১ম সংস্করণ, ২০২২
দ্য ম্যান ইন দ্য হাই ক্যাসেল
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | দ্য ম্যান ইন দ্য হাই ক্যাসেল |
| Author | ফিলিপ কে. ডিক |
| Publisher | পেপার ভয়েজার |
| Edition | ১ম সংস্করণ, ২০২২ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 288 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.22 Kg |
| Translator | খালেদ নকীব |
| ISBN | 9789849643920 |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
3 Ratings and 3 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৩টি
Ashikur Rahman , Oct 22, 2025
"খুবই উৎসাহ নিয়ে কিনেছিলাম। অল্টারনেট হিস্ট্রি জনরার বই আগে পড়িনি। কেনার পর ২ পাতার বেশি পড়তে পারিনি। এতটাই দুর্বল আর খাপছাড়া অনুবাদ। প্রিভিউ না দেখে অনুবাদ বই কেনা যে উচিত না, একাধিক বার ধরা খেয়ে শিক্ষা হয়েছে অবশেষে।"
Asikul Islam , Apr 26, 2024
"ফালতু অনুবাদ। মনে হচ্ছিল ক্লাস ৬-৭ এর বাচ্চার করা।"
Tarique Mahamud , Aug 3, 2022
"যদির কথা নদীতে ফেলো বলে একটা কথা আছে বৈকি। অর্থ ক্লিয়ার। যদির কথা নিয়ে বেশি মাথা ঘামিও না। সময় নস্ট করো না। তবে মানুষের ক্রিয়েটিভ চিন্তার ইতিহাসে এই যদি ধারণাটার ইমপ্যাক্ট কিন্তু ম্যাসিভ। এই ক্ষেত্রে অবস্য যদি দিয়ে কথাটা কে তুলছেন, সেটা গুরুত্বপূর্ণ! ফিলিপ কে ডিকের লেখা অল্টারনেটিভ হিস্ট্রে জনরার উপন্যাস “দ্য ম্যান ইন দ্য হাই ক্যাসেল”-ও ওই যদির উপরে ভিত্তি করে লেখা। কেমন হতো, যদি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনি বিজয়ি না হয়ে অক্ষশক্তি জয়লাভ করতো? কেমন হতো যদি পুরা দুনিয়াটা হিটলারের জার্মানি, ইতালির মুসলিনি আর জাপনা সম্রাটের মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে যেত? কেমন হতো সেখানকার মানুষের জীবন? কোন কোন কালচারাল এবং ধর্মিয় প্রভাব ডমিনেট করতো মানব সমাজকে? ১৯৩৩-এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট আততায়ীর গুলিতে খুন হলেন। ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে আগে আমেরিকায় তীব্র অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয়, যুদ্ধে ইনভল্ভ হওয়া থেকে তারা বিরত থাকে। এই সুযোগে হিটলারের নাৎসি জার্মানি ইউরোপ এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে “বৃহত্তর জার্মানিক রাইখ” নামের একটা দেশ প্রতিষ্ঠা করে। এদিকে ইম্পেরিয়াল জাপান একাই পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়া ভোগ-দখল করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে হামলে পরে। উল্টো দিক থেকে পূর্ব উপকূলে আগ্রাসন চালায় নাৎসি জার্মানি। শেষে ১৯৪৭-এ মিত্র বাহিনীর আত্মসমর্পণে অবসান ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের। এই হলো “দ্য ম্যান ইন দ্য হাই ক্যাসেল” উপন্যাসের সংক্ষিপ্ত ব্যাকগ্রাউন্ড। উপন্যাস শুরু হয় ১৯৬২ সালের প্রক্ষাপটে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার ১৫ বছর পর। আমেরিকান ভুখন্ড তিন ভাগে বিভক্ত। বেশির ভাগ অংশই জাপান আর জার্মানির কবলে। মাঝে একটা নিউট্রাল জোন আছে। ততদিনে এই দুই শক্তির মধ্যেও আবার শুরু হয়ে গেছে দখলদারি আগ্রাসন, ইন্টারনাল টেনশন। একটা কোল্ড ওয়ার পরিস্থিতি। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বেশ কয়েকটা ক্যারেক্টারকে সেন্টার করে এগুতে থাকে গল্প।বড় কোন একশন নেই। নেই মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মত কোন টুইস্ট। নেই লোমহর্ষক থ্রিলও। আছে বেশ কয়েকটা চরিত্র। তাদের আন্তর্দ্বন্দ্ব, মানষিক টানাপোড়েন। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকার জন্য বিশ্বাস আর যুক্তিকে আকড়ে ধরার চেষ্টা। আর আছে “দ্য গ্রাসহপার লাইজ হ্যাভি” নামের একটা ফিকশনের কথা। জ্বী, এ্যা নভেল ইউথইন এ্যা নভেল। যেটা আবার একটা অল্টারনেটিভ হিস্ট্রি উপন্যাস। সেখানে অন্য এক লেখক দেখান যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আদতে মিত্রবাহিনি হারে নাই।আমেরিকানরাই দুনিয়ার নেতৃত্ব দিতেছে! কিছু আমেরিকানদের মনে এই উপন্যাস র্যাজিস্ট্যান্স, কারো মনে একটা আশা জাগানিয়া ঘোর তৈরি করে। বাস্তাব দুনিয়ার দুঃখ-যন্ত্রনাকে ভুলে তার এমন একটা অবাস্তাব দুনিয়ার কল্পনা করে যেখানে তারা বিজয়ি, যেখানে হীনমন্য নয় তাদের জীবন। স্বপ্ন আর আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। দুনিয়ার নেতা তারা! কিন্তু এ্যাজ এ পাঠক, আমাদের অবস্থান আদতে এই উপন্যাসের মধ্যে কোথায়?বাংলাদেশ বা আফ্রিকার, অথবা তৃতীয় বিশ্বের একজন নাগরিক হিসেবে আমরা যদি নিজেদেরকে ডিকের এই উপন্যাসের মধ্যে স্থাপনি করি, আমেরিকা, র্জামানি বা জাপান, ক্ষমতার ছড়ি যেই ঘুরাক না কেন, আমাদের বাস্তবতায় খুব বেশি পার্থক্য আসলে নেই। আমরা এখন যেমন কোন না কোন ভাবে আমেরিকার মুখাপেক্ষি। তখন জাপানের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকতাম। এই যা! দখলদারী রেজিমে সকল মানুষই দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক। নিজ দেশে উদবাস্তু! খুব স্পষ্ট করে না হলেও এই ইঙ্গিতটাই ডিক দিয়েছেন। কেন বইটা ভালো লাগছে শেষ আগে টু দ্য পয়েন্ট যদি বলি— ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী চরিত্রগুলোর চিন্তার লজিক, দ্বন্দ এবং কনফিউশন ডিক যেভাবে প্রজেন্ট করেছেন সেটা বেশ এনজয় করেছি। চরিত্রগুলোর বেশ জটিল সব অনুভূতি চমৎকার নিরপেক্ষ টোনে এক্সপ্লোর করেছেন। পাওয়ার কি ভাবে একটি জনগোষ্ঠীর সমাজ এবং ব্যক্তির চেতনায় প্রভাব বিস্তার করে তার একটা চমৎকার চিত্র ফুটে উঠেছে। গ্রামসি’র হ্যাজিমনি থিউরির দারুন একটা ফিকশনাইজেশন বলতে হবে এই উপন্যাসকে। এই উপন্যাসের স্লো গতি, লো-টোনের ভাষা, ভিন্নি ভিন্ন উদেশ্যে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রগুলোর ভিন্ন ভিন্ন অভিমূখের যাত্রা। ক্যারেকটার ডেভলাপমেন্ট। বইয়ের ফ্রেম ভেঙ্গে চরিত্রগুলোর জীবন্ত হয়ে উঠার প্রক্রিয়া। পড়তে পড়তে এদের সাথে পাঠক হিসেবে একটা সর্ম্পকও তৈরি করে ফেলা যায়। ভালো ফিকশনের এই উপাদনটা আছে। ১৯৬২ সালে প্রকাশিত পিকেডি’র এই উপন্যাস হুগো এওয়ার্ড জয় করে নেয়। এটি পিকেডি’র ওয়ান অব দ্য ফাইনেস্ট কাজ। খালেদ নকীবরে অনুবাদ বেশ ভালো লেগেছে। বইটির পেপারব্যাক এডিশন বের করেছে পেপারভয়েজার। নিঃসন্দেহে সময় উপযোগী উদ্যোগ। বইটি কৌতুহলী পাঠকদের হাতে হাতে শোভা পাক, এই প্রত্যাসা করছি।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"দ্য ম্যান ইন দ্য হাই ক্যাসেল" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: