১ম প্রকাশ, ২০২৩
দ্য জুয়েল অব সেভেন স্টারস
1200+ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি
এ জাতীয় আরো বই দেখুন
ময়ূরাক্ষী
হুমায়ূন আহমেদ
তোমাকে
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র
হুমায়ূন আহমেদ
মিসির আলি সমগ্র ২
হুমায়ূন আহমেদ
হিমু সমগ্র ২য় খণ্ড
হুমায়ূন আহমেদ
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
হুমায়ূন আহমেদ
বইটির বিস্তারিত দেখুন
| Title | দ্য জুয়েল অব সেভেন স্টারস |
| Author | ব্রাম স্টোকার |
| Publisher | নয়া উদ্যোগ |
| Edition | ১ম প্রকাশ, ২০২৩ |
| Number of Pages (পৃষ্ঠা সংখ্যা) | 220 |
| Country | বাংলাদেশ |
| Language | বাংলা |
| Category | উপন্যাস ও সাহিত্য |
| Weight | 0.33 Kg |
| Translator | অনির্বাণ ভট্টাচার্য্য |
বিজ্ঞপ্তি
গ্রাহকদের অবগতির জন্য বিশেষ বার্তা
Reviews and Ratings
Rate this product
51 Ratings and 4 Reviews
পাঠকদের মন্তব্য
৪টি
Mahin Riza , Jan 7, 2024
"Horror plus Sci-fi mixed ase. But as Bram stoker's book ata onanno gulor theke kom."
Farabi Islam , Mar 2, 2023
"বেস্ট থ্রিলার 💞🥰"
Rj Shuvo , Feb 26, 2023
"থ্রিলার প্রিয় বই 🥰 এক কথায় অসাধারণ ।"
Mim akter , Feb 25, 2023
"বই: দ্য জুয়েল অব সেভেন স্টারস লেখক: ব্রাম স্টোকার অনুবাদ: অনির্বাণ ভট্টাচার্য্য প্রকাশক: নয়া উদ্যোগ মুদ্রিত মূল্য: ৪২০ টাকা রিভিউ: মীম আক্তার দ্য জুয়েল অব সেভেন স্টারস আমার খুবই পছন্দের একটা বই। মূলত মিশরীয় মিথলজির উপর আগ্রহ থেকে বইটি পড়া হয়েছিল। এবং পড়ার পর অলটাইম ফেভারিটের তালিকায় ঢুকে গেছে। এবার নয়া উদ্যোগ থেকে পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ বের হবার পর বইটা সংগ্রহ করেছিলাম। দুই পাতা চোখ বুলানোর জন্য পড়তে গিয়ে কখন যে বইটা শেষ করে ফেলেছি, বলতেও পারব না। অনির্বাণ ভট্টাচার্য্যের অনুবাদ আমি আগে কখনো পড়িনি, একটু দ্বিধা যে কাজ করেনি সেটা বলব না। তবে, কোনো বিরতি ছাড়াই যেহেতু বইটা পড়ে শেষ করতে পেরেছি, সকল দ্বিধা কেটে গেছে। প্রথমেই আসি এই বইয়ের নামকরণে। ব্রাম স্টোকার কেন এই বইয়ের নাম “দ্য জুয়েল অভ সেভেন স্টারস” রাখলেন? কাহিনী তো অবশ্যই একটা আছে। সেটা নিয়েই চলুন আলোচনা করা যাক আগে। দ্য জুয়েল অভ সেভেন স্টারস এর বাংলা অর্থ দাঁড়ায় সাতটি তারার রত্ম। এখানে সাতটি তারা মানে হচ্ছে সপ্তর্ষিমন্ডল। সপ্তর্ষিমন্ডন তো চেনেন সবাই? ঐ যে আকাশে প্রশ্নবোধক একটা চিহ্ন আছে না? ওটাই। এখন কথা হচ্ছে, বইটার এমন উদ্ভট নাম কেন? সপ্তর্ষিমন্ডলের রত্ম আবার কী জিনিষ? এর ব্যাখ্যা দিতে গেলে মিশরের রানী টেরার জীবন নিয়ে একটু আলোচনা করতে হবে। প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মিশরের একাদশ রাজবংশের রানী ছিলেন টেরা। ওঁর জীবনের সাথে সাত (৭) সংখ্যাটা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন মিশরীয় ক্যালেন্ডারের সপ্তম মাসে। সে মাস আবার ছিল দেবী হ্যারোথের। দেবি হ্যারোথ সাতটা রূপে বিরাজ করতে পারতেন। টেরা যেদিন জন্মগ্রহণ করেন সেদিন আকাশের সপ্তর্ষিমন্ডল থেকে একটা উল্কাপিন্ড পড়ে মিশরে। সেই উল্কাতে জ্বলজ্বলে একটা রুবি পাথর ছিল। সে পাথর গোবরে পোকার আদলে কেটে নিজের কাছে রাখতেন রানী। পাথরটা এমনভাবে কাটা হয়েছিল যে এর সাতটা প্রান্তে সাতটা বিন্দু ছিল অবিকল সপ্তর্ষিমন্ডলের মত। সবথেকে আশ্চর্য্য ব্যাপার হল ওঁর একটি করে হাত ও পায়ের আঙুল ছিল সাতটি করে। রাজা আন্তেফের মেয়ে হিসেবে সিংহাসনে বসেন রানী টেরা। আন্তেফ তার মেয়েকে সব বিষয়ে প্রচুর শিক্ষা দেন। জ্যোতির্বিদ্যায় রানী টেরার সমকক্ষ তখন কেউ ছিল না। এমনকি কালো যাদুতে নিজের শিক্ষকদেরও ছাড়িয়ে যান টেরা। কিভাবে মৃত্যুকে জয় করা যায় সেই সাধনায় লিপ্ত হন। ওঁর কাছে এমন জ্ঞ্যান ছিল যা দিয়ে তিনি দেব দেবীদেরও নিজের আয়ত্মে রাখতে পারতেন। এসব কারণে মিশরীয় পুরোহিতরা ওঁর উপর অসন্তষ্ট ছিলেন। তাঁরা চেয়েছিলেন মৃত্যুর পর যেন টেরার কোনও নাম নিশানা না থাকে। রানী টেরা এসব জানতেন। তাই মৃত্যুর আগে নিজের মমির সাথে প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র দিয়ে দিতে বলেছিলেন নিজের বিশ্বস্ত অনুচরদের। এসব জিনিষপত্র ওঁর পূনরোত্থানে কাজে লাগবে। নতুন এক পৃথিবীতে জেগে উঠবেন টেরা। যেখানে তখনকার মত হিংসা বিদ্বেষ নেই। আছে শুধু ভালোবাসা। পাচ হাজার বছর আগে রানী টেরার জীবন নিয়ে আলোচনা করলাম এতক্ষণ। বর্তমানে ফেরা যাক। বর্তমান বলতে ১৯ শতকের মাঝামাঝি বোঝাতে চাচ্ছি। এই বইয়ের প্রেক্ষাপট যে সময়টাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। মি. অ্যাবেল ট্রেলনি একজন ডাচ লেখকের বই থেকে প্রথমে জানতে পারেন রানী টেরার সমাধীর সম্মন্ধে। তারপর তিনি সে জায়গাটা খুঁজে বের করেন। রানী টেরার সমাধীক্ষেত্র থেকে সব কিছু তুলে নিয়ে আসেন ইংল্যান্ডে। তারপর থেকে ঘটতে থাকে ব্যাখ্যার অতীত ঘটনা। মি. ট্রেলনির মেয়ে মার্গারেটের কথায় তাদের বাড়িতে উপস্থিত হয় মার্গারেটের বন্ধু মি. ম্যালকম রস। মি. ট্রেলনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকেন নিজের রুমে। ডাক্তার পরীক্ষা করেও অজ্ঞান হওয়ার মত কোনও কারণ খুজে পান না। প্রায় চারদিন অজ্ঞান থাকেন মি. ট্রেলনি। এরমধ্যে নানারকম ব্যাখ্যার অতীত ঘটনা ঘটেই চলেছে। মি. ট্রেলনি অজ্ঞান অবস্থা থেকে জেগে উঠলেই সব কিছুর ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে। তিনি নিজেই একটা চিঠিতে বলে গেছেন এমনটা হতে পারে। যদি তিনি অজ্ঞান হয়ে যান তাকে যেন সর্বক্ষণ পাহারায় রাখার ব্যবস্থা করা হয়। দ্বিতীয়বারের মতন বইটা শেষ করার পরেও মনে আক্ষেপ থেকে গেলো, যা! শেষ হয়ে গেলো ।"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q&A)
বইটি সম্পর্কে পাঠক ও ক্রেতাদের সাধারণ জিজ্ঞাসা এবং প্রগতি সাপোর্ট টিমের নির্ভরযোগ্য উত্তর
বইটি সম্পর্কে আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?
বইটির সংস্করণ, বিষয়বস্তু, ডেলিভারি বা অন্য যেকোনো তথ্যের জন্য নিঃসংকোচে প্রশ্ন করুন। আমাদের টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
সম্পর্কিত অন্যান্য বই
সবগুলো দেখুন →বইটির রিভিউ লিখুন
আপনার রিভিউ ও রেটিং সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
বইটি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
আপনার প্রশ্নটি সফলভাবে জমা নেওয়া হয়েছে!
আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর প্রদান করবে। উত্তর দেওয়া হলে তা এই বইয়ের পাতায় প্রদর্শিত হবে।
"দ্য জুয়েল অব সেভেন স্টারস" বইটি সম্পর্কে আপনার যা জানার আছে লিখুন। আমাদের সাপোর্ট টিম দ্রুত উত্তর দেবে।
লগইন বা একাউন্ট প্রয়োজন
রিভিউ, রেটিং ও প্রশ্ন করার জন্য একটি একাউন্ট খুলে নিন অথবা আপনার একাউন্টে লগইন করুন।
বইটি ডেলিভারি পাওয়ার পর রিভিউ দিন
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের সুবিধার্থে আমাদের ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র বইটি কিনে সফলভাবে ডেলিভারি পাওয়ার পরেই রিভিউ বা রেটিং প্রদান করা যায়।
বইয়ের কিছু অংশ পড়ুন
পাতা: