২য় প্রকাশ, ২০১৬
হেলেন অব ট্রয়
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | হেলেন অব ট্রয় |
| Author | আহমেদ রিয়াজ |
| Publisher | বাংলাপ্রকাশ |
| Edition | ২য় প্রকাশ, ২০১৬ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 96 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.26 Kg |
| ISBN | 9843000006532 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
12 Ratings and 7 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৭টি
Md Emon , May 31, 2026
"the war was good. but not helen"
Tamzidul Haque , Jun 5, 2024
"ভালো ছিলো, তবে ভুল ছিল কিছু পৃষ্ঠায়"
sohrab uddin , Feb 15, 2022
"not bad"
Abdullahil Ashik Md Arefin , Nov 4, 2021
"প্রগতি কে ধন্যবাদ ভাল বইয়ের সংগ্রহ রাখার জন্যে এবং যত্নের সাথে আমাদের হাতে পৌঁছে জ্ঞান আহরণ কে আরও সহজ করে দেবার জন্য।"
Tahmina Tuly , Oct 18, 2020
"ঐতিহাসিক বই পছন্দ করলে নিতে পারেন।"
Tasnim Ara Mim , Oct 31, 2019
"ট্রয় নগরী ধ্বংস হওয়ার কথা আমাদের হয়তো সবারই জানা। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় একটি নারীর জন্য যুদ্ধ করে শেষ হয় ট্রয় নগরীর ইতিহাস। কে ছিলো সেই নারী? হুম সেরা সুন্দরী হেলেন। ট্রয়ের রাজার সহধর্মিণী হয়েও তিনি কেন এরকম পরক্রিয়া তে জড়িয়ে পড়েন? আর যে রাজা তার সাথে জড়িয়ে যান কি ছিলো তার পেছনের ইতিহাস? সবকিছুর জন্য কি শুধু হেলেন দ্বায়ী ছিলো? বইটিতে ইতিহাস কল্পকাহিনি সবকিছুর সংমিশ্রণে একটা দারুন কাহিনির সৃষ্টি হয়ে, যারা পড়বেন খারাপ লাগবেনা আশা করি।"
Mitu Ahmed , Apr 25, 2019
"#প্রগতি_রিভিউ_প্রতিযোগ_এপ্রিল বইয়ের নামঃ হেলেন অব ট্রয় লেখকের নামঃ আহমেদ রিয়াজ অনুবাদকঃ আহমেদ রিয়াজ ব্যাক্তিগত রেটিংঃ ৯/১০ প্রথম প্রকাশঃ একুশে বইমেলা ২০১১ অনলাইন পরিবেশকঃ Progoty .com/ প্রকাশনীঃ বাংলা প্রকাশ ধরনঃ অনুবাদ (উপন্যাস) মুদ্রিত মুল্যঃ ১৫০ টাকা প্রগতি মুল্যঃ ১১৬ টাকা পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ৯৬ প্রচ্ছদশিল্পীঃ হুমায়ূন কবির ঢালী ভাষাঃ বাংলা ISBNঃ 9843000006532 *প্রাথমিক কথাঃ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয় আলোচিত নারী হেলেন। হেলেনকে নিয়ে তাই দুনিয়ার মানুষের অপার কৌতূহল। কে ছিলেন তিনি? প্রথমে তিনি ছিলেন স্পার্টার রাজকন্যা। তারপর হলেন স্পার্টার রানী। রাজকন্যা থেকে একই রাজ্যে রানী হলেন কেমন করে? একদিন ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিস অপহরণ করে নিয়ে গেলেন স্পার্টা থেকে ট্রয়ে। তারপর ইতিহাস বিথ্যাত গ্রিক আর ট্রয়ের যুদ্ধ। যুদ্ধের পর কী হলো হেলেনের ? উপন্যাসটির পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছে হেলেনকে ঘিরে গ্রিক পুরাণের রোমাঞ্চকর কাহিনী। *কাহিনী সংক্ষেপেঃ সাধারণভাবে হেলেন নামে পরিচিত হলেও তাকে বলা হয় ‘হেলেন অফ ট্রয়’ । কেউবা আবার বলেন ‘হেলেন অফ স্পার্টা’ । হেলেনের বুৎপত্তিগত অর্থ করলে দাঁড়ায় “আলোকবর্তিকা”। পুরুষবাচক শব্দ হওয়া সত্বেও এ নামেই পরিচিত হতে থাকেন হেলেন । খ্রিস্টপূর্ব ১২১৪ সালে স্পার্টার রাজা টিনডারাস এবং তার স্ত্রী লিডার ঘর আলোকিত করে জন্ম নেয় ফুটফুটে এক কন্যাসন্তান। রাজ জ্যোতিষী সেই শিশুর নাম রাখেন হেলেন, সাথে এই বলে আশীর্বাদ করেন যে, নামের কারণেই জগদ্বিখ্যাত হবে এই কন্যা। মহাকবি হোমারের ‘ইলিয়ড ও অডেসি’, ইউরিপিডিসের ‘হেলেন’, আর গ্রিক মাইথোলজির বর্ণনা অনুযায়ী টিনডারাস বাহ্যত হেলেনের জনক হলেও প্রকৃত জনক দেবতাধিরাজ জিউস। পুরাণমতে কোন একদিন, জিউস রাঁজহংসের বেশে ছিলেন। তখন একটি ঈগল তাকে তাড়া করলে জিউস আশ্রয় প্রার্থনা করেন রানী লিডার কাছে। রানী লিডার রুপে মুগ্ধ রাজহংসরূপী জিউস লিডার উষ্ণ সান্নিধ্যে আসেন এবং শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। ফলশ্রুতিতে লিডা প্রসব করেন একটি ডিম। সেখান থেকে খোলস ভেঙে বেরিয়ে আসে হেলেন।(কারো কারো মতে লিডা নয় বরং প্রতিশোধের দেবী নেমেসিসের কন্যা ছিলেন হেলেন । রাঁজহংসের সাথে মিলনে অখুশি নেমেসিসের ফেলে দেয়া ডিমটি কুড়িয়ে পেয়েছিলেন রানী লিডা। আর তা ফুঁটেই জন্ম হেলেনের) ভ্যাটিকানের পুরাণ বিশ্লেষকরা মনে করেন, রাঁজহংস ও লিডার সঙ্গমে দুটো ডিম প্রসূত হয়। একটি জন্ম দেয় দুই বোন ক্লাইটেমেনেস্ত্রা এবং হেলেন; অন্যটি দুই ভাই; ক্যাস্টর এবং পুলাক্স। অনেকে মনে করেন, এক ডিম থেকে বের হয়েছে তিনজন: দুই ভাই এবং বোন হেলেন। সময়ের পরিক্রমায় ধীরে ধীরে স্বর্গীয় রূপ-লাবন্য আর অসাধারণ মোহনীয় নারীত্বের পূর্ণতা নিয়ে বেড়ে উঠতে থাকেন হেলেন অফ ট্রয়। ১২৩০ সালের দিকে ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিস ও হেক্টর আসেন স্পার্টায় ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য। স্পার্টার রাজা মেনেলাউস প্যারিস ও হেক্টরকে সাদরে সম্ভাষন জানান। তাদের আগমনে রাজ্যকে লাল-নীল বাতিতে চমৎকারভাবে সাজানো হয়। নৈশভোজের বিপুল সমারোহের পর প্যারিস ও হেক্টরকে সবার সঙ্গেই পরিচয় করিয়ে দেন রাজা মেনেলাউস। প্রাসাদেই রাজপুত্র প্যারিসের দেখা হয় হেলেনের সঙ্গে। তার শরীরী রসায়নই তখন বলে দিল, এই সেই রমণী, মর্ত্যের সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি, তাকে দেওয়া আফ্রোদিতির সেই প্রতিশ্রুত উপহার। প্যারিস ও হেলেনের প্রণয় ঘটে। অনেকেই বলে থাকেন, পৃথিবীতে যত ভয়ঙ্কর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, তার বেশিরভাগই হয়েছে নারী এবং রাজ্যের জন্য। ট্রোজান রাজপুত্র অপহরণ করলেন স্পার্টার রানী হেলেনকে। মাইসিনির রাজা আগামেমননকে রানী উদ্ধারে রাজি করিয়ে ফেলেন হেলেনের স্বামী মেনেলাস। গ্রীক বীর অ্যাকিলিস, অডিসিয়াস, নেস্টর, অ্যাজাক্সসহ হাজার হাজার রণতরী রওয়ানা দেয় এই বিশাল যুদ্ধের দিকে। একটি কূটকৌশলে ট্রয়ের দূর্গ অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন তারা। বিশাল একটি কাঠের ঘোড়া উপহার দেন ট্রয়ের রাজা প্রিয়ামকে। এর ভেতরে লুকিয়ে ছিল শত শত যোদ্ধা। উদ্দেশ্য, কাঠের ঘোড়াটি দূর্গের অভ্যন্তরে ঢোকার সাথে সাথে আক্রমণ করা হবে। *গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র বিশ্লেষণঃ আফ্রোদিতিঃ ইনি হলেন এই উপন্যাস এর এমন এক চরিত্র যার উপহারের জন্যই বলা হয়ে থাকে ধ্বংস হয়েছিলো ট্রয় নগরী।গ্রিক পুরানের কাহিনী অনুযায়ী একবার তিনজন গ্রিক দেবীর মধ্যে ঝগড়ার হয়েছিল। সেই দেবী তিনজন হলেন এথেনা, হেরা এবং আফ্রোদিতি। ঝগড়া-ফ্যাসাদ আর বিশৃঙ্খলার দেবী! এরিস একটা সোনালী আপেল দিয়েছিলেন এই তিন দেবীকে,। আপেলটির গায়ে খোদাই করে লেখা ছিল – “শ্রেষ্ঠ সুন্দরীর জন্য”। ফলে তিনজন দেবীর প্রত্যেকেই নিজেকে এই আপেলের দাবীদার বলতে লাগলেন। কারণ তারা তিনজনই নিজেকে “শ্রেষ্ঠ সুন্দরী” ভাবতেন। তাই সেরা সুন্দরী নির্বাচনের দায়িত্ব গেল দেবতাদের হাতে, কিন্তু কেউই তিন দেবীর রূপ বিচারের সাহস পেলেন না। শেষে বাধ্য হয়ে দেবতাদের রাজা যিউস “সেরা সুন্দরী” নির্বাচনের ভার দিলেন মর্তের একজন মানুষকে। এই মানুষটি হলে প্যারিস, ট্রয় নগরীর রাজপুত্র!তিনজন দেবী থেকে বিচার করে প্যারিস আফ্রোদিতিকেই সবচেয়ে সুন্দরী বললেন। ফলে আফ্রোদিতি খুব খুশি হলেন। তিনি প্যারিসকে খুশী হয়ে এক বিশেষ বর দিলেন, এই বর ছিল পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুন্দরীর ভালোবাসা। আর সে সময় পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মানবী ছিলেন হেলেন। প্যারিসঃ ট্রয় নগরীর রাজপুত্র প্যারিস ইনি ছিলেন ট্রয়ের রাজা প্রিয়াম এবং রাণী হেকবা-এর পুত্র।কিন্তু তা হলে কী হবে? সে নিজের পরিচয় জানতো না। ছোটবেলা থেকেই তাকে পেলে পুঁছে বড় করেছে আইডা পর্বতের এক মেষপালক। কারণটা কী? কারণ হল, ভবিষ্যৎবাণী মারফৎ জানা গিয়েছিলো যে, প্যারিসের কারণে ট্রয় নগরী ধ্বংস হবে। এজন্য জন্মের পরপরই তাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছিলো।কিন্তু অনেক কাহিনী র পরে পর্বতের চূড়ায় মেষ চড়াতে গিয়ে পড়ে যায় কঠিন পরীক্ষায় সুন্দরী ঘোষণা করার জন্য এবং অবশেষে, দেবীর বর নিয়ে প্যারিস এরপর মরিয়া হয়ে যায় হেলেনের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য এবং এক নজড় দেখার জন্য। অবশেষে তাদের দেখা হওয়ার পরে প্রনয়ের মাধ্যমে একে অপরের কাছে আসে এবং ভালোবাসার কারনে শেষ পর্যন্ত হেলেন প্যারিসের হাত ধরে পালিয়ে যেতেও দ্বিধাবোধ করে না। মেনেলাসঃ তিনি ছিলেন মাইসিনের রাজা আগামেমননের ভাই। তার আরেকটি পরিচয় হলো ইনি ছিলো হেলেনের স্বামী।।রাজপুত্র প্যারিস, গ্রিসের স্পার্টা রাজ্যের রাজা মেনেলাস এর স্ত্রী হেলেন এর প্রেমে পড়ে যান।রানি হেলেন পালিয়ে যাওয়ার পরে স্পার্টার রাজা মেনেলাসের বুকে জ্বলছিল ক্রোধের আগুন। মেনেলাস তার ভাই আগামেমননকে আহ্বান করলেন তার পক্ষে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য। আগামেনন ছিলেন পার্শ্ববর্তী মাইসিন রাজ্যের রাজা। ভাইয়ের স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার জন্য আগামেমনন তার বিশাল অ্যাশিয়ান্স দল নিয়ে রওনা দিলেন ট্রয়ের উদ্দেশ্যে। তারপর ট্রয় নগরের সম্মুখে শুরু হল এক ভয়ংকর যুদ্ধ। প্রায় দশ বছর ধরে চলল এই যুদ্ধ! আগামেমননের সৈন্যবাহিনী চারদিক দিয়ে ট্রয় নগরীকে ঘিরে রাখলো। এবং দশ বছর পর্যন্ত ব্যার্থ হয়ে অবশেষে ছলনার আশ্রয় নিয়ে ধ্বংস করলো ট্রয় নগরী। *প্রচ্ছদ বিশ্লেষণঃ প্রচ্ছদে যে ছবি টা রয়েছে তার সাথে কেমন যেন একটা রাজকীয় ভাব রয়েছে। খুব সহজে যে কোন মানুষকে এই বইটি, পড়ার জন্য আগ্রহী করে তোলার জন্য বইটির কোন বিকল্প নেই। *নামকরণঃ বইটি যেহেতু শুধু মাত্র হেলেনের জীবন কাহিনী এবং ট্রয় নগরীর ইতিহাস নিয়ে লিখিত রচনা তাই বলবো নামটি যথার্থ বলেই মনে হয়েছে, এবং পছন্দনীয় এবং মানানসই হয়েছে। *প্রুফ রিডিংঃ পুরো বইয়ে এই বিষয় টা ছিলো নজরকাঁড়ার মতো। বইটি পড়ার সময় আমি কোথাও এতোটুকু বানান ভুল পাইনি, পুরো বইটির এই দ্বায়িত্ব যার হাতে ছিলো সে খুব দ্বায়িত্ব বোধ নিয়ে কাজটি সম্পন্ন করেছে। এতো ভালো একটা বইতে কোনরকম বানানের অসংগতি আমার চোখে পড়েনি। *পাঠ্য প্রতিক্রিয়াঃ ইতিহাস আর মিথোলজি, উভয় মাধ্যমই ট্রয় নগরী ধ্বংসের জন্যে হেলেনকেই দায়ী করে থাকে। ইউরিপিডিসের ‘ডটার্স অব ট্রয়’তে হেলেনকে দেখানো হয়েছে ‘তেড়ে আসা অভিশাপের সন্তান, ঈর্ষা ও খুনের সন্তান, পৃথিবীর লালিত প্লেগ মৃত্যুবিভীষিকা’ হিসেবে। কেনো? হেলেন আসলে নিয়তির ক্রীড়নক তিনি কি সর্বোপরি একজন নারী নন? হেলেন আসলে নিয়তির ক্রীড়নক। হেলেন অব ট্রয়কে আমার, ভালোবাসা বঞ্চিত, অস্থির এক নারীর প্রতিকৃতি বলেই মনে হয়। হোমারের ‘ইলিয়ড ও অডেসি’ কিংবা ইউরিপিডিসের ‘হেলেন’ এ যখন আমি মগ্ন হই, তখন আমি যেনো শুনতে পাই হেলেনের বুকের গভীরে শতবছর ধরে লুকিয়ে থাকা জমাট কান্নার নীরব গর্জন। অক্ষরের কালো আঁখরে, সীমাহীন নৈঃশব্দের মাঝে ভেসে বেড়ানো অশ্রনিনাদ। যুদ্ধ আর ধ্বংসের ঘন মেঘের দায় বারবার গিয়ে পড়েছে হেলেনের ওপর। হেলেন অব ট্রয়। যুদ্ধ মানে ট্রয়ের যুদ্ধ। ট্রোজান ওয়ার। কেনো? হেলেন অস্বভাবিক রকমের সুন্দর ছিলেন। ভালোবেসেছিলেন এক সুঠামদেহী সুদর্শন যুবককে। পালিয়েছিলেন প্রেমিকের হাত ধরে। এই কি তার অপরাধ ছিলো? তার প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপের পূনরাবৃত্তি ঘটেছিলো। এটাই কি তার অপরাধ? ট্রয় ধ্বংসের দায় কি শুধু নারীর ? গ্রীক নৃপতিরা কি নীল সাগরে তরী ভাসিয়েছিল শুধুমাত্র এক হেলেনের জন্য ? রাজ্য জয়ের লোভ কি তাদের ছিলনা ? দৃষ্টির অন্তরালে হেলেনের নারী মানসের অব্যক্ত অন্তর্বেদনার কথা কেনো উঠে আসে নি ইতিহাসের পাতায়? ইতিহাস কি এখানে একচোখা আচরণ করেনি? *নিজস্ব মতামতঃ হেলেন অব ট্রয়, সত্য হোক কিংবা মিথ্যা, ট্রয় নগরী একটি ঐতিহাসিক নামে পরিচিত হয়ে গিয়েছে। লাখো মানুষ হেলেন অব ট্রয় কিংবা ট্রয় এন্ড দ্য ট্রোজান ওয়ার-এসব বিষয় নিয়ে ফ্যান্টাসীতে ভুগে থাকে, গল্প পড়ে, ছবি দেখে। যতদিন না ট্রয় নগরীর আসল রহস্য উদঘাটিত হচ্ছে, ট্রয় নগরী ইতিহাসের একটি অংশ হয়েই থাকবে। *লেখক পরিচিতিঃ মূল নাম বি এম রিয়াজ আহমেদ। জন্ম ১৯৭৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। বইয়ের সংখ্যা প্ৰায় একশ। গল্পের বই বেরিয়েছে। আন্তজাতিক প্রকাশনা সংস্থা ‘রুম টু রিডা থেকেও । কেবল পড়তে শিখেছে, এমন শিশুদের জন্য লিখছেন যুক্তবর্ণ বিহীন গল্প। দেশে যুক্তবর্ণ বিহীন গল্প তিনিই প্রথম লেখা শুরু করেন। গল্পের জন্য তিনবার সৃজনশীল শাখায় মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন২০১১-২০১৩-২০১৪ I বঙ্গাব্দ ১৪১৫-তে পেয়েছেন অগ্রণী ব্যাংক-বাংলাদেশ শিশু একাডেমি শিশুসাহিত্য পুরস্কার। ২০১৪ সালে সাধারণ গদ্যে পেয়েছেন নুরুল কাদের শিশুসাহিত্য পুরস্কার। ২০১০ সালে সেরা রহস্য ও ২০১৪ সালে পেয়েছেন পরিবেশ বিষয়ক সেরা লেখক হিসেবে ছোটদের মেলা পুরস্কার।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
নিউজপ্রিন্ট না প্রিমিয়াম প্রিন্ট?
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"হেলেন অব ট্রয়" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: