১ম প্রকাশ, ২০১৫
ইতিহাসের লাল আস্তিন
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
জননী বুক ডিপো
তাকরিরে তিরমিযী
মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
মাওলানা আনিসুর রহমান
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
কওমী লাইব্রেরী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ইতিহাসের লাল আস্তিন |
| Author | শরীফ মাহমুদ |
| Publisher | মাকতাবাতুল আযহার |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 110 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইসলামি বই |
| Weight | 0.23 Kg |
| ISBN | 4359681989091 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
6 Ratings and 4 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৪টি
Nazmun provati , Nov 6, 2024
"বহুদিনের কাঙ্খিত বই।"
Md. Tariful Islam , Oct 3, 2021
"দুর্লভ একটি বই"
শাকিল , Oct 2, 2019
"হাসি-কান্না, বেদনা-দুঃখ,ধ্বংস-গড়া প্রতিটি অঙ্গনেই সৃষ্টি হয় আপন আপন ইতিহাস বার্তা। আর ইতিহাসের সবচে' বেদনাবিধুর অধ্যায় রচনা করে আত্মত্যাগের, আত্মদানের ইতিহাস। এই উম্মাতের শ্রেষ্ঠ কাফেলা হল সাহাবায়ে কেরাম। তাঁদেরই আত্মদানের কিছু গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় নিয়েই অত্র পুস্তক। লেখক শরীফ মুহাম্মদ এর ভাষায় - " ইসলামের জন্য তাঁদের সাধনা, ত্যাগ ও আত্মদানের ইতিহাস ইতিহাসেরই এক প্রাচুর্যপূর্ণ সম্পদ। তাঁদের জীবনের সবচেয়ে হৃদয়ছোঁয়া পর্বটি হলো আল্লাহর পথে তাঁদের অমলিন দান। শুনলে, পড়লে অনুভব হতে থাকে, এ যেন সমর্পণ ও নিবেদনের এক অনিশেষ সমুদ্র। আল্লাহর পথে আত্মদানের এ সমুদ্রের দিকে চোখ দিলে চোখের পাতা শুকনো রাখা কঠিন। গাফলত, আত্মবিস্মৃতির ও বিভ্রান্তির এ বর্তমানে হৃদয় ও চোখ ভেজানো তেমন কিছু ঘটনা নিয়ে এই 'ইতিহাসের লাল আস্তিন'।" একশত দশ পৃষ্টার সংক্ষিপ্ত এই বইটিতে স্থান লাভ করে সতের জন পুরুষ সাহাবি ও একজন মহিলা সাহাবির আত্মদানের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। আর সাথে বইটিকে সাজানো হয়েছে ষোলটি চমকপ্রদ অনুচ্ছেদে।সে ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রতি সাহাবির জন্যই একটি করে অনুচ্ছেদ রয়েছে, ব্যতিক্রম 'ঝান্ডা ঊর্ধ্বে রাখ!' অনুচ্ছেদে মূতার জিহাদে শাহাদাত বরণকারী পর্যায়ক্রমিক তিন মহান সেনাপতি।"
Jewel Haque , Aug 25, 2017
"***সুলতান সালাহুদ্দীন রহঃ বলেন- আমি জানিনা ইসলাম তরবারির জোড়ে প্রসারিত হয়েছে না আখলাকের জোড়ে। কিন্তু আমি ইসলামের হেফাযতের জন্য তরবারিকে জরুরী মনে করি। . ***ইমামুদ্দীন জঙ্গী রহঃ নিজের সম্পর্কে বলেন-তিনি বেশি পছন্দ করেন,রেশমের বিছানার চেয়ে ঘোড়ার জিন,মধুর সঙ্গীতের চেয়ে যুদ্ধেত কোলাহল।প্রিয়ার মধুর ভাষণের চেয়ে অস্ত্রের ঝনঝনানি! . সত্যিই তো! আজ এমনটি হওয়া উচিৎ ছিলো প্রতিটি মুমিনের তামান্না,স্বপ্ন -সাধনা।মুসলিম উম্মাহ আজ কেন নির্যাতিত?অবহেলিত, অপদস্থ ও লাঞ্ছিত?! কারণ তারা ভুলে গেছে,আল্লাহর বাণী নবীজীর আদর্শ, সাহাবীদের আত্মত্যাগ! একসময় মুসলমানদের নাম শুনলে কাফেররা ভয়ে থরথর করতো!আজকে তাদের নাম শুনলে কাঁপবে দূরের কথা,উল্টো বিদ্রূপের হাসি হাসে! একসময় ঘোড়া ও তলোয়ার ছিলো যাদের নিত্যসঙ্গী, আজ তারাই হয়ে গেছে নারী লোভী!! মানব উদ্যানের শ্রেষ্ঠ কাফেলা সাহাবায়ে কেরাম রাঃ।যারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ সঃ এর প্রত্যক্ষ নেগরানীতে গড়ে উঠেছিলেন।জাহেলিয়াত ছেড়ে তারা যখন ইসলামের শান্তির সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নেন।সভ্যতা ও মানবতাবোধ সম্পর্কে অবিহিত হন,তখনই তারা নিজেদেরকে সপে দেন আল্লাহর পথে!আল্লাহর পথে আত্ম্যদানের বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।এ যেন আত্মত্যাগের অনিঃশেষ সমুদ্র! যা যুগ যুগ ধরে মুজাহিদদের প্রেরণা যোগায়।আল্লাহ প্রেমে আত্মত্যাগে উৎসাহিত করে। বাতিলের বিরুদ্ধে অসি হাতে মাঠে নামার অনুপ্রেরণা যোগায়।ঝিমিয়ে পড়া জাতিকে সজাগ করতে সাহায্য করে। . হ্যা! সেইসব সাহাবীদের আত্মত্যাগের অফুরন্ত,অতলান্তিক সমুদ্রে থেকে একঝলক গল্পগুচ্ছের সমষ্টিই এই বই।যা একজন মুমিনের চেতনা জাগ্রত করবে।অনুভব -অনুভূতি সচল করবে।আল্লাহর পথে নিজেকে উৎসর্গ করে দিতে প্রেরণা জাগাবে। বইটিতে ফুটে উঠেছে ইসলামের জন্য আত্মোৎসর্গী কাফেলার বরেণ্য রাজপুত্রদের অসামান্য বীরত্বগাথা।লালিমা ছড়িয়েছে ইসলামের বীর শহীদদের লাল ইতিহাসের লাল বর্ণমালা।বইটি আপনাকে নিয়ে যাবে সুদূর অতীতে।সেই সোনালি যুগে! মনে হবে যেন নিজেও আছেন সেই মহান কাফেলায় গৌরবের অতীতে! বইটি পড়ে কখনো কাঁদবেন। কখনো হারিয়ে যাবেন বদর প্রান্তরে।শহীদগনের প্রধান হযরত হামযা রাঃ এর সাথে।যিনি বদর ও অহুদে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছিলেন।অনেক নরপিশাচের জন্য জাহান্নামের রাস্তা সহজ করে দিয়েছিলেন। কখনো চলে যাবে ইসলামের প্রথম শহীদ সুমাইয়া রাঃ এর সাথে।ইতিহাসের পাতায় শহীদদের তালিকা খুঁজলে প্রথমেই যার নাম আসে।যিনি ইসলাম।গ্রহণের অপরাধে(?)সহ্য করেছিলেন মক্কার কাফেরদের অত্যাচার- উৎপীড়ন।পাশাপাশি স্বামী ও পরিবারকে সহ্য করতে হয়েছিলো অবর্ণনীয় জুলুম! কখনো হারিয়ে যাবেন মূতার যুদ্ধে।যায়েদ ইবনে হারেসা,যাফর ইবনে আবু তালিব,আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা এর সাথে।তিন হাজার সৈন্য কিভাবে লাখের অধিক সৈন্যের সামনে অকুতোভয়ের মতো বুক টান করে দাঁড়ালো, ভাবতেই গা শিউরে উঠে!!এতো শুধু আল্লাহরই কুদরত! কখনোবা ইয়ারমুকে। ইকরিমা রাঃ এর সাথে।যিনি আপন অঙ্গীকারের মূল্য রেখেছিলেন শাহাদাতের লাল পেয়ালায় চুমুক দিয়ে। কখনোবা আমর ইবনুল জামুহ রাঃ এর সাথে।যিনি ছিলেন খোঁড়া পা ওয়ালা।তবুও ছিলো আল্লাহপ্রেম।শাহাদতের তীব্র আকাঙ্কা।তাইতো তিনি ছুটে গিয়েছিলেন ওহুদ যুদ্ধে।শহীদ হয়েছিলেন।নাম লেখিয়েছিলেন শুহাদাদের কাফেলায়।তৈরী করে গেছেন নতুন এক ইতিহাস।আবার হারিয়ে যাবেন ফুরাতের তীরে।যুবকদের সরদার হুসাইন রাঃ এর সাথে।আহ!কী কাণ্ডটাইনা ঘটিয়েছিলো কুলাঙ্গাররা! এই একটা জায়গা,একটা ঘটনা যার কথা স্মরণ হলেই,চোখ অশ্রু ভেজা হয়ে যায়।মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে যায়।ধিক্কার সেইসব নরপিশাচদেরকে। হারিয়ে যাবেন হযরত হানযালার সাথে ওহুদের ময়দানে।যার শাহাদতের পরে গোসল দিয়েছিলেন ফেরেশতারা।কী সৌভাগ্য! ভাবা যায়!! এভাবে পড়বেন আর হারিয়ে যাবেন কখনো আব্দুল্লাহ রাঃ,কখনো মুসয়াব রাঃ এর সাথে।কখনো সা’দ ইবনে রবি,কখনো আসেম,ইবনে সাবিত কিংবা খারাশা রাঃ এর সাথে।হারিয়ে যাবেন সালেমের সাথে ইয়ামামার ময়দানে।মুসয়লামাতুল কাযযাবের বিরুদ্ধে, যে যুদ্ধে সালেম গড়েছিলেন নজীরবিহীন ইতিহাস। বইটি পড়বেন আর কাঁদবেন। আবেগাপ্লুত হয়ে ভাববেন এরকমই ছিলো বুঝি তাদের শাহাদাতের তামানা।দীলের মৌজ! হারিয়ে যাবেন ভাবনার অতল গহবরে,!আত্মত্যাগের অনিঃশেষ সমুদ্রে!ইতিহাসের লাল আস্তিনে!! . সাহাবীদের ঘটনায় ভরপুর এই বইটি তাদের জন্য- *যারা ইসলামকে ভালবাসে। *ইসলামের ইতিহাসকে ভালবাসে। *অনুসন্ধিৎসু পাঠক। *ইসলামের পূণর্জাগরণে বিশ্বাসী। *নিজেদের হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনতে আত্মবিশ্বাসী। . অতএব আপনি যদি এখানের (উপরোল্লিখিত) কোনো একটি হয়ে থাকেন,তাহলে আজই বইটি পড়ে ফেলুন।ইসলামী ইতিহাসের উপর লেখা বাংলাদেশি কোনো আলেমের(আমার অজ্ঞতা ও জানার স্বল্পতার পরিমাপে) এটাই শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ! ঈমানী দূর্বলতার এই দূর্যোগে, ঈমানী তেজে বলিয়ান হতে,ধর্মানুভূতি সতেজ করতে বইটি পড়া একান্ত প্রয়োজন। *লেখক: তারুণ্যের আইডল,চেতনার বাতিঘর, আমাদের প্রেরণা,বিশিষ্ট সাংবাদিক ও আলেমে দীন মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ দাঃবাঃ। একজন সম্ভাবনাময়ী লেখক।আত্নবিশ্বাসের সাথেই লেখেন।উনার লেখায় কী যেন একটা আছে,যা উনাকে স্বাতন্ত্র্য করেছে।তাইতো উনার লেখা ছুয়ে যায় পাঠকের হৃদয়।বিভিন্ন পত্রকায় সমসাময়িক বিষয়ের উপর সারগর্ভ আলোচনা করেন। অনুবাদের চেয়ে নিজস্ব রচনায় উনার কলম সচল।ক্ষুরধার। একটি অনুবাদগ্রন্থ সহ দশের অধিক বই বের হয়েছে।যা ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছে।উনার ইতিহাসের লাল আস্তিন সম্পূর্ণ পড়েছি।আর কোনো বই সম্পূর্ণ পড়া তৌফিক হয়নি।সকালে মিষ্টি রোদ থেকে পড়েছিলাম কয়েকটি গল্প।সেটাও অসাধারণ বই।গল্পের মাধ্যমে হাদীছের শিক্ষা।যেকোনো পাঠকের হৃদয়ের ছুঁয়ে যাবে।হাদীছের শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহবোধ জাগাবে।উৎসাহিত করবে।বাকি সবকটি ও এরকম হবে বলে আশাবাদী। আমরা উনার নেক ও দীর্ঘ হায়াত কামনা করছি। -মুহাম্মদ আল- ফাতি(fb page:reviews of islamic books)"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ইতিহাসের লাল আস্তিন" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: