৩য় প্রকাশ, ২০২৩
কেশের আড়ে পাহাড়
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ক্রাচের কর্নেল (বাংলা একাডেমী পুরস্কারপ্রাপ্ত)
শাহাদুজ্জামান
একজন কমলালেবু
শাহাদুজ্জামান
খানিকটা আত্মজৈবনিক বাকিটা গল্প
শাহাদুজ্জামান
এ জীবন লইয়া কী করিব ও অন্যান্য বক্তৃতা
শাহাদুজ্জামান
আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ডায়েরি
শাহাদুজ্জামান
চ্যাপলিন আজো চমৎকার
শাহাদুজ্জামান
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | কেশের আড়ে পাহাড় |
| Author | শাহাদুজ্জামান |
| Publisher | ঐতিহ্য |
| Edition | ৩য় প্রকাশ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 104 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | গল্প |
| Weight | 0.34 Kg |
| ISBN | 9789847760520 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
11 Ratings and 5 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৫টি
Zahedul Islam , Apr 29, 2026
"সুন্দর।"
Siam Ihsan , Jun 10, 2025
"বইটাতে মোট ৯টি ছোট গল্প আছে, প্রতিটি গল্পই অসাধারণ, সচরাচর শাহাদুজ্জামানের লেখা যেমন হয়।"
touhida Akter , Mar 21, 2022
"অসাধারণ বই"
da asif , Mar 16, 2020
"এই বইতে বেশ কিছু ছোট ছোট গল্প আছে যার মধ্যে মহাশূন্যের সাইকেল গল্পটি পড়বার জন্য বইটি আমি কিনি এবং সাথে আরও কিছু গল্পের যেগুলো আগে প্রকাশ পেয়েছিল তার নতুন আয়োজনের জন্য। লেখক শাহাদুজ্জামানের ছোট গল্পগুলো বেশ চমকপ্রদ হয়। তবে এখানে কিছু গল্প আমার ভালো লেগেছে আবার কিছু গল্প শুধু পড়ে গিয়েছি, হয়তো আরও একটু কিছু পাবার আশা ছিল।"
jami jahan , Jun 12, 2017
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বই-কেশের আড়ে পাহাড় লেখক-শাহাদুজ্জামান ধরন-গল্পসংকলন। পৃষ্ঠা-১০৭ মূল্য-১৭০ প্রকাশনী-ঐতিহ্য "কেশের আড়ে পাহাড়" লেখকের একটি গল্পগ্রন্থ। যেখানে নয়টি গল্প আছে। সেগুলোর মধ্যে লেখকের প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের সংকলন ‘গল্প, অগল্প, না গল্প’ বইতে অগ্রন্থিত হিসেবে কয়েকটি গল্প সংযুক্ত হয়েছিল। সেখান থেকে ‘বুক শেলফে বাঘ’, ‘অন্ধ শাজাহান’ এবং ‘ঘাসের উপর সবুজ বাতাস’ গল্প তিনটিকে পরিবর্তন, পরিমার্জন করে এই নতুন বইয়ে যুক্ত করেছেন। লেখকের মতে, "গল্পগুলো তাদের নিজস্ব একটা গ্রন্থ দাবি করে"। ‘মাজার, টেবিল টেনিস, আসলি মোরগ’ প্রথম আলো ঈদ সংখ্যা ২০১১ তে ছাপা হয়েছিল। লেখকের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিময়, বড় গল্প। তবে এই বইয়ের অন্তর্ভুক্ত করতে গিয়ে এটাওও পরিবর্তন করেছেন। ‘মহাশূন্যে সাইকেল’ গল্পটা ছাপা হয়েছিল ‘কালি ও কলম’ পত্রিকার বিশেষ গল্প সংখ্যায় ২০১১ তে। ‘তারপর যেতে যেতে’ গল্পটা ছাপা হয়েছিল চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত ‘কথা’-তে ২০১২ তেই। আর ঠাকুরের সঙ্গে, আমি ও মাইকোবেকটেরিয়াম টিউবারকুলি, বন্ধুর নোট বই গল্পগুলো অপ্রকাশিত ছিলো। শাহাদুজ্জামান পড়া মানেই অন্যরকম কিছু। অচেনা অনুভূতি, ভালোলাগার সাথে বিষন্নতার মিশেল। আমার কখনো স্বস্থি হয় নি কোন গল্প পড়ে। আমি টের পাই আমার ভালোলাগার মধ্যে কেউ খুঁচিয়ে যাচ্ছে এক নাগাড়ে। অবাক হই, কি স্বাভাবিক ভাবেই বলে যাচ্ছেন কতো কঠিন লুকানো কথা। যার সবটাই সত্যি! বিষয়টা এমন, আমি তাকে চিনি বা চিনতাম, আমি ব্যপারটা বুঝি বা বুঝতাম। কিন্তু লেখক সেটা দেখিয়ে দেবার পর। আগে সেটা অজানা ছিলো। অথচ মুহূর্তে কত পরিচিত! অনুভূতিটা এমন, অনুভব করা যায় কিন্তু বুঝানো বা প্রকাশ করা অসম্ভব। তিনি গল্পে আমাদের জন্য যা তুলে ধরেন, তাও নিসংকোচে মেনে নেওয়াটাও কঠিন হয়ে যায়। কেন না নিজের কাছে নিজেই বাধা হয়ে যাই। অথচ তাঁর প্রকাশ ভঙ্গি কতো সাবলীল। কতো সহজ তিনি গদ্যশৈলীতে! “কেশের আড়ে পাহাড়”। ভেঙ্গে নিই যদি এর অর্থ, তবে তা প্রকাশ করে বিশেষ কিছু। লেখক আড়ালের পাহাড়কে আমাদের সামনে তুলে প্রকাশ করেন বাস্তবতা আর লেখকের জীবনদৃষ্টির মধ্য দিয়ে। "কেশের আড়ে পাহাড়" তাঁর তৃতীয় গল্পগ্রন্থ। এর আগে তাঁর দুটি গল্পগ্রন্থ "কয়েকটি বিহ্বল গল্প" আর "পশ্চিমের মেঘে সোনার সিংহ" সেই গল্প গুলো দিয়েই বুঝে নিয়েছিলেন ছোটগল্পে তার অবস্থান। চতুর দৃষ্টিভঙ্গি আর আধুনিকতা, লেখকের সৃষ্টিকে নিয়ে গেছে অন্য কোথাও। বিষয় বৈচিত্রের দিক থেকেও তিনি অনবদ্য। আর বর্ণনারীতিতেও প্রশংসনীয়। গল্পকে শুধু মাত্র একপেশে বিবেচনায় না রেখে তাকে ছড়িয়ে দেন কয়েকটি ধারায়। সেই সাথে রূপকধর্মী তো আছেই। খন্ড খন্ড লেখায় প্রকাশ ঘটে কতো বৈচিত্রময়তা। মানবিক সব বোধ শক্তিতে। এই সংকলের প্রথম গল্প "মহাশূন্যে সাইকেল" গল্পের চরিত্র রেজাউল করিম শুধু মাত্র গল্পের চরিত্র নন। তিনি আমাদের আশে পাশেরই কেউ একজন। কেননা আমাদের চারপাশেই তাঁরা দৃশ্যমান, স্বাভাবিক জীবন যাপন করে যাচ্ছেন। যিনি কী না কখনো ওষুধ কোম্পানীর চৌকস ম্যানেজার, একজন পিতা, একজন স্বামী। কিন্তু লেখক উম্মেচন করেছেন, তিনি যে তাঁর ক্ষুদ্র এই গণ্ডির বাইরে থেকে অনুভব করেন সবকিছু। এবং বুঝতে পারেন সৃষ্টি হচ্ছে দূরত্ব আর নিঃসঙ্গতা। সব কিছুর মাঝে ভেসে আসে বিষন্নতা। আর তখনই তিনি আশ্রয় নেন কল্পনার। তিনি ডায়রী লিখেন। কল্পনায় লিখেন সেই গ্রহের কথা- যেখানে মহাসমুদ্র আবিষ্কার করা হয়েছে। ২য় গল্প, "তারপর যেতে যেতে" এই গল্পে লেখক প্রকাশ করেছেন, সমাজের সাথে ব্যক্তিমানুষের ট্র্যাজিক সংঘাত। কি সাংঘাতিক ধ্বংসের চেষ্টা! তার সবকিছুই সত্য হয়ে ধরা পরে পাঠকের চোখে অসাধারণ কল্পনার দ্বারা। "বুকসেলফে বাঘ"-গল্পে তিনি পাঠককে বলেন একটি ব্যর্থতার গল্প। আর তাকে আড়াল করে শুরু করে আরো একটি গল্প। কিন্তু এটাতে যে ছল করে ব্যর্থতার দুঃখ ঢাকতে চাইলেন। এটা ঠিকই টের পেয়ে যায় পাঠক। "অন্ধ শাহজাহান" গল্পটিতে লেখক পাঠককে বিষাদে ছেয়ে দেন। কিন্তু প্রমাণ দিয়ে যান তাঁর অভিব্যক্তির। মুক্তমনার। "ঠাকুরের সঙ্গে" গল্পটাতে শাহাদুজ্জামান দেখিয়েছেন আমাদের দেশের হিন্দু ধর্মানুসারীদের কি অবস্থা। মুক্তিযুদ্ধ কিংবা তার পরের সাম্প্রদায়িকতা। দেশবিভাগ নিয়ে তখনকার সময়ের অবস্থা। লেখক বুঝিয়েছেন রাজনীতি থেকে সবসময়ই মানুষের ভ্রাতৃত্ববোধ বড়। দেশবিভাগ নির্মম সত্য, ধুতি আর পাঞ্জাবিও ছিল সত্য, কিন্তু তার থেকেও বড় সত্য মানবিকতা। অথচ তখন ধর্মকে ব্যবহার করা হয়েছে রাজনীতি কে ভাগ করতে। তারপর সাম্প্রদায়িকতার যে শর্ত নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়, তাই কি পূর্ন হতে পেরেছে? হয় নি। এতে থাকে সাম্প্রদায়িকতার বিষ যুক্ত শ্বাস। "বন্ধুর নোটবই"- এই গল্পে রফিক চরিত্র টা প্রকাশ পায় হতাশায়। আর সে হতশা আড়াল করতেও লেখক কল্পনার আশ্রয় নেন। "আমি ও মাইকোবেকটেরিয়াম টিউবার কুলি"-গল্পে চিত্রায়িত হয়, কিভাবে উত্তর-উপনিবেশিত একটা দেশে এক জন মানুষকে হেনস্তা করা হয়, সামান্য যক্ষার জীবানু সন্দেহে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আরো একটি লেখা হলো "মাজার, টেবিল টেনিস, আসলি মোরগ"। এটা লেখকের নিজস্ব স্মৃতির বয়ান। কি করে মুক্তিযুদ্ধ ধরা পড়েছিল লেখকের চোখে তার শৈশবে। তারই একটা রুপ খোঁজে পাই। এক কিশোরের চোখ দিয়ে দেখি মুক্তিযুদ্ধ। কথাসাহিত্যের এক সৃজনশীল আলো হলেন শাহাদুজ্জামান। এটা শুধু একটি নাম নয়, একটি মননশীল কর্ম পাঠকের চোখে। প্রতিটি গল্পের চরিত্র,কাহিনী আর ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে খুব সহজেই এই পাঠকের মনে দাগ ফেলে যান তিনি। প্রতিটি গল্পই পাঠককে আন্দলিতো করে কিছুটা ভালোলাগায় আর গভীর বিষাদে। রেটিং-৪/৫ প্রগতি লিংক-https://www.progoty.com/book/10903/কেশের-আড়ে-পাহাড়"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"কেশের আড়ে পাহাড়" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: