২য় সংস্করণ, ২০০৯
ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ : আলোচিত ও অনালোচিত কারণসমূহ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
জননী বুক ডিপো
তাকরিরে তিরমিযী
মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
মাওলানা আনিসুর রহমান
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
কওমী লাইব্রেরী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ : আলোচিত ও অনালোচিত কারণসমূহ |
| Author | ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর |
| Publisher | আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স |
| Edition | ২য় সংস্করণ, ২০০৯ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 272 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইসলামি বই |
| Weight | 0.51 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
106 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩০টি
Md Shohel Rana , Jul 3, 2026
"আলহামদুলিল্লাহ হাতে পেয়েছি। স্যারের বইগুলো আমি এই প্রথম পড়া শুরু করব । ইনশাহআল্লাহ পড়া শেষে বাকিটা জানাবো। তোবে আশা করতেছি বইটা ভালো হবে। স্পেশালি ডেলিভারি ম্যান এর ব্যবহার খুবই ভালো ছিল। আল্লাহ পাক স্যারকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।"
Nahian hasan. , May 8, 2026
"alhamdulillah"
Sakib Ahamed , Dec 25, 2025
"বই: ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ লেখক: ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ) প্রকাশনী: আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন বর্তমান বিশ্বে বহুল আলোচিত একটি বিষয় হলো ইসলামোফোবিয়া। এর পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করছে ইহুদি ও পশ্চিমা শক্তিগুলো। বিশ্বের প্রায় সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামকে জড়িয়ে দেওয়াই যেন তাদের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে শত শত বছর ধরে তারা লক্ষ লক্ষ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। শুধু ক্রুসেডের সময়েই তাদের হাতে নিহত হয়েছে এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ; প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা তো আলাদাভাবে উল্লেখের দাবি রাখে। অথচ মহানবী মুহাম্মদ ﷺ–এর সমগ্র জীবনের যুদ্ধগুলোতে উভয় পক্ষের নিহতের সংখ্যা কয়েক হাজারেরও কম। এরপরও ইসলামকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে একের পর এক প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে ফিলিস্তিনে ইসরাইলের বর্বরতা ও গণহত্যার বাস্তব চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হওয়ায় অনেকের চোখের পর্দা সরে যেতে শুরু করেছে। তবুও আমাদের জানা প্রয়োজন—এই অপপ্রচারের সূচনা কোথায় এবং কারাই বা এর প্রকৃত রূপকার। অন্যদিকে মুসলিম সমাজের ভেতরেও কিছু বিভ্রান্ত গোষ্ঠী রয়েছে, যারা জিহাদের নামে খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগ থেকেই সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এদের এই বিপথগামীতার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় কুরআনের ভুল ব্যাখ্যা এবং মহানবী ﷺ–এর সুন্নাহ ও সহিহ হাদিস থেকে বিচ্যুতি। এদের সম্পর্কে রাসূল ﷺ পূর্বেই সতর্ক করে বলেছেন— “তোমাদের মধ্যে এমন একটি সম্প্রদায় বের হবে, যাদের সালাতের তুলনায় তোমাদের সালাত তোমাদের কাছেই নগণ্য মনে হবে, যাদের সিয়ামের তুলনায় তোমাদের সিয়াম তোমাদের কাছেই তুচ্ছ মনে হবে। তারা কুরআন তিলাওয়াত করবে, কিন্তু কুরআন তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। যেমন তীর শিকারের দেহ ভেদ করে বেরিয়ে যায়, তেমনি তারা দীনের ভেতরে প্রবেশ করে আবার সেখান থেকে বেরিয়ে যাবে।” — সহিহ বুখারি, ৪/১৯২৮ এইসব বিভ্রান্ত গোষ্ঠীর মতাদর্শ ও দাবিদাওয়া পর্যালোচনা করলে তাদের চরিত্রের কয়েকটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে— ১। নিজের জীবনে ইসলাম বাস্তবায়নের চেয়ে অন্যের জীবনে ইসলাম চাপিয়ে দেওয়াকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া ২। করণীয় ও বর্জনীয়ের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য করতে অক্ষমতা ৩। ইসলামী শিক্ষার বিকৃত ও খণ্ডিত অনুধাবন এবং উপস্থাপন সাম্প্রতিক সময়ের এমনই একটি গোষ্ঠীর প্রসঙ্গে লেখক উল্লেখ করেছেন— “এরা মূলত মেধাবী। একসময় এদের অনেকেই নিজেদের মেধা, মনন ও বুদ্ধির ওপর ভর করে কুরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা ও ‘ফতোয়া’ দিতে শুরু করে। অথচ তারা বিশাল হাদিসভাণ্ডার, সাহাবায়ে কেরামের কর্মপদ্ধতি এবং পূর্ববর্তী আলিমদের মতামত সম্পর্কে অবগত নয়, এমনকি তা জানার প্রয়োজনও অনুভব করে না।” জিহাদ ইসলামী আকিদার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ; যথাযথভাবে অস্বীকার করলে তা কুফরের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। কিন্তু এসব বিভ্রান্ত গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় দায়িত্বকে ব্যক্তিগত ফরজের মতো বিবেচনা করে এবং তথাকথিত ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নামে জিহাদকে একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। বাস্তবতা হলো—জিহাদের জন্য যে দুটি মৌলিক পূর্বশর্ত আবশ্যক, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা পূরণ হয় না: ১. রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও বৈধ রাষ্ট্রপ্রধানের অনুমোদন ২. রাষ্ট্র বা মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা সরাসরি হুমকির মুখে পড়া এছাড়াও জিহাদের সময় যোদ্ধা ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা স্থাপনায় আঘাত হানা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু এই বিভ্রান্ত গোষ্ঠীগুলোর কাছে এসব নীতিমালা কোনো গুরুত্ব বহন করে না। ফলে তাদের কর্মকাণ্ড জিহাদ নয়; বরং তা নিখাদ সন্ত্রাসবাদ। এইসব বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত থাকার একমাত্র উপায় হলো কুরআন ও সহিহ হাদিসের সঠিক ও প্রামাণ্য জ্ঞান অর্জন। লেখক এই বইটিতে সেই বিষয়টিই অত্যন্ত সুন্দরভাবে দলিল-প্রমাণসহ উপস্থাপন করেছেন। তিনি প্রতিটি মতামতের পেছনে কুরআন, হাদিস এবং নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সূত্র উল্লেখ করেছেন, যা বইটির গ্রহণযোগ্যতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। আমার দৃষ্টিতে, ফিতনা ও বিভ্রান্তির এই যুগে প্রত্যেক সচেতন মুসলিমের জন্য বইটি পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি। এটি শুধু একটি বুক রিভিউয়ের উপকরণ নয়; বরং চিন্তার জগৎকে পরিশুদ্ধ করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম।"
Muhammad Mehendi , Nov 7, 2025
"📚 বই পর্যালোচনা-৪ 📖 ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ ✍️ লেখক : প্রফেসর ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহিমাহুল্লাহ) লেখক পরিচিতিঃ প্রফেসর ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহিমাহুল্লাহ) ছিলেন বাংলাদেশের এক প্রখ্যাত আলেম, ইসলামী চিন্তাবিদ, গবেষক ও দাঈ। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি কুরআন, হাদীস, ফিকহ ও সমকালীন ইসলামী চিন্তার ওপর বহু গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কিছু রচনাবলী, কোরআন সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা, হাদিসের নামে জালিয়াতি, রাহে বেলায়াত সহ আরো অনেক বই রয়েছে। তাঁর বক্তব্য ছিল যুক্তিনির্ভর, সহজবোধ্য ও আহলুস সুন্নাহর মানহাজভিত্তিক। সাধারণ পাঠকরাও তাঁর বই পড়ে জটিল ইসলামী বিষয় সহজে বুঝতে পারেন। আধুনিক যুগে ইসলাম পালনের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে তিনি সবসময় বাস্তবধর্মী দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি অতিরঞ্জন ও পক্ষপাত থেকে দূরে থেকে সবসময় মধ্যপন্থা অবলম্বন করেছেন। বইটির মূল উদ্দেশ্য হলো ইসলামের নামে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের মূল কারণগুলো চিহ্নিত করা এবং এই সংক্রান্ত দ্বিমুখী বিভ্রান্তি অপনোদনের চেষ্টা করা। লেখক মূলত ‘ইসলামী আইন ও বিচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর একটি প্রবন্ধের সঙ্গে কিছু সংযোজন-বিয়োজন করে এটিকে পুস্তিকা আকারে প্রকাশ করেছেন। বইটিতে প্রথমত স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। ইসলামের শান্তি শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, বরং জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ এবং সকল সৃষ্টির জন্য। এটি একটি সর্বজনবিদিত বিষয় যে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের সকল মানুষের জন্য শান্তি প্রতিষ্ঠা করা ইসলামী ধর্মবিশ্বাসের অন্যতম প্রেরণা। বইটিতে জঙ্গিবাদকে একটি ভয়ঙ্কর সামাজিক ব্যাধি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। লেখক অত্যন্ত ব্যথিত হৃদয়ে উল্লেখ করেছেন যে, কিছু বিভ্রান্ত বিপথগামী মানুষের কারণে ঢালাওভাবে ধার্মিক ও আলেম সমাজকে দায়ী করা হচ্ছে। তিনি যুক্তি দেন যে স্কুল-কলেজের ছাত্ররা চুরি, ডাকাতি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হলে কেউ স্কুল-কলেজ বা শিক্ষাব্যবস্থাকে দায়ী করেন না; কিন্তু দু-চার জন বিপথগামী টুপি মাথায় দিয়ে সন্ত্রাস করলে সকল টুপিওয়ালাকেই দায়ী করা হয়। বইটি জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস এবং রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের সংজ্ঞা ও প্রকারণ আলোচনা করেছে। এতে ইরাক, ফালুজা এবং ফিলিস্তিনে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কার্যক্রমের মাধ্যমে সন্ত্রাস সংজ্ঞায়িত করার ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের দ্বিমুখী নীতির কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। বইটি মূলত এই প্রশ্নটির উত্তর খোঁজে যে, বর্তমান সমাজে ইসলামের নামে বোমাাবাজি, অশান্তি, নিরীহ মানুষ হত্যা ও আত্মহত্যা কেন ঘটছে? এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ– ১. সঠিক কারণ নির্ণয়: সন্ত্রাস একটি ভয়ঙ্কর সামাজিক ব্যাধি, এবং এর নিরাময়ের জন্য এর সঠিক কারণ নির্ণয় করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কারণ নির্ণয় এই ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাময়ের পথ সুগম করে। ২. বিভ্রান্তি নিরসন: ইসলামের নামে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যমগুলোতে ইসলামকে সন্ত্রাসের জনক বলে চিত্রিত করা হচ্ছে, যা ইতিহাস ও বাস্তবতার সম্পূর্ণ বিপরীত। এই ভুল ধারণার নিরসন করা জরুরি। ৩. উদ্দীপনা এবং আবেগের অপব্যবহার: জঙ্গিবাদ বিষয়ক প্রচারণার কারণে কিছু সংখ্যক যুবক শুধুমাত্র ইসলামের আবেগে তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছে। ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে মুসলিম দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা বহিশত্রুর আগ্রাসন প্রতিরোধের ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। ৪. উম্মাহর ঐক্য রক্ষা: সমস্যার কারণ নির্ধারণে বিভ্রান্তি প্রায়শই সমস্যাকে উসকে দিতে পারে। জঙ্গিবাদের জন্য ইসলাম বা ইসলামিক শিক্ষাকে দায়ী করলে তা সংঘাতকে উসকে দেবে এবং সন্ত্রাসীদের প্রতি এক প্রকারের 'সহমর্মিতা' সৃষ্টি করবে। ৫. রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: পশ্চিমা শক্তিগুলো ইসলামী দেশগুলোর নিয়ন্ত্রণ এবং তাদের নিজেদের দেশে ইসলামের নীরব বিস্তৃতি (ইসলামায়ন) রোধ করতে জঙ্গিবাদ ইস্যুকে সর্বোত্তম বিবেচনা করে এবং তাদের স্বার্থেই ‘জঙ্গিবাদ’ সৃষ্টি করে। বইটির শক্তিশালী দিকগুলোর মধ্যে নিম্নলিখিত প্রধান বিষয়গুলোঃ ১. ঐতিহাসিক ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণঃ বইটি ইসলামে চরমপন্থার আবির্ভাবকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে আলোচনা করেছে, যা এর সবচেয়ে শক্তিশালী দিকগুলোর অন্যতম। খারেজি সম্প্রদায় ও ভবিষ্যদ্বাণী: লেখক ইসলামের ইতিহাসে প্রথম হিজরি শতাব্দীতে আবির্ভূত খারেজি দলের ইতিহাস পর্যালোচনা করেছেন। এই দলের বৈশিষ্ট্য (যেমন: বয়সের তরুণ, ধর্মপালনে নিষ্ঠাবান, কিন্তু অপরিণত বুদ্ধি ও দূরদর্শিতার অভাব) এবং তাদের বিশ্বাস (যেমন: বড় পাপের কারণে মুসলমানকে কাফির বলা) আধুনিক জঙ্গিদের বিশ্বাসের সাথে আশ্চর্যজনক মিল দেখায়। তাৎক্ষণিক ফললাভের মানসিকতা: জঙ্গিদের দ্রুত ফলাফল লাভের (দ্রুত বিজয়) অস্থির মানসিকতাকে কঠোরভাবে সমালোচনা করা হয়েছে। এটি কোরআন-সুন্নাহর শিক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। জিহাদ ও কিতাল বিষয়ক ভুল ধারণা খণ্ডন: জঙ্গিবাদ প্রসারের মূল কারণগুলির মধ্যে একটি হলো জিহাদ সংক্রান্ত ভুল ব্যাখ্যা। বইটি স্পষ্ট করেছে যে, পারিভাষিক অর্থে ‘জিহাদ’ মানে হলো রাষ্ট্র ও দা'ওয়াতের নিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্রীয় যুদ্ধ (কিতাল), যা রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ছাড়া অবৈধ। তাগুত ও তাকফিরের কঠোর বিশ্লেষণ: লেখক প্রমাণ করেছেন যে, পাপের কারণে কোনো মুমিনকে কাফির বলার (তাকফির) প্রবণতা খারেজি সন্ত্রাসের মূল ভিত্তি ছিল। এই বইটি কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে এই মতবাদকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে, যেখানে জোর দেওয়া হয়েছে যে, মুমিনকে কাফির বলার চেয়ে ভুল করে কোনো কাফিরকে মুসলিম মনে করাও নিরাপদ। ২. সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উন্মোচনঃ বইটি জঙ্গিবাদের জন্ম ও বিস্তারের জন্য কেবল ধর্মীয় আবেগকে দায়ী না করে, বরং এর রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট উন্মোচন করেছে। পশ্চিমা দ্বৈত নীতি: এটি দৃঢ়ভাবে দেখিয়েছে যে ফিলিস্তিন, ইরাক এবং অন্যান্য স্থানে সাম্রাজ্যবাদী ও সম্প্রসারণবাদী নীতি, নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ এবং নীরব সমর্থন জঙ্গিবাদ সৃষ্টিতে ইন্ধন যোগায়। যখন মানুষ অত্যাচারের প্রতিবাদে আইনগতভাবে কিছু করতে পারে না, তখন প্রতিহিংসার আবেগ জঙ্গিবাদকে জন্ম দেয়। মাদ্রাসা শিক্ষা বিতর্ক নিরসন: জঙ্গিবাদে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ স্কুল-শিক্ষিতদের চেয়ে আনুপাতিক হারে অনেক কম। লেখক প্রমাণ করেছেন যে জঙ্গিবাদে জড়ানো ব্যক্তিরা সাধারণত সঠিক ইসলামী জ্ঞানের অভাবে প্রভাবিত হয়, এবং প্রতিষ্ঠিত কোনো মাদ্রাসা থেকে অস্ত্র উদ্ধার বা গ্রেফতারের কোনো রেকর্ড নেই। ৩. সংশোধন ও দাওয়াহর সঠিক পদ্ধতিঃ বইটি জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণের জন্য আলেম সমাজ এবং রাষ্ট্রের করণীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে: অহিংস পথ অবলম্বন: ইসলামে সর্বদা সহিংসতা ও সীমালঙ্ঘন বর্জন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি দা'ওয়াতের ক্ষেত্রেও উত্তম আচরণের মাধ্যমে সহিংসতা প্রতিরোধ করতে বলা হয়েছে। ইসলাম প্রতিষ্ঠা এবং বিজয়ের একমাত্র পথ হলো ‘অহিংস’ এবং ‘মন্দের মোকাবিলায় উৎকৃষ্টতর’ আচরণ। রাষ্ট্রীয় আনুগত্য বজায় রাখা: চরমপন্থার বিরুদ্ধে এটি একটি মূলনীতি যে, শাসন বা বিচারব্যবস্থায় ত্রুটি থাকলেও (যদি শাসক সালাত আদায় করেন) রাষ্ট্রীয় আনুগত্য বর্জন করা বা বিদ্রোহ করা নিষিদ্ধ। এটি সাহাবী ও তাবেয়ীদের কর্মধারা দ্বারা প্রমাণিত। আলেমদের ভূমিকা: জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে আলেম সমাজের যুক্তিসঙ্গত ও তথ্যভিত্তিক তাত্ত্বিক আলোচনা অপরিহার্য। আলেমদের নিজেদের মধ্যে শত্রুতা ও দলাদলি এড়িয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত, কারণ বিভক্তি চরমপন্থার পটভূমি প্রসারিত করে। কঠোর ভাষা বর্জন: এটি মুমিনদেরকে দলাদলি, নিন্দা এবং মন্দ উপাধিতে ডাকা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেয়। এমনকি চরম জালেম ফিরআউনের সঙ্গেও মূসা (আঃ) ও হারুন (আঃ)-কে নরম ভাষায় কথা বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। উপসংহারঃ সবমিলিয়ে, বইটি ইসলামের নামে জঙ্গিবাদকে একটি ধর্মীয় আদর্শের বিকৃতি, রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি এবং আবেগপ্রসূত অপরিণত চিন্তাভাবনার ফল হিসেবে উপস্থাপন করেছে, যা কোরআন, সুন্নাহ ও সাহাবীদের কর্মধারার গভীর বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বইটি চরমপন্থার মানসিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় শেকড় উন্মোচন করে বিকল্প ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে। তবে এটি যতটা প্রচার ও প্রসারের দরকার ছিল ততটা প্রচারের আলো পায়নি, কারণ এতে অনেকের ভুল ধারণা ভেঙে যায় এবং এটি কোনো কোনো পক্ষের প্রচারণার সঙ্গে খাপ খায় না। ফলে এটি বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে শক্তিশালী হলেও সাধারণ পাঠকের কাছে কম পরিচিত রয়ে গেছে।"
abdullah , Oct 18, 2025
"Good book"
Efthekhar hussain , Sep 27, 2025
"great book to academically challenge the islamophobes"
Md Salauddin , Jul 31, 2025
",প্রতিটি যুককের এই বইটি পড়া উচিত যাতে ইসলামের নামে তাদেরকে কেউ বিভ্রান্ত করতে না পারে।"
Shila Mone Alma , Jun 14, 2025
"আলহামদুলিল্লাহ খুবই উপকারী বই,আসলে স্যারের সবগুলো বই ই অসাধারণ।আমি মনে করি,প্রতিটি যুককের এই বইটি পড়া উচিত যাতে ইসলামের নামে তাদেরকে কেউ বিভ্রান্ত করতে না পারে।"
nab****com , Apr 19, 2025
"খুবই সুন্দর একটা বই"
Tauhid Sarker Ayon , Mar 20, 2025
"সকল ইসলাম প্রিয় যুবকদের জন্য এই বইটি একবার হলেও পড়া উচিত। লেখক অতি সুন্দরভাবে ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদের কোন সম্পর্ক নেই তা বুঝিয়ে দিয়েছেন।"
Sufia Ria , Mar 20, 2025
"very easy to understand."
Sadik Kamal , Oct 14, 2024
"অনেক সুন্দর বিশ্লেষণমূলক গবেষণাধর্মী একটি ইসলামিক বই। ডক্টর খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ স্যারের বইগুলো এক কথায় অসাধারণ। আর প্রগতির সার্ভিস— সুপার।জাযাকাল্লাহু খাইর।"
Abdullah , Jul 5, 2024
"right information"
MD. NAZMUS SAKIB , Mar 20, 2024
"এখনও বইটি পড়া শুরু করে নাই"
Rifat Siddique , Apr 28, 2023
"very good book"
nashirul haque shishir , Dec 9, 2022
"অসাধারণ একটা বই,, সন্ত্রাস জঙ্গি খারেজীদের নিয়ে আলোচনা করেছেন,স্যার কে আল্লাহ জান্নাতবাসী করুন।"
Yeasin Gazi Rabbi , Dec 5, 2022
"Alhamdulillah"
Talha Shihab , Aug 25, 2022
"যারা যারা ইসলামকে terrorism হিসেবে ধরেন তাদের প্রতে্ক্য কেই এই বইটা পরড়া উচিত।"
Khairul Bashar , Aug 9, 2022
"আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর(রাহিঃ) স্যারের সবগুলো বইই একেকটা মাস্টারপিস। "ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ" বইটিতে স্যার জঙ্গিবাদের আলোচিত কারণ সমূহ বিশ্লেষণ করে এদের যৌক্তিকতা এবং অযৌক্তিকতা তুলে ধরেছেন। জঙ্গিবাদের সাথে ইসলাম, ইসলামি শিক্ষা ও মাদ্রাসার সম্পৃক্ততা বিষয়ে পশ্চিমাদের অপপ্রচারের স্বরুপ এবং ইসলামকে জঙ্গিবাদের কারণ হিসেবে দাবি করার অসারতা লেখক চমৎকার ভাবে তথ্য ও যুক্তির আলোকে প্রমাণ করেছেন। এছাড়া জিহাদ, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, খেলাফত ইত্যাদি নিয়ে মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে যে মিসকনসেপশন আছে তা তিনি পরিষ্কার করেছেন। বইটি হাইলি রিকমেন্ডেড। সবাইকে পড়ার অনুরোধ করছি।"
Mehedi Hassan , Aug 5, 2022
"khub valo"
MD. Shahidul Islam , Jun 29, 2022
"Boi ta khub e valo"
Akash Rahman , May 23, 2022
"Alhamdulillah"
sks10 official , May 3, 2022
"খারিজিদের উপযুক্ত জবাব এই বইয়ে আছে"
Sharear Reaz , May 2, 2022
"Love this service , quick Dilevery"
Md. Jobayer , Apr 29, 2022
"Good"
Muhammad Nayeem , Apr 9, 2022
"ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর সাহেব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন"
Kifayatulla H , Apr 1, 2022
"আসাধারণ,,,,,,"
Nasir Uddin , Mar 20, 2022
"Masha'Allah"
Ajmirhossain Himel , Mar 17, 2022
"valo boi"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ : আলোচিত ও অনালোচিত কারণসমূহ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: