১ম প্রকাশ, ২০২৩
হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই যেখানে
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই যেখানে |
| Author | আসিফ রুডলফায |
| Publisher | ভূমিপ্রকাশ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 192 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.33 Kg |
| ISBN | 9789849729846 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
29 Ratings and 10 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১০টিJahidul Islam , Mar 12, 2024
"অনেক জায়গায় অতিরিক্ত বর্ণনা বা একটা বিষয় নিয়ে বেশিই ঘুরানো হয়েছে"
Sourav Sarowar , Apr 12, 2023
"বইটা পড়ার সুযোগ এসেছিল জানুয়ারি মাসেই। দুয়েক অধ্যায় পড়ার পর হয়ে গেলাম ভীষণ ব্যস্ত। ওসব ব্যস্ততা কাটিয়ে ওঠতে ওঠতে বইটি প্রকাশ হয়ে গেল। ভাবলাম একবারে হার্ডকপিই পড়বো। বইমেলায় গিয়ে বইটি গিফট পেয়ে যাই। এরপর পড়বো পড়বো করেও বইটি ধরা হচ্ছিলো না, আমার আলসেমি আর ব্যস্ততার কারণে। এদিকে বেশ কয়েকবছর ধরেই রিডার্স ব্লকে আছি। মাঝে ২০২০ এ কিছু বই পড়ছিলাম। শেষ পড়া বইটির রিভিউ লিখছলাম ফেব্রুয়ারি ২০২০ এ। দীর্ঘ ৩ বছর পর বই পড়লাম এবং রিভিউ লিখছি। এতদিনে রিভিউ লেখাও প্রায় ভুলে গিয়েছি। :3 দুই রাতে পড়ে ফেললাম বইটি। আসলে এই বইটি এক বসায় পড়ে শেষ করে ফেলার মতোই। আমি পড়তে বসছিলাম রাত দেড়টার পরে, ভোর পর্যন্ত পড়ে রেখে দিলাম। সকালে অনেক কাজ আছে বলে। সেদিন পুরোদিনে পড়ার সুযোগ পাইনি, রাতে বসে শেষ করে এরপরে ঘুমাতে গেলাম। তখনই বারবার মন চাচ্ছিলো বইটা নিয়ে লিখে ফেলি কিছু। কিন্তু পুরোদিনের টায়ার্ডনেস আর ঘুমের কারণে আর লেখা হলো না। কয়েক বছর ধরে রিডার্স ব্লকে থাকার পর, ❝হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই যেখানে❞ আমার বই পড়াকে আবার জাগিয়ে তুললো। বইয়ের পাতায় পাঠককে আটকে ধরে রাখার কৌশল লেখক খুব ভালোভাবেই জানেন। যা'ই হোক, বই নিয়ে এবার আলোচনায় আসি। বই নিয়ে লেখকের বিভিন্ন পোস্ট পড়তাম, একটা পোস্টে তিনি বইয়ের একটা প্রারম্ভ লিখেছিলেন (লিঙ্ক : is.gd/DmVk83)। যেটা আসলে ফাইনাল প্রিন্টে আসেনি বলে বইয়ে নেই। কিন্তু এটা ছাড়া বইটা পড়লেও গল্পের পরিপূর্ণতায় কোনো কমতি লক্ষ্য করবেন না। তো, যেটা হলো- ফেসবুকের কল্যানে বইয়ের কাহিনি সংক্ষেপ আর এই প্রারম্ভটা পড়ে বইটা পড়ার আগ্রহ বেড়ে গিয়েছিল। অবশ্য বইটা পড়ার আগ্রহ আগে থেকেই ছিল, কারণ লেখকের আগের বই আর ফেবুতে কিছু গল্প পড়ার কারণে লেখকের আমার প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস ছিল। আমার কাছে একটি বইয়ের মূল আকর্ষণ হচ্ছে বইয়ের নাম। আর তারপরের আকর্ষণটি হচ্ছে প্রচ্ছদ। আর এই বইয়ের নামকরণের আকর্ষণে লেখক সেটার যথার্থ প্রয়োগ করেছেন। বইয়ের নামকরণ নিয়ে লেখকের পোস্ট এবং বইয়ের ভূমিকা পড়েছিলাম। আর বই পড়ার পড় মনে হয়েছে নামটি বইয়ের সাথে যথোপযুক্ত। অর্ণবের- “হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরি খবর” গানের একটি লাইন- “হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই যেখানে”। গল্পটি মহাকাল নামক একটি গ্রামের। যেখানকার মানুষের হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই। বইয়ের নাম মহাকালও হতে পারতো। কিন্তু একই মেলায় দিবাকর দাদার আরেকটি বই এসেছে, যার নাম “মহাকাল”। আর বলেছিলাম বইয়ের দ্বিতীয় আকর্ষণের কথা- প্রচ্ছদ। হ্যাঁ, বইটির প্রচ্ছদটাও খুব ভালো লেগেছে। প্রচ্ছদে মহাকালের ভূতুরে আবহটা ফুটে উঠে উঠেছে। প্রচ্ছদটি করেছেন আবুল ফাতাহ মুন্না ভাই। ব্যাককভারের শিবমন্দির, বাসুকি লেজ কামড় দেয়া চক্র ও অঙ্গসজ্জা ভালো লেগেছে। বইটি পড়ে আমার অনেক ভালো লেগেছে। দারুণভাবে লেখক গল্পটি বুনেছেন। একদম নতুন একটি গল্প, বৈচিত্র্যময় কাহিনি নিয়ে। থ্রিল, সাসপেন্স, মিস্ট্রি, বিভিন্ন ধর্মীয় মিথ, মহাজাগতিক দর্শন, রাজনীতি ও লেখকের ব্যক্তিগত দর্শন সবই আছে বইয়ে। মূল চরিত্র খুব কম হলেও, চরিত্রগুলোর ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়ন, তাদের জীবনের কিছু আলো-আঁধারী অংশ এবং আরো অজানা অনেক কিছু। মহাকাল গ্রামের মধ্যে রহস্যের কাহিনিটা গড়েছেন লেখক দারুণ মুন্সিয়ানার সাথে। শুরুতে স্টোরি বিল্ড আপ দেয়া হয়েছে একটু ধীরে ধীরে, এরপরে গল্পে টানা টান উত্তেজনা আসছে, এবং গতিটা বেশ ভালো। টানা পড়ে ফেলার মতো। কোথাও ঝুলে যায়নি গল্পটি। আর শেষের দিকে এসে গল্পের গতি অনেক বেড়ে গিয়েছে। অনেক জলদিই এন্ডিংয়ে এসে গেছি মনে হচ্ছিলো তখন। মনে হয়েছে শেষের দুইটা অধ্যায়টাকে আরো বড়ো করে তিনটা আলাদা অধ্যায়ে শেষ করলে হয়তো আরো ভালো লাগতো। আরো কিছু বর্ণনা চাচ্ছিলাম। তবে গল্পের এমন ওপেন এন্ডিং অনেক ভালো লেগেছে। বই শেষ করতে করতে মাথায় কিছু প্রশ্ন রয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষে এসে আজমল সেগুলোকে যখন সত্য-মিথ্যার সংমিশ্রণের গল্পে নিয়ে এসে নাকোচ করে দিলো, তখন সে প্রশ্নগুলো আর রইলো না। যারা বইটি পড়েছেন, তারা বুঝবেন কোন প্রশ্নগুলোর কথা বললাম! লেখকের লেখনী অনেক ভালো লেগেছে। প্রথম বইয়ের চাইতে এবার আরো বেশি পোক্ত। একদম পাকা হাতের লেখনী। লেখকের স্টোরিটেলিং অনেক জোস। বইয়ে বর্ণনাভঙ্গি, বাক্যগঠন, শব্দচয়ন অনেক ভালো লেগেছে। আজমল আর সুরাইয়ার মধ্যকার সংলাপগুলো আকর্ষণীয় ছিল, তবে মহাকালে চেয়ারম্যান, নারায়ন, ওসি শহিদুল্লাহ এদের সংলাপে আরেকটু ভ্যারিয়েশন রাখলে ভালো লাগতো। কিছু জায়গায় মনে হয়েছে সবাই চলিত ভাষাতেই সংলাপ দিচ্ছে একই স্টাইলে। পুরান ঢাকার বাড়িটার বর্ণনা, মহাকাল গ্রামের দৃশ্যায়ন অনেক ভালো ছিল। মহাকাল যে একটা অস্বাভাবিক গ্রাম, তা ভিজুয়ালাইজ করাতে পেরেছেন লেখক সাবলীল বর্ণনাভঙ্গির মাধ্যমে। পড়তে পড়তে কল্পনা করছিলাম এসব জায়গা। লেখকের বর্ণনাভঙ্গিটা এতোটাই বাস্তবিক ও সাবলীল এবং প্রতিটা জায়গার ডিটেইলিং এত সুন্দরভাবে করছিল যে, মনে হচ্ছিল আজমল আমাকেও সাথে নিয়ে মহাকাল গ্রামের পথে-ঘাটে, বনে-জঙ্গলে ঘুরছেন-দৌড়াচ্ছেন, রাতের আঁধারে তার সাথেই পালিয়ে বেড়াচ্ছিলাম। গল্পের ঘটনাপ্রবাহে যা ঘটছে, তার সবই নিজের সাথে অনুভব করছিলাম। একটা মজার কথা বলি- লেখক কয়েকবার সিগারেট খাওয়ার কিছু দৃশ্য রেখেছেন, সেসব বর্ণনা পড়তে পড়তে আমার সিগারেটের ক্র্যাভিং উঠে গিয়েছিল। সিগারেট ধরিয়ে ওই অংশগুলো পড়ছিলাম। লেখকের দারুণ লেখনী রহস্য, থ্রিল, সাসপেন্স ধরে রেখেছেন পুরো বইয়ে। পাঠককে বইতে ধরে রাখার মত লেখনী। গল্পের কাহিনীর মাঝে ঢুকে গেলে শেষ করেই উঠতে হবে। তবে বইয়ে মিস্ট্রি, সাসপেন্স অংশ বেশি। 'এরপরে কী না কী' হবে এ চিন্তা মস্তিষ্কে গেঁথে দিচ্ছিলো গল্প এগুনোর সাথে সাথে। তবে হরর এলিমেন্ট অনেক কম। গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো ভয়ঙ্কর, বা একদম ভয় পাইয়ে দেয়ার মতো মনে হয়নি হরর এলিমেন্টগুলোতে। সেজন্য আমি একে সাইকোলজিক্যাল বেশি বলবো কসমিক হররের তুলনায়। তবে জনরায় কী আসে যায়? বইয়ে লেখক যেভাবে ধীরে ধীরে রহস্যের জাল বুনেছেন এবং পাঠকের মস্তিষ্কে যেভাবে রহস্যের জট পাকিয়েছেন, শেষে সবগুলো রহস্যের জাল গুটিয়েছেন নিপুণভাবে একসাথেই। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কৌতূহল ধরিয়ে রেখেছেন লেখক। কোথাও একটুর জন্যও ঢিল দেয়নি। কোথাও বর্ণনার আধিক্য মনে হয়নি। একদম মেদহীন চমৎকার একটি বই। চমৎকার প্লটে, দক্ষ স্টোরিটেলিংয়ে সুন্দরভাবে রহস্যের একটি আবহ সৃষ্টি করেছেন লেখক। লেখক ভূমিকায় বেশ কয়েকবার লিখেছেন, বইটি লিখতে গিয়ে বড়ো বড়ো বিরতিতে চলে গেছেন তিনি। এরকম বড়ো বিরতি দিলে যে কারো লেখায় সেটা ধরা পড়ে, কিন্তু এই বইটিতে ওরকম কিছুই চোখে পড়েনি। যেন একটানে লিখে গেছেন পুরো বইটা। আজমল-জামশেদের দেশ, সমাজব্যবস্থা ও রাজনীতি নিয়ে যে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া গভীর আলোচনাগুলো ও সূক্ষ্ম প্রতিবাদগুলো, সেটা অবশ্যই প্রশংসার দাবীদার। তবে শশীর আর দিবাকর'র শেষের দুইটা টুইস্ট নয় অধ্যায় শেষ হতেই প্রেডিক্ট করে ফেলছিলাম। যদিও এটা হচ্ছে একটা মিলে যাওয়া থিওরির মতো। কোনো মুভির বিশেষ করে ডিসি বা মার্ভেলের মুভির ট্রেলার আসলে যেমন বিভিন্ন থিওরি সাজাই, কী কী ঘটতে পারে মুভিটায়। সেরকম আরকি। আমিও বই পড়তে পড়তে বিভিন্ন থিওরি সাজাই নিজের মতো করে, এই টুইস্টগুলো মিলে যাওয়াতে ভালোই লাগছিল। বইয়ে বানান ভুল প্রায় নেই, অল্প কিছু জায়গায় কিছু টাইপো রয়ে গেছে। যদিও সেগুলো পড়ার ফ্লো নষ্ট করে দেয়ার মতো বড়ো কিছু না। আর লেখক কিছু জায়গায় নাম পুরুষ আর উত্তম পুরুষ মিশিয়ে ফেলেছেন। আর দুয়েক জায়গায় সম্ভবত আজমের জায়গায় জামশেদের নাম চলে এসেছিল। এই জায়গাগুলোতে সম্পাদনার সময়ে আরেকটু নজর দিলে ভালো হতো। পরের এডিশনে আশা করি বিষয়গুলো ঠিক করে ফেলবে। এছাড়া বইয়ে প্রিন্টিং মিস্টেক—শব্দ ভেঙে যাওয়া বা শব্দ জোড়া লাগার মতো কিছু চোখে পড়েনি। কোথাও অসামঞ্জস্য ছিল না। বইয়ের কভার, ভেতরের ক্রিম কালারের পাতা, ছাপা ও বাঁধাই সবদিক থেকেই ভালো লেগেছে। ভূমিপ্রকাশের এই বইয়ের প্রোডাকশন অনেক ভালো হয়েছে। যেসব পাঠক রহস্য, সাইকোলজিক্যাল মিস্ট্রি, থ্রিলার পড়তে ভালোবাসেন, যারা হরর গল্পের আবহে রহস্যের জট খুলতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য অবশ্যপাঠ্য একটি মৌলিক সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার/কসমিক হরর বই এটি। বই পড়ুয়াদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি মহাকালের রহস্যের গভীরতায় ডুব দেওয়ার জন্য।"
Nayna , Mar 20, 2023
"আরও সহজভাবে উপস্থাপন করা দরকার ছিল"
Zawad Rahman , Mar 13, 2023
"Wow...just wow"
Kawser Latif Kabbo , Mar 13, 2023
"I recently read a হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই যেখানে that had me completely engrossed from beginning to end. The plot was filled with twists and turns that kept me guessing until the very end, and the characters were complex and multi-layered, making them both intriguing and unpredictable. The pacing was perfect, with just the right amount of tension and suspense building throughout the story. I found myself completely invested in the outcome, eager to know what would happen next. The writing was also excellent, with vivid descriptions and clever use of language that painted a vivid picture of the world the characters inhabited. The author did an excellent job of creating a sense of unease and danger that permeated the entire book, keeping me on the edge of my seat and fully engaged with the story. Overall, this was an outstanding thriller novel that I would highly recommend to anyone who loves a good mystery. It's a must-read for fans of the genre, and I look forward to reading more from this author in the future."
ইশরাক জামান খান , Mar 12, 2023
"Mindblowing"
আসাদুজ্জামান জুয়েল , Mar 9, 2023
""প্রতিটি মানুষ তার কর্মে স্বাধীন-স্বতন্ত্র। তার পরিণতি কী হবে সেটা তার কার্মই নির্ধারণ করে দেবে। সকল জন্ম সকল মৃত্যু সকল আত্মা শিবকে ঘিরে প্রদক্ষীয়মান। সৃষ্টির প্রতিটি জীব এক একটি সময় সমুদ্রে সাঁতার কাটছে। আমরা যতক্ষণ সাঁতার কেটে ভেসে থাকব ততদিন আমাদের আয়ু বহাল থাকবে। যেদিন আমরা ক্লান্ত হয়ে হাল ছেড়ে দেবো, সেদিনই আমরা সংসার-সমুদ্রে তলিয়ে যাবো। আমরা যত গভীরে তলিয়ে যেতে থাকব ততই আমাদের এই মাটির কায়া খসে পড়বে। আমাদের মুক্ত আত্মা আরেকটি নতুন শরীর খুঁজে নেবে। নতুন শরীর নিয়ে সে আবার নব উদ্যমে সংসার সমুদ্রে সাঁতার কাটতে শুরু করবে। এই যে সময়ের স্রোত, এর নিয়ন্ত্রক মহাকাল। মহাকাল থেকেই সময়ের শুরু, মহাকালেই তার অবসান। " বাঘের লেজ দিয়ে কান চুলকাতে গেলে সেই বাঘ যে থাবা দিবেই সেটা হয়তো ভুলে গিয়েছিলো "হারিয়ে যাবার নিয়ম নেই যেখানে" বইটির মূল চরিত্র সাংবাদিক 'আজমল শরীফ' । ক্ষমতাসীন মহলের দুর্নীতি এক্সপ্লোর করতে গিয়ে জীবন সংশয়ে শহর ছেড়ে আজমলকে পাড়ি দিতে হলো আরেক সিনিয়র সাংবাদিক জামশেদের সাথে। গন্তব্য...মহাকাল নামক এক অচেনা,অজানা অজপাড়াগাঁ। উদ্দেশ্য...মাস দুয়েক আগে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া দু'টি ছেলেমেয়ের সন্ধান। কর্মজীবনে অক্ষমতার ক্ষোভ, ভগ্ন হৃদয়, স্ত্রী সুরাইয়ার প্রতি অভিমান আর পেইন কিলার সঙ্গী হয়ে গল্প জমে উঠেছে রহস্যময় 'মহাকাল' গাঁয়ে। কয়েক বছর পর আজমল শরীফ যখন দুই তরুণ-তরুণীর সামনে তার স্মৃতির ঝাঁপি খুলে বসেছে ঠিক তখনই তরুণ লেখক আসিফ রুডলফায এর কলম অর্ণবের বিখ্যাত গানের কলিতে আমাদের শোনাচ্ছে নব্বই দশকের এক অনবদ্য স্মৃতিচারণ। হৃদয়স্পর্শী ইতিহাস, অপার্থিব ভয় আর মিথের সাথে যুক্ত হয়েছে এক গ্রাম ক্ষ্যাপাটে মানুষ নাকি পিশাচ! এর উত্তর কোথায়? চলুন 'হারিয়ে যাবার নিয়ম নেই যেখানে' বইটির 'মহাকাল' গ্রাম...যেখানে শুরু হয়েছিল সবকিছুর সেখানেই শেষ করা যাক! আসিফ রুডলফায'র লেখা অনেক দিন পর পড়লাম৷ আগের চেয়ে অনেক পরিণত ও সাবলীল। সময় নিয়ে লেখার ফলাফল যে অধিকাংশ ক্ষেত্রে লেখা ও প্লটকে পরিপূর্ণ করে তোলে তার দারুন উদাহরণ 'হারিয়ে যাবার নিয়ম নেই যেখানে '৷পরতে পরতে রহস্যঘন পরিবেশ আকস্মিক ভয়টাকে বেশ উপভোগ্য করে তুলেছে৷ নজরকাড়া প্রচ্ছদটি করেছেন আবুল ফাতাহ মুন্না ভাই। * হারিয়ে যাবার নিয়ম নেই যেখানে- আসিফ রুডলফায(ভূমিপ্রকাশ) মলাট মূল্য:৪০০৳"
সজল চৌধুরী , Mar 2, 2023
"পারফেক্ট ওপেন এন্ডিংয়ের জন্য দীর্ঘদিন মাথায় রয়ে যাবে এই সাইকোলজিক্যাল হরর থ্রিলার।"
Sanjida alam eva , Mar 1, 2023
"শুরুর কয়েক পেজ ঢাকার ঢিমেতালে চলা বাসের মতো আয়েশি হলেও বাসে উঠে বসতেই হবে এমন মনে হবে। একদিনেই অর্ধেক শেষ করে ফেলেছিলাম। বাকিটা পড়েছি তাড়িয়ে তাড়িয়ে। গল্পের প্রায় ৮০% অংশ উত্তম পুরুষে লেখা। উত্তম পুরুষে লিখতে গেলে যথেষ্ট মুন্সিয়ানা লাগে। ন্যারেশন নিখুঁত হতে হয়। আসিফ রুডলফাযের লেখার ভঙ্গী এত প্রাঞ্জল আর সরল যে পড়ে খুবই আরাম। উনার প্রথম বই কথুলহুর এন্ডিং অনেকের মতো আমার কাছেও ভালো লাগেনি। এই বইয়ের টুইস্ট আর এন্ডিং অনেক ভালো লেগেছে। বিশেষ করে শেষের ওপেন এন্ডিং স্টাইলটা উপন্যাসটিকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। অনেকদিন পর এই জিনিস পেলাম। দু একটা জায়গা প্রশ্ন রেখে গেছে। যেমন, অমন এলাকায় থানা থাকার কথা না। তাছাড়া মেয়েটা কেন আজমলকে বাঁচাতে চায়- এটা কোথাও খোলাসা করা হয়নি। কিন্তু সর্বোপরি ৩ বছর পরে এসেও লেখক বাজিমাত করেছেন।"
Nayeem Hossain , Feb 16, 2023
"হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই যেখানে Ashif Abdul দুইটা ছেলে মেয়ে হারিয়ে যায়, তাদের খুঁজতে দুই সাংবাদিক হাজির হয় মহাকাল নামে এক অদ্ভুত, রহস্তময়, বাইরের জগতের কাছে একান্ত অপরিচিত একটা গ্রামে। কিছু হরর মুভি আছে না - শহরভর্তি মানুষ নায়কের দিকে অদ্ভুত চোখে তাকাচ্ছে, পেটে গোপন কিছু একটা লুকিয়ে রেখেছে - অস্বস্তিকর পরিবেশ, সেরকম একটা গল্প। পজিটিভ দিক - চমৎকার পেইজ টার্নার। লেখকের লেখার হাত চমৎকার। মহাকালে কী আছে জানতে টানা পড়তে হয়। একটা বইয়ের সবচেয়ে বড় যে গুণ - পাঠককে ধরে রাখা - সেটা এই বই পেরেছে। নেগেটিভ দিক - কাহিনী পুরোটা প্ল্যান করে আগায় নি মনে হয়েছে। অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু চরিত্র পরে গুরুত্ব হারিয়েছে মনে হয়েছে। রহস্যভেদের পর রহস্যটা অতোটা ভালো লাগে নি। মনে হয়েছে প্রচুর পটেনশিয়াল ছিলো, এইদিকে না গেলেই ভালো হতো। টুইস্টগুলো আরও অনেক বেটার হতে পারত, পরে প্রেডিকটেবল হয়ে যায়। লেখকের আগামী বইও আশা করি আমি কিনবো। শুভকামনা রইলো।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"হারিয়ে যাওয়ার নিয়ম নেই যেখানে" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: