১ম প্রকাশ, ২০১৬
ফ্যান্টাসি
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ফ্যান্টাসি |
| Author | ওয়াদুদ খান |
| Publisher | বাংলানামা |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০১৬ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 75 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.24 Kg |
| ISBN | 9789849499565 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
1 Ratings and 1 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১টিSamiha Sheikh , May 24, 2021
"কিছু-কিছু উপন্যাস থাকে— যা পড়ার পর মনে হয়— ইশ! এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল! আরেকটু বড়ো কেন হলো না! 'ফ্যান্টাসি' তেমনি একটা উপন্যাস। এই উপন্যাসের যথার্থ সাবটাইটেল— 'একটি বিশুদ্ধ ভালোবাসার গল্প'। বইটি পাঠান্তে মনে হলো, অনেককাল পর একটি অবিস্মরণীয় প্রেমের উপন্যাস পড়লাম। যারা রোম্যান্টিক জনরার উপন্যাস খোঁজেন, তাদের জন্য অবশ্য পাঠ্য এই উপন্যাসটি। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জয় আর জেনি। লেখক জয়কে তৈরি করেছেন এমনভাবে যা প্রতিটি তরুণীর হৃদয়-তটিনীতে প্রণয়ের প্রমত্ত ঢেউ তুলে দেবে। সত্যি বলতে কি, আমি জেনির জায়গায় নিজেকে কল্পনায় বসিয়ে উপন্যাসের রসাস্বাদন করেছি। লেখকের সেন্স অভ হিউমারের কোনো তুলনা নেই। উপন্যাসের সংলাপ থেকে সংক্ষেপে দেখে নিই এর উদাহরণ। জয়কে ফোন করে জেনি বলে, আব্বু তো বিয়ে ঠিক করে ফেলেছেন! — ব্যাপারটা তো খুব সিরিয়াস জেনি। তোমার আম্মু কিছু বলছেন না? — না। আম্মু কী বলবেন? আব্বু যা বলবেন— তাই হবে। আর আম্মুও তো রাজি। — উনি কী করেন? — কার কথা বলছ জয়? — ঐ যে তোমার নতুন মম-এর কথা। — আরে গাধা, আব্বু কি আব্বুর নিজের বিয়ে ঠিক করেছেন? স্টুপিড! আব্বু তো আমার বিয়ে ঠিক করেছেন। আরেকটি উদাহরণ দিচ্ছি। ইদানীংকালের তরুণ-তরুণীরা প্রেমে পড়াকে 'লাভ করা' বলে থাকে। সেই হিসেবে জেনি জিগ্যেস করেছিল জয়কে, আচ্ছা জয়, তুমি কখনো লাভ করেছ? — হুমম। করেছি তো। — কীভাবে লাভটা করেছিলে তুমি? — উপন্যাস কিনে। — তারপর? — আতিকের ঐ উপন্যাসটা ভালো লেগে গেল। ওর কাছে বিক্রি করে দিলাম নব্বই টাকায়। বললাম— একশো টাকায় কেনা। তুই আমার দোস্ত। তাই দশ টাকা কমে নব্বই টাকায় বিক্রি। লাভ করলাম— বিশ টাকা। হা-হা-হা করে হাসা ছাড়া উপায় ছিল না আমার। এরকম রসিকতাপূর্ণ সংলাপ পাঠান্তে বাস্তবিকই মনে হয়েছে— জয় যেন এক কথার আকাশ। জয়ের কথার অবিরাম বৃষ্টিতে ভিজে চলেছে জেনির উদাসী মন। জয়ের বন্ধু আতিকও কম পাগলাটে নয়। মাগরিবের আজান হয়ে যায়। ইফতারির জন্য পানিরও ব্যবস্থা করে না সে। ফ্লাস্কে অবশ্য লাল-চা আছে। জয় তো ভারি অবাক। "সিগারেট টান দিয়ে— জয়কে উদ্দেশ্য করে আতিক বলে, এটাই আমার ইফতারি দোস্ত। তুই কি সিগারেট খাবি? না-কি শুধু লাল-চা দিয়েই ইফতারি করবি?" একটি সার্থক প্রেমের উপন্যাসের যে-বৈশিষ্টগুলো থাকা উচিত, তার সবই আছে এই উপন্যাসটিতে। জয়-জেনির আবেগী খুনসুটি, মান-অভিমান, রাগারাগি-ঝগড়া— সব মিলিয়ে অসাধারণ। মান-অভিমানের খানিক ছোঁয়া দেখে নিই উপন্যাস থেকে। জয়কে খুঁজতে গিয়ে না-পেয়ে আকুল হয় জেনি। আর মনে-মনে অভিমানী গলায় বাংলা গানের প্যারোডি করে বলতে থাকে— "জয় যে কেন থাকল না? কিছু ভালো লাগে না। আবার আসুক ওকে আমি মজা দেখাব..." একটি রোম্যান্টিক উপন্যাস আরও রোম্যান্টিক হয়ে ওঠে অনবদ্য ছন্দের কারণে। কাহিনির সাথে মিল রেখে উপন্যাসের নায়ক জয়ের মাধ্যমে অপূর্ব কিছু ছন্দও উপহার দিয়েছেন লেখক। আসুন, একে-একে দেখে নিই। যদি ঘুম-ভাঙা শেষ-রাতে জেগে থাকো তুমি, জেনো— চাঁদ কিবা তারা হয়ে জেগে আছি আমি। আরও আছে— কাগজের বুকে আঁকাবাঁকা অক্ষরে তুলে দিলাম সেই শব্দত্রয়ী— "আমি তোমাকে ভালোবাসি।" প্লিজ, তুমি এটাকে কবিতা ভেবে আবার বোলো না— "রিয়েলি নাইস।" কিংবা, "এই তো হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায়, ছুঁতে পারি না..." অথবা, "এমনও হয়! হাতের মুঠোয় চলে আসে সব গোলাপ, সব ভালোবাসা।" জয় যখন বাংলাদেশের শেষ সীমান্ত অভিমুখে খালি পকেটে রওনা দেয়, তখন বাসে-বাসে শসা বিক্রি করতে কিংবা ভিক্ষায় নেমে পড়তে এতটুকু দ্বিধা করে না। বরং আনন্দিত গলায় বলে জয়— "আসিতেছে শুভদিন— ভিক্ষা করে শুধিতে হইবে ঋণ..." শেরপুর পাহাড়া সীমান্তে জয় আর আতিকের পাগলামি অবিশ্বাস্য সুন্দর। ওদের ঝরনা-স্নান কখনো ভুলবার নয়। শুধু শেরপুর পাহাড় সীমান্তই নয়, এই উপন্যাসটিতে ফুটে উঠেছে পদ্মার চরাঞ্চলের মায়াময় সৌন্দর্যও। উপন্যাসের ভাষা সহজ ও গতিশীল। ঝরঝরে বর্ণনা। মেদহীন, স্লিম এক উপন্যাস। যদি পচাত্তর পেজেই শেষ করা যায় কোনো কাহিনি, তাকে চুইংগামের মতো টেনে-হিঁচড়ে সাতশো পঞ্চাশ পেজ বানানোর যৌক্তিকতা কী? উপন্যাসের শুরুটাই নাটকীয়। উপমাগুলোও সরস। হাস্যরসের সঞ্চার করে। যেমন— "ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ-আউট হওয়া ব্যাটসম্যানের মতো অসহায় দেখাচ্ছে জয়কে।" একটি প্রেমের উপন্যাস হিসেবেই এটি পাঠ করেছি আমি। এবং জেনির মতোন— জয়ের কথার বৃষ্টিতে ভিজে তুমুল আনন্দ পেয়েছি। আবারও বলছি, যারা রোম্যান্টিক উপন্যাস খোঁজেন, তাদেরকে সাজেস্ট করব বইটি। দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনি যদি ছেলে হোন, তবে হয়ে উঠতে চাইবেন জয়ের মতো মুক্ত বলাকা। আর মেয়ে হলে আপনি জেনির মতো উদাসী হয়ে যাবেন। © সামিহা শেখ অনার্স শিক্ষার্থী, সরকারি কুমুদিনী কলেজ টাঙ্গাইল বই: ফ্যান্টাসি— একটি বিশুদ্ধ ভালোবাসার গল্প লেখা: Wadud Khan প্রকাশনী: বাংলানামা প্রচ্ছদ: মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৫"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ফ্যান্টাসি" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: