১ম প্রকাশ, ২০২৩
ফিদাকা ইয়া রাসুলাল্লাহ
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
৬ ভলিউমে ১০ খন্ড সহীহুল বুখারী শরীফ
জননী বুক ডিপো
তাকরিরে তিরমিযী
মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম
হিফজ শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য বই
মাওলানা আনিসুর রহমান
এসো আরবি শিখি বাংলা - প্রথম খণ্ড
মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ
বেহেশতি জেওর (মাসায়েল অংশ)
حكيم الامت مولانا اشرف علي تهانوي رح ( হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.)
সহজ তাজবিদ শিক্ষা (কায়দা-আমপারা)
কওমী লাইব্রেরী
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ফিদাকা ইয়া রাসুলাল্লাহ |
| Author | সালিম আব্দুল্লাহ |
| Publisher | ইত্তিহাদ পাবলিকেশন |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 488 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | ইসলামি বই |
| Weight | 0.59 Kg |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
12 Ratings and 12 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১২টিShohel Ahmed , Aug 17, 2026
"আলহামদুলিল্লাহ! খুবই চমৎকার, হৃদয়স্পর্শী একটি বই ! আল্লাহ লেখক ও বইটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে উত্তম বিনিময় দান করুন। আমীন। Highly recommend!!!!"
Anas Hossain , Aug 10, 2026
"খুবই উপকারী একটা কিতাব... রাসূল (সঃ) এর প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার নজরানা"
sha****com , Oct 20, 2025
"বই টা অনেক সুন্দর ,বই টা পড়লে যে কেও চোঁখের পানি ধরে রাখতে পারবেন না ,"
MD. KAMRUL HASAN , Jul 7, 2025
"মাশাআল্লাহ খুবই ভালো। কমপক্ষে সূচিপত্র পড়ে দেখুন। কিনতে ইচ্ছে করবে ইনশাআল্লাহ।"
মিজানুর রহমান , May 23, 2025
"ভালো বই"
Sowrav , Apr 9, 2025
"Read this. 10/10 !"
abu suada , Oct 1, 2024
"যদি রাসুলের ভালোবাসায় কাঁদতে চান, তাহলে বইটি পড়ুন।"
Arwa Suada , Sep 30, 2024
"নবিপ্রেমের বেস্ট বই।"
Censored 18- , Sep 19, 2024
"বই - ফিদাকা ইয়া রাসুলাল্লাহ লেখক - সালিম আব্দুল্লাহ প্রকাশনী - ইত্তিহাদ পাবলিকেশন ধরন - সীরাতে রাসূল (স.) পৃষ্ঠা - ৪৮৮ ’আবদুল্লাহ ইবনু হিশাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তখন ’উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর হাত ধরেছিলেন। ’উমার (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার জান ছাড়া আপনি আমার কাছে সব কিছু চেয়ে অধিক প্রিয়। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, যাঁর হাতে আমার প্রাণ ঐ সত্তার কসম! তোমার কাছে আমি যেন তোমার প্রাণের চেয়েও প্রিয় হই। তখন ’উমার (রাঃ) তাঁকে বললেন, আল্লাহর কসম! এখন আপনি আমার কাছে আমার প্রাণের চেয়েও বেশি প্রিয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে উমর! এখন (তুমি সত্যিকার ঈমানদার হলে)।[1] [৩৬৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৭৮) মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (স.) এমন একজন মানুষ যাকে নিজের অর্থ-সম্পদ, পরিবার-পরিজন এমনকি নিজের প্রাণের চেয়ে বেশি ভালো না বাসলে একজন মুসলিম ব্যক্তি নিজেকে পরিপূর্ণ ঈমানদার বলে দাবী করতে পারেনা। সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে তাবেয়ী সহ আমাদের পূর্ববর্তী আল্লাহ তায়ালার যত নেককার ও মুমিন বান্দা ছিলেন তাদের নবীজির প্রতি ভালোবাসা ছিলো অফুরন্ত। তারা যেমন নবীজিকে ভালোবাসতেন ঠিক তেমনি এই ভালোবাসার খাতিরে যারা নবীজির দুশমন এবং নবীজির ব্যপারে কটু কথা বলতো তাদের ক্ষেত্রে সবসময়ই তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করেছেন আলহামদুলিল্লাহ। এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে ভালোবাসার সংজ্ঞা যেনো একটু পরিবর্তন হয়েছে। আমরা মুখে বলি আল্লাহর রাসূলকে ভালোবাসি কিন্তু আমাদের মুয়ামালাত বা মুয়াশারাত কোনোটাতেই আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (স.) এর সামান্যতম আদর্শ খুজে পাওয়া যায় না। কেউ আমাদের প্রিয় নবীজিকে নিয়ে কোনো কটু কথা বললে আমাদের দৌড় আন্দোলন পর্যন্তই। আমাদের পূর্ববর্তীরা যেভাবে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতেন আমরা সেভাবে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণে ব্যর্থ অথবা হয়তো আমাদের অলসতাই মূল কারণ। এই অবনতির কারন কি? অথচ ১০০ বছর ও হয়নি এই ভারতীয় উপমহাদেশের বাসিন্দা যুবক ইলমুদ্দিন (রহ.) নবী প্রেমের নজরানা পেশ করে ফাসির কাষ্ঠে ঝুলে শহীদ হয়ে গিয়েছেন। কীভাবে সম্ভব? কারন তাদের দিলে ছিলো নবীজির প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসা। আর এই অফুরন্ত ভালোবাসা আসার মাধ্যম হচ্ছে সীরাতের চর্চা অথবা সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে তাবেয়ীদের নবী প্রেমের ঘটনা। আমাদের প্রিয় নবীজি হযরত মুহাম্মাদ (স.) এর সীরাতের সাথে সম্পর্ক কতটুকু? আমরা সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে তাবেয়ীদের নবী প্রেমের ঘটনাই বা যানি কতটুকু? যাকে দুনিয়াবি সকল জিনিসের উর্ধ্বে ভালো না বাসলে আমার ঈমানের পরিপূর্ণতা আসবে না তার প্রতি ভালোবাসা বাড়ানোর জন্য সহায়ক হতে পারে এই বইটি। বইটিকে তিন ভাগে ভাগ করে প্রথম দুই ভাগে সাহাবিদের নবীজির প্রতি ভালোবাসা কেন্দ্রিক ঘটনাগুলোকে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। তৃতীয় ভাগের শুরুতে ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী শাতিমে রাসূলের বিধান নিয়ে আলোচনা। শাতিমে রাসূলের বিধান নিয়ে আলোচনার পর বিগত সময়গুলোতে অর্থাৎ বিংশ শতাব্দির শুরু থেকে নিয়ে একবিংশ শতাব্দীর এই পর্যন্ত কিছু নবীপ্রেমী কর্তৃক শাতিমে রাসূলদের পরিণাম সম্পর্কিত ঘটনা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। বইটির এক-একটি ঘটনা পড়ার সময়কার অনূভুতি ছিলো একেকরকম। কখনো কোনো ঘটনা পড়ার সময় চোখে পানি চোলে আসছিল, কখনো রাগে হাত মুষ্টিবদ্ধ হয়ে আসছিল আবার কখনো রোমাঞ্চকর পরিস্থিতির কারনে হাতের পশম দাড়িয়ে যাচ্ছিলো। নির্দিষ্ট টপিকে অনেক সুন্দর উপস্থাপনা সমৃদ্ধ একটি বই মাশা-আল্লাহ। বিশেষ করে জেনারেল শিক্ষিতদের জন্য অনেক উপকারী একটি বই বলে আমি মনে করি। যাইহোক অনেক কথা বলে ফেললাম। শেষ করার আগে বলতে চাই জেনারেল শিক্ষিত ভাইবোনদের মধ্যে যাদের অন্তরে নবীজির প্রতি সামান্যতম ভালোবাসা আছে তারা সবাই অবশ্যই বইটা পড়ার চেষ্টা করবেন। ইনশাআল্লাহ উপক্রিত হবেন। ইবনে জাফর ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৬ হিজরি ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ঈসায়ী।"
Imran Hossain Futon , Jul 26, 2024
"অসাধারণ একটি বই!"
Nushur , Apr 1, 2023
"বইটি পড়লে কান্না আসে। নবিজির প্রতি ভালোবাসে এভাবেও প্রকাশ করা যায়"
Mario , Jan 2, 2023
"নবী মুহাম্মাদ সা. এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের এক অনন্য গ্রন্থ। যা পড়লে ইমান বৃদ্ধি পায়।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →
বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ফিদাকা ইয়া রাসুলাল্লাহ" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: