8th Published, 2020
এই শুভ্র ! এই
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | এই শুভ্র ! এই |
| Author | হুমায়ূন আহমেদ |
| Publisher | অন্যপ্রকাশ |
| Edition | 8th Published, 2020 |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 112 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.29 Kg |
| ISBN | 9848682600 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
31 Ratings and 17 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
১৭টিAhsanur Alam , Aug 10, 2026
"#বুকরিভিউ এই শুভ্র এই বইটা পড়তে পড়তে কখন যে শেষ হলো বুঝলাম না। আরও বড় হলে খুব শান্তি পেতো মনটা। এ সিরিজের মধ্যে যখন যে বই পড়ি কেন জানি আমার কাছে সবসময়ই ভালো লাগে।এটা পড়ার সময় মনে হয়েছিল, অনেকসময় অনেক ইচ্ছা পোষন করলেও সবসময় সবকিছু আমাদের হাতে থাকেনা। কিছু জিনিষ আগে থেকেই ঠিক হয়ে থাকে। উপন্যাস টি শুরু হয়েছে, শুভ্রর ঘুম ভাঙার পরে খুব মজার একটা ঘটনা দিয়ে। বিষয় টা হলো সকালের সময় বলে দেওয়া ঘড়ি না দেখে, আর এরকম টেকনিক তো আমাদের বুদ্ধিমান শুভ্র র মাথা থেকেই বের হবে। বরাবরের মতো এইবারো শুভ্রর বাবা মোতাহার সাহেব শুভ্রর দেখাশোনা করার জন্য একটি লোক রেখেছেন, তার নাম মজনু।মজনুর দ্বায়িত্ব শুভ্র সারাদিন কোথায় যাবে তার খেয়াল রাখা। কাজটাতে মজনু প্রথমে খুশি হলেও পরে বিরক্ত হয়ে যায় কারন শুভ্র আর ১০ টা ছেলের মতো এতো বাইরে যায়না। এরই মধ্যে শুভ্রর হঠাৎ ইচ্ছা করে একা কোথাও গিয়ে বসবাস করতে, আবার সে এটাও জানে তার বাবা মা তাকে কতোটা ভালোবাসে, সেই ভালোবাসার সুত্র ধরে কখনে তারা রাজি হবেনা।।।। কিন্তু আসলেই কি মোতাহার হোসেন তার আদরের একমাত্র সন্তান এর এই ইচ্ছা পুরন করবে??"
Nusrat Onnesha , Jul 22, 2026
"লা জবাব"
Kazi Panna , Apr 30, 2025
"শুভ্র মানেই একটা ইমোশান।"
jan****com , Sep 22, 2023
"#প্রগতি_বইপোকা_বুক_রিভিউ_প্রতিযোগিতা বই : এই শুভ্র! এই লেখক : হুমায়ুন আহমেদ ▪️ বই পরিচিতি : "এই শুভ্র! এই" বইটি "শুভ্র সমগ্র" এর একটি। শুভ্র সমগ্রে মোট বই রয়েছে ৬টি। তার মধ্যে "এই শুভ্র এই" বইটি ৫-নাম্বারে, যা প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে। ▪️ কাহিনী সংক্ষেপ : শুভ্র নামের অর্থ হচ্ছে- খাঁটি, বিশুদ্ধ, পবিত্র, নিষ্পাপ, সচ্চরিত্র। তার নামের অর্থ তার চরিত্রের সাথে সার্থক। শুভ্র তার নামের মতো বিশুদ্ধ একজন মানুষ। ঘর, বই, কম্পিউটার, পড়াশোনা আর মা-বাবাকে নিয়েই তার জগৎ। সে পৃথিবীর সব পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত। সে ভীষণ বই পড়তে ভালোবাসে। শুভ্র কখনো মিথ্যা কথা বলে না, কোনো খারাপ কাজ করে না। ফর্সা, ঝাঁকড়া চুল, চোখে চশমা পড়া সুদর্শন পুরুষ শুভ্র। সাদা মনের শুভ্র এমন একটি ছেলে যার খুব দ্রুত অপটিক নার্ভ শুকিয়ে যাচ্ছে। যেকোনো সময় সে অন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবুও সে হতাশ না হয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে যেনো অন্ধ হবার পর তার কোন সমস্যা না হয়। এটা নিয়ে সে মোটেও দুঃখী না। সে ব্যাপারটাকে এনজয় করছে। অন্ধাবস্থার প্রস্তুতি হিসেবে সে চোখ বন্ধ করে কফি বানানো শিখেছে। এবং প্রায়ই শুভ্র চশমা খুলে দৃশ্য-অদৃশ্যের খেলা খেলে। মোতাহার হোসেন এবং জাহানারা বেগমের একমাত্র ছেলে শুভ্র। মোতাহার হোসেন হলেন মাল্টি টেলেন্টেড একটা পার্সন। এক কথায় মেঘাবস। জাহানারা বেগমের একমাত্র সন্তান শুভ্র। যাকে নিয়ে তার মায়ের চিন্তার শেষ নেই। তার কাছে সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হলো তার ছেলে তাকে ভালোবাসে না।শুধু বাবাকে ভালোবাসে,বাবার সাথে গল্প করে তার সাথে করে না। আরেকটা চিন্তার বিষয় হলো তার বাড়ির কাজের মেয়ে সকিনা। উপন্যাসের দুটি ইন্টারেস্টিং চরিত্র হচ্ছে মনজু এবং রুনু। এছাড়া উপন্যাসে রয়েছে- শুভ্রদের বাড়িতে কাজ করা সকিনার কথা। যাকে শুভ্রর মা সবসময় অপমান করে। বলা হয়েছে শুভ্রর সাথে তার বাবার বন্ধুত্বপূর্ণ সুন্দর সম্পর্ক, শুভ্রর পোষা কাকের কথা। নাম কিংকর। কাক টা ঠিক সকাল ৭ টায় তার কাছে আসতো। এক মিনিটও কম-বেশি হতো না। পাখির আগমন তাকে স্মরণ করিয়ে দিত যে এখন সকাল সাতটা। তার মা তার স্বপ্নের দ্বীপ কিনে দেয়া, শুভ্রর জীবনযাপন, তার সরলতা, বাবা মায়ের সন্তানের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, কঠিন বাস্তবতার শিকার মঞ্জু, বুদ্ধিমতি রেনু, সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের কথা ফুটে উঠেছে। 🌸 উপন্যাসের কিছু প্রিয় উক্তি : ▪ পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই ঘুম ভাঙার পর ঘড়ি দেখতে চায়। কখন ঘুম ভাঙল এটা জানা যেন খুবই জরুরি। যারা কাজের মানুষ তারা যেমন ঘড়ি দেখে অকাজের মানুষরাও দেখে। ▪ মাকাল ফলের ভেতর পোকা হয় না, পোকা হয় সবচে' ভালো যে ফল তার মধ্যে! আমের মধ্যে। ▪ যে মানুষ মুখে মিথ্যা বলে, সে হাতেও মিথ্যা লিখতে পারে। পারে না? মুখে মিথ্যা বলার চেয়ে বইয়ে মিথ্যা লেখা বরং সহজ। ▪ সুন্দর সুন্দর দৃশ্য একা বা দোকা দেখা যায় না। তিনজন লাগে। Three is company. ▪ বাঙালির তিন হাত। ডানহাত, বামহাত আর অজুহাত। তিনটা হাতের মধ্যে সে ডানহাত-বামহাত কোনটাই ব্যবহার করে না। ব্যবহার করে শুধু অজুহাতটা। রিভিউ: জান্নাতুল জুঁই"
Omar Sani , Feb 28, 2022
"হুমায়ুন স্যার এর লেখা এই বইটি অত্যান্ত সুন্দর একটি বই। পড়া শুরু করলে আপনাকে শেষটুকুতে এসে মনে হবে আরও যদি লেখা থাকতো !"
Tasnim Aman , Mar 26, 2021
"best"
saiful islam , Feb 1, 2021
"good"
Rakiba Oishee , Jul 17, 2020
"Onk vlo lgse"
Hridita Tabassum , Jan 17, 2020
"Eta ektu alada onno gular ceye. Ekahne r ekti character besi asche seta holo monju, o ei basar dekhashuna korleo she mone mone din raat galagali kore jacche pura family take. Kintu ekdin se nijer vuk bujhte pare. Kintu kivabe? Jante hole porte Hobe"
Maruf Ahmed , Dec 31, 2019
"শুভ্র স্বপ্নে দেখে যে, সে একটা দ্বীপে একা বসবাস করে। তার স্বপ্ন পূরনের জন্য তার মা জাহানারা বেগম উদ্বিগ্ন হয়ে উঠে। মোতাহার সাহেবের কাছে এটা কোনো ব্যাপারই না। জামা কাপড় কেনার মতোই ব্যাপার। সে তার ছেলের জন্য বঙ্গপোসাগরে একটা দ্বীপও কিনে ফেলেন ছেলের জন্মদিনের উপহার হিসেবে। মনজুকে শুভ্রর দেখাশোনার জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। রুনু মনজুর মামাতো বোন। মনজু মাঝে মাঝেই রুনুদের বাসায় থাকে। রুনুকে তার ভালো লাগে। রুনুর বাবা মা মনজুর সাথে তার বিয়ে দেওয়ার কথাও ভাবে। একদিন মনজু আর শুভ্র রুনুকে নিয়ে বুড়িগঙ্গায় নৌকা নিয়ে ঘুরতে যায়। শুভ্র নৌকায় শুয়ে আকাশ দেখে, রুনুরও ইচ্ছা করছে কিন্তু পারছে না হঠাৎ শুভ্র তাকেও শুয়ে আকাশ দেখার কথা বলা মাত্রই সে তার আশে শুয়ে আকাশ দেখে। শুভ্র আজ তার বাবাকে কঠিন কিছু কথা বলছে। তার জন্মপরিচয়ের কথা। সে যুক্তি দিয়ে বোজাচ্ছে যে সে তাদের সন্তান না কিন্তু তাতে শুভ্রর কোনো সমস্যা নেই, শুভ্র তাদেরকেই অনেক বেশি ভালোবাসে। শুভ্র তার মার রাগ ভাঙ্গানোর জন্য তার পাশে গিয়ে বসে তার মাথা টিপে দিচ্ছে। সে আজ সারারাত তার মার কাছেই ঘুমাবে। 'মানুষ যেকোনো অভ্যাসে খুব দ্রুতই অভ্যস্থ হয়।'"
Hasan , Nov 25, 2019
"শুভ্র এক অন্যরকম মানুষের নাম। তার চালচলন,চিন্তাধারা সবার চেয়ে আলাদা। সে এক কাক পুষতো,তার সাথে সকালবেলা গল্প করতো। তার মনে এক ভয় আছে,অন্ধ হয়ে যাবার ভয়। তবুও তার অলীক সব চিন্তাধারা চলতে থাকে অবিরাম গতিতে। ছেলের অদ্ভূত এই জীবন নিয়ে আশঙ্কায় ভোগেন শুভ্রর বাবা-মা। ওদিকে ভঙ্গুর পরিবারের কল্যাণার্থে "মঞ্জু" নামের এক যুবক কাজ খুঁজতে খুঁজতে হাজির হয় শুভ্রর বাবা মোতাহার হোসেনের কাছে। মোতাহার সাহেব তাকে নিয়োগ দেন ছেলের অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে। শুভ্র ও মঞ্জুর দুটো আলাদা জগৎ নিয়েই এই গল্পটি, যেখানে শুভ্র তার অলীক কল্পনায় দিন পার করে আর মঞ্জু সেই অলীক কল্পনাগুলো শুনে প্রতিনিয়ত অবাক হয়। স্বভাবে ঠগ হলেও মঞ্জুর জীবনের স্বার্থে সংগ্রামী হতে হয় নিজেকে। একই ছাদের তলায় আকাশ-পাতাল তফাৎ বিশিষ্ট দুটো জীবন যেন আপন গতিতে ছুটতে থাকে। লেখক পরম যত্নে তার গল্পে দেখিয়েছেন জীবনটাকে কীভবে কত সহজভাবে নেয়া যায়,চারপাশটাকে কীভবে খুব সহজেই উপভোগ করা যায়। পরিশেষে এই গল্প পড়তে গিয়ে পাঠক আরো একবার মুগ্ধ হবে শুভ্রর শুভ্রতায়।😊💜"
Waliul Islam , Oct 25, 2019
"শুভ্র এক অন্যরকম মানুষের নাম। তার চালচলন,চিন্তাধারা সবার চেয়ে আলাদা। সে এক কাক পুষতো,তার সাথে সকালবেলা গল্প করতো। তার মনে এক ভয় আছে,অন্ধ হয়ে যাবার ভয়। তবুও তার অলীক সব চিন্তাধারা চলতে থাকে অবিরাম গতিতে। ছেলের অদ্ভূত এই জীবন নিয়ে আশঙ্কায় ভোগেন শুভ্রর বাবা-মা। ওদিকে ভঙ্গুর পরিবারের কল্যাণার্থে "মঞ্জু" নামের এক যুবক কাজ খুঁজতে খুঁজতে হাজির হয় শুভ্রর বাবা মোতাহার হোসেনের কাছে। মোতাহার সাহেব তাকে নিয়োগ দেন ছেলের অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে। শুভ্র ও মঞ্জুর দুটো আলাদা জগৎ নিয়েই এই গল্পটি, যেখানে শুভ্র তার অলীক কল্পনায় দিন পার করে আর মঞ্জু সেই অলীক কল্পনাগুলো শুনে প্রতিনিয়ত অবাক হয়। স্বভাবে ঠগ হলেও মঞ্জুর জীবনের স্বার্থে সংগ্রামী হতে হয় নিজেকে। একই ছাদের তলায় আকাশ-পাতাল তফাৎ বিশিষ্ট দুটো জীবন যেন আপন গতিতে ছুটতে থাকে। লেখক পরম যত্নে তার গল্পে দেখিয়েছেন জীবনটাকে কীভবে কত সহজভাবে নেয়া যায়,চারপাশটাকে কীভবে খুব সহজেই উপভোগ করা যায়। পরিশেষে এই গল্প পড়তে গিয়ে পাঠক আরো একবার মুগ্ধ হবে শুভ্রর শুভ্রতায়।"
মুনিয়া জামান , Mar 31, 2019
"#প্রগতি_রিভিউ_প্রতিযোগ_মার্চ রিভিউ নংঃ২৭ উপন্যাস: এই শুভ্র এই লেখক: হুমায়ূন আহমেদ প্রকাশনঃঅন্যপ্রকাশ ধরনঃসমকালীন মুল্যঃ২০০ টাকা বই আলোচনাঃ পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই ঘুম ভাঙার পর ঘড়ি দেখতে চায়। কখন ঘুম ভাঙল এটা জানা যেন খুবই জরুরি। যারা কাজের মানুষ তারা যেমন ঘড়ি দেখে অকাজের মানুষরাও দেখে। শুভ্র সম্ভবত এই দুই দলের কোনোটাতেই পড়ে না। তার ঘরে কোনো দেয়ালঘড়ি নেই। রাতে ঘুমুতে যাবার সময় হাতঘড়িটাও সে বালিশের নিচে রাখে। না। অথচ ঘুম ভাঙার পর তারই সবচে বেশি সময় জানতে ইচ্ছা করে। বিছানায় শুয়ে শুয়ে ঘড়ি না দেখে সময় আন্দাজ করার নানান কায়দাকানুন তার আছে। জানালা দিয়ে আসা রোদ যদি খাটের বা দিকের পায়াতে ঝলমল করতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে এখনো আটটা বাজে নি। আটটার পর খাটের বা পায়ে কোনো রোদ থাকে না। বসদের অফিস ঘর থাকে এক রকম, আবার সুপার ড়ুপার বসদের অফিসঘর থাকে অন্যরকম। তাদের অফিসঘরে পা দেয়া মাত্ৰই চাপা গলায় বলতে ইচ্ছা করেখাইছে রে! তারপরেই মনে হয়— আমি কোথায় ঢুকলাম? জাহাজের ইঞ্জিনাঘরের শব্দের মতন শব্দ (তবে অনেক হালকা) মাথার ভেতর পিনপিন করতে থাকে। সারাক্ষণ অস্বস্তি— শব্দটা কোথেকে আসছে? শব্দটা যে এসি থেকে আসছে এটা বোঝা যায় না। কারণ এই জাতীয় বসদের ঘরের এসি লুকানো থাকে। চোখে দেখা যায় না। ঘর থাকে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা। চৈত্র মাসের গরমের দিনে মাঘ মাসের শীত। বিশাল সেক্রেটারিয়েট টেবিলের অন্যপ্রান্তে যিনি বসে থাকেন তার চোখও থাকে। ঠাণ্ডা। ঘরে আলো থাকে কম— চায়নিজ রেস্টুরেন্ট ধরনের আলো। দর্শনার্থীদের জন্যে সোফা থাকে। সেই সোফাও সেক্রেটারিয়েট টেবিলের মতো বিশাল। বস্যামাত্র শরীর ড়ুবে যায়। পা শুধু ভেসে থাকে। চোখের সামনে বকের ঠ্যাং-এর মতো দুটো লম্বা পা নিয়ে বসে থাকতে অস্বস্তি লাগে। পাঠ্য প্রতিক্রিয়াঃ মায়ের ভালোবাসা আর বাবার বন্ধুত্বের সুন্দর একটা প্রতিচ্ছবি খুজে পেলাম বইটাতে। শুভ্র'র যেই সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে, বাস্তবে ওরকম কাউকে দেখার প্রবল ইচ্ছা চেপে গেলো মনে। বরাবরের মতোই ভালো লাগলো"
Tasnim Ara Mim , Nov 19, 2018
"#প্রগতি_রিভিউ_প্রতিযোগিতা_নভেম্বর_২০১৮ উপন্যাস: এই শুভ্র এই লেখক: হুমায়ূন আহমেদ প্রকাশনঃঅন্যপ্রকাশ ধরনঃসমকালীন মুল্যঃ২০০ টাকা উপন্যাস টি শুরু হয়েছে, শুভ্রর ঘুম ভাঙার পরে খুব মজার একটা ঘটনা দিয়ে। বিষয় টা হলো সকালের সময় বলে দেওয়া ঘড়ি না দেখে, আর এরকম টেকনিক তো আমাদের বুদ্ধিমান শুভ্র র মাথা থেকেই বের হবে। বরাবরের মতো এইবারো শুভ্রর বাবা মোতাহার সাহেব শুভ্রর দেখাশোনা করার জন্য একটি লোক রেখেছেন, তার নাম মজনু। মজনুর দ্বায়িত্ব শুভ্র সারাদিন কোথায় যাবে তার খেয়াল রাখা। কাজটাতে মজনু প্রথমে খুশি হলেও পরে বিরক্ত হয়ে যায় কারন শুভ্র আর ১০ টা ছেলের মতো এতো বাইরে যায়না। এরই মধ্যে শুভ্রর হঠাৎ ইচ্ছা করে একা কোথাও গিয়ে বসবাস করতে, আবার সে এটাও জানে তার বাবা মা তাকে কতোটা ভালোবাসে, সেই ভালোবাসার সুত্র ধরে কখনে তারা রাজি হবেনা।।।। কিন্তু আসলেই কি মোতাহার হোসেন তার আদরের একমাত্র সন্তান এর এই ইচ্ছা পুরন করবে?? নাকি সেখানে বাধা হয়ে থাকবে শুভ্রর মায়ের স্নেহ!!!!! ওদিকে মজনু তার দূরসম্পর্কের মামা মামির বাড়িতে বেড়াতে যায় মাঝে মাঝে। যদিও উদ্দেশ্য শুধু মামা মামির সাথে দেখা করা না, মামাতো বোনকে ভালো লাগে তার।। কিন্তু সেই মামাতো বোন রুনুর মনে কি আছে??? এই ভালোলাগার রেশ ধরেই মজনু একদিন রুনু কে নিয়ে বেড়াতে গেল, সাথে ছিলো শুভ্র।। কিন্তু এইখানে রুনুর মধ্যে অন্যরকম পরিবর্তন দেখা দিলো। বাড়িতে ফেরার পর বার বার ঘটনা গুলো ভাবাচ্ছিলো তাকে। তাহলে শেষ পর্যন্ত রুনু কি নিয়ে এতো চিন্তায় পড়ে গেলো??? সবকিছুর উত্তর খুজতে পড়তে হবে শুভ্র সিরিজের উপন্যাস "এই শুভ্র এই" পাঠ্য প্রতিক্রিয়াঃ শুভ্র সিরিজের মধ্যে যখন যে বই পড়ি কেন জানি আমার কাছে সবসময়ই ভালো লাগে।এটা পড়ার সময় মনে হয়েছিল, অনেকসময় অনেক ইচ্ছা পোষন করলেও সবসময় সবকিছু আমাদের হাতে থাকেনা। কিছু জিনিষ আগে থেকেই ঠিক হয়ে থাকে।"
Hosneara Yeasmin Ami , Jun 12, 2017
"ঘুম ভাঙার পর শুভ্রর সময় জানতে খুব ইচ্ছে করে। কিন্তু তার ঘরে কোন দেয়ালঘড়ি নেই। এমনকি বালিশের নিচে হাতঘড়ি নিয়েও সে ঘুমায় না।কিন্তু বিছানায় শুয়ে সময় বের করার নানান কায়দা-কানুন সে বের করেছে। শুভ্রর বয়স যখন 10-11 ছিল তখন ঠিক সাতটায় তার জানালার পাশে একটা কাক এসে বসত। রাগী চোখে তাকিয়ে দু'বার ডেকেই ঝিম মেরে যেত। শুভ্র কাকটার নাম দিয়েছিল কিংকর। কাকটা এক বছর রোজ এসে তারপর আসা বন্ধ করে দিয়েছিল। শুভ্র তার মা জাহানারাকে জানায় তার স্বপ্নের কথা। নির্জন একটা দ্বীপে রবীনসন ক্রুসো হয়ে থাকতে চাওয়ার কথা। ছেলের জন্য মমতায় অন্ধ মা তাই বাবা মোতাহার সাহেবকে বলেন একটা দ্বীপ কেনার জন্য। তারপর শুভ্রকে বিয়ে দিয়ে ঘোমটা টানা বউ সহ তিনি দ্বীপে বেড়াতে পাঠাবেন। একমাত্র ছেলের জন্য তাদের কত আকুলতা। আহারে, ছেলেটার অপটিক নার্ভ শুকিয়ে আসছে। যে কোন সময় ছেলেটা অন্ধ হয়ে যেতে পারে। মোতাহার সাহেবের কাছে মজনু নামে একটা ছেলে আসে ভুয়া রেফারেন্স নিয়ে চাকরির জন্য। মোতাহার সাহেব প্রথমেই জালিয়াতি ধরতে পারেন কিন্তু তারপরও ছেলেটাকে কাজে রাখেন। তার কাজ হয় শুভ্রকে সঙ্গ দেয়া। শুভ্র বাড়ির বাইরে গেলে তাকে পাহাড়া দেয়া। মজনুর কাজ পছন্দ না হলেও শুভ্রকে তার খুব পছন্দ হয়। মজনু ঢাকায় তার লতায়-পাতায় মামার বাসায় উঠেছে। চাকরি পাবার পর সে বাজার করে আর মামির জন্য একটা সুন্দর শাড়ি কিনে এনে খবরটা জানায়। একসময় মামাত বোন রুনুকে তার ভাল লাগে। মামা-মামিও মনে হয় রাজি। এমনি একটা সময়ে মজনু, শুভ্র আর রুনুকে নিয়ে নৌকায় বেড়াতে বের হয়েই হল বিপদ। কি বিপদ সেটা আমি বলব না। আপনাদেরকেই খুজেঁ বের করতে হবে।।। আমার কথা : হুমায়ূন আহমেদের তৈরি চরিত্রগুলোর মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র শুভ্র। যদিও আমি মিসির আলি আর হিমুকেও খুব পছন্দ করি। তবুও শুভ্র আমার সবচেয়ে প্রিয়। কেন প্রিয়? এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া আমার পক্ষে সবচেয়ে কঠিন। একদিকে শুভ্র বরফের মত পবিত্র একটা ছেলে, অন্যদিকে শিশুর মত সরল, আবার কোথাও অসম্ভব বুদ্ধিমান একটা ছেলে যে মায়ের তীব্র ভালবাসা আর বাবার স্নেহের ছায়ায় বেচেঁ আছে তাকে তো ভাল লাগবেই। এখানে অবশ্য কিছুটা করুণাও কাজ করে। যে ছেলেটা আর কয়েকদিন পরে অন্ধ হয়ে যাবে তার প্রতি মায়াটা আমাদের নিজে থেকেই চলে আসে। কারো বলে দিতে হয়না। আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে।।। হ্যাপি রিডিং।।।"
maruf morshed , Nov 20, 2016
"বইটি হাতে নিলেই অনেক কথা মনে পড়ে। তখন মাসে হাতখরচ পেতাম ৩০০০ টাকা। তা দিয়ে বগুড়া শহরে সারা মাস। হোস্টেলের ডাইনিং আর সকালের নাস্তা মিলে বাদে কিছুই থাকেনা। সেই সময়ে প্রায় দুইশ টাকা দিয়ে বইটা জন্মদিনের গিফট হিসেবে কিনে পড়ে তারপরে দিয়েছিলাম। অন্যপ্রকাশের বইয়ের অনেক দাম। কভার অনেক সুন্দর। লেখা গুলা ধরা যায়, অনুভব করা যায়।।ভিতরের কথা যেই লাউ হেই কদুই। শুভ্র তো শুভ্রই তাইনা। যারা শুভ্র গল্পে অনেক হিমু পেতে চান তা হবে না। আবার দারুচিনি দ্বীপের মজা চাইলেও হবে না। যে যার পথেই চলবে। ক্লাসের প্রথম যে ছেলেটা সে ভালো হয় না। ভাল হলে সে ফার্স্ট হত না। বেছে বেছে কোচিং করা, স্যারের কথমত শেষ সাজেশন কাউকে না দেয়া, এভাবেই ত হয়। তার নোট কাউক্কে দিবেনা। আজকের যুগে তাই শুভ্র অচল। অত জ্ঞান নিয়ে লাভনেই। টিচারের নোটেই নাম্বার। ভাগ্যিস শুভ্রেই সময়ে নেই। শুভ্রের মাকে কলকাতার সিরিয়ালে স্থান দেয়া যেতে পারে। নিজের ছেলে দুনিয়া সম্পর্কে কিছু বুঝবে না। হুম মিলন তিথির সাথে মিল আছে। এক ছেলে নিয়ে দুই মেয়ে মারামারি করে দুনিয়া উল্টায় ফেলতেছে। আর ছেলে কিছুই।জানেনা। ধইরা পিডান উচিত"
Wasifa Zannat , Jul 23, 2016
"শুভ্রকে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ মাত্র ৫টি উপন্যাস লিখেছেন, তার মধ্যে এটি চতুর্থ।‘এই শুভ্র! এই’ উপন্যাসে শুভ্রর মা জাহানারা বলেন, ‘শুভ্র’র বয়স চব্বিশ হয়েছে, বিয়ে তো এখন দেয়া যায়। যায় না?’ ‘শুভ্র গেছে বনে’ উপন্যাসের উৎসর্গে বলা আছে, ‘শুভ্রর মতো কাউকে কি আমি চিনি, যাকে এই বই উৎসর্গ করা যায়? না, চিনি না। প্রকৃতি শুদ্ধতম মানুষ তৈরি করে না। কিছু-না-কিছু খাদ ঢুকিয়ে দেয়। এই বই আমার অচেনা সেইসব মানুষের জন্যে, যারা জানেন তাদের হৃদয় শুভ্রর মতোই শুভ্র।’ এই বইয়ের ভূমিকা অংশটি খুবই ছোট। ছোট্ট এই ভূমিকা থেকেও আমরা শুভ্রকে চিনতে পারে। ছোট অথচ অর্থপূর্ণ পুরো ভূমিকাটি পাঠকের জন্য তুলে দিলাম, ‘বিজ্ঞানী স্যার আইজাক নিউটনকে পার্লামেন্ট সদস্যপত্র দেওয়া হয়েছিল। তিনি এই দায়িত্ব পালনকালে একটি মাত্র বাক্য উচ্চারণ করেছিলেন- জানালাটা খুলে দিন। তিনি দ্বিতীয় কোনো বাক্য উচ্চারণ করেন নি। শুভ্র সারা জীবন বন্ধ জানালা খুলতে চেয়েছে।’ এই উপন্যাসেও তার আগের সিরিজ উপন্যাস “শুভ্র”র মত নায়ক কোনো একভাবে জেনে যায় সে যাদের মা-বাবা বলে জানে আসলে তারা তার মা-বাবা নয়। উপন্যাসটার শেষের কয়েকটা লাইন-“জাহানারা এতক্ষণ নিঃশব্দে কাঁদছিলেন, এবার শব্দ করে কেঁদে উঠলেন। শুভ্র বলল, মা, তুমি আমাকে এত ভালোবাস কেন?জাহানারা ফোঁপাতে ফোঁপাতে বললেন, তুই পাগলের মত কথা বলিস কেন? নিজের ছেলেকে আমি ভালোবাসব না?শুভ্র চোখ বন্ধ করল। হঠাৎ তার কাছে মনে হল রহস্যময় প্রকৃতি কেন হোমোসেপিয়ানস তৈরি করেছে তা সে যেন স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছে।""
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"এই শুভ্র ! এই" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: