১ম প্রকাশ, ২০১৯
জনমভর
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | জনমভর |
| Author | আরিফ খন্দকার |
| Publisher | অন্যধারা |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৯ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 544 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.75 Kg |
| ISBN | 9789849366188 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
11 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টিArman Hossian , Dec 26, 2019
"শ্বশুরবাড়ি থেকে একটা সুতাও না পাওয়ার ক্ষোভ মনে নিয়ে হোসেন আরার সাথে সংসার শুরু হয় মেছের আলির। মেছের আলি জানেন না এই সংসারে তিনি কতটা সংসারী হতে পারবেন! হোসেনে আরার সাথে নিজেকে কতটা মানিয়ে নিতে পারবেন! জানেন না দু'জন সুখেদুঃখে কতটা এক হয়ে থাকতে পারবেন! বিয়ের পর থেকেই আমেনা বেগম খোয়াব আলিকে ভালোভাবে কাছে পান নি। স্বামীর প্রতি স্ত্রীর যে অধিকার সে অধিকার তো দূরের কথা কখনো কোনো আবদারও করতে পারেন নি। অবশ্য আবদার করার সময়টুকুই তিনি পান নি। পাবেনই বা কেমন করে! খোয়াব আলি যেমন দিনে ছিলেন তার দৃষ্টির বাইরে, রাতেও তেমনই। কিন্তু কেনো! খবির আলিকে বিয়ের কথা বললেই সে এড়িয়ে যায়, ঘর থেকে বের হয়ে যায়। কে জানে কোথায় যায়! পাড়ায় পাড়ায় ঘুরেফিরে দিন কাবার করে সন্ধ্যায় ঘরে ফিরে। কিন্তু এরই মাঝে সে প্রেমে পড়ে। প্রেমে পড়ার পর ভাবে, সে তার প্রেমে পড়া মানুষটিকেই বিয়ে করবে। যদি তা না পারে তাহলে কখনো বিয়েই করবে না খবির আলী। শেষ পর্যন্ত কী সে পেরেছিলো তার প্রেমে পড়া মানুষটিকে বিয়ে করতে! খসরু আলির বয়স যখন ছয় তখন সে ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় সৎ মায়ের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে। পালানোর সময় তার খুব মনে পড়ছিলো বাবার কথা। কিন্তু তার বাবা তখন অনেক দূরে। বাবার দেখা পাওয়া সম্ভব না। যাওয়ার সময় খসরু আলী শুধু ভাবে, তবু বাবা ভালো থাকুক, তার সংসার টিকে থাকুক। কিন্তু খসরু আলি কোথায় যায় পালিয়ে! কোথায় খুঁজে পায় তার আশ্রয়! হাশেম খাঁ কখনো তার বাবাকে দেখে নি। সে জানে না বাবারা দেখতে কেমন হয়! শুধু এটুকুই জানে বাবারা দেখতে নানাদের মতো হয়। কারণ তার জীবনের ছয়টি বছর কেটে গেছে নানার কাছে থেকে, নানার আদর পেয়ে, নানাকে দেখে। মায়ের কাছেও তেমন যায় না সে। কেননা তার মা যে কথা বলতে পারে না, বোবা। হাশেম খাঁ তাই তার নানার কাছেই সবকিছু আবদার করে। নানা তার সাধ্যমতো তা মেটানোর চেষ্টা করে। যদিও কখনো মেটাতে না পারে তখন তার মরে যেতে ইচ্ছে করে। কিন্তু তাও পারে না শুধুমাত্র এই নাতিটার কথা, এই হাশেম খাঁ'র কথা চিন্তা করে। কেননা তিনি ছাড়া যে হাশেম খাঁ'র কেউ নেই। তিনি মরে গেলে সে যাবে কোথায়! জগতের কোথায় গিয়ে খুঁজে পাবে মমতায় মোড়ানো শান্তিময় আশ্রয়!"
সাহেদ আহমেদ , Nov 6, 2019
"ভালো"
Sultan , Nov 2, 2019
"জনমভর উপন্যাসটি লেখক শুরু করেন শ্বশুরবাড়ি থেকে কিছু না পাওয়ার ক্ষোভ দিয়ে। কিন্তু কোনো এক সময় উপন্যাসটি পড়তে পড়তে মনে হলো যেন সে ক্ষোভ হয়ে যায় আনন্দ। যে আনন্দ থেকে শুরু হয় মেছের আলির জীবনের মূল যাত্রা। যে যাত্রায় একের পর এক যোগ হতে থাকে আনন্দ বেদনা, হাসিকান্না, প্রেম, ভালোবাসা আর স্ত্রীকে কাছে পাওয়ার তীব্র বাসনা। বিয়ের পর থেকেই আমেনা বেগম তার স্বামীকে ভালোভাবে কাছে পান নি। কারণ তার স্বামী সারারাত ডাকাতি করে দিনে ঘরে ফিরে আসতো আমেনা বেগম যখন সংসারের কাজকর্ম নিয়ে থাকতেন। স্বামীর কাছেও তখন তার পক্ষে আসা সম্ভবপর হয়ে উঠতো না, কথা বলা তো অনেক পরের বিষয় কারণ তার স্বামী তখন ঘুমাতেন। আবার রাত হলে ডাকাতির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যেতেন। আমেনা বেগম তার পুত্রকে যখন বিয়ের কথা বলেন তখনই সে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। তিনি জানেন না সে কেথায় যায়! তবে মনে মনে একটা মানুষকে সে ভালোবাসে। মানুষটাকে কাছে পেতে চায়। যদি এই মানুষটাকে সে কাছে না পায় তাহলে সে যেন বিয়েই করবে না! কিন্তু ভালোবাসলেই কি কাউকে কাছে পেতে হবে! খসরু আলির বয়স যখন ছয় বছর তখন সে ঘর থেকে পালিয়ে যায় সৎ মায়ের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে। সৎ মা বুঝি এমনই হয়! এই জগৎ সংসারের কেথায় গিয়ে খসরু খুঁজে পায় তার আশ্রয়! জন্ম থেকেই হাশেম খাঁর মা বোবা। কথা বলতে পারে না। বাবাকেও দেখে নি সে। জীবনের ছয়টি বছর কেটে গেছে তার নানার কাছে থেকে। মাঝেমধ্যে সে নানাকেই বাবা বলে ডেকে ফেলে। তখন তার নানার মরে যেতে ইচ্ছে করে। কিন্তু পারে না শুধুমাত্র একটা কথা ভেবে যে আমি মরে গেলে সে যাবে কোথায়! তার তো যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। লেখক আরিফ খন্দকারের লেখা সবচেয়ে বিস্তর পরিসরের উপন্যাস এই 'জনমভর' । পড়তে পড়তে মনে হলো যেন এই উপন্যাসের সবকটা চরিত্র আমার চোখের সামনে এসে তাদের জীবন উল্টেপাল্টে দেখাচ্ছ। জীবন কতটা নির্মম, কতটা নিষ্ঠুর তা খুব সহজেই বুঝিয়ে দিয়েছে আরিফ খন্দকারের এই জনমভর। উপন্যাসটি পড়তে গিয়ে মোটেও মনে হয় নি এতো বড় উপন্যাস কখন শেষ হবে, কখন শেষ হবে! বরং শেষ হওয়ার পর মনে হলো আরো কয়েকটা পৃষ্ঠা কেনে হলো না! কোনো কোনো পৃষ্ঠায় প্রিন্টিং মিস্টেক ছাড়া সবকিছু মিলিয়ে অসাধারণ একটি উপন্যাস 'জনমভর' ।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"জনমভর" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: