ভালো লেগেছে, বিশেষ করে চরিত্র গুলোর ভাবমূর্তিটি খুব বেশি attractive."

Md Ziaur Rahman Biswas

Md Ziaur Rahman Biswas , Nov 4, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"শুভ কামনা। Recommended."

Razu Ahmed

Razu Ahmed , Oct 28, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"Waiting 👉👈🖤"

Razu Ahmed Akash

Razu Ahmed Akash , Oct 28, 2021

★ ★ ★ ★ ★

"🥀🤎❤️"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"কেয়াফুলের রয়ানি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 1 / 12
পাতা 2
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 2 / 12
পাতা 3
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 3 / 12
পাতা 4
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 4 / 12
পাতা 5
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 5 / 12
পাতা 6
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 6 / 12
পাতা 7
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 7 / 12
পাতা 8
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 8 / 12
পাতা 9
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 9 / 12
পাতা 10
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 10 / 12
পাতা 11
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 11 / 12
পাতা 12
কেয়াফুলের রয়ানি পাতা: 12 / 12
পাতা / 12
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।