ড্যান ব্রাউনের ৫টি বই (রবার্ট ল্যাংডন সিরিজ) (প্রগতি কালেকশন)
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | ড্যান ব্রাউনের ৫টি বই (রবার্ট ল্যাংডন সিরিজ) (প্রগতি কালেকশন) |
| Author | ড্যান ব্রাউন |
| Publisher | প্রগতি কালেকশন |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 2422 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | Mystery, Detective, Horror, Thriller and Adventure |
| Weight | 3.42 Kg |
| Translator | মাকসুদুজ্জামান খান,মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
77 Ratings and 30 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
২৯টিMd Sifat Al Mahin , Mar 21, 2023
"best"
Samia , Jul 16, 2021
"Boigulo kauke disappointe korbe na"
রুবায়েত আল হাসান , Mar 20, 2021
"like like like"
Rahul , Jun 24, 2018
"ড্যান ব্রাউন নিসন্দেহে একজন খুব ভালো লেখক"
TASFIA PROMY , Mar 4, 2017
"এক বিখ্যাত সিম্বলজিস্ট রবার্ট ল্যাংডন, হঠাৎ একদিন জ্ঞান ফি্রলে নিজেকে আবিষ্কার করেন ফ্লোরেন্সের একটা হসপিটালে ( সাজানো)। কি ঘটেছিল এবং কেন তিনি হসপিটালে এসব এর কিছুই তিনি মনে করতে পারেন না, স্মৃতিভ্রষ্ট ল্যাংডনের মাথায় ঘুরতে থাকে একটি কথা খোঁজো, খুঁজলেই পাবে। বাবা মার দেয়া প্রিয় মিকি মাউস ঘড়িটি খুঁজে পাননা, তার বদলে তার জামার পকেটে মেলে এক অদ্ভুত-ভীতিকর একটি জিনিস। তার কোনো ধারণাই নেই কোত্থেকে এটা এলো, শুধু বুঝতে পারেন তার মাথায় অপারেশান করা হয়েছে, তীব্র ব্যাথা নিয়েই তিনি পুড়া রহস্য কে তাড়া করে বেড়ান। তারপরই ঘটতে থাকে একের এক পর অদ্ভুত ঘটনা। এই সময় তার সাথে জড়িয়ে পড়ে তার ডক্টর, অদ্ভুত এক মেয়ে সিয়েনা। তারা দুজন রহস্যের সমাধান করতে থাকেন আর একটু একটু করে আবার জীবন বাঁচাতে পালিয়ে বেড়ান অবশেষে আসল সত্যটি জানতে পারেন তারা, যে কোন এক পাগল ব্যাক্তির কারনে পুরো মানবজাতি মারাত্মক এক হুমকির মুখে পড়ে দান্তে বিশেষজ্ঞ হিসেবে যেমন এই বই তে উনি আবির্ভুত হইছেন। লেখক বই এর শুরুতেই এক ব্যাক্তি ( ভিলেন) এর মৃত্যু এনে ঘটনাটাকে আকর্ষিত করেছেন পাঠকদের, যে কিনা দান্তের ইনফার্নো বই, একটা মুখোশ যার ভেতরে লুকানো আছে মূল রহস্য, এর মধ্য দিয়ে ক্লু রেখে গেছেন, মানব জাতি কে উদ্ধার এর জন্য, শুরুতে সিয়েনা ভিলেন এর নায়িকা থাকলেও এবং ল্যাংডন কে মারার চেষ্টা করলেও শেষ এ দেখা যায় যে তাহারা একে অপরের প্রেমে মগ্ন, সব মিলিয়ে খুব ভাল লেগেছে বইটি যদিও খুব ঠাণ্ডা মাথায় বইটি না পড়লে কাহিনি বুঝা টা কঠিন।"
Rashel , Jan 28, 2017
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগীতা। বই- দা দ্য ভিঞ্চি কোড। লেখক- ড্যান ব্রাউন। অনুবাদ- মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। ধরন- হিষ্টোরিক্যাল থ্রিলার। পৃষ্ঠা- ৪৪৭। প্রকাশনী- বাতিঘর। প্রধান চরিত্র- রর্বাট ল্যাংডন, সোফি নেভু, বেজু ফশে, জ্যাক সনিয়ে, সাইলাস। লুভ্যর মিউজিয়ামের কিউরেটর জ্যাক সনিয়ে নির্মমভাবে খুন হন। তবে মৃত্যুর আগে নিজের রক্ত দিয়ে একটি পেন্টাগ্রাম একে যান তিনি নিজ শরীরে যা বিখ্যাত চিত্রশিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আকা দ্য ভিট্রুভিয়ান ম্যানের মতো হয় দেখতে। জটিল এই রহস্য সমাধানের জন্য ডাকা হয় হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রর্বাট ল্যাংডনকে যিনি প্রাচীন সিম্বোলিজমের ওপর একজন বিশেষজ্ঞ। তবে তাকে ডেকে আনার পিছনে জ্যাক সনিয়েই দায়ী থাকে। রর্বাট ল্যাংডনের সাথে একসাথে কাজ করতে যোগ দেয় জ্যাক সনিয়ের নাতনী সোফি যে ক্রিপ্টোগ্রাফ এজেন্ট হিসেবে কর্মরত। পেন্টাগ্রামের সূত্র ইঙ্গিত করে দ্য ভিঞ্চির দ্য লাষ্ট সাপার ছবিটির দিকে যার সাথে যীশুর একটি ইতিহাস জড়িত। সেই ইতিহাস ধরেই তদন্ত এগোতে থাকে এবং বের হয় ওপাস দাই নামক একটি ভয়ানক উগ্র মৌলবাদী সংঘঠনের্ যাদের সাথে রয়েছে আরেকটি গুপ্ত সংঘঠন প্রাওরি অব সাইওনের শত্রুতা। একটি সত্য দীর্ঘদিন ধরে গোপন করে রেখেছে প্রাওরি অব সাইওন। আর সেটাই হস্তগত করতে মাঠে নেমেছে ওপাস দাই। পিছন থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে অত্যন্ত ক্ষমতাশালী কেউ। বইটি প্রকাশিত হবার পর সারাবিশ্বে বিশেষ করে খৃষ্টবিশ্বে প্রচুর পরিমান আলোড়ন তোলে। অনেক দেশে বইটিকে নিষিদ্ধ করা হয় খৃষ্টধর্মের অবমাননার অভিযোগ তুলে। তবে এতে করে বইটির বিক্রী বেড়ে যায় বরং। এবং প্রথম উপন্যাসেই ড্যান ব্রাউন বাজিমাত করে ফেলেন। বইতে উল্লেখিত প্রাওরি অব সাইওন ও ওপাস দাই নামক দুটি সংঘঠনের অস্তিত্ব সত্যি। এবং এরা বহাল তবিয়তে নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। লেখকের মতে বইতে উল্লেখিত দলীল, রীতিনিতী ও আচার সবই সত্যি। এই ঢাউস সাইযের বই পড়া বেশ কঠিন। কারন এখানে যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে তা বোঝা বেশ জটিল। আমাদের দেশে যেহেতু খৃষ্টধর্মের চর্চা নেই অতোটা তাই ওসব আচার ও রীতিনিতী অচেনা লাগবে। পাশাপাশি সিম্বোলিজম নিয়ে ধারনা না থাকায় বইটা বোঝাও বেশ কঠিন হবে। সেইসাথে অনুবাদের প্রসঙ্গও আসে। অনুবাদও একটু কঠিন হয়ে গেছে। অবশ্য অনুবাদের কথা বলে লাভ নেই। বইয়ের বিষয়বস্তুই দুরহ। তবে যাইহোক এই বই একইসাথে আলোচিত এবং সমালোচিত। আকৃতির কারনে পড়ার জন্য একটু ধৈর্য্য লাগবে। রেটিং- ৪.৮০/৫.০০"
Tultul Zabin , Jan 19, 2017
"‘দ্য দা ভিঞ্চি কোড’ পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বাধিক বিক্রিত বই । বইটি এই পর্যন্ত ৪১ টি ভাষায় অনুবাদ করে প্রকাশিত হয়েছে । এছাড়াও প্রায় ১১০ মিলিয়ন কপি এই পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে । মুল বইটির লেখক ড্যান ব্রাউন । তিনি আমেরিকাতে জন্মগ্রহন করেন । তিনি আমহাস্ট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন চাকরি করেছেন । কোড ব্রেকিং আর ছদ্মবেশী সরকারী এজেন্সিগুলো এর প্রতি আগ্রহ থেকেই তিনি দ্য দা ভিঞ্চি কোড বইটি লিখেন । বর্তমানে তিনি আর্ট হিস্টোরিয়ান এবং স্ত্রী কে নিয়ে আমেরিকার নিউ ইংল্যান্ডে বসবাস করছেন । তার লেখা দ্য দা ভিঞ্চি কোড বইটি বাংলাতে অনুবাদ করে প্রথম প্রকাশিত হয় ২০০৫ সালের আগস্ট মাসে বাতিঘর প্রকাশনী থেকে । বইটির অনুবাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । তার জন্ম ঢাকায় । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর চারুকলা ইন্সটিটিউট ও পরে গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন । তিনি বহু জনপ্রিয় বিদেশী উপন্যাস অনুবাদ করে প্রকাশ করার পাশাপাশি কিছু মৌলিক বই ও লিখেছেন । বইটির প্রচ্ছদ করেছেন ডিলান । দ্য দা ভিঞ্চি কোড অত্যাধিক জনপ্রিয় একটি বই । থ্রিলারধর্মী বইটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের সেরা বেস্ট সেলার বই । বইটির জনপ্রিয়তা দেখে এই বই এর কাহিনী নির্ভর সিনেমা ও নির্মান হয়েছে । উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রবার্ট ল্যাংডন । বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অসাধারন টান টান উত্তেজনা পাঠকেরা উপভোগ করতে পারবেন । এইরকম আন্তর্যাতিক মানের বেস্ট সেলার সম্বন্ধে কিছু বলার নাই । বইটি পড়া শুরু করলে একবারে শেষ না করে পাঠক থাকতে পারবেন না । কাহিনী কোথা থেকে কোথায় যায় পড়তে পড়তে পাঠক অবাক হতে থাকবেন । থ্রিলার প্রিয় পাঠক ছাড়াও সকল শ্রেনীর পাঠকের কাছেই বইটি অসাধারন মনে হবে ।"
Tultul Zabin , Jan 19, 2017
"‘ইনফার্নো’ অসাধারন একটি থ্রিলার উপন্যাস । মুল বইটির লেখক ড্যান ব্রাউন । ড্যান ব্রাউন সম্বন্ধে বলার কিছু নেই । বিশ্বের অন্যতম থ্রিলার লেখক ড্যান ব্রাউন । তিনি তার লেখা দ্য দা ভিঞ্চি কোড এর জন্য বিখ্যাত যা বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম বেস্ট সেলার বই । তিনি আমেরিকাতে জন্মগ্রহন করেন । তিনি আমহাস্ট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন চাকরি করেছেন । । বর্তমানে তিনি আর্ট হিস্টোরিয়ান এবং স্ত্রী কে নিয়ে আমেরিকার নিউ ইংল্যান্ডে বসবাস করছেনবইটির অনুবাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । তার জন্ম ঢাকায় । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর চারুকলা ইন্সটিটিউট ও পরে গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন । তিনি বহু জনপ্রিয় বিদেশী উপন্যাস অনুবাদ করে প্রকাশ করার পাশাপাশি কিছু মৌলিক বই ও লিখেছেন । বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালের জুন মাসে । বইটি বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় । বইটির প্রচ্ছদ করেছেন ডিলান । বইটি তে রবার্ট ল্যাংডন আবার এসেছেন দ্য দা ভিঞ্চি কোড বইটি থেকে । হার্ভার্ড প্রফেসর রবার্ট ল্যাংডন জ্ঞান ফিরে পেয়ে নিজেকে বাড়ি থেকে হাজার মাইল দূরে ইতালির ফ্লোরেন্সে আবিষ্কার করে। কীভাবে সে পৌঁছুল ওখানে, কোনো ধারণাই নেই তার; ডাক্তাররা তাকে জানায় সাময়িক এমনেশিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে সে। গত কয়েকদিনের কোনো ঘটনাই তার মনে নেই। বিভ্রান্তি চরমে পৌঁছে যখন ল্যাংডন দেখতে পায়, হাসপাতালে তাকে মারতে গুলি চালায় এক নারী আততায়ী। হাসপাতাল থেকে একটি মেয়ে ডাক্তার এর সাহাজ্যে সে বের হয় । মেয়ে ডাক্তার টি কে ? কে কি চায় ? সবকিছু প্রফেসর ল্যাংডন এর কাছে অস্বাভাবিক লাগে । কাহিনী এভাবেই চলতে থাকে । অসাধারন থ্রিলার এই উপন্যাস টি সকলের কাছেই ভালো লাগবে । বইটির জনপ্রিয়তার জন্য পরবর্তীতে এটি নিয়ে মুভিও বানানো হয়েছে ।"
Tultul Zabin , Jan 19, 2017
"‘ডিসেপশন পয়েন্ট’ অসাধারন একটি থ্রিলার উপন্যাস । মুল বইটির লেখক ড্যান ব্রাউন । ড্যান ব্রাউন সম্বন্ধে বলার কিছু নেই । বিশ্বের অন্যতম থ্রিলার লেখক ড্যান ব্রাউন । তিনি তার লেখা দ্য দা ভিঞ্চি কোড এর জন্য বিখ্যাত যা বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম বেস্ট সেলার বই । তিনি আমেরিকাতে জন্মগ্রহন করেন । তিনি আমহাস্ট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন চাকরি করেছেন । । বর্তমানে তিনি আর্ট হিস্টোরিয়ান এবং স্ত্রী কে নিয়ে আমেরিকার নিউ ইংল্যান্ডে বসবাস করছেনবইটির অনুবাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । তার জন্ম ঢাকায় । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর চারুকলা ইন্সটিটিউট ও পরে গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন । তিনি বহু জনপ্রিয় বিদেশী উপন্যাস অনুবাদ করে প্রকাশ করার পাশাপাশি কিছু মৌলিক বই ও লিখেছেন । বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে । বইটি প্রকাশিত হয় বাতিঘর প্রকাশনী থেকে এবং বইটির প্রকাশক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । প্রচ্ছদ করেছেন ডিলান । যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সিনেটর সেজউইক স্যাক্সটন ও প্রেসিডেন্ট যাক হার্নি, নাসা এবং NRO কে নিয়ে উপন্যাসটির কাহিনী NRO ডিরেক্টর উইলিয়াম পিকারিং র্যািচেল কে তার অফিসে ডেকে জানালেন, প্রেসিডেন্ট র্যা চেলের সাথে একটা ব্যক্তিগত সাক্ষাতকারে আগ্রহী। এখনই। প্রেসিডেন্ট তার জন্য হেলিকপ্টার পাঠিয়েছেন। পিকারিং ধারণা করেন প্রেসিডেন্ট কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মেয়েকে ব্যবহার করতে পারেন। এদিকে সিনেটর স্যাক্সটনের সাথে মেয়ে র্যােচেলের সম্পর্ক মোটেই ভাল নয় ।এইভাবেই ঝামেলার সূত্রপাত হয় । এরপরে কাহিনী বিভিন্ন দিকে মোড় নিতে থাকে । ড্যান ব্রাউন তার স্বভাবসুলভ ভাবে কাহিনীর প্রায় সবখানেই পাঠক কে রোমাঞ্চিত করার চেষ্টা করে গেছেন । থ্রিলার ও রোমাঞ্চোপন্যাস প্রিয় পাঠকদের নিকট গল্পটি অসাধারন লাগবে ।"
Tultul Zabin , Jan 19, 2017
"‘দ্য লস্ট সিম্বল’ বিশ্বের ইতিহাসের অন্যতম বেস্টসেলার বই । মুল বইটির লেখক ড্যান ব্রাউন । ড্যান ব্রাউন সম্বন্ধে বলার কিছু নেই । বিশ্বের অন্যতম থ্রিলার লেখক ড্যান ব্রাউন । তিনি তার লেখা দ্য দা ভিঞ্চি কোড এর জন্য বিখ্যাত যা বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম বেস্ট সেলার বই । তিনি আমেরিকাতে জন্মগ্রহন করেন । তিনি আমহাস্ট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে ইংরেজী শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন চাকরি করেছেন । । বর্তমানে তিনি আর্ট হিস্টোরিয়ান এবং স্ত্রী কে নিয়ে আমেরিকার নিউ ইংল্যান্ডে বসবাস করছেনবইটির অনুবাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । তার জন্ম ঢাকায় । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর চারুকলা ইন্সটিটিউট ও পরে গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা করেছেন । তিনি বহু জনপ্রিয় বিদেশী উপন্যাস অনুবাদ করে প্রকাশ করার পাশাপাশি কিছু মৌলিক বই ও লিখেছেন । বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে । বইটি প্রকাশিত হয় বাতিঘর প্রকাশনী থেকে এবং বইটির প্রকাশক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । প্রচ্ছদ করেছেন ডিলান । এ উপন্যাসের পটভূমি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি। উপন্যাসের শুরুতে রবার্ট ল্যাংডনকে অনুরোধ করা হয় স্মিথসোনিয়ান ইন্সটিটিউটের একটি বার্ষিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার জন্য। খুবই অল্প সময়ের মধ্যেই প্রস্তুত হতে হলেও ল্যাংডন এই অনুরোধ ফেলতে পারে না, কারণ এ অনুরোধ এসেছে তার পুরনো বন্ধু এবং মেন্টর স্মিথসোনিয়ান ইন্সটিটিউটের প্রধান পিটার সলোমনের পক্ষ থেকে। যারা ড্যান ব্রাউন এর উপন্যাস পড়েছেন তাদের সকলের কাছেই রবার্ট ল্যাংডন পরিচিত নাম । তো ল্যাংডন কথামত সেখানে পৌছে বিশাল এক বিপদে পড়ে যার জন্য সে কোনোভাবেই প্রস্তুত ছিলো না । কি সেই বিপদ ? কিভাবে সে মুক্ত্ হবে ঐ বিপদ থেকে ? জানতে হলে পড়তে হবে দ্য লস্ট সিম্বল বইটি । ড্যান ব্রাউন এর লেখা পড়ার পাঠকদের এইবার ও হতাশ হতে হবে না , মুলত সম্পুর্ন বইটিই পাঠকরা উপভোগ করবেন এইটা নির্দিধায় বলে দেওয়া যায় ।"
Khalid Faisal , Dec 29, 2016
"অতি সামান্য কিছু স্পয়লার আছে, খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে পড়তে পারেন। অন্যথায় না পড়াই উত্তম। ড্যান ব্রাউন ঠিক প্রিয় লেখক না হলেও বেশ ইন্টারেস্টিং লাগে পড়তে, যতটা না তার কাহিনী বা লেখার শৈলীর জন্য, তার চেয়ে অনেক বেশি যে তথ্যগুলো পাওয়া যায় তার বইয়ে সেই জন্য। স্বীকার করতেই হবে, দ্য ভিঞ্চি কোড বা অ্যান্জেলস অ্যান্ড ডিমনস বইদুটোতে যে পরিমাণ অদ্ভুত ব্যাপার-স্যাপার জানার আছে, অতটা অনেক গবেষনা বইয়েও পাওয়া যা্য না। অবশ্য তাই বলে ব্রাউন যে সবই ঠিকঠিক লিখছেন তাও না, তবে মুদ্রার একটা পিঠ জানতেও নেহায়েত মন্দ লাগে না। এছাড়াও আরো একটা ব্যাপার আছে, রবার্ট ল্যাঙডনকে নিয়ে বইদুটোতে সেখানে খুব ইন্টারেস্টিং কিছু পাজল ছিলো, আমার কাছে তো খুবই আকর্ষণীয় লাগে। অ্যাম্বিগ্রাম, এরপর দ্য ভিঞ্চি কোডের কিউরেটর সাহেবের দেয়া ধাঁধা - চমৎকার লেগেছিলো। সেই তুলনায় ডিসেপশন পয়েন্ট আর ডিজিটাল ফোর্ট্রেস ভালো লাগে নি, সেরকম কোন চমক নেই বলে। কাজেই ল্যাঙডনকে নিয়ে লেখা লস্ট সিম্বল নিয়ে আগ্রহ ছিলো বেশ। বের হবার সাথে সাথেই ডাউনলোড করে ফেল্লাম, এরপর একদিনেই বই খতম। কিন্তু লাগলো ক্যামন? ((আগেই বলে নিয়েছি, হালকা কিছু স্পয়লার আছে,তবে আসলেই হালকা। নিজ ঝুঁকিতে অগ্রসর হউন! )) বইয়ের কাহিনী এবার আমেরিকায়, ওয়াশিংটন ডিসিতে।আগের দুটো বইয়ে ইউরোপ ঘোরাঘুরি করলেও এবার হোমল্যান্ডেই রবার্ট ল্যাঙডন। ঘটনার সূত্রপাত হয় ওয়াশিংটন ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে এক পুরনো বন্ধু / মেন্টর পিটার সলোমনের দাওয়াতে একটা বক্তৃতা দেয়ার জন্য ল্যাঙডনের যাত্রা দিয়ে। এই পিটার সলোমন আবার স্মিথসোনিয়ান ইন্সটিটিউটের ডিরেক্টর, আর তার সাথে ফ্রিমেসন সোসাইটিরর ওয়ারশিপফুল মা্স্টার, মানে সর্বোচ্চ নেতা। ঠিকই ধরেছেন, ইলুমিনাটি, ভ্যাটিকান আর ওপাস ডেই এর পর এবারকার কাহিনী ফ্রিমেসন সোসাইটি নিয়ে। মেসনদের নিয়ে প্রথম পড়েছিলাম শার্লক হোমসে, সেখানে অবশ্য মেসনদের দেখানো হয়েছিলো বেশ মন্দ হিসেবেই। পরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রেফারেন্সে পেয়েছিলাম, কিন্তু তেমন কিছু জানতাম না, শুধু এটুকুই যে মেসনরা অ্যামন মন্দ কিছু না। এমনকি তারা সিক্রেট সোসাইটিও ঠিক না। ড্যান ব্রাউনই সুন্দর বলেছেন, They are not a secret society, rather a society with secrets. মেসনদের নিয়ে আমি না কচকচাই, এখানে উইকির এন্ট্রিটা আছে, আগ্রহীরা ওয়েবসার্চ দিলেই আরো হাজার হাজার লিন্ক পেয়ে যাবেন। বইয়ের নাম শুনেই বুঝতে পারছেন কোন একটা হারিয়ে যাওয়া সিম্বল খোঁজাই আমাদের সিম্বোলোজিস্ট রবার্ট সাহেবের এবারের কাজ। এর সাথে এসেছে আমেরিকার জন্মলগ্নে মেসনদের ভূমিকা আর প্রভাব। মেসন সোসাইটি এমন একটা রহস্য রক্ষা করে আসছে যা সাপোজেডলি মানুষকে গডলাইক ক্ষমতা দিতে পারে, আর এই রহস্যের পিছনে নেমেছে এক ম্যানিয়াক। বলে দিতে হবে না, শেষ পর্যন্ত ম্যানিয়াক হারে, আর রহস্য নিরাপদেই অনাবৃত হয় আমাদের নায়কের কাছে। যেটা মিসিং সেটা হলো আগের দুটো বইয়ের চমৎকার পাজলস। এই বইয়েও পাজল আছে, কিন্তু সেটা সমাধানে এমন কোন বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেননি ল্যাঙডন, বরং জায়গায় জায়গায় তাকে নেয়াহেতই উল্লুক মনে হয়েছে। আমার কাছে এই বইয়ের সবচেয়ে খারাপ লেগেছে এই ব্যাপারটাই, ল্যাঙডন গট আ লট স্টুপিডার। যত যাই বলুন না কেন ভাই, আমি বই-সিনেমার নায়কদের কাছ থেকে লার্জার দ্যান লাইফ ব্যাপার-স্যাপার না দেখতে পেলে একটু হতাশই হই। আর পাজলগুলোও আগের মতো এত নেই, যা আছে তাও আগের মতো আকর্ষণ করেনি। অ্যাকশন আছে মোটামুটি, জায়গায় জায়গায় বেশ রোমাঞ্চও আছে। কিন্তু বইয়ের সবচেয়ে ভালো পয়েন্ট কিছু থিওলোজিকাল আলোচনা। যারা গডস ডেব্রি বা রিলিজয়ন ওয়ার পড়ে মজা পেয়েছেন, তাদের বইটা ভালোই লাগার কথা। আমার কাছে বেশ চমৎকার লেগেছে, বেশ একটা অনন্য পার্সপেক্টিভ আছে স্রষ্টা-সৃষ্টি নিয়ে। শুধু এটুকুর জন্যও পড়তে পারেন, খারাপ লাগার কথা না। আর মেসনদের ভূমিকা ও প্রভাব নিয়ে খুব ইন্টারেস্টিং কিছু তথ্য আছে, সেগুলোও ভালো লেগেছে খুব। যেমন ইলুমিনাটি আর টেম্পলার নাইটসের নিয়ে বেশ চমৎকার অনেক কিছু জানতে পেরেছিলাম, সেজন্য এ বইয়ের কাছেও আশা ছিলো অনেক। সেদিক দিয়ে অন্তত হতাশ করেনি বইটা। সবমিলিয়ে দ্য লস্ট সিম্বল পড়লে হতাশ হবেন না, তবে আগের বই দুটোর মতো ভালো হয়তো লাগবে না।"
Supriya dey , Nov 16, 2016
"#প্রগতি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা নাম: দ্য দা ভিঞ্চি কোড লেখক: ড্যান ব্রাউন, অনুবাদক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ধরণ:থ্রিলার উপন্যাস, প্রকাশনা: বাতিঘর প্রকাশনী মূল্য: ৩৬০৳ পৃথিবীর মানুষের মধ্যে জরিপ করা হয়েছিল কেও যদি মঙ্গলে যেতে চায়, তাহলে তারা পৃথিবী থেকে কী নিয়ে যাবে? যে একটি বইয়ের নাম সবচেয়ে বেশি উঠে এসেছিল তার নাম 'দ্য দা ভিঞ্চি কোড'। ২০০৩ থেকে ২০০৯ এর মধ্যে আশি মিলিয়ন হার্ড কভার বিক্রি, ৪০ টা ভাষায় অনুদিত হওয়া শ্বসন দ্রুততর করার এক বইয়ের নাম দ্য ভিঞ্চি কোড। ওয়াশিংটন পোস্ট এর রিভিউ লিখতে গিয়ে উল্লেখ করেছে 'এই বই যদি আপনার নাড়িস্পন্দন বাড়াতে না পারে, তবে আপনার উচিত ডাক্তার দেখানো।' ডেনভার পোস্টের ভাষায় 'থ্রিলার উপন্যাস এর চেয়ে ভালো হতেই পারে না'। অস্ট্রেলিয়ান পাঠকদের নিয়ে জরিপে ২০১০ সাল পর্যন্ত সেরা ১০০ টা বইয়ের নামের মাঝে উঠে আসে ড্যান ব্রাউনের দ্য ভিঞ্চি কোড। জার্নালিস্ট Janet Maslin বলেন, কোড ব্রেকিং, বিভিন্ন হেঁয়ালি থেকে মুল তথ্য বের করা,এসব কিছু থেকে বলা যায়, এটা ব্লকবাস্টার পারফেকশন এবং শুধুমাত্র একটাই শব্দ; ওয়াও ।কিন্তু এত প্রশংসা থাকার পাশাপাশি বেস্ট সেলার এই বইটির রয়েছে বিরাট সমালোচনাও। ক্যাথলিক আর খ্রিষ্টান কমিউনিটির পাশাপাশি নিউ ইয়র্ক টাইমসের লেখক Laura Miller একে 'ঐতিহাসিক ধাপ্পার উপর নির্ভরশীল' উপন্যাস বলে উল্লেখ করেন। বিভিন্ন সমালোকরা ড্যান ব্রাউনকে ইতিহাস জাল করা, বিকৃত করা এবং কল্পনাপ্রসূত ইতিহাসের নির্মাতা বলে আখ্যা দেন। কিন্তু ২০০৩ সালে ব্রাউন এ উপন্যাসের সকল তথ্য, এবং ব্যাকগ্রাউন্ডকে সত্যি বলে দাবী করেন। ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এ বইয়ের সারসংক্ষেপ: একটি বিখ্যাত মিউজিয়ামের কিউরেটর জ্যাক সনিয়ে তার অফিসে আততায়ীর হাতে খুন হন। কিন্তু এই খুনের পিছনে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল না। ছিল এক গোপন জ্ঞান, যাকে কুক্ষিগত করার অভিলিপ্সা। কিন্তু কী ছিল সেই জ্ঞান যা ধারণ করার জন্য একই রাতে চারজন বিখ্যাত ব্যাক্তিকে মারা যেতে হল? সেই জ্ঞানের সাথে তার নাতনী সোফির সম্পর্ক কী? কেনই বা মৃত্যুর আগে সনিয়ে লিখে গেলেন 'ওহ ড্রাকোনিয়ান ডেভিল, O lame saint. PS, রবার্ট ল্যাংডনকে খুজে বের কর'। পুলিশ ধরেই নিয়েছে ল্যাংডনই খুনী। ল্যাংডন কী পারবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার পাশাপাশি সত্যের কাছাকাছি পৌছাতে? কিন্তু এ সব কিছুর সাথে চার্চের কী সম্পর্ক?? কিভাবেই বা এর সাথে জড়িয়ে গেছে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি, মোনালিসা, দ্য লাস্ট সাপার, ভিটুরিভিয়ান ম্যানের মত চিত্রকর্ম??? কোডের ভিতরে কোড, হেয়ালির ভিতরে হেয়ালি, এসবকিছু নিয়ে এ বই এগিয়েছে রেসিংকারের গতিতে। যা পড়তে পড়তে পিপলস ম্যাগাজিনের ভাষায়, পালস বাড়িয়ে আপনার মাথা ঘুরিয়ে দেবে। পাঠপ্রতিক্রিয়া: যদি আপনার তিন গোয়েন্দা পড়ার অভ্যাস থাকে, তবে এ বই পড়তে পড়তে মুসা আমানের মত একটাই কথা বেরিয়ে আসবে,'খাইছে রে, এই তাহলে কাহিনী।' ফিল্ম সমালোচক এবং লেখক Roger Ebert এর রিভিউতে বলেন " আমি প্রত্যেকদিন একটু সময়ের জন্য হলেও দ্য ভিঞ্চি কোড পড়ি, নিজেকে এটা মনে করানোর জন্য, জীবন অনেক ছোট, আর সেখানে দ্য ভিঞ্চি কোডের মত বই একজীবনে সবসময় আসে না।" সত্যি কথা। এই ছোট জীবনে যদি দ্য দ্য ভিঞ্চি কোডের মত বই নাই পড়তে পারলাম, তবে সে জীবনের মুল্য কতটুকু??? ব্যাপক আলোচিত এ বই পড়ার সময় প্রত্যেকবারই মনে হয়, নতুন করে শুরু করছি। এ বইয়ের রেটিং করা দু:সাধ্য হলেও আমার চোখে এর রেটিং 4.5।"
Kazi Asifuzzaman , Oct 20, 2016
"#রিভিউ বইঃ দি দ্য ভিঞ্চি কোড লেখকঃ ড্যান ব্রাউন অনুবাদঃ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রকাশকঃ বাতিঘর প্রকাশনী ধরণঃ থ্রিলার বা রোমাঞ্চোপন্যাস পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪৪৭ মূল্যঃ ২৩৮ টাকা (প্রগতি) সার-সংক্ষেপঃ দু’হাজার বছরের পুরনো সত্যকে চিরতরে নির্মূল করার জন্যে একই দিনে চারজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। সত্যটি জনাজানি হয়ে গেলে হাজার বছরের ইতিহাস লিখতে হবে নতুন ক’রে। সত্যটি লালন ক’রে আসছে একটি গুপ্ত সংঘ-সেই গুপ্ত সংঘের সদস্য ছিলেন আইজ্যাক নিউটন, ভিক্টর হুগো, বত্তিচেল্লি আর লিওনার্দো দা ভিঞ্চির মতো ব্যক্তি। ওদিকে উগ্র ক্যাথলিক সংগঠন ওপাস দাই সেই সত্যকে চিরতরে নির্মূল করার আগেই গুপ্তসংঘের গ্র্যান্ডমাস্টার তার ঘনিষ্ঠ একজনের কাছে হস্তান্তর ক’রে দেয় আর ঘটনাচক্রে এরকম একটি মারাত্মক মিশনে জড়িয়ে পড়ে হারভার্ডের সিম্বোলজিস্টের এক প্রফেসর। পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ যিশুখ্রীস্ট। (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪ অব্দ – আনুমানিক ৩০ খ্রিস্টাব্দ) ছিলেন একজন ইহুদি ধর্মপ্রচারক, যিনি খ্রিস্টধর্মের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। কুমারি মাতা মেরির কোলে জন্ম নেয়া এই মহাপুরুষকে খ্রীস্টধর্মাবলম্বিরা ঈশ্বরের পুত্র হিসেবে দাবী করেন। ২৫শে ডিসেম্বর খ্রীস্টের জন্মদিন তাদের ধর্মীয় গুরুত্তপূর্ণ দিন। ধর্মানুসারে যীশু একজন সমাজ সংষ্কারকও ছিলেন বটে। তার অনেক ভক্ত ছিল। তিনি একেশ্বরবাদের ধর্ম প্রচার করতেন। পরবর্তিতে তৎকালীন সমাজের উগ্রমতবাদীরা তাকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করে। লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি। ইতালীয় রেনেসাঁসের কালজয়ী চিত্রশিল্পী। অবশ্য বহুমুখী প্রতিভাধর লিওনার্দো দা ভিঞ্চির অন্যান্য পরিচয়ও সুবিদিত- ভাস্কর, স্থপতি, সঙ্গীতজ্ঞ, সমরযন্ত্রশিল্পী এবং বিংশ শতাব্দীর বহু বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের নেপথ্য জনক। তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে মোনালিসা, দ্য লাস্ট সাপার অন্যতম। এরমধ্যে মোনালিসার পর এই লাস্ট সাপার ছবিটিকেই লিওনার্দোর সেরা কীর্তি হিসেবে মনে করা হয়। ধারণা করা হয় ১৪৯৫-১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে ছবিটি আঁকা হয়েছিলো। ছবিটিতে মাঝখানে উপবিস্ট যিশুখ্রিস্টকে তাঁর চারপাশে শিষ্যদের নিয়ে শেষ নৈশভোজরত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। যে নৈশভোজের বর্ণনা রয়েছে গস্পেল অব জন’এর ১৩:২১ ছত্রে, যেখানে যিশু বর্ণনা করেন তাঁর বারোজন শিষ্যের মধ্য হতে একজন পরদিনই তাঁর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে। এবার আসি গল্পের কথায়। গল্পের শুরু হয় প্যারিসের লুভর মিউজিয়ামের কিউরেটরের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে। বিভৎসভাবে মৃত্যু হয় তার। কিন্তু তার ভেতরেও থেকে যায় রহস্য। অদ্ভুতভাবে একধরণের চিনহ রেখে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তাজ্জব বনে যায় পুলিশ। ঘটনাচক্রে মৃত্যুটির সাথে জড়িয়ে পড়েন হারভার্ড ইউনিভার্সিটির সিম্বলজির প্রসেফর রবার্ট ল্যাংডন। প্রচ্ছন্নভাবে খুনের দায় গিয়ে পড়ে তার উপর। সাহায্য করতে এগিয়ে আসে একজন মহিলা পুলিশ। তারপর শুরু হয় অভিযান। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার অভিযান। আস্তে আস্তে কিছু আশ্চর্য সত্যের সম্মুখিত হতে থাকে ল্যাংডন। বেরিয়ে আসে কিছু সত্য যা আগে কেউ জানতো না। চরম এক সড়যন্ত্রের জালে জড়িয়ে পড়ে সে। লেখক ড্যান ব্রাউনের ২য় বই এটি। তার প্রথম বইয়ের নাম এঞ্জেলস অ্যান্ড ডেমন্স। সেটিও এই ল্যাংডনকে নিয়ে লেখা। রবার্ট ল্যাংডনকে নিয়ে লেখক এখন পর্যন্ত ৪টি বই লিখেছেন। কিন্তু তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী সফলতা পেয়েছে দ্য ভিঞ্চি কোড। ইতিহাস, পুরান, শিল্প, সব মিলিয়ে পুরো প্যাকাজের মত করে লিখেছেন লেখক। এমনকি তিনি গল্পে এমনকিছু ব্যাপার তুলে ধরেছিলেন, যে স্বয়ং পোপ ‘ফতোয়া’ জারি করেছন, সত্যিকারের ক্যাথলিক হলে এ বই যেনো কেউ না পড়ে। এখন বলি অনুবাদের দিকটা। দ্য ভিঞ্চি কোড বইটির এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য ৩টি বাংলা অনুবাদ রয়েছে। তার ভেতর সর্বপ্রথমটি করেন বাতিঘর প্রকাশনীর কর্ণধার, লেখক, অনুবাদক “মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। বইটি বের হয় ২০০৫ সালের আগস্ট মাসে। আমার জানামতে এটি তাঁর করা প্রথম অনুবাদগ্রন্থ। তাই প্রথম বই হিসেবে একেবারে খারাপ হয়নি বইটি। ভাষা বেশ সাবলিল ছিল। তবে উপস্থাপণ ও বানানে ভুল ছিল প্রচুর। পরবর্তিতে অন্যান্য সংস্করণে বানানের দূর্বলতাটা কিছুটা কাটানো হয়েছে। কিন্তু এতকিছুর ভেতরেও ভিঞ্চি কোডের অনুবাদ্গুলোর মধ্যে এটিই সবথেকে বেশি পাঠক প্রিয়তা পেয়ে আসছে! উল্লেখ্য যে, ভিঞ্চি কোডের আরো একজন অনুবাদক আছেন। তিনি হচ্ছেন শেখ আবদুল হাকিম। যারা সেবা প্রকাশনীর বই নিয়মিত পড়েছেন বা পড়েন তাদের কাছে এটি অনেক সুপরিচিত নাম। এই ভদ্রলোকের অনুবাদ বেশ ভালো। এমনকি নাজিম সাহেবের থেকেও। তবে তার বইয়ের প্রচারণা কম ও দাম বেশি হওয়ায়, অনেকেই পড়তে পারেন না। ২০০৬ সালে এই বইটি অবলম্বনে হলিউডে মুভি তৈরী হয়। রবার্ট ল্যাংডনের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন খ্যাতনামা অভিনেতা টম হ্যাংকস। ছবিটা সেই বছর অন্যতম ব্যবসাসফল ছবিতে পরিণত হয়। কিন্তু পাঠকগণ, দয়া করে সিনেমার কথা শুনে বইটি পড়া থেকে বিরত থাকবেন না। কারণ বইটি না পড়লে সিনেমার অর্ধেকই বুঝবেন না কিংবা কাহিনীর পরিপূর্ণ মজাটা পাবেন না! বইয়ের বাহ্যিক দিকের কথা আর কি বলবো... প্রচ্ছদ, কাগজের মান, বাঁধাই, কভার সব কিছুই বেশ সুন্দর ও আকর্ষনীয়। দামও সাধ্যের ভেতর। সবশেষে এটাই বলবো, যারা এখনো পড়েন নি বইটি, পড়ে ফেলুন। ভালো লাগবে। আর হ্যাঁ! আপনারা সবাই হয়ত লক্ষ্য করেছেন, আমি রিভিউ এর প্রথমে যিশু আর লিওনার্দো ভিঞ্চির লাস্ট সাপার নিয়ে একটু জ্ঞান দিয়েছি। ওটা কেন দিলাম? বইটা পড়েন, বুঝতে পারবেন! রেটিংঃ ৪/৫"
SHAWON (shuvanu) , Jun 27, 2016
"তথ্যবহুল রোমাঞ্চ উপন্যাস। ড্যান ব্রাউন এমন একজন লেখক যিনি কিনা পাঠককে বোকা বানিয়ে ঘোরের মধ্যে রাখতে পছন্দ করেন। কিন্তু হ্যাঁ তাকে ভুল ভাববেন না!!! তিনি এটা আনন্দ দেবার জন্যই করে থাকেন। অনুবাদ ভাল হয়েছে।"
Ibrahim Hasnat , Jun 1, 2016
"অসাধারণ এক কথায় ।"
Wasifa Zannat , May 30, 2016
"বইটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সিনেটর সেজউইক স্যাক্সটন ও প্রেসিডেন্ট যাক হার্নি, নাসা এবং NRO কে নিয়ে। স্যাক্সটন নির্বাচনী প্রচারণায় এবং রাজনীতি বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে এগিয়ে আছে যেখানে কোন রহস্যময় কারণে প্রেসিডেন্ট অন্য কোন ব্যাপার নিয়ে ব্যস্ত এবং কাউকে দেখা দিচ্ছেন না। সিনেটর স্যাক্সটনের একমাত্র মেয়ে র্যাচেল স্যাক্সটন কাজ করে NRO (national Reconnaissance Office) তে ইন্টেলিজেন্স লিয়জো হিসেবে। NRO ডিরেক্টর উইলিয়াম পিকারিং র্যাচেল কে তার অফিসে ডেকে জানালেন, প্রেসিডেন্ট র্যাচেলের সাথে একটা ব্যক্তিগত সাক্ষাতকারে আগ্রহী। এখনই। প্রেসিডেন্ট তার জন্য হেলিকপ্টার পাঠিয়েছেন। পিকারিং ধারণা করেন প্রেসিডেন্ট কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মেয়েকে ব্যবহার করতে পারেন। এদিকে সিনেটর স্যাক্সটনের সাথে মেয়ে র্যাচেলের সম্পর্ক মোটেই ভাল নয়। সিনেটর স্যাক্সটন র্যাচেলকে বোঝাতে চেষ্টা করেছিলেন যে র্যাচেলের উচিৎ NRO র কাজ ছেড়ে দিয়ে তার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়া। র্যাচেল দৃঢ়ভাবে তা প্রত্যাখ্যান করে। এখানে স্যাক্সটন ও হার্নির কিছু চারিত্রিক ও রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য ও দৃষ্টিভঙ্গি উল্লেখ্য। স্যাক্সটন বহুগামী, সুপুরুষ। তার নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান টার্গেট নাসা। সিনেটর নাসার বরাদ্দ কমিয়ে তা শিক্ষাখাতে দেওয়ার পক্ষপাতী। নাসার সাম্প্রতিক কিছু ব্যর্থতায় জনগণকেও স্যাক্সটন এটা বুঝাতে সমর্থ হন যে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় যে বাজেট ব্যয় করা উচিৎ তা প্রেসিডেন্ট মহাকাশের আবর্জনা কেনার জন্য ব্যয় করছেন। বর্তমান সমীক্ষা অনুযায়ী স্যাক্সটনের এই থিওরি প্রেসেডেন্টের চেয়ে তাকে এগিয়ে রেখেছে। এই থিওরি স্যাক্সটনকে দিয়েছে তার প্রধান নির্বাচনী পরামর্শক সুন্দরী গ্যাব্রিয়েলে অ্যাশে, যার সাথেও সিনেটর এক রাতের রোমান্স করেছেন। অপর পক্ষে প্রেসিডেন্ট পুরোপুরি তার বিপরীত। মার্জিত ভদ্রলোক। যাক হার্নি সম্পর্কে এটা বলা হয়ে থাকে যে প্রেসিডেন্টের সাথে একবার কথা বলেছে সে তার জন্য নরকের দরজা পর্যন্ত যেতে রাজি হবে। প্রেসিডেন্ট নাসার অনেক ব্যর্থতার পরেও তাদের কে সমর্থন ও বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছেন। বলাইবাহুল্য এটা তাকে নির্বাচনী প্রচারণায় মোটেও সাহায্য করছে না। প্রেসিডেন্ট র্যাচেলেকে নাসার সাম্প্রতিক আবিষ্কারের বিষয়ে অবহিত করেন এবং সেখান থেকে তাকে সরাসরি আর্কটিকে পাঠিয়ে দেন আবিষ্কারের সত্যতা যাচাই করতে। বিস্মিত র্যাচেল সেখানে গিয়ে পরিচিত হয় কর্কি মার্লিনসন (আস্ট্রোফিজিসিস্ট)ও মাইক টলান্ড (বায়োলজিস্ট, সায়েন্স সেলিব্রেটি, সাপ্তাহিক ডকুমেন্টারি আমাজিং সী’ র হোস্ট ), ওয়াইলি মিং (জুলজিস্ট), নোরা ম্যাঙ্গর (আইসবার্গ স্পেশালিস্ট) এর সাথে। সেখানে র্যাচেল জানতে পারে নাসা একটা ম্যাটেওরাইট আবিষ্কার করেছে যাতে ভীনগ্রহের প্রাণের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। র্যাচেল ম্যাটেওরাইট দেখে, নিশ্চিত হয় এবং হোয়াইট হাউজের সকল স্টাফকে অবহিত করে নাসার আবিষ্কারের সত্যতা। টলান্ড এটা নিয়ে ডকুমেন্টারি বানায় যেটা প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পর প্রচারিত হবে। একটা ডুবোজাহাজে র্যাচেলদের খুজে পেয়ে প্রাণ রক্ষা করে। র্যাচেল তার বস পিকারিং এর সাথে যোগাযোগ করে সব কথা জানায়। পিকারিং হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র মার্জরি টেঞ্চের সাথে কথা বলে। টেঞ্চ র্যাচেলের অভিযোগ তার বাবার স্বার্থজ বলে অভিযোগ করে। পিকারিং মানতে রাজি হয় না। টেঞ্চ মার্জরি কে একটা পার্কে মিটিং এর আমন্ত্রণ জানায়। এদিকে পিকারিং র্যাচেলের কাছে জানতে চায় তার কাছে নিশ্চিত প্রমাণ আছে কিনা। সামুদ্রিক ডাটা ও নিশ্চিত প্রমাণের জন্য র্যাচেলরা টলান্ডের জাহাজে যায়। যেখানে তারা আবারও আক্রান্ত হয়। আগমন ঘটে কাহিনীর নেপথ্য পরিচালনাকারীর। কি হবে এরপর? বইটির লেখক ড্যান ব্রাউন (জুন ২২, ১৯৬৪) একজন মার্কিন রোমাঞ্চকর উপন্যাস লেখক। পৃথিবীব্যাপী আলোড়ন তোলা উপন্যাস দ্য দা ভিঞ্চি কোড রচনার জন্য তিনি সবচেয়ে পরিচিত যা ২০০৩ সালে প্রকাশিত এবং সর্বাধিক বিক্রী হওয়া উপন্যাস।"
Laila Mollika , May 28, 2016
"অসাধারণ একটা বই,"
murad , May 10, 2016
"বইটার কাহিনী শুরু হয়েছে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় কালে । সামনেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন । সেনেটর সেজউইক সেক্সটন এবার নির্বাচনের জন্য শক্ত প্রতিদন্দী । আরো ভাল করে বলা চলে তিনি অনেকটাই এবার প্রেসিডেন্ট হার্নিকে পেছনে ফেলে দিবেন এটাই আশা করা হচ্ছে । কিন্তু এতো কিছুর পরেই প্রেসিডেন্ট চুপ করে আসেন । তিনি একটা আসল ধাক্কা মারার জন্য অপেক্ষা করছেন । সেনেটর সেক্সটনের এবার নির্বাচনের প্রধান ইস্যু হচ্ছে নাসা । তার বক্তব্য মতে নাসা একটা ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান । তার পেছনে জনগনের টক্সের টাকা নষ্ট করার কোন মানে নেই । অন্য দিকে প্রেসিডেন্ট হার্নি আছেন নাসার পক্ষে । যখন নাসা বিরোধী আন্দোলন একেবারে তুঙ্গে তখনই সানা একটা চমৎকার আবিস্কার করে ফেলে । স্পেস থেকে পতিত হওয়া প্রায় মিলিয়ন বছর পুরানো একটা উল্কা পিন্ড আবিষ্কার করে ফেলে । এবং এর থেকেও বড় কথা হচ্ছে সেই উল্কা পিন্ডের ভেতরে পাওয়া যায় কিছু ভিন দেশী কিছু প্রাণীর ফসিল । এটো আবিস্কারের ফলে নাসার নামে যে ব্যর্থতার কলংক লেগেছিল সেটা মুছে যাবে মুহুর্তেই সেই সাথে সেনেটর সেক্সটনের প্রচারনের মূল ইস্যুটাই মুখ থুবড়ে পড়বে । কিন্তু প্রেসিডেন্ট হার্নি কোন ঝুকি নিতে চান না । নাসার আবিস্কারের উপরে যাতে কেউ কেউ সন্দেহ করতে না পারে সেই জন্য কয়েজন বিখ্যাত সিভিলিয়ান বিজ্ঞানীদেরকে নিয়োগ করে এসব ভাল করে পরীক্ষা করার জন্য । এর ভেতরে আবার একজন আছে যে কি না সেনেটর সেক্সটনের নিজের মেয়ে র্যা চেল সেক্সটন যে কিনা আবার গভারমেন্ট হাই অফিশিয়াল এন আর ওতে কর্মরত । প্রেসিডেন্টের ভাষ্য মতে যে এই সকল সিভিলিয়ান বিজ্ঞানী, বিজ্ঞান বিষয়ক জনপ্রিয় উপস্থাপক এবং স্বয়ং সেক্সটনের কন্যা যখন এই উল্কার ব্যাপারে সার্টিফিকেট দিবে তখন আর কারও কিছু বলার থাকবে । তাদের সবাইকে খুব গোপনে নিয়ে যাওয়া হয় এন্টার্কটিকাতে । সেখানে সবার সামনে সেই বড় উল্কা পিন্ডটা উত্তোলন করা হয় । কিন্তু ঝামেলা বেধে যায় অন্য যায়গায় । কিছু ধরা পরে একজন সিভিলিয়ান বিজ্ঞানীর চোখে । তারপর আস্তে আস্তে সব কিছু সামনে আসতে থাকে । কারো আর বুঝতে বাকী থাকে না আসলে যেমন টা ভাবা হচ্ছিলো ব্যাপার টা সেরকম নয় । এর ভেতরে কোন গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে । যদিও বলবো যে কাহিনী টা ড্যান ব্রাউনের আগের ভিঞ্চি কোন কিংবা এঞ্জেলস এন্ড ডিমোনসের মত না তবুও বইটা পড়ে আমি বেশ মজা পেয়েছি । সময়টা ভাল গেছে আশা করি আপনাদেরও ভাল লাগবে !"
Parvez Alam , May 6, 2016
"এই বই যদি না পরে থাকেন তাহলে বলব এখনি কিনে পরে না পরলে বুঝতে পারবেন না কি না পরে বসে আছেন"
Parvez Alam , May 6, 2016
"অনেক সুন্দর বই, যাদের কেনার ইচ্ছা আছে কিনে ফেলেন আর সাথে সাথে পরে ফেলেন কারন এই বছর এই বইএর উপরে একটা মুভি বের হচ্ছে,"
Fahim Al Shahriyar , May 6, 2016
"অসাধারন একটা বই"
murad , May 5, 2016
"পৃথিবীব্যাপী আলোড়ন তোলা উপন্যাস ‘দ্য দা ভিঞ্চি কোড’ রচনার জন্য তিনি সবচেয়ে পরিচিত। ২০০৩ সালে প্রকাশিত এবং সর্বাধিক বিক্রী হওয়া এই উপন্যাসের লেখক ড্যান ব্রাউন। ড্যান ব্রাউনের উপন্যাসের মূল উপজীব্য হচ্ছে ক্রিপ্টোগ্রাফি, রহস্যময় সংকেত ও এদের দ্বৈত-অর্থ। ড্যান ব্রাউনের উপন্যাসে এ ব্যাপারগুলোই বারংবার উঠে এসেছে। দ্য দা ভিঞ্চি কোড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথাসাহিত্যিক ড্যান ব্রাউন রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।, এই উপন্যাস অবলম্বনে একই শিরোনামে একটি হলিউড চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। ২০০৩ সালে ডাবলডে প্রকাশনী এই রহস্যমূলক উপন্যাসটি বইটি প্রকাশ করে। এর কাহিনী আবর্তিত হয়েছেহার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এর ধর্মীয় প্রতীক বিদ্যার অধ্যাপক রবার্ট ল্যাংডন ও সোফি নেভুর প্যারিস এর ল্যুভ জাদুঘরে ঘটে যাওয়া একটি খুনের ঘটনার তদন্ত নিয়ে। তদন্তে বেরিয়ে আসে যিশুর সাথে ম্যারি ম্যাগদালিন এর বিয়ে হয়েছে কি হয়নি এ নিয়ে প্রায়োরি অব সাইওন এবং ওপাস দাইএর মধ্যকার চলমান এক দ্বন্দ্বের কথা। দু’হাজার বছরের পুরনো সত্যকে চিরতরে নির্মূল করার জন্যে একই দিনে চারজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। সত্যটি জনাজানি হয়ে গেলে হাজার বছরের ইতিহাস লিখতে হবে নতুন ক’রে। সত্যটি লালন ক’রে আসছে একটি গুপ্ত সংঘ-সেই গুপ্ত সংঘের সদস্য ছিলেন আইজ্যাক নিউটন, ভিক্টর হুগো, বত্তিচেল্লি আর লিওনার্দো দা ভিঞ্চির মতো ব্যক্তি। ওদিকে উগ্র ক্যাথলিক সংগঠন ওপাস দাই সেই সত্যকে চিরতরে নির্মূল করার আগেই গুপ্তসংঘের গ্র্যান্ডমাস্টার তার ঘনিষ্ঠ একজনের কাছে হস্তান্তর ক’রে দেয় আর ঘটনাচক্রে এরকম একটি মারাত্মক মিশনে জড়িয়ে পড়ে হারভার্ডের সিম্বোলজিস্টের এক প্রফেসর। পাঠকের মনোজগত নাড়িয়ে দিতে পারে ।"
AL MAHMUD HOSSAIN , May 3, 2016
"Great :) .Different test but meets the need."
Parvez Alam , May 2, 2016
"এই বই নিয়ে আসলে কিছু বলার নাই, যদি অল্প করে কিছু বলি তাহলে বলব মাথা নষ্ট করার মত একটা বই, অসাধারন। অনুবাদ অনেক ভালো"
Fahim Al Shahriyar , Apr 27, 2016
"অসাধারন একটা বই। আমার জীবনে পড়া বেস্ট বই। এই একটা মাত্র বই পড়ে আমি ড্যান ব্রেউনের ভক্ত হয়ে গেছি"
Farzana Sultana , Mar 28, 2016
"ড্যান ব্রাউনের অসাধারণ গল্প- কিন্তু অনুবাদকের বিচ্ছিরি অনুবাদ। এই অনুবাদকের অ্ন্যান্য ব্ই পড়ার আগে দ্বিতীয়বার চিন্তা করার পরামর্শ দিচ্ছি।"
Abdullah AL Amin , Mar 19, 2016
"boi ta k ami 5 star dibo.......durdanto thrilling.......but onubad e onek printin mistake ace..........200-400 page er modhe ei mistake gula beshi.........tanahole one of the best books."
prodipto saha , Mar 5, 2016
"অসাধারন !!!!! অনুবাদটাও জোস!! এবং মন্ত্রমুগ্ধের মত বইটা পড়ার পর অনুধাবন করলাম যে বইটার সম্পর্কে সকল প্রসংশা যথার্ত!!"
Adnan Rahman Chowdhury , Oct 30, 2015
"ড্যান ব্রাউন সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই - কাহিনী আর থ্রিলটা অসাধারণ। সমস্যা হল বইটির অনুবাদ নিয়ে। বইটি বানান আর ব্যাকরণগত ভুলে ভর্তি। তাছাড়াও বইটির ২, ৩ আর ৪ নাম্বার চাপ্টারগুলো নেই। আমি এটা দেখে প্রগতিকে ফোন করে বলেছিলাম আমাকে ভাল একটা কপি পাঠাতে। প্রগতি সাধ্যমত চেষ্টা করে। কিন্তু বাতিঘর প্রকাশনীর কাছে কিংবা অন্য কোন প্রকাশনীর কাছেও এটার আর কোন মুদ্রণ নেই। বাধ্য হয়ে এটাই পড়ি। রেটিং আমি ড্যান ব্রাউন কিংবা গল্পটাকে দেইনি। দিয়েছি বাতিঘর প্রকাশনীকে।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
21 টিবইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
prothome kon boita porbo terpor konta,abong ter por konta josi aktu bolten..sirial onujayi..😊
এই বই গুলোর যে ৬ টা পার্ট আছে সেগুলো আমি কিনতে চাচ্ছি স্টকে আছে? এবং হ্যাঁ এই বই গুলো পড়লে আমি কি কি জিনিস যানতে পারবো? আর এই বইয়ের লেখা গুলো কি বাস্তব নাকি লেখকের কল্পনা? এবং এই বই য়ে কি ইলুমিনাতি অথবা গোপন এজেন্ডা সম্পর্কে লেখা? প্লিয একটু যানাবেন!
. Angels
ai series er boi gulo er serial bolte pareb please
এটার নেক্সট বই কি দ্য দা ভিঞ্চি ক্লাব??
এটা হার্ডকাভার নাকি পেপার কভার
boi ta ki available ekhon?
how many page
boi ti stock a kobe asbe? please please aktu bolben.
দ্য দা ভিঞ্চি কোড আর দা ভিঞ্চি কোড বই দুইটা কি ভিন্ন? নাহ একই একটু বলবেন?
বইটিতে কত পৃষ্ঠা আছে ?
এঞ্জেলস এন্ড ডিমন্স বইটি এই সিরিজের প্রথম বই না? ওটার অনুবাদ নাজিম উদ্দিন স্যার করেন নি?
দ্য দা ভিঞ্চি কোড, অনুবাদক :নাজিম উদ্দিন -এই বইয়ের অনুবাদ কতটা ভাল?
পিডিএফ এভেইলেবল?
বইটির পেজ সংখ্যা কত এবং স্টক এ আছে নাকি?
দ্য ভিঞ্চি কোড এবং দ্য লস্ট সিম্বল কি একই কাহিনী?
page koto?
ata kon prokashonir
Can i get this book from outside of Dhaka??
শেষ মুদ্রণ কবের?
Many I know how was the bengali translation?? I want to read this novel, will remain grateful if anyone shares his experience. Please...
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"ড্যান ব্রাউনের ৫টি বই (রবার্ট ল্যাংডন সিরিজ) (প্রগতি কালেকশন)" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: