১ম প্রকাশ, ২০২৫
গাজওয়াতুল হিন্দ ও বিশ্ব রাজনীতি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
জননী বুক ডিপো
তাকরিরে তিরমিযী
মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
মাওলানা আনিসুর রহমান
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
কওমী লাইব্রেরী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | গাজওয়াতুল হিন্দ ও বিশ্ব রাজনীতি |
| Author | ড. ওমায়ের মাহমুদ সিদ্দিকী |
| Publisher | মাকতাবাতুন নূর |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৫ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 144 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইসলামি বই |
| Weight | 0.28 Kg |
| Translator | আতা খান |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
6 Ratings and 5 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৫টি
Navid Niaz Prosun , Feb 26, 2026
"পুরোটা মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইলো। হয়তোবা এটি নির্দিষ্ট কোন একটি যুদ্ধ নয় বরং অতীত এবং ভবিষ্যতের হিন্দুস্তানের সকল যুদ্ধ। এমনও হতে পারে অতীতে হয়ে গেছে কিংবা শুধুমাত্র ভবিষ্যতেই হবে। হয়তো সবারই ভুল ধারণা নেই তবে নিয়ে সমাজে অনেকের ভুল ধারণা আছে। এখানে যে বর্ণনাটা দেওয়া আছে সেটার বিষয়ে সঠিক জানিনা তবে আমি যতদূর জানি গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত যতগুলো হাদিস আছে তার মধ্যে একটি মাত্র পরিপূর্ণ সহিহ হাদিস। বাকিগুলোর মধ্যে হতেও পারে নাও হতে পারে অর্থাৎ দুর্বল এবং এমনকি কিছু মিথ্যাও থাকতে পারে । সহিহ হাদিসটি হচ্ছে ছাওবান (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘আমার উম্মতের দু’টি দল রয়েছে যাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। তাদের একটি দল হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। আরেকটি দল যারা ঈসা (আঃ)-এর পক্ষে থাকবে’ (নাসাঈ হা/৩১৭৫; আহমাদ হা/২২৪৪৯; ছহীহাহ হা/১৯৩৪)। দুর্বল গুলোকে আবার পুরোপুরি গ্রহণ বা অস্বীকার কোনোটিই করা যায়না ।অর্থাৎ সন্দেহজনক। এসবের উপর ভিত্তি করে তিনটা সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। ১. সহিহ যে হাদিস আছে সেখানে কোন নির্দিষ্ট সময়কাল উল্লেখ নেই এবং নির্দিষ্ট সংখ্যাও উল্লেখ নেই যে কতগুলো যুদ্ধ হবে। এদিক থেকে চিন্তা করলে দেখা যায় যে হয়তোবা গাজোয়াতুল হিন্দ আগে আগেও এবং এখনও হবে অর্থাৎ হিন্দুস্তানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সকল যুদ্ধই গাজওয়াতুল হিন্দ । ২. সহিহ হাদিসে যেহেতু নির্দিষ্ট সংখ্যা বা সময়কাল উল্লেখ করা নেই তাই এটাও বলা যায় যে হয়তোবা আগেই হয়ে গেছে। তাই আর হবেনা। ৩.জয়ীফগুলো পুরোপুরি ফেলেও দেওয়া যায়না আবার অস্বীকারও করা যায়না। সেই দিক থেকে চিন্তা করলে হয়তোবা এমনও হতে পারে যে ভবিষ্যতেই হবে। তবে সেটা কখন নির্দিষ্ট কোন সময়কাল নির্ধারণ করা যায়না। যদি হয়েই থাকে এমনটা বলা যাবেনা যে খুব তাড়াতাড়ি হতে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ মানুষ জানে না। পরিস্থিতি বদলাতে সময় লাগে না। এক হাজার বছরও লাগতে পারে। ভবিষ্যতে যদি হয়ও হষতাহলে এক হাজার বছর পরে হলেও সেটা হবে। এখন আমাদের উচিত হবে যেকোন সময় জিহাদের জন্য প্রস্তুত থাকা। এখন সেটা গাজওয়াতুল হিন্দ হোক বা না হোক। হারিকেন লাগিয়ে যুদ্ধ খোঁজা মানুষের দায়িত্ব না। তার মানে এটা না যে অন্যায় হলে প্রতিবাদ না করে চুপ থাকতে হবে। মানুষ শুধু এটাই মাথায় রাখবে যে আমরা আমাদের জায়গা থেকে ঠিক থাকার চেষ্টা করবো । যুদ্ধ কবে হয় হোক । তবে যখনই হবে সাথে সাথে সবাইকে সাধ্যমত ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। শুধু এই মন মানসিকতা থাকলেই হবে। আর কিছু দরকার নেই। এটা যদি গাজওয়াতুল হিন্দ না হয়ে সাধারণ যুদ্ধও হয় তবুও। এসব রিমুভ করে যতটুকু সত্য ততটুকুই প্রচার করুন। কারণ এমন কিছুকে মানুষ ধর্মের অংশ মনে করতে পারে যেগুলো না হওয়ারও সম্ভাবনা আছে। ইসলাম এমনিতেই মহান। সেটা প্রচার করার জন্য অতিরিক্ত বর্ণনা করা প্রয়োজন। বিজয় আসবেই। একটা বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন বর্ণনা গ্রহণ করতে গেলে অনেক ধাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।তারপর বর্ণনাগুলোকে বর্ণনাকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয় এবং ক্যাটাগরির ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয় কোন বর্ণনা কতটুকু গ্রহণযোগ্য। এই পদ্ধতিকে বলা হয় তাহকিক। আমাদের মূল সমস্যা যেখানে যা পাই মূল জায়গায় আছে কিনা যাচাই-বাছাই না করে সেটাকেই ধর্মের অংশ মনে করি। মূল জায়গায় কোন কিছু থাকলেও তাহকিকের ব্যাপার থাকে। কিভাবে তাহকিক করতে হয় সংক্ষেপে বলছি।প্রথমে বর্ণনাটি যে লেখক উল্লেখ করেছেন সে আবার যার থেকে নিয়েছে, সে আবার যার থেকে নিয়েছে এভাবে রাসূল (স.) পর্যন্ত শোনার প্রমাণ থাকতে হয়। এটা নিশ্চিত হতে হয় যে প্রতিটা বর্ণনাকারী সত্যবাদী এবং ভালো স্মৃতিশক্তির অধিকারী । কোন বর্ণনাকারীর যদি শেষ বয়সে স্মৃতিভ্রম হয়েও থাকে তাহলে এটা নিশ্চিত হতে হয় যে তিনি স্মৃতিভ্রমের আগেই বর্ণনা করেছেন। যে যার কাছে বর্ণনা করেছেন এবং যে যার বর্ণনা গ্রহণ করেছেন উভয় বর্ণনাকারীর মধ্যে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে হয়। অর্থাৎ তারা একই সময় কালের এবং একই স্থানে বা দেখা হওয়া সম্ভব এরকম স্থানে তাদের অবস্থানের সম্ভাবনা থাকতে হয়। এটা নিশ্চিত করতে হয় যে প্রতিটা বর্ণনাকারী তার পূর্বের বর্ণনাকারী থেকে নিজ কানে কিংবা নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে খবর পেয়েছেন। এভাবে যাচাই-বাছাই করার পর বর্ণনাগুলোকে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয় এবং ক্যাটাগরির ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয় সেগুলো কতটুকু গ্রহণযোগ্য। আমি এখানে সংক্ষেপে বললাম। বেশি বড় করলে হয়তোবা মানুষ পড়বেনা।"
nom****com , Oct 14, 2025
"বই রিভিউ — ১২ বইয়ের নাম: গাজওয়াতুল হিন্দ ও বিশ্ব রাজনীতি লেখক: ড. ওমায়ের মাহমুদ সিদ্দিকী অনুবাদক: আতা খান প্রকাশনী: Maktabatun Nur - মাকতাবাতুন নূর রিভিউ লেখক — নোমান আল-ফারিস আমার অনুভূতি:—বইটি পড়তে গিয়ে আমার উপলব্ধি হয়েছে যেন বইটি ইতিহাস, ধর্ম ও রাজনীতির এক অপূর্ব মেলবন্ধন। লেখক বিষয়টি শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং বর্তমান আধুনিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে বিশ্লেষণ করেছেন। “গাজ-ওয়াতুল হি/ন্দ” নিয়ে পড়া এটিই আমার প্রথম বই! এর আগে গাজওয়াতুল হিন্দ নিয়ে হাদিস শুনলেও বিস্তারিত ভাবে এই বইয়ের মাধ্যমে সম্যক ধারণা লাভ করেছি। অনেক ভুল ব্যাখ্যা প্রচলিত আছে—কিন্তু এই বই সেই বিভ্রান্তির ভেতর থেকে সত্যকে খুঁজে বের করেছে। পাঠ শেষে মনে হয়েছে, ইসলামের বার্তা কখনো সহিংসতা নয়, বরং ন্যায়, ঐক্য ও আত্মরক্ষার পথ দেখায়। বইয়ের মূল বিষয়বস্তু: বইটিতে “গাজওয়াতুল হিন্দ” সংক্রান্ত হাদীস, তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, মুসলিম বিশ্বে এর প্রতিফলন, এবং আধুনিক দক্ষিণ এশীয় রাজনীতির সঙ্গে এর সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। লেখক হাদিস ও যুক্তি, দলিল এবং বাস্তব ঘটনার আলোকে ইসলাম যে শান্তি, ন্যায় ও মানবতার ধর্ম—তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই বইয়ে রাসুল সাঃ এর যুগ থেকে শুরু করে হিন্দুস্তানে সংঘটিত বিভিন্ন যুদ্ধ নিয়ে ও বলা হয়েছে এবং গাজওয়াতুল হিন্দের সব বিষয় পরিষ্কার করে তুলে ধরা হয়েছে । তেমনি একটা হাদিস হচ্ছে — "হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের একটি দল সিন্ধ ও হিন্দুস্তানের দিকে যুদ্ধ পরিচালনা করবে। যদি আমি সে যুদ্ধ পেয়ে যাই এবং এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে শহীদ হয়ে যাই, আর এটাই আমার কামনা। আর যদি আমি যুদ্ধ থেকে ফেরত আসতে পারি, তাহলে আমি হবো স্বাধীন। আল্লাহ তাআলা আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করে দিয়েছেন।" এরকম অসংখ্য হাদিস ও ঘটনা এই বইয়ে আছে যেগুলো আমাদেরকে গাজওয়াতুল হিন্দ এর জন্য সাহস ও অনুপ্রেরণা দিবে। যাদের জন্য উপযোগী: এই বইটি তাদের জন্য উপযোগী, যারা ধর্ম, ইতিহাস ও সমসাময়িক রাজনীতি একসাথে জানতে চান। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রী, ইসলামিক চিন্তাশীল পাঠক, এবং বিশ্ব রাজনীতিতে আগ্রহী যে কেউ বইটি থেকে গভীর জ্ঞান লাভ করতে পারবেন। আমার মন্তব্য ও পরামর্শ হচ্ছে "প্রতিটি মুসলমানের উচিত এই বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা"। আর গাজওয়াতুল হিন্দ বিষয় এ বইটি তথ্যসমৃদ্ধ ও চিন্তাজাগানিয়া। এটি একটি মূল্যবান গ্রন্থ, যা পাঠককে ভাবতে শেখায়—ধর্মীয় ধারণাকে কীভাবে শান্তি ও সচেতনতার মাধ্যমে বোঝা উচিত। আমি বইটি পড়ার পর উপলব্ধি করেছি, ইসলাম কখনো অন্যের বিরুদ্ধে নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। গাজওয়াতুল হিন্দ ও বিশ্ব রাজনীতি এমন একটি বই, যা পাঠককে শুধু তথ্য দেয় না—বরং চিন্তার নতুন দরজাও খুলে দেয়।"
ays****com , Oct 13, 2025
"📌 রিভিউ নং: ১১ 📖 বই: গাজওয়াতুল হিন্দ ও বিশ্ব রাজনীতি ✍ লেখক: ডা. ওমায়ের মাহমুদ সিদ্দিকী 🌿 প্রকাশনী: মাকতাবাতুন নূর 🌿 রিভিউ : আয়েশা 🍁 আমার পাঠ অনুভূতি: এই বইটি পড়ে এক ভিন্ন ধরণের চেতনা ও চিন্তার খোরাক পেয়েছি। গাজওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত হাদীসসমূহ ও আধুনিক বিশ্বের রাজনৈতিক বাস্তবতা একত্রে উপস্থাপন করায় বইটি অসাধারণ লেগেছে। 🍁 মূল বিষয়বস্তু: বইটিতে গাজওয়াতুল হিন্দের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, হাদীসসমূহ, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি এবং ভবিষ্যতে মুসলিম উম্মাহর করণীয় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। 🍁 কোন পাঠকের জন্য উপযোগী: যারা ইসলামি ইতিহাস, ভবিষ্যদ্বাণী, ভূরাজনীতি ও উম্মাহর ভবিষ্যৎ নিয়ে আগ্রহী, তাদের জন্য বইটি খুবই উপকারী। 🍁 পরামর্শ ও মন্তব্য: বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে মুসলমানদের করণীয় ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এই বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। চিন্তাশীল পাঠকদের পড়া উচিত।"
880****784 , Oct 10, 2025
"🌿বই রিভিউ ৭🌿 "হিন্দুস্থানের বাতাস সবচেয়ে বেশি পবিত্র"__হযরত আলী (রা.) বই: গাজওয়াতুল হিন্দ লেখক: ড. ওমায়ের মাহমুদ সিদ্দিকী প্রকাশনা: Maktabatun Nur - মাকতাবাতুন নূর “গাজওয়াতুল হিন্দ” বইটি এমন এক ঐতিহাসিক ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিষয় নিয়ে লেখা, যা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে নতুন উদ্দীপনা জাগায়। এতে বর্ণিত হয়েছে হাদীসে উল্লেখিত ভারতীয় উপমহাদেশে সংঘটিত হতে যাওয়া এক মহাযুদ্ধের কথা, যেখানে মুসলমানরা আল্লাহর পথে লড়বে বিজয়ের উদ্দেশ্যে। লেখক প্রামাণ্য হাদীস ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেছেন। বইটি শুধু যুদ্ধের আলোচনা নয়, বরং এতে রয়েছে ঈমান, ত্যাগ ও জিহাদের সঠিক ধারণা। মুসলমানদের আত্মসম্মান, ঐক্য ও ঈমানের জাগরণ বইটির মূল বার্তা। পড়তে পড়তে হৃদয়ে জাগে গর্ব, শক্তি ও তাওহীদের আহ্বান।বইটি গভীর চিন্তার খোরাক দেয়। যারা ইসলামি ইতিহাস ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিষয় জানতে চান, তাদের জন্য “গাজওয়াতুল হিন্দ” এক অনন্য গ্রন্থ। বর্তমান সময়ে সকলের জন্য বইটি পড়া জরুরী মনে করছি। রাজনীতি বিষয়ক বিস্তারিত আলোচনা বইটিতে স্থান পেয়েছে। AyeSha✍️ ছবি : সংগ্রহিত"
umm****com , Oct 7, 2025
"📖 বই রিভিউ১৬: গাজওয়াতুল হিন্দ Maktabatun Nur - মাকতাবাতুন নূর “গাজওয়াতুল হিন্দ” বইটি এমন এক ঐতিহাসিক ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিষয় নিয়ে লেখা, যা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে নতুন উদ্দীপনা জাগায়। ⚔️ এতে বর্ণিত হয়েছে হাদীসে উল্লেখিত ভারতীয় উপমহাদেশে সংঘটিত হতে যাওয়া এক মহাযুদ্ধের কথা, যেখানে মুসলমানরা আল্লাহর পথে লড়বে বিজয়ের উদ্দেশ্যে। লেখক প্রামাণ্য হাদীস ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেছেন। 📚 বইটি শুধু যুদ্ধের আলোচনা নয়, বরং এতে রয়েছে ঈমান, ত্যাগ ও জিহাদের সঠিক ধারণা। মুসলমানদের আত্মসম্মান, ঐক্য ও ঈমানের জাগরণ বইটির মূল বার্তা। পড়তে পড়তে হৃদয়ে জাগে গর্ব, শক্তি ও তাওহীদের আহ্বান।বইটি গভীর চিন্তার খোরাক দেয়। যারা ইসলামি ইতিহাস ও ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিষয় জানতে চান, তাদের জন্য “গাজওয়াতুল হিন্দ” এক অনন্য গ্রন্থ। বর্তমান সময়ে সকলের জন্য বইটি পড়া জরুরী মনে করছি। রাজনীতি বিষয়ক বিস্তারিত আলোচনা বইটিতে স্থান পেয়েছে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
1 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
গাজওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত যতগুলো হাদিস আছে তার মধ্যে একটি মাত্র পরিপূর্ণ সহিহ হাদিস। বাকিগুলোর মধ্যে দুর্বল এবং এমনকি কিছু মিথ্যাও থাকতে পারে । সহিহ হাদিসটি হচ্ছে ছাওবান (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘আমার উম্মতের দু’টি দল রয়েছে যাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। তাদের একটি দল হিন্দুস্থানের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। আরেকটি দল যারা ঈসা (আঃ)-এর পক্ষে থাকবে’ (নাসাঈ হা/৩১৭৫; আহমাদ হা/২২৪৪৯; ছহীহাহ হা/১৯৩৪)। এখন সহিহ যে হাদিস আছে আছে সেখানে কোন নির্দিষ্ট সময়কাল উল্লেখ নেই এবং নির্দিষ্ট সংখ্যাও উল্লেখ নেই যে কতগুলো যুদ্ধ হবে। এদিক থেকে চিন্তা করলে দেখা যায় যে হয়তোবা গাজোয়াতুল হিন্দ আগেও হয়েছে আবার এখনও হবে অর্থাৎ হিন্দুস্তানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সকল যুদ্ধই গাজওয়াতুল হিন্দ অথবা আগেই শেষ হয়েছে । এখন দুর্বল অর্থাৎ হতেও পারে নাও হতে পারে এমন হাদিস যদি সত্যি হয় তাহলে শেষ সময়ে হওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে। কিন্তু সেটা আবার প্রথমে বর্ণনাকৃত সহিহ হাদিসের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। কারণ হাদিসের নির্দিষ্ট সময়কাল কিংবা যুদ্ধের সংখ্যা উল্লেখ করা নেই। আমাদের উচিত হবে যেকোন সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকা। এখন সেটা গাজওয়াতুল হিন্দ হোক বা না হোক।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"গাজওয়াতুল হিন্দ ও বিশ্ব রাজনীতি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: