হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

৫ম ,২০১৩

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল

24 Ratings | 10 Reviews
TK. 825 TK. 1,100 -25% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

'ইন্টারকমে অতনুর গলা পাওয়া গেল, স্যার, একজন পুলিশের লোক আপনার সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন । মনোজ সেন খুবই অবাক হয়ে বলল, পুলিশের লোক ? পুলিশের লোক আমার কাছে কী চায...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

'ইন্টারকমে অতনুর গলা পাওয়া গেল, স্যার, একজন পুলিশের লোক আপনার সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন । মনোজ সেন খুবই অবাক হয়ে বলল, পুলিশের লোক ? পুলিশের লোক আমার কাছে কী চায় ? সেটা উনি আপনাকেই
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল
Author শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
Publisher আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
Edition ৫ম ,২০১৩
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 230
Country ভারত
Language বাংলা
Category উপন্যাস ও সাহিত্য
Weight 0.33 Kg
ISBN 817215965x
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

5.00

24 Ratings and 10 Reviews

★★★★★
24
★★★★☆
0
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

১০টি
abdur rahaman Mitab

abdur rahaman Mitab , Jun 16, 2025

★ ★ ★ ★ ★

"আমার পড়া বেস্ট গোয়েন্দা কাহিনি"

darashiko.com

darashiko.com , Jan 24, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"গল্পের নায়ক সুধাকর দত্ত। কিন্তু গল্প এগিয়েছে গোপীনাথকে ঘিরে, সুতরাং তাকেই প্রধান চরিত্র ধরে নেয়া যায়। জার্মান মেয়ে রোজমেরী এবং তার বাঙ্গালী স্বামী মনোজও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। সুধাকর ইন্টারপোলের বড় কর্মকর্তা, তার হেডকোয়ার্টার প্যারিসে, কিন্তু ইন্টারপোলের এজেন্ট হিসেবে তাকে প্যারিস-রোম-কলকাতা-আমস্টারডামসহ পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে ঘুরে বেড়াতে হয়। গোপীনাথ বাঙ্গালী বিজ্ঞানী, দারিদ্র‍্য-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বড় বিজ্ঞানী হয়ে প্যারিসের একটি বড় কর্পোরেশনে গুরুত্বপূর্ণ একটি গবেষনা দলের দায়িত্বে আছেন। তারা যে বিষয়টি নিয়ে গবেষনা করছেন তার কাঁচামাল তৈরী হয় কলকাতায়, মনোজ ও রোজমেরীর কারখানায়। তাদের কারখানা পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে কলকাতায় এসে খুন হয়ে যায় গোপীনাথের অন্যতম প্রধান সহযোগী আঁদ্রে। আঁদ্রের গবেষনা সংক্রান্ত গোপনীয় কাগজপত্র সংরক্ষণ করতে গিয়ে গোপীনাথ আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন ভিকিজ মব, বড় বড় কিছু কর্পোরেশনের লেলিয়ে দেয়া মাফিয়া এবং অন্যান্য কুখ্যাত খুনীদের লক্ষ্যে পরিণত হয়। বহুবিধ অদৃশ্য কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী এই সব শত্রুদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখে টিকে থাকার সংগ্রামের গল্প কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল। রিভিউ পড়ুন: http://bit.ly/2RknbqD"

Neel kontho

Neel kontho , Oct 16, 2019

★ ★ ★ ★ ★

"থ্রিলার বইতে আজকাল গল্পের নামে ইতিহাস, ব্যাকস্টোরি, প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে করতে পাঠকদের সুন্দর করে ঘুম পারিয়ে দেওয়ার যে মহান ট্রেন্ড চালু হয়েছে, এই বইটাতে তা নেই একদমই। বাঙালি থ্রিলার এমনই হওয়া উচিত। পরিচিত গণ্ডিতে অপরিচিত প্রেক্ষাপট। এক ছটাক মেদ নেই কোথাও। বর্ণনা যতটুকু দরকার ততটুকু। কথোপকথন যেমন বাস্তবধর্মী, তেমন স্মার্ট। নতুন থ্রিলার লেখকরা ড্যান ব্রাউনের ব্যর্থ অনুসরণ না করে এই সব বই পড়তে পারে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, সাদা বিড়াল দিয়ে লেখক বোধহয় বুঝিয়েছেন আলোকিত জগত, কালো বিড়াল দিয়ে অন্ধকার জগত। প্রচ্ছদের ছবিতে ইন্টারপোলের গোয়েন্দাকে সাদা ও কালো বিড়াল, দু’টো অংশের মাঝামাঝিতে দেখা যায়। অর্থাৎ ইন্টারপোল এজেন্ট সুধাকর দত্ত পুরোপুরি ভাল বা মন্দ কোন দলেই পড়ে না, আবার উভয় দলেই পড়ে, এমন বোঝানো হয়েছে! যেটা গল্পের সাথে যায়ও। এক জায়গায় লেখা আছে-বাঘের মাসির মতো ওত পেঁতে আছে...বিড়াল শব্দটা সচেতনভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে অনেক জায়গাতে। উপভোগ্য, মেদবর্জিত, দুর্দান্ত একটা থ্রিলার।"

Sultan

Sultan , Oct 7, 2019

★ ★ ★ ★ ★

"ঘটনার শুরু কলকাতায়। মনোজ সেন আর তার ওয়াইফ রোজমারি জার্মানি থেকে কলকাতায় এসে একটা কারখানা খোলে। সেখানের তৈরি এক ধরণের ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল আ্যালয় তারা বিভিন্ন দেশে বিক্রি করে। মনোজ সেন সরল সোজা হলেও রোজমারি দারুণ বুদ্ধিমতী। মূলত তার বুদ্ধিতেই চলছে গোটা ব্যবসা। ফরাসি ডেলিগেটদের একটা দল তাদের কারখানা ভিজিট করতে আসার কিছুক্ষণ আগে ইন্টারপোল থেকে আসা এক লোক মনোজকে দেয় এক অদ্ভুত খবর। ডেলিগেটদের দলে নাকি আছে এক ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল, যাকে সে আইডেন্টিফাই করতে চায়। তার জন্য সে মনোজের এসিস্ট্যান্ট হিসেবে সেই সময়টাতে তার সাথে থাকতে চায়। ব্যাপারটা পছন্দ না হলেও ইন্টারপোল বলে রাজি হয়ে যায় মনোজ। এদিকে সেই ফরাসি ডেলিগেটরা তাদের ভিজিট ক্যান্সেল করে দেয় কারণ তাদের একজন সদস্য হার্ট এটাকে মারা গেছে। ইন্টারপোল এর সেই লোক, যার নাম সুধাকর দত্ত, সে কিন্তু এই খবরে মোটেও বিচলিত হয়না, যেন এটা হওয়ারই ছিলো। সেদিনই রোজমারিকে পাঠানো হয় একটা লাল গোলাপের তোড়া, যাতে বার্থডে উইশ করা। কিন্তু রোজমারির জন্মদিন সেদিন ছিলোনা। আবার উইশ কার্ডের পেছনে লেখা RIP, যার অর্থ রোজমারি করে 'রেস্ট ইন পিস'। কিন্তু তার তো কোন শত্রু নেই, তাহলে এমন মজা কে করলো? সেদিন রাতে ফোন বাজে প্যারিসে গোপীনাথ বসুর ঘরে। ভিকিজ মব নামে এক আন্তর্জাতিক অপরাধ সংস্থা তাকে দিতে বলে এক গুরত্বপূর্ণ প্রোজেক্ট এর ব্লুপ্রিন্ট। এই প্রোজেক্ট এর মূল কর্তা আঁদ্রে, যার ব্যবস্থা তারা করে ফেলেছে। এখন গোপীনাথ বসু তাদের কথামতো না চললে তার অবস্থাও আঁদ্রের মতো হবে। গোপীনাথ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে আঁদ্রে কলকাতায় হার্ট এটাকে মারা গেছে। কিন্তু গোপীনাথ ভয় পেয়ে বিশ্বাসঘাতকতা করার পাত্র নয়। এদের হাত থেকে সেই গুরুত্বপূর্ণ ব্লুপ্রিন্ট বাঁচাতে ছুটে যায় রোমে। সেখান থেকে সেগুলো নিয়ে আসে নিজের জিম্মায়। এতে আবার তার নিজ কোম্পানি সাক্কি তাকে অবিশ্বাস করে বসে। তারা ভেবে নেয়, গোপীনাথ সেগুলো ভিকিজ মবকে দেয়ার জন্যই নিয়েছে। তাই তারা এবার গোপীনাথ কে মারার জন্য মাফিয়া লাগিয়ে দেয়। একদিকে ভিকিজ মব, একদিকে মাফিয়া, আরেকদিকে আবার সুধাকর দত্ত। গোপীনাথ হয়ে পড়ে দিশেহারা। কে শত্রু আর কে বন্ধু ভাবতে ভাবতেই কাহিনি ঘটতে থাকে একের পর এক।আর এটা এমনই এক মিস্ট্রি, যা শেষ পাতা পর্যন্ত কিছুতেই ধরতে পারবেননা।"

BookHunter

BookHunter , Oct 6, 2019

★ ★ ★ ★ ★

"☆☆☆☆☆"

Harun-Ar-Rashid

Harun-Ar-Rashid , Sep 23, 2019

★ ★ ★ ★ ★

"শুক্রবার। সরকারি ছুটির দিন। হাতে তেমন কোনো কাজ না থাকায় স্বভাবতই অলস সময় কাটাচ্ছিলাম। এমন সময় আদি ভাইয়ের ফোন। - বিজি? - এক্কেবারে ফ্রি। - চলে আসুন। - কোথায়? - কোথায় আবার, বাতিঘরে। বাতিঘরের নাম শোনামাত্রই হৃদপিন্ডের সব বাতি জ্বলে উঠলো। কোনো কথা নাই, ৫ সিনিটের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাত্রা শুরু বাতিঘরের উদ্দেশ্যে। ধুমায়া আড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ দেখি পাশের আসন খালি। আদি ভাই নাই। খানিকটা সময় গত হতেই আবারো উনার আগমন ঘটলো। হাতে একখান বই। কালো বেড়াল সাদা বেড়াল। পড়েছেন এটি? মৃদুস্বরে জিজ্ঞাসা। জ্বি না ভাই, পড়া হয়নি। ওহ্ আপনার আধেক জীবন বৃথা। এই লন, পড়েন। থ্রিলার কি জিনিস শীর্ষেন্দু দেখিয়েছেন। আড্ডাশেষে বাসায় ফিরলাম রাত দশটায়। হাতের কাজ শেষে তুলে নিলাম শীর্ষেন্দুর কালো বেড়াল সাদা বেড়াল। যারা এখনো পড়েননি, বিশ্বাস করবেন কি না জানিনা প্রথম পৃষ্টা থেকেই থৃল অনুভব করলাম। কয়েক পাতা পড়েই প্রকাশকাল দেখলাম। প্রথম প্রকাশ ১৯৯৯। প্রায় বিশ বছর পূর্বের লেখা থ্রিলার, এতোটাই আধুনিক আর বাস্তব মনে হলো যে কলি যুগের সব থ্রিলারকে হার মানালো। পড়া শেষ করে মনে হলো আধেক জীবন নয়, বইটি না পড়লে পুরো জীবনটাই বৃথা রয়ে যেতো। এবার আসুন, মূল আলোচনায় যাই। মনোজ সেন ও রোজমারি দম্পত্তি। একটি ছোটো খাটো কারখানার শীর্ষ পদে রয়েছেন। ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপোনেন্টস তৈরির কাজে লাগে যে বিশেষ ধরণের অ্যালয়, তাই তৈরি করা হয় তাদের কারখানায়। যা ইতিমধ্যেই বিশ্ববাজারে তৈরি করেছে ব্যাপক চাহিদা। সাক্কি ইনকর্পোরেটেডের একটি প্রতিনিধি দল এসেছে তাদের কারখানা পরিদর্শনে। উদ্দেশ্য তাদের তৈরি অ্যালয় নিয়ে নতুন চুক্তি সম্পাদন। মনোজরা যখন বিদেশী ডেলিগেটসদের প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে চরম ব্যস্ত, ঠিক তখনই ঘটে যায় এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। হঠাৎ ইন্টারপোলের ইনভেস্টিগেটর সুধাকর দত্ত প্যারিস থেকে মনোজদের কারখানায় হাজির। ইন্টারপোলের তথ্য অনুযায়ী ডেলিগেটসদের দলে নাকি একজন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল আছে। কারখানায় খবর এলো, ডেটিগেটসদের একজনকে খুন করা হয়। চুক্তি সম্পাদন প্রোগ্রাম বাতিল। এক রহস্যময় ঠিকানা থেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে রোজমারিকে পাঠানো হয় একগুচ্ছ ফুল। ফুলের তোড়ায় অদ্ভূত একটি সংকেত। এটি কি শুধুই জন্মদিনের শুভেচ্ছা, নাকি প্রাণনাশের হুমকি? ঘটে যাচ্ছে একটার পর একটা ভূতুরে ঘটনা। হঠাৎ রোজমারির সামনে হাজির হয় তার প্রাক্তন স্বামী জো। রোজমারি আবার একটা গোপন সম্পর্ক বজায় রেখে প্রায়ই সিঙ্গাপুর উড়ে যায় লুলুকে সঙ্গে নিয়ে। পেছনে লেগে আছে সুধাকর দত্ত। সাক্কি ইনকরপোরেটেড'র বিজ্ঞানী গোপীনাথ বসুকে হত্যা করার জন্যে ভাড়াটে গুন্ডাদের প্রস্তুতি। একটা আন্তর্জাতিক চক্র উঠে পড়ে লাগে মনোজ-রোজমারির তৈরি করা স্বপ্নের কারখানার বিরুদ্ধে। প্রতিশোধের গ্রিক দেবী নেমেসিসের ভূমিকায় সুধাকর দত্ত চষে বেড়ায় প্যারিস থেকে কলকাতায়, কলকাতা থেকে রোমে, রোম থেকে আবার কলকাতায়। প্রত্যেকটি নাটকীয় ঘটনায় সুধাকরের উপস্থিতি এক সময় চরমভাবে ভাবিয়ে তোলে গোপিনাথসহ মনোজ-রোজমারি দম্পত্তিকে। এদিকে গোপীনাথকে হত্যার চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ে রোজমারির প্রেমিক লুলু এবং প্রাক্তন স্বামী জো ক্লাইন। একসময় জানা যায়, মনোজের পিএস সোনালী বসু গোপিনাথের প্রাক্তন স্ত্রী। অকস্মাৎ ঘটে যাওয়া এতোগুলো ঘটনার পেছনে কার এমন শক্তিশালী হাত রয়েছে? কি তার উদ্দেশ্য? বইয়ের প্রথম পরিচ্ছদ থেকেই রহস্যের শুরু। বিরাজমান ছিল শেষ পৃষ্টা অবধি। সবচেয়ে আকর্ষনীয় যেটা মনে হয়েছে, সেটা হলো কিছু রহস্যের রহস্যময় সমাধান। রহস্যময় সমাধান এজন্যই বললাম, আধুনিক সব থ্রিলারগুলোতে লক্ষ্য করা যায় একটা সময় এসে নাটকীয় কিছু সমাধান। যা এ বইটিতে পাবেন না। বইটি এমন একটা পর্যায়ে রেখে শেষ করা হয়েছে যা পাঠককে তার সূক্ষ্ম মেধা দিয়ে নিজেই কিছু রহস্যের সমাধান করতে হবে। এক বসাতে পড়ার মতো বই এটি। আকারে কিছুটা নাদুস নুদুস হওয়ায় আমার সময় লেগেছে একদিন। তবে যতটুকু সময় পড়ার বাইরে ছিলাম পুরো সময়টাই একটি অন্যরকম থ্রিল অনুভব করেছি। এই থ্রিলারটিতে লেখক এতোটাই মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন যে, আমি অভিভূত না হয়ে পারলাম না। যারা থ্রিলার পছন্দ করেন, আর এ বইটি এখনো পড়েন নি। তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আদি ভাইয়ের ভাষায় আধেক জীবন নয়, আপনার পুরো জীবনটাই বৃথা। আর নামকরণে রয়েছে আরেকটা রহস্য। যে বুদ্ধিমান পাঠকগণ নামকরণের স্বাথর্কতা খুঁজে পাননি, তাদের জন্য সমবেদনা। বইটি পড়ার পরও আপনার আধেক জীবন বৃথাই রয়ে গেলো। নামকরণের স্বার্থকতা ধরতে পারা পাঠকেরই মুন্সিয়ানা বলে আমি মনে করি। সবশেষে কৃতজ্ঞতা আড্ডাখানার এডমিন আদি ভাইয়ের প্রতি, থ্রিলারের জগতে আপনি আমাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিলেন। বই : কালো বেড়াল সাদা বেড়াল লেখক : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় প্রকাশনী : আনন্দ পাবলিশার্স লিমিটেড প্রচ্ছদ : সুব্রত চৌধুরী পৃষ্টা সংখ্যা : ২৩০ মুদ্রিত মূল্য : ২০০ রুপি"

Kazi Asifuzzaman

Kazi Asifuzzaman , Apr 22, 2019

★ ★ ★ ★ ★

"#প্রগতি_রিভিউ_প্রতিযোগ_এপ্রিল বইয়ের নামঃ কালো বেড়াল সাদা বেড়াল বইয়ের ধরণঃ থ্রিলার/রহস্যপোন্যাস লেখকঃ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় প্রথম প্রকাশঃ ১৯৯৯ প্রকাশনীঃ আনন্দ পাবলিশার্স, ভারত পৃষ্ঠাঃ ২৩০ মূদ্রিত মূল্যঃ ২০০ রুপি প্রগতি মূল্যঃ ৩৮০ টাকা (১.৮ করভার্সন রেট) শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের বই পড়ছি অনেক দিন। তার দূরবীন, যাও পাখি, পার্থিবসহ বেশ কিছু বই আমার পড়া। একজন লেখক কতটা বৈচিত্র্যময় লেখা লিখতে পারেন তা শীর্ষেন্দু বাবুর লেখা পড়লেই বোঝা যায়। তার লেখা শবর সিরিজ আর অদ্ভুতুড়ে সিরিজ আমার খুবই পছন্দের। কিন্তু থ্রিলার জনরার দিক থেকে তার শবরহীন লেখা এই প্রথমবার পড়লাম। সার-সংক্ষেপঃ একটি বড় অ্যালয় তৈরীর কোম্পানির কর্তার সাথে দেখা করতে এলেন ইন্টারপোল অফিসার সুধাকর দত্ত। উদ্দেশ্য একজন আন্তর্জাতিক অপরাধীকে ধরা। ঠিক সেই সময় খুন হলেন সেই কোম্পানীতে ডেলিগেশনে আসা একজন বিজ্ঞানী। ধারণা করা হচ্ছে ওই অ্যালয় দিয়ে কোন একটি দামী সম্পদ বানানো সম্ভব, যা বাড়িয়ে দিতে পারে প্রযুক্তি গতি। এনে দিতে পারে অপরিমাণ অর্থ! ব্যস! আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রসহ অন্যান্য প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানও উঠে পড়ে লাগলো কোম্পানীর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে জীবন সংশয়ে পড়লেন খুন হওয়া বিজ্ঞানীর সহকর্মী, কাজ পাগল মানুষ গোপীনাথ বসু। জিম্মি করা হলো তাকে। প্রান নাশের সম্ভাবনা দেখা দিল। গোপীনাথ সুদূর রোম থেকে পালিয়ে এলেন কলকাতায়। কিন্তু তারপর? পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ শবর সিরিজের না হলেও বইটির কাহিনী অনেক সুন্দর লেগেছে। খুব সাধারণ প্লট। আহামরি কিছু নেই। তবে উত্তেজনা ছিল টানটান। গল্পের চরিত্রগুলোও খুব আকর্ষণীয়! বিশেষ করে সুধাকর দত্তের চরিত্রটা আমার অসাধারণ লেগেছে। পুরো বইটা জুড়ে যেন তিনি ছায়ার মত ছড়িয়ে ছিলেন! এছাড়া গোপীনাথ বসু, রোজমেরি আর সোনালীর ব্যক্তিত্ব মনে রাখার মত! সর্বোপরি ভালো লেগেছে। বইয়ের ভালো দিকঃ ১. বইটির কাহিনী খুব সাধারণ হলেও লেখনীর দক্ষতায় লেখক পুরোটা বই জুড়ে পাঠককে টেনে ধরে রাখতে পেরেছেন। ২. থ্রিলার বইয়ে যে জিনিসটি খুব বেশি থাকা লাগে, সেটি হচ্ছে চমক। আর লেখক সেই কাজটা খুবই ভালোভাবেই পারেন! ৩. বইটির প্রত্যেকটি চরিত্র খুব সক্রিয়। মূল চরিত্রগুলোর কাউকেই তেমন ফেড হতে দেখিনি। শেষ পর্যন্ত সবার উপস্থিতি চোখে পড়ার মত ছিল। ৪. আমার বরাবরই ভারতীয় বইয়ের লেখনী খুব ভালো লাগে। বিশেষ করে বাংলা প্রবাদ ও বাগধারার খুব সুন্দর ব্যবহার করেন তারা। এই বইতেও সেটার অভাব ছিল না। ৫. বইয়ের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকটা ক্যারেক্টার পাঠককে ধরে রাখে। বইটির আমেজের সাথে পাঠক পুরো একাত্ব হয়ে যেতে পারে। অন্তত আমি তাই হয়েছিলাম, যা অনেকদিন কোন থ্রিলারে হইনি। বইয়ের খারাপ দিকঃ ১. বইটির প্রথমেই রহস্য শুরু হয়। এটা আমার ভালো লাগেনি। মনে হয়েছে কেউ হুট টেনে ধরে যুদ্ধের ময়দানে নামিয়ে দিয়েছে! ২. বইটির মূল চরিত্র অনেকবার ফ্লাকচুয়েট করেছে। যদিও এটা ভালো সাইন। তবে আমার ক্ষেত্রে ফোকাসে গন্ডগোল হয়েছে কয়েকবার! ৩. বইয়ের লুলু চরিত্রটিকে খুব দূর্বল লেগেছে আমার। ওমন ইম্পোর্টান্ট ক্যারেক্টর এতোটা ধোয়াশে কেন হলো বুঝলাম না! তার চরিত্র বা সক্রিয়তা আমার কাছে পরিষ্কার না। ৪. বইটির নামের সাথে কাহিনীর কোন মিল পাইনি। বইয়ের বাহ্যিক দিকঃ আমি যেহেতু সরাসরি কলকাতা থেকে অরিজিনাল প্রিন্ট কিনে পড়েছি, তাই সেই হিসেবেই লিখছি। নীলক্ষেত প্রিন্ট থেকে থাকলে আমার জানা নেই। বইটির পেজ, বাইন্ডিং, মলাট সবই অসাধারণ। দেখতে এতটাই সুন্দর যে বইয়ের কোন পৃষ্ঠার একটা কোণাও ভাজতে করতে আপনার ইচ্ছে করবে না। বইয়ের ছাপা অক্ষরও অনেক পরিষ্কার ও পাঠযোগ্য! রেটিংঃ ৪/৫"

Nivea Haque

Nivea Haque , Nov 23, 2018

★ ★ ★ ★ ★

"বই : কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল। লেখক : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। প্রকাশনী : আনন্দ পাবলিশার্স। মূল্য : ৩৬০টাকা। (প্রগতি) পৃষ্টা : ২৯২। জনরা : থ্রিলার। #কাহিনী_সংক্ষেপ মনোজ জার্মানিতে থাকাকালীন রোজমারির সাথে প্রেম এবং তারপর বিয়ে। রোজমারিও মনোজের মত একজন মেটালার্জিস্ট। তাদের দুইজনেরই উঁচু ডিগ্রী আছে। মনোজদের যে ইস্টার্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যালয় ; এর পেছনে রোজমারির অবদানই বেশি। সে একটা জার্মান কোম্পানিকে ধরে একটা কোলাবরেশনের ব্যবস্থা করেছে। এবং দক্ষ হাতে এর দেখাশোনা করছে। কেননা মনোজ টেনশন সহ্য করতে পারেনা। তাই সে অফিশিয়াল দিকটাই সামলায়। সুব্রত মনোজের পি.আর.ও আর সোনালি পি.এস। মনোজরা তাদের কারখানাতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপোনেন্টস তৈরিতে কাজে লাগে এমন এক বিশেষ ধরণের দুর্লভ অ্যালয় তৈরি করে। যার বিশ্ববাজারে ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি করেছে। আর খুলে দিয়েছে নতুন অজনা এক সম্ভাবনাময় দ্বার। সেই কারখানা পরিদর্শনে এসেছে কিছু বিদেশী ডেলিগেটস। মনোজদের সাথে সাক্কি ইনকর্পোরেটেডের নতুন চুক্তি সাক্ষরিত হবার কথা । কিন্তু ইন্টারপোল ইনভেস্টিগেটর সুধাকর দত্ত উরফে দাতা প্যারিস থেকে এই কারখানা পরিদর্শন করতে এসেছে। শুধু তাই নয় সুধাকর জানায় ডেলিগেটসদের ভেতর একজন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল আছে। সুধাকর কে অবিশ্বাস করার কোনো উপায় নেই, কেননা তার কথা সত্য প্রমাণ করেই হঠাৎ আঁদ্রে নামের একজন ডেলিগেট মারা যায়। সুধাকর রোজমারির সাথে দেখা করে জানায় যে তার প্রাক্তন স্বামী দ্বার খুব শ্রীঘ্রই সে নাজেহাল হতে যাচ্ছে। আর হটাৎই একদিন জো ক্লাইন কল করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে কারখানায় ঢোকার সুযোগ করে দেয়ার জন্য। কি আছে এই কারখানায় যে সবাই এর পেছনে লেগেছে? ওইদিকে রোমে সাক্কির আরেক কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানী গোপীনাথ বোস কে খুন করতে চাইছে ভিকিজ মব নামে এক ক্রাইম অর্গানাইজেশন। আর কলকাতায় খুন হয় ডেলিগেট আঁদ্রেসও সাক্কির বিজ্ঞানী, এবং গোপীনাথ তার কো-অর্ডিনেটর। এই দুই বিজ্ঞানীকে কেনোই বা খুন করতে চাইছে ভিকিজ-মব? আবার স্বয়ং সাক্কিই গোপীনাথের পেছনে লেগেছে! কিন্তু কেনো? সুধাকর নজরবন্ধী গোপীনাথ কে তুলে এনে আশ্রয় দেয়। পালাতেও সাহায্য করে। কিন্তু কেনো? এতে সুধাকরের কি স্বার্থ? সে কি গোপীনাথের বন্ধু? নাকি শত্রু? ওইদিকে নানা সমস্যায় জর্জরিত রোজমারি আর মনোজ জানতে পেরেছে সোনালি গোপীনাথের এক্স ওয়াইফ! তাই তারাও খুঁজছে গোপীনাথকে! গোপীনাথ কি রোম থেকে পালাতে পারবে? ফিরতে পারবে কলতাকায়? কলকাতাই বা তার জন্য কতখানি নিরাপদ? কি উদ্দেশ্য এই ষড়যন্ত্রের? কে বা কারাই রয়েছে এর পেছনে? গোপীনাথ কি শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাবে? এসকল প্রশ্নের উত্তর জানতে আর রহস্যের সমাধান করতে আপনাকে পড়তে হবে শীর্ষেন্দুর " কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল" বইটি। #পাঠপ্রতিক্রিয়া I'm in love. I'm in love. I'm in love ইয়ে মানে আমি আবার প্রেমে পড়ে গেছি। তাও এক বুড়োর। বুড়ো শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এর। ইয়া আল্লাহ্‌! কি বলবো? এমন দুর্দান্ত, সাসপেন্সে ভরা টানটান উত্তেজনাময় থ্রিলার পড়িনি বহুকাল। উফফফ আমি মুগ্ধ নয়নে পড়ছি আর অভিভূত হয়েছি। কোনো খুঁত চোখে পড়েনি। এক মুহূর্ত দেড়ি না করে চোখ খুলে নিঃশ্বাস বন্ধ করে পড়ে ফলুুন বইটি। বই হোক ভালোবাসার প্রতীক"

Soma Rahman

Soma Rahman , May 22, 2016

★ ★ ★ ★ ★

"রোজমারিকে বিয়ে করার পর মনোজ সেন জার্মানি থেকে কলকাতা চলে আসে। এখানে এসে নিজেদের ইন্ডাস্ট্রি চালু করে।ওদের কারখানায় একটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যালয় তৈরি হয়,যেটা বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি তে কাজে লাগে। মনোজ অতটা করিৎকর্মা নয়, টেকনিক্যাল ব্যাপার স্যাপার ওর স্ত্রী রোজমারিই হ্যান্ডেল করে। বিদেশ থেকে বেশকয়েকজন ডেলিগেটর এসেছে। মনোজের বিশ্বাস এবারের মিটিং এ ওদের তৈরি অ্যালয়ের চাহিদা বেড়ে যাবে। ডেলিগেটর রা একটা হোটেলে আছে। ওদের সাথে মনোজের পি.আর.ও সুব্রত রয়েছে। খবর পাওয়া গেছে ১৫ মিনিটের মধ্যেই ওরা রওনা দেবে। এমন সময় ওদের অফিসে একজন লোক আসল, ঝাড়া ছয় ফিট লম্বা, অ্যাথলেটদের মত পেটা শরির। সুধাকর দত্ত, ইন্টারপোল অফিসার।এই সময়ে একজন ইন্টারপোল অফিসার কেন আসবে ভেবে পাচ্ছেনা মনোজ। সুধাকর দত্ত বলল যে ওদের অফিসে যে কজন ডেলিগেটর আসছে তার মধ্যে একজন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল রয়েছে। এবং সে নিজের নাম বদলিয়ে আছে। সুধাকর দত্ত চাচ্ছেন মনোজের পার্সোনাল সেক্রেটারি হিসেবে থাকতে, তাহলে সে হয়তো ঐ ক্রিমিনাল কে আইডেন্টিফাই করতে পারবে। এসময় হঠাৎ সুব্রত ফোন করে জানায় যে ডেলিগেটরদের একজন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরায় তারা এখন আর আসছেন না। মনোজ চিন্তিত। কিন্তু সুধাকর দত্তের কথায় বোঝা গেল, এরকটাই হওয়ার কথা। পরে খবর এল যে অসুস্থ হয়ে পরেছিল তার নাম আঁদ্রে। আদ্রে মূলত সাক্কি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর একজন সাইন্টিস্ট। তারা একটা সলিড ফুয়েল তৈরি করার চেষ্টা করছিল, যেটা তৈরি করতে পারলে সাড়া পরে যেত পৃথিবীতে। এদিকে প্যারিসে মধ্যরাতে টেলিফোন বাজল গোপীনাথ বসুর ঘরে। গোপীনাথ বসু সাক্কি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর আরেকজন সাইন্টিস্ট। সেই আঁদ্রে কে নিয়ে এসেছিল সাক্কিতে। ফোন করেছে কুখ্যাত টেরোরিস্ট অর্গানাইজেশন ভিকিজ মবের একজন এজেন্ট। সে জানাল যে আঁদ্রে কে কলকাতায় খুন করা হয়েছে। ওদের কথামত না চললে তাকেও খুন করা হবে। ওদের দাবী ওরা যে প্রজেক্ট টা নিয়ে কাজ করছিল সেটার ব্লুপ্রিন্ট ওদের চাই। গোপীনাথ ভিকিজ মব সম্পর্কে কিছুই জানতো না। কয়েক জায়গায় টেলিফোন করে ওদের সম্পর্কে জানতে পারে। ভিকিজ মবের প্যারিস শাখার দায়ীত্বে আছে এস দাতা। গোপীনাথ যে ওদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছে সেটাও ওরা জানে। গোপীনাথরা যে প্রজেক্টটা নিয়ে কাজ করছিল তা যদি ওদের হাতে যায় তাহলে বিপদ। এদিকে আঁদ্রের মৃত্যুর পর আঁদ্রের ফ্ল্যাট থেকে দরকারি কাগজপত্র সরিয়ে ফেলে গোপিনাথ। এবং এটা করতে গিয়ে বরং সাক্কি তার উপর ক্ষেপে গিয়ে তাকে নজরবন্দি করে রেখেছে।একজন বাঙালি ভদ্রলোকের সাহায্যে ওদের নজরবন্দি থেকে পালিয়ে যান গোপীনাথ। তাকে পালাতে সাহায্য করে সুধাময় দত্ত। সাক্কির ভাড়াটে খুনিরা এখন উঠেপড়ে লেগেছে গোপীনাথকে খুন করতে। কলকাতায় যে ইন্টারপোল অফিসার গিয়েছে, সুধাকর দত্ত সেই মূলত এস দাতা। প্যারিসে দত্তকে ওরা দাতা বলে। এই দাতা লোকটার চাল চলন কেমন যেন রহস্যময়। কখনও মনে হয় সেই ভিলেন আবার কখনও মনে হয় সেই হিরো। গোপীনাথ বসু কি পারবে ভিকিজ মব থেকে রেহাই পেতে? সাক্কির ভাড়াটে খুনিদের হাত থেকে বাচতে? যদি তাকে ধাওয়া করে এস দাতা? আবার যদি তাকে সাহায্য করে সুধাকর দত্ত? ব্যক্তিগত মতামতঃ শ্বাসরুদ্ধকর। এক বসায় একটানা পাঁচঘন্টা লাগিয়ে পড়েছি। এর আগে কোনও বই এভাবে একটানা পড়িনি। যারা বইটি পড়েছেন তাদের সাথে একটা কথা শেয়ার করি। যদি বইটির কাহিনী দিয়ে সিনেমা তৈরি হয় তাহলে সুধাকর দত্ত বা এস দাতার চরিত্রে আপনি কাকে ভাববেন? আমি চোখ বন্ধ করে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় কে ভেবে রেখেছি।"

মাসুম আহমেদ আদি

মাসুম আহমেদ আদি , Nov 5, 2015

★ ★ ★ ★ ★

"রিভিউঃ রোজমারিকে বিয়ে করার পর মনোজ সেন জার্মানি থেকে কলকাতা চলে আসে। এখানে এসে নিজেদের ইন্ডাস্ট্রি চালু করে।ওদের কারখানায় একটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যালয় তৈরি হয়,যেটা বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি তে কাজে লাগে। মনোজ অতটা করিৎকর্মা নয়, টেকনিক্যাল ব্যাপার স্যাপার ওর স্ত্রী রোজমারিই হ্যান্ডেল করে। বিদেশ থেকে বেশকয়েকজন ডেলিগেটর এসেছে। মনোজের বিশ্বাস এবারের মিটিং এ ওদের তৈরি অ্যালয়ের চাহিদা বেড়ে যাবে। ডেলিগেটর রা একটা হোটেলে আছে। ওদের সাথে মনোজের পি.আর.ও সুব্রত রয়েছে। খবর পাওয়া গেছে ১৫ মিনিটের মধ্যেই ওরা রওনা দেবে। এমন সময় ওদের অফিসে একজন লোক আসল, ঝাড়া ছয় ফিট লম্বা, অ্যাথলেটদের মত পেটা শরির। সুধাকর দত্ত, ইন্টারপোল অফিসার।এই সময়ে একজন ইন্টারপোল অফিসার কেন আসবে ভেবে পাচ্ছেনা মনোজ। সুধাকর দত্ত বলল যে ওদের অফিসে যে কজন ডেলিগেটর আসছে তার মধ্যে একজন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল রয়েছে। এবং সে নিজের নাম বদলিয়ে আছে। সুধাকর দত্ত চাচ্ছেন মনোজের পার্সোনাল সেক্রেটারি হিসেবে থাকতে, তাহলে সে হয়তো ঐ ক্রিমিনাল কে আইডেন্টিফাই করতে পারবে। এসময় হঠাৎ সুব্রত ফোন করে জানায় যে ডেলিগেটরদের একজন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরায় তারা এখন আর আসছেন না। মনোজ চিন্তিত। কিন্তু সুধাকর দত্তের কথায় বোঝা গেল, এরকটাই হওয়ার কথা। পরে খবর এল যে অসুস্থ হয়ে পরেছিল তার নাম আঁদ্রে। আদ্রে মূলত সাক্কি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর একজন সাইন্টিস্ট। তারা একটা সলিড ফুয়েল তৈরি করার চেষ্টা করছিল, যেটা তৈরি করতে পারলে সাড়া পরে যেত পৃথিবীতে। এদিকে প্যারিসে মধ্যরাতে টেলিফোন বাজল গোপীনাথ বসুর ঘরে। গোপীনাথ বসু সাক্কি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর আরেকজন সাইন্টিস্ট। সেই আঁদ্রে কে নিয়ে এসেছিল সাক্কিতে। ফোন করেছে কুখ্যাত টেরোরিস্ট অর্গানাইজেশন ভিকিজ মবের একজন এজেন্ট। সে জানাল যে আঁদ্রে কে কলকাতায় খুন করা হয়েছে। ওদের কথামত না চললে তাকেও খুন করা হবে। ওদের দাবী ওরা যে প্রজেক্ট টা নিয়ে কাজ করছিল সেটার ব্লুপ্রিন্ট ওদের চাই। গোপীনাথ ভিকিজ মব সম্পর্কে কিছুই জানতো না। কয়েক জায়গায় টেলিফোন করে ওদের সম্পর্কে জানতে পারে। ভিকিজ মবের প্যারিস শাখার দায়ীত্বে আছে এস দাতা। গোপীনাথ যে ওদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছে সেটাও ওরা জানে। গোপীনাথরা যে প্রজেক্টটা নিয়ে কাজ করছিল তা যদি ওদের হাতে যায় তাহলে বিপদ। এদিকে আঁদ্রের মৃত্যুর পর আঁদ্রের ফ্ল্যাট থেকে দরকারি কাগজপত্র সরিয়ে ফেলে গোপিনাথ। এবং এটা করতে গিয়ে বরং সাক্কি তার উপর ক্ষেপে গিয়ে তাকে নজরবন্দি করে রেখেছে।একজন বাঙালি ভদ্রলোকের সাহায্যে ওদের নজরবন্দি থেকে পালিয়ে যান গোপীনাথ। তাকে পালাতে সাহায্য করে সুধাময় দত্ত। সাক্কির ভাড়াটে খুনিরা এখন উঠেপড়ে লেগেছে গোপীনাথকে খুন করতে। কলকাতায় যে ইন্টারপোল অফিসার গিয়েছে, সুধাকর দত্ত সেই মূলত এস দাতা। প্যারিসে দত্তকে ওরা দাতা বলে। এই দাতা লোকটার চাল চলন কেমন যেন রহস্যময়। কখনও মনে হয় সেই ভিলেন আবার কখনও মনে হয় সেই হিরো। গোপীনাথ বসু কি পারবে ভিকিজ মব থেকে রেহাই পেতে? সাক্কির ভাড়াটে খুনিদের হাত থেকে বাচতে? যদি তাকে ধাওয়া করে এস দাতা? আবার যদি তাকে সাহায্য করে সুধাকর দত্ত? ব্যক্তিগত মতামতঃ শ্বাসরুদ্ধকর। এক বসায় একটানা পাঁচঘন্টা লাগিয়ে পড়েছি। এর আগে কোনও বই এভাবে একটানা পড়িনি। যারা বইটি পড়েছেন তাদের সাথে একটা কথা শেয়ার করি। যদি বইটির কাহিনী দিয়ে সিনেমা তৈরি হয় তাহলে সুধাকর দত্ত বা এস দাতার চরিত্রে আপনি কাকে ভাববেন? আমি চোখ বন্ধ করে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় কে ভেবে রেখেছি।"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
ময়ূরাক্ষী
একটু পড়ে দেখুন
ময়ূরাক্ষী হুমায়ূন আহমেদ
(277)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
তোমাকে
একটু পড়ে দেখুন
তোমাকে হুমায়ূন আহমেদ
(186)
TK. 225 -20% OFF
TK. 180
হিমু সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(314)
TK. 1,000 -20% OFF
TK. 800
মিসির আলি সমগ্র ২
একটু পড়ে দেখুন
মিসির আলি সমগ্র ২ হুমায়ূন আহমেদ
(143)
TK. 500 -20% OFF
TK. 400
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড হুমায়ূন আহমেদ
(116)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
একটু পড়ে দেখুন
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ হুমায়ূন আহমেদ
(69)
TK. 160 -14% OFF
TK. 138
তিনি ও সে
একটু পড়ে দেখুন
তিনি ও সে হুমায়ূন আহমেদ
(34)
TK. 135 -20% OFF
TK. 108
শুভ্র সমগ্র
একটু পড়ে দেখুন
শুভ্র সমগ্র হুমায়ূন আহমেদ
(90)
TK. 600 -20% OFF
TK. 480

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল পাতা: 1 / 5
পাতা 2
কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল পাতা: 2 / 5
পাতা 3
কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল পাতা: 3 / 5
পাতা 4
কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল পাতা: 4 / 5
পাতা 5
কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল পাতা: 5 / 5
পাতা / 5
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।