হোম
0
কার্ট
অফার সাইন ইন
বই খোঁজা হচ্ছে...

কোনো বই খুঁজে পাওয়া যায়নি

বানান ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন অথবা অন্য শব্দ দিয়ে খুঁজুন

প্রগতি - PROGOTY
জোছনাফুল - আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব এর প্রচ্ছদ
একটু পড়ে দেখুন

২৫, সেপ্টেম্বর,২০২২

ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

জোছনাফুল

24 Ratings | 16 Reviews
TK. 230 TK. 230 -0% OFF

1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি

জোছনা কি কখনো ফুল হতে পারে? ফুলটা দেখতে কেমন? এই ফুলের সুবাসই বা কীভাবে নিতে হয়? ‘জোছনাফুল’ সেই রহস্যের সুলুক সন্ধানে নামবে আপনার সাথে। বইটা আপনাকে শুধু জোছনারা...
একটু পড়ে দেখুন
ক্যাশ অন ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন সুবিধা

বইটির বিস্তারিত দেখুন

জোছনা কি কখনো ফুল হতে পারে? ফুলটা দেখতে কেমন? এই ফুলের সুবাসই বা কীভাবে নিতে হয়? ‘জোছনাফুল’ সেই রহস্যের সুলুক সন্ধানে নামবে আপনার সাথে। বইটা আপনাকে শুধু জোছনারাতের আসরে বসিয়ে রাখবে
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন
Title জোছনাফুল
Author আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব
Publisher গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস
Edition ২৫, সেপ্টেম্বর,২০২২
Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) 144
Country বাংলাদেশ
Language বাংলা
Category ইসলামি বই
Weight 0.46 Kg
ISBN 978-984-8254-71-4
রিপোর্ট ইনকারেক্ট ইনফরমেশন

বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।

Reviews and Ratings

Rate this product

5.00

24 Ratings and 16 Reviews

★★★★★
24
★★★★☆
0
★★★☆☆
0
★★☆☆☆
0
★☆☆☆☆
0

পাঠকদের মন্তব্য

১৬টি
Shakil Ahamed

Shakil Ahamed , Aug 10, 2026

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"গল্পগুলো অসাধারণ।"

musahid vai

musahid vai , Nov 3, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"অসম্ভব সুন্দর সুন্দর কথা বলা আছে এই বইটাতে."

rohim rm

rohim rm , Nov 3, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"অসাধারণ বই!"

Nasrin Nahar

Nasrin Nahar , Nov 3, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"জোছনাফুল"

Ayesha Khanam Tinu

Ayesha Khanam Tinu , Oct 24, 2022

★ ★ ★ ★ ★

"আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীবের 'জোছনাফুল' পড়ে শেষ করলাম। এখনও একটা ঘোর-মেশানো ভালোলাগা কাজ করছে বুকের ভেতর। আমাদের সমবয়সী একজন মানুষ তার চিন্তার গভীরতা এবং ভাষার প্রাঞ্জলতায় কতদূর এগিয়ে গেছেন, বইটি না পড়লে বোঝার সাধ্য ছিল না। ভাববেন না বাড়িয়ে বলছি। এই জাতীয় বইয়ের প্রশংসা করতে না পারলে নিজেকে বড় অপরাধী বলে মনে হয়। প্রায় বছরখানেক হলো ইতিহাস আর ধর্মীয় বিষয়ক বইপত্র পড়তে পড়তে নিজের গতি কেমন শ্লথ হয়ে এসেছিল; একটা আড়ষ্টতা যেন চেপে বসেছিল ভারি বোঝার মতো। 'জোছনাফুল' সেই ভারি বোঝাটাকে হালকা করেছে। পড়াশোনায় একটা উদ্যমমাখা গতি ফিরে এসেছে আবার। শান্ত পুকুরে ঢিল ছুঁড়ে কাঁপন তোলার মতো একটা ঢেউ জেগে উঠেছে চিন্তার জগতে। • প্রবন্ধগল্পের বই 'জোছনাফুল'। মানে—লেখক এখানে প্রবন্ধ লিখেছেন গল্পের আদলে। অথবা এমনও হতে পারে—তিনি গল্প বলছেন প্রবন্ধের মতো করে। প্রতিটি লেখা শুরু হয়েছে লেখকের নিজের কোনো গল্প দিয়ে। কিন্তু ধীরে ধীরে যখন তিনি গভীরে প্রবেশ করেছেন, তখন সে গল্প আর তার একার থাকে না; গল্পের অংশ হয়ে পড়ি আপনি আমি সকলেই। আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীবের ভাষাজ্ঞান বেশ ঋদ্ধ। বাংলা, আরবি, উর্দু, ইংরেজি ভাষাগুলো তার বেশ ভালোমতো আয়ত্ত আছে বলেই মনে হয়। তা না হলে সরাসরি উর্দু বা আরবি থেকে অনুবাদ করা সম্ভব হতো না। অনুবাদ তো শুধু অনুবাদই নয়—একেবারে কাব্যানুবাদ! মোট চৌদ্দটি লেখা স্থান পেয়েছে 'জোছনাফুল' গ্রন্থে। এদের মধ্যে 'তোমাকে ভালোবাসি কেন' একটি পুরো কবিতা এবং কবিতাটি বইয়ের শেষে সংযুক্ত হয়েছে। তাছাড়া বাকিগুলো প্রবন্ধ অথবা গল্প—যা খুশি সেই নামেই ডাকা যায়। • আমি গভীর মনোযোগের সাথে বইটি পড়েছি। যখন ভাষার দিকে নজর পড়েছে তখন ক্ষণিকের জন্য মনে হয়েছে, আমি যেন আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের 'ভালোবাসার সাম্পান' পড়ছি। আবার যখন চিত্রকল্প কিংবা উপমার দিকে খেয়াল এসেছে, তখন মনে হয়েছে আমার সামনে বুঝি সৈয়দ আলী আহসানের 'জীবনের শিলান্যাস'! আমার প্রিয় লেখকদের একজন বুলবুল সরওয়ার। তার 'ঝিলাম নদীর দেশ' আমাকে মোহাবিষ্ট করে রেখেছে বহুদিন। আহা! এমন ভ্রমণ-উপন্যাস ক'টাই বা আছে বাংলা সাহিত্যে! 'জোছনাফুল' দু-একবার আমাকে এই বইয়ের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে। বুলবুল সরওয়ারও তো লেখার ফাঁকে ফাঁকে মানানসই কবিতার লাইন ব্যবহার করেন! 'জেছনাফুল' বইয়ে প্রচুর তথ্য রয়েছে। গ্রন্থপঞ্জি-তে আরবি, বাংলা, ইংরেজি মিলিয়ে যে বিয়াল্লিশটি বইয়ের তালিকা রয়েছে তাতেই বিষয়টা স্পষ্ট হয়ে যাবে। তবে লেখক কোথাও পাণ্ডিত্য ফলানোর চেষ্টা করেছেন বলে মনে হয়নি। কেন যেন মনে হয়েছে—নিজের মতো তিনি তার লেখা থেকেও কিছুটা আড়ালেই অবস্থান করেছেন! • 'শক্তিমান কবিদের কৃতিত্ব এখানেই। তারা প্রচলিত পথে হাঁটেন না, নিজস্ব পথ প্রচলন করেন। চলমান স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটতে সবাই পারে না। এর জন্য যোগ্যতা, আত্মবিশ্বাস, উদ্যম, সাহস ও শক্তির প্রয়োজন।' সূর্যশৌর্য শিরোনামের লেখাটির এমন বক্তব্যের সঙ্গে আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীবকে মেলাতে গেলে দেখতে পাই, চারিদিকে যখন অবিশ্বাসের রণহুংকার, বাংলা ভাষাকে যখন কতিপয় অবিশ্বাসী পৈতৃক সম্পদ মনে করছে, তখন তিনি বিশ্বাসের ঝান্ডাহাতে শক্তপায়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ভাষার ওপর তার যে দখল, তাতে মনে হয়েছে, তিনি বহু বিশ্বাসী লেখকের পথপ্রদর্শক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারবেন। • এতক্ষণ তো শুধু প্রশংসাই করে চললাম। এই বইয়ের কি কোনো নিন্দামন্দ নেই? হ্যাঁ, অবশ্যই আছে। একটা বইয়ের সমালোচনা না থাকলে তা লেখা পুরোপুরি বৃথা। তবে এই বইয়ে সামান্য সমালোচনা করার যে জায়গা রয়েছে, সেটা লেখকের বয়সের কারণে। একটা মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীবের লেখায় সামান্য যেটুকু অপরিপক্কতা সেটা বয়সের সঙ্গে সঙ্গেই মিলিয়ে যাবে বলে বিশ্বাস করি। 'মানুষের জীবনে এগিয়ে যেতে শেখা যতটা জরুরি, কোথায় গিয়ে থামতে হয়, সেটা বুঝতে পারা তার চেয়ে বেশি জরুরি।' (নীলমিল; পৃষ্ঠা-১২৩) নজীব জানেন তার লেখায় কোথায় গিয়ে থামতে হবে। লেখকের মতো আমারও জানা দরকার শেষবিন্দু সম্পর্কে। তাই এখানেই সমাপ্তি টানছি।"

S.M. Abu Naser

S.M. Abu Naser , Feb 26, 2022

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"গভীর রাতে জোৎস্না স্নান করেছেন? একাকী আকাশের পানে তাকিয়ে ভেবেছেন? খেয়ালী স্বপ্নালোকে নিজের কল্পনা সাজিয়েছেন? স্রষ্টার সাথে আপনি আর এই সৃষ্টির যে মেলবন্ধন তা নিয়ে চিন্তা করেছেন? আপনার নিজের মনের একান্ত ভাবনাগুলোর বহি:প্রকাশ সুন্দর শব্দচয়নে খুঁজে পাবেন এই বইটিতে৷ লেখক তার জীবনের পরতে পরতে অর্জিত লব্ধ জ্ঞানের সন্নিবেশ ঘটিয়েছেন ঝরঝরে কথামালার মাধ্যমে৷ পুরো বইটি আপনাকে নতুন করে ভাবতে শেখাবে৷ নিজেকে নতুন আঙিকে আবিষ্কার করতে শেখাবে৷"

kamrul Hassan

kamrul Hassan , Feb 23, 2022

★ ★ ★ ★ ★
যাচাইকৃত মূল্যায়ন

"khub sundor"

Mahira

Mahira , Oct 25, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"#bookreviewguardian বইয়ের নাম : জোছনাফুল লেখক: আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব। গার্ডিয়ান পাবলিকেশন। [প্রাককথনঃ] ছকবাঁধা নিয়মের বুমেরাং বিন্যাসে, জীবন কেটে যায় এভাবে-সেভাবে। কিন্তু জীবন উপভোগের সুযোগ হয় ক'জনের? 'উপভোগ' শব্দটাকে টিপিক্যাল ধারণায় ডিফাইন করবেন না আবার। এ উপভোগ টিপিক্যালের মতো নয় মোটেও; এ উপভোগের নেপথ্যে আছে, আত্মোপলব্ধির যথার্থতায় জীবনোচ্ছ্বাসের উদযাপন। সেই উদযাপনের ভিত্তিকে শক্তপোক্ত করতেই, জোছনাফুলের অবতারণা। নামের মধ্যেই এক টুইস্ট, লুকায়িত রহস্য! জোছনা বুঝি ফুল হয়? সেই রহস্যের অন্তর্জাল ভেদ করতে, আপনাকে পাড়ি দিতে হবে 'জোছনাফুল' বইয়ের সাথে। [বইকথনঃ] সাহিত্যের বিশাল অঙ্গনে ফিকশন কিংবা নন ফিকশন কোনো অংশেই ফেলা যায়না, এমনই এক অনন্য সাহিত্যকর্ম হচ্ছে 'জোছনাফুল' বইটি। গদ্য-পদ্য দু'য়ের ফ্লেভারে, চমৎকার একটা বই। কোনো মামুলি প্রবন্ধ রচনা কিংবা নীরস কাব্যগ্রন্থের ছন্দমালা নয়; এটি হচ্ছে সুনিপুণ বর্ণনাশৈলীর মাধ্যমে জীবনের পুনর্পাঠ। যাপিত জীবনের বাস্তবতা, জীবনের প্রত্যেকটা ধাপ পর্যালোচনা এই বইয়ের প্রধান অনুষঙ্গ। অসাধারণ জীবনবোধ আর গূঢ় অন্তর্দৃষ্টির দ্বারা লেখক তুলে ধরেছেন, ব্যক্তিজীবনের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ভুলকে, অতঃপর সমাধান দিয়েছেন কুরআন-হাদীসের মিশেলে। পরিচিত পরিবেশ, জীবন্ত উপস্থাপন আর আলেখ্য চরিত্রের অনুভূতিসমৃদ্ধ প্রত্যেকটা লিখা, পাঠকের ভাবনাজগত নাড়া দিতে বাধ্য। মোট ১৩টি গদ্য আর একটি মৌলিক কবিতায় বইটির বর্ধন। সাহিত্য আর কুরআন-সুন্নাহ যেন মিলেমিশে একাকার! সৃষ্টি করে মোহময় এক পরিবেশ। বুঁদ হয়ে থাকা যায় প্রত্যেকটা কথামালায়। গল্পের আসর সাজিয়ে, লেখক আপনাকে নিয়ে যাবেন অন্য এক দুনিয়ায়। পাঠের ফাঁকে ফাঁকে পেয়ে যাবেন, অনবদ্য কবিতার পঙক্তিমালা। সারবত্তাহীন ফ্যান্টাসিতে ভরপুর কোনো কবিতা নয়, আত্মার খোরাক জোগানো কবিতা। বাংলা সাহিত্যের রবিঠাকুর, নজরুল, আল মাহমুদ থেকে শুরু করে, আলেকজান্ডার পোপ, জন ডান, আল্লামা ইকবাল কিংবা কবি আরবকবি জুহাইরের লিখা কাব্যানুবাদে, বিশ্বসাহিত্যের অলিগলি ঘুরিয়ে এনেছেন লেখক। কোনো কোনো অনুবাদ মনে হয় মূল কবিতার চেয়েও অনবদ্য। পরম সুখপাঠ্য। 'মেনে নেবো এ আমার ঈদ', 'আয়না ভাঙ্গার ডাক', 'মিশন জিন্নুরাইন', 'সাশ্রু', 'জোছনাফুল', 'নীলমিল'- ইত্যাদি সব আকর্ষণীয় শিরোনামের মোড়কে মননশীল লেখনীর দ্বারা পাঠকের অনুর্বর হৃদরাজ্যে বসন্ত আনয়নের সর্বময় চেষ্টা চালিয়েছেন লেখক। বইটা কেবল জোছনামাখা প্রাঙ্গণে বসিয়ে রাখবেনা, নিয়ে যাবে চন্দ্র-সূর্যের পাঠ্যালয়েও। বলবে জীবনের কথা, ভালোবাসার আকুলতা। শিখাবে জীবনের সহজপাঠ। ভাবনার সায়রে কুড়াবে উপলব্ধির ঝিনুক। কখনো বলবে ফ্রিল্যান্সিং এর কথা, কখনোবা সাহিত্য।সৃষ্টি ও স্রষ্টাকে চিনাবে শব্দের ঝঙ্কারে। অবিশ্বাসের দ্যুলোকে উদিত করবে, সফেদ-শুভ্র জোছনাফুল। বেঁধে দেওয়া শব্দে, অল্পকথায় এর বর্ণনা সম্ভব নয়। বইয়ের প্রতিটি লাইন, প্রতিটি শব্দ'ই জোগায় উপলব্ধির খোরাক। কেবল এটুকু বলতে পারি, বিশুদ্ধ জীবনলাভের নির্দেশিকা হিসেবে 'জোছনাফুল' মাস্টরিড। [মন্তব্যঃ] শব্দ নিয়ে খেলা করার ক্ষমতা সবার থাকেনা। কিন্তু লেখক আব্দুল্লাহ নাজীব শব্দ নিয়ে খেলতে পারেন, এককথায় দূর্দান্ত,অপ্রতিরোধ্যভাবে। যে খেলায় অনুসন্ধিৎসা আর আকর্ষণের মেলবন্ধনে পাঠক বুঁদ হয়ে থাকে, বইয়ের পাতায়। জোছনাফুল ও তার ব্যতিক্রম নয়। আপনি যদি কবিতাকে পছন্দ না'ও করেন, আমি বলবো বইটা হাতে নিন। অপ্রিয় কিছুও যে সুখপাঠ্য হতে পারে, এটা হবে তার উৎকৃষ্ট উদাহারণ। ঝকঝকে নীল প্রচ্ছদ, সুন্দর পৃষ্ঠাসজ্জা, ইউনিক নাম সবমিলিয়ে অসাধারণ একটা বই। বিশ্বসাহিত্যের ঝংকারে, জীবন পরিশুদ্ধির আরেক নামই হচ্ছে 'জোছনাফুল'। শুদ্ধ জীবনলাভের পথিকের জন্য, এই বইটা একটা অতুলনীয় রেমিডি হবে, ইনশাআল্লাহ।"

Mansura Binte Rashid

Mansura Binte Rashid , Oct 15, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"বই রিভিউঃ ০৪ বইঃজোছনাফুল লেখকঃ আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৪৪ মূল্যঃ ২৫০ "অবসরের প্রিয় খোরাক,মন খারাপের সই অজানাকে জানার খোঁজে আঁকড়ে ধরি বই" আজকের বইটা এ বছরে আমার পড়া সেরা একটা বই।জোছনার সাথে আদিখ্যেতা নেই এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। জোছনা কখনো ফুল হয়? আমার মতে,হয়। জোছনারাতেই ফুল ফোটে গদ্যে-পদ্যে এবং হ্নদয়ের না বলা কথাগুলো ফুল হয়ে ফুটে কলমের ঝর্ণাধারায়।নামটাই যেন অনন্য। বইয়ের শুরু থেকে লেখক স্মৃতির সাথে অনুপম অনুভূতির স্কেচ এঁকেছেন অসাধারণ ধাঁচে। যেখানে জ্ঞানের আলো বিচ্ছুরিত হয়েছে তীব্র রোদের ন্যায়। নজীব ভাইয়ার বই পড়লেই পাঠক সবসময় একটা আদর্শ প্যারেন্টিং খুঁজে পায়।মা-বাবা কিভাবে সন্তানকে বইয়ের সাথে,কুরআনে সাথে,রাসূলের সাথে,বিশ্ব সাহিত্যের সাথে মননশীল আদর্শের ভিত্তিতে পরিচয় করিয়ে দিতে পারেন তা বুঝা যায়।লেখকের বাবার ভুমিকাটা বরাবর প্যারেন্টিং নিয়ে নতুন করে ভাবতে শেখায়,মুগ্ধ করে,প্রেরণা জোগায়। জোছনা রাতে গল্প করে,গল্প বলে অনুভূতির যে স্কেচ লেখক এঁকেছেন,প্রকৃতির সাথে স্রষ্টার যে সান্নিধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন,প্রকৃতির সাথে স্রষ্টাকে অনুভব করার যে দর্শন তিনি খুঁজেছেন,চাঁদ আর জোছনা মেলবন্ধনের যে চিত্র তিনি মনে এঁকেছেন এবং বিশ্বের কবি সাহিত্যিকরা যেভাবে জোছনার রুপে মুগ্ধ হয়ে ঢলে পড়তেন তারই এক লিখিত রূপ জোছনাফুল।গল্পগুলোতে লেখকের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিগত পড়াশোনার প্রভাব প্রবল। বইটি শুরু হয়েছে আমাদের পছন্দের কবি আল মাহমুদকে নিয়ে।ঈদ শব্দের সাথে আনন্দের বহিঃপ্রকাশ থাকে। কিন্তু বিদায়! এ তো ভয়ে আকৃষ্ট করে।কিন্তু কবি আল মাহমুদ মৃত্যুকে ঈদ মনে করার যৌক্তিকতা কি? আপনি কি কখনো মৃত্যুকে ঈদ হিসেবে দেখেছেন? 'আয়না ভাঙ্গার ডাক' এ একজন মুমিন আরেক মুমিনের ভাই আয়নাস্বরুপ এ হাদিসের ওপর আলোচিত।আরবি সাহিত্যের কবি আল জাহিজ থেকো শুরু করে সিলভিয়া প্ল্যাথ,উর্দু কবি তকি মির এমনকি আল্লামা ইকবাল পর্যন্ত আপনাকে লেখক নিয়ে যাবেন আয়নার স্বরুপের সাথে নিজ জীবনের মেলবন্ধনের জন্য। 'শেকড় ভোলার দায়'এখানে কাজি নজরুলের ঈদের গানকে নববী যুগের সোনালী অধ্যায়ের সাথে সংযুক্ত করেছেন।শেকড়ের আত্মত্যাগ ও রক্তের দামকে এঁকেছেন গৌরবের সাথে।এ টপিকটা ভাবতে বাধ্য করবে আমাদের শেকড় নিয়ে। বাইশে জানুয়ারী লেখাটিতে জন ডনকে পড়তে গিয়ে মাঝপথে বিরক্ত লেগেছে। কিন্তু সেই বিরক্তিতে লেখক ইবনে তাইমিয়াকে এনে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে।উপলব্ধি করেছি কুরআনের সাথে আমি অন্যায় করছি এবং আমার ইউটার্ন জরুরী। ইবনে তায়মিয়ার প্রেসক্রিপশন যেন আমার আপনাকে ঘিরেই লিখা। লেখক হুমায়ুন থেকে শুরু করে আলেকজান্ডার পোপ,জন ডন,শেলী অর্থাৎ বিশ্বসাহিত্যের অলিতে গলিতে পাঠককে ঘুরিয়েছে।আরবি,বাংলা,উর্দু, ইংরেজি এই চারটি ভাষার সাথে লেখক খেলেছেন এবং জিতেছেন। এরকম কম্বিনেশন করার ধৈর্য এবং চারটা ভাষায় সাহিত্যকে এগিয়ে আনা একপ্রকার দুষ্কর যা লেখক সম্ভব করেছেন। জোছনা নিয়ে লিখতে গিয়ে আধুনিক আরবি কবিতার কিংবদন্তিতুল্য পুরুষ ইলিয়া আবু মাদ্বিরের মধ্যেও হাহাকার দেখিয়েছেন।বিশ্বসাহিত্যে জোছনা এবং চাঁদ নিয়ে জল্পনা কল্পনাকে পাঠকের সামনে এনে বলে দিয়েছেন,জোছনা বিলাসিতা যুগ যুগ ধরে চলমান।ইলিয়া আবু মাদ্বিরের ভাষায়, "ফুলের পৃথিবী ছেড়ে একদিন মাটিতেই ঠাঁই হবে আকাশে থাকবে জোছনা, অথচ কবরে আঁধার রবে।" আল্লামা ইকবালকে ব্যক্তিগতভাবে ভীষণ পছন্দ করি তার ফিলসফিক্যাল কন্ট্রিবিউশনের জন্য। তার কবিতায় জানাশোনা একেবারেই নেই।জোছনাফুল পড়েই তারপ্রতি আরো বেশি মুগ্ধতা বেড়েছে। বইটির মূল আকর্ষণ লেখকের তিনটি ট্যুর। চাঁদের সাথে,সূর্যের সাথে এবং সমুদ্রের সাথে।এসব নিয়ে কথা বলতে বলতে তিনি বিশ্বসাহিত্যে ঘুরিয়ে আনেন।বিশ্বসাহিত্যের অনেক নজীবানুবাদ পড়ার সুযোগ দেন।কুরআনের ছায়াতলো,রাসূলের আদর্শে সমাপ্তি টানেন। শেষের দিকে একটা টপিক আছে তুলনামূলক সাহিত্য নিয়ে। 'কেন সাহিত্য পড়ি' শিরোনামে।আচ্ছা আপনি কেনো সাহিত্য পড়েন ভেবেছেন কখনো?ভাবতে চান? তাহলে টপিকটা আপনার জন্য। সবশেষে,লেখকের লেখায় অসাধারণ প্রজ্ঞার উপস্থাপনা,অভিজ্ঞতা প্রকাশে পরিমিতিবোধ,লেখার পরিণতি রয়েছে।শব্দের বাহুল্যে নিরহংকার স্মৃতির ঝড়। সাধারণ মানুষ হয়ে অসাধারণ চিন্তার প্রস্ফুটিত রুপ তার প্রতিটি বই।ঈর্ষায় ঈর্ষান্বিত হই।পরক্ষণেই দোয়ায় শামিল রাখি।এ যেন বাংলা সাহিত্যে নতুন উদীয়মান তরুণ। বেশিদিন লাগবে না বিশ্বের অলিতে গলিতে পদচারণ করতে ইনশাআল্লাহ। জোছনাফুল বাংলা সাহিত্যের চলমান কোন ধারায় পড়ে না।লেখকের অন্যান্য বইয়ের মত এই বইটি স্বতন্ত্র এবং অসাধারণ সৃজনশীলতা পরিচায়ক। বাংলা সাহিত্যে নজীব ভাইয়ার সকল বইয়ের পাশাপাশি জোছনাফুল নতুন একটি ধারা চালু করবে বলে আশা রাখি।আল্লাহ কবুল করুন।"

Maliha Binte Bayajeed

Maliha Binte Bayajeed , Oct 15, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"বই:জোছনাফুল লেখক:আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব প্রকাশনী:গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস প্রথম প্রকাশ:২৫,ফেব্রুয়ারি ২০২০ প্রচ্ছদ:নাঈমা তামান্না শব্দবিন্যাস:গার্ডিয়ান টিম প্রচ্ছদমূল্য:২৫০ টাকা (হার্ডকভার) ২২৫ টাকা (পেপারব্যাক) পৃষ্ঠাসংখ্যা:১৪২ ■শুরুর কথা: এই পৃথিবীর তাবৎ সুন্দর জিনিসগুলোর তালিকা করলে নিঃসন্দেহে জোছনা আর ফুল এক্কেবারে উপরের দিকে থাকবে।এই অপরূপ সুন্দর ব্যাপার দুটির সমন্বয়েই বইটির নাম, 'জোছনাফুল'.... জোছনা আর ফুলের মাঝে আপনি খানিকসময় উপভোগের স্বাদ পাবেন,কিন্তু 'জোছনাফুল' বইটি শেখাবে পুরো জীবন উদযাপনের সহজ কিছু সূত্র। ■যা আছে বইটিতে: বইটি মূলত সুখপাঠ্য প্রবন্ধগল্পের দুর্দান্ত একটি বই।অনুপম জীবনদর্শন আর অসাধারণ জীবনবোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্তে ভরপুর। এ বইটিতে রয়েছে ১৩টি প্রবন্ধগল্প আর একটি দারুণ মৌলিক কবিতা।বইয়ের প্রতিটি গল্প আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের অনুভূতির যোগান দেবে। 》' মেনে নেব আমার এ ঈদ' পাঠটিতে সোনালি কাবিনের কবি আল মাহমুদের সাথে লেখকের স্মৃতি রোমন্থনের পাশাপাশি পরকালীন জীবনের জন্য প্রচন্ড শক্তিশালী একটি রিমাইন্ডার ফুটে উঠেছে। "যদি জীবনটা রমজানের মতো কাটাতে পারো, আখেরাতে টা ঈদের মতো হবে।" 》'এক ফোঁটা আবেহায়াত' নামক ছোট্ট পাঠটিও দারুণ এক চিন্তার খোরাক। পুরো পাঠের মূলভাব যেন লেখকের ছোট্ট পঙক্তিতেই ফুটে উঠেছে.. 'বিষন্ন জুমার দুপুরে তোমার নামের দুরুদ আমার বিপন্ন বুকে এক ফোঁটা আবেহায়াত..' 》'নীলমিল' নামের ঝলমলে রঙটা যেন বইটির দারুণ প্রচ্ছদ এর সাথে ফুটে ফুটে উঠেছে।এই পাঠে চমকপ্রদ কিছু ভ্রমণ কাহিনী পড়তে পড়তে লেখকের সাথে ঘুরে আসতে পারবেন পাহাড় সমুদ্রে...। আর সেই সাথে পেয়ে যাবেন সৃষ্টি দেখে স্রষ্টাকে খোঁজা আর মাতৃআনুগত্যের অনুপম পাঠ। এভাবে বইয়ের প্রত্যেকটি পাঠই দুর্দান্ত,চমৎকার আর আকর্ষণীয়। সবশেষে 'তোমাকে ভালোবাসি কেন' শীর্ষক কবিতাটি পড়ে নিজের পাপমলিন বদন নিয়ে রবের দুয়ারে একটা সিজদাহ দিতে মন চাইলে দেরি করবেন না কিন্তু.... ■ বইটি কেন পড়বেন?: আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব একজন তরুণ কবি।তার লেখনীতে সহসাই ফুটে ওঠে শুদ্ধ তারুণ্যের পরিশুদ্ধ অবয়ব।শুদ্ধাচারের প্লাবনে ভাসতে ভাসতে জীবনটাকে উপভোগ করে তুলতে বইটি আপনাকে পাথেয় যোগাবে।যাপিত জীবনের এলোমেলো পথটাকে স্রষ্টার আনুগত্য আর সুন্নাহর প্রতিফলন দিয়ে আলোকিত করে তুলতে এ আলোক অভিসারী বইটি পড়া আপনার খুউব প্রয়োজন। ■বইটির বিশেষত্ব: পুরো বইটিই বিশেষত্বে ভরপুর।অনুপম প্রবন্ধগল্পগুলোর ভাঁজে ভাঁজে প্রাচ্য ও প্রতীচ্য থেকে বিভিন্ন ভাষার সেরা কবিদের নজীবানুবাদের আসর বইটিকে আরও দুর্দান্ত করে তুলেছে।সেই সাথে চমৎকার নীলরঙা প্রচ্ছদ, দারুণ পৃষ্ঠাসজ্জা বইটিকে একেবারে যেন জীবন্ত করে তুলেছে। তবে নতুন পাঠকদের কাছে এত এত কবিতা আর উপমার উপস্থিতি খানিকটা কষ্টের হতে পারে। ■ শেষের কথা: ঝিনুক খোলসের আড়ালে যেমন মুক্তো লুকিয়ে রাখে।তেমনি এই বইয়ের ভেতরটাও মণিমুক্তায় ভরপুর।সেই মুক্তো পৃথিবীর সবচেয়ে দামি মুক্তো। কুরআন-সুন্নাহর সাগর সেঁচে আনা মুক্তো কি কখনো কমদামি হতে পারে!! শুদ্ধাচারের মহফেলে বসে বিশ্বাসের তরী ভাসাতে চাইলে বইটি পড়তে দেরি করা মোটেও উচিত হবে না....... রিভিউয়ার:মালিহা বিনতে বায়েজীদ . #bookreviewguardian"

মুনিম বিল্লাহ

মুনিম বিল্লাহ , Oct 13, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"পড়লাম নিজের চেয়ে এক যুগ কম বয়সের লেখক কর্তৃক লিখিত একটি বই। জোছনাফুল। নামের মধ্যে শিল্পবোধ আছে। মূলত নামের কারণে বইটি কিনেছি। যদিও বিখ্যাত প্রবাদ আছে Don’t judge a book by its cover. তবে বইটির কভার মুগ্ধকর। বিচিত্র স্বাদে ভরপুর অন্য রকম বাংলা গদ্য পড়লাম। আমার ইতিপূর্বে রিভিউ লেখার অভ্যাস নেই। তবে এ বইটি নিয়ে দু চারটি অভিমত পেশ করব। প্রথমে কিছু নেগেটিভ পয়েন্ট আলোচনা করব। 1 - বই শুরু হওয়ার আগেই উতসর্গ পত্র এই প্রথম দেখলাম। বইয়ের মূল পাতা ও প্রয়োজনীয় তথ্যের পরে উতসর্গ লেখার নিয়ম। যদিও এটি এমন কোন নিয়ম নয় যে নিয়মটি ভঙ্গ করলে খুব দোষ হয়ে যাবে। তবে উতসর্গ দিয়েই বই শুরু হওয়াটা বেমানান মনে হয়েছে। 2 - চোখে পড়ার মত কিছু বানান ভুল আছে। কিছু ভুল দৃষ্টিকটূ পর্যায়ের। যথাঃ ৩৩ নং পাতায় //ভোগী//... ২৯ নং পাতায় //শ্রদ্ধাভর্তী//। আরো ভাল ভাবে প্রুফ রিডিং হওয়া উচিত ছিল মনে করি। 3 - কিছু আয়াতের নম্বর ও সূরার নাম উল্লেখ নেই। যথাঃ ১৯ নং পাতায় সুরা তীনের আয়াত... ২৩ নং পাতায় ফুটনোটে লেখা //কুরআনেও বলা হয়েছে//... কিন্তু কুরআনের কোথায় বলা হয়েছে সেটা লেখা নেই। 4 - লেখার দৈর্ঘ্য নিয়ে আপত্তি ছিল। একই বইয়ে একেবারে ছোট এবং অনেক দীর্ঘ লেখা চোখের জন্য আরামদায়ক না। এ ব্যাপারে ভূমিকায় দেওয়া লেখকের ব্যাখ্যাটি যদিও মেনে নেওয়া যায় তথাপি এক ধরণের অস্বস্তি থেকে যায়। 5 - বইয়ের কন্টেন্ট দেখে ধারণা হওয়া স্বাভাবিক যে এটি এক বসায় পড়া যাবে। কিন্তু সেটি হয়নি। একটি লেখা দেখা গেল হালকা চালে শেষ হয়ে গেছে। এই প্রস্তুতি নিয়ে পরের লেখাটি পড়তে গিয়ে দেখা যাচ্ছে সেভাবে আগানো যাচ্ছেনা। থেমে থেমে পড়তে হচ্ছে। যথাঃ প্রথম লেখাটি থেকে শুরু করে //শেকড় ভোলার দায়// পর্যন্ত যে গতি নিয়ে পড়া গেছে, //বাইশে জানুয়ারী//তে এসে সেই গতি থাকছে না। কন্টেন্ট ক্লেইম করছে যে এটিও সরল ধাঁচে শেষ হবে, কিন্তু চিন্তা করে করে আগাতে হচ্ছে। পাঠক এতক্ষণ সেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখেনি। লেখকও তার পূর্বাভাস দিয়ে রাখেননি। 6 - একাডেমিক পরিভাষার ব্যবহার নিয়ে একটি আপত্তি আছে। সংখ্যায় কম হলেও কিছু লেখায় এমন টার্ম এসেছে যা সবার জন্য বোধগম্য নাও হতে পারে। যথাঃ প্যারাডাইম। এগুলোর ইকুইভ্যালেন্ট বাংলা পরিভাষা ব্যবহার করা যেত। তবে এখানে লেখককে একটি বেনিফিট অব ডাউট দিতে পারি এই যে অনেক একাডেমিক টার্মকে যথা যথ ভাবে বাংলায় প্রকাশ করা কঠিন। তথাপি লেখকের দায় থেকে যাবে। তিনি চাইলে ফুটনোটে অথবা বইয়ের শেষে অ্যাপেন্ডিক্স দিয়ে এই কয়েকটা পরিভাষা সরল ভাবে বুঝাতে পারেন। ৯৯ নং পাতায় //রিজালশাস্ত্র// এর কথা আসার পর ফুটনোটে এ শাস্ত্রটির পরিচয় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ৬৬ পৃষ্ঠায় যখন //ইন্টেলেকচুয়াল জিমনেস্টিক// এর কথা বলা হল এটার কোন ব্যাখ্যা দেওয়া হল না। সংশোধন উপযোগী ভুলগুলোর ব্যাপারে লেখক-প্রকাশকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নেক্সট এডিশনে ব্যাপারগুলো কন্সিডারেশনে রাখবেন এই প্রত্যাশা রইল। এবার কিছু পজেটিভ দিকের উপর আলোকপাত করব। 1 - “প্রবন্ধগল্প” আইডিয়াটি অভিনব। বাংলা গদ্যে এটি একটি মেনশনেবল নতুন সংযোজন হতে পারে এবং সফলতার মুখ দেখতে পারে। লেখকের মাঝে এই সম্ভাবনাটি উঁকিঝুঁকি দেয়। 2 - চার চারটি ভাষার সাহিত্য নিয়ে এক যোগে নাড়াচাড়া করার পটেনশিয়াল ও ধৈর্য লেখকের আছে। এই প্রতিভা বিরল। যথাযথ পরিচর্যা করতে পারলে এই প্রতিভা চমক লাগাতে পারবে। 3 - লেখার ফাঁকে ফাঁকে এত কবিতা... কিন্তু দুয়েকটি জায়গা ছাড়া খুব বেশী বিরক্ত হইনি। কোন কোন কাব্যানুবাদ পড়ে মনে হয়েছে মূল কবিতার চেয়েও এটি বেশী সুন্দর। যথাঃ ১০৭ নং পাতায় শেক্সপীয়রের সনেটের অনুবাদ। কবিতার ভিতরে ঢুকে না গেলে এরকম নেশা লাগা অনুবাদ করা সম্ভব না। জাস্ট এমেইজিং। 4 - আধ্যাত্মিক ক্রাইসিস নিয়ে লেখকের কনসার্ন এবং ভাবনাগুলো পাঠককে স্পর্শ করবে। আমাকে করেছে। এই বয়সের একজন তরুণ আত্মিক প্রগতি নিয়ে এভাবে ভাবছেঃ দেখে আরাম লাগে। বাইশে জানুয়ারী লেখাটিতে ইবনে তাইমিয়া পার্ট আমাকে নতুন কিছু দিয়েছে। অন্তত এতটুকু বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে কুরআনের সাথে আমি অবিচার করছি এবং আমার ইউটার্ন জরুরী। মূলত এই লেখাটিই আমাকে বলছে বইটি আদতেই খাতির করার মত একটি কাজ হয়েছে। এত লম্বা অভিমত লিখার সময় বের করিয়ে নিয়েছে এই লেখাটিই। যদিও লেখাটির শুরুর অংশ {জন ডান} কিছুটা বিরক্তি ধরিয়েছিল। 5 - আর্গুমেন্ট তোলা ও সেই আর্গুমেন্ট নিয়ে খেলা করাটা সুন্দর। বঙ্কিম, রবীন্দ্রনাথ, থমাস হার্ড ইত্যাদি কিংবদন্তীদের সাথে লেখক যখন দ্বিমত করছেন মনে হচ্ছিল যে শান্ত মেজাজের কোন প্রফেসর আমার পেপার কাটাকাটি করছেন। কবিতায় উত্তরাধুনিকতা নিয়ে লেখকের ব্যক্তিগত অবস্থানের সাথে আমার কিছুটা দ্বিমত আছে... কিন্তু এই আর্গুমেন্টটার ফ্রেইমিংয়েও লেখক বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন, মানতে হবে। 6 - ইকবালের কবিতাগুলোর ব্যাখ্যা ভাল লেগেছে। আমি আল্লামাকে পছন্দ করি তার ফিলসফিক্যাল কন্ট্রিবিউশনের জন্য। তার কবিতায় আমার অ্যাক্সেস নেই। জোছনাফুল বইয়ের মাধ্যমে একটি প্রাথমিক জানাশোনা গড়ে উঠেছে তার কবিতার সাথে। 7 - //জোছনাফুল// লেখাটির জার্নিটা এমেইজিং। কোথা থেকে শুরু হল বুঝলামনা। লেখক কোথায় কোথায় নিয়ে গেল তাও বুঝলামনা। হুমায়ুন, লিপো, বোদলেয়ার হয়ে যখন হাদীসে গিয়ে ঠেকল তখন বুঝলাম এতক্ষণ আমি ঘোরের মধ্যে ছিলাম। একই ঘোর //নীলমিল// লেখাটিতে কিছুটা এসেছে। 8 - //সূর্যশৌর্য// লেখাটির কথা বলি। প্রেয়সীর চোখ নিয়ে বিভিন্ন ভাষার কবিদের এত রকম উপমা এক জায়গায় জড়ো করতে লেখকের নিঃসন্দেহে একটি দীর্ঘ সময় লেগেছে। এই অধ্যবসায় প্রশংসনীয়। এই লেখাটির আরেকটি বিশেষত্ব হল আরবী সাহিত্যের ভিতরে কত রস আছে তার খানিকটা পরিচয় পেয়েছি। 9 - ক্রিটিকাল রিডিংয়ের ভিতর দিয়ে যাওয়ার পরও কখনো কখনো আমি এই ছেলেটার ফিলিংস এর সাথে মিশে গেছি। কোথাও থেমে যাচ্ছি বা বিরক্ত লাগছে কিন্তু সেটা স্থায়ী হতে পারছেনা। বাক্যের গাঁথুনি টেনে রাখছে। শেষটা না দেখে উঠতে দিচ্ছেনা। এটি তার মুন্সিয়ানা নির্দেশ করে নিঃসন্দেহে। 10 - //আয়না ভাঙ্গার ডাক// ও //সাশ্রু// দুইটি লেখায় অশ্রুপাতের কথা আছে কিন্তু আমার কোন অশ্রু আসেনি। কিন্তু শেষে এসে //তোমাকে ভালোবাসি কেন// পড়তে পড়তে মনে হয়েছে ভিতরে ভিতরে কান্না এসেছে। এই বয়সে আমার আবেগ নিয়ে খেলেছে যে ছেলে সে বয়সে ছোট হতে পারে কিন্তু তাকে গুরুজন মানতে আমার আপত্তি নেই। কার্টেসিঃ আবু তাহের সালেহী"

Tamima Ahmed Mim

Tamima Ahmed Mim , Oct 9, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"সাহিত্যের সাথে ঘর বসতি শৈশব থেকে। বরাবরি ভালোবাসি সাহিত্য। পৃথিবীর তাবৎ সাহিত্যের সাথে পরিচিত হওয়ার স্বপ্ন দেখি। "জোসনাফুল " তেমনি একটি বই।লিখেছেন- আব্দুুল্লাহ মাহমুদ নজীব। বইটি প্রকাশ করেছে দেশের স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স । [ ] এই বইতে দেখতে পাবেন, চার দিগন্তের সাহিত্য এক মোহনায় মিলনের স্নিগ্ধ চিত্র। বাংলা,আরবী,উর্দু,ইংরেজি।চার ভাষার সাহিত্যেকে লেখক জীবনের সাথে মিলানোর চেষ্টা করেছেন।সাথে সংমিশ্রণ ঘটিয়েছেন কুরআন ও সুন্নাহর।এতে তিনি সফল ও হয়েছেন। [ ] যদি ও ভাষাটা একটু উঁচুমানের।তাই পড়তে একটু বেগ পেতে হয়েছে।কিন্তু এ বইতে আপনি পাবেন শুদ্ধাচারের জীবন পরিচালনার অনুপ্রেরণা। বিশ্বাসের তরী ভাসানোর অদ্ভুত সুন্দর সব গল্প।যা আপনার জীবনে চলার পথের পাথেয় স্বরূপ ।লেখক শিখিয়েছেন জীবনের বাক-উপবাকের কঠিন চড়াই উতরাই পেরোনোর পদ্ধতি। যা আপনার বিশ্বোসের ভীত মজবুত করবে। [ ] চলুন পাঠ নিয়ে আসি বই থেকে - "জোসনাফুল "বইটি ১৪টি অধ্যায়ে বিভক্ত। সবশেষে রয়েছে গ্রন্থপঞ্জি।নিম্নে প্রত্যেক অধ্যায় থেকে এক চিমটি শিক্ষা নিয়ে এলাম। ১|"মেনে নেবো আমার এ ঈদ":- এ অধ্যায় পড়ে আপনি মৃত্যুকে অন্য চোখে দেখা আরম্ভ করবেন।মৃত্যু সম্পর্কে একটু হলে ও ভাবনা জেগে উঠবে।আল্লাহকে ভয় করতে শিখবেন,যদি উদাসিন হয়ে থাকেন।যদি চেষ্টারত থাকেন তবে ভীত আরো সুদৃঢ় হবে। ২|"আয়না ভাঙার ডাক":- আয়না সম্পর্কে অদ্ভূত অদ্ভুত সব জিনিস জানবেন।আয়না নিয়ে অনেক চিন্তার উদ্রেক হবে।কতেক মহা মনিষীর সাথে পরিচিত হবেন।নিজের অন্তর নিয়ে ভাবতে শুরু করবেন।সব শেষে বুঝবেন আপনার চোখের এক ফোটা পানির মূল্য। ৩|"আল মুকাদ্দিমা-অন্য পাঠ":- ইবনে খালদুন এর বই মুকাদ্দিমা সম্পর্কে জানবেন।পরিচিত হবেন জীবনাচারের কিছু বাস্তব পর্যবেক্ষণের সাথে। ৪|"মিশন জিন্নুরাইন":- হযরত উসমান (রাদি) এর সম্পর্কে ছোট-খাটো বায়োগ্রাফী।তার জীবন থেকে তুলে আনা কিছু শিক্ষা।যা জীবনে কাজে লাগবে।আরো পরিচিত লেখকের আবেগের সাথে। ৫|"এক ফোঁটা আবেহায়াত":- এখানে স্মরণ করে দেয়া হয়েছে শুক্রবারে বিশেষ দরূদ পড়ার ব্যাপারে। যা আমরা অনেকে জানি না।বেখেয়ালি হারিয়ে যায় এ গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত।যা পড়লে বিষণ্ণতা দূর হয়,গুণাহ মাফ হয়। ৬|"শেকড় ভুলার দায়":- নিজের শেখড়কে ভুলার পরিণতি কেমন?। জানবেন শাহাদাতের মহত্ব। শহীদ হওয়ার মর্যাদা। অনুপ্রেরণা জাগবে শাহাদাতের। ৭|"বাইশ জানুয়ারি":- এ অধ্যায়ে শিখার অনেক অনেক কিছু আছে।এর মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হোল ইবনে তাইমিয়া(রাহি) এর কিছু ভাবনা। কুরআনের প্রতি বাড়বে ভালোবাসা। পরিচিত হবেন ইবনে তাইমিয়া (রাহি) এর দৃঢ়চিত্তের সাথে।দ্বীনের উপর অটল থাকার শিক্ষা। শেষ অধ্যায়:"তোমাকে ভালোবাসি কেন?":- সারাজীবন জেনেছি ছন্দযুক্ত কবিতাই সুন্দর। কিন্তু এই কবিতাটা আমার ধারণাকে পরিবর্তন করে দিয়েছে।ছন্দহীন কবিতা যে এত সুন্দর হয়, ভাবতেই পারি নি।এটা আমাকে একটু বেশি চমকিত করেছে।তাই মূল টেক্সের কিছু অংশ তুলে দরলাম। "জন্মের পর থেকে আজতক নিশ্বাসের সাথে মিশে আছে ভালোবাসা যার সেই মা-ও আমাকে ভালোবাসেন নি একদিন... একদিন মুষলধারে বৃষ্টি নেমেছে মা বাইরে যেতে বারণ করেছেন আমি নিষেধ শুনিনি উঠোনে নেমে কাকভেজা হলাম কাদায় মাখামাখি করে যেই না চৌকাঠে পা রাখলাম গন্ধরাজের ডাল দিয়ে আমার পিঠে বসালেন প্রহার ঠাণ্ডায় ঠক ঠক করে কাঁপছি, অথচ অন্যদিনের মতো আদর করে গা মুছে দেননি সেদিন।" "আমার বিশ্বাসের কদর্যতা তোমার ভালোবাসার শুভ্রতাকে ম্লান করে নি কখনো। এক মুহুর্তের জন্য ও না। বঝি তাই তোমাকে ভালোবাসি তোমার ভালোবাসার কাছে ফিরে ফিরে আসি।" [ ] এতটুকু থাক।বাকি ছয় টা আপনাদের পড়ার জন্য রইলো।এ বইয়ের প্রত্যেক অধ্যায় খুবই গুরুত্ববহ। পরিশেষে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি তিনি যেন সবাইকে নেক আমল করার তাওফিক দান করেন।লেখককে আরো বেশি লেখার তাওফিক দেন। লেখককে যেন উভয় জাহানে তার রহমতের চাদর দিয়ে আবৃত রাখেন,তার জীবনে বারাকাহ ঢেলে দেন। আমিন! #bookreviewguardian"

Masuma Akter

Masuma Akter , Oct 9, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"#bookreviwgardian বইয়ের নাম : জোছনাফুল লেখক: আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব। প্রচ্ছদ :নাঈমা তামান্না শব্দ বিন্যাস:গার্ডিয়ান টিম মুদ্রণ:একতা অফসেট প্রেস হার্ডকভার মূল্য :২৫০ পেপারব্যাক মূল্য :২২৫ গার্ডিয়ান পাবলিকেশন। "জোছনাফুল"" বইটি সত্যি অন্যরকম।কখনো রয়েছে লেখকের নিজ জীবনের অভিজ্ঞতার কথা আর কখনো রয়েছে বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি এবং সেগুলোর সুন্দর ও যৌক্তিক ব্যাখ্যা।যার ফলস্বরূপ জীবনে চলার পথে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খুঁজে পেয়েছি। পেয়েছি জীবনে এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ। তাই আপনাদের সাথে বই থেকে নেওয়া ছোট্ট দুটি কথা শেয়ার করছি।কথাগুলো হচ্ছে - অনেকের ভীড়ে কোণঠাসা তুমি,পড়ে থাকো নিচ তলে এই ভেবে তুমি ব্যথিত?তাহলে তোমাকেই যাই বলে। সাগরকে দেখো,ওপরে কেবল ফেনারা বেড়ায় ভেসে মুক্ত-রত্ন থাকে সাগরের একেবারে তলদেশে। অর্থাৎ, চেষ্টা সাধনার পরেও অনেকের মাঝে পিছিয়ে থাকার অর্থ এই নয় যে,আমি মূল্যহীন হয়ে পড়েছি।কখনো কখনো নিচে পড়ে থাকাই বহুমূল্যের পরিচায়ক। কারণ সাগরের মণি-মুক্তাগুলো সব সময় সাগরের তলদেশেই থাকে, ওপরে শুধু মূল্যহীন ফেনাই ভাসে।ইমাম শাফেয়ী যেমন বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই নিজের ওপর বিশ্বাস হারাবে না;বরং জীবনের কঠিনতম পরিক্ষার মুহূর্তগুলোতে ফেনা হতে না পারার আক্ষেপ ভুলে গিয়ে নিজের ভেতর সুপ্ত মুক্তো ও রত্ন খুঁজে বেড়ানোই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। আবার হতাশার অন্ধকারে ডুবে থাকা মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে - দুনিয়ায় এতো মানুষ,কষ্ট আমি কেনো শুধু পাবো? এমন চিন্তা আসে যদি মনে,একটা জিনিস ভাবো। কত অগণন গ্রহ তারা রোজ আকাশের বুকে জাগে এদের মধ্যে গ্রহণ তো শুধু চাঁদ-সূর্যেই লাগে! অর্থাৎ, এত মানুষের মধ্যে আমাকেই কেনো শুধু পরিক্ষা দিতে হচ্ছে? বারবার আমিই কেনো ঠেকে যাই,ঠকে যাই?নিয়তির অন্ধকার আমাকেই কেনো গ্রাস করে?এতসব প্রশ্নের উত্তরে কবি বলছেন,মহাকাশ জুড়ে এত এত গ্রহ তারা আছে। কই,তাদের তো কখনো গ্রহণ লাগে না।আমরা তো শুধু চন্দ্রগ্রহণ আর সূর্যগ্রহনের কথাই শুনতে পাই।গ্রহণ লাগলে এদের আলো পৃথিবীতে আসতে পারে না,অন্ধকারে ঢেকে যায় তাদের মুখ। এতসব গ্রহ নক্ষত্রের ভীড়ে মানুষের জন্য সবচেয়ে উপকারী ও দরকারি হলো চাঁদ ও সূর্য। আলোর উৎস হিসেবে তাদের মর্যাদা যেমন বেশি, অন্ধকার গ্রাসের কবলে পড়ার ঝুঁকিও তাদের বেশি। ইমাম শাফেয়ী যেমন বলেছেন, "" তোমার জীবনে অনেক বিপদ-আপদ ও পরিক্ষা আসার অর্থ হলো,আল্লাহর অসংখ্য বান্দার ভীড়ে তুমি তাঁর বেশি নিকটবর্তী ও প্রিয়ভাজন। তোমার মূল্য ও গুরুত্ব বেশি বলেই পরিক্ষার মুখোমুখি হচ্ছো বেশি।"" তুমি যেনতেন গ্রহ উপগ্রহ নও;তুমি চাঁদ কিংবা সূর্যের মতোই দামি,তাই তোমাতেই গ্রহণ লাগছে বেশি। তাই হতাশার ব্ল্যাকহোলে পড়ে অস্তিত্ব বিপন্ন না করে জীবনের মহাশূন্যে চাঁদ ও সূর্যের মতোই নিজেকে ভাস্বর করে রাখো,গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকো। এরকমই অনেক সুন্দর সুন্দর উপদেশের সমারোহ ঘটেছে বইটিতে।তরুণ লেখক আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব তার এই বইটিতে অনেকগুলো কবিতা,গল্প ও উপদেশের সুন্দর মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন। পাঠকবৃন্দ এই বই পড়ে নিজেদের জীবন থেকে হতাশা দূর করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পাবে ইনশাআল্লাহ।তার সাথে পাবে প্রকৃতিকে নতুনরূপে দেখার প্রেরণা।"

Mohammad Khorshed Adnan

Mohammad Khorshed Adnan , Aug 17, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"অসাধারণ বই"

Md khairol islam

Md khairol islam , Jun 23, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"জোছনাফুল 'জোছনাফুল' একটি মননশীল বিদগ্ধ পাঠ। এ বইয়ের ১৩পৃষ্ঠা থেকে শুরু করে ১৩৬ পৃষ্ঠা পর্যন্ত আগাগোড়া একটি অনুপম স্মৃতির স্কেচ। যেখান থেকে বিচ্ছুরিত হয় জ্ঞানের প্রভা, ঝংকৃত হয় সাহসী উচ্চারণ। এক কথায় অনবদ্য রচনা, পরম সুখ পাঠ্য। আমার ক্ষুদ্র চিন্তা দিয়ে বাংলা সাহিত্যের তিনটি দিক পেয়েছি। প্রথমত- কবিতা,গল্প এবং উপন্যাস। দ্বিতীয়ত- ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাহিত্যিক পাঠ এবং বায়োগ্রাফি বা অটোবায়োগ্রাফি'ক্যাল বর্ণনা । আর তৃতীয়ত- প্রবন্ধ ও নিবন্ধ। বাংলা সাহিত্যের এ তিন পর্যায়ের কোনোটি দিয়েই আটকানো যায় না বিপ্লবী লেখক আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব'র ফিলোসোফিক রচনা 'জোছনাফুল'। লেখক তার শেন্য দৃষ্টি দিয়ে তুলে এনেছে চলমান বিস্তৃত জীবনের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ভুল। আবার সেই ভুলের সমধান এনেছে কুরআন-হাদিস,ইতিহাস,ও সাহিত্যের পরশ পাথরের ছুঁয়া লাগিয়ে। বেশি চমৎকৃত হই যখন দেখি ওই সব ভুলগুলো নিজের মধ্যে গেঁথে শতাব্দীর পাঠকের প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়। এমন দু'একটা ঘটনার ইঙ্গিত এরকম- দরুদ পড়তে ভুলে যাওয়া,ওজু না করে ঘুমাতে যাওয়া, বিশ্বসাহিত্যের আঁধার গলিতে ঘুরতে গিয়ে হতাশ হওয়া আরো অনেক। লেখক পরম যত্ন করে পাঠকের চেতনায় তুড়ি মেরেছেন যেখানে ঝেঁকে আছে প্রচলিত সাহিত্যের প্রোটাগনিস্ট আর এন্ট্রাগনিস্ট এর প্লট। তবে ভুল হবে যদি বলি এখানে এক্টর বা এক্ট্রেস অনুপস্থিত। লেখক যখন তুল তুলে শব্দ দিয়ে শোনিয়ে যায় তাঁর স্মৃতির সংলাপ তখন পাঠকরা আবিষ্কার করে নেয় জীবন্ত এক স্কেচ, এখানে লেখক এক্টর। আবার যখন লেখক পাঠ নেয় ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ কিছু পাতা আল-কুরআন, আল-হাদিস, আল-মুকাদ্দিমা, কিতাব আল-বিদায়াহ ওয়ান-নিহায়াহ, রবীন্দ্র,নজরুল থেকে জন ডান,বোদলেয়ার, ইকবাল,গালিব সহ শত বোদ্ধার কাছ থেকে তখন লেখক নেমে আসেন কথকের ভূমিকায়, ইতিহাসের পাতা হয় এক্টর। আর প্রতিটা পাতা জীবন্ত মানবের মতো বলে যায় কথার পরশমালা,ভেঙে যায় জীবনের জমাটবদ্ধ যত কালো জড়তা। এমনই একটি পরশমালা ইমাম ইবনে তাইমিয়ার মুখ দিয়ে বের হয়ে আমার মতো ক্ষুদ্র লেখকের গোনাহের ফসিল চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছে। ইমামের সেই পরশমালা তুলে না ধরে পারছি না- ১। "হৃদয়ের খোরাক নিতে যারা বিবিধ কবিতা শোনে, দেখবে কুরআন শোনার প্রতি তাদের আগ্রহ কমে গেছে। এমনকী একটা পর্যায়ে শোনার প্রতি বিরক্তও হতে পারে। ২। বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে মাত্রাতিরিক্ত ঘোরাঘুরি যে করে, দেখবে- বায়তুল্লাহ হজ করার জন্য আন্তরিকতা ও ভালবাসা তার হৃদয়ে অবিশিষ্ট থাকে না। ৩। পারসিক ও রোমান পন্ডিতদের বিভিন্ন বাণী থেকে শিষ্টাচার আর প্রাজ্ঞবচন চয়নের নেশা যাকে পেয়েছে, ইসলাম ও এ থেকে উৎসারিত জীবনশৈলী শিষ্টাচারের প্রতি ওই পরিমাণ টান তার অন্তরে থাকে না"। ইমামের এ কথাগুলো আমার রোগা হৃদয়ে কেন জানি মেনে নিতে কষ্ঠ হচ্ছিল। কিন্তু পরক্ষণেই লেখকের প্রাজ্ঞ বিশ্লেষণে আমার জ্ঞানের দীনতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যাহোক এবার চলি 'জোছনাফুল' এ এক্ট্রেস খুঁজতে। যদি আবদার করি 'জোছনাফুল' বইয়ের প্রায় সংলাপ এক্ট্রেসের ভিউ থেকে বর্ণিত তবে রসবোধ পাঠকের কাছে তা আউট সোল মনে হবে না । তবে পাঠকের জানা দরকার জোছনাফুল বইয়ের লেখক যেমন প্রচলিত নিয়মকে তোয়াজ করে লিখেন না ঠিক একই কারণে এখানে এক্ট্রেসের সংজ্ঞাও চিরায়ত নিয়মে পাবেন না। একজন এক্ট্রেস যেভাবে তার দর্শকে কখনো প্যান্ডামিক করে তুলে আবার কখনো ভালবাসার ফোয়ারায় অবগাহন করিয়ে করে তুলে অফটিমিস্ট। ঠিক এমনটাই করছেন লেখক। তাঁর ফিলোসোপিক গদ্যের পাঠ পাঠককে কখনো ভাবিয়ে তুলবে কখনো করবে আঁধার হৃদয়ে আলোর সঞ্চার। আর সেই সিঞ্চিত আলোয় যদি জেগে ওঠে মাত্র একটি বেদামি কলব,তবে জোর দিয়ে আবার বলবো লেখক আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব একজন সফল এক্টর এবং এক্ট্রেস। শেষ কথা বলছি। জোছনাফুল চলমান বাংলা সাহিত্যের কোন ধারায় পড়ে না। তবে এটা স্পষ্ট যে জোছনাফুল, শেষরাত্রির গল্পগুলো, তারাফুল, বৃষ্টিমুখর রৌদ্রমুখর, বাংলা সাহিত্যে নিজেই একটা ইনকিলাবের ডাক দিচ্ছে। জানি এ কাজ সহজ নয় তবে বিশ্বাস রাখি যেখানো লাখো মুমিনের দোয়া আর দরদ সেখানে সফলতা আসবে ইনশাল্লাহ। জয়তু প্রিয় লেখক আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব। আল্লাহ আপনাকে রহম করুন, হায়াতে তায়্যিবা নসিব করুন। আমীন ইয়া রব্বুল আ'লামীন। শুভার্থী মো.খাইরুল ইসলাম"

Farhan Uddin

Farhan Uddin , Mar 28, 2020

★ ★ ★ ★ ★

"লেখকের বইগুলোর নাম একটু অদ্ভুত৷ এই যে বইটা, জোছনাফুল, জিনিসটা আসলে কী? জোছনা নাকি ফুল? জোছনাফুলে মিলবে তার উত্তর৷ লেখকের সেই চিরচেনা স্টাইলে বইটা লেখা হয়েছে৷ একদল পিচ্চি-পাচ্চা, কিশোর-তরুণ নিয়ে জমজমাট আড্ডা হচ্ছে৷ এবারের আড্ডাটা বসেছে জোছনার আলোয়৷ সেই আলোয় বিমূর্ত হয়ে ওঠে জীবনের গল্পগুলো৷ ১৪টা প্রবন্ধগল্প নিয়ে সাজানো বইটি৷ প্রথম গল্পে রয়েছে কবি আল মাহমুদের স্মৃতিচারণ৷ মৃত্যু কি জীবনের শেষ নাকি নতুন জীবনের হাতছানি! বেদনাবিধুর মৃত্যুর সাথে কীভাবে ঈদের আনন্দের মিল খুঁজে পেয়েছেন লেখক! আয়না নিয়ে রাসূলের (সা) ছোট্ট একটা হাদীসের মাঝে কত যে ব্যাপক আবেদন ও নির্দেশনা রয়েছে তা জানা যাবে পরবর্তী গল্পে৷ আয়নার গল্পে গালিব-ইকবাল না এসে কি পারে? তাদের কবিতায় অনুরণিত দর্শন পাঠকের শান্ত মনে চিন্তার ঝড় ওঠায়৷ শেকড়সন্ধানী লেখকের মজবুত পারিবারিক বন্ধনের চিত্র বিভিন্ন গল্পে ফুটে উঠে৷ বাবার নামের সাথে মিল থাকায় উসমান (রা) কে নিয়ে ভাইবোনের বিশদ স্টাডি করা, লেখকের জান্নাতি নীড়ের কথা জানান দেয়৷ মুমিনের জীবনে শাহাদাতের তামান্না, ভালো কাজে রাহবার হওয়া, খোদার দরবারে দু'ফোঁটা অশ্রু ঝরানোর অনুপ্রেরণা নিয়ে আছে কিছু গল্প৷ অনুসন্ধিৎসু লেখকের জন্মদিনে বিখ্যাত আর কে কে জন্মেছেন সেই অনুসন্ধানের গল্পে উঠে এসেছে আত্মার খোরাকের জোগান কোথা থেকে কীভাবে নিতে হয়৷ প্রকৃতির সাথে নিত্য ঘর করা লেখক সবখানেই প্রকৃতির শিক্ষা খুঁজে পান৷ নামপ্রবন্ধে সেটা প্রবলভাবে ধরা দেয়৷ জোছনার নরম আলো আর সূর্যের তেজস্বীতায় নানান সময়ের নানান ভাষাভাষী কবি সাহিত্যিকদের বিচিত্র সব অনুভূতির দেখা পেয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে এখন সূর্য কিংবা পূর্ণচন্দ্রটাকে আর সাদামাটা মনে হবে না৷ প্রকৃতির আরেকটা বড় অনুসঙ্গ সাগরের সাথে ভাব জমাতে, এর নীলের মাঝে হারিয়ে যেতে সাহায্য করবে সমুদ্রসফর নিয়ে লেখা শেষ গল্পটাও৷ প্রকৃতির সৌন্দর্যে হারিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রকৃতির প্রকৃত স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণের অনুভূতি জাগিয়ে তোলার প্রচেষ্টা তো রয়েছেই৷ বেশ কিছু বানান ভুল চোখকে পীড়া দিয়েছে৷ গল্পগুলোর দৈর্ঘ্যের বিশাল তারতম্যে পড়ার স্বাভাবিক গতিতে কিছুটা ছন্দপতন ঘটে৷ অবশ্য লেখক ভূমিকায় সেটার ব্যাখ্যা দিয়েছেন৷ 'বাইশ জানুয়ারি' প্রবন্ধের কন্টেন্টের ব্যাপকতা অনুসারে শিরোনামটা তেমন যুৎসই হয় নি৷ সবমিলিয়ে চমৎকার বই৷ বিশ্বাসী কিশোর তরুণদের পড়া উচিত৷ ৪.৭৫/৫৷"

প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)

বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর

বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

সম্পর্কিত অন্যান্য বই

সবগুলো দেখুন →
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
একটু পড়ে দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ জননী বুক ডিপো
(2)
TK. 7,050 -62% OFF
TK. 2,699
তাকরিরে তিরমিযী
একটু পড়ে দেখুন
তাকরিরে তিরমিযী মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
কোনো রেটিং নেই
TK. 300 -47% OFF
TK. 159
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
একটু পড়ে দেখুন
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই মাওলানা আনিসুর রহমান
কোনো রেটিং নেই
TK. 70 -40% OFF
TK. 42
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
একটু পড়ে দেখুন
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
(4)
TK. 200 -50% OFF
TK. 100
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
একটু পড়ে দেখুন
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ) حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
(3)
TK. 350 -30% OFF
TK. 245
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
একটু পড়ে দেখুন
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা) কওমী লাইব্রেরী
কোনো রেটিং নেই
TK. 100 -41% OFF
TK. 59
আরবী শব্দমালা
একটু পড়ে দেখুন
আরবী শব্দমালা কুতুবখানায়ে রশিদিয়া
(1)
TK. 80 -42% OFF
TK. 46
এসো আরবী শিখি বাংলা - প্রথম খন্ড
একটু পড়ে দেখুন
এসো আরবী শিখি বাংলা - প্রথম খন্ড মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
(2)
TK. 200 -41% OFF
TK. 119

বইটির রিভিউ লিখুন

আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।

বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন

আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!

আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।

"জোছনাফুল" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।

লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন

রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।

বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন

সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।

বইটি শেয়ার করুন

বন্ধুদের সাথে এই বইয়ের তথ্য শেয়ার করতে পারেন

বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন

পাতা:

পাতা 1
জোছনাফুল পাতা: 1 / 16
পাতা 2
জোছনাফুল পাতা: 2 / 16
পাতা 3
জোছনাফুল পাতা: 3 / 16
পাতা 4
জোছনাফুল পাতা: 4 / 16
পাতা 5
জোছনাফুল পাতা: 5 / 16
পাতা 6
জোছনাফুল পাতা: 6 / 16
পাতা 7
জোছনাফুল পাতা: 7 / 16
পাতা 8
জোছনাফুল পাতা: 8 / 16
পাতা 9
জোছনাফুল পাতা: 9 / 16
পাতা 10
জোছনাফুল পাতা: 10 / 16
পাতা 11
জোছনাফুল পাতা: 11 / 16
পাতা 12
জোছনাফুল পাতা: 12 / 16
পাতা 13
জোছনাফুল পাতা: 13 / 16
পাতা 14
জোছনাফুল পাতা: 14 / 16
পাতা 15
জোছনাফুল পাতা: 15 / 16
পাতা 16
জোছনাফুল পাতা: 16 / 16
পাতা / 16
এই তথ্যটি জেনে রাখুন।

প্রগতি একটি নতুন প্লাটফর্ম হওয়ায় এখনো আমাদের কোনো ওয়ারহাউজ নেই। তাই আমরা রকমারির মাধ্যমে পন্য পাঠাবো। তবে এতে আপনার বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবেনা।